Hirendra Nath

Hirendra Nath সেখানে নেই কোন আলোর পথ, আছে শুধু পুড়িয়ে যাওয়া হৃদয়ের ছাই?

12/05/2026

“বিয়ের আগে মায়ের আশীর্বাদ নিচ্ছে লক্ষিন্দর"

12/05/2026

বেহুলা লক্ষিন্দরের গান। করুণ কাহিনী...

12/05/2026

মনষা মঙ্গল।

12/05/2026

মনষা মঙ্গল কাব্যগ্রন্থ। বেহুলা লক্ষিন্দরের গান।

11/05/2026

বেহুলা লক্ষিন্দরের গান।

03/05/2026

সন্ধ্যা
হিরেন্দ্র নাথ রায়

বেলা শেষে সন্ধ্যা আসে,
বাড়িতেও জ্বলে উঠে প্রদীপ।
সন্ধ্যায় চারদিকে বেজে উঠে,
উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘন্টার প্রতিধ্বনি।
প্রতিটি বাড়ি ধুপধুনার ধোঁয়ায়,
বাড়িয়ে দেয় প্রাণের আস্বাদন।।

রাত্রি বাড়ার সাথে চারদিকে -
গ্রামে ঝি-ঝি পোকার শব্দ।
জোনাকিপোকার রঙিন আলো।
আমি হারিয়ে যাই,
রাত্রির নিস্তব্ধতা বিদীর্ণ
অপরূপ প্রকৃতির মাঝে।

মাঝে মধ্যে বাড়ির কুকুর গুলো,
ঘেউ ঘেউ করে আসছে বলে।
দূরের ওই বাঁশঝাড় থেকে -
কানে আসে শেয়ালের হাঁক।।

একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিয়ে -
শুয়ে পড়ি মাতৃভূমি - মায়ের কোলে।

01/05/2026

মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়া গ্রাম। গ্রামের একটি বিখ্যাত পরিবার ‘দত্তবাড়ি’। আঠারো শতকের শেষভাগে রসিক দত্ত ও মুক্তক...
01/05/2026

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়া গ্রাম। গ্রামের একটি বিখ্যাত পরিবার ‘দত্তবাড়ি’। আঠারো শতকের শেষভাগে রসিক দত্ত ও মুক্তকেশী দম্পতির ঘরে জন্ম নিয়েছিলো ১১জন ছেলে। সে ১১জনের প্রত্যেকেই নিজেদের প্রচেষ্টায় ও মেধাবলে হয়ে উঠেছিলেন একেটা রত্ন। একই মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া ১১জন সন্তানের এমন কীর্তিগাঁথা পুরো উপমহাদেশে বিরল ঘটনা! 🥰🥰

বোয়ালখালী উপজেলায় ঊনবিংশ শতকে শিক্ষার প্রসারে অনন্য অবদান ছিলো সে ১১ জনের! যার কারণে ‘দত্তবাড়ি’ নামে খ্যাত এই বাড়িটি আজও তাঁদের স্মৃতিবিজড়িত! মুক্তকেশীর বড়ছেলের নাম ছিলো রেবতীরমণ দত্ত। তিনি ছিলেন বৃটিশ সরকারের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট!

১৯২৮ সালে রেবতীরমণ দত্ত তাঁর মায়ের নামে বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়ায় প্রথমবারের মতো মেয়েদের জন্য উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর এক ভাই ছিলেন ড. বিভূতি ভূষণ দত্ত, যার নামে তিনি একটা বালক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর ১৯৩৯ সালে পণ্ডিত স্যার আশুতোষ মুখার্জির নামানুসারে বৃটিশ বাংলার পল্লী অঞ্চলের প্রথম কলেজ ‘স্যার আশুতোষ কলেজ‘ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৬ সালে এই কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়! এছাড়াও ক্লাব, পাঠাগারসহ গড়েছেন নানান সামাজিক প্রতিষ্ঠান!

এই দত্ত বাড়ির আর এক সন্তান সুবিমল দত্ত, যিনি ভারতের ফরেন সেক্রেটারি ছিলেন এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশ এ ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন. তিনি এই রত্নগর্ভার ১১ সন্তানের মধ্যে এক সন্তান।

সংরক্ষণের অভাবে চট্টগ্রামের হাজারো ইতিহাস-ঐতিহ্যের মতো এটাও বিলীন হওয়ার পথে। ১১ রত্নের জন্মভিটাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আলোকিত কীর্তি হিসেবে উপস্থাপন করা গেলে এটা হতে পারে সকল প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার অন্যতম আসর। একারণে বোয়ালখালীর ঐতিহাসিক দত্তবাড়িকে হেরিটেজ ঘোষণার দাবি উঠেছে অনেকবার, তবে স্থায়ী কোনো সমাধান বা উদ্যোগ কোনোটাই আসে নি! যা অত্যন্ত দুঃখজনক!

সংগৃহীত।

চড়ক পূজাবাংলায় এই অত্যাচার শুরু হয়েছিল ১৪৮৫ সালে, রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুরের আমলে। তখন তাঁদের রাজপরিবারেই এটা পালন করা হত।...
15/04/2026

চড়ক পূজা

বাংলায় এই অত্যাচার শুরু হয়েছিল ১৪৮৫ সালে, রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুরের আমলে। তখন তাঁদের রাজপরিবারেই এটা পালন করা হত। পরে তা ছড়িয়ে যায় পূর্ববঙ্গের সমস্ত অন্চলে।

জমিদাররা প্রজাদের খাজনা জমা দেওয়ার শেষ দিন স্থির করেছিলেন ৩০ চৈত্র। মরা মাসে এমনিতেই মানুষের হাতে টাকা পয়সা কম থাকত। তার উপর ফি বছর খরা, বন্যা আর ঘূর্ণিঝড়। খাজনা দেওয়ার জ্বালায় বহু প্রান্তিক চাষি বাধ্য হত আত্মহত্যা করতেও। এটা ছিল জমিদার-মহাজন ও ব্যবসায়ী সম্মিলিত ফাঁদ, যেখানে প্রতিটি মানুষ পা দিতে বাধ্য হতে। অভাবের তাড়নায় হোক বা নিত্যপ্রয়োজনে, দায়ে পড়ে এই তিন শ্রেণীর কাছে যেত এবং সর্বস্ব খুইয়ে ঘরে ফিরত তারা। প্রয়োজনে মহাজনরা পাইক পাঠিয়ে আদায় করতেন তাঁদের সমস্ত সুদ-আসল।

কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, বরিশালের জমিদাররা তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন। যদিও চড়ক সংক্রান্তিতে বড়শি ফোঁড়া বা বাণ ফোঁড়া ছিল প্রথমে অপেক্ষাকৃত নীচু সম্প্রদায়ের প্রথা। ব্রাহ্মণরা অংশগ্রহণ করতেন না। কিন্তু খাজনা আদায় করতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পাশ হওয়ার জমিদাররা এই প্রথার বাজেভাবে ব্যবহার করেন। ১৮০০ সাল থেকে ১৮৯০ সাল পর্যন্ত প্রায় এটা চলেছিল। এর মধ্যে ১৮৬৫ সালে ইংরেজরা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল নিষ্ঠুরতা দেখে( বাণ ফোঁড়া, বড়শি ফোঁড়া ইত্যাদি)।

কয়েকজন জমিদার ছিলেন আরও এগিয়ে। তাঁরা আবার প্রজাদের জমিদার বাড়িতে আকৃষ্ট করার জন্য জমিদার বাড়ির চত্বরে কবিগান, লাঠিখেলা এবং হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করতেন। কারণ এই সময় সমস্ত প্রজাদের আসতেই হত এখানে খাজনা দেওয়ার জন্য। জমিদারবাড়ি থেকেই আগেই ঘোষণা করা হত যে, সাল তামামির খাজনা সবটা শোধ করলে আলাদা করে কোনো সুদ লাগবে না। তাই দলে দলে মানুষ সেখানে উপস্থিত হতে এবং এই সুযোগে জমিদাররা বছরে একবারই মাত্র তাঁদের মুখমণ্ডলটি নিয়ে প্রজাদের সামনে সগৌরবে দর্শন দিতেন।

কিন্তু যারা খাজনা দিতে পারত না? তাঁদের কী হত? ফসল খারাপ হলে তাদের মাফ করে দেওয়া হত? সে ইতিহাস পাওয়া যায় না। পূর্ববঙ্গের জমিদাররা অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষদের নিয়ে লেঠেল দল তৈরি করতেন। সেই দলের ভয়ে বাঘে গোরুতে এক ঘাটে জল খেত। সেই লেঠেল দল গোটা জমিদারি এলাকায় প্রজাদের শাসিয়ে বেড়াত। পাশাপাশি, প্রায়ই ৩০ চৈত্রের মধ্যে পুরো খাজনা জমা দিতে বাধ্য করত।

চড়ক পেরিয়ে গেলেও সাধারণ মানুষ, কৃষক শ্রেণী কেউই বৈশাখী নববর্ষের প্রতি আকৃষ্ট হয়নি। কারণ, ৩০ চৈত্রের ভয় তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিত। বরং বৈশাখী নববর্ষকে তৎকালীন সময়ে অনেকেই ব্যঙ্গের চোখে দেখতেন, তাই পণ্ডিত যোগশচন্দ্র রায়বিদ্যানিধি তাঁর ‘পূজা-পার্বণ’ গ্রন্থে লিখেছিলেন – “কয়েক বৎসর হইতে পূর্ববঙ্গে ও কলিকাতার কেহ কেহ পয়লা বৈশাখ নববর্ষোৎসবের করিতেছে। তাহারা ভুলিতেছে বিজয়া দশমীই আমাদের নববর্ষারম্ভ। বৎসর দুটি নববর্ষোৎসব হইতে পারে না। পয়লা বৈশাখ বণিকরা নূতন খাতা করে৷ তাহারা ক্রেতাদিগকে নিমন্ত্রণ করিয়া ধার আদায় করে৷ ইহার সহিত সমাজের কোনো সম্পর্ক নাই৷ নববর্ষ প্রবেশের নববস্ত্র পরিধানদির একটা লক্ষণও নাই।” যোগেশচন্দ্র রায়বিদ্যানিধির মতে, বিজয়া দশমীই আমাদের নববর্ষ। আবার অনেকের মতে, অঘ্রাণ মাসই নববর্ষের মাস। কিন্তু কোনোভাবেই বৈশাখী নববর্ষ আমাদের আদি নববর্ষের সূচনালগ্ন ছিল না।

তাই অনেকে বলেন, বাঙালির প্রকৃত নববর্ষ ছিল অঘ্রান মাসের আমন ধান ওঠার পর, অর্থাৎ পয়লা অঘ্রাণ। গ্রামে গ্রামে নববর্ষ পালন করা হত নবান্ন উৎসবের মাধ্যমে। আকবরের আমলে অঘ্রাণ থেকে খাজনা নেওয়ার সময় বৈশাখ মাসে নিয়ে যাওয়া হয়, সৌরবর্ষ ও চন্দ্রবর্ষের মধ্যে তারতম্য দূর করতে। তবে লর্ড কর্নওয়ালিসের আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা জমিদারি ব্যবস্থা পাশ করার পর, বৈশাখ মাসের নববর্ষ আর চড়ক সংক্রান্তি যেন সাধারণ মানুষের মনে উৎসবের আনন্দ নয়, ভয়ার্ত জীবনের সূচনা করে।

তথ্যসূত্র – নববর্ষ ও বাংলার লোক সংস্কৃতি।

Address

Birganj

Telephone

01723806671

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hirendra Nath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share