Mohammed Abdulla Al Habib

Mohammed Abdulla Al Habib জীবনে বেছেতাকার অন্ন ওপায়

20/10/2022

︵🦋🤍

___ღ۵এই পৃথিবীর সব-চেয়ে༎🖤🥀🌺
সুন্দর-ও-সৌভাগ্যতম মুহূর্ত হলো সিজদাহ্, যেখানে মৃত্যু মানেই জান্নাত

আলহামদুলিল্লাহ্༎🥰🤍

︵🦋🤍.

30/09/2022

- জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম থেকে বাঁচার দোয়া!😌

- আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান্নার..!!❤️🌸

- Best Your Timeline 🌸

লক ডাউন চলাকালীন কেউ ইমারজেন্সি বাড়ির বাইরে যেতে হলে মুভমেন্ট পাশ নিন নিচের ধাপগুলো অনুসরন করেঃ মুভমেন্ট পাশ করার নিয়মঃ...
24/04/2021

লক ডাউন চলাকালীন কেউ ইমারজেন্সি বাড়ির বাইরে যেতে হলে মুভমেন্ট পাশ নিন নিচের ধাপগুলো অনুসরন করেঃ
মুভমেন্ট পাশ করার নিয়মঃ
Step-1:
https://movementpass.police.gov.bd এই লিংকে প্রবেশ করুন
Step-2:
প্রথমে মোবাইল নাম্বার দিন
Step-3:
জন্ম তারিখ দিন
Step-4:
কোথা থেকে যাবেন তা দিন
Step-5:
আপনার থানার নাম দিন
Step-5:
কোথায় যাবেন তা দিন
Step-6:
আপনার গন্তব্যের থানার নাম দিন
Step-7:
আপনার নাম দিন
Step-8:
জেন্ডার দিন
Step-9:
আপনার বয়স দিন
Step-10:
কী জন্য পাশ প্রয়োজন তা দিন (যেমন চাকরি)
Step-11:
পাশ ব্যবহারের তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন
Step-12:
যদি নিজের কোন গাড়ি ব্যবহার করেন তার নাম্বার এন্ট্রি করুন
Step-13:
আপনার NID নাম্বার দিন
Step-14:
আপনার ছবি দিন
Step-15:
সাবমিট করুন
আপনার পাশ করা হয়ে গেলো।
এখন আপনি আপনার পাশটি ডাউনলোড করুন এবং আপনার সাথে সংরক্ষণ করুন।
***বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজের এবং প্রিয়জনদের সুরক্ষার কথা নিয়ে ভাবুন।

লকডাউন পরিস্থিতিতে জরুরী প্রয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বের হওয়ার অনুমতি নিতে পুলিশ এর সংশ্লিষ্ট বিভাগে আবেদন ক...

রাত ১২ টার সময় আমার বউকে উলঙ্গ হয়ে শাওয়ারে গোসল করতে দেখে বেশ অবাক হলাম।শরীরে কাপড়ের কোনো ছিটেফোটাও নেই।কিন্তু হঠাৎ করে ...
12/03/2021

রাত ১২ টার সময় আমার বউকে উলঙ্গ হয়ে শাওয়ারে গোসল করতে দেখে বেশ অবাক হলাম।শরীরে কাপড়ের কোনো ছিটেফোটাও নেই।কিন্তু হঠাৎ করে এত রাতে এভাবে গোসল করছে কেন?
--মারিয়া তুমি এত রাতে এভাবে গোসল করছো কেন?
ভেতর থেকে কোনো সাড়া এলোনা।মারিয়া শাওয়ারের নিচে দাড়িয়ে আছে।মুখটা আয়নার কাচের দিকে।আমার কথা তার কানে পৌছাছে কি বুঝতে পারলাম না।আমি দ্বিতীয়বার তাকে ডাক দিলাম।কিন্তু আবার কোনো সাড়া এলোনা।আমি বাথরুমের ভিতরে প্রবেশ করি।মারিয়ার কাধে হাত দিতেই মারিয়া চমকে উঠে।
--সাগর তুমি এখানে কি করছো?আর আমার কাপড় কোথায়?
--প্রশ্ন গুলো আমি তোমাকে করবো কিন্তু তার আগে তুমিই করে দিলে।
--মানে বুঝলাম না।
--মানে হলো তুমি এত রাতে বাথরুমে উলঙ্গ হয়ে গোসল করছো কেন?আর কত ডাকছি সাড়া দিচ্ছোনা।
---কি বলছো এসব?আমি তো পানি খেতে উঠেছিলাম তারপর তুমি ঘাড়ে হাত দিলে মাঝখানে কি হয়েছে কিছু মনে নেই।
আমিও আর তখন মারিয়াকে আর কিছু জিগ্যেস করিনি।মারিয়া কাপড় পড়ে গিয়ে শুয়ে পড়ে।আমিও শুয়ে পড়ি।কিন্তু আজকে আমার আর ঘুম আসবেনা।আজকে আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে।কয়দিন থেকে মারিয়া মধ্যে রাতে রুমে থাকছেনা।আমি ভাবছি বাথরুমে যায়।তাই এত খুজিনি।কিন্তু আজ যখন তাকে খুজতে উঠলাম ঠিক তখন দেখি মারিয়া উলঙ্গ হয়ে বাথরুমে গোসল করছে।
সকালে অফিস আছে তাই বেশি না ভেবে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।নয়তো অফিস মিস হয়ে যেতে পারে।সকালে ঘুম ভাঙে দেখি মারিয়া তখনো ঘুমাচ্ছে।এমনটা কখনো হয়না মারিয়ার আগে আমি কোনোদিন ঘুম থেকে উঠতে পারিনি।কিন্তু বেস কয়দিন থেকে আমি আগে উঠি।মারিয়া পরে।তার কাপড় সব এলো মেলো থাকে।কখনো কাপড় শরীরে থাকেইনা।কিন্তু যখন ঘুম ভাঙে সব সাভাবিক।
আমার তখন অনেকটা টেনশন হয়।প্রথম দিন এমন দেরি করে ঘুম থেকে উঠার জন্য অনেক বকা দেই।কিন্তু মারিয়া আমার কোনো কথার উত্তর দেয়নি চুপচাপ শুনেছে।পরেরদিন করাতে আবার বকেছি সেদিনো শুনেছে কোনো উত্তর দেয়নি।তাই তারপর থেকে আমি আর তাকে কিছু বলিনা।খাবার ফ্রিজে থাকে।সেখান থেকে বের করে গরম করে খেয়ে অফিসে চলে যাই।
আমি অফিস শেষে বাসায় ফিরার পথে মারিয়ার ফেবারিট হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানি কিনি।সাথে রেশমি চুড়ি আর একটা গোলাপ ফুল।সেগুলো নিয়ে বাসায় আসি কলিংবেল চাপি কিন্তু ঘর খুলছেনা।আবার চাপ দেই।তাও কোনো সাড়া শব্দ নেই।এমন তো হয়না।আমি কলিং বেল দিলে মারিয়া সাথে সাথে দরজা খুলে দেয়।মনে হয় যেন আমারি অপেক্ষায় দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকে।কিন্তু আজ দরজা খুলছেনা।
আমি আবার কলিং বেল চাপ দেই।দরজা ধাক্কা দেই।
--মারিয়া দরজা খোলো।এত দেরি হচ্ছে কেন?কোথায় তুমি?
ঠিক তখনি ভেতরে কিছু পড়ার শব্দ হয়।ঝনঝন করে উঠে।আমি শব্দটা শুনে বারবার দরজা ধাক্কা দিতে থাকি ঠিক তখন মারিয়া দরজা খুলে দেয়।
আমি হন্তদন্ত হয়ে ভেতরে প্রবেশ করি।
--কি ব্যপার সেই কখন থেকে কলিং বেল দিচ্ছি শুনতে পাচ্ছিলে না?
--সরি শুনতে পাইনি।
মারিয়ার কপাল ঘেমে আছে।শ্বাসপ্রশ্ব
াস অনেক দ্রুত হচ্ছে।তার শরীরে কাপড় ঠিক নেই।আমার দিকে কেমন ভয়াল চোখে তাকিয়ে আছে।
আমি আর মারিয়াকে কিছু বলিনা।দরজা আটকিয়ে দেই।তারপর মারিয়াকে তার ফেবারিট খাবার রেশমি চুড়ি আর গোলাপটা দেই।মারিয়া তখন অনেক খুশি হয়।আমাকে জোড়িয়ে ধরে।মারিয়া আগে যখন জোড়িয়ে ধরতো তখন যতটা নিজের মধ্যে ফিলিংক্স কাজ করতো আজকে তার কিছুই হয়নি।আমি মারিয়ার কপালে বিনা ফিলিংক্সে চুমো দেই।
রাতে খাওয়া শেষে খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ি।অফিসে অনেক কাজের চাপ ছিলো।শরীর ক্লান্ত তাই বিছানাতে গা এলিয়ে দিতেই ঘুমিয়ে পড়ি।পানির ঝিরঝির শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়।বিছানার পাশে হাত দেই।মারিয়া নেই পাশে শব্দটা বাথরুম থেকেই আসছে।কিছুখন পরে মারিয়া বাথরুম থেকে বেরিয়ে আমার পাশে শুয়ে পড়ে।
শরীরে অনেক সুগন্ধী দিয়েছে মনে হচ্ছে।আমাকে মারিয়ার কিছু কাজ অনেক ভাবাচ্ছে।মারিয়া এত রাতে কি করে?গোসল কেন করে এত রাতে প্রতিদিন?মারিয়া কি অন্য কোনো কাজ করে নাকি শুধু গোসল করে?কিন্তু কেন?বাড়িতে এসি লাগানো আছে।গরমো নেই যে সেজন্য গোসল করবে।আমার মাথায় তখন কিছু আসছিলোনা।
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আজ মারিয়া বিছানায় নেই।তার মানে আজ আগে ঘুম থেকে উঠেছে।আমি ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাই ফ্রেশ হতে।ফ্রেশ হয়ে বাহিরে যাই দেখি কিচেনে রান্নার শব্দ হচ্ছে।আমি মারিয়ার কাছে কিচেনে যাই।কিন্তু এমনটা দেখবো কখনে আশা করিনি।
মারিয়া পুরো উলঙ্গ হয়ে আছে।তার শরীরে কোনো কাপড় নেই।কাপড় মেঝেতে পড়ে আছে।আর উলঙ্গ অবস্থাতেই রান্না করছে।আমি মারিয়াকে অনেকবার ডাকি কিন্তু কোনো সাড়া দেয়না।এক ধ্যানে রান্না করতে থাকে।আমি মারিয়ার কাছে যাই আর আমার দিকে তার মুখ করি আর এক থাপ্পড় দেই।
মারিয়া চমকে উঠে দু হাত পিছে সরে যায়।আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে যাকে বিয়ের পর এখন পর্যন্ত গায়ে হাত তুলিনি আজ হঠাৎ তাকে থাপ্পর মারলাম।তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়তে থাকে।কিন্তু তখন আমার মনে কোনো দুর্বলতা কাজ করছেনা।
--তুমি উলঙ্গ হয়ে রান্না করছো কেন?
মারিয়া নিজের শরীরের দিকে তাকায়।তারপর তার কাপড় খুজার জন্য পাড়াপাড়ি করতে লাগে।মেঝে থেকে কাপড় নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি পড়ার চেষ্টা করে।কিন্তু মানুষ যখন বেশি তাড়াতাড়ি কোনো কাজ করতে যায় তখন সেটা হতে চায়না।
মারিয়া আমার দিকে ভয়ালো চোখে দেখছে আর কাপড় পড়ছে।বারবার কাপড় পড়তে গিয়ে ভুল করছে।মারিয়াকে দেখে মনে হচ্ছে সে আগে কখনো কাপড় পড়েনি আজকে প্রথম কাপড় পড়ছে।
বাড়িতে আমরা দুজনেই থাকি।যদি আজ বাবা মা থাকতো তাহলে কি হতো?তাদের সামনে মুখ দেখাতাম কি করে?ভাগ্য ভালে যে বাবা মা গ্রামের বাড়িতে থাকে।আমি সেখান থেকে চলে আসি।অফিসের জন্য রেডি হই।মারিয়া টেবিলে খাবার দিয়ে আমাকে খেতে ডাকে।খাবার কোনো ইচ্ছা নাই আমার।তাই না খেয়েই অফিসে চলে আসি।আমি কেবিনে বসে আছি।কাজে মন বসছেনা
ঠিক তখনি অফিসের এমডি আমার কেবিনে
--স্যার আপনি আমার রুমে কেন?আমাকে ডাকলেই তো চলে যেতাম।
--সাগর তোমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলাম তুমি তো বসেই আছো।
--স্যরি স্যার।ভুলে গেছিলাম।
--কি হয়েছে সাগর তোমার?কিছুদিন ধরে মন মরা হয়ে বসে থাকো দেখছি।
--না স্যার তেমন কিছুনা।
--ঠিক আছে।শোনো আজকে একটা পার্টি আছে।তোমাকে কিন্তু থাকতে হবে।
--স্যার বাসায় আমার স্ত্রী একা আছে।তার শরীর খারাপ পার্টিতে আমার থাকা কি খুবি জরুরী?
--হ্যা।অনেক জরুরী।বিদেশী কোম্পানিকে নতুন প্রযেক্টটা তুমি তাদের দেখাবে।
--স্যার তাও যদি।
--না সাগর একদিনে কোনো সমস্যা হবেনা।তোমার থাকতে হবে।
অফিসের এমডির সাথে তো আর বেশি তর্ক করা যাবেনা।তাই রাজি হয়ে গেলাম।কিন্তু মনটা বাড়িতে চলে যায়।বাসায় ফিরতে দেরি হলে একা একা কি করবে তার কোনো ঠিক নেই।পুরাদিন অফিসের কাজে কেটে গেলো।সন্ধ্যার দিকে অফিসের সবাই মিলে পার্টিতে যাই।
সেখানে বিদেশী কোম্পানীকে আমাদেন প্রযেক্টের কথা বলি।তারা সবকিছু দেখে অনেক পছন্দ করে।আর আমাদের কোম্পানীর সাথে তারা চুক্তি করে।স্যার তো অনেক খুশি হয় তাতে।সবাই খুশিতে তখন ড্রিংক্স করছিলো আর ফুর্তি করছিলো।শুধু আমার মনটা বাড়িতে পার্টিতেও মন বসাতে পারছিনা।একটা বিষয়ে হঠাৎ খকটা লাগে মারিয়া আমাকে এখনে একবারো ফোন দেয়নি আমি কেন দেরি করছি।বাড়িতে এখনো যাইনি কেন।
পার্টি মাঝে আমি স্যারের কাছে যাই
--স্যার কাজ তো শেষ।আমি বাসায় যাই?
--আরে মাত্র তো পার্টি শুরু হলো এখনি বাসায় গিয়ে কি করবে?
--স্যার অনেক রাত হয়েছে পরে গাড়ি পাবানা বাসায় যেতে আজকে আমি গাড়ি নিয়ে আসিনি।
--তুমি এসব নিয়ে ভেবোনা আমার ড্রাইভারকে বলে দিবোনি সে তোমাকে বাসায় রেখে আসবে।
--স্যার বাসায় আমার বউ একা আছে।
--সাগর তুমি কি বউ পাগল বলোতো।এখানে কত মেয়ে আছে যাও ফুর্তি করো।
--না স্যার আমার এসব ভালো লাগেনা।
--আরে কি বলো এসব যুবক ছেলে তুমি এখন ইন্জয় করবেনা তো কখন করবে।আচ্ছা তুমি ঐ রুমে গিয়ে বসো।
আমার পার্টিতে মেয়েদের সাথে ফুর্তি করার কোনো ইচ্ছা নেই।এমডি সাহেব একটা মেয়েকে নিয়ে একটা রুমে ঢুকে গেলো।আর তার পিএকে কি যেন বললো।বড়লোক হলে যা হয় বাসায় বউ আছে দুইটা বাচ্চা আছে তাও এসব করে।
আমি পাসের রুমে গিয়ে বসে পড়ি।এমডি আমাকে বাসায় যেতে দিচ্ছেনা।এখানে আমার একটুকু মন টিকছেনা।কিছুখন পর দেখি রুপা রুমে প্রবেশ করে।আমাদের কোম্পানীতেই চাকরি করে।শুনেছি সে আমাকে পছন্দ করে।রুপা আমার পাশে বসে।
--কি ব্যাপার মিস রুপা আপনি এখানে কেন?
--এমডি স্যার আমাকে পাঠিয়েছে।তোমার নাকি মন খারাপ তাই মন চাঙ্গা করতে এসেছি।
--কি যাতা বলছেন আমি ঠিক আছি।
রুপা আমাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে বিছানায় ফেলে দেয়।তারপর তার বুকের কাপড় ফেলে দেয়।আমি তখন অনেকটা ভয় পেয়েগেছি।রুপা যথেষ্ট সুন্দরী যেকোনো ছেলের মধ্যে ফিলিংস জাগবে।কিন্তু আমি তাদের থেকে একটু আলাদা।রুপা তার শাড়ি খুলে ফেলে দেয়।আমার দিকে এগিয়ে আসতেই আমি বিছানা থেকে উঠে পড়ি।রুপা আমার কাছে আসে আমি তাকে একটা থাপ্পর মারি।
রুপা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।সে এমনটা আশা করেনি।তার রুপ যৌবন আমাকে বিলিয়ে দিতে চাচ্ছে কিন্তু আমি তা না নিয় তাকে থাপ্পর মারলাম।এমনটা হয়তো সে আশা করেনি।তার ভাবনার বাহিরে ছিলো।রুপা কিছু বলতে যাচ্ছিলো আমি তাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে বাহিরে বেরিয়ে আসি।
কিছুখন পর অফিসের বস বেরিয়ে আসে।আমাকে বাহিরে দেখে অবাক হয়।হয়তো সেও এটা আশা করেনি।মানুষ যা সব সময় আশা করে তা সব সময় হয়না।কিছু সময় তার উল্টোটাও হয়।তাই কোনো কিছু নিয়ে বেশি আশা করা উচিত না।
--কি ব্যাপার সাগর তুমি এখন এখানে বসে আছো?
--ভালো লাগছিলোনা স্যার তাই এখানে বসে আছি।
--রুপা কোথায়?সে তোমার তাছে যায়নি?
--যাবেনা কেন গেছিলো আমি সেখান থেকে চলে এসেছি।আমাকে বাসায় পাঠিয়ে দিন প্লিজ।
--ঠিক আছে।তুমিই একটা মানুষ যাকে ভাঙা গেলোনা
বলেই হাসতে থাকে বস।আমার তখন বসের হাসি বিষের মতো লাগছিলো।
বস তার ড্রাইভারকে বললেন আমাকে যেন বাসায় দিয়ে আসে।যাবার পথে ড্রাইভারের সাথে কোনো কথা হয়নি।যখন গাড়ি থেকে নেমেছি শুধু তখন বললো
--স্যার এটাই আপনার ফ্লাট?
--হ্যা এটাই আমার কিন্তু কেন?
--না স্যার এমনি।
বলে গাড়ি ঘুরিয়ে চলেগেলো।
আমিও বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করলাম।অনেক রাত হয়েগেছে।একবারো ফোন করা হয়নি।না যানি মারিয়া খেয়েছে কি না খেয়েই ঘুমিয়েছে।আমি কলিং বেল বাজালাম।দরজা খুললনা।বেশ কয়েকবার বাজালাম একি রেজাল্ট।দরজা ধাক্কা দিলাম কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ নেই।মারিয়া ঘরের মধ্যে আছে তো?যদি ঘরের মধ্যে না থাকে তাহলে দরজা ভেতর থেকে আটকানো কা করে?তার মানে ঘরের মধ্যই আছে।
আমি আরো বেশ কয়েক মিনিট কলিং বেল বাজালাম দরজা ধাক্কা দিলাম কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ পাচ্ছিনা ভেতর থেকে।যদি মারিয়া ঘুমের মধ্যেও থাকে তাহলেও এতখনে শুনতে পাওয়ার কথা।রাত তখন প্রায় সাড়ে ১১টা।আমার তখন অনেক টেনশন হচ্ছিলো।মারিয়ার কিছু হয়নি তো?
আমি তখন কি করবো বুঝতে পারছিনা।আমার কাছে দ্বিতীয় চাবিও নেই।কি করবো বুঝতে পারছিনা।ঠিক তখন মনে পড়ে বাহিরে একটা বড় হাতুড়ি আছে।সেদিন কি কাজে যেন রেখেছিলাম পরে আর ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়নি।আমি হাতুড়ি টা খুজে বারবার করলাম।তারপর সেটা দিয়ে দরজা ভেঙে ফেলি।পুরো বাড়ি অন্ধকার।কোনো আলো নেই ঘরের মাঝে।
তখন আমার কানে আশে কোনো মেয়ের মৃদু চিৎকার তা কোনো আত্মচিৎকার ছিলোনা।চিৎকারটা অন্য রকম ছিলো।কি হচ্ছে ঘরের মধ্যে?
আমি এক এক করে সব লাইট জ্বেলে দেই।তারপর আমার ঘরে যাই।সেখানে দেখি আমার বিছানায় কোনো চাদর নেই নিচে পড়ে আছে।মারিয়া ফ্লোরে উলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছে।পুরো ঘর এলোমেলো।কোন জিনিস তার জায়গা মতো নেই।কেমন ঘুটঘুটে একটা গন্ধ বের হচ্ছে ঘর থেকে।
চলবে...................
#প্রতিশোধ
#প্রথম_পর্ব
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন কেমন হলো অবশ্যই জানাবেন??

22/02/2021

#অন্ধকারের_আড়ালে (পর্ব ০১)
#রবিউল_হাসান_সাইমুন

বাতি নিভিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটি। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে নিজেরই প্রতিবিম্বের দিকে। দেহের উপরিভাগ পুরোপুরি উন্মুক্ত এবং পেটের ঠিক মাঝখানে বড় একটা কাটা দাগ। রক্ত চুইয়ে পড়ছে দাগটা থেকে। গত কয়েক দিন থেকেই দেখা দিয়েছে সমস্যাটি। রাত হলেই পেটে প্রচন্ড ব‍্যথা শুরু হয় ঈশিতার। আর আয়নার সামনে এলে দেখতে পায় পেটের উপর বিরাট একটা কাটা দাগ। কিন্তু অবাক করার মতো ব‍্যাপার হলো দিনের বেলায় দাগটাকে দেখা যায় না আর।
বাড়ির অন্য কাউকে জানাবে জানাবে করেও জানায় নি এই ভেবে যে অন‍্যেরা তাকে পাগল ভেবে বসবে। তবে একটা জিনিস আজ খেয়াল করেছে ঈশিতা। তা হলো গতকালের তুলনায় আজ যেনো দাগটা তুলনামূলক একটু বেশিই বড় হয়ে গেছে। গতকালও দাগটা এতোটা বড় ছিল না বোধহয়। বাতি জ্বালিয়ে দেখলে বোঝা যেতো। কিন্তু বাতি জ্বালালে বাসার অন‍্যেরা জেগে যাবে, তখন কী হুলুস্থুল কান্ড বেঁধে বসবে তা ভাবতেই গা রি রি করে উঠলো তার।
আলতো করে কাটা দাগটায় হাত বোলালো সে। ফোনের ফ্ল‍্যাশলাইট জ্বেলে এগিয়ে ধরলো আয়নার দিকে। ফ্ল‍্যাশলাইটের মৃদু আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ক্ষতটা বিকট আকার ধারণ করেছে, সম্ভবত আজ রাতেই। এক কিডনি হতে আরেক কিডনি পর্যন্ত বেড়ে গেছে ওটা। আচমকা কী মনে হতেই ফোনে ক্ষতচিহ্নের ছবি তুলে নিলো সে। সিদ্ধান্ত নিলো আগামীকালই সবাইকে এ ব‍্যাপারে জানিয়ে দেবে। আর প্রমাণ হিসেবে তো ছবিটা আছেই।
কয়েক মিনিট পার হবার সঙ্গে সঙ্গে ভয়ের মাত্রাটাও বেড়ে গেলো তার। কেন জানি দাগটার এভাবে বেড়ে যাওয়া মেনে নিতে পারছে না সে। আয়নার সামনে থেকে সরে দাঁড়িয়ে একগ্লাস পানি পান করে বসলো বিছানায় গিয়ে। তরতর করে ঘাম বইছে কপালের দুই পাশ বেয়ে। মাথা নিচু করে পেটের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলো আরেকটু চওড়া হয়ে গেছে দাগটা। এবার আর উঠে দাঁড়ানোর মতো শক্তি পেলো না গায়ে। যন্ত্রণায় চেঁচিয়ে উঠে শুয়ে পড়লো বিছানায়। ইতিমধ্যে ঠকঠক করে কাঁপতে আরম্ভ করেছে সে।
যন্ত্রণা খানিকটা কমানোর আশায় জোর করে চোখ বুজে রাখলো। পিনপতন নিরবতার মাঝে নিজের হৃদপিন্ডের ধুকধুকানিই ভয়াবহ শোনাচ্ছে তার কাছে। দুই হাত দিয়ে শক্ত করে কান চেপে ধরলো ঈশিতা। হাটু ভাজ করে একপাশে ঘাড় কাত করতেই টের পেলো কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে বিছানার ঠিক পাশেই। অবাক হয়ে চোখ খুললেও হাতদুটো কান থেকে সরালো না। সে বিছানার এক সাইডের দিকে মুখ দিয়ে শুয়ে থাকায় সহজেই দেখতে পেলো আগন্তুককে। একটা লম্বা কালো জামা পরে আছে আগন্তুক। ধীরে ধীরে উপরের দিকে মাথা তুলে আগন্তুকের মুখ দেখার চেষ্টা করলো ঈশিতা। শিউরে উঠে গড়িয়ে এসে বিছানার উল্টোদিকে ফ্লোরে পড়লো সে।
মেঝেতে পড়েই দুইহাত কান থেকে সরিয়ে চোখের উপর এনে রাখলো। একটু আগে দেখা দৃশ্যটা পুনরায় দেখতে রাজি নয় সে। এখনো চোখের পাতায় ভাসছে দৃশ্যটা। ফ‍্যাকাশে একটা মেয়ে তাকিয়েছিলো তার দিকে। মেয়েটার কপালের উপর থেকে চিবুকে পর্যন্ত লম্বা একটা সেলাই দাগ। চোখদুটো এতোটাই বড়ো যে দেখে মনে হয়েছিলো দুটো বড়োসড়ো মারবেল।
বিড়বিড় করে কিছু একটা কানে আসায় আঙুলের ফাঁক দিয়ে উপরের দিকে তাকালো ঈশিতা। ঘরের উপরের দিকে ঘুরতে থাকার ফ‍্যান ছাড়া কিছুই দেখতে পেলো না আর। এদিকে শব্দটা বেড়েই চলেছে ক্রমাগত। উপরের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর বুঝতে পারলো শব্দটা আসলে আসছে তার বামদিকে খাটের নিচ থেকে। আবারও খপ করে চোখদুটো বন্ধ করে ফেললো সে। আর যাই হয়ে যাক না কেনো কোনোভাবেই অন্ধকারাচ্ছন্ন খাটের তলদেশে তাকাবে না সে।
থপথপ... থপথপ... থপথপ...
একটানা পানিতে থাপড়ানোর আওয়াজ শুনে চমকে উঠে চোখ খুললো সে। আড়চোখে খাটের তলায় তাকাতেই দেখতে পেলো ঠিক নাক বরাবর সামনেই একটা অবয়ব শুয়ে থেকে তাকিয়ে আছে তার দিকে। চোখদুটো গোল গোল করে খাটের নিচে শুয়ে থাকা অবয়বের দিকে তাকিয়ে রইলো সে।
ঈশিতা কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটা রক্তাক্ত হাত বেরিয়ে এলো খাটের নিচ থেকে। সরাসরি তার ঘাড়ের উপর পড়লো হাতটা। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটানে ঈশিতাকে খাটের নিচে নিয়ে গেলো অবয়বটা। কয়েক সেকেন্ড যাবত সব চুপ...
অতঃপর ঘরের নিরবতা ভেঙ্গে খানখান করে চেঁচিয়ে উঠলো একটা নারীকন্ঠ। একটানা মিনিট কয়েক চিৎকারের পর থেমে গেলো আওয়াজটা। তারপর আবার শোনা গেলো চিৎকার, তবে আগেরবারের চেয়ে কম জোরে। ধীরে ধীরে রোধ হয়ে এলো কন্ঠটা। যেমন করে আচমকা শুরু হয়েছিল, তেমনই আচমকা থেমে গেছে সেই কানফাটা আর্তনাদ। ততক্ষণে বাইরের দরজায় লোক জড়ো হওয়া শুরু হয়েছে। দুয়েকজন ধাক্কা দিতে শুরু করেছে দরজায়। দুয়েকজন হাক পাড়ছে বাইরে থেকে, “ঈশিতা! কী হয়েছে? দ‍রজা খোল।”
একদৃষ্টিতে হাতের শাদা-কালো ছবিটার দিকে তাকিয়ে আছে শান। ছবিটা খুব একটা পুরনো না হলেও ১০/১২ বছর আগের তো হবেই। একটা মেয়ের ছবি ওটা। বয়স ত্রিশের আশেপাশে হবে হয়তো। তবে সবচেয়ে বেশি যেই জিনিসটা তার নজর কেড়েছে তা হলো মেয়েটার উজ্জ্বল চোখ।
ছবিটা কয়েক দিন আগে বিকেলেবেলা পেয়েছিলো সে। স্কুল ট‍্যুরে বান্দরবানের একটা বনে গিয়েছিলো তারা। এমনিতেই শানের স্বভাব একা একা থাকা। ফলে বাকি বন্ধুগুলো যখন স‍্যারদের সঙ্গে হইহল্লা করছিলো তখন প্রায় নিঃশব্দে সরে আসে। স‍্যারদের পূর্ব-নিষেধ থাকা স্বত্বেও এগিয়ে যায় বনের ভেতরের দিকে। দুই হাত দিয়ে গাছপালা ঠেলেঠুলে এগোচ্ছিলো সে। নিজের অজান্তেই আনমনে বনের গভীর হতে গভীরতর অংশ প্রবেশ করে সে। একটাসময় রাস্তা হারিয়ে ফেলে। যেদিকেই তাকায় সবদিক থেকে ঘন গাছপালা ঝেকে ধরেছিলো। এমনকি সেই দিনের বেলায়ও গভীর রাতের মতো অন্ধকার ছিলো সেখানে। অগত্যা ভয়ে ভয়ে ভুল পথেই পা বাড়ায় সে। বনের ভেতরের ছোটোখাটো রাস্তাটাও নিঃশেষ হয়ে যায় ধীরে ধীরে। গাছগাছালির ফাঁকফোকর দিয়ে সামনের দিকে এগোতে এগোতে নিজেকে গালি দিতে থাকে এখানে একা ঢুকে পড়ার জন্য।
একটা সময় শান নিজের পেছনে কারো অস্তিত্ব টের পায়। থমকে দাঁড়িয়ে পেছনে ফিরেও কাউকে দেখতে পায় না সে। অবাক হয়ে পুনরায় হাঁটতে শুরু করে আগের দিকে। এবারও সে হাঁটা শুরু করার পর পরই শুনতে পায় আওয়াজটা। কেউ একজন তার পেছন পেছন আসছে। আবারও দ্রুত ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে তাকিয়েছিলো সে। এবারও কাউকে দেখতে পেলো না।
মনের ভেতরে অজানা এক ভয় দানা বাঁধতে আরম্ভ করেছে ইতিমধ্যে। কপালে হাত দিয়ে চ‍্যাটচ‍্যাটে ঘাম টের পেলো সে। ক্ষিপ্র গতিতে হাতের পিঠ দিয়ে কপালের ঘামটুকু মুছে নিয়ে সামনের দিকে পা বাড়ালো। দেখতে পেলো তার কাছ থেকে কয়েক হাত দূরে হাঁটছে কেউ একজন। ভালো করে তাকিয়ে দেখতে পেলো কালো রংয়ের একটা ড্রেস পরে আছে মেয়েটি যা তার হাঁটু অবধি ঝুলছে।
“কে আপনি?” চেঁচিয়ে উঠে মুহূর্তে চুপ হয়ে গেলো শান। দেখতে পেলো মেয়েটার পায়ের পাতায় লেগে থাকা রক্ত।
যেনো শানের কথাটা শুনতেই পায়নি মেয়েটা। আনমনেই হেঁটে চলেছে সামনের দিকে। গাছগাছালির মাঝ দিয়ে দৌড়াতে শুরু করে শান। বিষাক্ত কোনো লতার সঙ্গে আঘাত পেয়ে গাল ছিড়ে রক্ত বেরিয়ে পড়ে। আউচচ বলে কুকিয়ে উঠে গালে হাত ছোঁয়ায় শান‌। চোখের কোণ দিয়ে দেখতে পায় মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছে। পুরনো যুগের ঢিলা জামা পরে আছে মেয়েটা। মন্ত্রমুগ্ধ রাজপুত্রের মতো মেয়েটাকে অনুসরণ করে এগিয়ে চলে শান। আচমকা একটা গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তার পাশেই। আৎকে উঠে কয়েক কদম পিছিয়ে যায় সে। তারপর সামনের দিকে তাকিয়ে দেখতে পায় একটু আগে দেখা মেয়েটা একটা বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়ছে। লাফিয়ে গাছের ডালটা পার করে এগিয়ে যায় শান।
বাড়িটার সামনে এসে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে সে। ছোটো দালানটা এই গভীর বনে দেখতে পাবে তা স্বপ্নেও ভাবে নি শান। নিজের অজান্তেই ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। হৃদস্পন্দন ততক্ষণে আরো বেড়ে গিয়েছে। বারান্দা পেরিয়ে দরজায় আলতো করে ধাক্কা মারলো সে।
“কেউ কী আছেন?”
জবাব না পেয়ে আলতো করে ধাক্কা মারলো দরজায়। কোনোরকম শব্দ না করেই খুলে গেলো দরজাটি। ধুলো ছড়িয়ে পড়লো চারিদিকে। ধুলোর চোটে কেশে উঠেছিলো সে। মিনিট কয়েক বাদে কাশি থামিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে দেখতে পায় পুরো ঘরটা জুড়ে ধুলোবালি ছড়িয়ে আছে। আসবাবপত্র বলতে কেবল একটা সোফা আর একটা টিভি আছে ডেস্কের উপর। সেগুলোও সম্পূর্ণ ছেয়ে গেছে ধূলোবালির আবরণে। কৌতুহলের বশবর্তী হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলে শান। এ ঘরটা পার করে একটা বেডরুমে এসে পৌঁছায় সে। দেখতে পায় একটা ধুলোয় মোড়া খাট আর একটা টেবিল-চেয়ার‌। মোটা মোটা বই রাখা আছে টেবিলে। তবে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা তার নজর কেড়েছিল তা হলো টেবিলের উপর রাখা একটা ছবি। শাদা-কালো ছবিটা একটা মেয়ের যে কিনা একদিকে তাকিয়ে হাসছে মৃদু।
এগিয়ে এসে ছবিটা হাতে তুলে নিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়েছিলো সে। একমনে তাকিয়ে থাকায় শান খেয়ালই করে নি যে চারিদিকে পরিবেশ বদলে যাচ্ছে। আস্তে আস্তে ধুলোয় আবৃত দেয়ালগুলো নেমে পড়ছে নিচের দিকে। ব‍্যাপারটা যতক্ষণে তার চোখে পড়েছে ততক্ষণে চারিদিকের পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। সে ঠিক সেখানটায় পৌঁছে গিয়েছে যেখানে তার বন্ধুরা দাঁড়িয়ে ছিলো শিক্ষকদের সাথে। প্রথমে শান ভেবেছিলো সবটাই তার হ‍্যালুসিনেশন ছিলো, কিন্তু তার ধারণা ভুল প্রমাণিত করে দেয় হাতে থাকা মেয়েটির ছবি।

“পাশের বাসার ঈশিতা নাকি আত্মহত্যা করেছে!”
পেছন থেকে মায়ের কন্ঠ ভেসে আসায় ছবিটা দ্রুত বালিশের তলায় গুজে দিলো শান। এরপর ঘাড় ঘুরিয়ে ফিরলো মায়ের দিকে, “ঈশিতা আত্মহত্যা করেছে?”
“হ‍্যাঁ। একটু আগে ওদের চেঁচামেচি শুনে তোর বাবা গিয়েছে সেখানে। আশেপাশের বাসার মহিলাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি মেয়েটা নাকি আত্মহত্যা করেছে। তোর বাবা সে-ই যে গিয়েছে, তার কোনো খোঁজই নেই। তুই একটু গিয়ে দ‍্যাখ তো।”
“মা–” বিরক্তি সহকারে বললো শান, “আমি ওখানে গিয়ে কী করবো?”
মায়ের চোখ রাঙানো দেখে অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিছানা ছাড়লো সে। কোথাকার কোন মেয়ে আত্মহত্যা করেছে সেটার জন্য তাকে কেনো যেতে হবে ভেবে বিরক্ত হলো। তবে অবাক হলো এই ভেবে যে ঈশিতার মতো মেয়ে জীবনটা বাজে ভাবে উপভোগ করে, ওর তো আত্মহত্যা করার কথা নয়।
আর কিছু ভাববার অবকাশ পেলো না শান। ইতিমধ্যেই ঈশিতাদের বাসার সামনে চলে এসেছে সে। দেখতে পেয়েছে বাসা ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে পাড়া-প্রতিবেশীরা।

–চলবে.......

 # # # # ধর্ষিতা বউ # # # # অন্তিম পর্ব # # # #জুনায়েতবাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে!!  আমি রোমে ঢুকেই দেখি নীলা জানালার পাশে দা...
21/02/2021

# # # # ধর্ষিতা বউ
# # # # অন্তিম পর্ব
# # # #জুনায়েত

বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে!! আমি রোমে ঢুকেই দেখি নীলা জানালার পাশে দাড়িয়ে দাড়িয়ে কাঁদছে!! আমি জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে নীল?? ও বললো আজকের এই দিনেই আমি আমার সন্মান হারিয়ে ছিলাম!! আমি নীলাকে আমার বুকে জড়িয়ে নিলাম আর বললাম এই সব ভেবে কী লাভ বলেন তো!!! যা হওয়ার তা হয়ে গেছে!! এতে আপনার ত কোন দোষ নেই!!
!!!!
!!!
!!!!
নীলা সেদিন খুব কেঁদে ছিলো!!! আর আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ছিলো!!! আমি সেদিন নীলার নিশ্বাস এর শব্দটা শুনতে পাচ্ছিলাম!! নীলার প্রত্যেকটা নিশ্বাস এর বাতাস আমার বুকে এসে লাগছিলো!!! আমার সেদিন অন্য রকম অনুভূতি হচ্ছিলো!!! নীলাকে বললাম যান গিয়ে শুয়ে পরুন!!! নীলা গিয়ে শুয়ে পরলো!!! আমি বারান্দায় অনেক্ষন দাড়িয়ে ছিলাম!!!
!!!
!!!
!!!
আর মনে মনে ভাবলাম কাল আমি আমার মনের কথা নীলাকে বলে দেব!! বলে দেব যে আমি তুমাকে ভালবেসে ফেলছি!!! আমার আর তর সই ছিলো না!!! কখন সকাল হবে আর কখন নীলাকে আমি আমার মনের কথা জানাবো!!খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পরলাম!! আর মার্কেটে চলে গেলাম!!! নীলার জন্য একটা নীল শাড়ী কিনলাম!!! ভেবে ছিলাম এই শাড়িটা ওর হাতে দিয়ে আমি আমার মনের কথা গুলো খুলে বলবো!!
!!!
!!!
!!!
কিন্তু আমি নীলাদের বাড়িতে গিয়ে অবাক হলাম!! আমি গিয়ে দেখি একটা ছেলে নীলাদের বাড়িতে এসেছে!!! ছেলেটা বাইরে দাড়িয়ে!! আর এক পাশে নীলা দাড়িয়ে কাঁদছে??? আমি নীলার দিকে এগিয়ে গেলাম আর নীলাকে জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে নীলা?? আর আপনি এই ভাবে কাঁদছেন ই বা কেন?? আর এই ছেলেটাই বা কে?? কেউ কোন কথা বলছে না!!!
!!!
!!!
!!!
আমি নীলার বাবার দিকে এগিয়ে গেলাম আর জিজ্ঞেস করলাম অন্তত আপনি বলুন কী হয়েছে?? আর এই ছেলেটা কে?? আর নীলা কেনই বা কাঁদছে??? নীলার বাবা যা বললো তা শুনে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো!!! নীলার বাবা বললো এটা সেই ছেলে যাকে নীলা ভালবাসত!!! আর যে নীলার এত বড় সর্বনাশ করেছিলো!!
!!!
!!!
!!!
আমি জিজ্ঞেস করলাম ও এখানে কেন এসেছে?? নীলার বাবা বললো ও নীলাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে!!! এই কথাটা শুনে আমার বুকটা কেঁপে উঠলো!!! নীলার বাবা বললো যদি নীলার সাথে ওর বিয়েটা দেওয়া যাই তাহলে অন্তত নীলা নিজেকে অপরাধি ভাববে না!!! ও ওর স্বামী ই ভাবতে পারবে!!! নীলার বাবার কথা গুলো শুনে আমি আমার চোখের জলকে কোন ভাবেই আটকে রাখতে পারছিলাম না!!
!!!
!!!
!!!
আমি আমার হাতের শাড়িটা লুকিয়ে ফেললাম!! আমি বার বার চোখের জল মুছতে ছিলাম!! নীলা আমার দিকে একটু করোন সুরে তাকাচ্ছিল!!! কিন্তু আজ আমার বড্ড খারাপ লাগছে!!! নীলার বাবা বললো ছেলেটার সাথে নীলার বিয়ে দিতে ওনার কোন সমস্যা নেই!!! আমি এখন শুধু নীলার দিকে তাকিয়ে আছি!! হয়তো নীলাও ওর বাবার কথায় রাজি হয়ে যাবে!!!
!!!
!!!
!!!
কিন্তু এটা ভেবে খারাপ লাগছে নীলাকে আমি আমার ভালবাসার কথা জানাতে পারলাম না!!! আমি নিজের মাথাটা নিচু করে আছি!!!! নীলার বাবা নিলাকে বললো তুমার কী মত মা???? নীলা ছেলেটার দিকে এগিয়ে গেলো!!! আমি ভাবলাম জড়িয়ে ধরবে হয়তো!!! তাই পিছন ঘুরে চলে আসতে থাকলাম!!! কিন্তু পিছন ঘুরেই চড়ের একটা শব্দ শুনতে পেলাম!!! সামনে তাকিয়ে দেখি!!!
!!!
!!!
!!!
নীলা ছেলেটার গালে একটা চড় বসিয়ে দিয়েছে!!!! আর বলছে কুত্তার বাচ্চাঁ আমার সর্বনাশ করে এখন আমাকে বিয়ে করতে এসেছিস!!! তুই কী করে ভাবলি আমি তোর মতো একটা জানোয়ার কে বিয়ে করবো!!!!! নীলা ওর বাবাকে বললো বাবা পুলিশ এ ফোন দাও!!! আর ওকে পুলিশ এ দিয়ে দাও!! পুলিশ এসে ছেলেটাকে ধরে নিয়ে গেলো!!!
!!!
!!!
!!!
নীলা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো!!! আর বললো কী ভেবেছেন?? আমি ওই লম্পটটাকে বিয়ে করবো??? আমি ত বিয়ে করে ফেলেছি!!! নীলা আরো বললো আমার জন্য যে শাড়িটা এনেছেন ওটা দেবেন না আমাকে?? আমি অবাক হলাম আর বললাম আপনি কী করে জানলেন??? নীলা বললো আমি সবই জানি!!! আমি আরো জানি আপনি আমাকে এখন কিছু একটা বলবেন???
!!!!
!!!
!!! আমি নীলাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম আর কেঁদে কেঁদে বললাম আমি আপনাকে ভালবেসে ফেলেছি নীলা!!‌!!! আমি আপনাকে ছাড়া থাকতে পারবো না!!! নীলা ও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো আর বললো আমিও!!! ঠিক এ ভাবেই সারা জীবন আমাকে জড়িয়ে রাখবেন আপনার বুকে!!!এ ভাবে আমাদের ভালবাসার পুরনো অধ্যায় এর সমাপ্তি ঘটলো!!!! আর শুরু হলো আমাদের ভালবাসার নতুন অধ্যায়!!!

!!!!!
!!!!!
আজ অন্তত একটা কমেন্ট করবেন আর জানিয়ে দেবেন সম্পূর্ণ গল্পটা কেমন লেগেছে আপনার??? আর অনেক অনেক ধন্যবাদ গল্পটাকে এতটা ভালবাসা দেওয়ার জন্য!!! আশা করি আমার সব গুলো গল্প আপনাদের ভাল লাগে!!! পাশে থাকবেন সবাই!!! ভাল একটা গল্প নিয়ে আবার আপনাদের মাঝে হাজির হবো!!!

....... ধন্যবাদ.......

 #ধর্ষিতা_বউ #পর্ব' ০৭ # জুনায়েতনীলা আমাকে জিজ্ঞেস করলো ওকে ডিস্টার্ব করাই আমার এতো রাগ হলো কেন??? আমি ভাবলাম বলে দেই সত...
14/02/2021

#ধর্ষিতা_বউ

#পর্ব' ০৭
# জুনায়েত

নীলা আমাকে জিজ্ঞেস করলো ওকে ডিস্টার্ব করাই আমার এতো রাগ হলো কেন??? আমি ভাবলাম বলে দেই সত্যি কথাটা!!! যে আমি আপনাকে ভালবেসে ফেলেছি!!!!! কিন্তু আমার খুব ভয় হলো তাই সত্যি কথাটা বলতে পারলাম না!!! বললাম আপনি আমার স্ত্রী!!! আপনার প্রতি আমার একটা দায়িত্ব আছে না!!আপনার খেয়াল রাখা আমার দায়িত্ব!! কারন আপনার কিছু হলে আমি,,,,,,?
!!!
!!!
!!!
নীলা বললো আপনি মানে?? থেমে গেলেন কেন?? আমি বললাম আপনার কিছু হলে আপনার বাবাকে আমি কী জবাব দিবো!!!নীলা বললো ও আচ্ছা তাই বলুন!! আমি ত অন্যকিছু ভেবেছিলাম!!আমি বললাম কী ভেবে ছিলেন আপনি??? নীলা বললো না কিছু না!!! আজ বাড়িতে মা একটা ছোট খাটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে!! সবাই এখানে এসেছে!!
!!!
!!!
!!!
আমি নীলাকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলাম!! নীলা আজ খুব খুশি হলো সবার সাথে পরিচয় হয়ে!!! সারা দিন খুব কাজ করতে হয়েছে!!! নীলা আর আমি রোমে চলে আসি!! রোমে এসে ইয়ার ফোনটা কানে ঢুকিয়ে নিচে শুয়ে পরলাম!! নীলা উপরে শুয়ে পরলো!!! নীলা আমাকে বললো আপনাকে একটা কথা বলার ছিলো!!! নীলা বললো আপনার পুরো পরিবারটা খুবই ভালো!!!
!!!
!!!
!!!
আমি আপনার পরিবারের একজন সদস্য হতে চাই জুনায়েত!!!! আপনি কী আমাকে আপনার পরিবারের একজন বানাবেন??? নীলা বললো কিগো কথা বলছেন না কেন??? নীলা মাথাটা নিচু করে দেখতে পেলো আমি ঘুমিয়ে পরেছি!!!! নীলা বুঝতে পারে আমি নীলার একটা কথাও শুনতে পায়নি!!!নীলার আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলো!!! আর মনে মনে বলছিলো!!! এতটা ভাল একটা মানুষ কী করে হয়??
!!!
!!!
!!!
তার মানে শুধু আমি নয় নীলা ও আমাকে ভালবেসে ফেলেছে!!!যদিও ওর ভালবাসার কথাটা আমি আজ শুনতে পেলাম না!!! কিন্তু একদিন না একদিন আমি আমার ভালবাসার কথাটা ওকে জানিয়েই দেবো!!! সকালে ঘুম ভেঙে দেখালান নীলা রোমে নেই!!!! আমি উঠে বাইরে এলাম!! এসে দেখি নীলা উঠনে বসে আছে!!!! আমি গোসল করো ফ্রেস হয়ে নিলাম!!!

তারপর নীলা আমার কাছে এসে বললো ওর নাকি বাবার জন্য খুব খারাপ লাগছে!!!! ও শহরে যাবে বাবাকে দেখতে!!! আমি মাকে গিয়ে বললাম!! আর মা বললো এতে না করার কী আছে?? তুই বউ মাকে নিয়ে আজই শহরের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পর!! আমি রোমে এসে নীলাকে বললাম সব গুছিয়ে নিন!! আমরা আজই শহরে যাবো বাবাকে দেখতে!!
!!!
!!!
!!!

নীলা এতটাই খুশি হলো যে আনন্দে আমাকে জড়িয়ে ধরলো!!! আমার সমস্ত শরীর কাপতে থাকলো!!! আমার পা থর থর করে কাপছিলো!!! আমি বললাম কী করছেন নীলা!!!? নীলা একটু সরম পেলো আর জিহ্বায় কামড় দিয়ে বললো সরি!!! আমি ত আপনাকে এমনি জড়িয়ে ধরেছি!!! আমি বললাম বুঝতে পেরিছি!!! নীলার মুখটা সরমে লাল হয়ে গেছে!!!!
!!!
!!!
!!!

আমি আর নীলা শহরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পরলাম!!! নীলা আর আমি আমাদের গাড়ি করেই আসছিলাম!!! মাঝরাস্তায় গাড়ি থামালাম আর নীলার জন্য অনেকগুলো আইসক্রিম কিনলাম!! নীলা খুবই খুশি হলো!!! আমি গাড়ির ভিতরে খেয়াল করলাম নীলা বার বার আমার দিকে তাকাচ্ছিল!! আমি নীলাকেও দেখছিলাম!!
!!!
!!!
!!!

আমরা শহরে পৌছে গেলাম!!! নীলা ওর বাবাকে দেখে খুব খুশি হলো!!! ওনাকে জড়িয়ে ধরলো!!! আর বললো কেমন আছো বাবা!!? ওর বাবা বললো খুব ভাল আছি মা!!! তুরা কেমন আছিস মা?? নীলা বললো আমরা খুব ভাল আছি বাবা!!! নীলার বাবা নীলার হাসি ভরা মুখ দেখে খুবই খুশি হলো!! ওনি আমাকে ডেকে নিয়ে বললো ধন্যবাদ জুনায়েত!! তুমি আমার মেয়েটার মনটা ভাল রেখেছো!!!
!!!
!!!
!!! দুই তিন দিন পরের কথা!!!বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো!!! রোমে গেলাম আর গিয়ে দেখলাম নীলা জানালার পাশে দাড়িয়ে দাড়িয়ে কাদঁছে!!! আমি জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে নীল?? নীলা আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো আজ সেই দিন যেই দিন আমি আমার সন্মান হরিয়েছিলাম!!!
!!!
!!
চলবে ত???
!!
কেমন লাগলো কমেন্টে জানাবেন!!!!

 #ধর্ষিতা_বউ #পর্বঃ 06 # # # # জুনায়েতমনে মনে হাসছিলাম!! আর নীলা আমাকে এসে জিজ্ঞেস করলো!! কী বেপার এতো খুশি যে???? আমি এ...
08/02/2021

#ধর্ষিতা_বউ

#পর্বঃ 06
# # # # জুনায়েত

মনে মনে হাসছিলাম!! আর নীলা আমাকে এসে জিজ্ঞেস করলো!! কী বেপার এতো খুশি যে???? আমি একটু সরম পেলাম!! বললাম না মানে তেমন কিছু না!!! আমি মনে মনে ভাবতে থাকলাম!! ভালবাসা কাকে বলে??? নীলার প্রতি আমার যেটা কাজ করছে ওটা কে কী ভালবাসা বলে বুঝি???? খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি নিচে আর নীলা উপরে শুয়ে ছিলাম!!
!!
!!
!!
আমি নীলাকে বললাম একটা কথা জিজ্ঞেস করবো আপনাকে??? নীলা বললো হুম করুন!!আমি নীলাকে জিজ্ঞেস করলাম কিছু মনে করবেন না তো??? নীলা বললো না কিছু মনে করবো না!! বলুন!!!আমি বললাম আচ্ছা ভালবাসা কাকে বলে??? আপনি কী জানেন??? নীলা আমার প্রশ্নটা শুনে একটু অবাক হলো!!! আর বললো হঠাৎ এই প্রশ্ন যে???

কাউকে ভাল টালো বেসে ফেললেন নাকি!!!?? আমি বললাম আরে না!! এমনি জানতে ইচ্ছা হলো তাই বললাম!!
বলোন না ভালবাসা কাকে বলে??নীলা বললো যখন আপনি মন থেকে কাউকে চাইবেন!!!যাকে ছাড়া আপনার দুনিয়া আঁধার!!! যাকে না দেখলে আপনার কিছুই ভাল লাগবে না!! যার কষ্টে আপনার কষ্ট!! তাকেই বলে ভাল বাসা!!!

তবে অনেক সময় ভালবাসা গুলো এক তরফাও হয়!!! একতরফা ভালবাসা গুলো খুবই কষ্টের হয়!!!আমার ভালবাসাটা ছিলো একতরফা!!! যাকে বিশ্বাস করে ছিলাম!! সে আমার বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে আমার সর্বনাশ করে আমার জীবন থেকে চলে গেছে!!এই কথা গুলো নীলা বলেই মাথাটা নিচু করে বসে রইলো!!
!!
!!
!!
মনে মনে আমি ভাবলাম মেয়েটার মনটা আবার খারাপ হয়ে গেলো!! আমি নীলাকে বললাম মন খারাপ কইরেন না প্লিজ!!আমি নীলাকে জিঙ্গেল করলাম আপনার আর আমার মধ্যে সম্পর্ক কী?
নীলা আমার দিকে তাকিয়ে!! অবাক সুরে বললো!! আমরা ত স্বামী স্ত্রী!!! আমি বললাম এছাড়া আমাদের মাঝে আর কোন সম্পর্ক আছে কী???

!!
!!
!!
নীলা বললো হুম আছে ত!!! আমি জিজ্ঞেস করলাম কী?? নীলা বললো আমরা দুজন দুজনের খুব ভালো বন্ধু!!! বন্ধু???? নীলা বললো কেন কী ভেবেছিলেন আপনি??? আমি বললাম না কিছু না!! দেখলাম নীলা মুচকি মুচকি হাসছে!!! আমি আর কিছু বললাম না!!! শুয়ে পরলাম!! খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়লাম!!
উঠে ফ্রেস হয়ে নিলাম!!! নীলা বললো ও নাকি এই গ্রামটা ঘুরে দেখতে চায়!!!

!!
!!
!!
তাই ওকে নিয়ে গ্রামে ঘুরতে বেরুবো ভাবছি!! ঠিক সেই সময় মা এসে বললো তোর ছোট মামা ঘাটে এসে দাড়িয়ে আছে যা ওকে আনতে যা!! এদিকে নীলাও আবার গ্রাম ঘুরে দেখবে বলছে!! আবার ও দিকে ছোট মামা ঘাটে এসে বসে আছে!! আমার বিয়ের কথা শুনে ছোট মামা আমাদের বাড়িতে আসছে!! আমি আমার কাকাত বোন অবনিকে বললাম যা তুই তোর নীলা ভাবিকে গ্রামটা ঘুরিয়ে দেখাতে নিয়ে যা!!
!!
!!
!!
আমি ছোট মামাকে আনতে যাবো আর কিছু সময়ের মধ্যেই চলে আসবো!! অবনি বললো ঠিক আছে ভাইয়া!!! তুমি নিশ্চিন্তে যাও আমি ভাবিকে নিয়ে ঘুরতে বেরুবো!!! পুরো গ্রামটা ভাবিকে ঘুরিয়ে দেখাবো নি!!! আমি ছোট মামাকে আনতে ঘাটে চলে আসলাম!!! বাড়ি ফিরতে প্রায় এক ঘন্টা লেগে গেলো!!! ছোট মামাকে নিয়ে বাড়ি ফিরলাম!! বাড়িতে ফিরেই দেখলাম!!
!!
!!
!!
অবনি বাইরে বসে আছে!!! আমি জিজ্ঞেস করলাম কিরে ঘোরতে যাসনি তোর ভাবিকে নিয়ে?? অবনি বললো গিয়ে ছিলাম!!! রাস্তায় কিছু ছেলে আমাদের পথ আটকে দাড়িয়ে ছিলো!! আর বাজে বাজে ভাষায় আমাদের সাথে কথা বলেছে!!! আমি জিজ্ঞেস করলাম নীলা কোথায়?? অবনি বললো ভাবি মন খারাপ করে ঘরে বসে আছে??? আরো জিজ্ঞেস করলাম ছেলে গুলো কোথায় আছে??

অবনি বললো বড় রাস্তার ধারে বসে আছে সবাই!! আমার খুব রাগ হলো!!! আমি ঘরে গিয়ে নীলার হাতটা ধরে বললাম চলুন আমার সাথে!! নীলাকে নিয়ে বড় রাস্তার ধারে চলে আসলাম!! দেখলাম কয়েকজন ছেলে বসে আছে!! ওরা আমাকে দেখে দাড়িয়ে পরলো! ওদের দলনেতা আমাকে সালাম দিলো আর বললো ভাইয়া আপনি এখানে??
!!
আমি নীলাকে দেখিয়ে বললাম এটা আমার স্ত্রী!!!! এই কথা বলা মাত্রই ওরা নীলার পায়ে পরে গেলো!!! আর বললো ভাবি আমাদের ক্ষমা করে দিন!! আমাদের ভুল হয়ে গেছে!!নীলা আমাকে বললো ওদের ক্ষমা করে দিন!!! আমি ওদের বললাম নেক্সট টাইম যদি ওর দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাস তার চোখ উপরে নিবো আমি!!

!!
নীলাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম!!! নীলা আমাকে বললো একটা কথা জিজ্ঞেস করবো?? আমি বললাম হুম বলুন!!! নীলা বললো ওরা আমাকে ডিস্টার্ব করাই আপনার এতো রাগ হলো কেন??? ভাবলাম সত্যি কথাটা বলে দেই!!

চলবে ত???
!!
!!
কেমন লাগলো কমেন্টে অবশ্যয় জানাবেন!!!!!!

 #ধর্ষিতা বউ-৫নীলা আমাকে জিজ্ঞেস করলো আমি তাকে কেন বিয়ে করেছি!!! আমি নীলাকে বললাম শুনুন তাহলে!!! আসলে আমার মায়ের অপারেশন...
24/01/2021

#ধর্ষিতা বউ-৫

নীলা আমাকে জিজ্ঞেস করলো আমি তাকে কেন বিয়ে করেছি!!! আমি নীলাকে বললাম শুনুন তাহলে!!! আসলে আমার মায়ের অপারেশন এর জন্য অনেক টাকার দরকার ছিলো!! সেই টাকা গুলো আপনার বাবা আমাকে দিয়েছেন বিনিময়ে আপনাকে আমার বিয়ে করতে হয়েছে!!বলতে পারেন টাকার জন্যই আমি আপনাকে বিয়ে করেছি!!
!!
!!
!!
আমি কথা গুলো শেষ করে ভাবলাম এগুলো শুনে নীলা হয়তো আমাকে ভুল বুঝবে!! কিন্তু নীলা কোন কথা বলছে না!! আমি নীলাকে ডাকলাম!! জিজ্ঞেস করলাম কথা বলছেন না কেন?? রাগ করলেন নাকি!! আমি মাথাটা উপরে তুলে দেখলাম নীলা ঘুমিয়ে পরেছে!!
তার মানে ও আমার কোন কথায় শুনতে পায়নি!! যাক মনে মনে একটু খুশি হলাম!! শুনলে হয়তো কী না কী ভাবতো!!
!!
!!
!!
মাথাটা তুলে দেখালাম একটা ছোট বাচ্চার মতো গোটি শুটি মেরে শুয়ে আছে
নীলা!! কী বলবো আপনাদের!! কী যে মায়াবী দেখাচ্ছিল ওর মুখ খানা!! দেখলাম কাথা ছাড়া শুয়ে আছে নীলা আমি একটা কাথাঁ নিয়ে নীলার শরীরে জড়িয়ে দিলাম!! প্রায় ৩০ মিনিট এর মতো করে নীলার পাশে দাড়িয়ে ওকে দেখে ছিলাম!! ওকে দেখে আমার মনের সাধ মিটছিলো না!!
!!
!!
!!
একটু পর আমি ও শুয়ে পরলাম!!!! খুব ভোরে আমি ঘুম থেকে উঠে পরলাম!! উঠে বাথরুমে গেলাম গোসল করতে!!!
কিন্তু ভুল করে বাথরুমের দরজা লক করতে ভুলে গেছি!! আমি গোসল করছিলাম আর হুট করে নীলা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে ঢুকে পরলো!! ভাগ্যিস শর্ট পেন্টটা পরে গোসল করছিলাম!! নয়তো কী হয়ে যেত বলুন তো!!!???
!!
!!
!!
নীলা বাথরুমে ঢুকেই চোখ দুটো বন্ধ করে নিলো!!! আর বললো সরি সরি!! আমি বুঝতে পারি নি!! ভিতরে আপনি ছিলেন!!! আমি দুঃখিত!!! আমি লজ্জায় শেষ!! আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না!!! নীলা বাথরুম থেকে বাইরে চলে আসলো!! আমি গোসল শেষ করে বাইরে এলাম!! কিন্তু আমি এতটাই লজ্জা পেয়েছি যে নীলার মুখের দিকে তাকাতেই পারছিলাম না!! নীলা মাথা নিচু করে মিটি মিটি হাসছে!!
!!
!!
!!
আমি নীলাকে বললাম কী করছিলেন বলুনতো!!! বাথরুমে একটু নক করে ঢুকবেন না!! নীলা আমাকে বললো সব দোষতো আপনার!! আপনি বাথরুমের দরজা লক করবেন না!! আমি কী করে বুঝবো যে ভিতরে আপনি আছেন?? আমি বললাম হ্যা তাও ঠিক বলেছেন!! সরি!! আসলে ভুলে দরজা লক করতে ভুলে গিয়ে ছিলাম!! নীলা একটু হেসে বললো আরে ঠিক আছে আমি কিছু মনে করিনি!!!
!!
!!
!!
মা আমাকে আর নীলাকে ডাকছে!!! মা বলছে খেতে আয় তুরা দুজন!! আমি নীলাকে বললাম চলুন মা খেতে ডাকছে!! খাবার টেবিলে নীলা বার বার আমার দিকে তাকাচ্ছিল!! কিন্তু আমার খুব লজ্জা লাগছিলো!! ওই বাথরুমের ঘটনার পর থেকে!!! তাই আমি নিচের দিকে তাকিয়ে খাচ্ছিলাম!! হঠাৎ মা বললো তুরা ত শহরে থাকবি!!! নীলা ত নিজের হাতে খেতে পারে না!!!
!!
!!
!!
তুই ওকে খায়িয়ে দিবি!! আমি বললাম কি বলছো এই সব মা!! মা বললো হুম!! মা আরো বললো তুই ওকে খায়িয়ে দিতে পারবি ত!!! আমি কোন কথা বলছি না!!
মা বললো আচ্ছা আমার সামনে তুই ওকে একবার খায়িয়ে দে ত!!! আমি বলছি এখনি কেন মা?? মা রেগে বললো যা বলছি তাই কর!! আমি আবার মায়ের কথার অবাধ্য কখনো হয়নি!!

!!
!!
!!
কিন্তু আমার খুব লজ্জা লাগছিলো!! আমি চোখ বন্ধ করে নিলার মুখে খাবার তুলে দিলাম!! নিলা শুধু একটু একটু হাসঁছে!!!মা বললো এই ত এবার ঠিক আছে!! ঠিক এই ভাবেই ওকে প্রতিদিন তুই খায়িয়ে দিবি!! কিন্তু মাকে এখনো পর্যন্ত বলা হয়নি যে নীলা একটা ধর্ষিতা মেয়ে!! আমি জানি না মা এ কথা শুনার পর নীলাকে বউ হিসাবে মেনে নেবে কিনা??
!!
!!
!!
কিন্তু এই কয়েক দিনে নীলার প্রতি আমার একটা অন্যরকম অনু ভূতির সৃষ্টি হয়ে গেছে!! আর ও যে একটা ধর্ষিতা মেয়ে এই কথা ভাবতেই ওর জন্য আমার মনটা মায়ায় ভরে যায়!! আমি জানি না আমার কেন এমন অনুভূতি হচ্ছে!!! কেন ওর জন্য আমার এতো মায়া হয়!!! ও কাদলে আমার এতো খারাপ লাগে কেন!!
!!
!!
!!
তাহলে এই কয়েকদিনে আমি কী নীলাকে ভালবেসে ফেলেছি!!! একেই কী ভালবাসা বলে বুঝি!! এই সব ভাবতে ভাবতে আমি মনে মনে হাসছিলাম!! তখন নীলা রোমে এসে গেলো!! আর আমাকে বললো কি ব্যাপার এতো খুশি খুশি লগছে যে আপনাকে?? আমি একটু লজ্জার সুরে না মানে!! তেমন কিছু না!!
!!
!!
চলবে

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammed Abdulla Al Habib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category