SPARK SHOTS

SPARK SHOTS ITS ALL ABOUT PHOTOGRAPHY.....................
HOW TO CLICK A PIC..............

08/05/2023
20/07/2015

ধার্মিক পরিবারের পর্দানশীন এক মেয়ে সৈয়দা
শারমিন ইস্পাহানী। তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে
একটি চমৎকার লেখা লিখেছেন । যারা ধর্ষন বা
যৌন নির্যাতনের জন্য মেয়েদের পোশাককে
দায়ী করেন তাদের অন্ধ চোখ খুলে দেয়ার জন্য
তার এই সময়োপযোগী লেখাটি আমাদের
পাঠকদের জন্য শেয়ার করলাম। বিভিন্ন গবেষনা
ও তথ্য উপাত্ত থেকে এটা প্রমানিত যে
বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ধর্ষনের শিকার হয় নিরীহ
নারী ও শিশুরা। কিন্তু সমাজের এক শ্রেনীর মানুষ
তার পরও নারীর পোশাককে দায়ী করে ] আমার
আব্বা মাওলানা। পাশাপাশি ব্যবসা করে। আম্মা
আমার আব্বার সহকর্মী। আমার ভাই আমার
চেয়ে দুই বছরের ছোট। আমরা ধার্মিক, তবে
বাড়াবাড়িতে নেই। রাতে আমরা অনেক সময় গল্প
করি। সেদিন ফেসবুকে গার্লস গ্যাংয়ের পেইজ
দেখে পড়ছিলাম। রাতে শুরু আমাদের গল্পের
আসর।
আব্বাকে বললাম, ‘আব্বা, চট্টগ্রামে কারাতে
জানা মেয়েরা একটা গ্যাং বানিয়েছে। এই এই
কাজ করে।’ আব্বা বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ এদের কামিয়াব করুক’। আমি সওয়াল
করলাম, ‘আব্বা, মেয়েদের কারাতে শেখা কি
ইসলাম সম্মত?’ আব্বার জওয়াব, ‘শোন মা,
ইজ্জতের হেফাজত করা আর মানুষের জান
বাঁচানো ফরজ। সুতরাং কারাতে শিখতে বাঁধা নাই।’
আমার সওয়াল, ‘এরা ইভটিজার শায়েস্তা করার
কথা বলে’। আব্বার জওয়াব, ‘নুসায়বা বিনতে কা’ব
এত অল্প বয়সে অহুদ, হুনায়ন, খাইবার,
ইয়ামামার যুদ্ধে হিস্যা নিতে পারলে, এরা কেন
ইবলিসের দলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে না?
শয়তানের বিরুদ্ধে লড়াই করা তো জিহাদে
আকবর।’
তখন আমার ছোট ভাই বলল, ‘অনেকে যে বলে যা
ঘটছে তার জন্য মেয়েদের পোশাক দায়ী…?’
আমার আব্বা তখন কোরান শরীফ বের করলেন
এবং বললেন, ‘মেয়েদের পর্দা বলতে অনেকে
বোরকা বা হিজাবকে বুঝায়, আসলে কোরানে
কোথাও এইসব পোশাকের নাম নাই। শুধু মাথার
কাপড় বুকের ওপর টেনে নিতে বলেছে। সুরা নুরের
৩১ নম্বর আয়াত আর সুরা আহযাবের ৫৯ নম্বর
আয়াত দেখ। তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে,
আল্লাহপাক মেয়েদের এসব বলার আগে
ছেলেদেরকে দৃষ্টি সংযত রাখতে এবং যৌনতার
ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেছেন। সুরা নুরের ৩০
নম্বর আয়াতটা দেখ। পুরুষরা যদি তাদের দৃষ্টি
সংযত রাখে, কে কোন ধরনের পোশাক পরল,
কার শরীর কতটুকু দেখা যায়, তা তো বোঝার কথা
না। আসল পর্দা হচ্ছে নফসের পর্দা। ওইটা নারী
পুরুষ সবার থাকা উচিত।’ আমার ভাইয়ের সওয়াল,
‘বুঝলাম, বোরকা বা হিজাবের কথা কোরানে নেই।
মাথায় কাপড় দিতে তো বলেছে, নাকি?’ আব্বার
জওয়াব, ‘মাথায় কাপড় দিতে বলেনি। আরবের
মেয়েরা আগেও মাথায় কাপড় দিত। ছেলেরা যেমন
আগেও পাগড়ী পরত, ধুলা আর সূর্যের তাপ থেকে
চুল বাঁচাতে। কোরানে বলা হয়েছে- মাথার সেই
কাপড়ের কিছু অংশ বুকের ওপর দিয়ে টেনে নিতে,
এতে তারা যে মুসলিম অর্থাৎ নতুন ধর্মের লোক,
সেটা চেনা যাবে। নবীজির (সা)প্রচারিত নতুন
ধর্মের মেয়েদের চেনার পর কেউ উত্যক্ত করত
না, নিজেদের ধর্ম যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেই
ভয়ে। কিন্তু এখন আখেরি জামানা। মুসলমানের
ছেলেরাও দেখি মেয়েদের উত্যক্ত করে। এই
জুলুমের ফল আজাব।’
ভাইয়ের সওয়াল, ‘আব্বা, মেয়েরা যদি বেগানা
থাকে, নফসের পর্দা ছেলেরা কিভাবে করবে?’
আব্বার জওয়াব, ‘শোন, নফস বা কুপ্রবৃত্তির
মাধ্যমেই ইনসান শয়তানের পদাংক অনুসরণ করে,
শয়তানের গোলামী করে। নফসের পর্দা করতে না
পারলে মোমিন হওয়া যায় না। আর নফসের পর্দা
করতে করতে একসময় নফসের কোরবানি হয়ে
যায়। তখনই ইনসানে কামেল হওয়া যায়। ইব্রাহিম
(আ) ছয়বার নফসের কোরবানি দিয়েছেন। যখন
বিবি সারাহকে শাদি করলেন, তাকে বাদশাহী
দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলো, কিন্তু তিনি
লোভের কোরবানী দিলেন। বিবি সারাহ যখন
হাজেরার নাক-কান ছিদ্র করে দিলেন, তিনি
ক্রোধের কোরবানি দিলেন। সবশেষে তিনি
ছেলের কোরবানি দিতে গেছিলেন, কিন্তু দুম্বা
কোরবানি দিতে হলো। কারণ, তিনি ইতোমধ্যে
তার মায়ার কোরবানি দিয়ে ঈমানের পরীক্ষা
দিয়েছিলেন। ইসমাইল (আ)-ও ভয়ের কোরবানি
দিয়ে শয়তানকে পাথর মেরেছিলেন। এইসব ঘটনার
মর্ম না বুঝে শুধু বকরি জবাই করে কোরবানি হয়
না। আর হজে গিয়ে খাম্বার গায়ে পাথর মারলেই
হয় না। শয়তান ওইখানে বসে নেই। নফসের পর্দা
করার জন্য দরকার তাকওয়া। আর তাকওয়ার
ভালো তরিকা হচ্ছে সব আমালের সিয়াম। তবে
এখন মানুষ যেভাবে সিয়াম করে, ঐভাবে
দিনেরবেলা না খেয়ে থাকলেই সিয়াম বা সংযম হয়
না। সব খারাব চিন্তা থেকে দূরে থেকে নফসকে
কাবু করতে হয়। এইভাবে মনের সাথে যুদ্ধ করে
করে নফসের কোরবানি বা বিনাশ করতে হয়।’
আমি এবার সওয়াল করলাম, ‘আব্বা, তাহলে যারা
বলে মেয়েরা পর্দা করে না বলে ধর্ষণ বেড়েছে,
ওদের জওয়াব কি হবে?’ বাবা জানালেন, ‘এই
প্রশ্নের জওয়াব তোদের আম্মা দিক।’ আম্মা
বললেন, ‘হযরত লুতের (আ) জামানায় তার
কওমের পুরুষরা পুরুষদের বলাৎকার করত,
এমনকি অনেকে জানোয়ারদের সঙ্গেও এই কাজ
করত। যার শাস্তি হিসেবে আগুনবৃষ্টি দিয়ে
সদ্দুম শহর ধ্বংস করা হয়েছিল। আখেরি
জামানায় মানুষের মধ্যে যারা শয়তানের দল,
তারাও এই রকম বিকৃতমনষ্ক। মেয়েদের
পোশাকি পর্দার উপর যে ধর্ষণ নির্ভর করে না,
তার প্রমাণ এইখানে। যারা ছেলেদেরকে নসিহত
না করে শুধু মেয়েদের দোষ দেয়, যারা ধর্ষণের
বিচার না চেয়ে মেয়েদের বিরুদ্ধে লাগে, তারা
লেবাসে পরহেজগার কিন্তু আসলে শয়তানের
বান্দা। মুমিন কোনদিন ধর্ষণের পক্ষে কথা
বলতে পারে না’।
আমি এবার আব্বাকে সওয়াল করলাম, ‘আব্বা,
তাহলে হুজুরেরা এখনও এই কথাগুলো প্রকাশ
করছে না কেন?’ আব্বা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জওয়াব
দিলেন, ‘কি আর বলব! আখেরি জামানা। যে
শয়তান একসময় বেহেস্তে ফেরেস্তাদের
শিক্ষক ছিল, তার কি দ্বীনি এলেম কম আছে?
ইসলামের সর্বনাশ ক্যামনে করতে হয়, সেও
ভালোই জানে। আলেমের লেবাসে আলেমদের
বিগড়ায়ে দিতে শুরু করল। শুরু হল দ্বীনের নামে
বাড়াবাড়ি, ফেরকার মারামারি, জিহাদের নামে
মানুষ কাটাকাটি, যা কিছু নবীজি (সা) মানা করে
গেছেন বিদায় হজে। এইজন্যই বুঝি নবিজি (সা)
বলেছিলেন, আলেমদের বেশিরভাগ দোজখে যাবে
এবং অন্য গুনাহগারদের আগে দোজখে প্রবেশ
করবে। কারণ, এরা কোরানের অপব্যাখ্যা ও
অপব্যবহার করবে।’ আলোচনা শেষে ফিরে এলাম
আমার রুমে। মনে মনে ভাবছি, তাহলে গার্লস
গ্যাং মানে ইভটিজার, নিপীড়ক আর ধর্ষক
শয়তানদের বিরুদ্ধে একটা জিহাদের নাম। ইয়া
আল্লাহ, তুমি তাদের শক্তি বাড়িয়ে দাও। আমিন

:)  :)  EID MUBARAK  :)  :)
17/07/2015

:) :) EID MUBARAK :) :)

21/06/2015

Congrts Tigers......................

হ্যা চারটি শিশু, চারটি ব্যাগ কিন্তু দুইটিভিন্ন কাহিনীকাহিনী বললেও ভুল হবে কারন এইটাইআমাদের সমাজের বাস্তবতা:যাদের কাধে স্...
04/05/2015

হ্যা চারটি শিশু, চারটি ব্যাগ কিন্তু দুইটি
ভিন্ন কাহিনী
কাহিনী বললেও ভুল হবে কারন এইটাই
আমাদের সমাজের বাস্তবতা
:
যাদের কাধে স্কুল ব্যগ তাদের কে আমরা
স্টুডেন্ট বা ছাত্র-ছাত্রী বলে থাকি
অপরদিকে যাদের কাধে বস্তা টাইপের
ব্যগ তাদের কে ভদ্র ভাষায় আমরা টোকাই
বলে থাকি
কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনাহ তাদের
কাধে যে বস্তা ঝুলে থাকে
তার মধ্যেও বইখাতা থাকে
হোক না তা পুরোনো, ছিড়া
তাদের ও তো একটা ইচ্ছা আকাংখা আছে
যা পুরন করার
সামর্থ্য হয়ত তার পিতামাতার নেই
তাইতো তারা
নিজেরাই নেমে পড়ে রাস্তায় নিজেদের
স্বপ্ন পুরনে
পড়ালেখা করার অধিকার তাদের ও তো
আছে, স্বপ্ন তো তারাও দেখতে
পারে কিন্তু তারা তাদের যে স্বপ্ন
পুরনে প্রায় সম্পুর্ন সফল হয় নাহ
তাহলে কি তাদের স্বপ্ন অধরা থেকে
যাবে???
-না
আমি আপনি আমরা সবাই মিলে নিজেদের
যায়গা থেকে
একটু একটু করে সাহায্য করলেই তাদের
অধরা স্বপ্ন টি সম্পুর্ন হবে —

DO NOT USE ANY PHOTO WITHOUT PERMISSIONTHANK YOU :)
20/04/2015

DO NOT USE ANY PHOTO WITHOUT PERMISSION
THANK YOU :)

শুভ নববর্ষ  সবাইকে জানাই বাংলা ১৪২২ নববর্ষে শুভেচ্ছা ।
13/04/2015

শুভ নববর্ষ

সবাইকে জানাই বাংলা ১৪২২ নববর্ষে শুভেচ্ছা ।

13/04/2015

নিশি অবসানপ্রায় , ওই পুরাতন বর্ষ হয় গত! আমি আজি ধূলিতলে এ জীর্ণ জীবন করিলাম নত । বন্ধু হও , শত্রু হও , যেখানে যে কেহ রও , ক্ষমা করো আজিকার মতো পুরাতন বরষের সাথে পুরাতন অপরাধ যত ।

শুভ নববর্ষ

সবাইকে জানাই বাংলা ১৪২২ নববর্ষে শুভেচ্ছা ।

13/04/2015
09/03/2015

Congrts Tigers

05/02/2015

মসজিদে জামাতে ফজর নামাজ পড়ার
জন্য এক ব্যাক্তি সকাল সকাল ঘুম
থেকে উঠে উযূ করে মসজিদে যাচ্ছে।
মাঝ
পথে সে পা পিছলিয়ে পড়ে গেল। তার
কাপড় নষ্ট হয়ে গেল। সে বাসায়
ফিরে এসে কাপড় বদলিয়ে আবার উযূ
করে মসজিদের দিকে রওয়ানা দিল।
মাঝ পথে আবার
সে পা পিছলে পড়ে গেল। তার কাপড়
ময়লা হয়ে গেল। সে আবার বাসায় গেল
কাপর বদলিয়ে উযূ করে মসজিদের
দিকে রওয়ানা দিল। মাঝ
পথে আসতে লন্ঠন হাতে এক লোকের
সাক্ষাত পেল।
লোকটিকে সে জিজ্ঞাস করল,
আপনি কে? সে উত্তরে বলল,
আমি আপনাকে দুবার
পড়ে যেতে দেখলাম তাই ভাবলাম
মসজিদে যাওয়ার জন্য আমি আপনার
প্রদীপের ব্যবস্থা করে দেই।
লোকটি লন্ঠন হাতে তাকে মসজিদ
পর্যন্ত এগিয়ে দিল।
তাকে ইনি বললেন, চলুন নামায
পড়ে নেই। লোকটিকে নামায পড়ার জন্য
বারংবার বলার পর ও অনেক
পীড়াপীড়ী করার পরও
লোকটি নামাজ পড়ল না। তখন
তাকে জিজ্ঞাস
করলঃ আপনি নামায পড়া পছন্দ করেন না,
বলুন তো আপনি কে?
লোকটি উত্তরে বলল, আমি শয়তান। আমিই
আপনাকে ১ম বার
পা পিছলিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম
যাতে মসজিদে নামায
না পড়ে আপনি বাড়ী ফিরে যান। কিন্তু
আপনি যখন
পা পিছলে পড়ে যাওয়ার পর
বাড়ীতে গিয়ে ফিরে আসলেন তখন
আল্লাহ তালা আপনার সব গোনাহ
ক্ষমা করে দিলেন। দ্বিতীয়বার যখন
আপনি পড়ে যাওয়ার পর
বাড়ীতে গিয়ে কাপড়
বদলিয়ে আবার মসজিদের
দিকে রওয়ানা দিলেন, তখন আল্লাহ
তালা আপনার পরিবারের সবার গোনাহ
ক্ষমা করে দেন। এরপরও যখন
পড়ে গিয়ে আপনি বাড়ী থেকে কাপড়
বদলিয়ে মসজিদে আসছিলেন, তখন
আমি ভয় পাচ্ছিলাম,
না জানি আল্লাহ তালা এবার আপনার
গ্রামবাসীকে ক্ষমা করে দেন। তাই
তাড়াতাড়ি আমি লন্ঠন
হাতে আপনাকে মসজিদে পৌছে দিয়ে গেলাম। ,
আল্লাহ্ আকবর।

19/01/2015

এক টাকা, দুই টাকার প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ
করা যাবেনা। সেসব নিয়ে না হয় কথা নাই
বললাম, কিন্তু আপনি একটা দেশের
অর্থমন্ত্রী হয়ে জানবেন না সেদেশে এক
টাকায় চকলেট পাওয়া যায় কী না!!
মাননীয় মন্ত্রী আপনার এই গরীব দেশে ১,২
টাকায় কী কী পাওয়া যায় তা আপনার জানার
কথা নয়। মনে আছে আপনিইতো হলমার্ক
কেলেঙ্কারীর সময় বলেছিলেন, '৪ হাজার
কোটি টাকা অল্প টাকা।'
যার কাছে ৪ হাজার কোটি টাকা অল্প টাকা তার
কাছে ১,২ টাকায় কিছু পাওয়া যায় সেটাও
না জানারই কথা।
এলাস! আপনি একটা গরীব দেশের অর্থমন্ত্রী!

Address

Chittagong
CHITTAGONG

Telephone

01911561209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SPARK SHOTS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category