Re-clicks

Re-clicks প্রাকৃতিক সুন্দরতম দৃশ্যগুলো বাক্সবন্দি করার চেষ্টা।

Moon❌ Helicopter
13/11/2024

Moon❌ Helicopter

Random click🪷
24/10/2024

Random click🪷

পাতার আন্দোলনে সৃষ্ট মৃদু বাতাস, মনের গহিনে দেয় প্রশান্তির আভাস।
20/10/2024

পাতার আন্দোলনে সৃষ্ট মৃদু বাতাস,
মনের গহিনে দেয় প্রশান্তির আভাস।

পরিত্যাক্ত চায়ের কাপে জন্ম নেওয়া ফাংগাস।
19/10/2024

পরিত্যাক্ত চায়ের কাপে জন্ম নেওয়া ফাংগাস।

26/06/2023



স্বার্থ -- কথা

স্বার্থ একটি বিশাল অর্থ বহনকারী শব্দ হলেও এর অর্থ সংকুচিত করে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় নিয়ে আসা লোকের অভাব নেই সমাজে, কিন্তু খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
মনুষ যখনই এর দ্বারা কলুষিত হয়ে এর বেড়াজাল থেকে মুক্ত হতে চায় ঠিক তখনই এক অসীম মায়া, আকর্ষণ তাকে পিছুটান মারে।এ যেন এক অন্যরকম কৃষ্ণগহ্বর। কৃষ্ণগহ্বর থেকে যেমন কোনোকিছুই তার অভিকর্ষজ আকর্ষণের মায়া কাটিয়ে বের হতে পারে না,বের হতে গেলেও এক অন্যরকম পিছুটান এর কবলে পড়ে আবার এর ভিতরেই থাকতে হয়।স্বার্থের মধ্যেও এমন একটা জিনিস লুক্কায়িত,যদিও দুইটা ভিন্ন জিনিস।

এই স্বার্থের রাজত্ব থেকে মুক্ত হতে না পাড়ার অন্যরকম কারণ হচ্ছে মনুষ্যত্ব বিল্ডিংয়ের দু তলায় বাস করা সমাজের তথাকথিত মনুষ্যত্বধারী মানুষগুলো, আসলে তারা মনুষ্যত্বহীন।যারা আসলে মনুষ্যত্বের সাইনবোর্ড দেহের মধ্যে বহন করে,আত্তায় নয়।অথচ তারা উপরতলা থেকে নীচ তলার মানুষ গুলোকে ভ্রান্ত পথে ধাবিত করে। তাদের এই আচরণ বেশিদিন টিকার কথা নয়,কিন্তু তাদের এই ভাওতাবাজি এখনও টিকে আছে স্বার্থের ওই অসীম মায়ার টান

বর্তমানে সমাজটাকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কোনো লোক খোজে পাওয়াটা অনেক কঠিন যেখানে সুশীল সমাজে এসব লোকের অভাব নেই। মনুষ্যত্বধারী লোকেরা তাদের ছেলেমেয়েদেরকে হাতে হাতে ধরে টাকায় কেনা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেয় আগামিতে সমাজকে লীড দেওয়ার জন্য।অথচ সমাজের যত নোংরা কাজকর্ম,চিন্তাচেতনা ওই তাদের মাথা থেকেই আাসে,কারণ তারা স্ব শিক্ষায় শিক্ষিত নয়।তারা যেখানে দাঁড়িয়ে সমাজকে নেতৃত্ব দিবে ভাবে,সেটাই স্বার্থের উপর দাড়িয়ে।সেখান থেকে স্বার্থ কিঞ্চিৎ নড়ে গেলেই তাদের দাড়িয়ে থাকাটা মুশকিল হয়ে পড়ে।

আগে, 'সু শিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত" এই প্রাবাদটা পাঠ্যপুস্তকে ছাপানো কম হলেও মানুষের আত্তায় ছিল বিরাজমান।তাইতো স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর বাবা তার নিজের হাতে গড়া সুশীল প্রতিষ্ঠানে জগদীশকে না পাঠিয়ে, পাঠিয়েছেন গ্রাম্য এক জীর্ণ প্রতিষ্ঠানে যেখানে প্রতিষ্ঠান এর সৌন্দর্য না দেখে আত্তার প্রসারতা দেখা হয়।তাইতো তিনি সেরাদের একজন।

কিন্তু বর্তমানে স্বার্থ এমন ভাবে তার জাল বিছিয়েছে যে এই প্রবাদটাকে বাঁচিয়ে রাখতে রোজ হাজার হাজর পাঠ্যপুস্তকে ছাপানো হচ্ছে।কিন্তু কোনো আত্তার ভিতর আর এই প্রাদটার অধিকার নেই।থাকবেই বা কি করে এখন তো সমাজকে লীড দেওয়ার দায়িত্ব টাকায় কেনা প্রতিষ্ঠান গুলোর ও তথাকথিত সুশীল সমাজের উপর ন্যস্ত।

বর্তমানে স্বার্থ প্রসারতার অন্যতম মাধ্যম মোটিভেশনাল স্পীচ দেওয়া মঞ্চ ও সেখান থেকে দেওয়া স্পীচ গুলো।সমাজের দুর্দশায় না আসে এগুলো কোনো কাজে না এগুলো আনতে পারে সমাজের কোনো পরিবর্তন।ডিজিটাল যুগে কোনো একটি ঘটনা ঘটলেই দেখা যায় সেটা নিয়ে মোটিভেশনাল স্পীকার দেওয়া লোকগুলো তাদের বুলি আঁতড়ে দিয়েছে অথচ সেই ঘটনার কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়াই বাকি।সমাজে দূর থেকে দেখলে মোটিভেশনাল স্পীকার এর অভাব নেই কিন্তু কাছে গেলে স্বার্থ ছাড়া কিছু অবশিষ্ট পাওয়া যায় না।

"অপরের জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দেওয়ার মধ্যেই আনন্দ"এই বাক্যটা সারাজীবন মানুষ মুখস্থই করে গেছে,,কেউ আর কাজে লাগাতে পারে নাই।যে কয়জনই এই সত্যকে উপলব্ধি করতে পেরেছেন তারাই আজ সফল,যদিও এর সংখ্যা খুবই সীমিত সুশীল সমাজের তথাকথিত মনুষ্যত্বধারীদের তুলনায়।এই মনুষ্যত্বধারীদের স্বার্থের পাওয়ার এতই বেশি যে তারা চিরন্তন সত্যগুলোকেও গলাঃধকরণ করে ফেলতে পারে নিমিষেই।

স্বার্থ প্রসারতার আরেক অন্যতম কারণ হলো,সফলদের পেছনে ছুটা।একটি কাজে একজন সফল হলে তাকে যেভাবে আপন করে নেওয়া হয় ঠিক সেভাবে তার সাথে প্রতিযোগিতায় হেরে ব্যর্থ হওয়া মনুষটিকে পর করে দেওয়া হয় অথচ তাদের এই তফাত হওয়ার সময় খুবই কম।
একজন তার কাজে সফল হতে চাইলে তার উচিত ওই কাজে ব্যর্থ হওয়া লোকের সান্নিধ্যে আসা।এত ব্যর্থজনের মাঝেও তোমাকে সাহস দিতে পারা ব্যর্থ লোকটাকে তোমাকেই খুজে বের করার গুরু দায়িত্ব তোমাকেই নিতে হবে।
এতে কি তাহলে সফল লোকের দরকার নেই? কেন নেই!অবশ্যই আছে।
এত প্রতিযোগিতার মধ্যেও যে সফল হয়েছে তাকে প্রকৃতি বাছাই করে নিয়েছে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন এর জন্য ও ব্যক্তি স্বার্থকে দমিত করার জন্য।ও সফল হিসেবে কিভাবে তার নীচ প্রজন্মকে সফল করবে সেটা পরিচালনার জন্যই প্রকৃতি আজ তাকে সফল করেছে।সে সফল হিসেবে তোমাকে গাইড করাটা তার কর্তব্যের মাঝে পড়ে যদি না সে তথাকথিত ব্যক্তি স্বার্থের চক্রে আবদ্ধ হয়ে যায়।তোমাকে আর তার পিছনে দৌড়াতে হবে না।কিন্তুু সমাজে তার উল্টা চিত্র সদা বিরাজমান।

স্বার্থ একটি বিশেষনবাচক শব্দ।এর ভালো খারাপ উভয় অর্থই আছে।কিন্তু তথাকথিত মনুষ্যত্বধারীদের কাছে এর বিপরীত অর্থটাই প্রবল ভাবে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠে।

স্বার্থের এই অদৃশ্য মায়ার জাল থেকে কিছুটা মুক্ত হতে গেলে প্রথমে বুজতে হবে স্বার্থকে কোনদিন জয় করা সম্ভব নয়।যখনই স্বার্থকে জয় করার চেষ্টা করা হবে অন্য এক অদৃশ্য আকর্ষণ তোমাকে স্বার্থের মোহ দ্বারা আচ্ছাদিত করে ফেলবে।

🙂🙂
17/07/2022

🙂🙂

Nature view Device :Techno spark 6 Air
07/07/2022

Nature view
Device :Techno spark 6 Air

Address

Chittagong
3208

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Re-clicks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Re-clicks:

Share