Romel

Romel Realise the beauty, not a smell...

বিশ্বের বিরল ফুল ‘ব্রহ্মকমল’ফুল ভালোবাসেন না, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পৃথিবীতে প্রায় ৩ লাখ নব্বই হাজার ৯শ’ প্রজাত...
24/09/2024

বিশ্বের বিরল ফুল ‘ব্রহ্মকমল’
ফুল ভালোবাসেন না,
এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পৃথিবীতে প্রায় ৩ লাখ নব্বই হাজার ৯শ’ প্রজাতির উদ্ভিদ আছে।
এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ প্রজাতিই ফুল দেয়। আর বিভিন্ন দেশে নানা রকমের ফুলের দেখা মেলে।
একেক ফুলের একেক বিশেষত্বও থাকে।
তেমনই এক অদ্ভুত ফুল হচ্ছে ‘ব্রহ্মকমল’।
একে বলা হয় হিমালয়ের ফুলের রাজা। এই ফুল ৪৫০০ মিটার বা তার উপরের উচ্চতায় ফোটে। তবে এই ফুল ফুটে ওঠার দৃশ্য যে দেখতে পাবেন সে নাকি হয়ে উঠবেন বিশ্বের ভাগ্যবান ব্যক্তি। ব্রহ্মকমল পৃথিবীর অন্যতম বিরল ফুল।

অবাক হলেও, এই ফুলের সঙ্গে এমনই লোককথা জড়িয়ে আছে বছরের পর বছর। সাদা রঙের এই অপূর্ব সুন্দর ফুলের পাপড়িগুলো সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত হয় সূর্যাস্তের পর। ফুটতে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা। প্রস্ফুটিত অবস্থায় থাকে প্রায় ১ ঘণ্টা। তারপরই তা আবার বন্ধ করে পাপড়ি।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝে কোনো এক সময়ে হিমালয়ের কোলে যখন ধীরে ধীরে সূর্য ডোবে তখন ফোটে এই ব্রহ্মকমল। এই দৃশ্য নিজের চোখে দেখতে পাওয়াকেই সৌভাগ্যের বলে মনে করা হয়।

বিশ্ব উষ্ণায়ন ও মানুষের অতিরিক্ত জনবসতির কারণে এই মুহুর্তে ‘ব্রহ্মকমল’ ফুল খুবই দুর্লভ। ভারতের উত্তরাখন্ডের কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেখা মেলে এই ফুলের। এই ফুল বছরে মাত্র একবারই ফোটে।

পাশাপাশি মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্যই ফোটে এই ফুল। মাত্র ২ ঘণ্টায় ৮ ইঞ্চি পর্যন্ত পরিধি হয়ে যায়। আয়ুর্বেদ ও তিব্বতি চিকিৎসা শাস্ত্রে এই ফুলের ব্যাপক ব্যবহার উল্লেখ রয়েছে। ক্ষতস্থান কয়েক মুহূর্তে সারিয়ে তোলে এই ফুল এমনটাই দাবি করা হয়।

পেটে এক আর মুখে আরেক এই যে তোদের ভ''ন্ডামি, এতেই তোরা লোক হাসালি, বিশ্বে হলি কম দামি। নিজের কাছেও ক্ষু'দ্র হলি আপন ফাঁ'ক...
08/08/2024

পেটে এক আর মুখে আরেক
এই যে তোদের ভ''ন্ডামি,
এতেই তোরা লোক হাসালি,
বিশ্বে হলি কম দামি।
নিজের কাছেও ক্ষু'দ্র হলি আপন ফাঁ'কির আফ'সোসে
বাইরে ফাঁকা পাঁইতারা তাই,
নাই তলোয়ার খাপ-কো'ষে।..কাজী নজরুল ইসলাম..

যিনি লিখেছেন, অসাধারন।।কঠিন সত্য।। সাল টা যখন ২০৬০!!********************বিছানায় শুয়ে শুয়ে বোরিং হয়ে গেছি । বেড বক্সে...
11/06/2024

যিনি লিখেছেন, অসাধারন।।
কঠিন সত্য।।

সাল টা যখন ২০৬০!!
********************
বিছানায় শুয়ে শুয়ে বোরিং হয়ে গেছি । বেড বক্সের উপর থেকে চশমাটা হাতরে নিলাম আর খাটের পাশ থেকে লাঠিটা নিয়ে নাতনীর ঘরে গেলাম গল্প করব বলে। গিয়ে দেখি, ল্যাপটপে কিছু একটা করছে। আমি যেতেই বলল, দাদুন তুমি ! বসো বসো। আমি টিউশনে যাবো। বসলাম ওর ঘরে। ল্যাপটপটা খোলাই ছিল। চশমা চোখে দিয়েও ভালো দেখতে পারি না। হঠাৎ মনে পড়ল আজ কত যুগ ধরে ফেসবুকে যাই না। অথচ যে ছেলেটা না এখনকার বুড়োটা একসময় দিন রাত ফেসবুকে চ্যাটিং, ছবি আপলোড দেওয়া নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো। অনেক কষ্টে পাসওয়ার্ডটা মনে করলাম। আইডিটা লগ ইন করে দেখি ইনবক্সে ৮৬৭৮ টা ম্যাসেজ। আইডিটা চেনাই যাচ্ছে না। সব অপরিচিত লাগছে। ফ্রেন্ড সংখ্যা ছিল ৪৭৮৮ জন। কিন্তু এখন চ্যাট লিস্টে আছে ২৮ জন। বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ায় হয়ত ওরাও আর ফেসবুক চালায় না। ইনবক্সে ঢুকতেই আমার ক্লোজ কয়েকটা ফ্রেন্ডের ম্যাসেজ। বন্ধু শরীরটা ভালো নেই। বেশিদিন হয়ত বাঁচব না। ম্যাসেজটা ছিল ৫ বছর আগে। খবর পেয়েছি ৪ বছর আগেই সে মারা গেছে। আমার বেস্টিও ৯ বছর আগে মারা গেছে। ওর সাথে চ্যাটিং গুলো পড়ে খুব ভালো লাগছিল। গ্রুপে ফ্রেন্ডদের সাথে কত মজা, আড্ডা এ সবই পড়ে আছে। ওদের অধিকাংশইই মারা গেছে। এরপর চ্যাট লিস্টের একদম শেষে পেলাম তার ম্যাসেজ। হ্যা আমার সেই পুরোনো "একতরফা" ভালোবাসা। ওর কোন খবরই জানি না। কত ভালোবাসতাম দুজন দুজনকে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে বিয়েটা হয়নি । আজ অনেক দিন পর তার কথা মনে পড়ছে। তার আইডিটায় ঢুকলাম লাস্ট পোস্ট ছিল ১৬ বছর আগে। তার নাতনীর সাথে ছবি। আরো একটু নিচে যেতে দেখলাম তার ফ্যামিলির ছবি। সে, তার স্বামী, মেয়ে, ছেলে আর নাতী- নাতনী। খুব হ্যাপি ফ্যামিলি। ওকে যেদিন শেষ দেখেছিলাম - চুলগুলো সেই রকম স্টাইল দেওয়া, পড়নে লাল শাড়ী ছিল , ভাগ্যক্রমে এখন তার ছিল অন্য। কিন্তু এখন এই ছবি গুলোতে সাদা শাড়ি পড়া, চুলগুলো সব সাদা। কিছু কিছু আবার মেহেদী দিয়ে লাল করা। হঠাৎ মোবাইলের স্ক্রীনে নিজের ছবিটা দেখলাম। হ্যা আমিও তো বুড়ো হয়ে গেছি। ও দেখলে নিশ্চয়ই বলত, বুড়ো দাদু। আচ্ছা ও কি আজও বেচে আছে ? জানি না ! ওর আইডিটায় শেয়ার করা একটা পোস্ট পেলাম। একজন ওর আইডির স্ক্রীনশট দিয়ে লিখেছে, এই দাদী গতকাল আনুমানিক বিকেল ৫ টায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন , উনি যেনো সর্গ লাভ করেন এই আমার পার্থনা। পোস্ট পড়েই থমকে গেলাম। পাঁচ বছর আগের পোস্ট। ও মারা গেছে তাহলে ? হায়রে !. কোথায় সেই একসাথে বাঁচবো বলে কথা দেওয়া দিনগুলো। অজান্তেই চোখের কোনে পানি এলো। এরপর পরিচিত ফ্রেন্ডদের আইডিটা দেখছিলাম। ওদের আইডিটা এখনো প্রানবন্ত। কিন্তু ওরা প্রানবন্ত না। অনেকেই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছে। যে ফ্রেন্ডটা রোজ নতুন নতুন সেলিফি আপলোড দিত ও ২০ বছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছে। খবর শুনে দেখতে গেছিলাম। মজার মজার জোক্স পোস্ট করা ফ্রেন্ডটার খবর জানি না। লেখক ফ্রেন্ডটা ৮ বছর আগেও একটা পোস্ট দিয়েছে ওর ছেলে ওকে বৃদ্ধা আশ্রমে ফেলে এসেছে এই নিয়ে। ওর সাথে যোগাযোগ নেই। এরপর আমার আইডিটায় গেলাম। এত ট্যাগের ভিড়ে নিজের শেষ পোস্টটা পাচ্ছিলাম না। এইতো অনেক কষ্ট খুঁজে পেয়েছি ৩৩ বছর আগে আমার স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম। সেই খানকার কয়েকটা পিক। আরো প্রিভিয়াস পোস্টগুলো পড়ে কখনো হাসলাম। কখনো কাঁদলাম।
হঠাৎ নাতনী ডাক দিল দাদু আমি রেডি। টিউশনে যাব। ল্যাপটপ দাও।
আমি: ল্যাপটপ নিয়ে টিউশনে যাবি?
নাতনী: আরে তুমি আদি যুগের মানুষ বোঝো না? আমরা তো ভার্চুয়াল ক্লাস করি।
আমি: ওহ! তা বই খাতা লাগে না?
নাতনী: ধূর! কি বল? ক্লাস করতে বই খাতা লাগে?
আমি: ওহ! লাগে না?
নাতনী: তোমাদের সময় লাগতো?
আমি: হ্যা লাগতো তো। তবে তখন আমরা বইয়ে পড়তাম দেশে ভার্চুয়াল ক্লাস হবে।
নাতনী: হা হা হা। টিউশনে খাতা - কলম লাগতো! দারুন ফানি! আচ্ছা আমি যাই টিউশন শেষে তোমাদের কালের গল্প শুনবো।
হ্যা এখনকার আধুনিক আমরা ২০৬০ সালের আদিম আমরা। আমাদেরও ওই যুগের ছেলে মেয়েরা আদি কালের মানুষ বলবে।

"জানিনাা ২০৬০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না !
যদি বেঁচে থাকি তাহলে টাইমলাইন এ এসে লেখাটা আরো একবারের জন্য পড়বো আর এই সুন্দর দিনগুলোর কথা মনে করবো"।

(সংগৃহীত)

30/04/2024
29/04/2024

শুভ দুপুর বেলা.......
যদিও তাপমাত্রা খুব বেশি

যারা রাস্তাঘাটে লেবুর শরবত, লাচ্ছি খান বরফ দিয়ে, তারা একটু সাবধানে খাবেন😊😊কাদের কি বলি আমি নিজেই তো খাই😜😜😜
29/04/2024

যারা রাস্তাঘাটে লেবুর শরবত, লাচ্ছি খান বরফ দিয়ে, তারা একটু সাবধানে খাবেন😊😊

কাদের কি বলি আমি নিজেই তো খাই😜😜😜

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Romel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category