Cvv Cvv-Tv

24/10/2025

বাংলাদেশের প্রতি দৃষ্টিগোচর মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা সম্প্রতি বাংলাদেশের পরিবার হতে সমাজ,সমাজ হতে ছাত্র ও কাউন্সিল এবং দেশের বড় বড় নেতা মন্ত্রীগণ। মোট কথা বলতে গেলে দেশের A- টু -Z পর্যায়ী কম বেশি ইদানীং সময়ে আমরা সবাই জানি এবং করি কারণ আমরা ঐ-পেশায় অভ্যস্ত। কিন্তু তার পরো আমাদের অবস্থা দুর্বল তাঁরা অনেকেই টাকা-পয়সা ভাল একটা চাকুরীর জন্য ঝগড়া থেকে শুরু করে মারামারিসহ রক্তপাত-ও গঠায়, প্রতিনিয়ত তারা ঘঠাচ্ছে। কারণ সম্প্রতি বিশ্বের জেনারেশনের সমাজ গুলি বিশেষ করে যারা দরিদ্র এবং মধ্য বৃত্ত কম বেশি সবাই ঐ পেশায় কাজ করি। ইদানিং আমরা কমবেশি ঐ পেশায় অভ্যস্ত বিষেশ করে বাংলাদেশের সমাজ।
এবং আমরা কাজ গুলি করতে অভ্যস্ত, আমাদের কাজে আয় হচ্ছে - ব্যায়-ও হচ্ছে । কিন্তু দিন শেষে বা কর্মের শেষে আমরা সে পেশার আয় কৃত টাকা নিতে বা তুলতে ব্যর্থ।
"কে বলে -? বিশ্বে কর্ম নাই, আমাদের কাজ, কর্ম দিচ্ছে না -! এবং বিশ্বের বড় বড় কর্মপ্রতিষ্ঠানের বা ই-কর্মাশিয়ালের খাট হতে আমাদে সহযোগিতা করা হচ্ছে না-! চাকুরীর জন্য আমাদের হেই তুলা হচ্ছে অথবা আমরা চাকুরী করতে ব্যর্থ👉 কিন্তু দেখা যাচ্ছে সম্প্রতি আমরা বিশ্বের সব জেনারেশন কাজে বা কর্মে ব্যস্ত। আমরা কোন না কোন ই-কর্মাশিয়াল সইটে কর্ম করি প্রতিনিয়ত এবং করতে অভ্যস্ত। কিন্তু আমদের ব্যয় দেখা যাচ্ছে আয় কৃত টাকা ধরতে বা নিতে জানতেছি না, যার কারণ আমাদের যারা আয়ের উৎস গুলি জানতেছে, ধরতেছে তারা আয়ের চেয়ে বেশি চুরি করতে অভ্যস্ত। তারা দেশের বিভিন্ন জাইগায় বাসায়, ঘরে ঢুকে যেখানে সুযোগে পাচ্ছে সীমকার্ড মোবাইল রিকোভারি করে ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করে চুরি করতেছে ইদানীং চুরি হচ্ছে। যার ফলস্রোতিতে আমদের এমন সংকট প্রতি জেনারেশনে দেখাচ্ছে। আমরা বার বার ঘরোয়া মূখি পিছুয়া পড়তেছি। আমার বিশ্বাস বর্তমান দেশের প্রধান উপদেষ্টা বিষয় বস্তু গুলি খতিয়ে দেখবে।
মোঃ শরীফ হোছাইন

30/08/2025
পৃথিবীর এক মাত্র আল্লাহু সুবহানাহু তা আলার পবিত্র যুগল সমাজিক বাড়ি -!!
08/08/2025

পৃথিবীর এক মাত্র আল্লাহু সুবহানাহু তা আলার পবিত্র যুগল সমাজিক বাড়ি -!!

30/10/2024

"✍️ আহা রে বাঁংলার অদম গার্ডিয়ান, শিক্ষিত সমাজ শের বুঝে কিন্তু পা বুঝে না "✍️
পৃথিবীর ইতিহাসে কোন পিতা,মাতা গার্ডিয়ান চাই না যে, আমার ছেলে মানুষের মত মানুষ হোক শিক্ষা, দিক্ষা, মানে সম্মানে বড় হোক। প্রশ্নের জবাবে এক কথায় সবাই চাই কিন্তু সে চাওয়া যদি হয় সে সন্তানের জীবনের শেষ নিঃশ্বাসের মধ্যে সে চাওয়া বা পাওয়ার পাপ্য আংশের কোন বৃত্তি থাকে -! সারা জীবন যার জন্য সংঞ্চসয় করলাম সেই বা যদি না থাকে সে পাপ্য আংশ টুকু কার জন্য এই রাষ্ট্রে বা সামজে। বিশেষ করে যে সমস্ত গার্ডিয়ান,শিক্ষক, শিক্ষিকা,প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তি বর্গগণ রাষ্ট্রে, সমাজে রাজ নীতির নামে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন বলে লাফালাফি করে সুশীল রাষ্ট্র সমাজে বিশৃঙ্খলা করে ডাঙ্গা হাঙ্গামা করে সাধারণ জনগন বা জন সমাজের কাজ কর্মে বিবাদ গঠাচ্ছে তারা কি আসলে তাদের সন্তান সন্তিনিদের অপকর্ম শিখাচ্ছে-! না, জোর ধার বাহু বলে অপকর্ম সন্ত্রাসীদের নেতা বা লিডার বানানোর চেষ্টা চলাচ্ছে-? আসলে তারা কি চাই-? যে সন্তান বা যে ছাত্র নিজে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে যেখানে হীমচে পড়ে হুঝাড় খাচ্ছে সে খানে কি না তারাই সন্তানদের হাত ধরে রাষ্ট্রের সংগঠন নাম ধরে বিভিন্ন অরাজনৈতিক কর্ম কান্ড গঠাচ্ছে ফলে এক জন সন্তান বা ছাত্র তার ফল ভোগক্তা ভোগি। ঐ সমস্ত কর্মকান্ড দ্বারা একদিকে যেমন সাধারণ ছাত্র,ছাত্রী সন্তান সন্তনি, সাধারণ সমাজের পরিবার পরিবর্গণ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ঠিক তেমন তাদের জান, মাল ইত্যাদি ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর যারা রাষ্ট্র সংগঠন বলে বিভিন্ন অপকর্ম সন্ত্রাসবাজ চালাচ্ছে তারও তো আনছিক লাভবান হলেও পরে দেখা যাচ্ছে কোন কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কেন না তারা রাষ্ট্রের সংগঠন নামে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। এটা সন্ত্রাস বাদ ছাড়া আর কিছু না। কেবল সংগঠনিক ভাবে ব্যাক্তিগত স্বার্থ। ঐটা রাজনৈতিক স্বার্থ নয়। শুধু জামায়েত ছাত্র শিবির কেন রাষ্ট্রের সংগঠনিক সংগঠনে ছাত্রলীগ, ছাত্র দল ইত্যাদি ইত্যাদি কোন প্রকার ছাত্রদের অংশগ্রহণ বা আসক্তি করায়ে টেনে নেওয়া রাজনৈতিক নিয়ায় সংগঠ না। যারা করাচ্ছে, তারা কেবল সাপোর্ট নেওয়ার জন্য ঢাঙ্গা হাঙ্গামা সন্ত্রাসবাদ দের হাত শক্ত করার জন্য তা করাচ্ছে। সুতারাং সুশিক্ষিত সচেতন নাগরিকরা তা কখনো বদ্ধাস করবে না। এবং মেনে নিবে না। আমরা চাই আমাদের সন্তান, সন্তনি ছাত্র,ছাত্রী সুশিক্ষিত হয়ে নিদিষ্ট একটা সময়ে উপনীত হয়ে রাষ্ট্রের সংগঠনিক কাঠামোর কথা বলোক। এর আগে আমাদের সন্তান, সন্তনি ছাত্র ছাত্রীদের যে সমস্ত রাজনৈতিক রাষ্ট্রের সংগঠন বলে রাষ্ট্রে সমাজে অপকর্ম করে বিশৃঙ্খলা সন্ত্রাসবাদের ফাঁদে ফেলাচ্ছে তাদেরকে প্রত্যেক জনকে ধরে বিচারের আওতায় আনা হোক।
কেন তারা স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা মক্তব ভার্সিটি ইউভার্সিটিতে নিদিষ্ট সময়ে না হওয়ার শর্তেও তাদেরকে অর্থাৎ আমাদের ছাত্র, ছাত্রী, সন্তান, সন্তনিদের কে ধরে অপকর্মে বিশৃঙ্খলা সন্ত্রাসবাদী হতে বাধ্য করাচ্ছে আমরা তাদের ঐ সমস্ত রাজনৈতিক নামে রাষ্ট্রের অপসংগঠন কারী সন্ত্রাসবাজীদের অপসরণ ও বিচার চাই।

"✊আসুন সুশীল সচেতন গার্ডিয়ান,শিক্ষক শিক্ষিকা সবর্স্তরের জন সাধারণ সমাজের রাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদীদের ফাঁদ থেকে নিজে বাঁচতে চেষ্টা করি অন্য দের কে বাঁচাই আমাদের সন্তান, সন্তনি,, ছাত্র, ছাত্রীদেরকে সুশিক্ষিত সুশীল একজন সচেতন রাষ্ট্রের নাগরিক গড়ে তুলি।👊 ভাল লাগলে একটা লাইক এবং শিয়ার দিয়ে অন্যকে পড়ার সুযোগ দিন।

09/07/2024

কবিতা
একটি
নক্ষেত্র
লেখক:- মোঃ শরীফ হোছাইন

বঙ্গজলের উপর আন্ধ ছাঁয়ায়
পড়েছে আলোর কিরণ
সমাজ বেঁধে বাধঁন হারায়
নিপীড়নের সুতীল আজ আয়জন।
অন্ধতা নয়,নয় হীনতা বয়েছে
শুধুতার সমতার কলগান

তবুও তার অন্ধনিদার ঘুর ফেরিতে
অসহ্যনি হীনাতার আমরাদ

আমার নয় একা বঙ্গজলের উপর সাঁতার কাঁটা
সাথে আমার চৌষট্টি বর্গ মাইলের জনতা।
অন্ধতা নয়, নয় হীনতা বয়েছে
শুধুতার সমতার স্রোতের ধার।
সেই স্রোতে ছুঁটে আসা হাজার
নক্ষত্রের একটি নক্ষত্র বঙ্গজলে,
আজ ছাঁয়ার দাবিদার।

অন্ধতা নয়, নয় হীনতা, চাই সমাজ
বেধেঁ সাম্য বাঁধের বেঁড়িবাধ

আমি চৌষট্টি বর্গ মাইলে সাম্যের শিখড় দাড়।

আজি সমাজ বাদে হীনতার
অন্ধত্বের নিপীড়নের অবসাদ।
বঙ্গজলের উপর অন্ধ ছাঁয়ায় পড়েছে আলোর কিরণ
সমাজ বেঁধে বাঁধন হারা হীনতার
নিপীড়নের সুতীল আজ আয়োজন।

আমার নয় একা অন্ধে বঙ্গজলের উপর সাঁতার কাঁটা
সাথে আমার সমাজ বেধেঁ অন্ধে হীনতায় নিপীড়নে পিছে পরে থাকা।

চৌষট্টি বর্গ মাইলের জেঁগে ওঠা জনতা।
একে একে দ্বীর্ঘ ছয়, তিন, নয় মাসের নেমে আসা ভক্রতা
তবুও বঙ্গজলের ধামাল ক্রুদ
ভুলেনি তার সংস্কৃতি আর সভ্যতা।
ওরা আমার, কেঁড়ে নিতে চাই
আমার মূখের, মায়ের ভাষা।

আমার একার নয়, সাথে আমার চৌষট্টি বর্গের জনতার
বঙ্গজলের উপর অন্ধ ছাঁয়ায় পড়েছে বিষাদি কিরণ
অন্ধতা নয়, নয় হীনতা সাম্যবোধের আলোদন
কৃষি, শ্রমিক, ছাত্র, জ্ঞানী, গুনী সব পেশাতেই নিপীড়ন

আজি বঙ্গজলে সমাজ বেঁধে বাধঁন হারা
অন্ধ হীনতার নিপীড়নের সুতিল আয়োজন।
আমি নয় একা বঙ্গ সুতীল ক্রুূদে জ্বলা জনতা
দ্বীর্ঘ ছয় তিন নয় মাসে খন্ডে খন্ডে নেমে আসা ভক্রতা

তবুও বঙ্গজলে সুক্রুদের ধামাল
ভুলেনাই তার সংস্কৃতি আর সভ্যতা।
ওরা আমার কেঁড়ে নিতে চাই
শ্রমি জনাতার তৃষ্ণায় কাথর
ক্ষুধার্থ মুখের খাবার
মাঠ ভরা ফসলের নিয়ায্য মূলের সমবার।

আমি একা নয়,সাথে আমার চৌষট্টি বর্গের
অন্ধে হীনতায় পড়া গন-ও স্রোতের ধার।
বঙ্গজলে ধামাল স্রোতে অন্ধে আলোর
শুধু একটি মাত্র নক্ষত্রের দাবিদার,
নামতার বঙ্গজলের সুক্রুদী ধামাল
অমূল্য রত্নেশ্বরী।

১৮/১২/২০ইং সময় ৯:৩২ am

11/06/2024

"এই বাঁলর দেশত মন্ত্রী
সভা আছে কি না' ন জানি"!
দেশের মন্ত্রী সভা না কি গণতন্ত্র!!

কিন্তু আঁমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ জানে না আসলে গণতন্ত্র ইবা কি!
তবে আঁরা যারা অধিকাংশ অল্প, মধ্য ও উচ্চ শিক্ষিত তারা জানি শুনছি, পড়ছি যে, " গণতন্ত্র অর্থ জনগণের ভাগ্য জনগনের স্বার্থ
এক কথায়" বলা হত দশের লাঠি একের বুঝা।

কিন্তু ইদানীং সময় দেখা যায় অধিকাংশ একের লাঠি দশের বুঝা।

এ-কেমন গণতন্ত্র, এ- কেমন মন্ত্রী সভা, এ- কেমন আইন কানুন! পথচারী এক জন ব্যাক্তি যখন গাঁয়ের বা শহরের কোন বখটে দলের হয়রানি হয় আর সে যখন গণন তন্ত্রের আইন সভায় যায় সেখান থেকে বলা হয় আপনার রিপোর্ট লিখিত কাগজ আছে ১নং প্রশ্ন, তার পর বলা হয় আপনার সাক্ষী প্রামাণ - টাকা পায়সা আছে ২নং প্রশ্ন, ৩নং প্রশ্নে গিয়ে বলা হয় ঐ দলের প্রধান কে তার নাম কি সমাজে প্রভাব শালী কি না!!

ভাই গণন তন্ত্রের আইন সভা হয়রানি কৃত ব্যাক্তির ঐ পথচারীর যদি এত কিছু থাকত তাহলে কষ্ট করে আপনি পর্যন্ত আসার ধরকার কি ছিল।
সাক্ষী প্রমাণ, টাকা পয়সা ঐ পথচারীর রক্ষক হিসাবে তার দায়িত্ব নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ত তার মান, ইজ্জত ও আত্মা রক্ষার্থে।
সে তো কেবল সাধারণ একজন মানুষ যার নেই কোন সমর্থ নেই কোন বাহু বল, নেই কোন দল বল, কেবল সাধারণ একজন পথচারী।
আর তাকেই আপনার আইন সভা দুর্বলের মধ্যে আরো দুর্বল করে হতগ্রস্ত করে অসহায় করে দিল। এ হচ্ছে আপনার গণ তন্ত্রের আইন!
কিন্তু কেন আপনার গণ তন্ত্রের আইন রক্ষক হয়ে-ও একজন ভিক্ষুক!
অপর পক্ষে একদল বখাটে অপরাধী হয়েও মান ডন্ডে আইনী গণ তন্ত্ররের আচরণে মূখশধর সাধারণের মধ্যে একজন!
কিন্তু কেন বলতে পারবে দেশের গণ তন্ত্রের আইনী সভা!
বিশেষ দ্রব্য : গণ তন্ত্রের আইনী পরিষদের আইনের দ্বারা হয়ে দাঁড়াল একজন বা এক দল অপরাধীর রক্ষক
আর পক্ষান্তরে এক জন সাধারণ নির অপরাধী পথচারী হয়ে দাড়াল অপরাধী বখাটে! কিন্তু কেন -? সে একজন দুর্বল গরিব অক্ষর জ্ঞান হীন মূর্খ এতাই তার অপরাধ-!!
তবেই মূর্খই বা হবে না কেন। যে দেশের অধিকাংশ মানুষ মূর্খ অক্ষর জ্ঞান হীন কৃষক শ্রমিক সে দেশে মূর্খ হওয়াটা কি অপরাধ!!

উল্লেখ্য: "ঊন্নিশ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় অধিকাংশ ঐ মূর্খরাই দেশ স্বাধীন করেছিল"।

"কেন গনতন্ত্রের দেশে অপরাধী হয়েও অপরাধী বাঁচে যায়"-!!

উদাহরণ স্বরূপ একজন শিক্ষকের ছেলে চুরি করে ডাকাতি করে রাতে ধরা খেয়ে মারা মারি করার সময় একজন ছাত্র দেখতে পেয়ে চুরের হাত ধরে গর্ব করে বলে আরে এটা তো আমার অমূখশিক্ষকের ছেলে এই বলে বাঁচিয়ে নিয়ে গেল।
পরে ১-বার ২-বার ৩-বার, চার বারে ঐ একই শিক্ষকের ছেলে চুরি ডাকাতি করতে ঢুকে ঐ প্রথমে বাঁচিয়ে নিয়ে যাওয়া ছাত্রের ঘরে ঐ একই এলাকায়।
এখন তো আর শিক্ষকের ছেলে বলে বাঁচানোর কথা তো দূরের কথা বলে আরে এই তো সেই চুর যাকে কিনা আমি আমার শিক্ষকের ছেলে বলে বাঁচায় ছিলাম।
আর এখন আসচ্ছে আমার নিজের ঘর চুরি করতে।
এমন যদি হয় বা প্রতিনিয়ত গঠে গনতন্ত্রের দেশে তাহলে কি আর সাধারণ মানুষ বা জনগন থাকতে পারে এই দেশে সমাজে! মাননীয় গনতন্ত্রের মন্ত্রী মহোদয়

স্বাধীন এ গনতন্ত্রের দেশে রাতের আঁধারে চুরি জোনাকিপোকা দমন পথচারী ডাকাতি ও মিথ্যে হয়রানি কৃত সাধারণ জনগনের প্রতি আইন চিরতরে নির্মূল করা হোক।
জনস্বার্থে
দেশের ভার পাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়।
লেখক : মোঃ শরীফ হোছাইন

Address

Kutubdia. Uttar Dhurong Gov. Ment Praymary Shool Rood. Mono Sikdar Para
Cox's Bazar
4720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cvv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category