Maa Amar Jannat

Maa Amar Jannat Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Maa Amar Jannat, Photographer, Cumilla.

28/04/2026

ব্যথার স্থানে হাত রেখে, প্রথমে ৩ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করা অতঃপর এই দোয়াটি ৭ বার পাঠ করে ৭বার ফু দিতে হবে। যেকোনো ব্যথা ভালো হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ
اعوذ بعزه الله وقدرته من شر ما اجد و أحاذر
বাংলা উচ্চারণ- আউজু বিইজ্জাতীল্লাহি ওয়া কুদরতিহি মিন শাররিমা আজিদু ওয়া উহাজিরু।
দোয়া:
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
বাংলা উচ্চারণ:
রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির
অর্থ: 'হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল
করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী'।

Surah Al-Qasas (28:24)

28/04/2026

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর সূরা ফাতিহা আয়াতুল কুরসি ,সূরা ইমরানের ১৮-১৯ আয়াত ও সূরা ইমরানের ২৬ -২৭ আয়াত পড়তে হবে।,
شَهِدَ اللهُ اَنَّهٗ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۙ وَالْمَلٰٓئِکَۃُ وَ اُولُوا الْعِلْمِ قَآئِمًۢا
بِالْقِسْطِ ؕ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الْعَزِیْزُ الْحَکِیْمُ ﴿ؕ۱۸﴾
আল্লাহ স্বয়ং এ বিষয়ের সাক্ষ্য দেন এবং ফিরিশতাগণ ও জ্ঞানীগণও যে, তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, যিনি ইনসাফের সাথে (বিশ্ব জগতের) নিয়ম-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি ছাড়া অন্য কেউ ইবাদতের উপযুক্ত নয়। তাঁর ক্ষমতা পরিপূর্ণ এবং হিকমতও পরিপূর্ণ।

সুরা আল ইমরান ১৮

اِنَّ الدِّیْنَ عِنْدَ اللهِ الْاِسْلَامُ ۟ وَمَا اخْتَلَفَ الَّذِیْنَ اُوْتُوا الْکِتٰبَ اِلَّا مِنْۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْیًۢا بَیْنَهُمْ ؕ وَمَنْ یَّكْفُرْ بِاٰیٰتِ اللهِ فَاِنَّ اللهَ سَرِیْعُ الْحِسَابِ ﴿۱۹﴾

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট (গ্রহণযোগ্য) দীন কেবল ইসলামই। যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তারা তাদের কাছে জ্ঞান আসার পর কেবল পারস্পরিক বিদ্বেষবশত ভিন্ন পথ অবলম্বন করেছে। আর যে-কেউ আল্লাহর আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করবে (তার স্মরণ রাখা উচিত যে,) আল্লাহ অতি দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

সুর আল ইমরান ১৯

قُلِ اللّٰهُمَّ مٰلِکَ الْمُلْکِ تُؤْتِی الْمُلْکَ مَنْ تَشَآءُ وَتَنْزِعُ الْمُلْکَ مِمَّنْ تَشَآءُ ۫ وَتُعِزُّ مَنْ تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَنْ تَشَآءُ ؕ بِیَدِکَ الْخَیْرُ ؕ اِنَّکَ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ﴿۲۶﴾
বল, হে আল্লাহ! সার্বভৌম শক্তির মালিক! তুমি যাকে চাও ক্ষমতা দান কর, আর যার থেকে চাও ক্ষমতা কেড়ে নাও। যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর এবং যাকে চাও লাঞ্ছিত কর। সমস্ত কল্যাণ তোমারই হাতে। নিশ্চয়ই তুমি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।
সুরা আল ইমরান ২৬
تُوْلِجُ الَّیْلَ فِی النَّهَارِ وَتُوْلِجُ النَّهَارَ فِی الَّیْلِ ۫ وَتُخْرِجُ الْحَیَّ مِنَ الْمَیِّتِ وَتُخْرِجُ الْمَیِّتَ مِنَ الْحَیِّ ۫ وَتَرْزُقُ مَنْ تَشَآءُ بِغَیْرِ حِسَابٍ ﴿۲۷﴾

তুমিই রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করাও। তুমিই নিষ্প্রাণ বস্তু হতে প্রাণবান বস্তু বের কর এবং প্রাণবান থেকে নিষ্প্রাণ বস্তু বের কর, আর যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রিযক দান কর।

সুরা আল ইমরান ২৭

28/04/2026

বৃহস্পতিবার রাতেঃ একাধারে ৭ বার
এই দোয়াটি পড়ুন!!
"আল- রাফিয়্যু" "ইয়া রাফিয়ৎ"

28/04/2026

আল্লাহুম্মা ফাককিহু ফিদ্দিন ওয়া আললিম হুত তা উইল

রিজিক বৃদ্ধির কোরআনের আমল

اللَّهُ لَطِيفٌ بِعِبَادِهِ يَرْزُقُ مَنْ يَشَاءُ وَهُوَ الْقَوِيُّ الْعَزِيزُ

উচ্চারণঃ আল্লাহু লাতীফুম্ বি-ইবাদিহি ইয়ারজুকু মাইয়্যাশায়ু, ওয়া হুয়াল কাভিয়্যুল আজিজ।

অর্থঃ আল্লাহ তায়ালা নিজের বান্দাদের প্রতি মেহেরবান। তিনি যাকে ইচ্ছা রিজিক দান করেন। তিনি প্রবল, পরাক্রমশালী। (সূরা: শুরা, আয়াত: ১৯)

যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে, একনিষ্ঠতার সঙ্গে ১০০ বার এ আয়াত পড়বে, সে সর্বদা রিজিকের সঙ্কট থেকে হেফাজতে থাকবে।
যে দোয়া পড়ে সন্তানের মাথায় ফুঁ দিলে জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান হয়···

اللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ وَعَلِّمْهُ التَّأْوِيلَ
বাংলা উচ্চারণঃ " আল্লাহুম্মা ফাক্কিহু ফিদ্দিন ওয়া আল্লিম হুত তাউইল।"

অর্থাৎ-"হে আল্লাহ!
আপনি তাকে দ্বীনের প্রজ্ঞা দান করুন এবং তাকে তাফসিরের অগাধ জ্ঞান দান করুন !"❤️

১.📿সুবাহানআল্লাহ
২.📿আলহামদুলিল্লাহ
৩.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
৪.📿আল্লাহু আকবর
৫.📿আল্লাহুমা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
৬.📿আস্তাগফিরুল্লাহ
৭. 📿সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম
৮. 📿লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
৯. 📿আল্লাহুমাগফিরলি
১০.📿আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার
১১.📿ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আসতাগিস
১২. 📿ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম
১৩.📿জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু
১৪. 📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া
১৫. 📿আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম
১৬.📿লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন
১৭.📿 ইয়া হালালাল মুশকিলাত
১৮.📿আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল
১৯.📿ইয়া আরহামার রাহিমীন
২০.📿ইয়্যা কানাহ'বুদু ওয়া ইয়্যা কানাসতাঈন
২১.📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ তিমাহ
২২.📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুব্বাক
২৩.📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার
২৪.📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদাত আস সাবুর
২৫.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছমাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
২৬.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির
২৭.📿ওয়াল্লাজিনা ইয়াকুলুনা রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আই নিউ ওয়াজ আলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা
২৮.📿ইয়া ওয়াদুদু
২৯.📿 রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন
৩০.📿ইন্নামা আশকু বাছহি অ হুজনি ইলাল্লাহ
৩১.📿ইন্নাল্লাহা মাআ সবেরীন
৩২.📿হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি'মাল ওয়াকিল
৩৩. 📿ইয়া রাব্বিগ ফিরলি
৩৪. 📿সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
৩৫.📿আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম

পড়া শেষে সবাই বলি আলহামদুলিল্লাহ!😊❤️

28/04/2026

আমি মারা গেলেও এই কালিমার দাওয়াতটা থেকে যাবে😢
-কালেমার দাওয়াত রইলো আপনার প্রতি🫵
🌸 لَا اِلَهَاِلّا اللهُمَحَمّدُرّسُوْلُالله(ﷺ)__☝️ -লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ)
আরবি:🤲 أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যু-মু ওয়া আতূবু ইলাইহি.🤲😭
আল্লা হুম্ মাগ ফিরলি,
(আল্লাহ আমাকে মাফ করে দাও🙏
ওয়ার হামনি,
(আল্লাহ আমাকে রহম করো)
ওয়া আফিনি,
(আমাকে নিরাপত্তা দান করো)
ওয়ারুজুকনি,
(আমাকে।রিজিকদান করো)

অমুসলিম বা কাফেরের ইন্তেকালে ইন্নালিল্লাহ বলা জায়েজ আছে। কারণ:১ উপরোক্ত বাক্যে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ এবং আখেরাতের স্মরণ...
28/04/2026

অমুসলিম বা কাফেরের ইন্তেকালে ইন্নালিল্লাহ বলা জায়েজ আছে।
কারণ:


উপরোক্ত বাক্যে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ এবং আখেরাতের স্মরণের কথা আছে।
যে কোন মানুষের মৃত্যুই উক্ত বিষয়ের স্মরণ হতে পারে।


যে কোন মানুষের মৃত্যুই আমাদের নিজ মৃত্যুর কথা স্মরণ করায়। সেই হিসেবে উপরোক্ত বাক্য মুসলিম অমুসলিম সবার ক্ষেত্রেই মৃত্যুকে স্মরণ করানোর ক্ষেত্রে বরাবর।


এ কালিমা যে কোন বিপদ ও মুসিবতের সময়ই পড়া যায়। এর মাঝে বিপদগ্রস্ত বা মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তির ঈমান ও বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলা হয় না।


এর অর্থ হলো: ‘নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং তাঁর দিকেই আমরা প্রত্যাবর্তন করবো’।

সুতরাং এ বাক্যের মাঝে মুসলিম অমুসলিম কারো ক্ষেত্রে পড়ার কোন বাধ্যবাধকতা থাকার যৌক্তিকতা কুরআন ও হাদীসে, কিংবা ফিক্বহের কিতাবে উদ্ধৃত হয়নি।

সুতরাং যে কোন কাফেরের ইন্তেকালে ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিঊন’ পড়াতে কোন সমস্যা নেই।

তবে উক্ত কাফেরকে মুসলমান মনে করে পড়া হারাম। যদি কাফেরকে মুসলমান মনে করে পড়ে, তাহলে উক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কুফরীর শংকা রয়েছে।

তবে না পড়াই উত্তম হবে যদি, কাফেরকে মুসলমান মনে করার শংকা তৈরী হয়।

সেই সাথে মনে রাখতে হবে যে, কোন কাফেরের জন্য মাগফিরাতের দুআ করা, কিংবা জান্নাতপ্রাপ্তির দুআ করা হারাম। এটা জায়েজ নয়।

বিস্তারিত জানতে পড়ুন:

প্রশ্ন Md Nizam Uddin শিয়াদের মৃত্যুতে ইন্না-লিল্লাহ বলা যাবে? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم শিয়াদের অনেক প্রকার আছে। যে সমস্ত শিয়...

28/04/2026

কখনো কি শুনেছেন এমন কোনো হামদের কথা যা বান্দা আদায় করলে ফেরেশতা পর্যন্ত সাওয়াব কী লিখবে বুঝে উঠতে পারে না?

হ্যাঁ এমন হামদও আছে। কোনো বান্দা যখন এই হামদ পড়ে:

يا ربِّ لَكَ الحمدُ كما ينبَغي لجلالِ وجهِكَ ولعَظيمِ سُلطانِكَ

ইয়া রাব্বি! লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লি জালালি ওয়াজহিকা ওয়া লিআযিমী সুলত্বনিকা।

হে রব! সমস্ত প্রশংসা তোমার ঠিক যেভাবে তোমার জাতের বড়ত্ব ও তোমার রাজত্বের বিশালতার উপযুক্ত হয়।

দুইজন ফেরেশতা থ হয়ে যান। অগত্যক তারা আসমানে চলে যান। গিয়ে আল্লাহকে বলেন: ইয়া রব! আপনার এক বান্দা আপনার একটা প্রশংসাসূচক বাক্য পড়েছে। আমরা বুঝতে পারছি না এর সাওয়াব আমরা কী লিখব।

তখন আল্লামুল গুয়ুব আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন: আমার বান্দা কী পড়েছে?

ফেরেশতা দুজন এই হামদটার কথা বলেন। তখন আল্লাহ তায়ালা বলেন: আচ্ছা ঠিক আছে। আমার বান্দা যা যেভাবে পড়েছে সেভাবেই রেখে দাও। বান্দার আমার সাথে সাক্ষাৎ হওয়ার আগ পর্যন্ত সেভাবেই থাকুক। যখন সাক্ষাৎ হবে তখন এর সাওয়াব আমি নিজেই তাকে দেবো।

সুবহালাল্লাহ!

ইয়া রাব্বি! লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লি জালালি ওয়াজহিকা ওয়া লিআযিমী সুলত্বনিকা।

28/04/2026

রব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফকির”(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ)

অর্থ:
“হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী (অত্যন্ত প্রয়োজনীয়)।”
— (সূরা আল-কাসাস, আয়াত ২৪)

🌟এই রমজানে প্রতিদিন, যত সুযোগ পাও এই দোয়াটি পড়ো।
এটি খুবই শক্তিশালী একটি দোয়া।

এই বিশ্বাস নিয়ে পড়ো যে আল্লাহ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন — কারণ একমাত্র তিনিই পারেন।
তিনিই একমাত্র যিনি তোমার পরিস্থিতি বদলে দিতে পারেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তোমার যা প্রয়োজন সবকিছু দান করতে পারেন।

পুরো হৃদয় দিয়ে দোয়াটি করো এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখো। 🤍📿✨
আমি একজন সহপাঠীর পাশে বসা ছিলাম। সে তার বেতনের টাকাটা ভাগ-বটোয়ারা করছিলো এভাবে :

১০০০ কিস্তি
৪০০ বিদ্যুৎবিল
৩০০ বাবার জন্য
৩০০ মায়ের জন্য......

তার কাছে জানতে চাইলাম, 'তুমি না বললে, বেশ ক'বছর আগে তোমার মা-বাবা মারা গেছেন?'
সে মুচকি হেসে বললো, 'দুনিয়ার বুকে তারা নাই ঠিকই; তবে তারা আমার বুকে আজীবনই থাকবেন। আমাকে তো তাদের এখন আরও বেশি প্রয়োজন। তারা মারা গেছেন বলে কি আমি তাদের জন্য দান-খয়রাত করবো না? আরে ভাই, মারা যাওয়ার মাধ্যমে তো মাতাপিতার হক বিলুপ্ত হয়ে যায় না।'

[ একটি আরবী পেজ থেকে অনু্বাদ করা ]
- Abdullah Al Masud

কী দারুণ ভাবনা,সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ!!

সন্তান,তোমার বাবা মা কে নিয়ে এভাবে ভেবেছো কখনো?না ভাবলে আজ থেকে ভাবো।

رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
হে আমার প্রতিপালক, তাদের উপর দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তারা আমাদের লালন পালন করেছেন!!
এমন একটা দিনও পার না হোক,
যেদিন বাবা-মা"র জন্য অন্তত এক
বার দুয়া করা হয় না।আমিন
( সূরা বনী ইসরাইল-২৪ ) ।

28/04/2026

হাদিসে এমন একটা দুআ আছে যে দুআটা আল্লাহ তায়ালা মূসা আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে আখেরী নবী মুহাম্মাদে মুসতফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পর্যন্ত শিখিয়েছেন। দুআটা এমন অব্যর্থ যে বড় বড় সাহাবীরা নিজেরাও বার বার পড়তেন অন্যদেরও বার বার বর্ণনা করতেন ও পড়ার জন্য বলতেন। সেই দুআ সম্পর্কে হাসান বসরী রহ. বলেছেন:

আমাকে সামুরা ইবনে জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আমি কি আপনাকে এমন এক হাদিস শোনাবো যেটা আমি রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও অনেকবার শুনেছি আবার আবু বকর ও উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও অনেকবার শুনেছি? শুনাবো সেটা?

আমি বললাম: হ্যাঁ বলুন!

সামুরা বললেন:

যে ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা এই দুআটা পড়ে আল্লাহর কাছে কিছু চাবে আল্লাহ তায়ালা তার দুআ কবুল করবেন অবশ্যই অবশ্যই।

اللَّهمَّ أنتَ خلقتَني وأنتَ تَهْديني وأنتَ تُطعمُني وأنتَ تَسقيني وأنتَ تُميتُني وأنتَ تُحييني

আল্লাহুম্মা আনতা খালাক্বতানি ওয়া আনতা তাহদিনী ওয়া আনতা তুত্বঈমুনি ওয়া আনতা তাসক্বিনী ওয়া আনতা তুমিতুনি ওয়া আনতা তুহইয়িনি।

আয় আল্লাহ! তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছো। তুমিই আমাকে হিদায়াত দাও। তুমিই আমাকে খাওয়াও পিলাও। তুমিই তো আমার হায়াত মওত দেনে ওয়ালা মালিক!

[মুজামুল আওসাত্ব - তাবারানী ১০২৮]

সামুরা আরো বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমের কাছে গিয়েও এই দুআর কথা বলেছিলাম। তিনি শুনে বলেছিলেন:

আমার পিতামাতা কুরবান হোক। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কালিমাগুলো দিয়ে দুআ করতেন এবং বলতেন:

আল্লাহ তায়ালা মূসা আলাইহিস সালামকেও এই দুআ গুলো দিয়েছিলেন। তিনি দৈনিক সাতবার এই দুআগুলো পড়ে আল্লাহর কাছে যা চাইতেন আল্লাহ তায়ালা তা দিয়ে দিতেন।

আমি অবাক বিস্ময়ে ভাবি! আল্লাহ তায়ালা কতবড় দেনেওয়ালা রব! হাজার বছর ধরে এক নবী থেকে আরেক নবীকে দুআ শিখিয়ে যাচ্ছেন যেন তারা উম্মতকে শেখাতে পারেন। উম্মত যেন তাদের মালিকের কাছে চাইতে পারে। আর কোন মালিক এমন আছে যে মালিক চায় তার দাস তার কাছে চেয়ে নিক!

28/04/2026

আমি ৩১৩ বার দূরুদে ইব্রাহিম পাঠ করলাম, আর যা অসম্ভব ছিল তাও সম্ভব হয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ"।

আমার একটা সমস্যা ছিল, যেটা আইলিড ডার্মাটাইটিস নামে পরিচিত। প্রায় তিন বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছিলাম। অনেক ঔষধ, ট্যাবলেট আর ক্রিম ব্যবহার করেছি। অনেক দামি দামি ক্রিমও ব্যবহার করেছি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। সবকিছু ব্যবহার করেও কোনো উপকার পাইনি। বরং আমার চোখের চারপাশে কালো হয়ে গিয়েছিল, অনেকটা ডার্ক সার্কেলের মতো।

অনেকে আমাকে জিজ্ঞেস করত, “তোমার চোখে কী হয়েছে? এত কালো কেন? তুমি কি দেরি করে ঘুমাও, নাকি সবসময় ফোনের মধ্যেই থাকো?” আমার পূর্বপরিচিত কেউ কেউ আমাকে চিনতেই পারত না। এজন্য অনেক সময় আমি কারো বাসায়ও যেতাম না। কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানেও অংশ নিতাম না। নিজের চেহারাটা নিজেই চিনতে পারতাম না। বয়সের চেয়েও বেশি বয়স্ক লাগত।

অনেক হোম রেমেডি, মাসাজ আর ডায়েট প্ল্যান ট্রাই করেছি। কিছুই কাজ করেনি। মুখ ধোয়া বা গোসল করলেই অবস্থা আরো খারাপ হতো। চোখে চুলকানি, জ্বালা পড়া আর লাল হয়ে যেত। এই সময়গুলোতে আমি ইস্তেগফার আর দূরুদ পাঠ করতাম। আলহামদুলিল্লাহ, জীবন মোটামুটি ভালোই চলছিল। কিন্তু ত্বকের সমস্যা একই রকম রয়ে গেল।

ইউটিউবে দূরুদ শরীফ ও ইস্তেগফারের অলৌকিকতা নিয়ে অনেক ভিডিও দেখেছি। সেখানে বলা হচ্ছিল যে দূরুদে ইব্রাহিম পড়লে অনেক সমস্যা দূর হয়। আমি ভেবেছিলাম এটা অনেক লম্বা, এতবার পড়া কঠিন হবে। কিন্তু পরে জানতে পারলাম ৩১৩ বার পড়লে এর অনেক গোপন বরকত আছে।

জুলাই মাসের প্রথম তারিখ থেকে আমি দূরুদে ইব্রাহিম পড়া শুরু করলাম। প্রথম দিন ১০০ বার পড়লাম, পরদিন ২০০ বার। আর তৃতীয় দিন আমি ৩১৩ বার পড়া শেষ করলাম।

আলহামদুলিল্লাহ, কয়েকদিনের মধ্যেই আমি বুঝতে পারলাম চোখে চুলকানি নেই, জ্বালা পড়াও নেই। মুখ ধোয়া বা গোসল করার পর আর ভয় লাগছে না আলহামদুলিল্লাহ।

আরো একটি বড় সমস্যা ছিল—আমি আমার স্বামীকে দেখলে অকারণে এক ধরনের বিরক্তি বা ঘৃণা অনুভব করতাম। অথচ তিনি অত্যন্ত ধর্মভীরু ও সদয় মানুষ। আমি আল্লাহর কাছে দু'আ করলাম, “হে আল্লাহ, আমার অন্তর থেকে এই ঘৃণা দূর করে দিন, যেন আমি আবার আমার স্বামীকে ভালোবাসতে পারি।”

আলহামদুলিল্লাহ, কয়েকদিনের মধ্যেই আবার আমার স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ফিরে আসে।

আরো একটি সমস্যা ছিল—হায়েজ চলাকালীন দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে অনেক ব্যথা হতো। কিন্তু এবার কোনো ব্যথাও অনুভব করিনি।

আলহামদুলিল্লাহ, দূরুদে ইব্রাহিম একটি অলৌকিক চাবি, যা বরকতের সব বন্ধ দরজা খুলে দেয়। আমি এই দূরুদে ইব্রাহিম পড়া কখনোই ছাড়ব না ইনশাআল্লাহ।

✍️

Address

Cumilla
3500

Telephone

+8801926498457

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maa Amar Jannat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Maa Amar Jannat:

Share

Category