Candid Moments Studio

Candid Moments Studio Welcome to Candid Moments Studio!

Dog Squad!!!
06/08/2025

Dog Squad!!!

Random Click!!!!
15/06/2025

Random Click!!!!

গোধূলি বেলায়!!!
10/06/2025

গোধূলি বেলায়!!!

Random Click📸
28/05/2025

Random Click📸

 #বিশ্রাম
17/05/2025

#বিশ্রাম

 #কৃষ্ণচূড়া
16/05/2025

#কৃষ্ণচূড়া

জবা ফুল, মালভেসি পরিবারের হিবিসকি উপজাতির একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি চীনা হিবিস্কাস, চায়না রোজ, হাওয়াইয়ান হিবিস্কাস, রো...
15/05/2025

জবা ফুল, মালভেসি পরিবারের হিবিসকি উপজাতির একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি চীনা হিবিস্কাস, চায়না রোজ, হাওয়াইয়ান হিবিস্কাস, রোজ ম্যালো নামেও পরিচিত। সাধারনত ইংরেজিতে একে হিবিস্কাস বলা হয়। ক্রান্তীয় ও উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে এটি একটি শোভাময় উদ্ভিদ হিসাবে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

জবা একটি ঝোপঝাড়, চিরহরিৎ গুল্ম বা ছোট গাছ যা লম্বা এবং চওড়ায় যথাক্রমে ২.৫-৫মি (৮-১৬ ইঞ্চি) এবং ১.৫-৩মি (৫-১০ ইঞ্চি) হয়। এই গাছে একটি শাখাযুক্ত প্রধান মূল রয়েছে। এর কাণ্ড বায়বীয়, খাড়া, সবুজ, নলাকার এবং শাখাযুক্ত। এর পাতাগুলি চকচকে ও ফুলগুলি উজ্জ্বল লাল বর্ণের ও ৫টি পাপড়ি যুক্ত। ফুলগুলির ব্যাস ১০ সেমি(৪ ইঞ্চি) এবং গ্রীষ্মকাল ও শরৎকালে ফোটে।

ভোজ্য হিসেবে এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সালাদের মধ্যে জবা ব্যবহৃত হয়। এটি ভারতের কিছু অংশে জু্তা চকচকে করতেও ব্যবহৃত হয়, তাই একে জুতা পরিষ্কারক ফুল বলা হয়। ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ায় এই ফুলকে কেম্বাং সেপাতু বা বুঙ্গা সেপাতু বলা হয়, যার আক্ষরিক অর্থ "জুতার ফুল"। ফুলটি পিএইচ সূচক হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। যখন ফুলটি কোনো অ্যাসিডিক দ্রবণে ডুবানো হয়, তখন এটি গাঢ় গোলাপী বা ম্যাজেন্টা রঙে পরিণত করে এবং ক্ষারীয় দ্রবণে এটি সবুজ রঙে পরিণত হয়। বেশ কয়েকটি দেশে ফুলগুলি শুকিয়ে পানীয়তে ব্যবহার করা হয় যেমন চা।

চীনা ভেষজবিজ্ঞানে জবা বেশ কয়েকটি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় বলে মনে করা হয়। চীনে ঐতিহ্যগত ভাবে ফুলের পাপড়ি দিয়ে কালো জুতো-পালিশ তৈরি করা এবং মহিলার কালো চুলের রঙ তৈরি করা হয়। এই উদ্ভিদ এবং ফুল প্রসাধনীতে ত্বকের যত্নের জন্য ব্যবহার করা যায়, উদাহরণস্বরূপ, জবা ফুল থেকে প্রাপ্ত একটি নির্যাস অতিবেগুনী বিকিরণ শোষণ করে একটি এ্যান্টি-সোলার এজেন্ট হিসাবে কাজ করতে পারে।

সজনে পাতায় রয়েছে কমলা লেবুর চেয়ে ৭ গুণ বেশী ভিটামিন-সি, দুধের তুলনায় ৪ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম, গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-...
14/05/2025

সজনে পাতায় রয়েছে কমলা লেবুর চেয়ে ৭ গুণ বেশী ভিটামিন-সি, দুধের তুলনায় ৪ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম, গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ, কলার চেয়ে ৩ গুণ বেশী পটাসিয়াম রয়েছে।

১। গর্ভবতী মায়েরা সজনে পাতার গুড়ো খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয়। সেই সাথে মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি পায়।

২। এই পাতা মহুমূত্র রোগের জন্য অনেক উপকারী।

৩। যাদের এলার্জি সমস্যা রয়েছে সজনে পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

৪। প্রতিদিন সকালে এক চামচ সজিনার শুকনো গুড়ো পানির সাথে মিশিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক ইত্যাদি দূর হয়।

৫। গেটে বাতের সমস্যা থাকলে সজিনার পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে লাগালে দ্রুত উপশম হয়।

৬। সজিনার ফুলে অনেক উপকারিতা রয়েছে। হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হয়।

৭। সজিনার পাতা বেটে পোকার কামড়ের স্থানে লাগালে তাৎক্ষনিকভাবে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে অনেক ভালো কাজ করে।

৮। সজনে পাতার গুড়ো খেলে পেটে কৃমির সমস্যা দূর হয়।

৯। এই পাতা খেলে শরীরের ওজন কমে যায়।

 #জীবিকা
14/05/2025

#জীবিকা

তুলসী (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ লামিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত একটি...
07/05/2025

তুলসী (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum Sanctum) একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসী গাছ লামিয়াসি পরিবারের অন্তর্গত একটি সুগন্ধী উদ্ভিদ।হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এটি একটি পবিত্র উদ্ভিদ হিসাবে সমাদৃত। ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে তুলসীকে 'সীতাস্বরূপা', স্কন্দপুরাণে 'লক্ষীস্বরূপা', চর্কসংহিতায় 'বিষ্ণুপ্রিয়া', ঋকবেদে 'কল্যাণী' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

একটি একক তুলসী ফুল (বিবর্ধিত চিত্র)
তুলসী একটি ঘন শাখা প্রশাখা বিশিষ্ট ২/৩ ফুট উঁচু একটি চিরহরিৎ গুল্ম। এর মূল কাণ্ড কাষ্ঠল, পাতা ২-৪ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। পাতার কিনারা খাঁজকাটা, শাখাপ্রশাখার অগ্রভাগ হতে ৫টি পুষ্পদণ্ড বের হয় ও প্রতিটি পুষ্পদণ্ডের চারদিকে ছাতার আকৃতির মত ১০-২০ টি স্তরে ফুল থাকে। প্রতিটি স্তরে ৬টি করে ছোট ফুল ফোটে। এর পাতা, ফুল ও ফলের একটি ঝাঁঝালো গন্ধ আছে। তুলসী গাছ পরিবেশে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে, একারণে একে 'অক্সিজেনের ভাণ্ডার' বলা হয়।

তুলসী গাছের নানা ঔষধি ব্যবহার রয়েছে।

১.প্রাচীনকাল থেকে সর্দি, কাশি, ঠাণ্ডা লাগা ইত্যাদি নানা সমস্যায় তুলসী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঠাণ্ডা ও সর্দিজনিত যেকোনো সমস্যায় তুলসী রস ও মধু একত্রে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এ গাছের রস কৃমি ও বায়ুনাশক।[২] ঔষধ হিসাবে এই গাছের ব্যবহার্য অংশ হলো এর রস, পাতা এবং বীজ। আয়ুর্বেদ ও ভেষজ চিকিৎসায় তুলসীর ব্যাপক ব্যবহার বয়েছে, বিশেষত ভারতীয় উপমহাদেশে।

২.ঠাণ্ডা বা গরমে ঘোরা বা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরমে চোখ ওঠে। রোগটি সঃক্রামক। একজনের হলে বাড়ি শুদ্ধ সকলেরই হয়।ঐ সময় তুলসী পাতার রস কাজলের মত চোখে দিলে বা মধু মিশিয়ে তা চোখে দিলে চোখ ওঠা, চোখে দিয়ে জল পড়া বন্ধ হয়।

৩.কুষ্ঠরোগ হলে তুলসী পাতার রস সব সময় সেবন করা উচিত। যদি আঙুল ক্ষয়ে যায়,হাড়ে আক্রমণ করে, তাহলেও তুলসীর রস খাওয়া উচিত।

৪.দাতে যদি খুব যন্ত্রণা হয় তবে তুলসী পাতার সঙ্গে গোল মরিচ মিশিয়ে বেটে তার তৈরী করে তা দাতের যন্ত্রণার জায়গায় চেপে বসিয়ে দিলে দাতের যন্ত্রণার কমবে।

৫.শরীরে রক্ত হ্রাস পেলে জন্ডিস রোগীর হয়। এই রোগটি হলে ৫ গ্রাম তুলসী পাতা,৫ গ্রাম জল দিয়ে বেটে খেলে জন্ডিস রোগে যে হলুদ বর্ণ হয় তা কেটে যায়। রোগীর রোগ সেরে যায়।

ভারতে যে চার প্রকার তুলসী গাছ দেখা যায় সেগুলি হলো:

বাবুই তুলসী
রামতুলসী
কৃষ্ণ-তুলসী, ও
শ্বেত তুলসী।

#সংগৃহীত

Address

House# 58, Road# 16, Block# A, Banani, Dhaka-1223
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Candid Moments Studio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category