Dipto’s Transcend

Dipto’s Transcend শান্তি মানেই শ্রীকৃষ্ণ। জীবনের প্রতিটি ফ্রেমে তাঁরই অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া।

🌸 ‘অষ্ট মহাদ্বাদশী’ তিথি ও মহা দ্বাদশী যুক্ত ব্রতের দুর্লভ মাহাত্ম্য 🌸সাধারণত একাদশীতে উপবাস করা হয়, কিন্তু শাস্ত্রে, শ্...
22/08/2026

🌸 ‘অষ্ট মহাদ্বাদশী’ তিথি ও মহা দ্বাদশী যুক্ত ব্রতের দুর্লভ মাহাত্ম্য 🌸
সাধারণত একাদশীতে উপবাস করা হয়, কিন্তু শাস্ত্রে, শ্রীল সনাতন গোস্বামী প্রভু ও শ্রীল গোপাল ভট্ট গোস্বামী প্রভু রচিত 'শ্রীহরিভক্তিবিলাস' গ্রন্থের ১৫শ বিলাস-এ এই ৮টি মহাদ্বাদশী ব্রতের লক্ষণ, নিয়ম ও মাহাত্ম্য অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
পদ্ম পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ ও অন্যান্য শাস্ত্রের প্রমাণ উল্লেখ করে শ্রীহরিভক্তিবিলাসে এই ৮টি মহাদ্বাদশী শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে:
তিথিভিত্তিক ৪টি: উন্মীলনী, ব্যঞ্জুলী, ত্রিস্পৃশা ও পক্ষবর্ধিনী।
নক্ষত্রভিত্তিক ৪টি: জয়া (পুনর্বসু), বিজয়া (শ্রবণা), জয়ন্তী (রোহিণী) ও পাপনাশিনী (পুষ্যা)।
শ্রীহরিভক্তিবিলাস' অনুসারে একাদশী ও দ্বাদশী তিথির বিশেষ সংযোগ বা নক্ষত্র যোগে ৮টি 'মহাদ্বাদশী' উপস্থিত হলে একাদশীর পরিবর্তে দ্বাদশীতেই সম্পূর্ণ উপবাস ব্রত পালন করতে হয়। এই মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ কোটি একাদশী পালনের সমতুল্য ফল প্রদান করে! 🙏✨
📌 ৮টি মহাদ্বাদশী পরিচয় ও মাহাত্ম্য:
🔹 ১. উন্মীলনী মহাদ্বাদশী:
একাদশী তিথি দ্বাদশীর সূর্যোদয় পেরিয়ে বৃদ্ধি পেলে এবং দ্বাদশী পরদিন সূর্যোদয়ের আগেই শেষ হয়ে গেলে এটি হয়। এই ব্রতের মহিমা শ্রবণে সর্বপ্রকার পাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোক প্রাপ্তি ঘটে।
🔹 ২. ব্যঞ্জুলী মহাদ্বাদশী:
একাদশী দ্বাদশীর সূর্যোদয়ের আগেই শেষ হয়, কিন্তু দ্বাদশী তিথি বর্ধিত হয়ে ত্রয়োদশীর সূর্যোদয় অতিক্রম করলে 'ব্যঞ্জুলী মহাদ্বাদশী' হয়। এই দিনে উপবাসে হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
🔹 ৩. ত্রিস্পৃশা মহাদ্বাদশী:
এক সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয়ের মধ্যে একাদশী, দ্বাদশী ও ত্রয়োদশী—তিনটি তিথিই স্পর্শ করলে এই অতি দুর্লভ যোগ তৈরি হয়। এই ব্রতের মাহাত্ম্য শ্রবণে ১,০০০ রাজসূয় ও অশ্বমেধ যজ্ঞের পুণ্য অর্জিত হয়।
🔹 ৪. পক্ষবর্ধিনী মহাদ্বাদশী:
অমাবস্যা বা পূর্ণিমা বৃদ্ধির কারণে পক্ষ বর্ধিত হলে এবং তার সাথে দ্বাদশীও প্রবর্ধিত থাকলে এটি হয়। এই ব্রতের প্রভাবে ব্রতকারী ও তাঁর পূর্বপুরুষগণ বৈকুণ্ঠধাম লাভ করেন।
🔹 ৫. জয়া মহাদ্বাদশী:
শুক্লপক্ষের দ্বাদশী তিথিতে ‘পুনর্বসু’ নক্ষত্রের যোগ ঘটলে ‘জয়া মহাদ্বাদশী’ হয়। এর প্রভাবে জীবনের সমস্ত আধ্যাত্মিক ও জড়জাগতিক বাধা বিনষ্ট হয়ে ভগবানের নিত্যধামে জয়া বা বিজয় প্রাপ্তি ঘটে।
🔹 ৬. বিজয়া মহাদ্বাদশী:
শুক্লপক্ষের দ্বাদশী তিথি ‘শ্রবণা’ নক্ষত্রের সাথে যুক্ত হলে ‘বিজয়া মহাদ্বাদশী’ হয়। ভগবান বামনদেবের কৃপায় ভক্ত নিজ হৃদয়ের ষড়রিপুকে পরাভূত করে ভক্তিপথে পরম বিজয় লাভ করেন।
🔹 ৭. জয়ন্তী মহাদ্বাদশী:
দ্বাদশী তিথির সাথে শ্রীকৃণের জন্ম নক্ষত্র ‘রোহিণী’ নক্ষত্রের সংযোগ ঘটলে ‘জয়ন্তী মহাদ্বাদশী’ গঠিত হয়। এই ব্রতের প্রভাবে কোটি জন্মার্জিত মহাপাপ ক্ষয় হয় এবং হৃদয়ে পরম প্রেম প্রস্ফুটিত হয়।
🔹 ৮. পাপনাশিনী মহাদ্বাদশী:
দ্বাদশী তিথির সাথে ‘পুষ্যা’ নক্ষত্রের সংযোগ ঘটলে এটি হয়। নামের সার্থকতা অনুযায়ী, এই মাহাত্ম্য শ্রবণ ও পালন করলে মহাপাতকও নিমেষে ভস্মীভূত হয়ে পরম শান্তির উদয় হয়।

মহাদ্বাদশী থাকা সত্ত্বেও একাদশীর দিন উপবাস করলে কী ক্ষতি হয়?
শ্রীহরিভক্তিবিলাস ও পদ্ম পুরাণ অনুসারে, যখন মহাদ্বাদশী উপস্থিত হয়, তখন একাদশীর দিন উপবাস করা শাস্ত্রের কঠোর নির্দেশ লঙ্ঘন করার শামিল।

এতে নিম্নলিখিত ক্ষতিগুলো হয়:
পুণ্য ক্ষয় ও পাপ লাভ: শাস্ত্রীয় বিধান লঙ্ঘন করে উপবাস করলে কোনো পুণ্য তো হয়ই না, বরং পূর্বার্জিত পুণ্য ক্ষয় হয় এবং তা 'আসুরিক উপবাস'-এ পরিণত হয়।

ভগবানের অপ্রীতি: ভগবান শ্রীহরি পরম শাস্ত্রনিয়মক। তিনি স্বয়ং শাস্ত্রে মহাদ্বাদশী পালনের আদেশ দিয়েছেন। তাই এই নিয়ম ভাঙলে ভগবান প্রসন্ন না হয়ে অপ্রীত হন।

বিদ্ধা পাপের ভাগীদার: মহাদ্বাদশী হওয়ার একটি বড় কারণ থাকে একাদশীতে 'দশমী বিদ্ধা' (দশমীর স্পর্শ) থাকা। স্কন্দ পুরাণে বলা হয়েছে, দশমী বিদ্ধা একাদশীতে উপবাস করলে তা সুরা (মদ) পানের সমতুল্য পাপ ডেকে আনে।

তিথি-নক্ষত্র ও শাস্ত্রীয় নিয়ম না মেনে চলার পরিণতি ও উদাহরণ
শাস্ত্রীয় তিথি, নক্ষত্র ও বিধি-বিধান উপেক্ষা করে নিজের মনগড়া নিয়মে ব্রত বা কর্ম করলে কী পরিণতি হয়, তা বিভিন্ন উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হলো:
রাবণ (আসুরিক মনোভঙ্গি): রাবণ অত্যন্ত পণ্ডিত ও মহাতপস্বী হওয়া সত্ত্বেও তার মধ্যে আসুরিক অহংকার ছিল। সে গ্রহ, তিথি ও নক্ষত্রদের নিজের বন্দী বানিয়ে কাল ও সময়কে নিজের নিয়ন্ত্রণে চালাতে চেয়েছিল। শাস্ত্রের নিয়ম-কানুন ও শুভ তিথি তোয়াক্কা না করে সে নিজের অহংকার ও শক্তি প্রদর্শনের জন্য মনগড়া উপায়ে তপস্যা ও পূজা করত। এই শাস্ত্রলঙ্ঘন ও আসুরিক ভাবের কারণেই এত ভক্ত ও জ্ঞানী হয়েও রাবণের সপরিবারে বিনাশ ঘটেছিল।

দুর্যোধন ও কৌরবগণ: কৌরবরা কখনো শাস্ত্রীয় শুভ তিথি বা শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ মানেনি। দুর্যোধন অমাবস্যা বা অশুভ তিথিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে যুদ্ধ জয় করতে চেয়েছিল। কিন্তু ধর্ম ও শাস্ত্রীয় নিয়মকে অবহেলা করার কারণে তারা চরম পরাজয় বরণ করে।
ভস্মাসুর: শুভ তিথি, সংযম ও শাস্ত্রের পরম উদ্দেশ্য না জেনে কেবল নিজের স্বার্থে তপস্যা করে সে ধ্বংস ডেকে এনেছিল।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার সিদ্ধান্ত (১৬.২৩):
যঃ শাস্ত্রবিধিমুৎসৃজ্য বর্ততে কামকারতঃ।
ন স সিদ্ধিমবাপ্নোতি ন সুখং ন পরাং গতিম্॥
অর্থ: যে ব্যক্তি শাস্ত্রের নির্দেশ বা বিধি-বিধান পরিত্যাগ করে নিজের খেয়ালখুশিমতো বা কামনাবাসনার বশে আচরণ করে, সে জীবনে কখনো সিদ্ধি, সুখ বা পরম গতি (মুক্তি) লাভ করতে পারে না।
তাই ভক্তিপথে তিথি-নক্ষত্র ও গুরু-শাস্ত্রের অনুশাসন মেনে মহাদ্বাদশী পালন করাই একজন ভক্তের পরম কর্তব্য।

শাস্ত্র (বিশেষ করে শ্রীহরিভক্তিবিলাস, স্কন্দ পুরাণ, পদ্ম পুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ) অনুযায়ী, মহাদ্বাদশী থাকা সত্ত্বেও ভুলবশত বা অবহেলা করে বিদ্ধা একাদশীতে উপবাস করলে এবং শাস্ত্রবিধি অমান্য করলে নরকবাসের নির্দিষ্ট সময়কাল ও পরিণাম নিম্নরূপ:

ষাট হাজার (৬০,০০০) বছর রৌরব নরকবাস:
স্কন্দ পুরাণ ও হরিভক্তিবিলাস-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি মহাদ্বাদশী বর্জন করে দশমী-বিদ্ধা একাদশীতে উপবাস করে, সে এবং তার পূর্ববর্তী ১০ পুরুষ ৬০,০০০ বছর অতি কষ্টদায়ক 'রৌরব' ও 'কূম্ভীপাক' নরকে পচে।
সূর্য ও চন্দ্র যতদিন বিদ্যমান (কোটি কল্প নরকবাস):
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী, শাস্ত্রীয় নিয়ম জেনেও তা লঙ্ঘন করে বিদ্ধা একাদশী পালন করাকে পরমেশ্বরের প্রতি চরম অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এর ফলে অপরাধী জীব আকাশে সূর্য ও চন্দ্র যতদিন প্রদীপ্ত থাকবে, ততদিন নরকযন্ত্রণা ভোগ করে।

১০০ জন্ম চণ্ডাল ও পশুজোনিতে জন্ম:
শ্রীহরিভক্তিবিলাস (১৫শ বিলাস) অনুসারে, নরকভোগের পর সেই পাপের অবশিষ্টাংশে জীবকে পরপর ১০০ বার চণ্ডাল, শূকর বা কুকুর যোনিতে জন্ম নিয়ে ঘোর কষ্ট ভোগ করতে হয়।

পূর্বপুরুষদের নরকে পতন:
ভুল দিনে (বিদ্ধা তিথিতে) উপবাস করলে কেবল ব্রতকারীর নিজের ক্ষতি হয় না; তার পিতৃপুরুষগণও সুচিরাচরিত স্বর্গলোক থেকেচ্যুত হয়ে নরকে পতিত হন এবং বংশের শ্রী ও পুণ্য ধ্বংস হয়ে যায়।
কেন এই কঠোর শাস্তি?
দশমী তিথিকে দৈত্য বা আসুরিক শক্তির প্রভাবযুক্ত মনে করা হয়, আর দ্বাদশী/একাদশী হলো ভগবান শ্রীহরির নিজ তিথি। যখন মহাদ্বাদশী যোগ উপস্থিত হয়, তখন ভগবান শ্রীহরি স্বয়ং সেই দ্বাদশীতে বিশেষ কৃপাদৃষ্টি বর্ষণ করেন। তাই মহাদ্বাদশী ত্যাগ করে দশমী-স্পর্শযুক্ত দিনে উপবাস করা মানে ভগবান হরিকে অনাদর করে অসুরদের প্রসন্ন করার চেষ্টা করা।

এই কারণেই শ্রীল সনাতন গোস্বামী প্রভু ও গৌড়ীয় বৈষ্ণবাচার্যগণ নির্দেশ দিয়েছেন—মহাদ্বাদশী উপস্থিত থাকলে একাদশীর উপবাস বর্জন করে মহাদ্বাদশীতেই উপবাস করা পরম কর্তব্য, যা সমস্ত নরকভীতি থেকে মুক্ত করে পরম বৈকুণ্ঠধাম প্রদান করে।

পবিত্র এই বৈষ্ণব মহিমাটি আপনার প্রোফাইল বা পেজে শেয়ার করে অন্য ভক্তদেরও জানার সুযোগ করে দিন। 🌿
হরে কৃষ্ণ! 🙌
#একাদশী #মহাদ্বাদশী #হরিকথা

আগামী ২৪ শে আগস্ট যে একাদশী আসছে সে একাদশীর নাম কি??
22/08/2026

আগামী ২৪ শে আগস্ট যে একাদশী আসছে সে একাদশীর নাম কি??

কাঁচা হাতে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি 📸🌿 #হরেকৃষ্ণ                                      #জয়শ্রীকৃষ্ণ 🙏🌿📸
16/08/2026

কাঁচা হাতে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি 📸🌿

#হরেকৃষ্ণ #জয়শ্রীকৃষ্ণ 🙏🌿📸

🌺 ভক্তিজীবনও একটি ফুলের মতো…ফুল যেমন ধীরে ধীরে কুঁড়ি থেকে প্রস্ফুটিত হয়ে তার সৌরভ ছড়িয়ে দেয়, তেমনি একজন ভক্তও সাধনা, নাম...
11/08/2026

🌺 ভক্তিজীবনও একটি ফুলের মতো…
ফুল যেমন ধীরে ধীরে কুঁড়ি থেকে প্রস্ফুটিত হয়ে তার সৌরভ ছড়িয়ে দেয়, তেমনি একজন ভক্তও সাধনা, নামজপ, শাস্ত্রশ্রবণ ও কৃষ্ণসেবার মাধ্যমে ধীরে ধীরে কৃষ্ণভাবনায় প্রস্ফুটিত হন। 🌿
ফুল নিজের জন্য সুবাস ছড়ায় না—তেমনি ভক্তের জীবনও জাগতিক সুখের জন্য নয়; শ্রীকৃষ্ণের সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত হওয়াই ভক্তিজীবনের সৌন্দর্য। 🪷
আজ ফুলটি ফুটেছে, কাল হয়তো ঝরে যাবে—জীবনও তেমনই ক্ষণস্থায়ী। তাই এই অমূল্য মানবজীবন জাগতিক অহংকারে নয়, শ্রীকৃষ্ণের চরণে ভক্তি নিবেদন করেই সার্থক করা উচিত। 🙏💛
“জীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু কৃষ্ণভক্তির পথে নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ অমূল্য।” 🌺🦚

Radha Madav er jonnu nibo ... ✨🦚🫶🏻
14/05/2026

Radha Madav er jonnu nibo ... ✨🦚🫶🏻

বৃষ্টির স্নিগ্ধতায় সিক্ত এই কাঠ গোলাপের প্রতিটি পাপড়ি যেন ভগবানের চরণে অর্পিত হওয়ার অপেক্ষায়। শ্রীকৃষ্ণের চরণে সমর্পিত এ...
04/05/2026

বৃষ্টির স্নিগ্ধতায় সিক্ত এই কাঠ গোলাপের প্রতিটি পাপড়ি যেন ভগবানের চরণে অর্পিত হওয়ার অপেক্ষায়। শ্রীকৃষ্ণের চরণে সমর্পিত এই পুষ্পের শুভ্রতা আমাদের হৃদয়কেও পবিত্র করুক। 🌸✨
হরে কৃষ্ণ!

💖
29/04/2026

💖

হরে কৃষ্ণ হরিবোল 🙏🏻রাস্তায় ধুলা বালি, আর রোদ থেকে মুক্তির জন্য এই পন্থা টা দারুণ কাজে দিয়েছে ছাতার পাশা পাশি। আপনাদের ...
21/04/2026

হরে কৃষ্ণ হরিবোল 🙏🏻
রাস্তায় ধুলা বালি, আর রোদ থেকে মুক্তির জন্য এই পন্থা টা দারুণ কাজে দিয়েছে ছাতার পাশা পাশি। আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে?

Address

Dhaka

Telephone

+8801878163187

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dipto’s Transcend posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dipto’s Transcend:

Shortcuts

Share