Front Line

Front Line "Having a hand (support) on your shoulder during difficult times is much better/valuable than clappin

03/04/2026
20/03/2026

সকল বাংলাদেশিদের ঈদ মোবারাক 😢
বোনকে কাঁদে নিয়ে ট্রেনের চাদ থেকে নামছে ভাই।

অভিনন্দন বার্তা নাকি চুক্তি অনুযায়ী দেশের ভুখন্ড বুঝে নেওয়ার আদেশ?ডোনাল্ড ট্রাম্প তারেক রহমানকে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ব...
19/02/2026

অভিনন্দন বার্তা নাকি চুক্তি অনুযায়ী দেশের ভুখন্ড বুঝে নেওয়ার আদেশ?
ডোনাল্ড ট্রাম্প তারেক রহমানকে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। বাংলাদেশে নিযুক্ত আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। একসঙ্গে কাজ করার মধ্য দিয়ে আমাদের উভয় জাতিকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ রয়েছে।’

শুধু দেশপ্রেম যার অপরাধ!বুদ্ধ বলেছেন, জীবন মানেই ট্র্যাজেডি। শেখ হাসিনার জীবনে ট্র্যাজেডির কোনো অন্ত নেই। বাবা সারা জীবন...
16/02/2026

শুধু দেশপ্রেম যার অপরাধ!

বুদ্ধ বলেছেন, জীবন মানেই ট্র্যাজেডি। শেখ হাসিনার জীবনে ট্র্যাজেডির কোনো অন্ত নেই। বাবা সারা জীবন জেলে ছিলেন। পিতা-মাতা, পারিবারিক সদস্য ও শিশু ভাইসহ প্রায় সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর দেশের জন্য জীবন সমর্পণ করলেও অপবাদ, মিথ্যা দায়ারোপ ও অপরাধীকরণ—শুধু দেশে নয়, উন্নত বিশ্বও যেন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে সেই অপকর্মে নেমেছে। তিনি ধর্মপ্রাণ হলেও দেশের ধর্মীয় সমাজ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মিথ্যা অপবাদ আর গীবতে তাঁর জীবন ভরিয়ে তুলেছে। এর সঙ্গে রয়েছে তাঁর সরল ও মধ্যবিত্তের মতো জৌলুশহীন জীবনযাপন ও মেলামেশা, যা একেবারেই এলিটদের মতো নয়—সেটা নিয়েও তথাকথিত শিক্ষিত ও আঁতেল সমাজের হেয়করণ ও পরিহাস, যেন তিনি তাদের মতো ‘উচ্চ শ্রেণির’ নেতা হওয়ার যোগ্য নন। তবে আমার মতে তাঁর জীবনে আর একটি ট্র্যাজেডি আছে। সেটি হলো, একটি রাজনৈতিক পরিবারের একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে একজন স্টেম ট্যালেন্টের বিবাহ।

ভেতরে-বাইরে ট্র্যাজেডির সাগরে ডুবেও নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যে অটল থাকা, নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকা এবং ঈশ্বরের সঙ্গে নিজেকে সংযুক্ত রেখে মানুষের কল্যাণের পথে থাকাই ইতিহাসের মহানায়কদের পথ। দুঃখের আগুনে পুড়ে তিনি নির্বাণ প্রাপ্ত হয়েছেন। শেখ হাসিনাই আমাদের সময়ের মহানায়ক।

এসব কথা তাঁর মৃত্যুর পর অনেকে বলবে। আমি আগেই বলে দিলাম। তারা আগে বলে না, কারণ তারা ঈর্ষান্বিত এবং একজন জীবিত নারীকে তারা এই সম্মান দিতে চায় না।

12/02/2026
11/02/2026

নির্বাচনের উত্তাপে ঢাকা পড়ে গেছে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের চুক্তি
নিচে এর কিছু আপত্তিকর অংশ তুলে ধরা হলো।

Section 3: Digital Trade (ডিজিটাল বাণিজ্য)

মূল কথা (Article 3.1 - 3.3):
ডিজিটাল সেবার ওপর কোনো শুল্ক বসানো যাবে না। বাংলাদেশে সংগৃহীত ডেটা (Data) বা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে কোনো বাধা দেওয়া যাবে না (Free transfer of data)!

Section 4: অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা
এটিই এই চুক্তির সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং অংশ, যা "সার্বভৌমত্ব" নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

Article 4.1 & 4.2:
মূল কথা:
বাংলাদেশ যদি এমন কোনো দেশের (যেমন: চীন) কোম্পানির সাথে ব্যবসা করে যারা "বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে" পণ্য দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা (Sanction) দিলে, বাংলাদেশকেও তা মেনে চলতে হবে এবং সেই অনুযায়ী রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

প্রভাব কি হতে পারে?:
বাংলাদেশ চীন বা অন্য কোনো দেশ থেকে সস্তায় কাঁচামাল বা পণ্য কিনতে বাধার সম্মুখীন হতে পারে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সাথে গেঁথে যাবে। স্বাধীনভাবে বাণিজ্যের সঙ্গী নির্বাচনের সুযোগ কমবে।

Article 4.3: পারমাণবিক বিদ্যুৎ ও প্রতিরক্ষা
মূল কথা হল:
বাংলাদেশ এমন কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক চুল্লি বা জ্বালানি কিনতে পারবে না যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে (পরোক্ষভাবে রাশিয়ার দিকে ইঙ্গিত)।

প্রভাব কি হতে পারে? :
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা ভবিষ্যতের প্রকল্পে রাশিয়ার সহায়তা নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হতে পারে।

Section 5: বাধ্যতামূলক কেনাকাটা
এই অংশটি সরাসরি "জিম্মি" দশার মতো মনে হতে পারে। এখানে সরাসরি কী কী কিনতে হবে তার তালিকা দেওয়া হয়েছে।

Article 5.1 & 5.2: যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের খনিজ সম্পদ, গ্যাস ও টেলিযোগাযোগ খাতে অবাধ প্রবেশাধিকার দিতে হবে।

Article 5.3 (Textiles): বাংলাদেশের পোশাকের শুল্কমুক্ত সুবিধা তখনই দেওয়া হবে যদি বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ তুলা (Cotton) আমদানি করে।

Article 5.4 & Annex III (Purchases): বাংলাদেশ বাধ্যতামূলকভাবে নিচের জিনিসগুলো কেনার চেষ্টা করবে:

বিমান: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ১৪টি বোয়িং বিমান কিনতে হবে।

জ্বালানি: ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন এলএনজি (LNG) গ্যাস কিনতে হবে।

কৃষি পণ্য: বছরে ৭ লাখ টন গম, ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিন এবং ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের তুলা কিনতে হবে।

প্রভাব কি হতে পারে? :
এটি বাণিজ্যের চেয়ে "চাপিয়ে দেওয়া কেনাকাটা" বেশি মনে হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন বা সামর্থ্য থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর লাভের গ্যারান্টি দেওয়া হচ্ছে।

Section 6: Enforcement

Article 6.4: যদি যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বাংলাদেশ কোনো শর্ত মানছে না, তবে তারা আবার আগের মতো উচ্চ শুল্ক (Tariff) আরোপ করতে পারবে।

প্রভাব: চুক্তির চাবিকাঠি পুরোটাই যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। তারা বিচারক ও জল্লাদ—উভয় ভূমিকাই পালন করবে।

সবশেষে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম (Military Equipment) কিনতে সম্মত হয়েছে। এটি মূলত বাংলাদেশের মার্কিন প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানোর একটি অপ কৌশল।

সোর্স কমেন্টে

আমি হতবাক!জুলাই সনদের ৮৪ নং ধারায় আছে,"Open Government Partnership" এর পক্ষ ভুক্ত হওয়া: বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে Open...
11/02/2026

আমি হতবাক!
জুলাই সনদের ৮৪ নং ধারায় আছে,
"Open Government Partnership" এর পক্ষ ভুক্ত হওয়া: বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে Open government partnership ওপেন গভারমেন্ট পার্টনারশিপ এর পক্ষ ভুক্ত হতে হবে"।

বিভিন্ন এজেন্ডা নিয়ে প্রায় ৭৭ দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি সংস্থার নাম 'ওপেন গভারমেন্ট পার্টনারশিপ'। এই সংস্থা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কি ধরনের রিসোর্স দরকার তার জন্য একটি গাইড তথা নীতিমালা তৈরি করেছে। সেই নীতিমালার নাম "Open Gov Guide".
এবার চলুন, আপনারা Open Gov Guide এ ঘুরে আসুন।
গুগলে গিয়ে Open Gov Guide লিখে সার্চ করুন। তারপর দেখবেন Open Government Partnership নামে একটা ওয়েব ঠিকানা দৃশ্যমান হবে, যার নিচে
Open Gov Guide নামে একটা টাইটেল আসছে।

এবার,
Open Gov Guide এ ক্লিক করুন। তখন যে পেজটি ওপেন হবে তা মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকুন। আস্তে আস্তে নিচের দিকে গেলে দেখবেন একটা হেডলাইন
Gender and Inclusion
এবং এই হেডলাইনের নিচে দুটি সাব-হেডলাইন আছে।

১.Gender-Based Violence
২. Open Gender Data
এবার এই দুইটি সাব-হেডলাইন ক্লিক করে ভালো করে পড়ুন।
তাহলে দেখবেন,
"Open Government Partnership"
এর অন্যতম এজেন্ডা হলো পক্ষ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে L তথা স #ম #কা #মি #তা বাস্তবায়ন করা।
একজন মুসলিম হিসেবে আমি ধারার তীব্র বিরোধিতা করি ! এরকম আরো অনেক কিছু আছে যা না থাকা অপরিহার্য ছিল। আবার অনেক কিছু নেই যা থাকা জরুরি ছিল। কিন্তু আফসোস! ক্ষমতার লোভে অন্ধ ইসলামী দলগুলো এগুলো দেখার গরজ অনুভব করে না।
(বি: দ্র: কমিশনে মতামত দেয়ার জন্য আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের পক্ষ থেকে অনেকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কমিশন আহলে সুন্নাতকে ইগনোর করে গেছে। মতামত দেয়ার সুযোগ পেলে আমরা হয়তো এগুলো নিয়ে কথা বলতে পারতাম!)

06/02/2026

এপস্টেইন ফাইলের একটা ভয়াবহ ঘটনার কথা বলি:
এপস্টেইনের গোপন দ্বীপে একবার পাঁচ মাস বয়সী শিশুসহ মার্গারিটা নামের এক নারীকে নিয়ে আসা হয়। ৯ জন এলিট তাকে বিভিন্ন কায়দায় ধর্ষণ ও নির্যাতন করতে প্রস্তুত তখন!
এলিটরা যখন দেখলো মার্গারিটা কোনোভাবেই তাদের কথামতো রাজি হচ্ছিল না, তখন তারা রুমের পাশে থাকা ছোট্ট মাঠে আগুন ধরিয়ে ওখানে মার্গারিটার বাচ্চাকে নিক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিলো।
এই পরিস্থিতিতে মার্গারিটা তার বাচ্চার জীবনকে অগ্রাধিকার দিলো। অতএব, তার সাথে যা হওয়ার, তা-ই হলো! এলিটরা তাকে যে কারণে নিয়ে এসেছিলো, তা সুদে-আসলে আদায় করে নিলো।
টানা ধর্ষণ ও নির্যাতনের এক পর্যায়ে মার্গারিটা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তবুও চললো নির্যাতন। জ্ঞান ফেরার পর মার্গারিটা ও তার বাচ্চাকে সেই আগুনে ধাক্কা মারা হয়। মার্গারিটা ও তার বাচ্চা আগুনে পুড়লেও ঘটনাচক্রে বেঁচে যায়।
ঐ মুহূর্তে কিচেনে তখন বড় একটি পাতিলে পানি গরম করা হচ্ছিল। এলিটদের কেউ একজন একটা বাচ্চাকে ধরে এনে সে পাতিলে ঢুকিয়ে দেয়। এই বাচ্চার ভাগ্য আর সহায় হয়নি। বাচ্চাটা সিদ্ধ হয়ে তৎক্ষনাৎ মৃত্যুবরণ করলো!
না ভাই, এই নারীর নাম মার্গারিটা না; ওনার নাম ভানু বেগম।
এই ঘটনা এপস্টেইনের কোনো গোপন দ্বীপে ঘটেনি; ঘটেছে প্রকাশ্য দিনদুপুরে টাঙ্গাইলে।
উল্লিখিত ৯ জন ব্যক্তি পশ্চিমা এলিট নয়; তারা ছিলো পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও রাজাকার।
আমি জানি, জামায়াত-শিবিরের বহু লোক এই লেখাটা পড়বে এবং শেষ প্যারার টুইস্টের আগ পর্যন্ত সব এক বাক্যে বিশ্বাস করবে। যখনই এরা তাদের ধর্ষক-খুনি ভাই পাকিস্তানি আর্মি এবং আইডল রাজাকারদের নাম দেখবে, তখনই এই ডকুমেন্টেড ইতিহাস তাদের কাছে মিথ্যা হয়ে যাবে। এভাবেই এদেরকে ব্রেইনওয়াশ করা হয়েছে।
চোখ আছে, পড়তে পারে, তবুও অন্ধত্ব নিয়েই জীবন পার করে দেয়!

@মাহবুব আলম

মেয়েগুলোকে পরিবার থেকে ধরে এনে বন্দী করা হয়েছে। 🔴কোন কাপড়ও পড়তে দেওয়া হতো না। কাপড় সিলিং এ ঝুলিয়ে যদি সু'ই'সাইড করে, তাহ...
03/02/2026

মেয়েগুলোকে পরিবার থেকে ধরে এনে বন্দী করা হয়েছে।
🔴কোন কাপড়ও পড়তে দেওয়া হতো না। কাপড় সিলিং এ ঝুলিয়ে যদি সু'ই'সাইড করে, তাহলে তো রে'ইপ করার জন্য একটা মেয়ে কমে যাবে।
🔴একজনের যো'নীপথ কয়েকদিন আগেই ব'ন্দু'ক ঢুকিয়ে দিয়ে গুলি করেছে। এইটা নাকি অনেক আনন্দের।
🔴 স্তনের বোটা কামড়ে ছি'ড়ে ফেলেছে আরেক মেয়ের।
🔴একটা মেয়েকে বারবার বারবার ধর্ষন করার পর, জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর আবার ধর্ষন করেছে। অজ্ঞান দেহও কোন করুনা আনতে পারে নাই।
🔴একটা মেয়ের নগ্নদেহ শুধু চুলের সাথে দড়ি বেধে ঝুলিয়ে সারা দেহে কামড়ে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছে৷ সেভাবেই ঝুলিয়ে রেখেছে সারারাত।
🔴মেয়েগুলো যদি চাপা গলায় কান্না করতো, সেইটা নিয়েও হাসাহাসি হতো।
🔴দেয়ালে দেয়ালে মেয়েদের হাহাকার শোনার কেউ ছিল না।
🔴কয়েকটা মেয়েকে যোনী থেকে বুক পর্যন্ত বেয়োনেট দিয়ে চিরে ফেলা হয়েছে পেটে বাচ্চা সহ। আবার কিছু নতুন কিশোরী মাকে ধর্ষণের আগে তাদের নবজাত শিশু বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে বেয়োনেটে গেঁথে ফেলা হয়েছে।

❎না, বর্ণানাটা আমেরিকার এপিস্টাইনের নয়, ১৯৭১ সালের পাকিস্তানী বাহিনীর আর তাদের দোসর রা'জা'কার আলবদর, আল-শামসরা বাঙালি মেয়েদের সাথে যা করেছে তারই একটা ছোট্ট বর্ণনা এটা।

কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে ড. ইউনুসের নাম এসেছে ১৩ বার। ফটোগ্রাফার শহিদুল আলম ও আবদুল আওয়াল মিন্টু সাহেবের নাম এসেছে ২ বার।
03/02/2026

কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে ড. ইউনুসের নাম এসেছে ১৩ বার। ফটোগ্রাফার শহিদুল আলম ও আবদুল আওয়াল মিন্টু সাহেবের নাম এসেছে ২ বার।

মওদুদীবাদের ব্যবচ্ছেদ!ভারত উপমহাদেশে ইসলামকে ভালোর খোলসে যতভাবে বিকৃতি করা হয়েছে তারমাঝে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলে...
19/01/2026

মওদুদীবাদের ব্যবচ্ছেদ!

ভারত উপমহাদেশে ইসলামকে ভালোর খোলসে যতভাবে বিকৃতি করা হয়েছে তারমাঝে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠতা মাওলানা মওদুদী। আজ আমরা এই মওদুদীবাদেরই ব্যবচ্ছেদ করতে চলেছি।

মওদুদি সাহেব আওরংগাবাদে পড়াশোনা করা অবস্থায় তার পিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৭ বছর বয়সে তিনি জীবিকা অর্জনের জন্য লেখনি শক্তিকেই অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করে নেন। তবে ব্যক্তি জীবনে তিনি ইসলামকে লালন করতেন না। এবিষয়ে মাওলানা মানযূর নোমানী বলেন, ১৯৩৬/১৯৩৭ সাল পর্যন্ত মওদুদি সাহেব ইংরেজি স্টাইলে চুল কাটতেন এবং দাড়ি সেভ করতেন। নামকা ওয়াস্তে দাড়ি অবস্থায় ছিলেন দীর্ঘদিন।
১৯৩২ সালে মওদুদি সাহেব একটি মাসিক পত্রিকা বের করতে শুরু করেন। পত্রিকাটিতে আধুনিক যুগের আলোকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন ও পাশ্চাত্য সভ্যতার সৃষ্ট বিভিন্ন সংশয় নিরসনে লেখা দিতে শুরু করেন। লেখা পড়ে মাওলানা মানযূর নোমানী ও মাওলানা আবুল হাসান আলী নদবী সহ অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম মওদুদী সাহেবের প্রতি মুগ্ধ হন। পরবর্তীতে তারা মওদুদি সাহেব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
তবে এ যোগদান পরবর্তী সময়ে ওলামায়ে কেরাম উপলব্ধি করলেন, মওদুদি সাহেবের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জন করা এবং এ লক্ষ্যে ধর্মহীন রাজনৈতিক দলের ন্যায় যখন যে নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজনীয় মনে করতেন তখন তা গ্রহণ করতেন। এমনকি ইসলামী শিক্ষা ও ইসলামী নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলেও তিনি অবলীলায় এবং ইসলামের নামে তা গ্রহণ করতেন। প্রয়োজনে ইসলামী শিক্ষা ও মৌলিক নীতিমালার স্বকল্পিত ব্যাখ্যাও দিতেন। এভাবে তিনি ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করা শুরু করেন এবং ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলোর মনগড়া ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেন।
মাওলানা মানযূর নোমানী সাহেব জামায়াত ত্যাগ করার পূর্বে ‘মাওলানা মওদুদীর সাথে আমার সাহচর্যের ইতিবৃত্ত ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’ নামক কিতাব লেখেন। যেখানে তিনি মওদুদীর ভ্রান্ত বিষয়গুলো সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন।

বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মওদুদী ইসলামকে রাজনৈতিক ধারায় পরিচালিত করার মধ্য দিয়েই এর বিকৃতি শুরু করেছিলো। যা ধীরে ধীরে ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তিনি কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষাকে রাজনৈতিক ভাবে স্টাবলিশ করতে মনগড়া ব্যাখা দিয়েছিলেন।

১. তিনি ‘ইলাহ’ এর অর্থ শাসক বলে ব্যাখা দেন। অথচ ওলামায়ে কেরাম ‘ইলাহ’ শব্দের অর্থ মাবুদ বা প্রভু বলে ব্যাখা করেছেন। মওদুদীর এই ব্যাখাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিলো—শাসক তো সর্বদা ন্যায়পরায়ন হতে পারেন না। জালেমও হয়। অথচ আল্লাহ তো তা নন। সেক্ষেত্রে ইলাহ এর অর্থ শাসক হয় কিভাবে?
প্রতিউত্তরে মওদুদী লিখেছিলেন, আল্লাহ তা'আলাও জালেম। কেননা যে ক্ষেত্রে পৃথিবীতে নর ও নারীর অবাধ মেলামেশা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ব্যভিচারের কারণে আল্লাহর নির্দেশ রজম প্রয়োগ করা নিঃসন্দেহে জুলুম।
(তাফহীমাত : ২/২৮১)

২. তিনি ‘রব’ এর অর্থও লিখেছেন, শাসক। যার ব্যাখায় তিনি লিখেছেন, রব ও ইলাহ আসলে একই শব্দের প্রতিশব্দ। অথচ ‘রব’ এর অর্থ প্রতিপালক।

৩. তিনি ‘দ্বীন’ এর অর্থে লিখেছেন, রাষ্ট্রীয় সরকার বা রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো এবং ‘শরীয়ত’ এর অর্থ, রাষ্ট্রের আইন-কানুন। অথচ ঈমান আমল তথা নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত সহ আল্লাহর মৌলিক হুকুম মানার সমন্বিত নাম হল দ্বীন তথা ধর্ম এবং শরীয়ত হলো তার মানদণ্ড।
যখন মওদুদী দ্বীনকে রাষ্ট্র ও শরীয়তকে তার আইনকানুন হিসাবে ব্যাখা দিলেন তখন বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে এলো। যেমন—যদি এমনই হয় তবে নবীরা কে ছিলো? তাদের দায়িত্ব কি ছিলো? উত্তরে বলা হয়, নবীরা ছিলেন আইনকানুনের সাধারণ প্রচারক ও রাষ্ট্রের প্রধান। যেহেতু আইনকানুনের প্রচারক ও রাষ্ট্রের প্রধানরা ভুলের উর্ধ্বে নন তাই নবীরাও ভুলের উর্ধ্বে ছিলেন না।
এ বিষয়ে তিনি তার কিতাবে লিখেন, অন্যদের কথা তো স্বতন্ত্র, প্রায়শঃই পয়গাম্বরগণও তাদের কুপ্রবৃত্তির মারাত্মক আক্রমণের শিকার হয়েছেন।
(তাফহীমাত : ২/১৯৫)
নবী কারিম সাঃ এর ব্যাপারে তিনি লিখেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষের উর্ধ্বে নন এবং মানবীয় দুর্বলতা থেকেও মুক্ত নন।
(তরজমানুল কুরআন : এপ্রিল-১৯৭৬)

প্রশ্ন রাখা হয়, শরীয়ত যদি আইনকানুনই হয় তবে কুরআন, হাদিস ও সাহাবায়ে কেরামের আদর্শের কি হবে? আইনকানুন তো যুগের সাথে পরিবর্তনশীল। এক্ষেত্রে তিনি তার কিতাবে উল্লেখ করেন, কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময় তার শব্দগুলোর (ইলাহ, রব, দ্বীন, ইবাদত) যে মৌলিক অর্থ প্রচলিত ছিল, পরবর্তী শতকে তা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত এক একটি শব্দ ব্যাপকতা হারিয়ে একান্ত সীমিত ও অস্পষ্ট অর্থের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে পড়ে।
এর এক পৃষ্ঠা পরই তিনি লিখেন, এটা সত্য যে, কেবল এ চারটি মৌলিক পরিভাষার তাৎপর্য পুরোনো হয়ে যাওয়ায় কুরআনের তিন চতুর্থাংশের চেয়েও বেশি শিক্ষা এবং তার সত্যিকার স্পিরিট দৃষ্টি থেকে হারিয়ে গেছে।
(কুরআন কী চার বুনিয়াদী ইসতিলাহে : ৮-১০)

হাদীস সম্বন্ধে মওদূদী লিখেছেন, বুখারী শরীফে বর্ণিত হযরত ইবরাহীম আ. ও হযরত সারা আ.-এর ঘটনা সম্বন্ধে বলেন, “এট একটি মিথ্যা নাটক।"
(রাসায়েল মাসায়েল: ৩/৩৬)
তিনি আরো লিখেছেন, "হাদীস তো কতিপয় মানুষ সূত্রে বর্ণিত হয়ে কতিপয় মানষের নিকট পৌছেছে।কাজেই এসবের সত্যতা সম্বন্ধে নিশ্চিত বিশ্বাস জন্ম নিতে পারে না বড়জোর ধারণা জন্ম নিতে পারে।
(তাফহীমাত : ১/৩৫৬)

সাহাবায়ে কেরামের সত্যের মাপকাঠি হওয়া প্রসঙ্গে তিনি লিখেন, সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি বলে জানবে না এবং তাদের অনুসরণ করবে না।
(দস্তুরে জামা'আতে ইসলামী : ৭)

অথচ মহান আল্লাহ অসংখ্য আয়াতে কুরআনকে অবিকৃত অবস্থায় কেয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষণ করার দায়িত্ব নেওয়ার, নবীদের নিষ্পাপ হওয়া এবং সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি হিসাবে ঘোষণা করেছেন।

৪. তিনি ‘ইবাদত’ এর ব্যাখায় লিখেন, ইবাদত শব্দের অর্থ আইন মান্য করা।
অথচ হকপন্থী ওলামাদের মতে, নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি বিধি-বিধান পালন করার নামই হলো ইবাদাত। কিন্তু মওদূদী সাহেবের মতে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত এগুলো মূলত ইবাদত নয়, বরং এগুলো হল ট্রেনিং কোর্স। তার মতে এসমস্ত ইবাদতই ইসলামের মূল উদ্দেশ্য নয় বরং ইসলামের মূল উদ্দেশ্য হল, ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি "ইবাদত একটি টেনিং কোর্স” এই শিরোনামে বলেন, বস্তুত ইসলামের নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদতসমূহ এই উদ্দেশ্যে (জিহাদ ও ইসলামী হুকুমত কায়েম) প্রস্তুতির জন্যই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। দুনিয়ার সমস্ত রাষ্ট্রশক্তি নিজ নিজ সৈন্যবাহিনী, পুলিশ ও সিভিল সার্ভিসের কর্মচারীদেরকে সর্বপ্রথম এক বিশেষ ধরনের ট্রেনিং দিয়ে থাকে। সেই ট্রেনিংয়ে উপযুক্ত প্রমাণিত হলে পরে তাকে নির্দিষ্ট কাজে নিযুক্ত করা হয়। ইসলামও তার কর্মচারীদেরকে সর্বপ্রথম এক বিশেষ পদ্ধতির ট্রেনিং দিতে চায়। তারপরই তাদেরকে জিহাদ ও ইসলামী হুকুমত কায়েম করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
তিনি অন্যত্র বলেন, মূলত মানুষের রোযা, নামায, হজ্জ, যাকাত, যিকির, তাসবীহকে ঐ বড় ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করার ট্রেনিং কোর্স (Training Courses)।

এভাবেই তিনি বহুসংখ্যক মৌলিক পরিভাষার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যা সুস্পষ্টত গোমরাহী ও পথভ্রষ্টতার লক্ষণ। তার প্রতিটা কথাই ইসলাম ও কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক। যা ঈমান ও আকীদাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

সারকথা—মওদূদী সাহেব ও তার অনুসারী জামায়াত শিবিরের মতবাদ ও চিন্তাধারা ঈমান-আকীদা, ইবাদত-বন্দেগী থেকে শুরু করে প্রায় সমস্ত মৌলিক বিষয়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের চিন্তা-চেতনা থেকে বিচ্যুত। তারা সমগ্র উম্মত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজস্ব মস্তিস্ক ও স্বতন্ত্র দৃষ্টিভংগী থেকে ইসলামের নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তারা ইসলাম ও মুসলমানের পরিচয়ও পাল্টে দিয়েছেন। মওদুদীবাদ ইবাদত-বন্দেগীর পরিচয়, দ্বীন ধর্ম এবং শরীআতের পরিচয়ও পাল্টে দিয়েছেন। এমনকি পাল্টে দিয়েছেন ইলাহ বা মা'বুদের পরিচয়ও।
ইসলামের এসব প্রধান মৌলিক বিষয়গুলোর পরিচয় ও স্বরূপ পাল্টে দেয়ার ফলে মওদূদী সাহেব ও তার অনুসারীদের পেশকৃত ইসলাম আর সেই ইসলাম থাকেনি যে ইসলামকে নবী কারিম সাঃ প্রচার করেছিলেন। অতএব বলা যায়, মওদূদী সাহেব এক নতুন ধর্মের উদ্ভব ঘটিয়েছেন আর তার অনুসারীগণ সেই নতুন ধর্মই অনুসরণ করে চলেছেন।

বিঃদ্রঃ এখানে উল্লেখিত প্রতিটি কথার প্রমাণ ও যুক্তি, দলীল রয়েছে। কারোর সন্দেহ হলে কমেন্ট করুন। আমরা সত্যের পথে চলি, কারোর পক্ষপাতিত্ব নয়।

Address

Dhaka
3708

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Front Line posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category