Story teller

Story teller Describe Story

28/06/2025

♦️সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভেতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস। লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।

♦️সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!

♦️মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।

♦️ ১৯৯৮ সালে জার্মানিতে চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না। প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

♦️লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!

♦️মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানা কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?

♦️রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে, একটা মানুষের কাউকে ঘৃণা, অপছন্দ বা অত্যাচার করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। একজন মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকজনকে হিংসা করে, ক্ষতি করে, তার বদনাম রটায়, কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর এবং ভণ্ড। তাহলে প্রশ্ন জাগে, এই দুনিয়ায় কি ভালো মানুষ বলে কেউ নেই? হ্যাঁ, আছে হাতেগোনা দুচারজন। বাকিরা সুযোগের অভাবে ভালো।

06/10/2024

স্যার প্লিজ স্যার.ছে'ড়ে দিন আমায়.স্যার আমার ভবিষ্যৎ এই ভাবে ন*ষ্ট করবেন না স্যার.প্লিজ..
>আরে পা*গলি তোর ভবিষ্যৎ তো আমি গড়ে দিবো রে..তুই একটু অপেক্ষা কর শুধু..দেখবি সব পরিক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট.ভার্সিটিতে ঢুকে ক্লাসের দরজা ধা'ক্কা দিবো এমন সময় ভিতর থেকে আওয়াজ শুনতে পেলাম..
স্যার প্লিজ না স্যার.এভাবে স*র্বনা*শ করবেন নাহ..
>আরে চুপ..বেশি করলে পরের পরীক্ষাতেও ফে*ল করায়া দিবো কিন্তু..
আমি আর সহ্য করতে পারলাম নাহ..
দরজা ধা'ক্কা দিয়ে দিলাম..
ধা'ক্কা দিতেই স্যার নিজের প্ল্যা*ন্ট পরে নিলো..আর মেয়েটা দৌড়...
এই তুই কে বে??সাহস কিভাবে হলো এইখানে আসার??
>আরে স্যার??ক্লাস এইটা আমার..
>ক্লাস শুরু আরো ৩ঘন্টা পরে..
>ও মা গো..স্যার আমার ঘড়ি ন*ষ্ট আমি জানতাম ই নাহ.
>যা ভাগ হা*রামি...
আমি চুপচাপ চলে আসলাম..
ঘড়িতে সময় ১০টা..
ভার্সিটির মোস্ট সিনিয়র রা..এসে হাজির..
গেটের সামনে দাড়িয়ে সি'গারেট খাচ্ছে আয়ান..
প্রায় সব সিনিয়র দের চোখেই,জি'নিশটা পড়তেছে..
কিন্তু আয়ান কিছুই মানতেছে নাহ..
অনেক্ষন ধরে শিমুল জিনিশটা লক্ষ্য করতেছে..
সে আয়ানের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়..
>কিরে সিনিয়রদের সম্মান দিতে হয় তুই জানিশ নাহ??
>কে সিনিয়র??
>ভাই কোন ইয়ার এ তুই??আগে তো দেখি নাই..
>আরে ভাই..সি'গারেট আমি খাইতেছি আর জলতেছে তোর??মানে বুঝলাম নাহ..
>তোর কি আদব কায়দা নাই??
>নাম আয়ান..সাবজেক্ট ম্যাথম্যাটিকস.. ইয়ার ৪র্থ..
এতো দিন ক্লাস করি নাই.জাস্ট এক্সাম দিছি অনলাইনে..আর কোন ডিটেলস??
আয়ানের কথা শুনে শিমুল থ...
>কিন্তু তুই অনলাইনে কিভাবে এক্সাম দিলি??
>ভার্সিটি আমার বাপের তাই..
>কি??
>হে..
তুই ওই আব্বাসের ছেলে??
>হুম..আয়াত মুশতারিহ আয়ান..
আরে ভাই..কি বলবো তোকে..
তোকে দেখার কতো চেষ্টা করছি..কি ভাগ্য আমাদের..আমরা তো ভাবছি তুই কোন প'ল্টি মু'র'গী.. তাই বাসা থেকে বের হশ নাহ..
>হাহা..
তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে সেখান থেকে উঠে যায় আয়ান..
সামনে অনেকেই পরে..
জানাজানি হয়ে যায়..আব্বাস স্যার এর ছেলে ভার্সিটিতে আসছে..
কালো চুল.চোখে চশমা..হাতে ঘড়ি..কালো শার্ট..ছেড়া জিন্সে মনে হচ্ছে ছবি করার জন্য নায়ক চলে আসছে..
আয়ান ভার্সিটিতে আসছে খবরটা প্রায় সবাই জানলেও কিছু সংখ্যাক লোক জানে নাহ তা..
আয়ান ভিতরের দিকে যেতেই কিছু ছেলে তাকে ডাক দেয়..
সম্ভবত ৩বর্ষের ছাত্র
এই,দিকে আয় তো..
>জি বলেন..
>ওই যে মেয়েটা দেখতেছিশ তাকে গিয়ে কি*স করবি..
>কি??
>হে..
আয়ান সামনের দিকে তাকিয়ে দেখে একটা মেয়ে হেটে যাচ্ছে..
কেনো যেনো আয়ানের মেয়েটার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হলো..
বিশেষ করে তার পাতলা ঠো'টের গঠন দেখে..
আয়ান কিছু না বলে মেয়েটার কাছে যায়..
আমি আয়ান..
>তো??
>এই দিকে আসো..একটু কাজ আছে..
>কি কাজ??
>আসতে বলছি আসো..
আয়ানের সাথে মেয়েটি যায়..
এই,তোকে না কি'স করতে বলছি??তুই ওকে এইখানে নিয়ে এলি কেনো??
আয়ান পকেট থেকে সি'গারেট টা বের করে..মুখে দেয়..
এই,তোর সাহস তো কম নাহ..
>জু*তা খুলো..
মেয়েটিকে বলে আয়ান..
>কি??
>জুতা খু'লতে বলছি জুতা খুলো..
>মানে কি??
>খু'লতে বলছি না তোকে??
মেয়েটি কেপে উঠে..কেপে জুতা হাতে নেয়..
মা*রো ওদের..ইচ্ছা মতো পি'টাবা..
>মানে??
>যা বলছি করো..
>এই,তোর সাহস তো কম নাহ..আমাকে জুতা দিয়ে মা*রতে বলিশ??দেখছিশ আমরা কয়জন আছি??আমরা ধ'রলে পারবি তুই??
আয়ান হেসে দেয়..
>যারা গ্যাং, নিয়ে চলে তাদের গ্যাং'স্টার বলে..কিন্তু যারা আমি.. মনস্টার..
বলেই ধু'পধা'প ঘু*ষি শুরু কিরে দেয়..
তার মা*র দেখে পুরো কলেজ সেখানে এসে জড় হয়..
অনেক মারার পরে কয়েকজন স্যার এসে তাকে আটকায়..
শা*লা রে'গিং করার লোক আর জিনিশ পাশ না..মে'য়েদের স'ম্মান নিয়ে খেলবি তো খে'য়ে ফেলবো একেবারে...
আয়ানের বাবা এইগুলো শুনে তাকে অফিসে ডাকে..
আয়ান সামনে গিয়ে দাঁড়ায়..
আয়ানের বাবা কিছু বলতে যাবে এমন,সময় খবর আসে কলেজের বিল্ডিং এর উপরে একটা স্যারের লা*শ পাওয়া গেছে..
আব্বাস স্যার আর আয়ান সেখানে যায়..
সেখানে গিয়ে দেখে যেখানে পতাকা টানানো থাকে সেখানে লা*শ ঝুলছে স্যার এর..
তাও উ*লং*গ অবস্থা..
আবার লিং*গ নেই..
এমন দৃশ্য দেখে সবাই অবাক..
পুলিশকে খবর দেয়..
পুলিশ এসেও বুঝতে পারে না এমন নি'র্ম'ম ভাবে কে মা*রলো স্যারকে??
আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো স্যারটি আর কেউ না সকালে যে মে'য়েটিকে জো*ড় ক'রতেছিলো এই স্যার টি সেই..
চলবে.....
গল্পের নামঃ মনষ্টার
পর্বঃ..(১)

Address

Dhaka
1341

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Story teller posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category