25/12/2024
কল রেকর্ড পাস 👇👇👇
কাদির ও ওয়াদুত দুই ভাই- চাঁদার জন্য আমাকে যেভাবে- পুলিশ ডিভি দিয়ে হয়রানি করছিল….
গ্রাম : খারছাইল
থানা: পূর্বধলা
জেলা : নেত্রকোনা
কাদির ও ওয়াদুত তাদের পিতার নাম : আজিম উদ্দিন
কাদির ও ওয়াদুত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতো এই ক্ষমতা দিয়ে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা নিত, মানুষকে অনেকভাবে ভয়-ভীতি দেখাতো, আরো অনেকেই ভুক্তভোগী
আমার সাথে যা করছে…
১. ওয়াদুতের কথা : রুহুল আমিন তুমি চার পাঁচ তলা বিল্ডিং করতেছো, টুকটাক জমি কিনতেছো | তোমার উপর এখন যে কোন ধরনের সমস্যা হতে পারে | তোমার এখন সেভ দরকার, আর এ সেভ আমরা করব | তার বিনিময় আমাদেরকে ২-৩ মাস পর পর ৫০ হাজার ১ লাখ দের লাখ এভাবে টাকা দিতে হবে |
২. আমার কথা : আমাকে তোমাদের কেন সেভ করতে হবে, আমি তো কোন অবৈধ কাজ করি না | আমি ইউটিউবে কাজ করি, এটা বৈধ | আমাদের টাকা গুলো রেমিটেন্স আকারে আসে - যা দেশের জন্য উপকার | এখানে তোমাকে কেন টাকা দেবো
৩. ওয়াদুতের কথা : এত কথা বলো কেন তোমাকে যা বলেছি তা কর |
৪. রুহুল আমিন কথা : ভাই তুমি আমাকে এভাবে কথা বলতেছ কেন - এটাতো এক প্রকার আমার কাছে চাঁদা চাচ্চো |
৫. ওয়াদুতের কথা : তুমি যদি মনে কর এটা চাঁদা তাহলে চাঁদাই | তাও আমাদেরকে তোমার টাকা দিতে হবে |
৬. রুহুল আমিন কথা : না ভাই আমি তোমাকে কোন টাকা দেব না |
৭. ওয়াদুদ কথা : শোনো, আমি আওয়ামী লীগের বড় একটা পদে আছি, আমি বড় সাংবাদিক, আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা, দেশটা আমাদের, আমাদের কথা তোমার মানতে হবে, বড় বড় সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে আমার হাত আছে, এই যে দেখো ছবিগুলা | ( তখন আমাকে তাদের এক সাথে ছবি তুলা, যে ছবিগুলা দেখালো - থানার দুই তিনজন ওসির ছবি, ইউনু সাহেবের ছবি, আওয়ামী লীগের কয়েকজন এমপি, যেমন - আহমদ সাহেব, বেলাল সাহেব | আরো অনেকের সাথে ছবি দেখালো | আর বললো, আমার হাত অনেক লম্বা আমি চাইলে তোমার জীবন ধ্বংস করে দিতে পারব, আমি যদি থানার পুলিশকে বলি, তোমাকে ধরে নিয়ে যাবে, আমি শুধু একটা মিথ্যা নিউজ করব তোমাকে নিয়ে | এখন দেখো, তুমি যদি তোমার ভালো চাও | তাহলে ২-৩ মাস পর পর লাখ দেড় লাখ করে টাকা দাও |
৮. রুহুল আমিন কথা, তুমি আমাকে যে ভয় দেখাচ্ছ, আমি এসব ভয় পাই না, কারণ আমি অবৈধ টাকা কামাই না, আমার টাকা বৈধ | সরকারি সব নিয়ম অনুযায়ী আমি কাজ করি | তোমার যা মন চায় তুমি তা করো, আমাকে এসব ভয় দেখালে কোন লাভ হবে না, আমি একটা টাকা চাঁদাও তোমাকে দেব না, এরপর আমি চলে আসি
👉 এর পরের দিনই এক পুলিশ আসে, এসে আমার কথা একজনের কাছে জিজ্ঞাস করল , এলাকার ওই চাচা তখন বলল, কেন আসছেন আপনি রুহুল আমিন কে খুঁজে ,
তখন পুলিশ বলল, তার উপর একটা মামলা আছে,
সাথে সাথে ওই চাচা বলল, তার উপর কি মামলা আর সেই মামলার কাগজ দেখান, তখন ওই পুলিশ আর কাগজ দেখাতে পারল না, পুলিশ বলল এখন ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে,
তখন ওই চাচা বলল, আপনি ইফতারের সময় হলে আমাদের এখানে ইফতারি করবেন, আপনি যা খাইতে চাইবেন তাই আপনাকে খাওয়ানো হবে, তাও আপনি মামলার কাগজ দেখান, তখন পুলিস আর মামলার কাগজ দেখাতে পারলো না, আর তাড়াতাড়ি চলে গেল |
👉এর পরের দিন আমাকে ওয়াদুত রাস্তায় বলল
ওয়াদুত কথা: দেখলে, আমার কথা মতো পুলিশ চলে আসছে, এটা তো ছিল মাত্র ট্রেইলার, এখনো সময় আছে আমি যেমনে টাকা দিতে বলছি এমনে টাকা দাও, তা না হলে এরপরে কঠিনভাবে পুলিশ আসবে
👉এর পরের দিন আমার খুজে বাজারে আবার পুলিশ আসে, সাথে কাদির ছিলো, পুলিশ কে চা পান কাওয়াচ্ছিলো, সেকানেও মানুষের কথা শুনে পুলিশ চলে গেলো |
👉 এর পরের দিন আবার রাস্তায় দেখা হলে, আবার বলে,
১. ওয়াদুত কথা : শোন এটা কিন্তু ডাবল ট্রেইলার, একনো সময় আছে, আমার কথা মতো টাকা দিয়ে দাও, এবার ডিবি পাঠিয়ে তোমাকে গুম করে ফেলব
২. রুহুল আমিন কথা: তোমাদের যা মন চায় তা করো, তাও একটা টাকাও তোমাদেরকে দেবো না
👉 এর কয়েকদিন পরে রাত একটার সময়, আমার বাসায় পাঁচজন ডিবি আসে নেত্রকোনা থেকে, এসেই আমার মোবাইল ডিবি নিয়ে নিল, নেওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোন কিছু পেল না, আমার কম্পিউটার চেক দিল তাও কিছু পেল না, তখন ওয়াদুদ ডিবি কে কল করে,
১.ওয়াদুত কথা: আপনাদের এত দেরি হচ্ছে কেন, একে তাড়াতাড়ি ধরে নিয়ে আসুন
২. ডিবি : এর কাছে কোন কিছু পাইলাম না, তাকে আনবো কি করে,
১. ওয়াদুত কথা: আপনাদেরকে ব্যাগের ভিতর, জিনিস দিয়ে দিছি, ওগুলো দিয়ে ছবি তুলে- আমাকে পাঠান, আমি নিউজ করে দেবো, আর আপনারা তাকে ধরে নিয়ে যাবেন থানাই
২. ডিবি : এই ছেলেটা ভালো, তার কাছে কোন কিছু নাই, এগুলো দিয়ে তাকে সাজানো যাবে না
১. ওয়াদুত কথা: তাহলে তাকে ধরে নিয়ে গুম করে ফেলুন, ওই বিষয়টা আপনাদের সাথে আমি বুঝবো পরে,
২. ডিবি কথা : আচ্ছা ঠিক আছে একটা উসিলায় এটাকে ঘর থেকে বের করতেছি,
👉 একবার কাদিরও ফোন দিয়েছিল ডিবিকে, সেউ আমাকে গুম করার কথা বলেছিল ডিবির সাথে
👉 এরপর গুগল থেকে কি একটা নামালো ডিবি, আর ওইটার উছিলায় আমাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল, রাস্তা পর্যন্ত নিয়ে গেল | তখন একটা ডিবি বলল, তাকে ২০ হাজার টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেবে, তখন ২০ হাজার টাকার দেওয়ার কথা বলে আমি বাড়িতে আসি, বাড়িতে এসে থানায় ফোন করি, একজন সাংবাদিক কেউ ফোন করেছিলাম, তারা আসতে আসতে ডিবি চলে গেছে
👉সেনাবাহিনীর কাছেও আমাকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল, আর সেটা ১৫ দিন আগে কাদির বলছিল, কাদির বলা ঠিক ১৫ দিন পর আমাকে সেনাবাহিনী কল করেছিল, আস সেনাবাহিনী তথ্য নিয়ে দেখল মিথ্যা অভিযোগ ছিল ওটা
ওয়াদুত ও কাদির : আমাকে প্রায় সময় মেরে ফেলার হুমকি ও দিয়েছিল তারা
এখনো তারা আমাকে নিয়ে গেম খেলতেছে, এদের বিষয়ে কারো কাছে জিজ্ঞেস করলে সবাই বুঝতে পারবে এরা কেমন খারাপ মানুষ, এরা বীমার কথা বলে মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, আরো অনেকভাবে মানুষের সাথে এরা প্রতারণা করেছে, সবকিছুর প্রমাণ আছে | এরপরেও এরা এখনো স্বাধীনভাবে চলাফেরা করে, মানুষকে এখনো হুমকি ধামকি দেয়, যা এখনো আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে একের পর এক |
এদের বিষয়ে আমার কাছে অনেক কিছু আছে
দেখার জন্য সামান্য কিছু ছবি দিলাম সাথে একটা রেকর্ড দিলাম
ঘটনাটা আওয়ামী লীগ থাকা কালীন
তারা আওয়ামী লীগ করে + সাংবাদিক + ও মুক্তিযোদ্ধার দোহাই দিয়ে চলে,
আরো কিছু তথ্য আমি কমেন্টে দিয়ে দিছি