Arafat Rahman

Arafat Rahman Photographer | Filmmaker
Mail us for business inquiries.

13/04/2026

People!

21/03/2026

এক টুকরো শীতল চাঁদ দেখে সভ্যতার পঞ্জিকায় আজ ইদ?
চিনি নেই, সেমাই নেই-
আছে বারুদ,ধোঁয়া,লাশ আর ধ্বংসস্তুপ!

02/03/2026

কতদিন কেটে গেল,
মানুষের দেখা নাই!

18/12/2025

What are you thinking?

- We're going nowhere!

21/07/2025

উত্তরার আকাশে 'F-7 BGI' প্রশিক্ষণ বিমানটি কেবল বিধ্বস্তই হয়নি, এটি আমাদের অস্তিত্বের ভঙ্গুরতাকে নগ্ন করে মেলে ধরেছে আমাদের চোখের সামনে! আমাদের দেখিয়েছে মহাসমারোহে জীবনের এতশত আয়োজনের এক অকস্মাৎ, করুণ ও কদর্য পরাজয়!

আমরা প্রতিদিন ধরে নিই—জীবন নিয়ন্ত্রিত, নিরাপদ, পরিকল্পিত। কিন্তু এমন ট্র্যাজেডি দেখিয়ে দেয়, জীবনের সমস্ত অর্থ, সমস্ত কাঠামো মুহূর্তেই ভেঙে পড়তে পারে। মহাবিশ্ব এসবের কোনো ব্যাখ্যা দেয় না; তার নীরবতায় আমাদের শোক আরও তীব্রতর হয়।

যখন নিরপরাধ শিশুদের মৃত্যু ঘটে, তখন কোনো দার্শনিক যুক্তি বা ধর্মীয় গল্প আমাদের শান্ত করতে পারে না। জীবনের সব রূপকথা ভেঙে যায়। তবুও এই শূন্যতার মুখোমুখি দাঁড়ানোই মানুষের সত্যিকারের শক্তি। আমাদের শোক যদি কেবল নিঃশব্দ কান্নায় হারিয়ে যায়, তবে আমরা এই অন্ধকারের কাছে আত্মসমর্পণ করব। কিন্তু ইতিহাস বলছে, মানুষ অর্থহীনতার ভেতরেই অর্থ তৈরি করে—সংঘাতকে রূপান্তর করে জাগরণে, ক্ষতকে রূপান্তর করে প্রতিরোধে।

এই দুর্ঘটনা কেবল একটি স্কুলের নয়, এটি আমাদের সমষ্টিগত ব্যর্থতার প্রতীক। অবকাঠামোর দুর্বলতা, জরুরি প্রতিরোধের অভাব, নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি—সব মিলিয়ে এই মৃত্যুগুলো প্রতিরোধযোগ্য ছিল। আমরা যদি কেবল শোক পালন করি, কিন্তু কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি না তুলি, তবে এই শিশুদের মৃত্যু প্রকৃত অর্থেই বৃথা হয়ে যাবে।

আজ আমাদের প্রতিজ্ঞা হতে হবে—এই অন্ধকার থেকে একটি নতুন ভোর তৈরি করা। এর মানে কেবল বিমানের নিরাপত্তা নয়, স্কুলগুলোর জরুরি মহড়া, উদ্ধার ব্যবস্থা, দ্রুত প্রতিক্রিয়ার প্রযুক্তি এবং মানসিক সহায়তা ব্যবস্থাও তৈরি করতে হবে। আমরা যদি এই ঘটনার স্মৃতি ভুলে যাই, তবে আমরা আবারও সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি দেখব। শোককে কর্মে রূপান্তরিত করাই আমাদের মানবিক দায়।

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে প্রযুক্তির বিকাশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারি...
14/06/2025

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে প্রযুক্তির বিকাশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, নিউরাল ইন্টারফেস—সবই মানব ইতিহাসের জ্ঞানের সীমা চ্যালেঞ্জ করছে।

কিন্তু এর বিপরীতে, মানবমস্তিষ্কের আবেগ ও আচরণগত কাঠামো আজও মূলত আদিম স্তরে রয়ে গেছে। আমাদের মস্তিষ্কের প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স যুক্তি ও নৈতিকতার কেন্দ্র হলেও অ্যামিগডালা ও হাইপোথ্যালামাস আজও ভয়, ঘৃণা ও উপজাতিগত প্রবৃত্তির প্রভাব ফেলে, যা রাজনৈতিক সহিংসতা, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও জাতিগত নিপীড়নের মতো ঘটনায় প্রতিফলিত হয়।

প্রযুক্তি আমাদের হাতিয়ার হলেও, সেই প্রযুক্তি ব্যবহারের মনোবৃত্তি এখনো বিবর্তনের ফাঁদে আটকে আছে—কারণ বিবর্তন টিকে থাকার জন্য কাজ করে, সহানুভূতির জন্য নয়।

আমার মনে হয়, আমাদের সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংকট হলো ‘সভ্যতার স্নায়ুবৈজ্ঞানিক জরুরি অবস্থা’, যেখানে মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে গেলেও, নৈতিকভাবে ও স্নায়ুবৈজ্ঞানিকভাবে থেকে যাচ্ছে পশ্চাৎপদ।

এর একমাত্র সমাধান একটি ‘Neurological Reformation’—নতুন শিক্ষাব্যবস্থা, যেখানে শেখানো হবে কিভাবে আমাদের চিন্তা বিকৃত হয়, আবেগ কীভাবে যুক্তিকে পরাজিত করে, এবং কীভাবে করুণা, সহনশীলতা ও নৈতিক কল্পনাশক্তিকে সক্রিয়ভাবে গড়ে তুলতে হয়।

যতদিন আমরা আদিম স্নায়ুবৃত্তি নিয়ে আধুনিক যন্ত্র পরিচালনা করব, ততদিন সভ্যতা আত্মবিধ্বংসী পথেই চলবে। তাই প্রশ্ন একটাই: আমরা কি শুধু মেশিন বানাব, নাকি নিজেদেরও নতুন করে নির্মাণ করব?

Photo Credit: Al Amin (A 8 y/o boy from Tahirpur, Sunamganj)

I couldn't post this yesterday as I was offline and caught up with work, but the loss of Sebastião Salgado weighs heavy....
25/05/2025

I couldn't post this yesterday as I was offline and caught up with work, but the loss of Sebastião Salgado weighs heavy. His lens captured the soul of humanity and the scars of the planet—he will be deeply missed, yet forever present in the DNA of photography.

11 June, 2020.In frame: Isha Rahman.©Arafat Rahman, All Rights Reserved.
21/05/2025

11 June, 2020.
In frame: Isha Rahman.

©Arafat Rahman, All Rights Reserved.

17/05/2025

বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থার উত্থান কোনো আকস্মিক সামাজিক দুর্ঘটনা নয়—এটি একটি গঠনমূলক ব্যর্থতা। একটি জাতি যখন তার আত্মপরিচয় নির্মাণে ব্যর্থ হয়, তখনই সে বিকল্প মিথ গড়ে তোলে। এবং সেই মিথ যদি হয় "ধর্মীয় বিশুদ্ধতা", তবে সহিংসতা হয়ে ওঠে একধরনের আত্মপ্রতিষ্ঠার পদ্ধতি।

চরমপন্থা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নবী মুহাম্মদের (সা.) দর্শনে ‘রহমতুল্লিল আলামিন’–এর মূলতত্ত্ব কেবল মুসলমানের জন্য নয়, সকল সৃষ্টির প্রতি অনুগ্রহের ভাষা। অথচ আজ, আল-কায়েদা থেকে হিযবুত তাহরীর, কিংবা তাওহিদি জনতার মতো গোষ্ঠী সেই ধর্মকেই অস্ত্রে রূপান্তর করেছে। কীভাবে?

কারণ তারা ধর্মের আধ্যাত্মিকতা নয়, ক্ষমতার কাঠামো খুঁজে পায়। এরা গাজালি, রুমি বা ইবনে খালদুনকে নয়—বরং এমন এক রাজনৈতিক ইসলাম চায়, যেখানে ঈশ্বরের নামে মানুষকে দাসে পরিণত করা যায়। এই চরমপন্থা আসলে আধুনিকতা-বিমুখ এক প্রতিক্রিয়া—reactive identity construction—যার মূল ভিত্তি হলো: নিজের সীমাবদ্ধতাকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া।

এটি ইবনে খালদুনের ‘আসরাবিয়ার তত্ত্ব’ যেমন বলে: যখন কোনো গোষ্ঠী শক্তি হারায়, তারা ধর্মীয় আবেগে তা পুনর্গঠনের চেষ্টা করে। কিন্তু সেই আবেগ যদি অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতির শূন্যতায় জন্ম নেয়, তবে তা বর্বরতায় রূপ নেয়।

আমরা ভুলে গেছি, ধর্ম কোনো শূন্যতার স্থলাভিষিক্ত নয়—ধর্ম একটি পরিপূর্ণ অভ্যন্তরীণ অন্বেষণ, যা দয়ায়, জ্ঞানচর্চায় ও মমত্বে বিকশিত হয়। আজ আমাদের দরকার ইজতিহাদ—নতুন করে চিন্তা করার সাহস। দরকার মুক্তচিন্তার নবজাগরণ, যেখানে তরুণেরা তাদের জীবনকে ব্যাখ্যা করবে দর্শন, বিজ্ঞান, ও শিল্পচিন্তার আলোকে— মধ্যযুগীয় গোঁড়ামির অন্ধ গুহায় নয়।

একটি উদার সমাজ গড়তে হলে—
আমাদের চর্চা করতে হবে সচেতন অসন্তোষ, যেমনটি কাম্য ছিল ফ্রাঙ্কফুর্ট স্কুলের দার্শনিকদের কাছে। আমাদের গড়ে তুলতে হবে নৈতিক জনপরিসর, যেখানে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে বিশ্বাসহীনতা সত্ত্বেও। সর্বোপরি, ঈশ্বরকে ব্যবহার নয়, উপলব্ধি করতে হবে।

কারণ একেই বলা হয় তাওহিদের গভীর দর্শন—একতা যা ভেদ নয়, সংহতিতে বিশ্বাস করে।

আমাদের বিকল্প নেই। আমরা যদি এই চিন্তাজগতকে সক্রিয় না করি, তবে যারা ধর্মের নামে অন্ধকার চায়, তারা ঠিকই সেই শূন্যতাকে পূরণ করে ফেলবে।

ধর্ম যদি হয় ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যকার সম্পর্কের চূড়ান্ত নৈতিক অন্বেষণ, তবে ধর্মীয় চরমপন্থা সেই সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়ানক বিকৃতি—যেখানে ঈশ্বর নয়, মানুষের নিজের ভয়, ক্ষোভ ও আধিপত্যের বাসনা পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘পবিত্রতার’ নামে।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সংঘটিত সহিংসতা, হিযবুত তাহরীরের খোলামেলা খিলাফত মিছিল, কিংবা তাওহিদি জনতার দরগাহবিরোধী অভিযান—এসব কেবল ধর্মীয় উন্মাদনার বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং একটি সভ্যতাগত ব্যর্থতা, যেখানে নৈতিকতা স্থানচ্যুত হয়ে পড়েছে।

ইমাম আল-গাজ্জালী যেমন বলেছিলেন, "ধর্ম যখন রাজনীতির হাতিয়ার হয়, তখন তা নৈতিকতার নয়, ক্ষমতার দাসে পরিণত হয়।" বাংলাদেশ এখন সেই সংক্রমণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আদতে, চরমপন্থা কখনোই নির্জন আত্মজিজ্ঞাসা থেকে আসে না। এটি আসে যখন রাষ্ট্র ন্যায়বিচার দিতে ব্যর্থ হয়, সমাজ প্রশ্ন করতে ভয় পায়, এবং তরুণ মন প্রতিস্থাপনের বদলে প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে ‘সত্য’ শিখে। এ যেন প্লেটোর গুহা-রূপকের এক নির্মম বাস্তবায়ন—যেখানে ছায়াই বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ায়, আর আলো চোখে লাগার আগে নিষিদ্ধ হয়।

আমরা এই প্রজন্মকে কী দিয়েছি?
একটি সংকীর্ণ, অপ্রাসঙ্গিক পাঠ্যক্রম, যেখানে দ্বিজাতিতত্ত্বের ছায়া থেকে মুক্তি নেই।
একটি অর্থনীতি, যেখানে শ্রমিকের ঘামে রাজনীতিবিদের বিলাস গড়া হয়।
একটি সমাজ, যেখানে ধর্ম ব্যবহৃত হয় ভয় ও নিয়ন্ত্রণের উপকরণ হিসেবে, মুক্তির নয়।

অথচ ইসলাম—যা শব্দতাত্ত্বিকভাবে সালাম/শান্তি থেকে এসেছে—তার মৌলিক চেতনা ছিল আত্মসমর্পণের মাধ্যমে নৈতিক উত্তরণ। “লা ইকরাহা ফিদ্দীন”—ধর্মে জবরদস্তি নেই—এই আয়াতটি যদি আমরা পাঠ্যপুস্তকে না রাখি, কেবল যুদ্ধ ও দণ্ডবিধি নিয়ে আলোচনা করি, তবে আমরা ধর্ম নয়, আধিপত্যের ভাষা শেখাচ্ছি।

চরমপন্থা দমন করার প্রকৃত পথ শক্তি নয়, বিকল্প স্বপ্ন দেওয়া।
তরুণদের জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা। অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনের রাস্তা। নৈতিকতা-নির্ভর ধর্মচর্চার চর্চা।
সাহিত্য, সঙ্গীত, চিত্রকলা—সেই 'জিহাদ' যা আত্মার অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলো নিয়ে আসে।

ফুকো বলতেন, "Power is not only repressive, it is productive." সেই ক্ষমতা আমাদের হাতে—আমরা চাইলেই একটি বিকল্প বাস্তবতা নির্মাণ করতে পারি, যেখানে একজন তরুণ ছেলের হাতে থাকবে বই, ক্যামেরা বা কোডিংয়ের ল্যাপটপ—না যে তলোয়ার, যা সে মিথ্যা স্বর্গের প্রতিশ্রুতিতে অন্যের রক্তে রাঙাবে।

বাংলাদেশ এখন একটি নৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আমরা হয়ত ধর্মের নামে অন্ধকারে হারিয়ে যাবো, অথবা যুক্তি, শিক্ষা, ও মানবিকতার আলোয় পথ খুঁজে নেবো।

প্রশ্ন হলো: আমরা কী পছন্দ করবো—ঈশ্বরের নামে মানুষের শত্রু হওয়া, না মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈশ্বরের প্রকৃত অর্থ খোঁজা?

16/05/2025

একটি প্রকৃত প্রজাতন্ত্র শুধুমাত্র শাসনব্যবস্থার নাম নয়; এটি একটি নৈতিক ও নাগরিক প্রকল্প—যা বিভিন্ন মানুষের মাঝে ন্যায়, সমতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি জোরদার করে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, আমাদের ইতিহাসের কঠিন সত্যকে অস্বীকার না করে গ্রহণ করতে হবে—১৯৭১ সালের গণহত্যা, জামায়াতের অপরাধ, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী প্রবণতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, এবং মধ্যবর্তী সরকারের দায় ও ব্যর্থতা। একটি সুস্থ জাতি গড়ার জন্য প্রথম ধাপ হলো এই সত্যের সম্মুখীন হওয়া ও ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা করা।

আমাদের বিচারব্যবস্থা ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত করে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ করতে হবে। সংবাদমাধ্যম ও বিরোধী দলের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। কারণ আইনের শাসন ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।

আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতিতে বহুমতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। পারস্পরিক বৈষম্যকে গ্রহণ করে মুক্ত মতবিনিময় ও সংঘাত নিরসনের পথ তৈরি করতে হবে।

ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না রেখে স্থানীয় পর্যায়কে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে জনগণ নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে পারে।

অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে—সমাজের সব স্তরে সমান সুযোগ ও সম্পদের বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কেউ পিছিয়ে না পড়ে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমাদেরকে এক আন্তঃপ্রজন্মীয় নৈতিক সংলাপের মাধ্যমে অতীতের ব্যথা স্বীকার করে, ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন পথ নির্ধারণ করতে হবে—সেই পথে রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থ সর্বোচ্চ হবে।

জুলাই ২০২৪-এ আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী মনোভাব ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে যে সংকেত গড়েছে, তা আমাদের সতর্ক করে দেয়—আমাদের শাসনব্যবস্থা কতটা দুর্বল এবং জনগণের মুক্তির জন্য কতটা সংগ্রাম বাকি।

প্রকৃত দেশপ্রেম হলো ইতিহাসের যন্ত্রণাকে মেনে নেওয়া এবং গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য স্থির সংকল্পবদ্ধ থাকা। এটাই হবে আমাদের জাতির মুক্তির একমাত্র পথ।

16/05/2025

আমাদের সমাজে নৈতিকতার মুখোশ অনেক পুরনো ঐতিহ্য। মুখে আদর্শের বুলি, কাজে সুবিধাবাদ — এই দ্বৈততা যেন এক জাতীয় চরিত্র হয়ে উঠেছে। আমরা অন্যের ভুলে উত্তেজিত হই, অথচ আয়নায় নিজের ছায়াটুকুও দেখি না। যে সমাজে সত্য বলাটা বিদ্রোহের সমান, সেখানে ভণ্ডামি তো এক ধরনের নিরাপত্তা। প্রশ্ন হচ্ছে — আমরা সত্যিই পরিবর্তন চাই, নাকি শুধু দেখানোর জন্য চাই?

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arafat Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arafat Rahman:

Share

Category