Zihad Saifullah

Zihad Saifullah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zihad Saifullah, Photographer, Dhaka.

 আমার বিয়ের মাসখানিকও হয় নি আমার স্ত্রী আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়। ডিভোর্সের কারণ হিসাবে সে আমার শ্বশুর শাশুড়ীকে  বলেছে আমি...
05/05/2024



আমার বিয়ের মাসখানিকও হয় নি আমার স্ত্রী আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়। ডিভোর্সের কারণ হিসাবে সে আমার শ্বশুর শাশুড়ীকে বলেছে আমি নাকি পুরুষত্বহীন। আমার দ্বারা নাকি কখনো বাচ্চার বাবা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

কথা গুলো শুনে আমার লজ্জায় অপমানে মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো। আমার স্ত্রী অনুকে নিতে শ্বশুরবাড়ি এসেছিলাম কিন্তু শ্বশুরের মুখ থেকে আমার পুরুষত্ব নিয়ে কথা শুনতে হবে সেটা কখনো ভাবি নি। আমি শ্বশুরের পাশে বসে থাকা আমার শ্বাশুরীকে বললাম,
-মা, অনুকে একটু ডাকবেন? ওর সাথে আমি কিছু কথা বলতে চাই।

শ্বাশুড়ী সোফায় বসে থাকা অবস্থায় অনুকে কয়েকবার ডাকলো কিন্তু অনু আসলো না। তাই শ্বাশুড়ী উঠে অনুর রুমের দিকে গেলেন। আমার শ্বশুর তখন আমার কাছে নিচু সুরে বললেন,
-" বাবা, শ্বশুর হয়ে তোমাকে বলতে লজ্জা লাগছে তবুও বলছি, তুমি ভালো কোন ডাক্তার দেখাও। তোমার তো টাকা পয়সার অভাব নেই দরকার পড়লে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য যাও। যদি সুস্থ হও তবেই তোমার সংসারে আমার মেয়েকে পাঠাবো। তা না হলে না"

শ্বশুরের কথা শুনে আমি মাথা নিচু করেছিলাম। উনার কথার কোন জবাব দিতে পারছিলাম না। অপেক্ষা করছিলাম শুধু অনু আসার জন্য। কিছুক্ষণ পর অনু রেগে আগুন হয়ে ড্রয়িংরুমে আসলো। আমি কিছু বলার আগেই ও রাগে চিৎকার করে বললো,
-"আপনি এখনো কোন মুখে এইখানে বসে আছেন? আমি আপনার মতো কোন হিজরার সাথে সংসার করবো না। আপনি চলে যান"

আমি মাথা নিচু রেখেই আমার শ্বশুরকে বললাম,
-" দেশের বাইরে চিকিৎসা করালেও আমার এই অসুখ ভালো হবে না। তারচেয়ে বরং আপনারা ডিভোর্সের ব্যবস্থা করুন আমি সাইন করে দিবো।"

এই কথা বলে আমি বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম। রাস্তায় হাটছি আর ভাবছি অনু আমার সাথে কেন এমনটা করলো। বিয়ের দ্বিতীয়দিন রাতে আমি যখন ওর কাছে যায় তখন ও মাথা নিচু করে বলেছিলো, " আমায় কিছুদিন সময় দিন। আমি এখনো এইসবের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত না।"
আমি তখন ওর হাতটা ধরে বলেছিলাম, তোমার যতদিন ইচ্ছে সময় নাও। আমার কোন সমস্যা নেই।

সেদিনের পর থেকে আমি কখনো অনুকে স্পর্শ পর্যন্ত করি নি। একই বিছানায় ঘুমিয়েছি অথচ কখনো অনুকে স্বামীর অধিকার দেখিয়ে ওকে কাছে আসার জন্য জোর করিনি। অথচ আজ কিনা ও আমার পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললো। ওকে সময় দেওয়াটা আমার ভুল হয়েছে নাকি ওর সাথে কেন আমি জোর দেখাই নি সেটা আমার ভুল হয়েছে আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না।

বিয়ের ১মাসের মাথায় স্বামীকে ছেড়ে স্ত্রী চলে গেছে এটা সমাজের মানুষ কখনোই স্বাভাবিক ভাবে দেখে না। সমাজের প্রতিটা মানুষের কাছে আমি হাসির পাত্র হয়ে গিয়েছিলাম। রাস্তায় চলাচল করার সময় এলাকার ছোট ভাইরা পর্যন্ত আমায় দেখে মজা করে বলতো,
-"কলিকাতা হারবাল এক ফাইল যথেষ্ট মূল্যমাত্র ১৪৯০ টাকা"
আমি এইসব কথার কোন জবাব দিতে পারতাম না। মাথা নিচু করে চলে যেতাম।

এমনকি আমার নিজের মা পর্যন্ত আমায় বলেছে,
-"বাবা তুই কোন ডাক্তার কিংবা কবিরাজ দেখা। তুই আমার একমাত্র ছেলে। আমি চাই না তোর জীবনটা এইভাবে নষ্ট হয়ে যাক"

আমি আমার মায়ের কথাগুলো শুধু নিরবে শুনলাম। এখন আমি আমার মাকে কিভাবে বলি, মা আমার কোন সমস্যা নেই। সমস্যাটা মেয়ের ছিলো। সে আমার সুযোগ নিয়ে আমায় ধোকা দিয়েছে।

দুই বছর পরের ঘটনাঃ-

রাস্তায় হুট করে আমার প্রাক্তন স্ত্রী অনুর সাথে দেখা। অনুকে দেখে আমি বেশ চমকে গেলাম। এই অনু আর দুইবছর আগের অনুর মাঝে অনেক তফাৎ। চেহেরাটা একদম ভেঙে গেছে। চোখের নিচে কালো দাগ পড়েছে। অনু আমায় দেখে নিজ থেকেই শুকনো হাসি হেসে আমায় বললো,
-" কেমন আছেন?"
আমি বললাম,
--আমি ভালো কিন্তু তোমার এই অবস্থা কেন?
অনু মাথা নিচু করে বললো,
-"আমি আপনার উপর করা অন্যায়ের শাস্তি পাচ্ছি। এই শাস্তিটা আমার সারাজীবন ভোগ করতে হবে"
আমি অবাক হয়ে বললাম,
--মানে!
অনুর চোখের জল মুছতে মুছতে বললো,
-" আসলে আপনার সাথে বিয়ে হবার আগে থেকেই আমার এক কাজিনের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু আমরা ভয়ে কারো পরিবারকে জানাতে পারছিলাম না যেহেতু আমরা মামাতো ভাই বোন হই সেহেতু এটা কেউ মেনে নিবে না। তাই আমরা দুইজনে মিলে প্ল্যান করলাম আমি বাবার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করবো আর বিয়ের মাসখানিক পরেই বাবা মাকে বলবো ছেলের মাঝে শারীরিক সমস্যা আছে ও পুরুষত্বহীন। বিষয়টা যেহেতু খুব সেনসিটিভ তাই বাবা মা এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করবে না। সহজেই ডিভোর্স হয়ে যাবে। ডিভোর্সি মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চাইবে না তখন আমার কাজিন আমাকে বিয়ের কথা বলবে আর বাবা মা আপত্তি করবে না।
আমি তখন বললাম,
--তাহলে এখন কি কোন সমস্যা হয়ছে?
অনু বললো,
-" আপনায় পুরুষত্বহীন অপবাদ দিয়ে আমি আমার কাজিন আরিফকে বিয়ে করি। সে তার পুরুষত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রতিদিন রাতেই আমার উপর নির্যাতন চালায়। তরকারিতে লবণ বেশি হলে আমার গালে থাপ্পড় মেরে তার পুরুষত্ব প্রকাশ করে, জামা কাপড় সময় মতো না ধুলে আমার চুলের মুঠি ধরে পুরুষত্ব প্রকাশ করে। আর কিছু হলেই আমার চরিত্র নিয়ে নোংরা নোংরা কথা বলে। আমি নাকি এক নাম্বারের ধোকাবাজ। অথচ আমি ওকে পাবার জন্যই সব করেছি"

আমার প্রাক্তন স্ত্রীর কথা শুনে আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম,
-- নিজের স্ত্রীর গায়ে হাত তুলে যদি কেউ পুরুষত্ব প্রকাশ করতে চায় তাহলে সে পুরুষ না কাপুরুষ। তোমার প্রতি আমার অনেক রাগ আর ঘৃণা ছিলো। আজকের পর আর কিছুই নেই। তুমি আমায় যতখানি কষ্ট দিয়েছো তারচেয়ে বেশি পাচ্ছো। তাই শুধু শুধু তোমার প্রতি রাগ পুষে রেখে লাভ নেই।

এই কথা বলে আমি চলে গেলাম আর ভাবতে লাগলাম,
উপরওয়ালা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। আজ তোমার প্রতি যদি কেউ অন্যায় করে তবে সে কাল নয়তো পরশু সেই অন্যায়ের শাস্তি পাবে।
,
------------------ এম আকাশ চৌধুরী --------------
©

03/05/2024

েস্টফ্রেন্ড_এর_বোন_যখন_গার্লফ্রেন্ড

ার্ট_০১

েখক_জিহাদ_সাইফুল্লাহ

–জান্নাত আজ আমাদের রিলেশনের এক মাস হয়ে গেল অথচ তুমি আমাকে এখন পর্যন্ত তোমার একটা ছবি দিলা না। প্লিজ আজকে একটা ছবি দাও তোমার 🙏
–তোমাকে বলছি না এসব ছবির আবদার করবে না। যদি দেখার শখ থাকে তাহলে আমাদের বাড়িতে এসে দেখে যাও।
–এটা কেমন কথা তুমি বলো? এখন কি আমি যেতে পারবো? তুমি বোঝার চেষ্টা করো না কেন? একটা ছবি দিলে কি হবে?
–তোমাকে বলছি না যদি দেখতে চাও তাহলে আমার বাড়িতে আসো। আমার এসব জোরাজুরি ভালো লাগেনা।
–তোমার বাড়িতে কিভাবে যাব?
–আমি কিছু জানিনা..
–আচ্ছা তোমার জানতে হবে না। দেখি যেদিন যেতে পারব সেদিনই তোমাকে দেখবো।
–এইতো ছেলের মত কথা।
–হইছে আর বলতে হবে না।।
–ঠিক আছে বললাম না...
–ওই বাবু এখন বাই মা আসছে পরে কথা হবে।

তাই বলে ফোনটা রেখে চলে গেল। এখন আসেন আমাদের পরিচয়টা জেনে নিন> আমি হৃদয় এবার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আর যে মেয়েটির সাথে কথা বললাম তার নাম জান্নাত। আমি ঢাকায় থেকে লেখাপড়া করি আর জান্নাত এর বাড়ি সিরাজগঞ্জ। জান্নাত এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। আমাদের প্রথম পরিচয় ফেসবুকে। আস্তে আস্তে কথা বলতে বলতে দুজন দুজনের খুব ভালো বন্ধু হয়ে যায় কিন্তু কখন যে আমি অজান্তেই তাকে ভালোবেসে ফেলি আমি নিজেও জানিনা। তাকে কোনদিন দেখি নাই কিন্তু আমার মনের ঘরে তাকে নিয়ে একটি স্বপ্ন বেঁধেছি। ওর কাছে যতদিন ছবি চাইছি ততদিন আমাকে নিষেধ করছে। আপনারা দেখলেন তো এখন কি বলল?

–হৃদয় একটু এদিক আয়তো (মা)

পরিচয়টা তো দিয়ে দিলাম এখন মা ডাকছে বাকিটা আপনারা পড়ে নিন......

–হ্যা মা বলো কি হয়েছে?
–ঘরটা এমন অবহেলা করে রেখেছিস কেন? নিজের ঘরটা গুছিয়ে রাখতে পারিস না?
–ওহো মা! তুমি জানো আমি একটু অগোছালো তবুও প্রতিদিন একই কথা কেন বল?
–দুদিন পরে বউ যখন ঘরে আসবে তখন কি করবি হ্যাঁ?
–মা তুমি যে কি বল না? তখন তো তোমার বৌমাই এসব করবে..
–হুম হইছে আর বলতে হবে না। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাস্তার টেবিলে আয় নাস্তা রেডি আছে খেয়ে ভার্সিটিতে যা..
–ঠিক আছে মা।

তারপর আমি রেডি হয়ে নাস্তা করে ভার্সিটিতে যাই। ভার্সিটিতে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হচ্ছে ইব্রাহিম। সেই ইন্টার থেকে আমরা দুজনে একসাথে লেখাপড়া করছি। দুজন দুজনের বেস্ট ফ্রেন্ড। কখনো আমাদের মধ্যে ঝগড়া হয়না.. ভার্সিটিতে যেতেই দেখলাম ইব্রাহিম বট গাছের নিচে বসে আছে..

–কিরে কখন আসলি?
–এইতো দোস্ত 5 মিনিট হলো। আজ দেখছি তোর মন খারাপ ব্যাপার কি? কিছু হয়েছে নাকি?
–আরে নারে দোস্ত কিছু হয়নি। তো তুই একা বসে কেন আর সবাই আসেনি?
–হুম সবাই এসেছে। সবাই যে যার ক্লাসে চলে গেছে, আমি তোর জন্য অপেক্ষা করছি এখানে।
–তো তুই তোর ক্লাসটা মিস করলি?
–আরেকদিন ক্লাস না করলে কিছু হয় না..
–পরে ক্লাস কয়টায়?
– ১০.৪০ এ....
–আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে ততক্ষণ একটু আড্ডা দেই।
–হ্যাঁ তাইতো বলবি। মহারাজ দেরি করে আসবেন আর ক্লাস মিস করে আড্ডা দিতে হবে।
–দোস্ত কাল থেকে আর লেট হবে না প্রমিস।
–তুই তো প্রতিদিনই প্রমিস করিস। একদিকে কি তা রাখতে পারছিস?
–সরি দোস্ত আর হবেনা।
–ঠিক আছে।

তারপর বসে দুজনের আড্ডা দেই। ১০.২০ এ সবার ক্লাস শেষ হয় আর সবাই বটগাছ তলা চলে আসে। তারপর সবাই মিলে আড্ডা দেই..

–এই সুমন তোর বাবা কি অবস্থা এখন? (সুমনের বাবা হার্টের রোগী। হাসপাতালে ভর্তি আছে, সুমনের কোন বড় ভাই নেই তাই খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করে আর বাবা-মা কে দেখাশোনা করে। যার কারণে আমরা সবাই সুমনকে একটু বেশি ভালোবাসি)
–ঐ আগের মতোই রে(সুমন)
–আচ্ছা ডাক্তার কি বলছে? (হৃদয়)
–ডাক্তার বলছে সময় লাগবে কিন্তু নিশ্চয়তা নেই...(সুমন)
–মন খারাপ করিস না দোস্ত সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে (হৃদয়)
–দোয়া করিস দোস্ত (সুমন)
–আমরা তো সব সময় দোয়া করি। তোর মা-বাবাকে আমাদের মা-বাবা নয়? (হৃদয়)
–হ্যাঁ অবশ্যই (সুমন)
–তাহলে এমন কথা বললি কেন? (হৃদয়)
–সরি দোস্ত ভুল হয়ে গেছে আর বলবো না (সুমন)
–হুম ঠিক আছে। আচ্ছা মিলি আজকে মেকআপ করিস নাই নাকি? (হৃদয়)
–তুই আবার আমার মেকআপ নিয়ে কথা বলছিস (মিলি)
–আছে হৃদয় তোর মিলি পিছে না লাগলে কি পেটের ভাত হজম হয় না নাকি? (ইব্রাহিম)
–একদম ঠিক বলছিস। শালা সারাক্ষণ আমার পিছে লেগে থাকে (মিলি)
–হইছে এখন সাপোর্ট পাইয়া এত লাফালাফি করতে হবে না। তুমি যে মেকআপ ম্যান তা তো সবাই জানে। সারাক্ষণ মেকআপ নিয়ে ব্যস্ত হি. হি. হি.(হৃদয়)
–এবার কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে হৃদয় (মিলি অনেক রাগ হয়ে বলল)
–আচ্ছা বইন ভুল হইছে মাফ কইরা দে (হৃদয়)
–হইছে এত ঢং করতে হবেনা (মিলি)
–বাবা না চাইলেও দোষ। আচ্ছা ঠিক আছে আজকের পর আর কোনদিন তোর কাছে মাফ চাইবো না (হৃদয়)
–আচ্ছা তোরা কি শুরু করলে বলতো? (ইব্রাহিম)
–আছে সবকিছু বাদ দে তো দোস্ত। খুব ক্ষুধা পাইছে চল ক্যান্টিনে যাই (সুমন)
–তোর খোদা লাগছে তুই মিলিয়ে নিয়ে যা। আমাদের ক্লাসের সময় হয়ে গেছে আমি আর ইব্রাহিম ক্লাসে গেলাম।(হৃদয়)
–এখন তোদের আবার ক্লাস আছে?(সুমন)
–ক্লাস না থাকলে কি আমি যাই?(হৃদয়)
–সবই বুঝি! না খাওয়ানোর ধান্দা শুধু (মিলি)
–ওই কি বললি তুই? তোদের আমি খাওয়াই না? প্রতিদিন যে ক্যান্টিনে বসে এটা ওটা খাস কি খাওয়ায়? (হৃদয়)
–আহা করত হৃদয়(ইব্রাহিম)
–আচ্ছা ঠিক আছে।তোরা ক্যান্টিনে গিয়ে বস আমরা ক্লাস করে আসছি তারপর একসাথে খাওয়া দাওয়া করব। আর তোদের যদি দেরি না পছন্দ হয় তাহলে খেয়ে নিতে পারিস আমি এসে বিল দেবো সমস্যা নাই। (হৃদয়)
–সত্যি দিবি তো?(মিলি)
–হ্যাঁ দেব এখন যা তোরা.....

তাই বলে ওদেরকে রেখে আমি আর ইব্রাহিম ক্লাসে চলে গেলাম। ক্লাসে ঢুকতে দেখি নতুন একটা স্যার জয়েন করছে আজকে তার ক্লাস। স্যারের আজ আমাদের প্রথম ক্লাস তাই আজকে পরিচয় পর্বের মধ্য দিয়ে ক্লাস শেষ করে। ক্লাস শেষ করে বেরিয়ে ক্যান্টিনে চলে যায়। ক্যান্টিনে গিয়ে দেখি হারামিগুলা বসে আছে।

–কিরে তোরে কিছু খাস নি?(ইব্রাহিম)
–তোদের ছাড়া আমরা কখনো কিছু খাইছি? (সুমন)
–আরে বোকা খাইলে কি হইত?(হৃদয়)
–কিছু হতো না কিন্তু তোদের ছাড়া আমরা খাব না তাই খাইনি। (মিলি)
–আচ্ছা খাস নি ভালো করছোস। তো এখন কি খাবি বল?(হৃদয়)
–এখন বেশি কিছু খাবো না হালকা নাস্তা করলে হবে। (মিলি)
–আচ্ছা তাহলে সিংগারা আনি তোরা বোস।

তাই বলে আমি সিংগার আনতে সিংগারার গেলাম সাথে কোলড্রিংক নিলাম। তারপর সবাই নাস্তা করে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম। বাসায় এসে লাঞ্চ করে বিকালে একটা ঘুম দিলাম। সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে দেখি মোবাইলে 29 টা মিসড কল। চেক করে দেখি জান্নাতের কল ছিল। আজ আমি শেষ.. কি মরণের ঘুমাচ্ছিলাম ফোনটা বাজছিল বুঝতে পারিনি। জান্নাত তো আজকে আমাকে মেরে ফেলবে... তাড়াতাড়ি করে জান্নাত কে একটা ফোন করলাম..

–হ্যালো জান্নাত!
–সরি কে আপনি? আর কাকে ফোন?
–আমি জান্নাত সরি। আসলে ভার্সিটি থেকে এসে লাঞ্চ করে একটু ঘুমিয়ে পড়ছিলাম তাই বুঝতে পারিনি কখন ফোন করছিলা। সরি 🙏🙏
–তো ঘুম থেকে উঠছেন কেন? জান ঘুমান...
–সরি তো জান।
–তোমার এই সরি আমার আর ভালো লাগেনা।
–আচ্ছা ঘুমিয়ে পড়ছিলাম তো কি করব?
–কিছু করতে হবে না চুপচাপ বসে থাকো বাই....

তাই বলে ফোনটা কেটে দিলো..(আল্লাহ গো মেয়েটা কত রাগ করে। আল্লাহ তুমি মেয়েটাকে একটু হেদায়েত দান করো। কথায় কথায় রাগ করে।) ফোনটা কেটে যাওয়ার সাথে আবার ফোন করলাম...

–কি ব্যাপার আবার ফোন করছ কেন?
–আমার জান পাখিটা.. প্লিজ কথা বলো...
–তোমার সাথে আবার কিসের কথা?
–কথার কি শেষ আছে?
–হ্যাঁ কথা শেষ আছে। তোমার সাথে আমার আর কোন কথা নেই।
–প্লিজ জান এমনটা করোনা। প্লিজ কথা বলো..
–আচ্ছা ঠিক আছে বল কি বলবে?
–আই লাভ ইউ।
–এটা ছাড়া আর কোন কথা আছে?
–আছে তো!
–তো সেই কথা বলো।
–আমার না খুব ইচ্ছা করছে তোমার কাছে ছুটে যেতে...
–তো আসো না কেন?
–কি করব বলো সিরাজগঞ্জ তো আমার কোন রিলেটিভ নেই যে তার পাশেই যাব।
–রিলেটিভ না থাকলে কি আসা যায় না?
–যাওয়া যায় তো কিন্তু আমি তো কিছুই চিনি না কোথায় যেতে কোথায় চলে যাব।
–হা হা হা.. তুমি কোন দুনিয়ার মানুষ হুম?
–কেন?
–তুমি ডিজিটাল যুগে এসে হারিয়ে যাওয়ার ভয় করছ?
–আমি আমার ভয় করিনা। যদি তুমি কোন কারণে হারিয়ে যাও সেদিন আমার মরন ছাড়া কিছু হবে না।
–হুম হইছে এখন আর ইমোশনাল হতে হবে না..
–হুম।

তারপর জান্নাতের সাথে অনেকক্ষণ কথা বলে ফোনটা রেখে একটু ছাদে যাই। আমাদের ছাদে একটি দোলনা আছে তো ছাদে গিয়ে দোলনায় বসে দোল খাচ্ছিলাম এমন সময় সুমনের ফোন আসলো....

–হ্যালো হৃদয় তুই কোথায়? (অনেকটা আতঙ্কিত কন্ঠে বলল)

_________________চলবে?

বিঃ দ্রঃ- গল্পের প্রথম পার্ট যদি ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন পরবর্তী পার্ট গুলো লিখব।

_বেস্টফ্রেন্ড_এর_বোন_যখন_গার্লফ্রেন্ড ার্ট_০১ েখক_জিহাদ_সাইফুল্লাহ–জান্নাত আজ আমাদের রিলেশনের এক মাস হয়ে গেল অথচ তুমি আ...
03/05/2024

_বেস্টফ্রেন্ড_এর_বোন_যখন_গার্লফ্রেন্ড

ার্ট_০১

েখক_জিহাদ_সাইফুল্লাহ

–জান্নাত আজ আমাদের রিলেশনের এক মাস হয়ে গেল অথচ তুমি আমাকে এখন পর্যন্ত তোমার একটা ছবি দিলা না। প্লিজ আজকে একটা ছবি দাও তোমার 🙏
–তোমাকে বলছি না এসব ছবির আবদার করবে না। যদি দেখার শখ থাকে তাহলে আমাদের বাড়িতে এসে দেখে যাও।
–এটা কেমন কথা তুমি বলো? এখন কি আমি যেতে পারবো? তুমি বোঝার চেষ্টা করো না কেন? একটা ছবি দিলে কি হবে?
–তোমাকে বলছি না যদি দেখতে চাও তাহলে আমার বাড়িতে আসো। আমার এসব জোরাজুরি ভালো লাগেনা।
–তোমার বাড়িতে কিভাবে যাব?
–আমি কিছু জানিনা..
–আচ্ছা তোমার জানতে হবে না। দেখি যেদিন যেতে পারব সেদিনই তোমাকে দেখবো।
–এইতো ছেলের মত কথা।
–হইছে আর বলতে হবে না।।
–ঠিক আছে বললাম না...
–ওই বাবু এখন বাই মা আসছে পরে কথা হবে।

তাই বলে ফোনটা রেখে চলে গেল। এখন আসেন আমাদের পরিচয়টা জেনে নিন> আমি হৃদয় এবার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আর যে মেয়েটির সাথে কথা বললাম তার নাম জান্নাত। আমি ঢাকায় থেকে লেখাপড়া করি আর জান্নাত এর বাড়ি সিরাজগঞ্জ। জান্নাত এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। আমাদের প্রথম পরিচয় ফেসবুকে। আস্তে আস্তে কথা বলতে বলতে দুজন দুজনের খুব ভালো বন্ধু হয়ে যায় কিন্তু কখন যে আমি অজান্তেই তাকে ভালোবেসে ফেলি আমি নিজেও জানিনা। তাকে কোনদিন দেখি নাই কিন্তু আমার মনের ঘরে তাকে নিয়ে একটি স্বপ্ন বেঁধেছি। ওর কাছে যতদিন ছবি চাইছি ততদিন আমাকে নিষেধ করছে। আপনারা দেখলেন তো এখন কি বলল?

–হৃদয় একটু এদিক আয়তো (মা)

পরিচয়টা তো দিয়ে দিলাম এখন মা ডাকছে বাকিটা আপনারা পড়ে নিন......

–হ্যা মা বলো কি হয়েছে?
–ঘরটা এমন অবহেলা করে রেখেছিস কেন? নিজের ঘরটা গুছিয়ে রাখতে পারিস না?
–ওহো মা! তুমি জানো আমি একটু অগোছালো তবুও প্রতিদিন একই কথা কেন বল?
–দুদিন পরে বউ যখন ঘরে আসবে তখন কি করবি হ্যাঁ?
–মা তুমি যে কি বল না? তখন তো তোমার বৌমাই এসব করবে..
–হুম হইছে আর বলতে হবে না। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাস্তার টেবিলে আয় নাস্তা রেডি আছে খেয়ে ভার্সিটিতে যা..
–ঠিক আছে মা।

তারপর আমি রেডি হয়ে নাস্তা করে ভার্সিটিতে যাই। ভার্সিটিতে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হচ্ছে ইব্রাহিম। সেই ইন্টার থেকে আমরা দুজনে একসাথে লেখাপড়া করছি। দুজন দুজনের বেস্ট ফ্রেন্ড। কখনো আমাদের মধ্যে ঝগড়া হয়না.. ভার্সিটিতে যেতেই দেখলাম ইব্রাহিম বট গাছের নিচে বসে আছে..

–কিরে কখন আসলি?
–এইতো দোস্ত 5 মিনিট হলো। আজ দেখছি তোর মন খারাপ ব্যাপার কি? কিছু হয়েছে নাকি?
–আরে নারে দোস্ত কিছু হয়নি। তো তুই একা বসে কেন আর সবাই আসেনি?
–হুম সবাই এসেছে। সবাই যে যার ক্লাসে চলে গেছে, আমি তোর জন্য অপেক্ষা করছি এখানে।
–তো তুই তোর ক্লাসটা মিস করলি?
–আরেকদিন ক্লাস না করলে কিছু হয় না..
–পরে ক্লাস কয়টায়?
– ১০.৪০ এ....
–আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে ততক্ষণ একটু আড্ডা দেই।
–হ্যাঁ তাইতো বলবি। মহারাজ দেরি করে আসবেন আর ক্লাস মিস করে আড্ডা দিতে হবে।
–দোস্ত কাল থেকে আর লেট হবে না প্রমিস।
–তুই তো প্রতিদিনই প্রমিস করিস। একদিকে কি তা রাখতে পারছিস?
–সরি দোস্ত আর হবেনা।
–ঠিক আছে।

তারপর বসে দুজনের আড্ডা দেই। ১০.২০ এ সবার ক্লাস শেষ হয় আর সবাই বটগাছ তলা চলে আসে। তারপর সবাই মিলে আড্ডা দেই..

–এই সুমন তোর বাবা কি অবস্থা এখন? (সুমনের বাবা হার্টের রোগী। হাসপাতালে ভর্তি আছে, সুমনের কোন বড় ভাই নেই তাই খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করে আর বাবা-মা কে দেখাশোনা করে। যার কারণে আমরা সবাই সুমনকে একটু বেশি ভালোবাসি)
–ঐ আগের মতোই রে(সুমন)
–আচ্ছা ডাক্তার কি বলছে? (হৃদয়)
–ডাক্তার বলছে সময় লাগবে কিন্তু নিশ্চয়তা নেই...(সুমন)
–মন খারাপ করিস না দোস্ত সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে (হৃদয়)
–দোয়া করিস দোস্ত (সুমন)
–আমরা তো সব সময় দোয়া করি। তোর মা-বাবাকে আমাদের মা-বাবা নয়? (হৃদয়)
–হ্যাঁ অবশ্যই (সুমন)
–তাহলে এমন কথা বললি কেন? (হৃদয়)
–সরি দোস্ত ভুল হয়ে গেছে আর বলবো না (সুমন)
–হুম ঠিক আছে। আচ্ছা মিলি আজকে মেকআপ করিস নাই নাকি? (হৃদয়)
–তুই আবার আমার মেকআপ নিয়ে কথা বলছিস (মিলি)
–আছে হৃদয় তোর মিলি পিছে না লাগলে কি পেটের ভাত হজম হয় না নাকি? (ইব্রাহিম)
–একদম ঠিক বলছিস। শালা সারাক্ষণ আমার পিছে লেগে থাকে (মিলি)
–হইছে এখন সাপোর্ট পাইয়া এত লাফালাফি করতে হবে না। তুমি যে মেকআপ ম্যান তা তো সবাই জানে। সারাক্ষণ মেকআপ নিয়ে ব্যস্ত হি. হি. হি.(হৃদয়)
–এবার কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে হৃদয় (মিলি অনেক রাগ হয়ে বলল)
–আচ্ছা বইন ভুল হইছে মাফ কইরা দে (হৃদয়)
–হইছে এত ঢং করতে হবেনা (মিলি)
–বাবা না চাইলেও দোষ। আচ্ছা ঠিক আছে আজকের পর আর কোনদিন তোর কাছে মাফ চাইবো না (হৃদয়)
–আচ্ছা তোরা কি শুরু করলে বলতো? (ইব্রাহিম)
–আছে সবকিছু বাদ দে তো দোস্ত। খুব ক্ষুধা পাইছে চল ক্যান্টিনে যাই (সুমন)
–তোর খোদা লাগছে তুই মিলিয়ে নিয়ে যা। আমাদের ক্লাসের সময় হয়ে গেছে আমি আর ইব্রাহিম ক্লাসে গেলাম।(হৃদয়)
–এখন তোদের আবার ক্লাস আছে?(সুমন)
–ক্লাস না থাকলে কি আমি যাই?(হৃদয়)
–সবই বুঝি! না খাওয়ানোর ধান্দা শুধু (মিলি)
–ওই কি বললি তুই? তোদের আমি খাওয়াই না? প্রতিদিন যে ক্যান্টিনে বসে এটা ওটা খাস কি খাওয়ায়? (হৃদয়)
–আহা করত হৃদয়(ইব্রাহিম)
–আচ্ছা ঠিক আছে।তোরা ক্যান্টিনে গিয়ে বস আমরা ক্লাস করে আসছি তারপর একসাথে খাওয়া দাওয়া করব। আর তোদের যদি দেরি না পছন্দ হয় তাহলে খেয়ে নিতে পারিস আমি এসে বিল দেবো সমস্যা নাই। (হৃদয়)
–সত্যি দিবি তো?(মিলি)
–হ্যাঁ দেব এখন যা তোরা.....

তাই বলে ওদেরকে রেখে আমি আর ইব্রাহিম ক্লাসে চলে গেলাম। ক্লাসে ঢুকতে দেখি নতুন একটা স্যার জয়েন করছে আজকে তার ক্লাস। স্যারের আজ আমাদের প্রথম ক্লাস তাই আজকে পরিচয় পর্বের মধ্য দিয়ে ক্লাস শেষ করে। ক্লাস শেষ করে বেরিয়ে ক্যান্টিনে চলে যায়। ক্যান্টিনে গিয়ে দেখি হারামিগুলা বসে আছে।

–কিরে তোরে কিছু খাস নি?(ইব্রাহিম)
–তোদের ছাড়া আমরা কখনো কিছু খাইছি? (সুমন)
–আরে বোকা খাইলে কি হইত?(হৃদয়)
–কিছু হতো না কিন্তু তোদের ছাড়া আমরা খাব না তাই খাইনি। (মিলি)
–আচ্ছা খাস নি ভালো করছোস। তো এখন কি খাবি বল?(হৃদয়)
–এখন বেশি কিছু খাবো না হালকা নাস্তা করলে হবে। (মিলি)
–আচ্ছা তাহলে সিংগারা আনি তোরা বোস।

তাই বলে আমি সিংগার আনতে সিংগারার গেলাম সাথে কোলড্রিংক নিলাম। তারপর সবাই নাস্তা করে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম। বাসায় এসে লাঞ্চ করে বিকালে একটা ঘুম দিলাম। সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে দেখি মোবাইলে 29 টা মিসড কল। চেক করে দেখি জান্নাতের কল ছিল। আজ আমি শেষ.. কি মরণের ঘুমাচ্ছিলাম ফোনটা বাজছিল বুঝতে পারিনি। জান্নাত তো আজকে আমাকে মেরে ফেলবে... তাড়াতাড়ি করে জান্নাত কে একটা ফোন করলাম..

–হ্যালো জান্নাত!
–সরি কে আপনি? আর কাকে ফোন?
–আমি জান্নাত সরি। আসলে ভার্সিটি থেকে এসে লাঞ্চ করে একটু ঘুমিয়ে পড়ছিলাম তাই বুঝতে পারিনি কখন ফোন করছিলা। সরি 🙏🙏
–তো ঘুম থেকে উঠছেন কেন? জান ঘুমান...
–সরি তো জান।
–তোমার এই সরি আমার আর ভালো লাগেনা।
–আচ্ছা ঘুমিয়ে পড়ছিলাম তো কি করব?
–কিছু করতে হবে না চুপচাপ বসে থাকো বাই....

তাই বলে ফোনটা কেটে দিলো..(আল্লাহ গো মেয়েটা কত রাগ করে। আল্লাহ তুমি মেয়েটাকে একটু হেদায়েত দান করো। কথায় কথায় রাগ করে।) ফোনটা কেটে যাওয়ার সাথে আবার ফোন করলাম...

–কি ব্যাপার আবার ফোন করছ কেন?
–আমার জান পাখিটা.. প্লিজ কথা বলো...
–তোমার সাথে আবার কিসের কথা?
–কথার কি শেষ আছে?
–হ্যাঁ কথা শেষ আছে। তোমার সাথে আমার আর কোন কথা নেই।
–প্লিজ জান এমনটা করোনা। প্লিজ কথা বলো..
–আচ্ছা ঠিক আছে বল কি বলবে?
–আই লাভ ইউ।
–এটা ছাড়া আর কোন কথা আছে?
–আছে তো!
–তো সেই কথা বলো।
–আমার না খুব ইচ্ছা করছে তোমার কাছে ছুটে যেতে...
–তো আসো না কেন?
–কি করব বলো সিরাজগঞ্জ তো আমার কোন রিলেটিভ নেই যে তার পাশেই যাব।
–রিলেটিভ না থাকলে কি আসা যায় না?
–যাওয়া যায় তো কিন্তু আমি তো কিছুই চিনি না কোথায় যেতে কোথায় চলে যাব।
–হা হা হা.. তুমি কোন দুনিয়ার মানুষ হুম?
–কেন?
–তুমি ডিজিটাল যুগে এসে হারিয়ে যাওয়ার ভয় করছ?
–আমি আমার ভয় করিনা। যদি তুমি কোন কারণে হারিয়ে যাও সেদিন আমার মরন ছাড়া কিছু হবে না।
–হুম হইছে এখন আর ইমোশনাল হতে হবে না..
–হুম।

তারপর জান্নাতের সাথে অনেকক্ষণ কথা বলে ফোনটা রেখে একটু ছাদে যাই। আমাদের ছাদে একটি দোলনা আছে তো ছাদে গিয়ে দোলনায় বসে দোল খাচ্ছিলাম এমন সময় সুমনের ফোন আসলো....

–হ্যালো হৃদয় তুই কোথায়? (অনেকটা আতঙ্কিত কন্ঠে বলল)

_________________চলবে?

বিঃ দ্রঃ- গল্পের প্রথম পার্ট যদি ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন পরবর্তী পার্ট গুলো লিখব।

I am always happy... Alhamdulillah
28/09/2023

I am always happy... Alhamdulillah

23/09/2023

༎______❝’প্রিয়”শোন’❞-♡🙂🌸
______ღ᭄”দুরত্ব!🦋!কখনো সম্পর্ক!!🥀আলাদা!!করতে!!♥পারে!!নাহ্!!সময়!!💚কখনো!!সম্পর্ক!♥!তৈরি!!করে!!নাহ্!ღ۵🥰࿐”
______ღ᭄”যদি!!🦋মনের!!অনুভূতি!!🌿ঠিক!!থাকে!!তাহলে!🌺! সম্পর্ক’টাও!!সারাজীবন!!ঠিক!🌿!থাকে°°ღ۵প্রিয়°° 🥰࿐

17/08/2023

অদ্ভুত প্রেম❤️
Writer-Zihad Saifullah
[২]
বাসার সামনে এসে রিকশা থামলো।সেটা থেকে নেমে বাসায় ঢুকার সময় দেখলাম সব চাইতে বান্দর ছেলেটা এদিকে আসছে।

-'তাহা!তাহা!'

-'উফ!আমি আপনাকে বলছি না আমাকে ডিস্টার্ব করবেন নাহ!'

(শরীফ নামের এই ছেলেটা হলো একটা ছেঁচড়া ছেলে।১০০টা মেয়ের সাথে সে প্রেম করে।এখন আমার পিছে লাগছে।)

-'বুঝো না কেন আমি তোমায় লাভ করি'

-'আর একদিন আমাকে ডিস্টার্ব করলে তোর সব দাঁত ভেঙে দিবো।যা ভাগ এখান থেকে'
------
সন্ধ্যায়।
-'হ্যালো?আঁখি বল। কেমন আছিস?'

-'দোস্ত একটা খবর জানস?শরীফের নাকি অবস্থা ডাল ভাত'

-'তাই নাকি?কি হয়েছে?'

-'ওরে নাকি কে পিটাইয়া হসপিটালে ভর্তি করে দিছে
ওর সব দাঁত ভেঙে দিছে'

-'এটা তো আমার করার ছিলো।যাই হোক যে করেছে একদম ঠিক করেছে।
আমার আবার রাত ১টা ছাড়া ঘুম আসে নাহ।
অনেক দিন হয়েছে গেমস খেলি নাহ।একটু লুডু খেলি।
১১:৪৫বাজে হঠাৎ ফোনে একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে মেসেজ আসলো।
"Ato rat porjonto jege thakio na.ghumiye poro. abar kal games khelio.Fan er Volume komao thanda lege jabe.
Good Night dear,I ❤️u soooooo much "

-'ও আল্লাহ আমি গেমস খেলতেছি জানলো কিভাবে?ফ্যানের কথাও জানলো কিভাবে?রহস্য উন্মোচন করতে ঐ নাম্বারে কল দিলাম ৫বার,।ধরলো নাহ।
হুহ!আমার কি?আমি গেমস খেলি।
১:৩০ এ ঘুমাই গেলাম।ঘুমের সঙ্গে আর পারলাম না।
-----
-'পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম ৬টা বাজে সেসময়ে কিনা ফোন রিং হচ্ছে।
উফ এত সকালে আবার কে?হ্যালো!কে?'

-'শুভ সকাল'

-'তো কি করবো?মুড়ি খাও।ফোন অফ করে ঘুমাই গেলাম।কি বলছি নিজেও জানি না।

সকাল আটটায় বাসা থেকে বের হতে যেয়ে দরজা খুলে দেখি একটা ফুলের তোড়া।আর একটা লেটার।খুলে দেখি....চিঠিতে লেখা আছে-
-'Dear,
ei fuler tora ta pura gondhoraj fuler.ja tmr bison prio akti ful.gondhorajer bagan theke ami nijer hate collect korsi ful gula.sob tmr'
r kal rate tmai games besi na khele ghumate bolsilam.suno nai.sokale phn disilam kete diso.nxt time amr obaddho hoba na.tmr e khoti'

-'এটা পড়ে মাথা চড়ক গাছ করে পুরা বাসা তন্ন তন্ন করে খুঁজছি কোনো সিসি ক্যামেরা তো পেলাম না।তাইলে সব খবর রাখে কিভাবে?'
----
কলেজে আসার পর আমি আর আঁখি ক্যামপাসে হাঁটতেছি এখন।সকালের বিষয়টা নিয়ে আলাপ করলাম কিছু।হঠাৎ!!
আমি পড়ে গেলাম মাটিতে।হাতে ব্যাথাও পাইছি।

প্রিয়া বললো,'তুই জানস না আমার সামনে কেউ হাঁটার সাহস রাখে না?তোর সাহস হয় কেমনে আমার সামনে দিয়া হাঁটোস?'

-'তাই বলে তুই ওরে ধাক্কা দিবি?'

-'আঁখি!চামচা গিরি করবি না।নইলে তোরেও ফালামু!"

-'বাদ দে আঁখি।চল আমরা যাই'
----
বাসায় আসলাম ছুটি হওয়ার পরে।এসে দেখলাম আম্মু কোমড়ে হাত দিয়ে আমাকে দেখে যাচ্ছে।
-'কি হলো?'

-'তোর জন্য একটা গিফট বক্স কে জানি পাঠাইছে।আমি চেষ্টা করতেছি খুলতে পারি নাই।'

-'এটা কেচি দিয়ে খুলে।আচ্ছা আমি দেখি
খুললাম।ভিতরে একটা ফার্স্ট এইড বক্স।তাতে লিখা আছে তোমার খুব লেগেছে নাহ?সরি তোমাকে সেফে রাখতে পারিনি।আর এমন ভুল হবে না।হাতে মলম লাগিয়ে নিও'

-'আজিব।কোনো সিক্রেট লাভার না তো?নাহ সেটাতো ফিল্মে হয়'!

রাত ১২:১০।সেই লেভেলের জ্বর আসছে আমার।
আম্মু তো পাগল হয়ে গেছে ভেজা তোয়ালে দিয়ে পোটি দিতে দিতে।
আমি খালি আবল তাবল বকতেছি। হুস ছিল না'
পরেরদিন সকালে আর কলেজে গেলাম না।জ্বর আগের মতনই আছে।
কে যেন আসছে বাসায়।আম্মু গিয়ে দরজা খুললো।একজন ডাক্তার।দেখে মনে হচ্ছে বড় ডাক্তার।আমার জ্বর পরীক্ষা করে চলে গেলেন।যাওয়ার সময় একটা প্রেসক্রিপশন দিয়ে গেলেন।আম্মু বললো,' কি হলো?এত বড় ডাক্তার আমদের বাসায় আসলো তাও শুধু চেক আপের জন্য আবার চলেও গেলো।টাকা নিলো না।কিছুক্ষন পর সেই আবার আসলো।ঔষধ এক ব্যাগ আর কতগুলা ফ্রুটস দিয়ে আবার চলে গেলো।উনি পাগল নাকি আমরা পাগল হয়ে গেলাম?
আমি আর আম্মু তো অবাক হয়ে শুধু দেখছি।
পরেরদিন একটু সুস্থ হতেই কলেজ গেলাম।

-'কিরে তুই কাল আসিস নাই! কলেজে তো প্রচুর ধামাকা হয়েছে'

-'কি হয়ছে?'

-'প্রিয়াকে কলেজ থেকে বের করে দিছে স্যার।তিন বছরের জন্য। ও কোনো কলেজে ভর্তি হতে পারবে না।সিল মেরে দিছে।ওর বাবার নাকি চাকরিটাও গেছে।'

-'কি বললি এসব?'
আমি বুঝতেছি না।আমাকে যারা যারা কষ্ট দিতো তাদের সবার এমন ক্ষতি হচ্ছে কেন?
এসব ভাবনা মাথায় করে বাসায় আসলাম।জামা চেঞ্জ করতেছি হঠাৎ একটা মেসেজ আসলো।ডিয়ার পিংক জামাটা পরিও না।ব্ল্যাকটা পরো।জোস লাগবে'

মেসেজটা দেখে একটা লাফ দিয়ে ওয়াসরুমে চলে গেলাম।ভাবতেছি আমার রুমে কি কি ঘটে তা ঐ লোকটা জানে কেমনে।
বিকালে মন ভালো করতে আমি আঁখিদের বাসায় গিয়েছিলাম।দুজনেই দৌড়া দৌড়ি করতেছি।হঠাৎ আঁখি দুষ্টুমি করে আমার উড়না টান দিলো।আমি ওর থেকে টান দিয়ে উড়না নিয়ে নিলাম আবার।
৫টায় বাসায় চলে আসলাম আরও কিছুক্ষণ গল্প করে।আঁখির আম্মুর কল আসলো আমি বাসায় ঢোকার সাথে সাথে।
-'হ্যালো আন্টি।কি হয়েছে?'

-'তাহা।তুমি যাওয়ার পরেই আঁখি ছাদে গেছিলো ওখান থেকে নামার সময় ওর মনে হলো কেউ ওকে ধাক্কা দিছে।পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে ফেলছে।আমরা এখন হসপিটালে'

আমি তো পুরাই অবাক।এসব কি করে হলো?
মাথায় হাত দিয়ে আমার রুমে আসলাম।বিছানায় একটা লেটার পড়ে আছে।
চিঠিতে লিখা আছে---
-'Dear,
tmr urna dhorar odikar sudu amr. R keo ta korar sahos dekhale tar hat ami venge dibo. Tmr best frd tai just hat ta vangchi. Onno keo hole hat kete golai jhuliye ditam. '

-'কি করবো কিছু বুঝতেছি না
কি হচ্ছে এসব আমার সাথে?কে লোকটা?'
-------
পরেরদিন সকালে।
-'তাহা উঠ!দেখ '

-'কি হয়ছে?'

মা আমাকে আসতে বলে চলে গেছেন।আমি তার পিছু পিছু সোফার রুমে গিয়ে দেখি পুরা রুম ভর্তি গিফট।
কালো পোশাক পরা কতগুলা লোক একের পর এক আরো আনতেছে।
হঠাৎ একটা কার আসলো।আমাদের বাসার গেটের সামনে দাঁড়ালো সেটা।সেখান থেকে সেদিনের সেই ছেলেটা নামলো।
ছেলেটা আসতেছে এদিকেই।আমাকে দেখে চোখ মারলো।একি সাথে দেখি আমার মামা ও আসছে।

-'তাহা তুমি আরেক রুমে যাও'

-'ঠিক আছে'

-'ভাইয়া উনি কে?আর এতসব গিফট কেন আনছে?'

-'ও হচ্ছে আমার ছোট বেলার ফ্রেন্ড সানভি চৌধুরীর একমাত্র ছেলে সৌরভ চৌধুরী।সানভি আমাকে ফোন করে বলেছে ও তোর মেয়েকে তাদের বাড়ির বউ করতে চায়'

-'উনারা কই থাকে?'

-'সৌরভের আম্মু আব্বু দুজনেই আমেরিকাতে থাকে।'

-'তো আমার মেয়েকে দেখলো কিভাবে?'

-'আন্টি!আমি এখানে আমার অফিসের কাজে বাংলাদেশের ক্লায়েন্টের সাথে ডিল করার জন্য আসছিলাম।সেই সূত্রে আমি তাহাকে দেখে পছন্দ করে ফেলি'

-'আমি তাহার আব্বুর সাথে কথা বলে দেখবো।ওর নানুর ও মতামত দরকার'

-'অবশ্যই'

-'সব লুকিয়ে শুনছি।উনি এগুলা কি বলে?আমাকে তো শুধু দুইদিন দেখছে।এতেই পছন্দ করছে?'

আম্মু ভেতরের রুমে এসে আব্বুকে কল দিলো।সব বললো আব্বুকে।

-'ভালই তো সম্বন্ধ আসছে।কিন্তু আমাদের মেয়ে এখনও ছোট।তুমি তোমার মায়ের সাথে কথা বলে দেখো'

ঠিক সেসময়ে নানু এসে হাজির।
সৌরভ উঠে গিয়ে নানুকে পা ধরে সালাম দিলো।নানু তো এত সুন্দর ছেলে দেখে হা হয়ে তাকিয়ে আছে।
সব শুনে নানুতো পারে না এখনই বিয়ে দেয় কারন নানুর ছোট থেকে ইচ্ছা আমাকে বিদেশি ছেলের সাথে বিয়ে দিবে যে আমাকে সেখানে নিয়ে যাবে সাথে করে।

-'আমাদের মেয়ে এখন অনেক ছোট।১৭বছর হয়ছে সবে।আমরা মেয়ের ১৮হওয়া ছাড়া বিয়ে দিবো না'

-"আমারও একই ইচ্ছা।আম্মু আব্বু ও এটাই বলেছে।'

নানু উঠে গিয়ে আমার কাছে এসে মামি আর আম্মুরে ডাক দিলো।আমাকে শাড়ি পরিয়ে রেডি করতে বললো।আমি বিয়া করুম না কইতাছি!'

-'চুপ!এমন ভালো পরিবারের ছেলে সহজে পাওয়া যায় না!

-'ঐ পোলরে আমার কেমন জানি লাগে।আমার দিকে শয়তানের মতন তাকায় থাকে।
তাও জোরপূর্বক আমাকে যেতে হলো সোফার রুমে।উনাকে, মামাকে আর নানিকে নাস্তা দিলাম।হারামি আমার থেকে চোখ সরাইতেছে না।ইচ্ছা করে চা ঢেলে দিই'

-"আমি তাহার সাথে আলাদা একটু কথা বলতে চাই'

-'(অসম্ভব।নানু রাজি হইও না')

-'কেন নয়।তাহা,যা ওরে নিয়ে তোর রুমে যা।'
বাধ্য মেয়ের মত রুমে আসলাম।শয়তান আমার পাশে বসলো।আমি উঠে গিয়ে টেবিলের উপরে বসলাম।
আমার ব্যবহারে উনি মুচকি হাসছেন।
চলবে""

16/08/2023

অদ্ভুত প্রেম ❤️
Writer-Zihad Saifullah
[১]
-'দিনটা ছিল সোমবার।প্রতিদিনের মতো কলেজের জন্য বের হয়েছি।তখন মনে হয় সকাল সাড়ে সাতটা বাজে।প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছি এখন।সেখান থেকে সোজা কলেজে যাবো।
অনেকক্ষণ ধরে হাঁটছি!উফ অসহ্য!একটা রিকশা যদি পাইতাম।হেঁটে হেঁটেই যাওয়া লাগবে মনে হয়।এখন আবার কে কল দিছে?হ্যালো আম্মু? হুম বলো কিছু হয়েছে?

-'আসার সময় ডিম আনবি মনে করে'

-'আমার মা সব সময় আমি বাসা থেকে বের হলেই আমকে কিছু না কিছু আনতে বলে।অবশ্য বলারই কথা।আমার কোনো ভাইবোন নেই।আব্বু থাকে বিদেশ তাই আমাকেই আনতে হবে সব,,,,,,,দুম!!!!
আল্লাহ আবার পড়ছি মনে হয়।চোখ খুলে দেখি নাহ পড়ি নাই আমাকে কে যেন ধরে ফেলছে.তাকাই দেখলাম একটা ছেলে।সুন্দর দেখতে লম্বা চওড়া একটা ছেলে।সান গ্লাস পরা।
একি!!কারের মধ্যে হেলান দিয়ে এক হাত দিয়ে আমাকে ধরে রেখেছে?এখন হুশ আসলো আমার??
সাথে সাথে সিধা হয়ে দাঁড়ালাম।উনি আবার ফোন টিপা শুরু করলেন।এমন ভাব ধরছেন যেন কিছুই হয়নি।ফাইন!একটা ধন্যবাদ দিলাম রীতি অনুসারে।

-'.....'

কোনো জবাব না পেয়ে ওখান থেকে সরে আবার হাঁটা ধরলাম।হঠাৎ একটা রিকশাচালক আসলো।অথচ এতক্ষণ একটা রিকশাও ছিলো না।তাড়াতাড়ি করে উঠে পড়লাম।এত সব ভাবার সময় নেই।
-----
ক্লাসে বসে আছি বোর হয়ে।আজকে নাকি আমাদের কলেজ দেখার জন্য কে জানি আসবে।পুরা কলেজ ফিটফাট।যাই হোক ইন্টারেস্ট নিয়ে তাকাই আছি কই কেউ তো আসলো না।হুর!! আমি যাই চটপটি খাইয়া আসি।গেটের সাথেই চটপটির দোকান।খাইতেছি হাপুস হুপুস করে।হঠাৎ দেখলাম স্যাররা সবাই দাঁড়িয়ে কারে যেন সালাম দিচ্ছে।
মনে হয় ঐ লোকটা এসে গেসে।চটপটি রেখে দৌড় মারলাম কোনোদিকে না তাকিয়ে।
এরপর ক্লাসে এসে উঁকি মারতেই লোকটাকে চেনা চেনা লাগলো।কই দেখছি??ও হ্যাঁ উনি তো সকালের সেই সুদর্শন ছেলেটা!!
খেয়াল করলাম উনি আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।আমাকে দেখে মুচকি হাসলেন তিনি।আমি তো মূর্তিমান হয়ে লুকিয়ে পড়লাম।
এরপরে পিছনে তাকিয়ে দেখি আমার পেছনে অনেক মেয়ে আছে।
মনেহয় ওদের দিকে তাকিয়ে হাসছিল।
উনি স্যারের সাথে অনেক কথা বললেন।তারপর আমাদের ক্লাসে এসে সব দেখে কারে করে চলে গেলেন আবার।এত বড় ছেলে সাথে করে ২টা বডিগার্ড নিয়ে হাঁটেন।
কিছুক্ষন পর স্যার ক্লাসে আসলো।আমি বই নিলাম পড়ার জন্য।
স্যার জিজ্ঞেস করলেন,'তাহা তাবাসসুম কে?'

আমি তাই উঠে দাঁড়িয়ে বললাম,'আমি'

-'তুমি পিছনে বসছো কেন?সামনে চলে আসো।'

-'কি বিপদ!সামনে বসলে তো ফ্রেন্ডদের সাথে কথাও বলতে পারবো না'

-'এখন থেকে সামনের সিটে বসবা।এই সিটটা তোমার জন্য বুকড্'

-'আপদ'

ছুটি হলো তিনটার সময়।আমি সেই আবার দাঁড়িয়ে আছি রিকশার জন্য।প্রতিদিন ৩০টাকা দিয়েই যাই।একটা রিকশাচালক এসে বললেন, 'যাবেন আপু'

আমি বললাম, 'যাবো.....এই যায়গাতে,কত?'

-'৫টাকা'

-'আপনি সিউর ৫টাকা?'
চলবে""

22/07/2023

না হাসি আসলে এমবি ফেরত!

খারাপ সময়টাও আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত ❤️
05/06/2023

খারাপ সময়টাও
আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত ❤️

Cuter_dibba🥰🥰
11/04/2023

Cuter_dibba🥰🥰

একটি সতর্কবার্তা..!কাল সকলের  এই চাঁদের ছবি তোলা দেখতে দেখতে ক্যামন একটা লাগছিল,  ততটা খেয়াল করিনি,, ভাবছি দেখে সবাই খুশ...
25/03/2023

একটি সতর্কবার্তা..!

কাল সকলের এই চাঁদের ছবি তোলা দেখতে দেখতে ক্যামন একটা লাগছিল, ততটা খেয়াল করিনি,, ভাবছি দেখে সবাই খুশিতে ছবি দিচ্ছে। কিন্তু এটা দেখুন সবাই,,

- হতে পারে হাদিসে বর্ণিত সেই জুলফি বিশিষ্ট তারকা যে তারকা সকলেই দেখতে পাবে, এবং এই তারকা দেখার পরে এক বছরের খাদ্য মজুদ রাখতে বলা হয়। যেখানে রমজান মাসের প্রথম রোজা শুক্রবার এবং মধ্য রোজার শুক্রবার হওয়ারও কিছু আলামত হাদিসে পাওয়া যায় ' এবারের রোজার মাস প্রথম রোজা শুক্রবার এবং মধ্য রোজার শুক্রবার আল্লাহ জানে সামনে কি দুর্ভিক্ষ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে !! 😥🌻✨
সকলে সজাগ থাকুন, এ বছরের পবিত্র রমজান মাসের ১৬ তারিখ জুম্মার রাত। নিজেকে ও পরিবারের সবাইকে হেফাজতে রাখুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে দ্বীন মেনে চলার তওফিক দান করুক।

আমিন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zihad Saifullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category