Hasan mahmud

Hasan  mahmud Noakhali

11/02/2025

"তারপর কেটে গেলো অনেকগুলো বছর। অজস্র নির্ঘুম রাত, দুঃস্বপ্ন, ধড়ফড়িয়ে জেগে উঠে আশেপাশে উন্মাদের মতো কাউকে খুঁজতে থাকা, চোখের কিনারায় টলমলে নদী আর গাল বেয়ে নেমে আসা নোনা স্রোত - অনেক অপেক্ষার পর একদিন সত্যি সত্যি সব থেমে গেলো। সব।

নিরন্তর ব্যস্ততায় আমি একদিন স্বস্তি খুঁজে পেলাম। যে জীবন ঠিক হওয়ার ছিলো না, সেই জীবনটাই রূপকথার গল্পের মতো ঠিকঠাক হয়ে গেলো।

ঠিক যেদিন আমার মনে হলো, আমি নরক থেকে মুক্তি পেয়ে গেছি, সেদিন একজন আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নটা করে বসলো। পাঁচ শব্দের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নঃ

"Why do you STILL care?"

আমি মাথা নাড়তে গিয়ে থমকে গেছি। আমি অস্বীকার করতে গিয়ে বোবা হয়ে গেছি। আমি মিথ্যে বলতে গিয়ে টের পেয়েছি, আমার শব্দরা গলার ভেতরের অদৃশ্য ব্যারিকেডে আটকে গেছে।

আমি উত্তর খুঁজে পাই নি। শুধু খুঁজে পেয়েছি পুরোনো ক্ষতটা, যার অস্তিত্ব আমি অস্বীকার করে গেছি ব্যস্ততার অন্ধত্বে।

মানুষ সবচেয়ে বেশি অভিনয় করে নিজের সাথে। মানুষ সবচেয়ে বেশি মিথ্যে সান্ত্বনা দেয় নিজেকে। দিনশেষে আমাদের যুদ্ধটা আসলে নিজের সাথেই, আর কারো সাথে না, কখনো ছিলোও না।"

লিখা:মুশফিকুর রহমান আশিক

18/12/2024

ইচ্ছে ছিলো তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো
ইচ্ছে ছিলো তোমাকেই সুখের পতাকা করে
শান্তির কপোত করে হৃদয়ে উড়াবো।
ইচ্ছে ছিলো সুনিপূণ মেকআপ-ম্যানের মতো
সূর্যালোকে কেবল সাজাবো তিমিরের সারাবেলা
পৌরুষের প্রেম দিয়ে তোমাকে বাজাবো, আহা তুমুল বাজাবো।
ইচ্ছে ছিলো নদীর বক্ষ থেকে জলে জলে শব্দ তুলে
রাখবো তোমার লাজুক চঞ্চুতে,
জন্মাবধি আমার শীতল চোখ
তাপ নেবে তোমার দু’চোখে।
ইচ্ছে ছিল রাজা হবো
তোমাকে সাম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো,
আজ দেখি রাজ্য আছে
রাজা আছে
ইচ্ছে আছে,
শুধু তুমি অন্য ঘরে।

কবি হেলাল হাফিজ

12/08/2024

বিদ্রোহী
কাজী নজরুল ইসলাম

বল বীর
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!

বল বীর
বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি
চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি
ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া
খোদার আসন আরশ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!
মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর

বল বীর –
আমি চির উন্নত শির!
আমি চিরদূর্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস,
মহা- প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস!
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর,
আমি দুর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জটি, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাতৃর!

বল বীর
চির-উন্নত মম শির!
আমি ঝন্ঝা,আমি ঘূর্ণি,
আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’।
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি ছমকি
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি
ফিং দিয়া দিই তিন দোল;
আমি চপলা-চপল হিন্দোল।
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা,
আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা!
আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর;
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর!

বল বীর
আমি চির উন্নত শির!
আমি চির-দুরন্ত দুর্মদ,
আমি দুর্দম, মম প্রাণের পেয়ালা হর্দম হ্যায় হর্দম ভরপুর মদ।
আমি হোম-শিখা, আমি সাগ্নিক জমদগ্নি,
আমি যজ্ঞ, আমি পুরোহিত, আমি অগ্নি।
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান।
আমি ইন্দ্রাণী-সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর রণ-তূর্য;
আমি কৃষ্ন-কন্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা-বারিধীর।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।

বল বীর
চির -উন্নত মম শির!
আমি সন্ন্যাসী, সুর-সৈনিক,
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক।
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার,
আমি ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুঙ্কার,
আমি পিণাক-পাণির ডমরু ত্রিশূল, ধর্মরাজের দন্ড,
আমি চক্র ও মহা শঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচন্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব।
আমি প্রাণ খোলা হাসি উল্লাস, – আমি সৃষ্টি-বৈরী মহাত্রাস,
আমি মহা প্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু গ্রাস!
আমি কভূ প্রশান্ত কভূ অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী,
আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্পহারী!
আমি প্রভোন্জনের উচ্ছ্বাস, আমি বারিধির মহা কল্লোল,
আমি উদ্জ্বল, আমি প্রোজ্জ্জ্বল,
আমি উচ্ছ্বল জল-ছল-ছল, চল-ঊর্মির হিন্দোল-দোল!

আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণু, তন্বী-নয়নে বহ্ণি
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!
আমি উন্মন মন উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা হুতাশ আমি হুতাশীর।
আমি বন্চিত ব্যথা পথবাসী চির গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম বেদনা, বিষ – জ্বালা, প্রিয় লান্চিত বুকে গতি ফের
আমি অভিমানী চির ক্ষুব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যথা সুনিবিড়
চিত চুম্বন-চোর কম্পন আমি থর-থর-থর প্রথম প্রকাশ কুমারীর!
আমি গোপন-প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল-ক’রে দেখা অনুখন,
আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তা’র কাঁকন-চুড়ির কন-কন!

আমি চির-শিশু, চির-কিশোর,
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচড় কাঁচলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু মলয়-অনিল উদাস পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান গাওয়া।
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি
আমি মরু-নির্ঝর ঝর ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি!
আমি তুরীয়ানন্দে ছুটে চলি, এ কি উন্মাদ আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!
আমি উথ্থান, আমি পতন, আমি অচেতন-চিতে চেতন,
আমি বিশ্ব-তোরণে বৈজয়ন্তী, মানব-বিজয়-কেতন।
ছুটি ঝড়ের মতন করতালি দিয়া
স্বর্গ মর্ত্য-করতলে,
তাজী বোররাক আর উচ্চৈঃশ্রবা বাহন আমার
হিম্মত-হ্রেষা হেঁকে চলে!



আমি বসুধা-বক্ষে আগ্নিয়াদ্রি, বাড়ব-বহ্ণি, কালানল,
আমি পাতালে মাতাল অগ্নি-পাথার-কলরোল-কল-কোলাহল!
আমি তড়িতে চড়িয়া উড়ে চলি জোর তুড়ি দিয়া দিয়া লম্ফ,
আমি ত্রাস সন্চারি ভুবনে সহসা সন্চারি’ ভূমিকম্প।

ধরি বাসুকির ফণা জাপটি’ –
ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি’।
আমি দেব শিশু, আমি চঞ্চল,
আমি ধৃষ্ট, আমি দাঁত দিয়া ছিঁড়ি বিশ্ব মায়ের অন্চল!
আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা-সিন্ধু উতলা ঘুমঘুম
ঘুম চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝঝুম
মম বাঁশরীর তানে পাশরি’
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠি যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!

আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!
আমি শ্রাবণ-প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরনীরে করি বরণীয়া, কভু বিপুল ধ্বংস-ধন্যা-
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ণু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু-জ্বালা, বিষধর কাল-ফণী!
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!

আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়।
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির-দুর্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মাথিয়া ফিরি স্বর্গ-পাতাল মর্ত্য!
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!!
আমি চিনেছি আমারে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!!


আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম-স্কন্ধে
আমি উপাড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।
মহা-বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উত্‍পীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না –
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না –
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত।

আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমিখেয়ালী-বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!


আমি চির-বিদ্রোহী বীর –
বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!

18/01/2024

Hasi ban Gaye






Send a message to learn more

ছোট্ট বুকে মেঘ জমিয়েক্যানরে কাঁদিস পাখি,ছোট্ট বুকে মেঘ জমিয়েক্যানরে কাঁদিস পাখি,তুই ফিরবি বলে আমি কেমনসন্ধ্যা নামায় র...
29/12/2023

ছোট্ট বুকে মেঘ জমিয়ে
ক্যানরে কাঁদিস পাখি,
ছোট্ট বুকে মেঘ জমিয়ে
ক্যানরে কাঁদিস পাখি,
তুই ফিরবি বলে আমি কেমন
সন্ধ্যা নামায় রাখি,
তুই ফিরবি বলে আমি কেমন
সন্ধ্যা নামায় রাখি।
ছোট্ট তোর ওই ওমের ডানায়
নাক ঘষতে দিবি কি?
ছোট্ট তোর ওই ওমের ডানায়
নাক ঘষতে দিবি কি?
তুই বুকের ভেতর ঘুলঘুলিতে একলা পাখি হবি ?
তুই বুকের ভেতর ঘুলঘুলিতে একলা পাখি হবি ?
তুই ফিরবি বলে আমি কেমন
সন্ধ্যা নামায় রাখি।
তুই ফিরবি বলে আমি কেমন
সন্ধ্যা নামায় রাখি।
#জীবনেরকথা
#আমার #স্বপ্ন #ভালোবাসা

তোমার স্বপ্ন তোমাকে একদিন বড় করবে।   #স্বপ্ন  #জীবনযেখানেযেমন  #জীবনেরকথা  #আমার
10/12/2023

তোমার স্বপ্ন তোমাকে একদিন বড় করবে।
#স্বপ্ন
#জীবনযেখানেযেমন
#জীবনেরকথা
#আমার

09/12/2023

গাড়ির ব্যবস্থা করতে না পেরে বাইকে চেপেই ৩৩০ কি.মি. পাড়ি দিয়েন বিধায়ক

■ জনগণের ভোটে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন এক নেতা। তবে বিধানসভায় যাওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়েও ব্যবস্থা করতে পারলেন না কোনো গাড়ির। বাধ্য হয়ে ধার করা বাইকে করেই রওনা হলেন বিধানসভার দিকে। শুধু তাই-ই নয়, বাইকে করে বিধানসভায় তার এই যাত্রা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারও করেন ঐ ব্যক্তি। ব্যতিক্রমী এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রমণের জন্য কোনো গাড়ি না পেয়ে মধ্যপ্রদেশের সদ্য-নির্বাচিত ভারত আদিবাসী পার্টির (বিএপি) বিধায়ক কমলেশ্বর দোদিয়ার মোটরসাইকেলে করে রাজ্যের রাজধানী ভোপালে রওয়ানা হন। এমনকি তার এই যাত্রা তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারও করেন। দোদিয়ার তার দলের একমাত্র বিধায়ক এবং গত ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনে রাতলাম জেলার সাইলানা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন।

জানা গেছে, বিধায়ক হওয়ার পর রাজ্যের রাজধানীতে নিজের এই প্রথম সফরের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছিলেন কমলেশ্বর দোদিয়ার। কিন্তু তিনি একটিও গাড়ি পাননি বলে সাংবাদিকদের জানান। অবশেষে তিনি তার শ্যালকের মোটরবাইকটি ধার নেন এবং এতে 'এমএলএ' স্টিকার লাগিয়ে যাত্রা শুরু করেন। দীর্ঘ ৩৩০ কিলোমিটার যাত্রার পর গত বুধবার রাতে ভোপালে। পৌছান দোদিয়ার। অবশ্য ভোপালে পৌঁছানোর পরে 'অতিথি' হিসেবে এমএলএ রেস্ট হাউজে থাকার সুযোগ পান দোদিয়ার। এরপর বৃহস্পতিবার তিনি গণতন্ত্রের মন্দিরে শ্রদ্ধা জানাতে বিধানসভার প্রবেশদ্বারের সামনে যান এবং পরে কর্মকর্তাদের কাছে বিধায়ক হিসেবে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং রতলাম পুলিশকে ট্যাগ করে দেওয়া এক পোস্টে দোদিয়ার বলেন, বিধানসভায় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য তার ভোপাল আসা প্রয়োজন ছিল। তবে এই ভ্রমণের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে না পারায় তিনি মোটরবাইকে করেই রওয়ানা দেন। তার দাবি, তার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা উচিত যাতে পথে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। তিনি ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে ভোপালে তার যাত্রার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারও করেন। দোদিয়ার বলেন, যেহেতু তিনি দরিদ্র। এক শ্রমিকের পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, তাই তিনি চার চাকার গাড়ির খরচ বহন করতে সক্ষম নন । এমনকি জনগণের কাছ থেকে টাকা ধার করে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে দোদিয়ার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি সম্পন্ন করছেন এবং সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বর্তমান কংগ্রেস বিধায়ক হর্ষ বিজয় গেহলটকে ৪ হাজার ৬১৮ ভোটে পরাজিত করেন। এই নির্বাচনে বিজেপি ১৬৩টি আসন এবং কংগ্রেস ৬৬টি আসনে জয় পেলেও ২৩০ সদস্যের বিধানসভায় বিএপি কেবল অবশিষ্ট এই একটি আসনে জিতেছে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasan mahmud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hasan mahmud:

Share

Category