Aimless Memories

Aimless Memories আমি অন্ধকার বয়ে বেড়ানো একজন আশাবাদী ও ভবঘুরে মানুষ। এটা আমার ভবঘুরে চোখে'র সব সঞ্চয়ের পাতা।

22/08/2024

বিমানে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা।
চারিদিকে শুধু পানি আর পানি।
আল্লাহ মালিক।

13/07/2023

Our uniqueness makes us special, makes perception valuable, but it can also make us lonely. This loneliness is different from being 'alone'. You can be lonely even surrounded by people. The feeling I'm talking about stems from the sense that we can never fully share the truth of who we are.

(Dawki-Shillong-Guwahati-Nagoan-Manja-Dimapur-Kohima-Kigwema-DzukouValley-Lumding-Haflong-Shilchar-Karimganj-Dharmanagar-Ambasa-Agartala)

For better view-
https://youtu.be/Sapc4M1rjkQ

টেকেরঘাট থেকে শিমুল বাগান যাওয়ার পথে।নদীর নাম কিনসি।
30/10/2022

টেকেরঘাট থেকে শিমুল বাগান যাওয়ার পথে।
নদীর নাম কিনসি।

নাম না জানা ঝর্না।আলিকদম, বান্দরবান।
27/10/2022

নাম না জানা ঝর্না।
আলিকদম, বান্দরবান।

তুমি সেই অপরূপ সিন্ধু রাত্রি মৃতদের রোল!
27/10/2022

তুমি সেই অপরূপ সিন্ধু রাত্রি মৃতদের রোল!

উপকূলের উপর দিয়ে কি যাচ্ছে সেটা চিন্তা করতেই ভয় হয়। আমাদের উপকূল, প্রতিবছরের যত ঝড় জলোচ্ছ্বাসের আঘাত নিজের বুকে নিয়ে বাঁ...
24/10/2022

উপকূলের উপর দিয়ে কি যাচ্ছে সেটা চিন্তা করতেই ভয় হয়।
আমাদের উপকূল, প্রতিবছরের যত ঝড় জলোচ্ছ্বাসের আঘাত নিজের বুকে নিয়ে বাঁচিয়ে রাখে আমাদের।

শুবলং বাজার।বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু, রাঙামাটি থেকে পানিপথে এই তিন উপজেলা যেতে শুবলং বাজার হচ্ছে ট্রানজিট পয়েন্ট। শুবলং থেকে...
22/10/2022

শুবলং বাজার।
বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু, রাঙামাটি থেকে পানিপথে এই তিন উপজেলা যেতে শুবলং বাজার হচ্ছে ট্রানজিট পয়েন্ট। শুবলং থেকে বায়ে চলে গিয়েছে লংগদু, সোজা কর্ণফুলীর উজান ধরে বরকল এবং ডানে জুড়াছড়ি। শুবলং বাজারটি অনেক ছিমছাম। বাজারের শুরুতে সেনা চেকপোস্ট, শুবলং এলাকাটিই মূলত সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এদিকটায় পর্যটকদের আনাগোনা বেশি শুবলং ঝর্ণার কারনে, তবুও এই বাজারে কিছুটা কম। শুবলং বাজারটি একটি পাহাড়ী বাজার, প্রতি হাটবারে অনেক দুরের পাহাড় থেকে আদিবাসী উপজাতিরা এই বাজারে বেচাকেনা করতে আসেন। রাঙামাটির কয়েকটি উপজেলার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই বাজারে রাতে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই, রাঙামাটি থেকে দিনে এসে দিনে ঘুরে যাওয়ার জন্য একটি আদর্শ জায়গা শুবলং।

শান্তিধারা।
22/10/2022

শান্তিধারা।

হাওরের জীবন।
22/10/2022

হাওরের জীবন।

নারিকেল বাগান, চর কুকরি মুকরি।পর্যটকদের কাছে চর কুকরি মুকরি'র সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে নারিকেল বাগান সমুদ্র সৈকত। ক্য...
20/10/2022

নারিকেল বাগান, চর কুকরি মুকরি।
পর্যটকদের কাছে চর কুকরি মুকরি'র সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে নারিকেল বাগান সমুদ্র সৈকত। ক্যাম্পিং করার জন্য একটি আদর্শ জায়গা। পুরো সৈকত জুরেই কিছুদুর পরপর উন্নত টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা রয়েছে। এই সমুদ্র সৈকতে প্রচুর নারিকেল গাছ যে কারনে এর নাম নারিকেল বাগান। বর্ষার এই সময়টা এখানকার অফ সিজন, শীতে প্রচুর মানুষের আনাগোনা হয় এখানে। তখন দ্বীপের অর্থনীতি হয়ে যায় পর্যটন নির্ভর। আর এই সময়ে অর্থাৎ বর্ষায় এখানকার মানুষের প্রধান আয়ের উৎস মাছ। অধিকাংশ মানুষ এখানে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে।

চর কুকরি মুকরি, যাকে স্থানীয়রা দ্বীপকন্যা নামে ডাকে। এটিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সুন্দরবনও বলে থাকেন অনেকে। চর কুকরি মুকরি...
20/10/2022

চর কুকরি মুকরি, যাকে স্থানীয়রা দ্বীপকন্যা নামে ডাকে। এটিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সুন্দরবনও বলে থাকেন অনেকে। চর কুকরি মুকরি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং বন্যপ্রাণের অভয়ারণ্য। ১৫ হাজারের বেশি হরিনের বসবাস এখানে, আরো অনেক ধরনের বন্যপ্রাণীর দেখা পাওয়া যায় এই চরে। এছাড়াও শীতে অনেক অতিথি পাখির দেখে মেলে।
দেশের অন্যান্য পর্যটক কেন্দ্র গুলোর তুলনায় কুকরি মুকরি এর চিত্র কিছুটা ভিন্ন ধরনের, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চারপাশ, এবং এখানের মানুষজনের ব্যবহার কথাবার্তা দেশের অন্যান্য পর্যটন এড়িয়া থেকে অনেকটাই সৌহার্দপূর্ণ।
চারপাশ জুরে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট দিয়ে সাজানো এই দ্বীপের ভিতরটা বেশি ভালো লাগে আমার, গাছপালা, জঙ্গল, এখানের বাড়িঘর, মানুষজন, এসবই সুন্দর।

চর কুকরি মুকরি যেতে হলে প্রথমে আসতে হবে ভোলার চর ফ্যাশন, সেখান থেকে আইচা হয়ে কচ্ছপিয়া ঘাট, কচ্ছপিয়া ঘাট থেকে ট্রলারে বা স্পিডবোটে করে চর কুকরি মুকরি।

Address

ECB Chattar
Dhaka
1206

Telephone

+8801932382514

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aimless Memories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aimless Memories:

Share