Saikat Bhadra

Saikat Bhadra When passion becomes the profession, it brings immense pleasure of life. Photography provides me !

Professional Experience:
Staff Photojournalist: Prothom Alo (Head office, Dhaka), 2010-2014
New Media Producer: bdnews24.com (Head office, Dhaka) 2017
New Media Executive Producer: Dhaka Tribune (Head office, Dhaka), 2017-2019
Senior Photojournalist: The Business Standard (Head Office, Dhaka), 2019-2020

Experience Photographic Field: Photojournalism, Documentary, Portrait,Corporate,
Wedding, Glamour, Fashion, Event, NGO, Food, Product, Commercial,.

Along the Way:They had come from a distant river island to the weekly market that morning, and now, in the fading light ...
16/08/2026

Along the Way:

They had come from a distant river island to the weekly market that morning, and now, in the fading light of late afternoon, they are making their way back home.
Meanwhile, the boy from this side is immersed in his journey around the world!!

Chilmari
Kurigram
Bangladesh

পথে পথে - চিলমারীকুড়িগ্রামবাংলাদেশ
09/08/2026

পথে পথে -

চিলমারী
কুড়িগ্রাম
বাংলাদেশ

পথে পথেঃগয়ার শ্মশানঘাটে শেষ বিদায়ের আয়োজন চলছে। স্বজনেরা ব্যস্ত প্রিয় মানুষটির পারলৌকিক আচার-অনুষ্ঠানে, আর ঘাটের পাড়ে নী...
18/06/2026

পথে পথেঃ
গয়ার শ্মশানঘাটে শেষ বিদায়ের আয়োজন চলছে। স্বজনেরা ব্যস্ত প্রিয় মানুষটির পারলৌকিক আচার-অনুষ্ঠানে, আর ঘাটের পাড়ে নীরবে বসে আছেন অপেক্ষমাণ গাড়িচালক। শোক, দায়িত্ব ও অপেক্ষার এই নীরব দৃশ্য যেন জীবনের এক গভীর সত্যকে সামনে আনে—মানুষ আসে, মানুষ চলে যায়; কিন্তু জীবন ও মৃত্যুর চিরন্তন যাত্রা কারও জন্য থেমে থাকে না।

গয়া
বিহার
ভারত

কোরবানির ঈদ আসতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এই সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা দেখা যায় ছুরি তৈরির কারিগরদের মাঝে। চারপাশজুড়ে ...
23/05/2026

কোরবানির ঈদ আসতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এই সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা দেখা যায় ছুরি তৈরির কারিগরদের মাঝে। চারপাশজুড়ে ভেসে আসে লোহা পোড়ানোর গন্ধ, হাতুড়ির তীক্ষ্ণ শব্দ, ঘষামাজার ছন্দ আর শানিত ধার তৈরির ব্যস্ততা। ঠিক তেমনি একাগ্র মনোযোগে এই ভাইটিও ছুরিতে ধার দিচ্ছেন!

মে ২০২৬
কারওয়ান বাজার
ঢাকা
বাংলাদেশ

পথে পথেঃ—ইচ্ছে ছিল বুদ্ধ গয়া থেকে পথ বেয়ে আজই পৌঁছে যাবো লখনৌ— প্রায় পাঁচশো পঞ্চাশ কিলোমিটারের দূর ,আকাশছোঁয়া এক যাত্রা!...
18/05/2026

পথে পথেঃ—
ইচ্ছে ছিল বুদ্ধ গয়া থেকে পথ বেয়ে আজই পৌঁছে যাবো লখনৌ— প্রায় পাঁচশো পঞ্চাশ কিলোমিটারের দূর ,আকাশছোঁয়া এক যাত্রা!
সকালবেলার কোমল আলোয় তাই বাইকের চাকা ঘুরেছিল স্বপ্নের দিশা ধরে।
কিন্তু পথ তো শুধু গন্তব্য নয়—
পথ মানেই হঠাৎ থেমে যাওয়া,
অচেনা দৃশ্যের প্রেমে পড়ে যাওয়া,
দিগন্তের দিকে চেয়ে নিজেকেই নতুন করে খুঁজে পাওয়া !

দুপুর গড়িয়ে বিকেলের আলো যখন প্রান্তরের বুকে ধীরে ধীরে নিভে আসছিল,
রাস্তার কোলাহলও যেন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল আমার মতোই !
লখনৌ তখনও বহুদূর,
সামনে শুধু পথ,
আর পথের সামনে আরও পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে বেনারস।

হঠাৎ মনে পড়ল—
এলাহাবাদ জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে থাকে আমার এক বন্ধু।
ফোনে শুধু বললাম—
“পথে আছি বন্ধু, আজ তোমার দিকেই আসছি...”

তারপর পথ বদলে গেল,
আর বদলে গেল মনও।
বেনারস কে ডানে ফেলে বাম মোড়ে ছুটলাম রেওয়া জেলার দিকে।

সেই বিশাল হাইওয়েতে আমি একলা পথিক,
খুঁজে ফিরছি জানা-অজানার গল্প,
আর আকাশের বুক চিরে একঝাঁক পাখি ফিরছে আপন নীড়ে।

বেলা ফুরিয়ে আসে—
তবু পথ ফুরোয় না।
শুধু প্রান্তরের ধুলোমাখা বুকে পড়ে থাকে
অসংখ্য যাত্রার নীরব পদচিহ্ন !

বেনারস – রেওয়া হাইওয়ে
মধ্যপ্রদেশ
ভারত

পথে পথেঃ----  নানা পথের নানা মতের মানুষের মেলবন্ধন । বাৎসরিক মেলাতে নানা গ্রামের নানা প্রান্তের জনসমাগম হয় খিতাউসা শিব ম...
17/05/2026

পথে পথেঃ----
নানা পথের নানা মতের মানুষের মেলবন্ধন । বাৎসরিক মেলাতে নানা গ্রামের নানা প্রান্তের জনসমাগম হয় খিতাউসা শিব মন্দিরে। এখানে অনেক পুরাতন একটা জলাধার (কুয়ো)আছে, অনেকেই সেখান থেকে বালতিতে জল উত্তোলন করে স্নান করে। সেখানের প্রচলিত বিশ্বাস কুয়োর জ্বলে স্নান করলে অনেক রোগব্যাধী থেকে ভাল থাকা যায়।

ব্যারেলী
উত্তরপ্রদেশ
ভারত

জীবনের পথে পথে :---এই ভুগোলের অনেক ইতিহাসের সাক্ষী হারুনুর রশীদ কাকা- এই ভূগোলের বুকে ছড়িয়ে থাকা কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী...
10/05/2026

জীবনের পথে পথে :---

এই ভুগোলের অনেক ইতিহাসের সাক্ষী হারুনুর রশীদ কাকা- এই ভূগোলের বুকে ছড়িয়ে থাকা কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হারুনুর রশীদ কাকা। তাঁর চোখে ভাসে ১৯৪৭-এর দেশভাগের বিভীষিকা, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার আতঙ্ক, আর ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলো। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলছিলেন—পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চেয়েছিলেন তিনিও, কিন্তু পরিবারের বাধায় আর যাওয়া হয়নি। সেই অপূর্ণতা আজও যেন বুকের ভেতর কোথাও চাপা কষ্ট হয়ে রয়ে গেছে।
যশোরের নীলগঞ্জে জন্ম ও বেড়ে ওঠা। অথচ জীবনের নির্মম বাঁকে বাঁকে ঘুরতে ঘুরতে শেষ বয়সে এসে ঠাঁই হয়েছে নওয়াপাড়ায়। যে বয়সে মানুষের একটু শান্তিতে বসে শেষ বিকেলের রোদ উপভোগ করার কথা, সেই বয়সেই তাঁকে সংসারের দায়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাততে হয়।
ঘরে শয্যাশায়ী জীবনসঙ্গিনী—নানা শারীরিক অসুস্থতায় জর্জরিত। দুই কন্যা সন্তানের আলাদা সংসার হলেও ছোট মেয়েটি এখনো বাবার পাশে ছায়ার মতো থেকে দেখাশোনা করে। এই কঠিন সময়েও সেইটুকুই যেন তাঁর বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় ভরসা।
অনেক বছর আগে ঢাকার বাদামতলীতে ফলের ব্যবসা করতেন তিনি। জীবন তখন অন্যরকম ছিল। কিন্তু হঠাৎ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে শরীর ভেঙে পড়ে। ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেন এক চোখের দৃষ্টিশক্তিও। জীবন যেন সেখান থেকেই অন্য খাতে বয়ে যেতে শুরু করে। বাধ্য হয়ে ছেড়ে দিতে হয় ঢাকা শহর, ফিরে আসতে হয় নিজের জেলায়।
আজও প্রতিদিন ভোরে ট্রেনে করে নওয়াপাড়া থেকে যশোর আসেন তিনি। সারাদিন স্টেশন চত্বরে ভিক্ষাবৃত্তি করেন, তারপর বিকেলের দিকে আবার ফিরে যান ছোট্ট ঘরে। দিনের শেষে যা রোজগার হয়, তা দিয়েই কোনোভাবে চলে তাঁদের জীবন।
সময়ের কাছে হার মেনেও মানুষটা এখনো বেঁচে আছেন—একটা দীর্ঘ ইতিহাস বুকে নিয়ে, অসংখ্য না বলা গল্প জমিয়ে। তাঁর ক্লান্ত চোখের ভাঁজে ভাঁজে যেন লুকিয়ে আছে এই উপমহাদেশেরই এক টুকরো ইতিহাস।

যশোর
বাংলাদেশ
মে ২০২৬

সমতলে গরমে যখন জীবন হাশফাস করছে তখন এখানে হাড় হীম করা শীত ৫-৬ ডিগ্রী!!  নগর আর আধুনিকতার ভোগ সর্বস্ব জীবন যেখানে ছুটতে ছ...
28/04/2026

সমতলে গরমে যখন জীবন হাশফাস করছে তখন এখানে হাড় হীম করা শীত ৫-৬ ডিগ্রী!! নগর আর আধুনিকতার ভোগ সর্বস্ব জীবন যেখানে ছুটতে ছুটতে একা থেকে মহাএকাকিত্ব গ্রাসে দিশেহারা সেই সময়ে এখানকার জনজীবন হাতে হাত ধরে পাশে বসে হাস্যরসে মশগুল!! নানা রঙের নানা ঢংগের পাখিকুল ছোটাছুটি করছে চারিপাশ জুড়ে!!
মাঝে মাঝে ডাক শুনেছিলাম নেকড়ের এবং এখানে যে কয়দিন থেকেছিলাম সেই নেকড়েই ভয়েও ছিলাম। প্রায়ই নেকড়েরা জনপদ ঘুরতে বের হয়, তাদের দায়িত্বও তো আছে চারিপাশটাকে দেখে রাখার!!! যে কারনে জনপদ সন্ধ্যার প্রাক্কালেই দরজা বন্ধ রাখে এবং ঘরের বাইরে আলো জালিয়ে রাখে যাতে মামাদের চলতে সুবিধা হয়!!!!

তেমনি এক গোধুলীলগ্নে

বাগেশ্বর
কুমায়ুন
উত্তরাখন্ড
ভারত

The Road Not TakenBy Robert FrostTwo roads diverged in a yellow wood,And sorry I could not travel bothAnd be one travele...
26/04/2026

The Road Not Taken

By Robert Frost

Two roads diverged in a yellow wood,
And sorry I could not travel both
And be one traveler, long I stood
And looked down one as far as I could
To where it bent in the undergrowth;

Then took the other, as just as fair,
And having perhaps the better claim,
Because it was grassy and wanted wear;
Though as for that the passing there
Had worn them really about the same,

And both that morning equally lay
In leaves no step had trodden black.
Oh, I kept the first for another day!
Yet knowing how way leads on to way,
I doubted if I should ever come back.

I shall be telling this with a sigh
Somewhere ages and ages hence:
Two roads diverged in a wood, and I—
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saikat Bhadra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Saikat Bhadra:

Shortcuts

Share