09/07/2026
শেষ ব্ল্যাঙ্কেট
পর্ব -৩
সেই সময় সহকারী অফিসার তমাল এসে জানালেন,
— স্যার, বাড়ির কোথাও কোনো আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি। দামি জিনিসপত্র, টাকা আর গহনা চুরি গেছে। দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি চুরির মামলা।
আরিফ সাহেব কিছুক্ষণ চুপ থেকে গম্ভীর স্বরে বললেন,
— ব্যাপারটা যতটা সহজ মনে করছ, ঠিক ততটা সহজ নয়। চুরি করতে এসে খুন? এটা অসম্ভব ব্যাপার। কী বলেন, নুহাশ সাহেব?
নুহাশ হকচকিয়ে উঠল, যেন সে কোনো গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিল। এবার তার হুঁশ ফিরল। সে বলতে লাগল,
— প্লিজ স্যার, আপনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমার স্ত্রীকে খুঁজে বের করুন।
এ কথা বলতে বলতে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে মেঝেতে বসে পড়ল।
আরিফ সাহেব নুহাশকে কিছু জিজ্ঞেস করতে চেয়েও করলেন না। এখন নুহাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। সঙ্গে নুহাশও যাচ্ছে।
ডাক্তার বললেন,
— ভয়ের কিছু নেই। তাকে শুধু অজ্ঞান করা হয়েছে। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নুহাশের বাড়িতে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের তদারকি থাকবে। তাই নুহাশ নুহাকে নিয়ে তার মায়ের বাসায় উঠে গেল।
পুলিশ ব্যুরোতে আরিফ সাহেব ও তার সহকারী তমাল ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখছিলেন।
— তমাল, তুমি কি একটি বিষয় লক্ষ্য করেছ? — আরিফ সাহেব বললেন।
— কোন বিষয়টি, স্যার? — সহকারী তমাল জিজ্ঞেস করল।
— বাড়ির কোনো দরজা বা জানালা ভাঙা হয়নি। এমনকি সদর দরজার তালাটাও অক্ষত ছিল।
— জি স্যার। আমি ভালোভাবে খেয়াল করেছি। সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। এমনকি বাইরের কারও আঙুলের ছাপ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
— এর মানে কী বুঝতে পেরেছ, তমাল?