Dear Tasnu

Dear Tasnu Daily vlogs capturing life’s real moments – simple joys, cozy routines, and everyday adventures. Join us for a glimpse into authentic living!
(1)

06/03/2026

কতটা ভালোবাসলে ....
নিজের ধ্বংস জেনেও,তোমার সাথে থাকতে চেয়েছি?
কতটা ভালোবাসলে....
তোমার জন্য নিজেকে শেষ করতেও রাজি ছিলাম!
কতটা ভালোবাসলে?

16/02/2026

আমি আপনাকে best love দিতে চেয়েছিলাম,best respect দিতে চেয়েছিলাম,best loyalty দিতে চেয়েছিলাম,best care দিতে চেয়েছিলাম
কিন্তু আপনি নিজের কাজে এসব হারিয়েছিলেন!
তারপরে নিজেই দোষ দিয়ে চলে গেলেন...
আপনি দেখলেন না,ভাবলেন না কি থেকে আমি কি হয়ে গেছিলাম এসবে!
আপনি কি পেয়েও হারিয়েছেন বুঝবেন ইনশাল্লাহ🤍

চলেন আজ জেনে  নেই কুরআন কি বলে নারী নেতৃত্ব নিয়ে।নারীর শাসনভার বা রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে কুরআনে সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞামূল...
05/02/2026

চলেন আজ জেনে নেই কুরআন কি বলে নারী নেতৃত্ব নিয়ে।

নারীর শাসনভার বা রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে কুরআনে সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞামূলক আয়াত নেই, তবে হাদিস এবং আয়াতের ব্যাখ্যার ভিত্তিতে আলেমদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মতামত রয়েছে:

কুরআনের বর্ণনা: পবিত্র কুরআনে রানী বিলকিসের (সাবা রাজ্যের রানী) কথা উল্লেখ আছে [১.২.৮]। সুরা আন-নামল (আয়াত ২৩-৪৪)-এ তাঁর বিচক্ষণতা, পরামর্শভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সফল শাসনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে কোনো প্রকার নিন্দা ছাড়াই [১.২.২]।

নেতৃত্ব বিষয়ক আয়াত: অনেক আলেম সুরা নিসার ৩৪ নম্বর আয়াত— "পুরুষরা নারীদের উপর তদারককারী/রক্ষক"— উদ্ধৃত করে বলেন যে, প্রধান নেতৃত্বের জন্য পুরুষরাই বেশি উপযোগী [১.২.১, ১.৫.৪]। তবে আধুনিক অনেক গবেষক মনে করেন এটি মূলত পারিবারিক কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নয় [১.৪.৬]।

হাদিসের উদ্ধৃতি: সহিহ বুখারির একটি হাদিসে উল্লেখ আছে, যখন পারস্যের সম্রাট হিসেবে এক নারীকে নিয়োগ করা হয়, তখন রাসুল (সা.) বলেছিলেন— "সেই জাতি কখনই সফল হবে না, যারা তাদের শাসনভার একজন নারীর হাতে দেয়" [১.২.৫, ১.৩.১]।

অধিকাংশ প্রাচীন আলেম এই হাদিসের ভিত্তিতে নারীকে 'প্রধান রাষ্ট্রপ্রধান' (যেমন খলিফা বা প্রেসিডেন্ট) করার বিপক্ষে মত দেন [১.৫.৭, ১.৫.৯]।

তবে অনেক সমসাময়িক আলেম মনে করেন, এই হাদিসটি নির্দিষ্ট সেই সময়কার পারস্য সম্রাজ্যের প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল [১.২.১১, ১.৩.৭]।

অন্যান্য দায়িত্ব: রাষ্ট্রপ্রধান ছাড়াও অন্যান্য প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্বে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়ে ইসলামের ইতিহাসে নজির রয়েছে। যেমন হযরত উমর (রা.) হযরত সামরা বিনতে নুহাইক (রা.)-কে বাজারের তদারকির দায়িত্ব দিয়েছিলেন [১.২.৬, ১.৪.১০]। ইমাম আবু হানিফাসহ অনেক ইমাম মনে করেন, নারী বিচারক (Judge) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন [১.৫.৭]।

সংক্ষেপে, ইসলামের প্রধান চার মাজহাবের অধিকাংশ আলেমের মতে নারী 'প্রধান রাষ্ট্রপ্রধান' হতে পারেন না, তবে আধুনিক ব্যবস্থায় যেখানে একক ক্ষমতা একজনের হাতে থাকে না, সেখানে সংসদ সদস্য বা অন্যান্য প্রশাসনিক পদে নারীর অংশগ্রহণ অনেকে বৈধ মনে করেন [১.৪.৬, ১.৫.৫]।

সরাসরি আল্লাহ (কুরআন) এবং নবীজি (সা.)-এর বাণী থেকে উত্তরটি নিচে দেওয়া হলো:

১. কুরআনের বর্ণনা (আল্লাহর বাণী)

পবিত্র কুরআনে কোনো নারীকে শাসনভার দেওয়া সরাসরি নিষেধ করা হয়নি [১.৪.১]। বরং কুরআনে একজন নারী শাসকের অত্যন্ত ইতিবাচক উদাহরণ দেওয়া হয়েছে:

রানী বিলকিস (সাবা রাজ্যের রানী): সুরা আন-নামল (আয়াত ২৩-৪৪)-এ রানী বিলকিসের কথা উল্লেখ আছে। কুরআন তাঁকে একজন বুদ্ধিদীপ্ত, বিচক্ষণ এবং সফল শাসক হিসেবে চিত্রিত করেছে [১.২.১, ১.২.২]।

তিনি স্বৈরাচারী ছিলেন না, বরং কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরামর্শ পরিষদের সাথে আলোচনা করতেন (আয়াত ৩২) [১.৩.৫, ১.৩.৯]।

আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা বা তাঁর নারী হওয়া নিয়ে কোনো সমালোচনা করেননি। বরং তাঁর সঠিক সত্য (ইসলাম) গ্রহণ করার বিষয়টিকে উচ্চমর্যাদা দিয়েছেন [১.৪.২]।

২. নবীজি (সা.)-এর বাণী (হাদিস)

নারী নেতৃত্ব নিয়ে নবীজি (সা.)-এর একটি প্রধান হাদিস রয়েছে, যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষিত আলোচনা করা হয়:

সরাসরি হাদিস: সহিহ বুখারির একটি বর্ণনায় আছে, নবীজি (সা.) বলেছেন— "সে জাতি কখনোই সফল হবে না, যারা তাদের শাসনভার একজন নারীর হাতে অর্পণ করে" [১.৫.৩, ১.৫.৫]।

প্রেক্ষাপট (Background): নবীজি (সা.) এই কথাটি তখন বলেছিলেন, যখন তিনি খবর পান যে পারস্যের সম্রাট কিসরার মৃত্যুর পর তার মেয়েকে সিংহাসনে বসানো হয়েছে [১.৫.১, ১.৫.২]। অনেক গবেষক মনে করেন, এটি নির্দিষ্ট ওই ঘটনার (পারস্য সম্রাজ্যের পতন) ভবিষ্যৎবাণী ছিল, কোনো চিরস্থায়ী আইন নয় [১.৫.৪]।

৩. সাধারণ মূলনীতি

যোগ্যতা: কুরআনের দৃষ্টিতে নেতৃত্বের মূল শর্ত হলো আমানতদারি এবং যোগ্যতা। সুরা নিসার ৫৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন আমানত বা দায়িত্ব তার উপযুক্ত ব্যক্তিকে পৌঁছে দিতে [১.৪.২]।

কর্মক্ষেত্রে অধিকার: সুরা তওবার ৭১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মুমিন নারী ও পুরুষ একে অপরের বন্ধু ও সাহায্যকারী, তারা সৎকাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজে বাধা দেয় [১.১.৭]। এটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নারী-পুরুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

সারসংক্ষেপে, কুরআন রানী বিলকিসের শাসনের মাধ্যমে নারীর সফল নেতৃত্বের উদাহরণ রেখেছে [১.২.৬]। অন্যদিকে, নবীজি (সা.)-এর হাদিসটি মূলত তৎকালীন একক ক্ষমতার অধিকারী রাজতন্ত্রের প্রেক্ষাপটে ছিল.

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

29/01/2026

আল্লাহ মিলায়🙂🤌
একটা সম্পর্কে কোনোরকম ঝামে'লা হচ্ছে না? মানে, দুজনেই মি'থ্যা বলায় যথেষ্ট পারদর্শী!🙂

29/01/2026

আমাকে তোমাকে বোঝানো তো দূরের কথা, নিজেকে বোঝার সুযোগটুকুও তুমি দাওনি। আর যখন আমি সবটা বুঝে উঠলাম, তখন তোমাকে বোঝানোর পথটাও তুমি বন্ধ করে দিলে। এমনভাবে দূরে সরে গেলে, যেন আর কোনো দরজাই খোলা রইল না। অথচ তুমি তো জানো—আমি কেমন ছিলাম, এত বছর ধরে তোমার পাশে থেকেছি।

সব জেনেও কীভাবে তুমি না–বোঝার ভান করলে? তুমি তো জানো, আমাদের শুধু কথা বলতেই কত কিছু সহ্য করতে হয়েছে। আমি কিসের ভেতর দিয়ে গেছি, কীসের শিকার হয়েছি—সবই তো তোমার জানা ছিল। তবু কেন তুমি বোঝোনি,অন্তত তোমার তো বোঝা উচিত ছিল। তুমি তো সব জানতেই।
একটা সময় তুমি এমন কিছু কাজ করেছিলে, যেগুলো মানার মতো ছিল না। সেখানেও আমি উল্টো তোমাকেই বোঝাতাম। আমি রাগ করে ফেললেও দোষ তোমার থাকলেও আমি-ই ক্ষমা চাইতাম। তোমাকে কথা শুনালে তোমার থেকে আমার বেশি কষ্ট হতো। তখন আমি এমন কেন ছিলাম, আর পরে এসব কেন বদলে গেল সেটাও কি তুমি বুঝলে না?
তুমি কি ভুলে গেলে, দুই বছর পর আমাদের সঙ্গে ঠিক কী হয়েছিল? আমরা কী জেনেছিলাম? সেখানে একটাও মিথ্যা ছিল না। তুমি নিজেই তো তার প্রমাণ পেয়েছিলে। আর এখন সবচেয়ে বড় প্রমাণ আমি নিজেই।

তবুও, আমাদের ভালোবাসা কি এতটাই দুর্বল ছিল যে এসবের কাছে হেরে গেল?

একটা আফসোস থেকেই যায়—যদি এসব কিছু না থাকত, তাহলে আজ আমাদের সম্পর্কটা হয়তো পুরো পৃথিবীর সেরা সম্পর্কগুলোর একটি হতে পারত। এই আফসোসটা আরও গভীর হয়, কারণ যা কিছু হয়েছে, তার কোনোটাই আসলে আমাদের নিজেদের মন থেকে আসেনি। না আমি কোনোদিন এমন ছিলাম, না তুমি ।

কেন এমন হলো, কীভাবে সবকিছু বদলে গেল—সবটাই এখন বুঝতে পেরেছি আমি। দেরিতে হলেও সত্যিটা আমি জেনেছি, নিশ্চিতভাবেই জেনেছি।
কিছু সম্পর্ক ভাঙে না ভালোবাসার অভাবে, ভাঙে অদৃশ্য কিছু কারণে যেগুলো তখন বোঝা যায় না, কিন্তু পরে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়।

এখন আর চাইনা তুমি জানো এসব বা বুঝো..মাইনা নিছি আমি সব।

বাকিটা আমার আল্লাহ সব জানেন—একদম সব। ❤️

29/01/2026

এমন জামানা আসছে জামাইকে পর্দা করাতে হচ্ছে!🙂

ব্ল্যাক ম্যাজিকের প্রভাব এমন ভয়াবহ হতে পারে যে, একসময় আপনার নিজের পার্টনারই আপনার কাছে শত্রু মনে হতে শুরু করবে। হঠাৎ করে...
28/01/2026

ব্ল্যাক ম্যাজিকের প্রভাব এমন ভয়াবহ হতে পারে যে, একসময় আপনার নিজের পার্টনারই আপনার কাছে শত্রু মনে হতে শুরু করবে। হঠাৎ করে তার আচরণ অসহ্য লাগবে। যাকে একসময় ভালো লাগত, তার কথায় বিরক্তি আসবে, তার উপস্থিতিই আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলবে।
আপনার মনে হবে—এই মানুষটা আপনাকে বোঝে না, আপনার অনুভূতির কোনো মূল্য দেয় না। সে ইচ্ছে করেই আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। অথচ আপনি বুঝতেই পারবেন না, এই বদলে যাওয়ার শুরুটা ঠিক কোথা থেকে হলো।
কথায় কথায় ঝগড়া বাঁধবে। ছোট ছোট বিষয় নিয়েই বড় ঝামেলা তৈরি হবে। আপনি ভাববেন, দোষটা সব আপনার পার্টনারেরই। তার প্রতি রাগ, বিরক্তি আর ঘৃণা জমতে থাকবে। এমনকি একসময় মনে হবে—এই মানুষটাই আপনার জীবনের সব সমস্যার মূল।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—এই অনুভূতিগুলো তখন খুব স্বাভাবিক মনে হবে। আপনি বুঝতেই পারবেন না যে, আপনার চিন্তা, অনুভূতি আর সিদ্ধান্ত ধীরে ধীরে আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। আপনার চোখে এমনভাবে সবকিছু সাজানো হবে যে, সত্যটা সামনে থাকলেও আপনি তা দেখতে পাবেন না।
ধীরে ধীরে ভালোবাসা নষ্ট হয়ে যাবে, বিশ্বাস ভেঙে যাবে। একজন নির্দোষ মানুষ অপরাধীর জায়গায় দাঁড়িয়ে যাবে, আর আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন না—কখন, কীভাবে সবকিছু হাতের বাইরে চলে গেল।
এটাই ব্ল্যাক ম্যাজিকের ভয়াবহতা।
এটা শুধু সম্পর্ক ভাঙে না—মানুষের বিবেক, অনুভূতি আর জীবনটাই এলোমেলো করে দেয়।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই অদৃশ্য অন্ধকার থেকে হেফাজত করুন। 🤍

পিরিয়ডের সময় মেয়েদের শরীর আর মন দুটোই অনেক পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যায়। এই সময় শরীরে হরমোনের ওঠানামার কারণে অনেকেই দুর্বল ল...
28/01/2026

পিরিয়ডের সময় মেয়েদের শরীর আর মন দুটোই অনেক পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যায়। এই সময় শরীরে হরমোনের ওঠানামার কারণে অনেকেই দুর্বল লাগে, মাথা ভার লাগে, তলপেটে ব্যথা, কোমর ব্যথা, পা ব্যথা—সব মিলিয়ে অস্বস্তি কাজ করে। হঠাৎ হঠাৎ মুড চেঞ্জ হয়, অল্প কথায় মন খারাপ হয়ে যায় বা কান্না পেয়ে যায়। কারও আবার রাগ বেশি হয়, কারও একদম চুপচাপ থাকতে ইচ্ছে করে।
এই সময় খাবারের ইচ্ছাও একটু আলাদা হয়। বিশেষ করে মিষ্টি জিনিস, চকলেট, আইসক্রিম, ঝাল বা টক কিছু খেতে মন চায়। চকলেট পেলে অনেক মেয়ের মনটা একটু হালকা লাগে—মনে হয় কেউ বুঝেছে, কেউ যত্ন নিয়েছে। চকলেট খেলে শরীরে এক ধরনের আরাম হয়, মন ভালো লাগে, ব্যথা আর মনখারাপটা কিছুক্ষণের জন্য হলেও কম মনে হয়। এটা শুধু খাবার না, এক ধরনের সান্ত্বনার অনুভূতি।
এই সময় সবচেয়ে দরকার আরাম, বুঝে নেওয়া আর সাপোর্ট। “এটা তো স্বাভাবিক” বলে এড়িয়ে না দিয়ে যদি একটু খেয়াল রাখা হয়, একটু ভালো কথা বলা হয়—তাহলেই অনেক কষ্ট অর্ধেক হয়ে যায়। পিরিয়ড কোনো নাটক না, এটা একটা বাস্তব শারীরিক ও মানসিক প্রক্রিয়া, যেটায় মেয়েদের একটু বেশি যত্ন আর বোঝাপড়া দরকার 🤍

28/01/2026

Black Magic দিয়ে সব সম্ভব—কারো মন বদলানো, সম্পর্ক ভাঙা, ভালোবাসা জোর করে আদায় করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এর পরিণতি ভয়াবহ।
Black Magic ব্যবহার করে কারো সম্পর্ক আলাদা করার চেষ্টা করলে—
• সম্পর্কে অকারণ সন্দেহ, ঝগড়া আর ঘৃণা ঢুকে পড়ে
• ভালোবাসা ধীরে ধীরে বিষে পরিণত হয়
• মানুষটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, ডিপ্রেশন, ভয়, অস্থিরতা বাড়ে
• সংসারে শান্তি নষ্ট হয়, বরকত উঠে যায়
• অনেক সময় শারীরিক অসুস্থতাও দেখা দেয়
ইসলামে Black Magic (সিহর) হারাম। এটা শয়তানের কাজ।
আল্লাহ বলেন, এতে কোনো কল্যাণ নেই—শুধু ধ্বংস।
আজ যাকে কষ্ট দিয়ে আলাদা করা হলো, কাল সেই কষ্টের হিসাব আল্লাহর আদালতে দিতেই হবে।
কারণ অন্যের সম্পর্ক ভাঙা মানে শুধু দুইটা মানুষ না—দোয়া, বিশ্বাস আর শান্তিকে ধ্বংস করা।

Ki bujhlen🙂🤌?
28/01/2026

Ki bujhlen🙂🤌?

27/01/2026

😌🥺🫶

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dear Tasnu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share