17/03/2026
সম্প্রতি হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছে: "যাদের টাকা আছে তারা বাংলা লাইনে পড়ে, আর যাদের টাকা-পয়সা নেই তারা মাদ্রাসা লাইনে যায়।"
শোন হাসনাত আবদুল্লাহ! মাদরাসা ও দ্বীনি শিক্ষা নিয়ে তোর মতো ইতিহাসজ্ঞানহীন অর্বাচীনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য এদেশের তৌহিদী জনতা কখনো মেনে নেবে না।
যারা মনে করে টাকার অভাবে মানুষ মাদরাসায় পড়ে, তারা বাস্তবতা ও ইতিহাস—দুটো থেকেই বঞ্চিত। তোর মতো হাজারটা হাসনাত একত্র করলেও কওমি মাদরাসার একজন সাধারণ তালেবে ইলমের ত্যাগ, মেহনত ও জ্ঞানের সমান হতে পারবে না।
নিজেদের আয়নায় আগে তাকাস। অসহায় মানুষের ত্রাণের টাকা আত্মসাৎ করে, আবার যাকাতের টাকায় চলা দলের সঙ্গে জোট বেঁধে আজ তোরা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ‘ফকির-মিসকিন’ বলার দুঃসাহস দেখাচ্ছিস! মনে রাখিস—আজ তোরা যে গদিতে বসে বড়াই করিস, সেই গদি পাওয়ার পথও তৈরি হয়েছিল মাদরাসা ছাত্রদের রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নামমাত্র খরচে যে বিলাসিতা করিস, সেই ভর্তুকির টাকাও আসে এই দেশের সাধারণ মানুষ ও ওলামায়ে কেরামের পকেট থেকে। অথচ আজ সেই কওমি জনতাকেই অপমান করছিস! জেনে রাখ—মাদরাসা শিক্ষা কোনো অভাবের আশ্রয়স্থল নয়, এটি দ্বীন সংরক্ষণের এক অটল দুর্গ।
ইতিহাস খুলে দেখ—ভারতবর্ষের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে এ দেশের প্রতিটি আন্দোলনেই মাদরাসা ছাত্রদের রক্ত ও ত্যাগ জড়িয়ে আছে। তাই ইতিহাসের সাথে বেইমানি করিস না; বেইমানদের পরিণাম কখনোই সম্মানের হয় না।
সাবধান হয়ে যা হাসনাত!
ওলামায়ে কেরাম ও কওমি মাদরাসার সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে যাস না। তৌহিদী জনতার ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল করবি। যদি এই ধৃষ্টতা বন্ধ না হয়, তবে রাজপথই আবার জবাব দেবে—আর তখন ইতিহাসের ডাস্টবিনে ছিটকে পড়তে বেশি সময় লাগবে না।