Fojit Sheikh Babu Photography

Fojit Sheikh Babu Photography Daily events news and Videos.
(209)

Fojit Sheikh Babu Photography, Starting day to till now, we are successfully ensuring to bring justice to injustice, give voice to the voiceless, and put light to every unfairness which causes degradation to our society. We never compromise with authentic news and never promote yellow journalism.Our main aim to highlight beautiful motherland "Bangladesh"to the world community.Subscribe to our Page

now if you wanted to be on the right path.Thank's, Fojit Sheikh Babu.

ফোজিত শেখ বাবু ফটোগ্রাফি, শুরু থেকে আজ অবধি আমরা সাফল্যের সাথে নিশ্চিত করছি যে অবিচারের প্রতি ন্যায়বিচার আনতে হবে, নির্বাক কে কণ্ঠ দিতে হবে এবং প্রতিটি অন্যায়ের প্রতি আলোকপাত করা যা আমাদের সমাজের অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা বস্তুনিষ্ঠ খবরের সাথে কখনও আপস করি না এবং তথ্য বিহীন সংবাদ প্রচার করি না। আমাদের মূল লক্ষ্য সুন্দর মাতৃভূমি "বাংলাদেশ" বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরা। আপনি যদি তথ্যবহুল এবং বস্তুনিষ্ঠ বিষয় দেখতে চান তবে এখনই আমাদের পেইজে আমাদের সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ, ফোজিত শেখ বাবু ০১৭১২৭৯৩৩৮৬

‘আমার শহর, আমার দেশ, পরিচ্ছন্নতায় বদলে যাবে বাংলাদেশ’—কমিউনিটি ব্যাংকের ‘ক্লিন ঢাকা প্রজেক্ট’ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ‘আ...
03/09/2026

‘আমার শহর, আমার দেশ, পরিচ্ছন্নতায় বদলে যাবে বাংলাদেশ’—কমিউনিটি ব্যাংকের ‘ক্লিন ঢাকা প্রজেক্ট’

ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ‘আমার শহর, আমার দেশ, পরিচ্ছন্নতায় বদলে যাবে বাংলাদেশ’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘কমিউনিটি ব্যাংক ক্লিন ঢাকা প্রজেক্ট’।

পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং পরিবেশ রক্ষায় নাগরিকদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ এবং কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির উপস্থিত থাকবেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ‘কমিউনিটি ব্যাংক ক্লিন ঢাকা প্রজেক্ট’ সেই সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই নেওয়া একটি উদ্যোগ।

উদ্যোগটির মূল বার্তা—পরিচ্ছন্ন ঢাকা, সবুজ বাংলাদেশ; নাগরিক সচেতনতাই পারে বদলে দিতে আমাদের শহর ও দেশ।

#আমারশহরআমারদেশ #পরিচ্ছন্নতায়বদলেযাবেবাংলাদেশ #পরিচ্ছন্নঢাকা #সবুজবাংলাদেশ #পরিবেশসচেতনতা #পরিবেশরক্ষা #ঢাকা

ড.সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীরআন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ঢাকা, ২ সেপ্ট...
03/09/2026

ড.সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত “One World: One Humanity” আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে ছড়ানো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের মুক্তিযোদ্ধা মাখদুমা নার্গিস মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার সহ-সভাপতি সভাপতিত্ব করেন মাওলানা রুহুল আমিন ভূঁইয়া চাঁদপুরী ।লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম হোসাইন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শাহ মোহাম্মদ আব্দুল বারি। উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ শাহ আলম, খলিফা মোহাম্মদ মুকিম আলী, খলিফা মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব, খলিফা মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন,খলিফা মোঃ শাজাহান প্রমুখ সহ আঞ্জুমান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ২৯ আগস্ট নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত “One World: One Humanity” সম্মেলনে সম্মানিত প্যানেলিস্ট হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে অংশ নেন। সম্মেলনটি বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে শান্তি, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে সংলাপের উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয়।
বক্তারা বলেন, সম্মেলনটিকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা ধর্মীয় সংগঠনের অনুষ্ঠান হিসেবে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর। বিশেষ করে এটি RSS-এর অনুষ্ঠান এবং ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী সেখানে অংশ নিয়েছেন—এমন প্রচারণারও তারা প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, আমন্ত্রণপত্রে RSS-এর কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ ছিল না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সম্মেলনে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন স্কলার ও ধর্মীয় নেতার সম্পৃক্ততা ছিল। প্রায় ৩০টি দেশের ১৮০ জন ধর্মীয় নেতা এতে অংশ নেন বলে আয়োজক-সংশ্লিষ্ট তথ্যের বরাত দেওয়া হয়।
বক্তারা জানান, সম্মেলনে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ইসলামের শান্তি, মানবতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দর্শন এবং মদীনা সনদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যও তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে অপপ্রচার বন্ধ করে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়ার জন্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এ ছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী, তার পরিবার ও মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, মতভিন্নতা থাকতে পারে, তবে সত্যকে বিকৃত করার সুযোগ নেই। তারা অপপ্রচারের পরিবর্তে সত্য ও সম্প্রীতির বার্তা প্রচারে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার অনুরোধ করা।
বার্তা প্রেরক
মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া
কেন্দ্রীয় সহপ্রচার সম্পাদক আঞ্জুমানে রহমানিয়া মাইজভাণ্ডারীয়া
মোবাইল:০১৮৮৫৯১৫৯০৯
তারিখ:২/৯/২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটির রাজস্ব ও সেবা ফি আদায়ে কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতাঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোর...
02/09/2026

ঢাকা দক্ষিণ সিটির রাজস্ব ও সেবা ফি আদায়ে কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন নাগরিকদের হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি ও অন্যান্য নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ পরিশোধের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক করতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর,২০২৬) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকসহ পাঁচটি ব্যাংকের সঙ্গে পৃথকভাবে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন জনাব আহম্মদ মুঈদ, বিপিএম (সেবা), ব্যাংকের পরিচালক ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পুলিশ; ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন নাগরিকরা কমিউনিটি ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা এবং অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি ও অন্যান্য নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ সহজে ও নিরাপদে পরিশোধ করতে পারবেন।

এ উদ্যোগের ফলে নাগরিকদের বিভিন্ন রাজস্ব ও সেবা-সংক্রান্ত ফি পরিশোধে সরাসরি সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমবে এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে আরও সহজ, দ্রুত, নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী সেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার প্রসার এবং আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খয়বর রহমান এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও উপসচিব জোনায়েদ কবীর সোহাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং ও হেড অব বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মোঃ আরিফুল ইসলাম; হেড অব এডিসি ও হেড অব এমডি’স কো-অর্ডিনেশন মামুন উর রহমান; হেড অব কার্ডস জাহির আহমেদ; হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন রাবেয়া পারভিন; ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট টিমের তুহিনুল ইসলাম, জেমিমা ফারহিন ও ফারজানা জিতুসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই সমঝোতার মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের জন্য রাজস্ব ও সার্ভিস চার্জ পরিশোধে একটি সমন্বিত, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাগরিক সেবা ডিজিটালাইজেশনের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করতে সহায়ক হবে।

01/09/2026
উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গঠনে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমিউনিটি ব্য...
01/09/2026

উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গঠনে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমিউনিটি ব্যাংকের অংশগ্রহণ চুক্তি

ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০২৬: দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা এবং কৃষি খাতের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক কর্মকা- আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি -এর মধ্যে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ-২ আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. কবির আহাম্মদ, ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরিফ হোসেন খান, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একেএম সাইদুজ্জামান, পরিচালক (এসিডি-২), বাংলাদেশ ব্যাংক।

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন এবং শরীফ হাসান মামুন, এসএমই ও কৃষি বিভাগ।

এই পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় উত্তরবঙ্গের কৃষি খাতের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে অর্থায়ন সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের Agri Value Chain আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে গতি সঞ্চারের সুযোগ তৈরি হবে।

কৃষি খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে এই পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সমন্বিত অর্থায়নের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও টেকসই Agri Value Chain গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সাম্প্রদায়িক সংঘাত প্রতিরোধে সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্...
31/08/2026

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সাম্প্রদায়িক সংঘাত প্রতিরোধে সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর

নিউইয়র্ক, ২৯ আগস্ট ২০২৬:

সাম্প্রদায়িক সংঘাত প্রতিরোধ এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তঃধর্মীয় সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও নৈতিক শিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্বারোপের আহ্বান জানিয়েছেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সাজ্জাদানশীন ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক আন্তঃধর্মীয় সম্মেলন “One World: One Humanity”-এ প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

World Council of Religious Leaders (WCORL) আয়োজিত এ সম্মেলনে বিভিন্ন ধর্মীয় ঐতিহ্যের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে নৈতিক নেতৃত্ব, বিভাজন দূরীকরণ এবং মানবতার কল্যাণে সম্মিলিত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, "সাম্প্রদায়িক সংঘাতের পেছনে প্রায়ই ভুল বোঝাবুঝি, অসহিষ্ণুতা, বিদ্বেষপূর্ণ পূর্বধারণা, ভুল তথ্য এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে অর্থবহ যোগাযোগের অভাব কাজ করে।"

তিনি বলেন, "ধর্মীয় বিশ্বাস, আদর্শ ও ঐতিহ্যের ভিন্নতা যেন কখনোই ঘৃণা বা বৈরিতার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়।
আমরা একে অপরের সঙ্গে মতভিন্নতা পোষণ করতে পারি, কিন্তু মতভিন্নতা কখনোই পারস্পরিক ঘৃণাতে পরিণত হওয়া উচিত নয়। আমরা নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাসে দৃঢ় থাকতে পারি, একইসঙ্গে অন্য একজনের নিজ ধর্ম পালনের অধিকারকেও সম্মান করতে পারি।”

ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বিভিন্ন ধর্ম ও মতাদর্শের মানুষের মধ্যে নিয়মিত ও অর্থবহ সংলাপ আয়োজনের জন্য ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, "সংকট দেখা দেওয়ার পরই কেবল সংলাপ নয়, শান্তিপূর্ণ সময়েও এ ধরনের যোগাযোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার আগেই পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা হলে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নেওয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। নেতৃবৃন্দের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে, কারণ তাঁদের বক্তব্য বিভাজন নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে, আবার বিভাজনকে আরও গভীরও করতে পারে।”

তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দকে তাঁদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীল যোগাযোগকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

তিনি অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধের প্রতি সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাসের জন্য প্রতিটি ধর্মীয় বা আদর্শিক বিষয়ে একমত হওয়া জরুরি নয়। আমরা মর্যাদার সঙ্গে মতভিন্নতা পোষণ করতে পারি, শ্রদ্ধার সঙ্গে কথা বলতে পারি, আন্তরিকতার সঙ্গে অন্যের কথা শুনতে পারি এবং সহনশীলতার সঙ্গে একসঙ্গে বসবাস করতে পারি।”

ভিন্নতা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখাকে বৃহত্তর সংঘাত প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ
বক্তব্যের আরেক অংশে ড. মাইজভাণ্ডারী শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে নৈতিক ও চারিত্রিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, "শিক্ষা কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; বরং এর মাধ্যমে চরিত্র গঠন, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা, ধৈর্য, দায়িত্ববোধ এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধও গড়ে তুলতে হবে।"

তিনি চরিত্র গঠন, নৈতিক আচরণ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সংঘাত নিরসন, সহনশীলতা এবং আত্মশুদ্ধিবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচি ও সেশনের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “সমাজকে পরিবর্তনের আহ্বান জানানোর আগে আমাদের নিজেদের পরিবর্তনের কথা ভাবতে হবে।"

রাগ নিয়ন্ত্রণ, অহংকার পরিহার, নিজের ভেতরের পূর্বধারণা ও পক্ষপাত সম্পর্কে আত্মসমালোচনা এবং আত্মশৃঙ্খলা গড়ে তোলার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

তিনি আন্তঃধর্মীয় কর্মসূচি, যুব সংলাপ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগ এবং শান্তি ও নৈতিকতাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম আয়োজনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

তিনি ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সংলাপ, মধ্যস্থতা ও সমঝোতার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যাতে মতপার্থক্য সহিংসতায় রূপ নেওয়ার আগেই তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়।

সম্মেলনের সমাপনী পর্বে ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর প্রতি কেবল বক্তব্য বা ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে বাস্তব কর্মকাণ্ডে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সম্মেলনে WCRL-এর মহাসচিব বাওয়া জেইন সভাপতিত্ব করেন। সম্মেলনে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে ছিলেন শায়খ আবুবকর নক্সবন্দী; ড. খলিফা মুবারক আলধাহেরি, মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইউনিভার্সিটি ফর হিউম্যানিটিজের চ্যান্সেলর; জন কার্ডিনাল ওনাইয়েকান, নাইজেরিয়ার আবুজার আর্চবিশপ এমেরিটাস; ইমাম ড. তালিব এম. শরীফ, ওয়াশিংটন ডিসির মসজিদ মুহাম্মদ—দ্য নেশনস মস্কের প্রেসিডেন্ট; ফ্রেড স্টেলা, হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সদস্য; এরভাদ কোবাদ জে. জারোলিয়া, জরথুস্ত্রীয় ধর্মযাজক; রেভারেন্ড ড. নিকোলাস কাজারিয়ান, গ্রিক অর্থোডক্স আর্চডায়োসিস অব আমেরিকার ইকুমেনিক্যাল কর্মকর্তা; এবং মার্গারেট কেম্পনার বুশ, গ্লোবাল কান্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড পিস-এর প্রতিনিধি।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ১৯ সেপ্টেম্বরঢাকা প্রতিনিধি:বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল...
31/08/2026

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ১৯ সেপ্টেম্বর

ঢাকা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে।

ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলকে ঘিরে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। কাউন্সিলে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণে বিভিন্ন দাবি ও কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ কাউন্সিলে অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করেছেন।

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার, কল্যাণ ও সাংগঠনিক ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করতে আগ্রহী। সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মচারীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরতে তিনি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে চান।

তিনি আসন্ন কাউন্সিলে সকলের ভোট, সমর্থন ও দোয়া কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সারাদেশের সরকারি কর্মচারী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

দুর্ভিক্ষের অবসান লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল দুর্ভিক্ষের অবসান চানলাঙ্গল নিয়ে মাঠে যান,পতিত জমি করলে চাষসুখের হবে বসবাস।কৃষ...
30/08/2026

দুর্ভিক্ষের অবসান
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

দুর্ভিক্ষের অবসান চান
লাঙ্গল নিয়ে মাঠে যান,
পতিত জমি করলে চাষ
সুখের হবে বসবাস।

কৃষক যদি হয় ক্লান্ত
দুনিয়া হবে অশান্ত,
বীজ সার সেচ যত্ন
চাষে মিলে ফলে রত্ন।

কৃষক কৃষির উন্নয়ন
সরস মাটিতে অধিক ফলন,
খাদ্য শস্যের উৎপাদন
সুখ শান্তি নিরাপদ জীবন।

লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
( শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সংগঠক ও সমাজসেবক)
ফোন: ০১৫৫২৬৩১১১৮, ০১৮৪২৬৩১১১৮

নেপালের বিপর্যয় বাংলাদেশের জন্যও সতর্কবার্তাসাইমন মোহসিননেপালের জন্য এখন দরকার জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার।বাংলাদে...
30/08/2026

নেপালের বিপর্যয় বাংলাদেশের জন্যও সতর্কবার্তা

সাইমন মোহসিন

নেপালের জন্য এখন দরকার জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার।

বাংলাদেশের জন্য জরুরি প্রস্তুতি।

বাংলাদেশের বুঝতে হবে-আন্তর্জাতিক জলবায়ু ন্যায়বিচার আমাদের নিজস্ব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারে না

নে পাল আজ শোকাহত। বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে পুরো জনপদ; প্রিয়জনের খোঁজে অপেক্ষা করছেন অসংখ্য পরিবার। ভেসে গেছে সড়ক, সেতু, ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। এমন এক ভয়াবহ দুর্যোগের মুহূর্তে প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব হলো শোকাহত মানুষের প্রতি সম্মান জানানো- নেপালের প্রতি সম্মান, প্রাণ হারানো মানুষদের প্রতি সম্মান, নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে অপেক্ষমাণ পরিবারগুলোর প্রতি সম্মান এবং নিজেদের জীবন বিপন্ন করে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া উদ্ধারকর্মীদের প্রতি সম্মান।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয়ের প্রকৃত মাত্রা এখনও স্পষ্ট হচ্ছে। বরফ ও পাথরের বিপুল ধসের পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা মুহূর্তের মধ্যে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ নিচের দিকে ধেয়ে নিয়ে যায়। ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা ভয়াবহ; শত শত মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনও নিখোঁজ। কিন্তু নেপালের এই মর্মান্তিক বিপর্যয় বাংলাদেশের জন্যও একটি বার্তা বহন করে। এটি একটি সতর্কসংকেত।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও ভূতাত্ত্বিক বাস্তবতা নেপালের সঙ্গে এক নয়। কিন্তু দুটি দেশই এমন একটি অঞ্চলের অংশ, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন, অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাত, ভঙ্গুর প্রতিবেশব্যবস্থা, দ্রুত ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন, বিপুল জনঘনত্ব এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সীমাবদ্ধতা- সবকিছু মিলিয়ে একটি প্রাকৃতিক ঝুঁকিকে মুহূর্তের মধ্যে জাতীয় বিপর্যয়ে পরিণত করতে পারে। আর বাংলাদেশ এই বাস্তবতার অভিজ্ঞতা ইতোমধ্যেই অর্জন করেছে। এ ধরনের বিপর্যয়ের পেছনে একটি অস্বস্তিকর সত্য রয়েছে- জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি যেসব দেশকে বহন করতে হচ্ছে, তাদের অনেকেই এই সংকট সৃষ্টির জন্য ঐতিহাসিকভাবে খুব সামান্যই দায়ী। বিশ্বের মোট ঐতিহাসিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের অবদান অত্যন্ত নগণ্য। বাংলাদেশের অবস্থাও একইরকম- বিশেষ করে মাথাপিছু ও ঐতিহাসিক নিঃসরণের বিচারে। অথচ কয়েক দশক ধরে জীবাশ্ম জ্বালানি, কার্বননির্ভর শিল্পায়ন এবং অতিরিক্ত ভোগের ওপর দাঁড়িয়ে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিণতি আজ বহন করতে হচ্ছে নেপাল, বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোকে। হিমালয় এখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু সতর্কীকরণ অঞ্চল। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে হিমবাহ দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে, পাহাড়ি পরিবেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট হচ্ছে। পারমাফ্রস্টের অবক্ষয়, বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তন এবং উষ্ণায়নের সম্মিলিত প্রভাবে তুষারধস, ভূমিধস, হিমবাহ-সৃষ্ট বন্যা এবং একের পর এক পরস্পর-সংযুক্ত দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

নেপালের এই নির্দিষ্ট বিপর্যয়ের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক নির্ধারণে অবশ্যই বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান প্রয়োজন। শুধু জলবায়ু পরিবর্তনকেই এই ঘটনার একমাত্র কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা দায়িত্বশীল হবে না। কিন্তু যে বৃহত্তর জলবায়ু বাস্তবতায় এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে, সেটিকে উপেক্ষা করাও

সমানভাবে দায়িত্বহীনতা। এখানেই বৈশ্বিক দক্ষিণের জলবায়ু অবিচারের প্রশ্নটি সামনে আসে

শিল্পোন্নত বিশ্ব যে অর্থনৈতিক মডেলের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ সৃষ্টি করেছে, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিপুল পরিমাণ ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণ। অথচ নেপাল ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে এখন সেই পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে তাদের সীমিত সম্পদ ব্যয় করতে হচ্ছে- যে সংকট তৈরিতে তাদের ভূমিকা ছিল অতিসামান্য। তাই জলবায়ু ন্যায়বিচারের অর্থ কেবল ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে আরও সহনশীল হতে বলা নয়।

যেসব দেশ ও অর্থনীতি ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে বেশি নিঃসরণের জন্য দায়ী, তাদের আরও দ্রুত নিঃসরণ কমাতে হবে। নিশ্চিত ও পূর্বানুমানযোগ্য জলবায়ু অর্থায়ন দিতে হবে, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থ দিতে হবে, প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে হবে এবং জলবায়ু সহায়তাকে দাতব্য অনুদান হিসেবে দেখার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ এটি ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক ঝুঁকির একটি অসম বণ্টনের মূল্য। দুর্যোগ বাংলাদেশকে নতুন করে চিনিয়ে দেওয়ার

প্রয়োজন নেই। বন্যা, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও ভূমিধস এখন বাংলাদেশের বাস্তবতার পুনরাবৃত্ত উপাদান। চলতি বছরের জুলাই মাসেই ভারী বৃষ্টিপাত, উজানের পানির প্রবাহ ও ভূমিধসের কারণে দেশের ১০টি জেলায় ১১ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশের ভূগোলই দেশটিকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। আমরা হিমালয় থেকে নেমে আসা বিশাল নদীব্যবস্থার নিম্ন অববাহিকায় এবং একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের প্রান্তে অবস্থান করছি। পাহাড়ে যা ঘটে, তার প্রভাব সব সময় পাহাড়েই সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই উষ্ণ হয়ে ওঠা হিমালয় শুধু নেপালের সমস্যা নয়; এটি বাংলাদেশেরও সমস্যা। তবে বাংলাদেশের ঝুঁকি শুধু বন্যায় সীমাবদ্ধ নয়।

চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল বা পার্বত্য চট্টগ্রামও ক্রমবর্ধমানভাবে ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অতিবৃষ্টিজনিত ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যাকে সেখানে বড় ধরনের জলবায়ু ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত

হয়েছে আরেকটি বড় আশঙ্কা- ভূমিকম্প।

বাংলাদেশ নেপাল নয়। কিন্তু বাংলাদেশও ভূমিকম্পের ঝুঁকিমুক্ত নয়। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ। আর ঢাকার ক্ষেত্রে বিপদের মাত্রা আরও ভয়াবহ হতে পারে।' । বিপুল জনসংখ্যার ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, সরু সড়ক এবং দুর্যোগের পর জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনার সীমিত সুযোগ-সবকিছু মিলিয়ে একটি বড় ভূমিকম্প ঢাকাকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বিষয়টি আরও জটিল। কাপ্তাই বাঁধ ও জলাধার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর অংশ। এই অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে বাঁধটির কাঠামোগত নিরাপত্তা, জলাধারের সম্ভাব্য প্রভাব, নিম্নাঞ্চলে ঝুঁকি এবং জরুরি সরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে কঠিন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এটি কোনোভাবেই এমন পূর্বাভাস নয় যে, ভূমিকম্প হলে কাপ্তাই বাঁধ ধ্বংস হবেই। বরং প্রশ্নটি আরও মৌলিক ভূমিকম্প হওয়ার আগেই আমরা কি নিশ্চিত হতে চাই না যে, এমন পরিস্থিতিতে আমাদের প্রস্তুতি যথেষ্ট?

কারণ দুর্যোগের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ও প্রস্তুতির ব্যয় প্রায় সব সময়ই পুনর্গঠন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার চেয়ে কম। বাংলাদেশ অবশ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য সাফল্যও দেখিয়েছে। ১৯৭০ সালের তুলনায় ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি কমাতে বাংলাদেশ প্রায় ১০০ গুণ সাফল্য অর্জন করেছে। এই সাফল্য আমাদের আত্মবিশ্বাসী করবে- কিন্তু আত্মতুষ্ট নয়। নেপালের এই বিপর্যয় বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার কারণ হওয়া উচিত নয়। বরং এটি হওয়া উচিত প্রস্তুতির আহ্বান। সরকারকে জলবায়ু ও দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতাকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও অতিবৃষ্টির জন্য আরও কার্যকর রিয়েল-টাইম আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তৈরি করতে হবে উচ্চনির্ভুলতার দুর্যোগ ঝুঁকি মানচিত্র। ভবন নির্মাণ বিধিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। স্কুল, হাসপাতাল, সেতু এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিয়মিত ভূমিকম্প-নিরাপত্তা নিরীক্ষা করতে হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও

পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য বাস্তবসম্মত জরুরি সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকতে হবে।

কাপ্তাই বাঁধেরও প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন ভূমিকম্প সহনশীলতা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা মূল্যায়ন। সম্ভাব্য সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে জলপ্রবাহের মডেলিং এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বাস্তবভিত্তিক সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও থাকা জরুরি।

আমাদের নগর পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনতে হবে। জলাভূমি ভরাট, প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সংকুচিত করা, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ঢালে বসতি স্থাপন এবং পরিবেশগত সক্ষমতা বিবেচনা না করে নগর সম্প্রসারণ- এসব বন্ধ করতে হবে। তবে দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়। জলবায়ু সহনশীলতা একটি সামাজিক দায়িত্বও।

মানুষকে জানতে হবে জরুরি পরিস্থিতিতে কোথায় আশ্রয় নিতে হবে। স্কুলে নিয়মিত ভূমিকম্প ও বন্যা মহড়া হওয়া উচিত। ভূমিধসপ্রবণ এলাকার মানুষকে ভূমিধসের পূর্বলক্ষণ এবং জরুরি করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষিত করতে হবে। ভবন পরীক্ষা করতে হবে, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং প্রতিটি পরিবারকে ন্যূনতম জরুরি সরঞ্জাম ও যোগাযোগ পরিকল্পনা রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, পরিবেশ ধ্বংসকে 'অন্য কারও সমস্যা' হিসেবে দেখার মানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। পাহাড় কাটা, জলাভূমি দখল, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করা, নদীতে বর্জ্য ফেলা এবং অপরিকল্পিত নির্মাণ হয়তো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্বল্পমেয়াদি সুবিধা তৈরি করে। কিন্তু সম্মিলিতভাবে এগুলো আমাদের পুরো সমাজকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। নেপালের মানুষের এখন প্রয়োজন সংহতি, সহায়তা এবং শোক করার সময়। তাদের এই বিপর্যয়কে কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের একটি সুবিধাজনক উদাহরণে পরিণত করা উচিত নয়। কিন্তু নেপালের এই দুর্ভোগ বাংলাদেশের জন্য এমন একটি বার্তা বহন করছে, যা উপেক্ষা করার সামর্থ্য আমাদের নেই।

জলবায়ু সংকট আর কোনো দূরবর্তী ভবিষ্যতের পূর্বাভাস নয়। এটি এখন একের পর এক পরস্পর-সংযুক্ত ঝুঁকির বাস্তবতা- হিমবাহধসের পর আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টির পর ভূমিধস, ভূমিকম্পের পর অবকাঠামো ধস এবং দুর্যোগের পর বাস্তুচ্যুতি, রোগব্যাধি, অর্থনৈতিক ক্ষতি ও সামাজিক অস্থিরতা। নেপালের জন্য এখন দরকার জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার। বাংলাদেশের জন্য জরুরি প্রস্তুতি। বাংলাদেশের বুঝতে হবে-আন্তর্জাতিক জলবায়ু ন্যায়বিচার আমাদের নিজস্ব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারে না।

আমাদের প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, দূরদর্শী পরিকল্পনা, নিরাপদ অবকাঠামো, বৈজ্ঞানিক ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং এমন জনগোষ্ঠী, যারা দুর্যোগকে বিপর্যয়ে পরিণত হওয়ার আগেই মোকাবিলা করতে সক্ষম। প্রশ্নটি উন্নয়ন বনাম দুর্যোগ-সহনশীলতার নয়। প্রশ্ন হলো- আমরা কি এমন উন্নয়ন গড়ে তুলছি, যা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখতে পারবে?

সাইমন মোহসিন: রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিকবিষয়ক বিশ্লেষক

গাজীপুরে ধর্ষনের শিকার শিশুর পাশে নিপীড়িত নারী ও শিশু সহায়তা সেলধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী শিশু খাদিজার চিকিৎসা ও পরিবারের...
30/08/2026

গাজীপুরে ধর্ষনের শিকার শিশুর পাশে নিপীড়িত নারী ও শিশু সহায়তা সেল

ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী শিশু খাদিজার চিকিৎসা ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপির ‘নিপীড়িত নারী ও শিশু আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল’। বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পরামর্শ ও নির্দেশনায় গাজীপুর মহানগর সেলের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. মাজহারুল আলম শনিবার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু খাদিজার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

এ সময় ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তার চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন ডা. মাজহারুল আলম। একই সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ভিকটিমের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

শিশু খাদিজার চিকিৎসা ও পরিবারের সার্বিক সহায়তার বিষয়ে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পরামর্শ অনুযায়ী সব ধরনের আইনি ও স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী শিশুটির চিকিৎসা, পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা এবং আইনি সহায়তায় সেলটি পাশে থাকবে বলে জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সদস্য সচিব ডা. খলিলুর রহমান, ড্যাব নেতা সহযোগী অধ্যাপক ডা. এনামুল হক, ডা. খায়রুজ্জামান, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. কামরুল করিম, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা এবং কর্মরত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা।

দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় সেলটি গঠন করা হয়। বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে সেলটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

চিকিৎসক ও আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত এই সেল প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসেবা এবং আইনি সহায়তা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শিশু খাদিজার চিকিৎসা ও পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Address

Bangladesh Council For Child Welfare, 22/1 Topkhana Road
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fojit Sheikh Babu Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fojit Sheikh Babu Photography:

Shortcuts

Share