Alokchitro-The Colour Of life In Photo

Alokchitro-The Colour Of life In Photo আলোকচিত্র

Mobile photography Device:13pro max
23/01/2024

Mobile photography

Device:13pro max

01/01/2023

ফুল ফ্রেম ক্যামেরা বনাম ক্রপ ক্যামেরাফুল ফ্রেম ক্যামেরা বনাম ক্রপ ক্যামেরা নিয়ে জানতে চাইলে প্রথমে জানতে হবে ডিজিটাল ক্য...
21/10/2017

ফুল ফ্রেম ক্যামেরা বনাম ক্রপ ক্যামেরা

ফুল ফ্রেম ক্যামেরা বনাম ক্রপ ক্যামেরা নিয়ে জানতে চাইলে প্রথমে জানতে হবে ডিজিটাল ক্যামেরার ইমেজ সেন্সর নিয়ে।

ক্যামেরার ইমেজ সেন্সর কী?

এটা ক্যামেরার ভিতরের আয়তাকার একটা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা মূলত ছবি ধারণ করে। লেন্সের মাধ্যমে আলো এই সেন্সরে প্রবেশ করে এবং আপনি দেখেন যে ক্যামেরা ছবি তুলেছে। এটা হচ্ছে খুব সহজ ভাষায় ইমেজ সেন্সরের পরিচয়।

ক্যামেরা ইমেজ সেন্সর

ফিল্ম ক্যামেরার যুগে যখন ডিজিটাল ক্যামেরার ইমেজ সেন্সর বলতে কিছুই ছিলোনা তখন ছবি ধারণ করা হত ফিল্মে এবং আকারের ভিত্তিতে ফিল্ম ছোট, বড় ও মাঝারি সাইজের হত। ফিল্মের এসব সাইজের মধ্যে ২৪মিমি X ৩৬মিমি আকারের একটা ফিল্ম ছিলো যাকে বলা হত ৩৫মিমি ফিল্ম এবং একে ধরা হত স্ট্যান্ডার্ড ফিল্ম সাইজ হিসেবে। এখানে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখা উচিত যে ৩৫মিমি ফিল্ম বলতে ফিল্মের সাইজকে বুঝানো হয়; ৩৫মিমি ফোকাল লেংথের লেন্সকে নয়।

৩৫মিমি ফিল্ম

ডিজিটাল ক্যামেরার যুগে আকারের ভিত্তিতে ক্যামেরার সেন্সরও ছোট, বড় মাঝারি ইত্যাদি নানান সাইজের হয়। সেন্সর যত বড় হবে ক্যামেরা চারপাশের অনেক কিছু দেখতে পাবে এবং সেন্সর যত ছোট হবে ক্যামেরা অনেক কম দেখতে পাবে – এটা হচ্ছে বিভিন্ন সেন্সরের মধ্যে মূল পার্থক্য। এছাড়া আরও অনেক পার্থক্য আছে যেগুলো একটু পর বলা হবে।

এই নানান সাইজের সেন্সরের মধ্যে একটা সেন্সরের সাইজ হচ্ছে সেই ফিল্মের যুগের ২৪মিমি X ৩৬মিমি ফিল্মের সাইজের মত আর এই সাইজের সেন্সরটাকেই বলা হয় Full Frame Sensor। ফুল ফ্রেম ক্যামেরা বডি বলতে সেই ক্যামেরাগুলোকে বুঝায় যেই ক্যামেরাগুলোতে এই সাইজের সেন্সর রয়েছে।

তাহলে ক্রপ সেন্সর কোনগুলো? খুব সহজ - ফুল ফ্রেম সেন্সরের ছোট যত ছোট ছোট সেন্সর আছে আক্ষরিক অর্থে সেগুলো সবই ক্রপ সেন্সর এবং এসব সেন্সর যেসব ক্যামেরায় আছে সেগুলো সবই ক্রপ ক্যামেরা।

বিভিন্ন সাইজের সেন্সর

কিন্তু ডিএসএলআর-এর ক্ষেত্রে ব্যবহারিক অর্থে ক্রপ সেন্সর কথাটা দিয়ে এমন একটা সেন্সরকে বুঝায় যেটার সাইজ ফুল ফ্রেম সেন্সর থেকে দুই ধাপ নিচে। নিকন ক্যামেরায় এর সাইজ ২৩.৬০মিমি X ১৫.৬০মিমি এবং এই সাইজের সেন্সরকে Advanced Photo System type-Classic বা এপিএস-সি সেন্সর সাইজ বলা হয়। ফুল ফ্রেম সেন্সর এবং এপিএস-সি সেন্সর – বর্তমানে এই দুই ধরণের সেন্সরই ডিএসএলআর ক্যামেরায় ব্যবহৃত হয় এবং এই এপিএস-সি সেন্সর সমৃদ্ধ ডিএসএলআর ক্যামেরাকে বলা হয় ক্রপ ক্যামেরা। ফুল (সম্পূর্ণ) এবং ক্রপ (কেটে নেয়া) কথা দুটো এসেছে মূলত সেন্সরের সাইজ ছোট-বড় হওয়া থেকে; ক্যামেরার বডির সাইজের জন্য নয় কিন্তু। নিকন তাদের ফুল ফ্রেম ক্যামেরাকে FX দিয়ে এবং ক্রপ ক্যামেরাকে DX দিয়ে প্রকাশ করে।

[নোটঃ ক্যানন এক সময় তাদের 1D সিরিজে এপিএস-সি থেকে এক ধাপ উপরে এবং ফুল ফ্রেম থেকে এক ধাপ নিচে একটা সেন্সর ব্যবহার করত যেটাকে বলা হয় APS-H সেন্সর। এখন ক্যানন এই সেন্সরের ডিএসএলআর ক্যামেরা বানায় না আর এটাও একটা ক্রপ সেন্সর।]

এখন তাহলে জেনে নেই ফুল ফ্রেম ক্যামেরা এবং ক্রপ ক্যামেরার মধ্যকার আর কী কী পার্থক্য আছে।

১. ফিল্ড অফ ভিউ
আমার লেখার উপরে বলেছিলাম সেন্সর যত বড় হবে ক্যামেরা চারপাশের অনেক কিছু দেখতে পারবে এবং সেন্সর যত ছোট হবে ক্যামেরা চারপাশের কম দৃশ্য দেখতে পারবে। একটা ক্যামেরা তার চারপাশের দৃশ্য কতটা দেখতে পারে এটাকে বলা হয় ‘ফিল্ড অফ ভিউ’। ফুল ফ্রেমে বড় ফিল্ড অফ ভিউ এবং ক্রপ ক্যামেরায় ছোট ফিল্ড অফ ভিউ। তবে ক্রপ ফ্যাক্টর অ্যাডজাস্ট করে সঠিক লেন্স নির্বাচনের মাধ্যমে একটা ক্রপ সেন্সর ক্যামেরা দিয়েও ফুল ফ্রেম ক্যামেরার ফিল্ড অফ ভিউ পাওয়া যায়। সেই ব্যাপারে পরে আলোচনা হবে।

কিন্তু ফিল্ড অফ ভিউ বড় হলে ভালো বা ছোট হলে খারাপ, এমনটা কোনভাবেই বলা যায়না। সবকিছুই নির্ভর করে আপনি কিসের ছবি তুলবেন। ছোট ফিল্ড অফ ভিউ-এর একটা সুবিধা, যদিও এটার মানে হচ্ছে ক্যামেরা চারপাশে কম দেখতে পাবে, এটার আরেকটা মানে হচ্ছে এটা দূরের জিনিষকে কাছে নিয়ে আসে। এর সহজ মানেটা হচ্ছে, ফুল ফ্রেম ক্যামেরা দিয়ে চারপাশের দৃশ্য ধারণ হবে তো বেশি ঠিক আছে, ক্রপ ক্যামেরা দিয়ে সেই একই লেন্স ব্যবহার করে দূরের জিনিষ দেখা যাবে কাছে। অর্থাৎ ফিল্ড অফ ভিউ কম হলে ছবি যুম ইন হয় আর ফিল্ড অফ ভিউ বেশি হলে ছবি যুম আউট হয়। ল্যান্ডস্কেপ ছবিতে ফুল ফ্রেম ভালো পারফর্মেন্স দিলেও ওয়াইল্ড লাইফ এবং স্পোর্টস ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে ক্রপ ক্যামেরা কিন্তু অনেক কাজের। কারণ তখন ফুল ফ্রেম ক্যামেরা দিয়ে দূরের যেই পাখিটা ছোট দেখবেন, ক্রপ ক্যামেরা দিয়ে সেই পাখিটা আরও কাছে দেখবেন, যদিও পাখিটার চাপাশে অনেক এরিয়া ক্রপড হয়ে গেছে। মূলত দূরের পাখিটা কাছে চলে এসে বড় হয়ে ধরা দেয়ার কারণেই এর পাশের অনেক কিছু ছবিতে আসেনি।

২. আইএসও এবং লো-লাইট পারফর্মেন্স
বড় সেন্সরে অল্প আলোতেও ভালো ছবি উঠবে এবং ছোট সেন্সরে অল্প আলোতে তুলনামূলক কম ভালো ছবি উঠবে। খেয়াল করে দেখবেন অল্প আলোতে আপনার মোবাইল দিয়ে যেই মানের ছবি পাবেন ক্রপ সেন্সরের ডিএসএলআর দিয়ে তার চেয়ে ভালো মানের ছবি পাবেন। কারণ এই ক্ষেত্রে মোবাইলের সেন্সর হচ্ছে ছোট আর ক্রপ সেন্সর আরও অনেক বড়। ফুল ফ্রেম বনাম ক্রপ সেন্সরের জন্যেও কথাটা ঠিক।

বামে ফুল ফ্রেম এবং ডানে ক্রপ। আইএসও ৬৪০০ খেয়াল করুন
৩. ডায়নামিক রেঞ্জ
সংগীতে ডায়নামিক রেঞ্জ কথাটা এক অর্থে ব্যবহৃত হলেও ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে ডায়নামিক রেঞ্জ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। সহজ কথায় বলতে গেলে, ডায়নামিক রেঞ্জ যদি কম হয় তাহলে সম্ভাবনা আছে যে প্রখর আলোতে বেশিরভাগ সময়ই ছবির কিছু অংশ এমনভাবে জ্বলে যাবে যে সেটা কোন ফটো এডিটর দিয়েই ফেরত পাওয়া সম্ভব হবেনা। ফটোগ্রাফির পরিভাষায় একে বলা হয় ‘Blown out highlights’। আবার এমনও হতে পারে, ছবির কিছু অংশ এমনভাবে ছায়ায় পড়ে যাবে যে কোন ফটো এডিটর দিয়েও সেই ছায়ার অংশ থেকে আসল রঙ উপস্থাপন করা যাচ্ছেনা। ল্যান্ডস্কেপ ছবিতে এই ডায়নামিক রেঞ্জের ব্যাপারটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বড় সেন্সরে ডায়নামিক রেঞ্জের পারফর্মেন্সও ভালো হয়।

৪. ডেপথ অফ ফিল্ড
ডেপথ অফ ফিল্ড মানে হচ্ছে ক্যামেরার সবচেয়ে নিকটতম সাব্জেক্ট থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী সাব্জেক্টের মধ্যকার জায়গা কতখানি শার্প। এটাকেই আমরা ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার হিসেবে চিনি। বড় সেন্সর দিয়ে খুব শ্যালো ডেপথ অফ ফিল্ড পাওয়া যায় অর্থাৎ বেশি ব্লার পাওয়া যায়। অন্যদিকে ছোট সেন্সরের ডেপথ অফ ফিল্ড তুলনামূলক ডিপ অর্থাৎ ব্লার হয় কম। আর এই কারণে আপনার মোবাইল দিয়ে খুব বেশি ব্লার হয়না কারণ এর সেন্সর সাইজ একটা ডিএসএলআর ক্যামেরার তুলনায় ছোট। একই কথা ফুল ফ্রেম বনাম ক্রপ সেন্সরের জন্যেও প্রযোজ্য। ক্রপ ফ্যাক্টর অ্যাডাজাস্ট করে সঠিক লেন্স নির্বাচন করার মাধ্যমে একটা ক্রপ বডিতেও ফুল ফ্রেম ক্যামেরার ডেপথ অফ ফিল্ড অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সেটা একটা মাত্রা পর্যন্ত।

বামে ক্রপ ক্যামেরা এবং ডানে ফুল ফ্রেম ক্যামেরা

আমার এই কথাগুলোর মধ্যে 'ক্রপ ফ্যাক্টর' কথাটা অনেকবার ব্যবহার করেছি। কিন্তু এটা কী জিনিষ?

আমাদের মাথার উপর নিজেদের থেকে পযিশন এবং মর্যাদায় কেউ বড় থাকলে আমরা প্রায়ই তাদের সাথে নিজেদের তুলনা করি। ডিএসএলআর ক্যামেরায়ও যেহেতু ক্রপ সেন্সরের দুই ধাপ উপরে ফুল ফ্রেম সেন্সর নামক কেউ অবস্থান করছেন তাই ক্রপ সেন্সরের ছবির মান, বিশেষ করে ফোকাল লেংথ এবং ডেপথ অফ ফিল্ড প্রায়ই ফুল ফ্রেমের সাপেক্ষে তুলনা করা হয়। আর এই তুলনা করার জন্য একটা সংখ্যা ব্যবহার করা হয় সেটাকেই বলা হয় ক্রপ ফ্যাক্টর। যেমন ধরুন, একটা ডিএক্স ক্যামেরায় ৫০মিমি লেন্স লাগালেন। উপরের আলোচনা থেকে তো আমরা জানলাম সেইম লেন্সে ফুল ফ্রেম ক্যামেরার ভিউ যেমন আসবে ক্রপ ক্যামেরায় ভিউ তেমন আসবে না। তাহলে কেমন আসবে? এটা জানার জন্য আপনি ডিএক্স ক্যামেরায় যেই ফোকাল লেংথের লেন্স লাগিয়েছেন তার সাথে ক্রপ ফ্যাক্টর নামক সংখ্যাটা গুণ করবেন। নিকনের জন্য এই ক্রপ ফ্যাক্টর ১.৫। তাহলে সংখ্যাটা আসে (৫০ X ১.৫) = ৭৫মিমি। এর অর্থ, ফুল ফ্রেম ক্যামেরায় একটা ৭৫মিমি লেন্স লাগালে ফিল্ড অফ ভিউ যেমন আসবে এখন আপনার ক্রপ ক্যামেরায় ৫০মিমি লেন্স লাগানোর ফলে ঠিক তেমন ফিল্ড অফ ভিউ দেখা যাচ্ছে। বা ধরুন, আপনি দেখলেন একটা ফুল ফ্রেম ক্যামেরায় ৩৫মিমি লেন্স লাগানোর পর এর ফিল্ড অফ ভিউটা আপনার কাছে অনেক সুন্দর লাগছে। কিন্তু আপনি ক্রপ ক্যামেরা ব্যবহার করেন এবং জানেন আপনার ক্যামেরায় ৩৫মিমি লেন্স লাগালেই ঠিক তেমন ছবি পাবেন না। তাহলে কী করলে এমন ছবি পাবেন? এখন তাহলে আপনার কাজ হবে (৩৫/১.৫) = ২৪মিমি এর একটা লেন্স আপনার ক্রপ ক্যামেরায় লাগানো। তাহলে আপনি সেই ফিল্ড অফ ভিউটাই পাবেন যেটা ফুল ফ্রেম ক্যামেরায় ৩৫মিমি লেন্সে ছবি তুলে পেয়েছেন।

বিভিন্ন সেন্সরের ক্রপ ফ্যাক্টর

তাহলে বুঝতেই পারছেন ক্রপ ফ্যাক্টরের কাজটা কী। পৃথিবীতে যদি ফুল ফ্রেইম ক্যামেরা বলে কিছু না থাকত তাহলে এই ক্রপ ফ্যাক্টরের কোন অস্তিত্ব থাকত না। আমাদের মাথার উপরে কেউ নেই তাই আমি কারো সাথে নিজেকে তুলনা করতে যাইও না। কিন্তু মজার ব্যাপারটা হলো, পৃথিবীতে ফুল ফ্রেম ক্যামেরা আগে এসেছে আর তারপর ক্রপ ক্যামেরা। কাজেই ক্রপ ফ্যাক্টর থাকবেই।

এখন প্রশ্ন হলো আপনি কোন ধরণের ডিএসএলআর কিনবেন, ফুল ফ্রেম না ক্রপ?

এর উত্তর পাওয়ার জন্য দুটো প্রশ্ন নিজেকে করুনঃ

১. আপনার বাজেট কত?
২. আপনি কি শৌখিন ফটোগ্রাফার না প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার?

ফুল ফ্রেম কেমেরাগুলো দামি হয় এবং আকারে বেশ বড় হয়। নিকন ডি৭৫০ হচ্ছে নিকনের ফুল ফ্রেম ক্যামেরা যার বডির দামই শুধু ১.৩০ লাখ টাকার মত।

আপনি প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার না হলে এবং শুধু বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়স্বজনের ছবি, পোরট্রেইট, মাঝে মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান কাভার, স্ট্রিট, ল্যান্ডস্কেপ ইত্যাদি সব ধরণের ছবি তোলার জন্যে ক্যামেরা চাইলে আপনার জন্য এপিএস-সি যথেষ্ট ভালো ক্যামেরা এবং কোন দরকার নেই ফুল ফ্রেম ক্যামেরায় অতিরিক্ত অর্থ ঢালা। উপরে বড় সেন্সর এবং ছোট সেন্সরের পার্থক্য গুলো রিলেটিভ টার্মে অর্থাৎ একটার সাথে আরেকটা তুলনা করতে গেলে। কিন্তু তুলনা বাদ দিলে ক্রপ ক্যামেরার মান অনেক ভালো এবং এটা আপনার প্রয়োজনের ৯৫%ই পূরণ করতে পারবে।

নিকনের কিছু ফুল ফ্রেম ক্যামেরার মডেলঃ Nikon D750, D810, D850, D5 ইত্যাদি
ক্যাননের কিছু ফুল ফ্রেম ক্যামেরার মডেলঃ Canon 6D, 6Dii, 5D to 5Div, 1Dxii

All rights reserved Model:konika
02/07/2017

All rights reserved
Model:konika

All rights reserved:Alokchitro Natural beauty of Jhenida
29/06/2017

All rights reserved:Alokchitro
Natural beauty of Jhenida

All rights reserved Alokchitro Model:juice Place:Tamanna park
29/06/2017

All rights reserved Alokchitro
Model:juice
Place:Tamanna park

All right reserved By AlokchitroModel:kaniz
29/06/2017

All right reserved By Alokchitro
Model:kaniz

   long time  For better view flicker: https://www.flickr.com/photos/148077011@N04/35190676312/in/dateposted-public/
17/06/2017

long time

For better view flicker: 148077011@N04/35190676312/in/dateposted-public/" rel="ugc" target="_blank">https://www.flickr.com/photos/148077011@N04/35190676312/in/dateposted-public/

সঠিক জায়গায় সঠিক লেন্সের ব্যবহার:-।।।আপনি হয়ত প্রশ্ন করেন কোন লেন্সগুলো আপনার জন্যে কেনা সঠিক হবে । আপনার প্রয়োজন অন...
21/01/2017

সঠিক জায়গায় সঠিক লেন্সের ব্যবহার:-



আপনি হয়ত প্রশ্ন করেন কোন লেন্সগুলো আপনার জন্যে কেনা সঠিক হবে । আপনার প্রয়োজন অনুসারে আপনি লেন্স কিনতে পারেন। যারা ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনেছেন তারা ভাবছেন কোন লেন্সটি এখন আপনার কেনা ‍উচিত। প্রথমে আপনাকে জানতে হবে লেন্সের ফোকাল লেংথ সম্পর্কে। এছাড়া লেন্সের চরিত্র ও বৈশিস্ট্য জানা ও বোঝাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । ফোকাল লেংথ: এখন প্রশ্ন হচ্ছে ফোকাল লেংথ কি, কেন আমার জানা দরকার ? খুব সহজভাবে চিন্তা করলে ফোকাল লেংথ সম্পর্কে বলা যায়, লেন্সের একদম সামনের দিকে প্রথম গ্লাস এ্যালিমেন্ট থেকে পয়েন্ট অফ ফোকাস এর মধ্যকার দূরত্বকে বোঝায়। এ দূরত্বকে মিলিমিটার (এমএম) দিয়ে পরিমাপ করা হয়। সাধারনভাবে বলা যায়, সবচেয়ে বড় মিমি মানে সবচেয়ে বেশী বড় আকৃতি করে দেখা। ফোকাল লেংথ দিয়ে বোঝা যায় আপনি আপনার ছবি তোলার সময় এক দৃশ্যের কতটুকু অংশ চিত্রাকারে ধারন করতে পারবেন। ওয়াইড লেন্স দিযে আপনি একটি দৃশ্যের অনেক বেশী অংশ চিত্রাকারে ধারন করতে পারবেন। সাধারনত আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে এই ওয়াইড লেন্সের বেশী ব্যবহার করা হয়। টেলিফটো লেন্স আপনার সাবজেক্টকে বড় করে উপস্থাপন করবে। যখন আপনি কোন সাবজেক্ট এর খুব কাছাকাছি যেতে পারবেন না তখন আপনাকে এই টেলিফটো লেন্স ব্যবহার করতে হবে। ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফির জন্যে টেলিলেন্স আদর্শ লেন্স।
এখন আপনার জানব বিভিন্ন ধরনের লেন্স সম্পর্কে এবং আরো জানব কিভাবে এই লেন্স আপনার কোন ধরনের ছবি তোলার কাজে আসবে ।
লেন্সের প্রকারভেদ:
ফিক্সড ফোকাল লেংথ ( ফিক্সড বা প্রাইম লেন্স এবং সাধারন লেন্স)
কিছু লেন্স আছে সেগুলো একটা মাত্র ফিক্স ফোকাল লেংথ তাই সেগুলো জুম করা যায় না এ ধরনের লেন্সকে বলে ফিক্সড বা প্রাইম লেন্স। এই ফিক্সড বা প্রাইম লেন্সগুলো সাধারনত ভালো ইমেজ , হাইয়ার লাইট সেনটিভি ইত্যাদি নিশ্চয়তা প্রদান করে। ফিক্সড বা প্রাইম লেন্স পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফির জন্যে আর্দশ লেন্স। শর্ট রেঞ্জ জুম (জুম বা কম্প্যাক্ট জুম লেন্স) সব ধরনের ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে একটা স্ট্যান্ডার্ড লেন্স হচ্ছে কিট লেন্স যেমন ক্রপ বডির ক্ষেত্রে ১৮-৫৫ (৩এক্স অপটিকাল জুম পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার ক্ষেত্রে) জনপ্রিয় কিট লেন্স। অল্প একটু জুম ইন এবং জুম আউটের জন্যে শর্টরেঞ্জ লেন্স জুম খুবই কাজের। বারবার লেন্স পরিবর্তন না করে এই ধরনের লেন্স ব্যবহার করে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে সহজে ছবি তোলা যায়।
লং রেঞ্জ জুম (টেলিফটো এবং জুম লেন্স)
একটি জুম লেন্স দিয়ে আপনি ফোকাল লেংথ পরিবর্তন করে সহজে দূরের বিষয়টাকে কাছে আনতে পারবেন যা আপনার ছবির বিষয়বস্তু দারুন প্রাণবন্ত করতে পারবে। যখন আপনি জুম ইন করবেন ফোকাল লেংথ বেড়ে যাবে মানে দূরের জিনিষ কাছে চলে আসবে এবং জুম আউট করলে ফোকাল লেংথ কমে যাবে যার মানে হলো, কাছে জিনিষ দূরে চলে যাবে। সাধারনত ৭০-২০০ কিংবা ততোধিক (৬০০মি.মি. পর্যন্ত) লং রেঞ্জ জুমগুলো দারুন একটা ড্রামাটিক মুহূর্ত এনে দেয়। অনেক দূরের জিনিষ কাছে টেনে আনে ফোকাল লেংথ বেড়ে যাওয়ার কারনে ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পূর্ণ ব্লার হয়ে যায় যার ফলে মূল বিষয় অনেক বেশী প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। বিশেষত লং রেঞ্জ জুম কিংবা টেলিফটো লেন্সগুলোর ফোকাল লেংথ ৭০ মি.মি এর অধিক হয়ে থাকে। এই লং ফোকাল লেংথের জন্যে অতিরিক্ত ব্লারি বা ঘোলা ছবি তোলা, এমনকি রাতের কম আলোতেও। নতুন মডেলের টেলিফটো লেন্সগুলোর সাথে ভিআর বা আইএস সুবিধা সংযুক্ত করা হয়েছে যা ঝাঁকিজনিত অসুবিধা অনেক কমিয়ে এনেছে। সাধারনত ওয়াইল্ড ফটোগ্রাফি ও স্পোর্টস ফটোগ্রাফিতে এই ধরনের লেন্স বেশী ব্যবহার করা হয়।
স্পেইশালাইজড লেন্স (ম্যাক্রো লেন্স, ফিস আই লেন্স এবং আল্ট্রা ওয়াইড লেন্স)
ম্যাক্রো লেন্স সাধারনত খুব কাছের ও ক্ষুদ্র কোন কিছু ছবি তুলতে ব্যবহার হয়ে থাকে যেমন: মশা-মাছি, মৌমাছির বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, ফুলের কেশর ইত্যাদির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
ফিস আই লেন্স সাধারনত আর্টিস্টিক ডিসটোশন ছবি তোলা কাজে ব্যবহৃত হয়। আপনি যদি মনে করেন ৩৬০ ডিগ্রি ফটোগ্রাফি করবেন তাহলে এ লেন্স খুব দরকারী।
আল্ট্রা ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স মূল ল্যান্ডস্কেপ, গ্রুপ ফটোগ্রাফিতে বেশী ব্যবহৃত হয়। অনেক বেশী ওয়াইড ছবি তোলার জন্যে আল্ট্রা ওয়াইড এ্যাঙ্গেল ব্যবহৃত হয়। অল্প জায়গাতে শ্যুট করতেও ব্যবহার করা হয়। যত কম ফোকাল লেংথ হবে তত বেশী ওয়াইড হবে। ১৮ এম.এম বা ২৮ এম.এম এর কমগুলোকে ওয়াইড লেন্স বলা হয়। এই ওয়াইড লেন্স দিয়ে সবাইকে সুন্দরভাবে ফ্রেমে বন্দী করা যায়।
লেন্সের যত বড় এ্যাপাচার ও দামী এলিমেন্ট দ্বারা তৈরী হবে তত বেশী দাম পড়বে।

ডিপজল কে যখন নায়ক বানালাম।    Al mamun
15/01/2017

ডিপজল কে যখন নায়ক বানালাম।



Al mamun

Manual Mode For DSLRভাল করে ছবি টা দেখে বুজবেন।।P- (Auto mode and Best auto mode)S- (You can only Change the ShutterSpee...
12/01/2017

Manual Mode For DSLR

ভাল করে ছবি টা দেখে বুজবেন।।
P- (Auto mode and Best auto mode)
S- (You can only Change the ShutterSpeed and Other Auto mode)
A-(Same as S, You can change only Aperture)
M-(Full Manual and All control depends on you) **Professional and Main reason to Buy dslr**

(collected)

03/01/2017


Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokchitro-The Colour Of life In Photo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category