EverGreen Thinker by Lenz

EverGreen Thinker by Lenz Love to take moment what I like

ফেসবুকে কাউরে উপদেশ দেই না, তবে দুইটা কথা কইবার চাই!নিজের জীবনরে এমনভাবে গড়ে তোলেন, যাতে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকার অভ্যাস ...
18/09/2022

ফেসবুকে কাউরে উপদেশ দেই না, তবে দুইটা কথা কইবার চাই!

নিজের জীবনরে এমনভাবে গড়ে তোলেন, যাতে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকার অভ্যাস ও থাকে আবার রেলস্টেশনে ঘুমানোর অভ্যাস ও থাকে৷ ব্লেজার, স্যুট, টাই পরে মানুষের সামনে স্টেজে দাঁড়াইয়া ইংরেজীতে বক্তৃতা দেওয়ার অভ্যাস থাকে আবার লুঙ্গীটা কাছা মাইরা কাদা পানিতে নাইমা ধান চাষ করা, মাছ ধরার অভ্যাস ও থাকে।

জীবনকে উপভোগ করতে চাইলে প্রচুর ঘুরেন প্রচুর। বেশি বেশি মানুষের সাথে মিশেন। আমি ইন্ট্রোভার্ট কারো সাথে মিশতে পারি না এইসব টার্ম নিয়ে ঘরের ভিতর সারাদিন ভিডিও গেমস খেললে আর প্রেম করলে ডিপ্রেশন আপনার হবে না তো কার হবে?

প্রেম করেন, প্রেম করতে কোন মানা নাই, জীবনে দুই একটা চরম ছ্যাকা না খাইলে অনেক কিছুর অভিজ্ঞতা হয় না। কিন্তু খেয়াল রাখেন প্রেম পিরিতি কইরা যেনো আপনার দুনিয়া শুধু একটা মানুষরে ঘিরে না হয়। যখন একজনরে ঘিরে পৃথিবী আবদ্ধ কইরা ফালাইবেন তখন সে চইল্যা গেলে চোখে সইর্ষা ফুল দেখে আন্ধার লাগবে। মরার চিন্তা ঘুরবো খালি মাথায় কারণ আপনার মাথায় তো আর কিছু নাই। লাইফ টাইম এডভাইস, কোন ছেলে বা মেয়ের জন্যে জীবনটা নষ্ট কইরেন না, জীবনটা বড় দামি।
মরতে তো হইবোই, এমনেই একদিন মইরা যাবেন, মরার আগে পৃথিবীটারে দেখেন, দেশটারে দেখেন, অনেক কিছু শিখার চেষ্টা করেন।

ট্রাভেল কইরা কিছু শিখার ইচ্ছা থাকলে সলো ট্রাভেল করেন, একা বেশি ভয় লাগলে ২-৩ জন লইয়া যান। বিভিন্ন গ্রুপে ট্রাভেল করতে গেলে কিছু শিখা হয় না ঐটা হইছে এনজয়মেন্ট। এক জায়গায় ঘুরতে গেলেন একটা সেলফি তুললেন চলে আসলেন সেইটারে ট্রাভেল বলে না। ঘুরতে যাইয়া আপনার গায়ে একটু ধূলাবালি, মাটি, কাদা, পানি লাগলো না, পরিশ্রম হইলো না ঐটারে ট্রাভেল কয় না।

ট্রাভেলিং করবেন জীবনের অর্থ খুঁজতে, মাটির সাথে মিশতে, প্রকৃতির কোলে ঘুমোতে। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা, ইতিহাস, খাদ্যাভাস ও মানুষকে জানতে। আপনার বন্ধু বানাইবেন ট্রাক ড্রাইভার, বাসের হেল্পার, ট্রলারের মাঝি, কাঠমিস্ত্রি, সিএনজি ড্রাইভার, কৃষক, চা-ওয়ালা, আদিবাসী কারবারি, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, আরো আরো অজস্র আগন্তুককে। বয়স, শিক্ষা, স্ট্যাটাস বাদ দিয়া এদের সাথে দুইটা দিন ঘুরেন, থাকেন, ঘুমান, খান। দেখবেন জীবন কারে কয়! এই জীবন আপনি বারবার চাইবেন ট্রাস্ট মি বার বার। আপনার আর এই সুন্দর দুনিয়া ছাইড়া মরতে ইচ্ছা করবো না।

প্যারেন্টস ঘুরতে যাইতে দেয় না, সন্ধ্যার আগে বাসায় ঢুকতে বলে, ঘুরতে যাওয়ার টাকা নাই, মেয়ে বলে ঘুরতে পারি না!
এগুলা হইছে একেকটা উছিলা, এইসব ফালতু লজিক দেখায়েন না আল্লাহর ওয়াস্তে। আপনার বাপ-মা ঘুরতে না দিলে সেইটা আপনার ব্যর্থতা। আপনি নিজেকে আপনার বাপ-মার কাছে সেভাবে রিপ্রেজেন্ট করতে পারেন নাই, আপনি ঘুরে যে কিছু জ্ঞান অর্জন করবেন সেটা বুঝাইতে পারেন নাই। আপনি যে যথেষ্ট ম্যাচিউরড হইছেন এটা শো করতে পারেন নাই। দরকারে প্যারেন্টসের হাত-পা ধইরা বইসা থাকেন। প্রথম প্রথম আমারেও ঘুরতে যাইতে দিতো না। কিন্তু এখন আমার সব মিশনে আমাকে এপ্রিশিয়েট করে।

দেশের ভিতর ট্রাভেলিং করতে আহামরি টাকা লাগে না। এখন আপনে চড়বেন এসি গাড়িতে, খাইবেন উন্নতমানের হোটেলে, থাকবেন বিশাল কটেজ বা রিসোর্টে। টাকা তো আপনার লাগবেই। আপনে তো আর ট্রাভেলিংয়ে যান নাই, আরাম আয়েশ করতে গেছেন, বন্ধুদের সাথে ফূর্তি করতে গেছেন, শুধু ছবি তুলতে গেছেন।

আমি অনেক মেয়ে ট্রাভেলারদের চিনি যারা ৬৪ জেলা ঘুরে বড় বড় প্রজেক্ট নামাইসে, সেসবের জন্যে এওয়ার্ড ও পাইছে। অনেকে এখনো ৪০-৫০ জেলা ঘুরায় রানিং আছে। ডিয়ার, ইউর জেন্ডার ডাজেন্ট মেইক ইউ উইক৷ ইউ হেভ টু আর্ন ইট। আমি অনেক ট্রাভেলার চিনি যারা সামান্য কিছু টাকা দিয়া ট্রাভেল করে। পাঁয়ে হেটে মাত্র ৮-১০ হাজার টাকায় ৬৪ জেলা ঘুরে ফেলছে এমন লোক ও আছে। আপনাকে ঘর ছাইড়া বাহির হইতে হবে। বাইরের দুনিয়ায় কিভাবে ফাইট করে চলতে হয় সেটা শিখতে হবে। আমাদের কারো বাপ মা এত কোটিপতি না। বেশিরভাগেই মিডল ক্লাস ফ্যামিলির ছেলে-মেয়ে।

অনেকেই মনে করে আমার অনেক অনেক টাকা, যা দিয়ে ৬৪ জেলা ঘুরছি, কিন্তু না ভাই না। আমি এখনো এক কাপ চা খাইতে গেলে ৫ টাকার বেশি ৬ টাকা নিলে খাই না। ২ মাস ধরে জুতা সেলাইয়া পইরা ঘুরি, গুলিস্তানের লোকাল মার্কেট থেকে জুতা কিনি, নিউমার্কেটের দুই তালায় গরমে সিদ্ধ হইয়া ঘুইরা ঘুইরা কম দামে শার্ট প্যান্ট কিনি। টাকা বাঁচাইতে লোকাল বাসে চড়ি, বাংলা হোটেলে শুধু ডিম-ডাল দিয়া ভাত খাই, মেইল ট্রেনে চড়ি, লঞ্চের চিপায়চুপায় থাকি। আমি কোন ট্রাভেলার না আমি মুসাফির, ভবঘুরে, যাযাবর যেখানে রাইত সেখানেই কাইত৷ মুসাফির নামক জীবনের আনন্দই অন্যরকম...

তার মানে কি আমার বাপের টাকা পয়সা একেবারেই নাই? না ভাই না। আমারে খাইতে, শপিং করতে, পড়াশুনা করতে যেই টাকা দেয় সেগুলা সব ঘুরার জন্যে সেভিং করি। এক জুতা কিনতে আমারে ৩ বার টাকা দিছে ৩ বারেই আমি দেশ ঘুইরা ঘুইরা ভাংছি, ঈদের সালামীর টাকা দিয়া ঘুরছি। আমারে এইজন্যে বাসা থেকে নগদ ক্যাশ দিতে চায় না ডাইরেক্ট জামাকাপড় কিনে দেয়৷ ১২০ টাকা খরচা হইবো বইলা আমি ৮-৯ মাস পর পর চুল কাটি। বড় চুল গোফ বইলা বাপ মা আমারে নিয়া গ্রামে যাইতে চায় না। আমারে এক বান্ধবী একবার আমারে বলছিলো আমি বাথরুমের স্যান্ডেল পইরা ক্যাম্পাসে কেন আসছি। আমি লজ্জা পাই নাই ভাই, এইসবে লজ্জা পাইতে নাই। এখন আমার নাম দেশের নিউজপেপারে আছে আমার বান্ধবীর নাম কিন্তু নাই।

জীবনে অনেক বড় হতে হলে, আপনাকে আগে অনেক ছোট হতে হবে...
আমি জীবনে বড় বড় অফিসার, বিসিএস ক্যাডার, ক্যাপ্টেন, মেজর, এসপি, নামকরা ডাক্তার, সাংবাদিক, কোটিপতি বিজনেসম্যানের সাথেও মিশছি, থাকছি, খাইছি আবার ৬৪ জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে থাকা কৃষক, দিনমজুর, বাসের হেল্পার, চাওয়ালা, সিএনজি ড্রাইভার, মাঝি, জেলে এদের বন্ধু বানাইছি, তাদের বাসায় ডাল-ভাত খাইসি। ৬৪ জেলার এমন কোন জেলা নাই যেখানে একটা অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত লোক আমার পরিচিত নাই৷ তারা এখনো প্রায়শই আমারে ফোন দেয়, জীবনের গল্প বলে দুঃখ বলে, সুখের কথা বলে। আমি শুনি আর হাসি, এটাই যে জীবন।
আমাদের সমাজের আশেপাশের কিছু লোকজন একেকটা নিম্নরুচিসম্পন্ন মানুষজন। বেশিরভাগেই "তুই এটা পারবি না" বলে আপনারে ডিমোটিভেট করবে।

ইন্টারে একটা সংগঠন করতাম। বন্যায় ত্রাণ দিতে ঢাকার বাইরে যাবে আমারে বলছিলো আমি ছোট তাই আমি যেতে পারবো না।
তার ৩ বছরের মাথায় আমি ৬৪ জেলা ঘুরে ফেলছি। এখন সেই সংগঠনের সব মেম্বারের যত নেটওয়ার্ক আছে ৬৪ জেলায় আমার তার চেয়ে বেশি নেটওয়ার্ক আছে আই ক্যান বেট। আগামী ২ বছরে বাংলাদেশের ৪৯২ উপজেলায় নেটওয়ার্ক তৈরী করব ইনশাআল্লাহ।
ইন্টারে ফেল করার পর দুলাভাই বলছিলো আমারে দিয়া পড়ালেখা হবে না। তার পরের দেড় বছরের মাথায় ৪ টা পাব্লিক ভার্সিটিতে ৬ টা সিট দখল করছি৷

পারবো না মানে পারবো না আবার কোন জিনিষ? "আমি পারি না" এই টার্মরে যাদুঘরে তুলে রাখেন৷

এখনকার সময়ে তো সাজেক, কক্সবাজার, সিলেট যাইয়াই একেকজন ট্রাভেল গ্রুপের এডমিন হইয়া বিশাল ট্রাভেলার হইয়া যায়। ৬৪ জেলার প্রান্তিক পর্য্যায়ে ঘুরে, ৩০০ কি.মি. হাইকিং করেও নিজেরে এখনো ট্রাভেলার বলতে লজ্জা লাগে৷ কারণ এখনো সত্যিকারের ট্রাভেলারের পর্যায়ে যাইতে পারি নাই। ট্রাভেলার হইতে অনেক গুণ লাগে, যা আমার মধ্যে নাই। অনেক বিনয়ী, নম্র, হেল্পফুল মাইন্ডের হতে হয়, অহংকারী ও ঈর্ষাপরায়ণ মানুষ কখনো ট্রাভেলার হতে পারে না।

এমন মানুষ ও আছে, নিজেরে দাবী করে ট্রাভেলার আবার বিভিন্ন দিকে র‍্যুট প্লান সেল করে বিগেনার ট্রাভেলারদের কাছে, হাস্যকর৷ ট্রাভেল করবেন নিজে শিখতে এবং অপরকে শিখাতে, মানুষকে ভালবাসতে সেলিব্রেটি হইতে না, শুধু টাকা কামাইতে না। আমাকে যারা ফলো করেন আপনারা কেউ আমার ফলোয়ার না সবাই ভাই-ব্রাদার লিস্ট ফুল বলে এড করতে পারি না। বহু ট্রাভেলার দেখছি একটু ঘুরলেই আর কারো মেসেজ রিপ্লাই দিতে চায় না। নিজেরে বিশাল হেডম ভাবে। লোকগুলার সাথে প্রাণ খুইলা কথা কন, আড্ডা দেন, ভালবাসেন দেখবেন আপনারাও মানুষের ভালবাসা পাইবেন। জীবনের মূল্য বাড়বে। নয়তো সামনে সম্মান দেখাইয়া পিছনে মানুষের গালি খাইবেন।

প্রচুর ট্রাভেলিং করলে, ভিন্ন মত, ধর্ম, বর্ণের মানুষের সাথে মিশলে ব্যক্তিজীবনেও অনেক সুবিধা আছে। অন্তত কিছু মানুষ আপনাকে আলাদা চোখে সম্মান করবে। অহংকার করতেছি না তবে একটা কথা বলতেই হয়, ক্যাম্পাসের স্যার একটা ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চের জন্যে ফিল্ডওয়ার্ক করতে আমারে ডাকছে, কিন্তু ডিপার্টমেন্টের অনেক টপার আছে, অনেক ভাল ভাল ছাত্র আছে কিন্তু তাদের ডাকে নাই। কারণ স্যার শুধু এইটুকু জানে আমার ট্রাভেলিং করার অভ্যেস আছে, প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে যেটা এখানে কাজে লাগাতে পারবো। এরপর এক পরিবেশবিদ বড় ভাই ডাকছে সুন্দরবনে তার সাথে একটা রিসার্চের কাজে যাইতে। কারণ একটাই এই সব পরিবেশেই আমার হাতেখড়ি হইছে।

জীবন অনেক সুন্দর, এই জীবনরে হারায়ে যাইতে দিয়েন না। পুরো জীবনটা দিয়ে মানুষের কল্যাণে, মানুষকে ভালবেসে, মানুষের থেকে কিছু শিখতে বেরিয়ে যান। আজই বের হয়ে পরুন। ঘুরেন আর শিখেন, পরিশ্রম করেন, চিল করেন আনন্দ করেন, মুসাফির হইয়া যান, এইটার ফিডব্যাক একদিন না একদিন পাইবেন। জীবন তো একটা কি আছে জীবনে।
প্যারা নাই জাস্ট চিল...

🖊 - B.d. Rayhan

আমার এক চায়নিজ বায়ার নতুন বাংলাদেশে এসেছে, তার সাথে কিছু অর্ডার নিয়ে আলোচনা চলছে । সে বলছে, আমার দেশে একজন worker কে ১০...
29/08/2022

আমার এক চায়নিজ বায়ার নতুন বাংলাদেশে এসেছে, তার সাথে কিছু অর্ডার নিয়ে আলোচনা চলছে ।
সে বলছে, আমার দেশে একজন worker কে ১০০০ ডলার বেতন দিতে হয় তাই তোমর দেশে এসেছি । তোমার দেশে বেতন কত ?বল্লাম গড়ে ১৫০ ডলার ।
উওর দিল বাহ্ তাহলে তোমাকে অনেক অর্ডার দিব, করতে পারবে ? বল্লাম কেন নয় , যত পার order দাও করে দেব।
একটা Trouser দিয়ে বল্ল CM (কাটিং/ মেকিং) কত ?
ভাল quantities দেখে বল্লাম ২ ডলার ।
অবাক হয়ে বল্ল কেন ?
আমার দেশে CM ৪ ডলার আর তোমার দেশের বেতন আমাদের দেশের থেকে ৮৫% কম তাহলে এত CM কেন? তোমার CM হবে $৪ -৮৫%= $০.৬০/পিস !!!!
বল্লাম আমাদের কিছু হিডেন কস্ট আছে তাই। জানতে চাইল হিডেন কস্ট গুলি কি ? আমি বলতে গিয়ে চেপে গেলাম, চুপ করে রইলাম । সে কাঁধে হাত দিয়ে বল্ল, আমরা চাইনিজ, বাজার নিয়ে গবেষনা করেই এসেছি। তোমরা এভাবে এ্যপারেল সেক্টর আর বেশী দিন চালাতে পারবে না ।
কারন -
1. ব্যাংক ইন্টারেস্ট ১৪%, আমাদের ৪%, তোমার আগে ব্যাংক পয়সা বানাবে।
2. ওয়েস্টেজ ৫%, আমাদের ১% আর দামী item এ pc to pc no wastage
3. ইফিসিয়েস্সি ৪০% নিচে, আমাদের ৭৫%
4. যে pant line এ আমাদের ৩০ জন কাজ করে সেখানে তোমাদের লাগে ৫০ জন
5. ট্রান্সপোর্ট কস্ট অনেক বেশী
6. কাস্টমস , VAT , Yearly Audit, ITC , ERC,UD সব জাগায় আন্ডার টেবিল মানি আর খরচও অনেক বেশী
7. ইউটিলিটি কস্ট বেশী
8. ইম্পোর্ট আর এক্সপোর্ট্র delay
9. Port congestion । ১২ দিনে জাহাজ আসে আর ১২ দিনে release হয় !
10. আমরা province অনুযায়ী ১০% থেকে ১৪% export invoice এর উপর incentive পাই তোমরা কত পাও ? বল্লাম এই বছর ১% পাইব বলে আশায় আছি !
এই সব hidden cost আর extra খরচ তুমি CM এ add করলেই , আমি কেন দেব? আসলেই আমার কোন উত্তর নাই । বল্ল, এত ঝামেলা নিয়ে তোমরা কিভাবে ব্যবসা করছ সেটাই অবাক করার মত। ৩০ বছর এ্যপারেল ব্যবসা করে এখনো ঢাকা - চিটাগাং ১২ ঘন্টা লাগে ।
এ্যপারেল ব্যবসা থেকে যত টাকা এ পর্যন্ত Tax আর VAT দিয়েছ তা দিয়ে ঢাকা -চিটাগাং বিমানের রান ওয়ে করা সম্ভব ছিল। আর ৩০ বছর ব্যবসা করে এখনো basic item সার্ট, টি সার্ট আর পেন্টই বানাচ্ছো আর আমরা ৩০ বছরে হাজার রকম আইটেম বানাই তাও আবার ভুমিহীন কৃষকের মত সরকারী জমিতে ফ্যক্টরি করে কারন আমাদের নিজের কোন জমি নেই ।
দুই কাপ গরম কফিতে ব্যবসার কফিনে পেরেক ঠুকে চলে গেল আর আমি চেয়ে রইলাম নতুন কোন buyer এর খোঁজে ...
(Collected)
Source: Textile & Garments Marchandising

 #কোন_এক_মায়ের_দেয়া_দশটি_উপদেশঃ১) শরীরের গন্ধ কখনো পারফিউম দিয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবেনা। তাই, কোথাও যাওয়ার আগে ভালো ক...
28/08/2022

#কোন_এক_মায়ের_দেয়া_দশটি_উপদেশঃ
১) শরীরের গন্ধ কখনো পারফিউম দিয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবেনা। তাই, কোথাও যাওয়ার আগে ভালো করে স্নান করে নিবা। এটা নিজের জন্যও ভালো, অপরের জন্যও ভালো।

২) যে বিছানায় ছয়-সাত ঘন্টা ঘুমিয়ে পার করো-সে বিছানা কেন মাত্র দু মিনিটে পরিষ্কার করে ,গুছিয়ে রাখতে পারোনা।

৩) মানুষের কিচেন আর বাথরুম দেখেই বুঝা যায়- তারা কতটুকু পরিষ্কার।

৪) অপরিষ্কার দামী প্লেটে পোলাও , বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে পরিষ্কার মাটির প্লেটে শাকভাত খাওয়া ভালো।

৫) ব্যুফেতে খাওয়া সবসময় এড়িয়ে চলবা। এতে মানুষের খাওয়ার প্রতি শুধু লোভই বাড়েনা। বরং বিভিন্ন মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস খাওয়ার ওপরে পরে। এমনকি অনেককে খাওয়ার ওপর হাঁচি দিতেও দেখা যায়।

৬) বুড়ো রিকসাওয়ালা দেখলে ওনার রিকসায় চড়বা। কারণ- ওনাকে সবাই এড়িয়ে চলে । ফলে বেচারার দিনের পর প্রত্যাশিত আয় হয়না। পারলে দশটা টাকা বেশি দিবা।

৭) ভাত খাওয়ার পর কারো কিচেনে কুলি করে পানি ফেলবেনা। এটা খুবই অরুচিকর। বাথরুমের বেসিনে গিয়ে হাত-মুখ পরিষ্কার করে আসবা।

৮) যে হাত দিয়ে খাবারও খাও, সে হাত দিয়ে গ্লাস, চামচ ইত্যাদি স্পর্শ করবানা। এটা একটা কমনসেন্স।

৯) একসাথে কয়েকজন মিলে একই বাটিতে যদি কোনো কিছু বিশেষ করে কাটা ফলের টুকরো খেতে হয়-তবে -যে টুকরোও চামচ লাগাবা সেই টুকরোই খাবা। চামচ দিয়ে অযথা সব ফলের টুকরো নাড়া চাড়া করবানা।

১০) কোনো লাইনে যদি শিশু, মহিলা আর বৃদ্ধ থাকে তবে সবার শেষে গিয়ে লাইনে দাঁড়াবা। তোমার ক্ষুধার চেয়ে বরং ওদের ক্ষুধা মেটানো জরুরী। একজন মায়ের নিজের শিশুকে খাওয়ানো,নিজে খাওয়া সহ আরো নানা বিষয়ে তাকে খেয়াল রাখতে হয়। তাই,তাদের অগ্রাধিকার দিবা।

আমি একজন বিধবা মহিলা আমার বয়স এখন ৬০ বছর। আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম। আমার একটা-ই ছেলে যার বয়স এখন ৩৬ বছর। ওর নাম আশিক আদন...
04/08/2022

আমি একজন বিধবা মহিলা আমার বয়স এখন ৬০ বছর। আমি স্কুল শিক্ষিকা ছিলাম। আমার একটা-ই ছেলে যার বয়স এখন ৩৬ বছর। ওর নাম আশিক আদনান দিপ ও থাকে অষ্ট্রেলিয়া। আমার হাজবেন্ড যখন মারা যায় তখন আমার বয়স ৪০ বছর। আর আমার ছেলে আশিক আদনান দিপ যাকে আমি দিপ বলে ডাকি ওর বয়স তখন ১৬ বছর।

ছেলে কে আমি একা একা বড় করেছি। নিজে কষ্ট করেছি, কখনো ছেলেকে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেই নাই। সব সময় চেয়েছি ওর সব চাহিদা মেটাতে। কখনো যেন না ভাবে - আমার বাবা থাকলে এ-ই চাহিদাটা পূরণ হতো। বাবা নাই বলে এটা পাচ্ছি না। ছেলে কে দেশের সব চাইতে ভালো স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়িয়েছি। তারপর ছেলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে চলে গেলো অষ্ট্রেলিয়া । সব খরচ একা হাতে সামলিয়েছি। নিজের দিকে একদম খেয়াল করিনি। সব সময় দেখতে চেয়েছি আমার সন্তানের সফলতা ! তার ভবিষ্যৎ উজ্জল করাই ছিলো আমার জীবনের লক্ষ।আমাকে সবাই সফল মা বলেন।এই নিয়ে আমারও একধরনের চাপা গর্ব আছে।

গত সপ্তাহে আমার এক পুরাতন বান্ধবীর সাথে দেখা হলো ওর নাম লিপি। ওর ছেলে আমার ছেলে দিপের সাথে এক'ই স্কুলে পড়তো। ওর ছেলের সাথে অবশ্য দিপের খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিলো না। এর কারণ হয়তো আমি বা আমার ছেলে দিপ।

আমি সব সময় চাইতাম দিপ শুধু মাত্র ভালো স্টুডেন্ট যারা আর সব সময় পড়ালেখা নিয়ে কমপিটিশন করে তাদের সাথে মিশবে। তাতে করে ওর ভেতরে পড়ালেখার প্রতি আরো বেশি প্রতিযোগিতার মনোভাব থাকবে।

সব সময় লিপি বলতো -দেখ আমরা দু'জন কত ভালো বন্ধু। আর আমাদের ছেলেরাও এক'ই স্কুলে পড়ে, তার পরেও ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হলো না। লিপির ছেলে আরিফ সব ক্লাসে টেনেটুনে পাশ করে যেতো। তবে সব সময়ই স্কুলের খেলাধুলা অন্যান্য কার্যক্রম গুলোতে অংশগ্রহণ করতো। স্কুলের ওয়াল ম্যাগাজিনে ওর লেখা থাকতো, ছবি আঁকতো, এগুলো নিয়েই লিপি খুশি থাকতো।

লিপির কথা,- আমার ছেলে'তো আর ফেল করে না! পাশ করে গেলেই হলো। সবার ছেলেতো ফাস্ট হবে না। আমার ছেলেটা পড়ালেখায় তেমন ভালো না কিন্তু ওর অন্য কাজ গুলো কত সুন্দর!

আমার কাছে লিপির এই কথা গুলো অসহ্য লাগতো। মনে হতো,ছেলের মাথায় তো গোবর আছে। তার চাইতে বেশি গোবর মায়ের মাথায়। তা না হলে যে ছেলে পড়ালেখায় এত পেছনে পরে আছে। তাকে কোন মা স্কুলের এক্সটা কার্যক্রম নিয়ে সময় নষ্ট করতে দেয়!

দিপ কলেজে উঠে নটরডেম কলেজে ভর্তি হলো আর আরিফ খুবই সাধারণ একটা কলেজে ভর্তি হলো। তার পর ওদের সাথে আর যোগাযোগ ছিলো না।

গত সপ্তাহে শপিং মলে ওদের সাথে দেখা হলো। তাও আমি ওদের দেখি নাই। আমাকে লিপির ছেলে আরিফ দেখতে পেয়ে আমার কাছে এসে বলে-

- আন্টি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি আরিফ।

আমি আরিফকে আসলেই চিনতে পারছিলাম না। আরিফ কে যখন শেষ দেখি তখন মাত্র স্কুল ছেড়ে কলেজে যাবে। ছেলে মানুষি এখনো চোখে মুখে। আর এখন রীতি মতো ভদ্রলোক। তার পর আরিফ আমাকে লিপির কাছে নিয়ে যায়। লিপি একটা দোকানে বসা ছিলো। লিপিকে নিয়ে ওর ছেলে শপিং এ এসেছে। তাও আবার লিপির জন্য তার ছেলে পছন্দ করে কি সব রংচঙে থ্রী-পিছ কিনছে।

আমি আর লিপি সব সময় শাড়ি পরতাম, তাই আমি একটু অবাক হলাম। লিপি আমার কাছে বার বার জানতে চাইছিলো।

-তুই বল আমি কোনটা কিনবো আমাকে কোনটায় মানাবে?

তখনই আরিফ হঠাৎ করে বলে বসে-

- আন্টি আপনি যেটা পছন্দ করবেন আম্মা সেটাই কিনবে।

তার পর আমি একটা থ্রী- পিস পছন্দ করি আরিফ সেই একই থ্রী- পিস দুইটা কিনে আমি তা খেয়াল করি।

আমি আর লিপি গল্প করছিলাম কেনাকাটার ফাঁকে ফাঁকে। তারপর আরো কিছু টুকিটাকি কেনাকাটা করে ওরা। ওদের কেনাকাটা দেখে মনে হচ্ছিল ওরা কোথাও বেড়াতে যাবে। আমি আরিফকে খেয়াল করছিলাম ও লিপির সাথে কেমন সহজ স্বাভাবিক ভাবে কথা বলে। মনে হয় আরিফ ওর মাকে নয় মেয়ে কে নিয়ে বের হয়েছে শপিং করতে। তার পর আমাদের নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায়।আরিফ টুকটাক খাবার অর্ডার করে শেষে আরিফ বলে -

- আম্মা কফি খাবে নাকি কোন আইসক্রিম।

লিপি বলল- আগে কফি খাব তারপর কোন আইসক্রিম খেতে খেতে বাসায় যাব।

আমি বললাম- আমি শুধু কফি।

লিপি সঙ্গে সঙ্গে বলল -তা হলে আইসক্রিম খাওয়া বাদ।

খেতে খেতে শুনলাম ওরা বেড়াতে যাচ্ছে কক্সবাজারে সেখান থেকে সেন্ট মার্টিন। সাথে লিপি কে নিয়ে যাবে। যদিও সেটা আরিফের অফিসিয়াল টুর।আরিফ একটা বায়িং হাউস এ আছে। বুঝতে পারলাম ভালো দায়িত্বে আছে। আমাদের সাথে বসা অবস্থায় কতবার যে মেইল চেক করলো। আর টুকটাক অফিসিয়াল কল রিসিভ করলো। তার মানে শত ব্যস্ততার মধ্যেও মা'কে শপিং করতে নিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে আরো জানা হয়ে গেলো আরিফের বউ-এর কথা আরিফের বউ একটা মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিতে আছে। তাদের এক সন্তান সে এখন তার নানি বাড়িতে আছে। শপিং শেষ হলে আরিফ তার মেয়ে কে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিবে।

আমি একটা বিছানার চাদর আর আমার জন্য টুকটাক বাজার করতে এসেছিলাম। আমি কিছুই কিনি নাই সেদিন। আমার কিছু কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে না আর।আমি শুধু আরিফ কে দেখছিলাম। আরিফ কি ভাবে ওর মা'কে এত যত্ন করছে।স্যান্ডেলের দোকানে নিজে তার মায়ের পায়ে স্যান্ডেল পরিয়ে দিলো।লিপি এত দাম দিয়ে স্যান্ডেল কিনবে না। আরিফ তখন বলল আম্মা তুমি মূল্য দেখো কেন? তুমি দেখবে আরাম পাও কিনা?
আরিফের কত খেয়াল তার মায়ের জন্য। সব শেষে সানগ্লাস কিনলো মায়ের জন্য। লিপি সানগ্লাস কিনবে না।তখন আরিফ বলল,

- মা সানগ্লাস কিনতে হবে কারন তুমি যখন সমুদ্রের ধারে হাটবে তখন তোমার চোখে রোদ লাগবে।

ওদের মা - ছেলেকে দেখে আমার এমন লাগছে কেন? আমি আরিফ কে দেখছি, লিপিকে দেখছি। আর আমার ভেতরে কেমন হীনমন্যতা ঢুকে যাচ্ছে। বার বার মনে হচ্ছে আমি হেরে গেছি জীবনের কাছে। আমি একজন ব্যর্থ মা। যে তার ছেলেকে সব চাইতে সফল আর বড় বানাতে গিয়ে এত বড় বানিয়ে ফেলেছি যে, সেই ছেলের নাগাল আমি আর কখনো পাবো না!

এর মধ্যে কয়েকবার আরিফ দিপের কথা জানতে চেয়েছে।দিপের সাথে যোগাযোগের নম্বর চেয়েছে, আমি দেই নাই। বলেছি বাসায় আছে, নোট বইয়ে লেখা। আর দিপ আমাকে কল দেয় সব সময়। আমি তো দেই না তাই মনে নাই। আসলে দিপের অনুমতি না নিয়ে ওর নম্বর কাউকে দিলে ও রাগ করবে। আমাকেই বলে-
- মা আমি অনেক বিজি থাকি, যখন তখন কল দিবে না। এতে করে আমার ডিসটার্ব হয়। তুমি এখনো অষ্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের সময়ে এডজাস্ট করতে পারো না কেন?

আরিফ আমাকে আমাদের বাসায় নামিয়ে দেওয়ার সময় আমার হাতে একটা শপিং ব্যাগ দিয়ে বলল এটা আপনার জন্য। আমি দেখি ঠিক মিনার মতো আমার জন্যও একটা থ্রী-পিস কিনেছে আরিফ। আন্টি এটা আপনার জন্য।আপনারা দুই বান্ধবী এক সময় এক রকম জামা পরে বেড়াতে বের হবেন।

আমার চোখে পানি চলে আসার অবস্থা হয়েছিলো তখন।
আরিফ আরো বলল আন্টি আমার মোবাইল নং তো সেভ করে দিয়েছি আপনার যখন খুশি কল দিবেন, আমি এসে আপনাকে বাসায় নিয়ে যাবো। আমি তখন বললাম -

তুমিও তো বিজি থাকো। তখন আরিফ বলল,
- আন্টি আপনার জন্য আমি সব সময়ই ফ্রি আছি।
তারপর আরো বলল,

-আন্টি আপনি তো একা থাকেন আপনিও চলেন না আমাদের সাথে কক্স বাজার। আম্মা'র একজন সঙ্গী হবে। আম্মার আরো বেশি ভালো লাগবে।
আমি মনে মনে কতক্ষন থেকে বলছি - লিপি আমাকে নিবি তোদের সাথে কক্স বাজার? আমি সমুদ্র দেখবো না। আমি শুধু দেখবো একজন ছেলে তার মা'কে কত আদর যত্ন করে তা।

আমি আরিফ কে বললাম,
- আরিফ আসলেই ঠিক বলেছো।লিপির সাথে কতদিন পর দেখা আমার। আমারও ভালো লাগবে তোমাদের সাথে বেড়াতে গেলে। কিন্তু দিপকে তো বলতে হবে।আমি আজ দিপের সাথে কথা বলে তোমাকে জানাবো।
লিপি মনে হয় আমার কথায় অবাক হলো। আমি এত সহজে ওদের সাথে যেতে রাজি হবো এটা লিপি ভাবতেও পারে নাই। লিপি। আমার হাত জড়িয়ে ধরে বলল,

- শাহী প্লীজ চল, আমার অনেক ভালো লাগবে।
তার পর ওরা চলে গেলো। আমি আমার আলো-হীন ঘরে ঢুকে, আজ আরো বেশি অন্ধকার দেখতে পেলাম। গতকাল রাতের বেলা দিপের সাথে হওয়া কথা গুলো ভাবতে লাগলাম।

দিপের বিয়ে দিপ একা-একা করলো অষ্ট্রেলিয়া, নিজে মেয়ে পছন্দ করলো আর যেহেতু মেয়েরা অষ্ট্রেলিয়া বহু বছর থেকে আছে। তাই বাংলাদেশে এসে বিয়ের করার প্রশ্নই আসে না। আমি টেলিফোনে ওদের আশির্বাদ করলাম। তার পর দেশে আসবে বলে আসলো না। তখন দিপের বউ-এর পড়ালেখা শেষ হয় নাই এর মধ্যে আসা যাবে না দিপের ছেলে হলো এখন ছেলে ছোট তাই বাংলাদেশের আবহাওয়া বাচ্চা'র সহ্য হবে না তা-ই আসা যাবে না। এবছর আমাকে অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য সব কাগজ ঠিক করার কথা। গতকাল কল দিয়ে বলল, এবার ছুটিতে ওদের সবাই কে নিয়ে দিপের শ্বশুর শাশুড়ী সহ আমেরিকা যাবে। দিপ আমাকে কল দিয়ে বলল মা আমরা সবাই চেষ্টা করবো আগামী বছর দেশে আসার তুমি মন খারাপ করো না।

না আমি মন খারাপ করি নাই। আমি আজ আরিফ কে দেখে বুঝতে পেরেছি, শুধু ভালো ছাত্র আর সব সময় ফাস্ট হওয়া ছেলেরাই সেরা সন্তান হয় না। একজন সন্তান কে মানুষ করার ক্ষেত্রে আমি শুধু আমার ছেলেকে সেরাটা দিয়েছি। আর তাকে শিখিয়েছি ফাস্ট হতে হবে পরীক্ষার খাতায় আর চাকরির বাজারে।

সেরা মানুষ হতে হবে এটা আমি কখনো শেখাই নাই।আমি ওকে কখনো শেখাই নাই তোমার বন্ধুদের সহযোগিতা করবে। আমি শিখিয়েছি শুধু প্রতিযোগিতা।.

ওর কিসে ভালো হবে ওকে শিখিয়েছি। কিন্তু সবাইকে নিয়ে ভাবাটা শিখাতে পারি নাই। আমি সব সময় দিপ কে ভালো জিনিস কিনে দিয়েছি। ওর চাহিদা পূরণ করেছি। কিন্তু আমি কখনো আমার কোন চাহিদা আছে বা থাকতে পারে তা ওকে দেখাই নাই।

আমি দিপকে কল দিবো না কক্স বাজার যাওয়া নিয়ে। এটা আরিফ কে বলার জন্য বলা। আজ লিপিদের সাথে দেখা হওয়ায় ভালো হলো। এখন থেকে আমি আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে ভাববো। ছেলেকে নিয়ে আমার ভাবনা শেষ। ছেলে কে তার ভালো থাকার জন্য সব করে দিয়েছি। ছেলের আর আমার কাছ থেকে পাওয়ার কিছু নাই।

ছেলে আমাকে তার কাছে অষ্ট্রেলিয়া বেড়াতে নিয়ে যাবে বলে, গত দুই বছর থেকে আমার চলার টাকা থেকে একটু একটু করে যথেষ্ট টাকা জমিয়েছি। ওদের জন্য কত কিছু কিনবো তাই।

এবার থেকে আমি আমার জীবনের ছোট ছোট চাওয়া গুলো পূরণ করবো।বাঁচব আর কটা দিন। খুব শখ ছিলো হিমালয় দেখবো আর মিশরের পিরামিড দেখবো! একা একা কি এগুলো দেখা যাবে? তার চাইতে এবার লিপির সাথে কক্সবাজার আর সেন্ট মার্টিন ঘুরে আসি তারপর একটু নিজেকে নিয়ে ভাববো।

💌গল্প টা সত্য ঘটনা অবলম্বনে

- Suraya Sharmin

আমরা বলতে থাকি, আমরা তো স্বাধীন, যা খুশি করার অধিকার আছে। নীচের ছবিটি দেখুন। এই লোক তার প্রাপ্য বুঝে নিয়েছে।  অন্য ভাগের...
26/07/2022

আমরা বলতে থাকি, আমরা তো স্বাধীন, যা খুশি করার অধিকার আছে। নীচের ছবিটি দেখুন। এই লোক তার প্রাপ্য বুঝে নিয়েছে। অন্য ভাগের সমানই সে নিয়েছে হিসাবে পরিমানে, কিন্তু তা করতে যেয়ে সে অন্যের প্রাপ্য গ্রহনে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়াও সে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে যাতে অন্যেরা মানসিক ভাবেও বিরক্ত হচ্ছে।

তার স্বাধীনতার চর্চা অন্যের মানসিক পীড়নের কারন।

এটা হচ্ছে Bad practice of exercising freedom.
এবং এটা আপনি করতে পারেন না। এই ধরনের স্বাধীনতার চর্চা করার অধিকার আপনার নাই।

আপনি given even situation এ যেখান থেকে খুশি আপনার টুকরোটি তুলে নিন - ডান বাম উত্তর দক্ষিণ, কিন্তু ডিজাইন ভেংগে অন্যের স্বস্তি চর্চায় বিঘ্ন ঘটিয়ে নয়। বুদ্ধিমানদের জন্য আছে এতে নিদর্শন!
আমরা স্বাধীনতা আর উচ্ছৃঙ্খলতার পার্থক্যটাই বুঝিনা।

©[লেখকের নাম খুজে পাইনি]

এক দৌড় প্রতিযোগিতায়। কেনিয়ার হয়ে দৌড়চ্ছিলেন আবেল মুতাই। খুব ভাল দৌড়চ্ছিল, সবাইকে পিছনে ফেলে প্রায় পৌঁছে গেছেন শেষ ল্যাপে...
13/07/2022

এক দৌড় প্রতিযোগিতায়।
কেনিয়ার হয়ে দৌড়চ্ছিলেন আবেল মুতাই। খুব ভাল দৌড়চ্ছিল, সবাইকে পিছনে ফেলে প্রায় পৌঁছে গেছেন শেষ ল্যাপে।
তার পেছন পেছনই ধেয়ে আসছেন স্প্যানিশ অ্যাথলেট ইভান ফার্নান্ডেজ।
শেষ সীমানার অল্প একটু আগে পৌঁছে বিভ্রান্ত হয়ে পড়লেন আবেল মুতাই, তিনি ফিনিশিং লাইন বুঝতে না পেরে ভাবলেন তিনি জিতে গেছেন আর দৌড়ের গতি কমিয়ে দিলেন...!!
তার পেছনে থাকা স্প্যানিশ অ্যাথলেট ইভান ফার্নান্ডেজ আন্দাজ করে ফেললেন আবেল মুতাইয়ের কনফিউশানের ব্যাপারটা, আর সাথে সাথেই স্প্যানিশ ভাষায় চিৎকার করে আবেলকে বলতে শুরু করলেন, দৌড় শেষ হয়নি, তুমি দৌড়তে থাকো...!! আবেল স্প্যানিশ ভাষা না বুঝে আরো বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। ইভান বুঝতে পারে আর কোনো উপায় নেই... সে আবেলের কাছাকাছি এসে একরকম ধাক্কা মেরে ভিক্ট্রি লাইন পার করে জিতিয়ে দেয় আবেল মুতাই কে...!!
দৌড় শেষ হবার পর সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে ইভানকে। প্রশ্ন একটাই, তুমি এইরকম কেন করলে..??
ইভান ফার্নান্ডেজ বললেন, আমি একটি একটা সামাজিক পৃথিবী চাই যেখানে আমরা সবাই সবাইকে সাহায্য করব। সাংবাদিকরা সন্তুষ্ট হয়না এই জবাবে, সে প্রশ্ন করে, কিন্তু তুমি না জিতে ওকে জিতিয়ে দিলে কেন..??
ইভান ফার্নান্ডেজ বললেন জয়টা আমার প্রাপ্য ছিলোনা, যে প্রাপ্য ছিলো আমি তাকে সাহায্য করেছি মাত্র। আর এমন জয় দিয়ে কি পাবো, একটা মেডেল...?
যেখানে নৈতিকতা থাকবে না...
আমার মা আমাকে সে শিক্ষা দেয় নি....।
কাহিনীটা পড়ে এক অন্যরকম অনূভুতি হলো আমার...
আমাদের পরিবার-সমাজ, আমাদের শিক্ষা-সংস্কৃতি শুধুমাত্র আমাদেরকে জিততেই শিখাচ্ছে কাউকে জিতাতে শিখায়নি কখনো । আমাদের শুধু জিতা প্রয়োজন, সফল হওয়া প্রয়োজন সেটা যেভাবেই হোক যে কোন মাধ্যমেই হোক।
কাউকে জিতানোর মধ্যেও জিতে যাওয়া থাকতে পারে কাউকে সাহায্য করার মধ্যেও সফলতা থাকতে পারে এগুলা কখনোই আমাদের শিক্ষায় আমাদের চিন্তায় নেই, কেনো নেই...!!
সংগৃহীত

বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ মিলে   কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ। বছরে একবার কোথাও ঘুরতে যাওয়া,  সপ্তাহে না হলেও মাসে এক দুই...
17/03/2022

বয়স থাকতেই হাসবেন্ড ওয়াইফ মিলে কোয়ালিটি টাইম এনজয় করা উচিৎ। বছরে একবার কোথাও ঘুরতে যাওয়া, সপ্তাহে না হলেও মাসে এক দুইবার রেস্টুরেন্টে একটু খেতে যাওয়া অনেক সময় টাকা পয়সার অপচয় মনে হতে পারে। অথচ জীবনে বেঁচে থাকলে রিজিক দাতা রিজিকের ব্যাবস্থা করবেন নিশ্চয়ই।

কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে একটা সময় আসে যখন আপনার কাছে টাকা থাকবে কিন্তু আপনি চাইলেই হয়ত কিছু খেতে পারবেন না। শারিরীক অসুস্থতায় ঘুরতে মন চাইলেও তখন পারবেন না, দামী জামা কাপড় কেনার সামর্থ থাকলেও পড়তে মন চাইবে না।

সন্তানের লেখা পড়া অথবা বিভিন্ন রেসপন্সিবিলিটিস আসবে, তার মধ্যেও চাইলে সময় বের করা যায়। সব সম্পদ, টাকা পয়সা সন্তানের জন্য সঞ্চয় করলেও অল্প কিছু নিজেদের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিৎ...

দিন শেষে আপনার বাচ্চারও আলাদা লাইফ হবে। সে তার লাইফ এনজয় করবে। তখন মেয়ে মেয়ের জামাই, ছেলে ছেলের বউ ঘুরতে গেলে, রেস্টুরেন্টে গেলে, আফসোস হবে না, তাদের এনজয়মেন্ট তখন ভালো লাগবে... তারাও আপনাদের সম্মান করবে।

টেনশন, টাকা পয়সার টানাটানি, ব্যবসায় প্রবলেম, হাজার হাজার মানষিক কষ্ট আছে থাকবে কিন্তু এইগুলো যেন নিজেদের সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে।

জীবনের এই ছোট ছোট এনজয়মেন্ট এর জন্য আপনার মন মানসিকতা উদার হবে, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে পারবেন।
একটা সময় লাইফ হয়ত পার্টনার থাকবে না পাশে কিন্তু আপনাদের অসংখ্য স্মৃতি তখন আপনার বেঁচে থাকার রশদ হবে বাকি জীবন।

সংগৃহীত

এক রাজা একটি কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে নৌকায় ভ্রমণ করেছিলেন। সেই নৌকায় অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে একজন দার্শনিকও ছিলেন। কুকুরটা ...
22/02/2022

এক রাজা একটি কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে নৌকায় ভ্রমণ করেছিলেন।
সেই নৌকায় অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে একজন দার্শনিকও ছিলেন।
কুকুরটা খালি অস্থির হচ্ছিল এবং লাফালাফি করছিল।
নৌকার মাঝি মন খারাপ করে ভাবছিল যে, এমন চলতে থাকলে নৌকা যাত্রীদের নিয়ে ডুবে যাবে।
কিন্তু কুকুর তার স্বভাবজাত প্রকৃতির কারণে কিছুতেই থামছিল না।
এইরকম পরিস্থিতি দেখে, রাজাও রাগ করছিলেন। কিন্তু কুকুরকে শান্ত করার জন্য কোনও উপায় তিনি খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
নৌকাতে বসে দার্শনিক আর থাকতে পারলেন না।
তিনি রাজাকে কাছে গিয়ে বললেন, "রাজা মাসাই, যদি আপনি অনুমতি দেন, আমি এই কুকুরটিকে একটি বিড়াল করে দিতে পারি।"
রাজা অনুমতি দিয়ে দিলেন।
দার্শনিক দুই জন যাত্রীর সাহায্য নিয়ে সেই কুকুরটিকে নদীতে ফেলে দিলেন। কুকুরটি হাঁসফাঁস করতে করতে ভাসমান নৌকা ধরার চেষ্টা করতে লাগলো।
*** সে এখন তার জীবনের মূল্য অনুভব করেছিলো।
কিছুক্ষণ পর, দার্শনিক তাকে নৌকায় টেনে তুলে নিলেন।
তারপর কুকুরটি গোপনে একটি কোণায় গিয়ে চুপ করে বসে রইল।
নৌকার অন্যান্য যাত্রীদের মত রাজাও সেই কুকুরের আচরণ দেখে প্রচন্ড অবাক হলেন।
এবং রাজা দার্শনিককে জিজ্ঞেস করলেন.....
"এটি কেন এখন একটি পোষা ছাগলের মত বসে আছে" !?
দার্শনিক বললেন....
"যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে সমস্যায় না পড়ে ততক্ষণ পর্যন্ত অন্যের সমস্যা বুঝতে পারেনা ।
এই কুকুর যখন জলের ক্ষমতা ও নৌকার উপযোগিতা এবং নিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারলো, তখনই চুপ করে বসে গেল"।
শিক্ষনীয়ঃ
আমরা মানুষেরাও ঠিক এইরকম।
নিজেদের অহংকার ও দাম্ভিকতায়, আমরা অন্যদের জীবন অতিষ্ট করি।
যখন নিজেদের ক্ষমতা ও ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারি, তখনই আমরা চুপসে যাই!
তার আগে নয়..... !!

06/02/2022

একাকীত্বটা'কে যারা উপভোগ করতে শিখে গেছে?
এই পৃথিবীতে তাদের চেয়ে সুখী বোধহয় আর কেউ নেই।
না কারো থেকে কিছু পাওয়ার আশা, না কাউকে কিছু দেয়ার চিন্তা। না কারো ছেড়ে যাবার ভয়,না কাউকে হারানোর যন্ত্রণা। নিজের দুনিয়াতে নিজেই মত্ত। যারা একা একা ভালো থাকার স্বাদ পেয়েছে একবার?তারা আর ফেরেনা কখনও...

লেখা_ অপূর্ব দাস

ভয় থেকে কখনো ভালবাসা হয়না। আপনার partner কে এমনভাবে treat করবেন না যাতে তিনি আপনাকে ভয় পাওয়া শুরু করেন। অতিরিকত রাগী, অত...
11/12/2021

ভয় থেকে কখনো ভালবাসা হয়না।
আপনার partner কে এমনভাবে treat করবেন না যাতে তিনি আপনাকে ভয় পাওয়া শুরু করেন।
অতিরিকত রাগী, অতিরিকত dominating এবং অতিরিকত attention চাওয়া partner রা জীবনে ভালবাসা পায় না।
তারা বোকা হওয়ার কারনে অনেক সময় বুঝেওনা যে তাদের কাছের মানুষটিকে সে হারিয়ে ফেলেছে।
এরপর যা রয়ে যায় তার নাম - 'মানিয়ে নেয়া', ভালবাসা নয়।
ভালবাসা পাওয়া যায় - বাট তার জন্য space দিতে হয়।
Selfish এবং শুধু নিজেরটা বোঝা মানুষরা ভালবাসা পায়না।

আমি তোমার সাথেই আমাকে খুঁজে পাইএখনও যত্ন করে যাই,যদিও তুমি বহুদূরে..ক্লিকঃ মাহবুবুর রহমান
24/12/2020

আমি তোমার সাথেই আমাকে খুঁজে পাই
এখনও যত্ন করে যাই,
যদিও তুমি বহুদূরে..

ক্লিকঃ মাহবুবুর রহমান

এঞ্জ্যালিনা আপু বিবাহের কিছু ছবি
21/12/2020

এঞ্জ্যালিনা আপু বিবাহের কিছু ছবি

Address

Dhaka
1203

Telephone

8801717269269

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EverGreen Thinker by Lenz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to EverGreen Thinker by Lenz:

Share

Category