কাঠবিড়ালি-Kathbirali

  • Home
  • কাঠবিড়ালি-Kathbirali

কাঠবিড়ালি-Kathbirali Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কাঠবিড়ালি-Kathbirali, .

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল ঢাকার নবাবদের ঐতিহাসিক আবাসিক প্রাসাদ ও নিদর্শন। নওয়াব খাজা আব্দুল গণি ১৮৫৯ থ...
18/05/2026

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল ঢাকার নবাবদের ঐতিহাসিক আবাসিক প্রাসাদ ও নিদর্শন। নওয়াব খাজা আব্দুল গণি ১৮৫৯ থেকে ১৮৭২ সালের মধ্যে এটি নির্মাণ করেন এবং তাঁর প্রিয় পুত্র খাজা আহসানউল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন। সুরম্য গম্বুজ ও গোলাপি রঙের জন্য এটি 'গোলাপি প্রাসাদ' হিসেবেও পরিচিত।
ইতিহাস ও নির্মাণের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
পূর্বসূরিদের আমল:
মুঘল আমলে এখানে শেখ এনায়েত উল্লাহর একটি প্রমোদভবন ছিল। পরবর্তীতে ফরাসিরা এটি কিনে বাণিজ্য কুঠি হিসেবে ব্যবহার করে এবং ১৮৩০ সালে তা নবাব পরিবারের হাতে আসে।নির্মাণ ও আধুনিকায়ন:
খাজা আব্দুল গণি পুরোনো ভবনটি ভেঙে নতুন প্রাসাদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পুনর্নির্মাণ:
১৮৮৮ সালের ৭ এপ্রিল এক ভয়াবহ টর্নেডোর আঘাতে প্রাসাদটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে নওয়াব আহসানউল্লাহ নতুন নকশায় এটি পুনর্নির্মাণ করেন এবং এর ওপরের সুন্দর গম্বুজটি সংযোজন করেন।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
ব্রিটিশ আমলে এটি ছিল ঢাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্র। ১৯০৬ সালে এখানে অনুষ্ঠিত এক সভায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গোল তালাব (বা নবাব বাড়ির পুকুর) হলো পুরান ঢাকার ইসলামপুরে আহসান মঞ্জিলের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ঐতিহাসিক একটি ডিম্বাকৃতি...
17/05/2026

গোল তালাব (বা নবাব বাড়ির পুকুর) হলো পুরান ঢাকার ইসলামপুরে আহসান মঞ্জিলের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ঐতিহাসিক একটি ডিম্বাকৃতির জলাধার। ১৮৮৬ সালে নবাব আব্দুল বারি খনন করা এই ঐতিহ্যবাহী পুকুরে এখনও নামমাত্র মূল্যে (সাধারণত ৫-১০ টাকা) মানুষ গোসল ও সাঁতার কাটে।
অবস্থান ও ইতিহাসঅবস্থান:
পুরান ঢাকার ইসলামপুর, আহসান উল্লাহ রোড, আহসান মঞ্জিলের ঠিক পাশেই বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তরে অবস্থিত।
নামকরণ:
ফারসি/উর্দু শব্দ 'তালাব' অর্থ জলাধার বা পুকুর। গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির হওয়ার কারণে স্থানীয়দের কাছে এটি 'গোল পুকুর' নামেও পরিচিত।
ইতিহাস: ১৮৮৬ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্যরা এই পুকুরটি খনন করেন।
বর্তমানেও ঢাকার ব্যস্ততম শহুরে জীবনের মাঝে এটি ঐতিহ্য বহন করছে।

17/05/2026

শুভ সকাল💜

লালবাগ কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ। তিনি ১৬৭৮ সালে বাংলার...
15/05/2026

লালবাগ কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ। তিনি ১৬৭৮ সালে বাংলার সুবাদার থাকাকালীন এটি নির্মাণ শুরু করেন। পরবর্তীতে তার উত্তরসূরি সুবাদার শায়েস্তা খাঁ নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখলেও এটি অসমাপ্ত থেকে যায়।
মূল তথ্য:প্রতিষ্ঠাতা: শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ।শুরুর সাল: ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ।আদি নাম: কিল্লা আওরঙ্গবাদ।অবস্থান: ঢাকার লালবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।যদিও শায়েস্তা খাঁ কাজ চালিয়েছিলেন, কিন্তু ১৬৮৪ সালে তার কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর দুর্গের নির্মাণকাজ অসমাপ্ত রেখেছিলেন।

সিক্কাটুলি পুকুর, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ও শতবর্ষী জলাধারগুলোর মধ্যে অন্যতম।এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয...
14/05/2026

সিক্কাটুলি পুকুর, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ও শতবর্ষী জলাধারগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের বংশাল এলাকায় কাজী আলাউদ্দিন রোডের উত্তর পাশে অবস্থিত।

ঐতিহাসিক পটভূমি ও খনন:
প্রায় ১৩০ বছরের বেশি পুরোনো এই পুকুরটি কে বা কারা খনন করেছিলেন,স্থানীয় জনশ্রুতি ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস থেকে জানা যায়—নেয়ামত উল্লা নামে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নাজিরা বাজার পুলের সংলগ্ন মসজিদটি তৈরি করেছিলেন বলে এক দলিলে দেখা যায়। দলিলের তফছিলে বর্ণিত সীমানায় উল্লেখ করছে“নেয়ামত উল্লা ওস্তাগারের নির্মিত খানের খোদাই মসজিদে” সিক্কাটুলি যে পুকুর আছে তাহার এক দলিলে উল্লেখ পাওয়া যায় যে নেয়ামত উল্লা ওস্তাগারের স্ত্রী বোচা বিবির দেন মোহরের টাকায় জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য পুকুরটি খনন করে দিয়েছে।
সংস্কার:
সরকারি অর্থায়নে কয়েকবার এই পুকুরের সংস্কার করা হয়েছে।যেমন পুকুরের মাটি কাটা,পুকুরের চারপাশের সীমানা প্রাচীর ও সিড়িঘাট নির্মাণ করা হয়।
এলাকার সকল বয়োজ্যেষ্ঠ ও তরুনদের সাথে নিয়ে।

পুকুরের গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা
ঐতিহ্যবাহী ব্যবহার:
অতীতে এলাকার সব বয়সী মানুষের গোসল, সাঁতার কাটা ও দৈনন্দিন পানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এটি স্থানীয়দের বিনোদন ও নৌকাবাইচের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

পরিবেশ রক্ষা:
ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বৃষ্টির পানি ধারণ ও অগ্নিনির্বাপণে জরুরি পানির উৎস হিসেবে এটি এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সংরক্ষণ ও সমস্যা:
কালের বিবর্তনে চারপাশের বহুতল ভবন ও বর্জ্য ফেলার কারণে পুকুরের পরিবেশ ও পানি একসময় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল。পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংস্কার করা হলেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য ব্যাহত হচ্ছে।

@সংগৃহীত

১৭০ বছরেরও বেশি পুরনো পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বংশাল পুকুর স্থানীয়ভাবে 'জনতার পুকুর' নামে পরিচিত。১৮২২ থেকে ১৮৫০ সালের মাঝ...
13/05/2026

১৭০ বছরেরও বেশি পুরনো পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বংশাল পুকুর স্থানীয়ভাবে 'জনতার পুকুর' নামে পরিচিত。১৮২২ থেকে ১৮৫০ সালের মাঝামাঝি সময়ে (বিভিন্ন সূত্রে ১৮৪০ বা ১৮২২ সাল) বংশালের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী হাজী বদরুদ্দিন (ভুট্টো হাজী) এটি খনন করেন। প্রায় ৬ বিঘা আয়তনের এই পুকুরটি পুরান ঢাকাবাসীর জন্য এক জীবন্ত ইতিহাস ও সুস্থতার প্রতীক。
বংশাল পুকুরের উল্লেখযোগ্য ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্য:
ঐতিহাসিক পটভূমি:
জনশ্রুতি আছে, ১৮২২ সালে হাজী বদরুদ্দিন নামক একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ব্রিটিশ নাগরিক 'মেরিপগজ' (Meripogoj)-এর কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে তা পুকুরে রূপান্তর করেন।
নামকরণ ও আয়তন: এটি প্রায় ৪০০ ফুট লম্বা এবং ২৫০ ফুট চওড়া। এর গভীরতা প্রায় ২০ থেকে ৪০ ফুট।জনকল্যাণ:
অতীতে এলাকায় বিচার-শালিস বসত এই পুকুর পাড়কে কেন্দ্র করে。 ভুট্টো হাজী চামড়ার ব্যবসা করে অর্জিত সম্পদের বড় একটি অংশ জনহিতকর কাজে ব্যয় করেন এবং এই পুকুরটিও তারই একটি নিদর্শন。

বর্তমান রক্ষণাবেক্ষণ:
বর্তমানে বংশাল বড় মসজিদ কমিটি এটি রক্ষণাবেক্ষণ করে。 পুকুরের আয় থেকে প্রাপ্ত অর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দরিদ্র মানুষের বিয়ে আয়োজনের মতো কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়。
সংস্কৃতি ও প্রাত্যহিক জীবন:
আধুনিক ঢাকার কংক্রিটের মাঝেও এটি গ্রামীণ পরিবেশের আমেজ ধরে রেখেছে。 প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার মানুষ এখানে গোসল করেন。পুকুরটির চারপাশের সবুজ পরিবেশ এবং চারবার চক্কর দিলে প্রায় এক কিলোমিটার হাঁটার সুযোগ থাকায়, স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্যও এটি হাঁটার দারুণ জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
@ সংগৃহীত

27/01/2026

পুরান ঢাকা সহ বাংলাদেশের সকল ইতিহাস নিয়ে খুব শীগ্রই আসছে ভিডিও! চোখ রাখুন কাঠবিড়ালি-Kathbirali র page এ!

25/01/2026

কে কোথা থেকে দেখছেন কমেন্টে জানিয়ে দিন! শুভ রাত্রি সবাইকে!

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাঠবিড়ালি-Kathbirali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Photography Service?

Share