Photography Tutorial BD

Photography Tutorial BD Photography Help Tips Page.
এই পেজের পোষ্ট গুলো আপনাদে?

যাদের কম্পোসিশন মিসটেক হয় বা বুঝতে অসুবিধা হয় তাদের জন্য খুবই দরকারি বিষয়গুলো ফ্রেম গুলো এখানে দেয়া দেয়া আছে।আশা করি ...
11/05/2025

যাদের কম্পোসিশন মিসটেক হয় বা বুঝতে অসুবিধা হয় তাদের জন্য খুবই দরকারি বিষয়গুলো ফ্রেম গুলো এখানে দেয়া দেয়া আছে।আশা করি অনেকেই উপকৃত হবেন ❤️
Copyright: Fireandice 🤍

12/02/2024

মুভমেন্ট ফটোগ্রাফি

ছবি উঠানোর সময় হাত এবং ক্যামেরা স্থির রাখবেন, সম্ভব হলে ট্রাইপড ব্যবহার করবেন অথবা কোথাও ঠেস দিয়ে দাড়াবেন, বেশি সাটার স্পিড ব্যবহার করবেন, ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন ব্যবহার করবেন এসব কথা শুনেই আপনি অভ্যস্থ। এর বিপরীত দিক কি কখনো ভেবে দেখেছেন। ছবি উঠানোর সময় ইচ্ছে করে ক্যামেরা নাড়ানো। ফটোগ্রাফিতে এর নাম মুভমেন্ট ফটোগ্রাফি।

মুল বিষয় হচ্ছে সাটার স্পিড কম ব্যবহার করবেন যেন বেশি সময় ধরে এক্সপোজার পাওয়া যায়। যতক্ষন সাটার খোলা থাকবে সেই সময়ে ক্যামেরা নাড়াবেন। আলোর যায়গাগুলি একধরনের গতিশীল আলোকপথ তৈরী করবে।
একেবারে অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাজটি না করে একেই নিজের পছন্দমত কাজে ব্যবহার করতে পারেন। যেমন জুম ইফেক্ট।

Aperture Priority মোড সিলেক্ট করুন। এপারচার ২২ সেট করুন। যে বিষয়ের ছবি উঠাবেন সেখানে ফোকাস করুন। সাটার রিলিজ চেপে ছবি উঠানোর সময় দ্রুত জুম কম বা বেশি করুন। আলোকরশ্মির ইফেক্ট পাবেন এরফলে।

অথবা ব্যবহার করতে পারেন রোটেশন ইফেক্ট। ছবি উঠানোর সময় ক্যামেরা বৃত্তকারে ঘুরান, অথবা আপনি নিজেই ক্যামেরা সহ ঘুরুন। হয়ত স্পষ্ট বিষয় পাবেন না কিংন্তু রঙের বৈচিত্র থাকলে মজাদার কিছু পাবেন। উদাহরনের ছবিটি মাথার ওপর বড়বড় গাছের।

অথবা বাগানে ফুলের ছবি উঠানোর সময় সাটার স্পিড একেবারে কমিয়ে ইচ্ছেমত ক্যামেরা ঘুরান। একেবারে ভিন্ন ধরনের ছবি পাবেন। ক্যামেরা ওপরে নিচে করে আরেকধরনের ইফেক্ট পেতে পারেন।
জুম ইফেক্ট এর জন্য এসএলআর অথবা জুম-রিং ব্যবহার করা যায় এমন ক্যামেরা প্রয়োজন হবে। অন্য ইফেক্টগুলি ব্যবহার করা যাবে যে কোন ক্যামেরায়।

মাথায় গামছা পেছালেয় কৃষক হওয়া যায়না..!তেমনি করে হাতে কেমেরা নিয়ে ঘুরলে ফটোগ্রাফার হওয়া যায়না 👈📷 ফটোগ্রাফি কেউ পেশা হিসেব...
05/07/2020

মাথায় গামছা পেছালেয় কৃষক হওয়া যায়না..!
তেমনি করে হাতে কেমেরা নিয়ে ঘুরলে ফটোগ্রাফার হওয়া যায়না 👈
📷 ফটোগ্রাফি কেউ পেশা হিসেবে নেয় না ~
বলা যায় এটা সখ থেকে হয়ে যায় আর তার পর তো এমন হয় ক্যামেরাটা নিজের পরিবারের একজন 🤗

📷 ফটোগ্রাফার রা পারলে ক্যামেরা টা হাতে না রেখে বুকের ভিতর রেখে ছবি তুলে। কারণ ক্যামেরা টা তাদের জীবনেরই একটা অংশ হয়ে যায়। ☺

📷 আমার মতে কোনো বেস্ট ফটোগ্রাফার এটা বলে না যে এভাবে তাকান, এটা করেন, ঐটা করেন কারন এসব বললে তো মানুষের ছবি না তুলে একটা মুর্তির ছবি তোলা উচিত। আর ফটোগ্রাফাররা মুর্তির ছবি ক্যাপচার করলেও যেন সেই ছবিতে মুর্তিটা জীবন্ত হয়ে কথা বলে। ফটোগ্রাফিটা একটা শিল্প আর ফটোগ্রাফার রা শিল্পী। আর তাই বলবো শিল্পীদের সম্মাম করুন 🙏

🎥 হাতে ক্যামেরা থাকলেই ফটোগ্রাফার ভেবে লাপানোর কিছু নাই কারন হাতে ক্যামেরা থাকলেই ফটোগ্রাফার হওয়া যায় না। ফটোগ্রাফার রা মানুষের ছবি তোলে না তারা মানুষের ইমোশন গুলো ক্যাপচার করে। ফটোগ্রাফাররা ক্যামেরাম্যান না 👈

26/06/2020

Canon লেন্সের বডিতে
লেখা বিভিন্ন সংকেত Canon Lens এর গায়ে আমরা বিভিন্ন সংকেত লেখা দেখি।

যেমন, EF 40mm f/2.8 STM. আজকে আমরা ক্যানন লেন্সের গায়ে লেখা এই সব সংকেত
নিয়েই আলোচনা করবো। USM (Ultrasonic Motor) Ultrasonic Motor (USM) হল Canon লেন্সের মধ্যে অবস্থিত এক ধরনের
Auto Focusing Motor. Ultrasonic Motor এর কারণে এই লেন্স গুলোতে
অটোফোকাস হয় নিখুঁত, শব্দহীন এবং
দ্রুত। USM লেন্সে পাওয়ার খরচ কম হয় যার কারণে ক্যামেরার ব্যাটারি লাইফ বেশী পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, লেন্স অপারেট করার জন্য যতটুকু
পাওয়ার প্রয়োজন হয় তার সব টুকুই সরবরাহ হয় ক্যামেরা থেকে। এই লেন্স গুলোতে Full Time Manual (FT-M) ফোকাস সাপোর্ট করে অর্থাৎ
আপনার লেন্সের AF Focus Option অন
করা থাকলেও আপনি লেন্স ব্যারেল ঘুরিয়ে ম্যানুয়াল ফোকাস করতে
পারবেন। উল্লেখ্য, আমরা জানি, সাধারণত লেন্সের AF Option অন অর্থাৎ AF-MF সুইচ AF এর দিকে থাকলে ম্যানুয়াল ফোকাস করা যায়
না। দুই টাইপের USM আছে, Ring-Type
USM and Micro-motor USM. লেন্সের
খরচ কমানোর জন্য Micro-motor USM
ব্যবহার করা হয়। দাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে, Micro-motor USM এর পারফরমেন্স Ring Type USM থেকে কিছুটা কম। সাধারণত Large Aperture & Super Telephoto লেন্স গুলোতে Ring Type USM ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে USM সুবিধা দিয়ে খরচ কমানোর জন্য Micro-motor USM ব্যবহার করা হয়।
Ultrasonic Motor (USM) লেন্সের
যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৭ সাল থেকে।
কিছু পুরানো USM লেন্সের গায়ে Gold
Ring থাকে এবং লেন্স ব্যারেলে Gold
Color দিয়ে “Ultrasonic” কথাটা লেখা
থাকে। অন্যদিকে যেসব L-Lens এ USM
থাকে তাদের গায়ে Gold Ring এর
পরিবর্তে Red Ring থাকে এবং Red
Color দিয়ে “Ultrasonic” কথাটা লেখা
হয়।

STM (Stepping Motor)
Stepping Motor (STM) হল Canon
লেন্সের মধ্যে অবস্থিত এক ধরনের
Auto Focusing Motor. Canon ২০১২ সালে প্রথম Stepping Motor (STM) এর ঘোষণা দেয়। ভিডিও তে Smooth & Quiet Auto Focus এর লক্ষেই এই লেন্সের
আবির্ভাব (মনে রাখবেন, এই ক্ষেত্রে আপনার বডিতেও ভিডিও অটোফোকাস ফিচার থাকতে হবে)। অর্থাৎ Video তে Auto Focus Supported Body’র জন্য (e.g. Canon 650D, 700D etc.) STM লেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ। USM এর মতো STM-ও দুই টাইপের হয়। Gear-Type STM এবং Lead-Screw Type STM. প্রতিটা STM Lens এর সামনে STM কথাটা লেখা থাকে। যেমন, Canon Lens EF 40mm 1:2.8 STM. এই লেন্সে Gear-Type STM ব্যবহার করা হয়েছে যার কারণে লেন্সটি খুব হাল্কা এবং ছোট।
অন্যদিকে EF-S 18-135mm f/3.5-5.6 IS
STM লেন্সে ব্যবহার হয়েছে Lead-
Screw Type STM যার কারণে এই
লেন্সে অটো ফোকাসিংটা আরও নিখুঁত হয়। অর্থাৎ Gear-Type STM থেকে Lead-Screw Type STM বেশী ভালো। একটা কথা বলে রাখি, ক্যাননের অটোফোকাসিং মোটর থাকে
লেন্সের মধ্যে, বডিতে নয়। অন্যদিকে, নিকনের ক্ষেত্রে কিছু কিছু বডিতে অটোফোকাসিং মোটর থাকে আবার কিছু কিছু বডিতে থাকে না।
নিকনের যে বডিতে অটোফোকাসিং মোটর নাই তাদের জন্য অটোফোকাসিং মোটর সহ লেন্স
কিনতে হয় (যদি আপনি অটোফোকাসিং ফিচারটা চান) DO (Diffractive optics)
Canon তার কিছু লেন্সে Diffractive
Optics (DO) ব্যবহার করেছে High
Performance এর জন্য, এগুলোর
Performance High হওয়াও সত্ত্বেও
Traditional Lens থেকে আকারে অনেক
ছোট। এগুলো খুবই expensive লেন্স। এই
লেন্স গুলোর মধ্যে একটি হল EF 70–
300 mm f/4.5–5.6 DO IS USM যা কিনা
গতানুগতিক EF 70–300mm f/4–5.6 IS
USM লেন্স থেকে ২৮ ভাগ ছোট।

অনুগ্রহ করে পোস্টটি শেয়ার করুন এবং অন্যকে জানিয়ে দিন। সঙ্গে থাকুন।

23/06/2020

জুম আসলে কি ? কতটুকু প্রয়োজন ?

ক্যামেরার লেন্সের সাথে জুম গুরুত্বপুর্ন একটি শব্দ। এথেকে জানা যায় আপনি কত দুরের ছবি উঠাতে পারবেন। হিসাব প্রকাশ করা হয় মিলিমিটারে। এর দুটি মান থাকে, কাছের মাপকে বলে ওয়াইড, দুরের মাপকে বলে টেলিফটো। ওয়াইড এঙ্গেলে সামনের দৃশ্যের বেশি অংশ দেখা যায়, টেলিফটোতে এই কোন ছোট হতে থাকে, ফলে ছোট একটি অংশ দেখা যায়। যেমন ২৫-২৫০মিমি, এর অর্থ ওয়াইড এঙ্গেলে ২৫ মিমি, টেলিফটোতে ২৫০ মিমি। একে ১০এক্স হিসেবে লেখা হতে পারে। এক্স অর্থ ওয়াইড এঙ্গেলের মানের গুনিতক। বর্তমানে ৩৫এক্স (৮৪০মিমি) পর্যন্ত পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরা রয়েছে (ক্যানন এসএক্স৩০আইএস)।

এতক্ষন যে জুমের কথা বলা হল সেকাজ করে লেন্স। এছাড়া ডিজিটাল জুম বলে আরেকটি বিষয় রয়েছে। সফটঅয়্যার এই কাজ করে। ভাল মানের ছবি পেতে চাইলে একে হিসেবের বাইরে রাখাই ভাল।

কতটুকু জুমের ক্যামেরা ব্যবহার করবেন সেটা নির্ভর করে ছবির ধরনের ওপর। যদি পাখির ছবি উঠানোর শখ থাকে তাহলে যত বেশি হয় ততই ভাল। যদি মুলত পারিবারিক, প্রকৃতি ইত্যাদির ছবি উঠানো প্রয়োজন হয় তাহলে তত জুম প্রয়োজন নেই। কাছে থেকে ফুলগাছের ছবি যত ভাল হবে, টেলিফটো ব্যবহার করে দুর থেকে তত ভাল ছবি পাওয়া যাবে না।

এসএলআর ক্যামেরাগুলিতে একটি লেন্স খুলে আরেকটি লাগানো যায়। সেকারনে ব্যবহারকারীরা ওয়াইড থেকে সুপার টেলিফটো পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের লেন্স ব্যবহার করেন। যত দুরের ছবি উঠাতে চান তত বেশে জুম প্রয়োজন (৩০০মিমি+)। সাধারন কাজের জন্য কমদামী এসএলআর ক্যামেরাগুলিতে ১৮-৫৫ মিমি লেন্স দেয়া হয় কিটলেন্স হিসেবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন ভাল পোর্ট্রেট এর জন্য প্রয়োজন ৮৫ মিমি। এজন্য ৮৫মিমি প্রাইম লেন্স পাওয়া যায়। কেউ আরো বাড়িয়ে ১৩৫মিমি কিংবা ২০০মিমি লেন্স ব্যবহার করেন।

13/06/2020

ডিএসএলআর ক্যামেরায় র (RAW) এবং জেপেগ (JPEG) দুই ফরম্যাট এ ফটো তোলা যায়। র ফরম্যাট এ ফটো তোলা হলে ফটোশপ (বা অন্য কোন ফটো এডিটিং সফটওয়্যার) এ অনেক কিছুই পরিবর্তন করা সম্ভব। জেপেগ এর ক্ষেত্রে এটা অনেক লিমিটেড। যেমন হোয়াইট ব্যালেন্স আপনি র ফরম্যাটে পরিবর্তন করতে পারবেন কিন্তু জেপেগ এ এটা সম্ভবই না। এখন প্রশ্ন হলো আপনি কোনটা ব্যবহার করবেন এবং কেন ব্যবহার করবেন। আপনি যদি ফটো নিয়ে কাজ করে আনন্দ পান এবং ফটো তোলার পর রিটাচিং করা বা ম্যানিপুলেট করতে চান তবে র ফরম্যাটে ছবি তুলুন। তবে র ফরম্যাটে ফাইল সাইজ বেশ বড় হয় এবং প্রিন্ট করা বা অনলাইনে শেয়ার করার জন্য একে পোষ্ট প্রসেস করতে হয়। অন্য দিকে জেপেগ ফরমেট আসলে ক্যামেরাতেই প্রসেস হয়ে সেভ হয় এবং এটা আপনি সাথে সাথেই প্রিন্ট করতে পারেন বা শেয়ার করতে পারেন। এই ফরম্যাটে ফাইল সাইজও অপেক্ষাকৃত ছোট হয়। ফলে আপনি দ্রুত ফটো তুলতে পারবেন এবং মেমরী কার্ডে র ফরম্যাটের তুলনায় অনেক বেশী ফটো ধারণ করা যাবে।

আপনার ফটো তোলা এবং কাজের ধরণ দেখে ঠিক করুন কোন ফরম্যাটে আপনি ফটো তুলবেন। আরেকটা কাজ করতে পারেন। বেশীর ভাগ ডিএসএলআর একই সাথে র এবং জেপেগ (বেসিক) ফরম্যাটে ছবি সেভ করতে পারে। আপনার যদি দ্রুত ফটো তোলার প্রয়োজন না থাকে তবে আপনি এই অপশনটি বেছে নিতে পারেন। জেপেগ ফরম্যাট তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য আর র ফরম্যাট পরবর্তীতে রিটাচিং বা ম্যানিপুলেশনের জন্য।

টিপস নাম্বার:২
যে কোন ফটো শুটে যাওয়ার আগে আপনার ক্যামেরা ব্যাগ চেক করে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি ব্যাগে নিয়েছেন কিনা দেখে নিন। কুইক রিলিজ ট্রাইপড ব্যবহার করলে এর বেস প্লেটটি ক্যামেরার সাথে লাগানো আছে কিনা দেখে নিন। প্রয়োজনীয় ফিল্টার, হোল্ডার, এডাপ্টার রিং ইত্যাদি চেক করে নিন। ক্যামেরা বা লেন্স পরিস্কারের জন্য ব্রাশ / ব্লোয়ার এবং নরম কাপড় সাথে রাখুন। এক্ষেত্রে পূরানো নরম গামছা (টাওয়েল না কিন্তু) ভাল কাজ দেবে।

টিপস নাম্বার:৩
ট্রাইপড কেনার সময় দেখে শুনে ভাল একটি কিনুন। পরে একটা ভাল কিনবো এরকম চিন্তা করে কম দামী কোনটা কিনবেন না। আপনার দামী ক্যামেরা আর লেন্সের ভার যে বহন করবে, সেটার জন্য একটু বেশী খরচ করলে আপনি ঠকবেন না। কেনার সময় বলহেড এবং কুইক রিলিজ সহ ট্রাইপডকে প্রধান্য দিন। মনে রাখবেন একটা ভাল মানের ট্রাইপড আপনার অনেক বছর ভাল সার্ভিস দিতে পারে।

টিপস নাম্বার:৪
আপনার ক্যামেরা আর ফ্ল্যাশের ব্যাটারীগুলি চেক করে ফুল রিচার্জ করে নিন। সম্ভব হলে একসেট এক্সট্রা ব্যাটারী রিচার্জ করে নিন। চার্জারটি সাথে রাখুন যাতে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে পারেন।

টিপস নাম্বার:৫
ট্রাইপডে ক্যামেরা বসিয়ে ফটো তুলবেন নাকি হ্যান্ড-হেল্ড ? ট্রাইপড একটা ভারী জিনিস, বহন করতে যেমন কষ্ট আছে তেমনি সেট করতেও সময় লাগে। আবার অনেকের হ্যান্ড-হেল্ড ফটো ক্যামেরা শেকের কারণে ঝাপসা আসে। সুতরাং ট্রাইপডে এবং হ্যান্ড-হেল্ড দুইভাবেই চেষ্টা করুন। তবে মনে রাখবেন এতে আপনার ছবি তোলার গতি অনেক কমে যাবে।

টিপস নাম্বার:৬
হাত যদি নিতান্তই কাঁপে, তবে ছবি তোলার সময় ওয়াল বা টেবিলে হাত রেখে বা পিছনে গাছ বা ওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে ফটো তুলুন। ট্রাইপডের বদলে মনোপডও ব্যবহার করতে পারেন এজন্য। শাটার স্পিড 1/60 সেকেন্ড বা এর থেকে দ্রুততর রাখতে পারলে ক্যামেরা শেক জনিত ব্লার অনেকটাই কমে আসবে।

What is ISO ?? আইসো কি ??
13/06/2020

What is ISO ??
আইসো কি ??

29/01/2020

~••••••::.(𝐒𝐡𝐮𝐭𝐭𝐞𝐫 𝐒𝐩𝐞𝐞𝐝).::••••••~
আপনাদের বাসায় জানলা আছেনা ?
ওই জানালায় পরদা আছেনা?
অ্যাপারচার যদি হয় এই জানালার
সাইজ তাহলে শাটার হলো সেই
জানালার পরদা । লেন্সের ভিতর
দিয়ে এসে, অ্যাপারচাররে পাস
করার পর, যেই আলো (Light) ক্যামরার
ভিতরে আসলো, সেটা কতক্ষণ
ক্যামরার ভিতরে থাকবে সেটা ঠিক
করে দেয় শাটার স্পিড।
এইডাতো আবুলেও বুঝে যে,
পরদা যদি অল্প সময়
খুইলা রাখি তাইলে ঘরে আলো কম সময়
ধইরা ঢুকবো, আর
পরদা যদি সারা জীবনের
লাইগ্গা খুইল্লা রাখি তাইলে দিনের
বেলায় আলো ঢু্কতেই থাকবো,
মানে বেশি সময় ধইরা ঢুকবো। (আর
রাইতে ঢুকবো মশা )
শাটার স্পিডের একক হইলো সেকেন্ড।
শাটার স্পিড যদি কই 1/4 sec তার
মাইনে হইলো, আলোটা ১ সেকেন্ডের
৪ ভাগের এক ভাগ সময় মাত্র
ক্যামেরার সেনসর অথবা ফ্লিমের উপর
পড়বো। যদি শাটার স্পিড হয় 8 sec
তাইলে সেনসর অথবা ফ্লিমের
সামনের পরদাটা ৮ সেকেন্ড
ধইরা খুলা থাকবো। অনেক সময়
একটা কথা শুইনা থাকবেন
কাউরেকাউরেকইতেযে“ফটুকটাস্লোশাটার
স্পিডে তোলা হইসে”। স্লো শাটার
স্পিড মানে হইলো এট্টু
আইলশা টাইপের শাটার স্পিড
যেইটা বন্ধ হইতেই চায়না।
একটা ক্যামারায় শাটার
স্পিডগুলা সাধারনত এইরকম থাকে :
1/8000 s
1/4000 s
1/2000 s
1/1000 s
1/500 s
1/250 s
1/125 s
1/60 s
1/30 s
1/15 s
1/8 s
1/4 s
1/2 s
1 s
2 s
4 s
8 s
B – এইডা মানে বাল্ব। এইডা সিলেক্ট
কইরা যতক্ষন বাটন টিপ্পা রাখবন ততক্ষন শাটার বন্ধ হইবো না।
এট্টু খিয়াল কইরা দেহেন, উপরে বা নিচে যাইতে শাটার স্পিড হয় ডাবল হইতাসে, না হয় অর্ধেক হইতাসে। যেমন ১/২ সেকেন্ড থেইকা বারলে হয় ১ আর কমলে হয় ১/৪. এই অর্ধেক আর ডাবল হউনের সম্পর্কটা অ্যাপারচারেও আসে।
দেইখেন খেয়াল কইরা। সামনে যখন আই.এস.ও নিয়া কথা কমু তখন দেখবেন
ওইহানেও একই তামশা। শাটার স্পিড কমায় বাড়ায়
ফটুতে অনেক রকম মজা করন যায়। ধরেন একটা ব্যস্ত রাস্তায় আপনে যদি স্লো শাটার স্পিড দিয়া ফটুক তুলেন তাইলে দেখবেন গাড়ি গুলার হেড লাইট আর টেল লাইট একটা লম্বা শাদা আর লম্বা লাল রেখার মতো তৈরি করসে।

আবার শাটার স্পিড বাড়ায়
দিয়া (ধরেন 1/200 sec) যদি কনো ঝরনার ফটুক তুলেন তাইলে পানি গুলা বরফের লাহান ফিরিজ হয়া গেসে। তাইলে এই পর্যন্ত আমরা কি শিখলাম?
অ্যাপারচার দিয়া আলোর পরিমান কন্ট্রোল করন যাইতাসে আর শাটার
স্পিড দিয়ে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে এই আলোটা কত সময় ধরে সেনসর/ফ্লিমের
উপর পরবে।
-
Facebook Group Link :
www.facebook.com/groups/camera.tutorial

সকল ফটোগ্রাফারদের জন্য আমার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর ঃ -গত ১২ নভেম্বর সকাল ৫টায় আমি একটা উইন্টার ফটোশুটের জন্য ঘর থেক...
06/12/2019

সকল ফটোগ্রাফারদের জন্য আমার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর ঃ -

গত ১২ নভেম্বর সকাল ৫টায় আমি একটা উইন্টার ফটোশুটের জন্য ঘর থেকে বের হই ,যার ফটোশুটের জন্য আমি এত ভোরে বের হই সে আমাকে বলল তার ফ্যামেলিতে জানলে প্রব্লেম হবে তাই সে সকালের মধ্যেই বের হবে এবং সকাল ৮ টার মধ্যেই বাসায় চলে আসবে,সেই অনুযায়ী আমি উইন্টার ফটোশুটের জন্য কিছু কাপড় এবং আমি আমার 5D MARK (III) camera, 70-200 (L) f2.8 Lens , 35MM f1.2 Lens আর কিছু ক্যামেরা গিয়ার নিয়ে যার ফটোশুট করব তার পছন্দ অনুযায়ী কাট্টলী (কর্নেল হাট) এর পশ্চিম দিক দিয়ে রেল লাইন পার হয়ে টোল রোডের নীচে দিয়ে টোল রোডের পরে আরো হাফ কিলোঃ হেটে ব্রিক ফিল্ডের কাছাকাছি জায়গায় সকাল ৭টা পর্যন্ত ফটোশুট করি,জায়গাটি একটু নীরব এবংসামান্য কদমাক্ত হওয়াতে আমি এই ছেলেকে জিজ্ঞেস করি ‍ এত ভিতরে আর এই কদমাক্ত জায়গায় কেন এল? সে বলল এইখানে কুয়াসা র জন্য উইন্টার environment ভাল বুঝা যাবে,যাক আমি ও সেটাই ভাব্লাম , অবশেষে ফটোশুট সকাল ৭ টার মধ্যে শেষ করে চলে আসব বলে সব কিছু ঘুছিয়ে নিচ্ছিলাম এমন সময় ওই ছেলে বল্ল সে একটু প্রশ্রাব করবে বলে একটু আড়ালে যায়,আমিও আমার সব কিছু গুছাচ্ছিলাম ,এমন সময় ৩/৪ জন ছেলে আমাদের দিকে আসতে দেক্লাম ,তাদের মধ্যে একজন জুতা খুলে একটু তাড়াতাড়ি আমাদের দিকে অগ্রসর হয়ে আমাদের দিকে আসছিল কাছাকাছি আসলে দেখি তাদের মুখমন্ডল ১০ টাকা দামের মাস্ক লাগানো, আমাদের জিজ্ঞেস করছে আমরা কি করছি? আমি বল্লাম আমি ফটোগ্রাফার উইন্টার ফটোশুটের কাজ করছি , এর মধ্যেই তারা ৩/৪ জন আমার ক্যামেরা নিয়ে টানাটানি করতে থাকে, আমি তখন নীজের ক্যামেরা রক্ষা করার জন্য ওদের বলি আমি সাংবাদিক ,আমার কোন কিছুতে যেন তারা হাত না দেয়,এবং ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ কল করব বলে হুমকি দেই , এবং ওই ছেলেকে ও ৯৯৯ এ কল করতে বলি,এই সময় ওরা ২জন আমাকে সামনে পিছন থেকে জোড় করে পা টেনে মাটিতে ফেলে দেয় আমি ক্যামেরা টি রক্ষা করার চেষ্টা করি এই ফাকে ওরা আমার কাছে রাখা HUAWEI P30 যার মডেল নং-L29, IMEI 1: - 000000000000, IMEI 2:000000000000 ,S/N : 0000000000000 (বিশেষ দ্রঃ- পুলিশি তদন্তের জন্য সঠিক নাম্বার দিলাম না ) নিয়ে নেয়,এমন কি আমাকে পেটে ছুরিকাগাত করতে চেষ্টা করে, আমি আমার ডান হাত দিয়ে রক্ষা করতে গিয়ে আমার ডান হাতের ব্রিদ্দা আংগুল এবং তরজনীর মাঝখানে তালু পর্যন্ত কেটে যায়,এর পর ও তারা একজন আমাকে পা চেপে ধরে টেপ দিয়ে আমার দুই পা পেচিয়ে ফেলে,আরেক জন আমার দুই হাত এবং মুখ পেচাতে থাকে ,একি সময়ে একজন আমার পেটে উপর্যপরি লাথি মারতে থাকে , এক পর্যয়ে আমার হাত থেকে রক্ত যাওয়ায় এবং পেটের ব্যাথায় দূরবল হয়ে পড়ে থাকি, কিছুক্ষন পড়ে চোখ এর টেপ এর বাদনের সামান্য ফাক দিয়ে আবছা দেখতে পাই আমি যেই ছেলের ফটোশুটের কাজে গিয়েছিলাম সে আমার হাত,পা , মুখের বাধন খুলে আমাকে অনেক কষ্ট করে তুলে ওর কাধে আমি দুই হাত ভর করে (পেটের ব্যাথায় সোজা হয়ে ঠিকমত দাড়াতেও পারছিলাম না,) আস্তে আস্তে প্রায় ১০ মিনিট খুরিয়ে হেটে একটা তরকারী বিক্রেতার ভ্যান এবং একটি সিএনজি করে ওই ছেলেটি আমাকে আল-আমিন হাসপাতালে আমাকে নিয়ে এসে সে চলে যায়,তখন আমার হাতের কাটা স্থান একটি গেঞ্জি দিয়ে মোড়ানো,কিন্ত পেটে প্রচন্ড বেথায় আমি কাতরাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় আমার কোন মোবাইল না থাকার কারনে আমি কাউকে কল ও দিতে পারছিলামনা, পরে হাসপাতালের দাড়োয়ান এর মোবাইল থেকে আমি আমার স্ত্রী কে কল দেই, আমার স্ত্রী আমাকে এই অবস্থায় দেখে আল-আমিন হাসপাতালে Admit করায় এবং কত্যব্যরত ডিউটি ডাক্তার আমার হাত সেলাই করে ,আমার আল্ট্রাস নো করে আমার চিকিতসা অত্র মেডিকেল করতে পারবেনা বলে অপরাগত প্রকাশ করে,এমতাবস্থায় আমার স্ত্রী কোন উপায় না দেখে আমার কিছু বন্ধুকে কল দেয়,এবং আল-আমিন হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে আমাকে আমার বন্ধুর গাড়ির মাধ্যমে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভত্তি করায়,ইমারজেন্সিতে আমার অবস্থা অবনতি দেখে আমাকে আই সি ইউ তে নিয়ে যায়,এবং পুনরায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার গন আমার আল্ট্রাসনো করে নিশ্চিত হয় আমার পেটে উপর্যপরি লাথি মারার কারনে আমার খাদ্যনালি ছিদ্র হয়ে যায়,এবং ঠিক সময়মত অপারেশন না করলে আমার মৃত্যু হয়ে যেতে পারে, আর অপারেশন হলেও ৩০% বাচার সম্ভাবনা ছিল, এমতাবস্থায় আমার স্ত্রী র অনুমতি নিয়ে ১২ তারিখ রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার Prof.Dr.JU Ahmed (FCPS Surgery),Dr. Nayan, and Dr,Kawser Alam আমার অপারেশন করেন, অপারেশন এর আগের ৭/৮ ঘন্টা এবং অপারেশনের পরে ও কত ঘন্টা আমার কোন জ্ঞান ছিলনা , জ্ঞান ফিরার পর আমি ৭/৮ দিন অক্সিজেন রত অবস্থায় ছিলাম,কোন কথা বলতে পারছিলাম না,এই ৭/৮ দিন আমাকে এক ফোটা পানিও দেওয়া হয় নাই, আল্লাহর অশেষ রহমতে ,আমার মা বাবার ,স্ত্রী, পরিবারের মুরব্বিদের দোয়ার বরকতে , বন্ধুদের অক্লান্ত সহযোগীতা ,সরবোপরী ডাক্তার ,নার্স দের অফুরন্ত সহযোগীতার কারনে আমি বেচে এসেছি,
যাদের কাছে আমি চিরঋন ই -
আমার বন্ধু ইফতি, রেজা,মিতু ভাবি,তানভির, রানা,রানার বউ, গিয়াস,আরিফ,সাইফুল,ইলিয়াস, আমার ছোট ভাই সাকিল ,আল্ভি
আলি বাবু (ঢাকা)
আরো আমার অনেক স্কুল ফ্রেন্ড রা যারা আমাকে দূর থেকে দোয়া করেছেন,

কিন্ত ডাক্তার আমাকে ৩ মাস কমপ্লিট বেড রেস্টে থাকতে বলেছে,

আমার এই ঘটনা টি আমি লিখলাম এই কারনে আমার মত আর যে সকল ফটোগ্রাফার যেন প্রয়োজনীয় protection এবং অপরিচিত Location, এবং কাউকে সে যতই পরিচিত হোক না কেন তাকে বিশ্বাস না করে আরো ২/৩ জন সংগী নিয়ে কাজে যাওয়া,কোথায় কোন স্থানে যাবে সেই স্থানের details পরিবারের আপন কাউকে জানিয়ে যাওয়া,

এছাড়া বিপদের সময়ে যাতে সকল ফটোগ্রাফার ভাই বোন , ফটোগ্রাফার এর দের কাজের সংগে জড়িত সক ল সাংবাদিক গন , মডেল, শিল্পী, কলাকূশলী,মিডিয়া আর্থিক ভাবে এমন কি যে যার যার স্থান থেকে সহোযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়
Md Hasan Jisan

11/09/2019

পুরো ছবি উঠানঃ

আপনি একটি সুন্দর ফুলের ছবি উঠাতে চান। অনেকগুলি ফুলের মধ্যে একটি ফুল আপনার কাছে গুরুত্বপুর্ন। বাগানের ছবি উঠানোর পর সেই ছবি কাউকে দেখানোর পর লক্ষ্য করলেন তারা সেই বিশেষ ফুলটি লক্ষ্য করছে না। কারন একটিই, আপনি সেভাবে ছবি উঠাননি।

যদি ফুলের ছবি উঠাতে হয় যতটা সম্ভব কাছে থেকে ছবি উঠান। এমনভাবে যেখানে সেই ফুলটিই ছবির অধিকাংশ যায়গা জুড়ে থাকে। অন্য ফুলগুলির কাজ এই বিশেষ ফুলের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা।

ফুল না হয়ে যদি বিশেষ কোন বস্তু, এমনকি কোন ব্যক্তির বিষয়ও হয় তাহলেও এই নিয়মে ছবি উঠান। নিজেকে বলতে পারেন, ছবি উঠানোর পর ফটোশপে পাশ থেকে বাদ দেয়া যাবে। সেটা না করে ছবি সেভাবে উঠানো অভ্যেস করুন।
ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে একটি বিখ্যাত উক্তি রয়েছে, ছবি ভাল হয়নি কারন আপনি যথেষ্ট কাছে যাননি। কাজেই, ছবি উঠানোর জন্য যতটা সম্ভব কাছে যান, অথবা লেন্স পাল্টান অথবা জুম ব্যবহার করুন।

11/09/2019

আইএসও, এপারচার, সাটারস্পিডঃ-

ছবি উঠানোর সময় ক্যামেরার সেন্সরে যে আলো আসে তা থেকে সামনের দৃশ্যঅনুযায়ী ডিজিটাল ইমেজ তৈরী হয়। সেন্সর কি পরিমান আলোতে কতটুকু কাজ করবে সেটা প্রকাশ করা হয় আইএসও বলে একটি সংখ্যা দিয়ে। উদাহরন হিসেবে, ধরে নিন মোটামুটি আলোতে ১০০ আইএসওতে ভাল মানের ছবি পাওয়া যায়। সেখানে আইএসও ৫০ ব্যবহার করলে ছবিতে আলো কম পাওয়া যাবে। আর ২০০ ব্যবহার করলে অতিরিক্ত আলো পাওয়া যাবে। সাধারনভাবে আলো কম থাকলে সেখানে বেশি আইএসও ব্যবহার করা হয়, বেশি আলো থাকলে সেখানে কম। কাজটি ম্যানুয়াল মোডে আপনি ঠিক করে দিতে পারেন, অথবা ক্যামেরাকেই নিজে থেকে ঠিক করে নেয়ার দায়িত্ব দিতে পারেন।

লেন্সের মধ্যে দিয়ে আলো সেন্সরে যাওয়ার পথে এপারচার নামে জানালার মত একটি অংশ পার হতে হয়। এপারচার বড় করলে (জানালা বেশি খুললে) বেশি আলো ভেতরে যায়, আর বেশি আলো থাকলে তাকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য সামান্য খোলা হয়। এপারচার সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন ৪, ৫.৬, ১১ ইত্যাদি। ছোট সংখ্যা বড় এপারচার (বেশি আলো) এবং বড় সংখ্যা ছোট এপারচার বুঝায়।
আলো কতক্ষন সময় কাজ করবে সেটা নিয়ন্ত্রন করে সাটার স্পিড। বেশি আলো থাকলে অল্প সময়েই ছবি উঠানোর প্রয়োজনীয় আলো পাওয়া যায়। কাজেই সাটার স্পিড বেশি রাখতে হয়। কম আলো থাকলে সাটারস্পিড কমিয়ে বেশি আলো গ্রহন করতে হয়। এক্সপোজার নামে একটি শব্দ ব্যবহার করা হয় আলোর পরিমান বুঝানোর জন্য। এক্সপোজার বেশি অর্থ সেখানে আরো বেশি, কম অর্থ আলো কম। সেকেন্ড দিয়ে একাট প্রকাশ করা হয়। ১/৪০০ অর্থ এক সেকেন্ডের ৪০০ ভাগের একভাগ সময়।

সাটার স্পিড আপনি নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন অথবা ক্যামেরা পরিস্থিতি অনুযায় ঠিক করে নিতে পারে।
আইএসও, এপারচার এবং সাটারস্পিড এই তিনের সমম্বয়ে ভাল ছবি পাওয়া যায়। একমাত্র ম্যানুয়েল মোডে এই তিনটি পরিবর্তন করা হয়। অত্যন্ত দক্ষ ফটোগ্রাফাররাই সেটা করেন। অন্যরা যে কোন একটি বা দুটি নির্দিষ্ট করে দেন, তারসাথে মানানসই সেটিং করে নেয় ক্যামেরা।
এখানে মুলত আলোর বিষয় উল্লেখ করলেও এপারচার, সাটারস্পিড ইত্যাদির নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। বিভিন্ন পরিস্থিতে ভাল ছবি পাওয়ার জন্য সেদিকে দৃষ্টি দিতে হয়। সেকথা আগামীতে।

Address

Savar
Dhaka
1340

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Friday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

01612244456

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Photography Tutorial BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share