Online puja photography.bd.com

Online puja photography.bd.com All puja festival photo and Writing

21/01/2026

হনুমান চালিশা পড়লে কেমন যেন আলাদা শক্তি আসে মনে; সব ভয় ; দুশ্চিন্তা ; উদ্বিগ্নতা নিমেষে দূর হয়ে যায়। 🙏🌸
সবার জন্য বাংলা হনুমান চালিশাটা দিলাম-

🌸দোহা
শ্রী গুরুর চরণ পদ্ম স্মরি মনে মনে
কোটি কোটি প্রণমীনু তাহারও চরণে।।
শ্রী রামের চরণ পদ্ম করিয়া স্মরণ।
চতুর্বর্গ ফল যাহে লভি অনুক্ষণ।।
বুদ্ধিহীন জনে ওহে পবন কুমার।
ঘুচাও মনের যত ক্লেশ ও বিকার।।

চৌপাঈ
1। জয় হনুমান জ্ঞান গুণের সাগর।
জয় হে কপীশ প্রভু কৃপার সাগর।।
2। শ্রী রামের দুত অতলিত বলধাম।
অঞ্জনার পুত্র পবনসুত নাম।।
3। মহাবীর বজরঙ্গি তুমি হনুমান।
কুমতি নাশিয়া করো সুমতি প্রদান।।
4। কাঞ্চন বরন তব তুমি হে সুবেশ।
কর্নেতে কুন্ডল শোভে কুঞ্চিত কেশ।।
5। হাতে বজ্র তব আর ধ্বজা বিরাজে।
সুন্দর গদাটি কাঁধে তোমার যে সাজে।।
6। অপরূপ বাহু পবন নন্দন।
মহাতেজ ও প্রতাপ জগত বন্দন।।
7। বিদ্যাবান গুণবান তুমি হে চতুর।
রামচন্দ্রের কার্যে তুমি হে আতুর।।
8। সর্বদা রামের আজ্ঞা করিতে পালন।
হৃদয়ে রাখ সদা রাম, সীতা ও লক্ষণ।।
9। সুক্ষরুপ ধরি তুমি লঙ্কা প্রবেশিলে।
ধরিয়া বিকট রুপ লঙ্কা দগ্ধ করিলে।।
10। ভীমরুপ ধরি তুমি অসুর সংহার।
শ্রীরামচন্দ্রের তুমি সর্ব কাজ করো।।
11। সঞ্জীবন আনী তুমি বাঁচালে লক্ষণ।
রঘুবীর হোন তাতে আনন্দিত মন।।
12। রঘুনাথ দিল তোমায় আলিঙ্গন দান।
কহিলেন তুমি ভাই ভরত সমান।।
13। সহস্ত্র বদন তব গাবে যশ-খ্যাতি।
এ বলি আলিঙ্গন করেন শ্রীপতি।।
14। সনকাদী ব্রহ্মাদী যাতক দেবগন।
নারদ-সারদ আদি দেব ঋষিগণ।।
15। যম ও কুবের আদি দিকপাল গণে।
কবি ও কোবিদ যত আছে ত্রিভুবনে।।
16। সুগ্রীবের উপকার তুমি যে করিলে।
রাম সহ মিলাইয়া রাজপদ দিলে।।
17। তোমার মন্ত্রণা সব বিভীষণ মানিল।
লঙ্কেশ্বর ভয়ে সবে কম্পমান ছিল।।
18। সহস্র যোজন ঊর্ধ্বে সূর্যদেবে দেখে।
সুমধুর ফল বলি ধাইলে গ্রাসিতে।।
19। জয়রাম বলি তুমি অসীম সাগর।
পার হয়ে প্রবেশিলে লংকার ভিতর।।
20। দুর্গম যত কাজ আছে ত্রিভুবনে।
সুগম করিলে তুমি সব রামগানে।।
21। চিরদ্বারী আছো তুমি শ্রী রামের দ্বারে।
তব আজ্ঞা বিনা কেহ প্রবেশিকা পারে।।
22। শরন লইনু প্রভু আমি যে তোমারি।
তুমিই রক্ষক মোর আর কারে ডরি।।
23। নিজ তেজ নিজে তুমি করো সম্বরন।
তোমার হুংকারে দেখো কাঁপে ত্রিভুবন।।
24। ভূত প্রেত পিশাচ কাছে আসিতে না পারে।
মহাবীর তব নামে যেইজন স্মরে।।
25। রোগ নাশ করো আর সর্ব পীড়া হর।
মহাবীর নাম যেবা স্মরে নিরন্তর।।
26। সংকটেতে হনুমান উদ্ধার করিবে।
তাহার চরণে যেবা মন-প্রাণ দিবে।।
27। সর্বোপরি রামচন্দ্র তপস্বী ও রাজা।
শ্রী রামের অরিগণে তুমি দিলে সাজা।।
28। তোমার চরণে যেবা মন-প্রাণ দিবে।
এই জীবনে সেইজন সদা সুখ পাবে।।
29। প্রবল প্রতাপ তব হে বায়ু নন্দন।
চারযুগ উজ্জ্বল রহিবে ত্রিভুবন।।
30। সাধু সন্ন্যাসীরে রক্ষা করো মতিমান।
শ্রী রামের প্রিয় তুমি অতি গুণবান।।
31। অষ্টসিদ্ধি নবনিদ্ধি যাহা কিছু রয়।
সকলেই সিদ্ধ হয় তোমার কৃপায়।।
32। রাম-রামায়ন আছে তব নিকটেই।
শ্রী রামের দাস হয়ে রয়েছো সদাই।।
33। তোমার ভজন কইলে রামকে পাইবে।
জনমে জনমে তার দুঃখ ঘুঁচে যাবে।।
34। অন্তকালে পাবে সেই রামের চরণ।
এই সার কথা সব শুনে ভক্তগণ।।
35। সব ছাড়ি বল সবে জয় হনুমান।
হনুমন্ত তো সর্বসুখ করিবে প্রদান।।
36। সর্ব দুঃখ যাবে সংকট কাটিবে।
যেইজন হনুমন্ত স্মরণ করিবে।।
37। জয় জয় জয় হনুমান গোসাই।
তব কৃপা ভিন্ন আর কোন গতি নাই।।
38। যেইজন শতবার ইহা পাঠ করে।
সকল অশান্তি তার চলে যায় দূরে।।
39। হনুমান চালিশা যে করেন পঠন।
সর্ব কার্যে সিদ্ধি লাভ করে সেই জন।।
40। তুলসীদাস সর্বদাই শ্রীহরির দাস।
মনের মন্দিরে প্রভু কর সদা বাস।।

দোহা
পবন নন্দন সংকট হরন মঙ্গল মূর্তি রূপ। শ্রী রাম ৷ লক্ষণ জানকী রঞ্চ তুমি হৃদয়ের ভূপ।।
পবন নন্দন প্রবল বিক্রম রাম আনুগত অতি।চালিসা হেথায় সামাপন হয় পদে থাকে যেন মতি।।
জয় শ্রী রাম জয় হনুমান🌸🙏

জয় বজরংবলী 🙏 জয় হনুমান 🙏💟

30/07/2022

Happy Friendship Day ❤️❤️
বন্ধুত্বের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ " কৃষ্ণ-সুদামা"
ছোটবেলায় সুদামা নামে শ্রীকৃষ্ণের এক বন্ধু ছিলেন! সুদামা অতিশয় সৎ নির্লোভ সচ্চরিত্র নিষ্ঠাবান ভক্ত ব্রাহ্মণ, কৃষ্ণকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন! একই গুরুর নিকট তাঁরা পড়াশোনা করেছেন! বড় হয়ে শ্রীকৃষ্ণ দ্বারকার রাজা হলেন; তাঁর খ্যাতি সর্বত্র! এদিকে সুদামার অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে লাগল, এমন অবস্থা যে দু’বেলা ঠিকমত খাবারও জোটেনা! একদিন সুদামার স্ত্রী তাঁকে বললেন, “ওগো, তোমার বন্ধু কৃষ্ণ তো দ্বারকার রাজা, তাঁর কাছে গেলে হয়তো কিছু সাহায্য পাওয়া যেত, তাতে আমাদের অভাব অনেকটা ঘুচত!” কিন্তু নির্লোভ সুদামা স্বভাবসুলভ লজ্জায় তাতে রাজী হলেন না! বললেন, “আরে এই অবস্থায় কী করে ওর কাছে যাই?” কিন্তু স্ত্রীর পীড়াপীড়িতে ও অনেক দিন পর বন্ধুর সঙ্গেও দেখা হবে এই ভেবে যেতে রাজি হলেন!
যাওয়ার সময় তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণকে উপহার দেওয়ার জন্য কিছু চিড়ার খুদ সুদামার চাদরে বেঁধে দিলেন! যদিও কৃষ্ণকে এই অতি সামান্য উপহার দেবার কথায় সুদামা অত্যন্ত কুণ্ঠিত হলেন, কিন্তু এছাড়া কীই বা ঘরে আছে? সুদামা দ্বারকায় রওনা হলেন! সুদামা দ্বারকায় পৌঁছে শ্রীকৃষ্ণের বাড়ীর সামনে এসে দাঁড়ালেন! তাঁকে দেখামাত্র কৃষ্ণ “আরে সুদামা!” বলে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরলেন! সুদামা অঝোরধারে কেঁদে ফেললেন! কৃষ্ণ তাঁকে ঘরে নিয়ে গিয়ে স্বহস্তে তাঁর পা ধুইয়ে দিলেন! তারপর শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর তিন স্ত্রী তাঁকে অত্যন্ত আদর-আপ্যায়ন করলেন ও চারজনেই তাঁর পরিচর্যায় নিযুক্ত হলেন!
খাওয়ার সময়ে সুদামা মাঝে মাঝে কাঁদছিলেন এই ভেবে যে, ‘আমি এখানে এত উপাদেয় খাবার খাচ্চি, ওদিকে আমার বৌটা আজ সামান্য খুদকুঁড়ো চিবিয়েই দিনটা কাটাচ্চে!’ শ্রীকৃষ্ণ সব লক্ষ্য করলেন কিন্তু মুখে কিছু বললেন না! খাওয়া-দাওয়ার পর কৃষ্ণ জিজ্ঞাসা করলেন, “কিরে? আমার জন্যে কি এনেছিস, দে?” সুদামা আমতা আমতা করে বললেন, “এনেচি… মানে… …ইয়ে মানে…”
কৃষ্ণ: “কি মানে মানে করছিস!! দেখি তোর পুঁটলিতে কি আছে?”
কৃষ্ণ পুঁটলি খুলে দেখে বললেন, “বাঃ! বাঃ!! আমার জন্যে চিঁড়ে এনেছিস? আসলে লোকে আমাকে একনাগাড়ে মিষ্টি খাইয়ে অরুচি ধরিয়ে দিয়েছে! তাই ক’দিন ধরে স্বাদবদলের কথা ভাবছিলুম! তা তুই আমার মনের কথাটা ঠিক বুঝতে পেরেছিস! আবার শুকনো চিঁড়ে খেতে অসুবিধা হবে বলে জলে ভিজিয়ে এনেছিস! তোর জবাব নেই!” সুদামা কাঁদতে লাগলেন!
কৃষ্ণ: “কিরে, তখন থেকে খালি কাঁদছিস কেন? বৌ এর কথা ভাবছিস?”
সুদামা: “না রে ভাই! আসলে আসবার সময়ে আমাদের ফেলে আসা ছোটোবেলার কথা ভাবছিলুম, তাই কাঁদছিলুম আর চোখের জল পড়ে পড়ে চিঁড়ে ভিজে গেচে!”
কৃষ্ণ: “বাহ্ চমৎকার! দেখ্, কত লোক আমায় কত কী খাওয়ায়, কিন্তু জানিস, আজ পর্যন্ত কেউ আমায় চোখের জলে ভেজানো চিঁড়ে খেতে দেয়নি!” এই বলে শ্রীকৃষ্ণ সেই সামান্য চিঁড়ের খুদ পরম তৃপ্তিভরে খেলেন; বললেন, “সত্যিই তোর জবাব নেই রে সুদামা! এইজন্যেই তো তোকে এত ভালোবাসি!” তারপর তাঁরা অনেকক্ষণ গল্প করলেন! অনেকদিন পরে বন্ধুর সাক্ষাত পেয়ে এতই আনন্দ হচ্ছিল যে সুদামা তাঁর দারিদ্রের কথা কৃষ্ণকে বলতে ভুলে গেলেন! কৃষ্ণের থেকে সাহায্য চাওয়ার কথাও মনে এল না! তারপর এল বিদায় নেবার পালা! কৃষ্ণ বললেন, “আবার আসবি তো?” সুদামা বললেন, “আসব!” তারপর সুদামা বাড়ীর পথে রওনা দিলেন! বাড়ীর কাছে পৌঁছে দেখলেন,
একি!! কোথায় গেলো সেই কুটির?? তাঁর কুঁড়েঘরের জায়গায় বিশাল এক অট্টালিকা! ঘরে ধনসম্পদের অভাব নেই! কী তাজ্জব ব্যাপার!! এ কী করে সম্ভব হলো?? তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে অবাক্ হয়ে এইসব ভাবছেন, এমন সময়ে তাঁর স্ত্রী তাঁকে বারান্দা থেকে দেখতে পেয়ে নীচে নেমে বাইরে এসে সুদামাকে বললেন, “ওগো, তুমি বাড়ী থেকে বেরুলে আর আমি সবে পুজোয় বসেচি, হঠাৎ দেখি সব কিরকম পাল্টে গেলো! দেখচ? শ্রীকৃষ্ণ আমাদের অভাব দূর করে দিয়েচেন!” সুদামা আরো অবাক হয়ে বললেন, “আরে! তা কি করে হয়? আমি তো ওকে আমার দূরবস্থা সম্বন্ধে কিছুই বলিনি!”
তাঁর স্ত্রী বললেন, “ওগো, তাঁকে কি কিছু বলতে হয়? তাঁর কাছে গেলে তিনিই সব ঠিক করে দেন! তোমার বন্ধু হলেও তুমি তাকে চিনতে পারোনি, কিন্তু আমি চিনতে পেরেচি! তাঁর শরণাপন্ন হলেই নিশ্চিন্ত! তিনি যে আর কেউ নন গো, তিনি ‘ভক্তের ভগবান’ শ্রীকৃষ্ণ।
হরেকৃষ্ণ

আমরা সকলে ভাগ্যের দোষ দিয়ে থাকি,বিপদকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে থাকি,আসলে ভাগ্য বা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে কিছু নেই , যা আছে সব কর্মফল ...
08/04/2021

আমরা সকলে ভাগ্যের দোষ দিয়ে থাকি,বিপদকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে থাকি,আসলে ভাগ্য বা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে কিছু নেই , যা আছে সব কর্মফল এবং পূর্ব নির্ধারিত ভবিতব্য,গত জন্মের কর্ম অনুযায়ী ফল ভোগ করতেই হবে,সেটা এখন আমাদের হাতে নেই,সে হোক ভাল বা মন্দ,আর আজকের কর্ম আগামী দিনের বা জন্মের ভাল মন্দ বিপদ মঙ্গলের ফল বহন করবে,সেটা পুরোটাই এখন আমাদের হাতে।মানব দেহে প্রকৃত মানব জন্মের শুরু তখন যখন জীবনের উদ্দেশ্য খুজে বের করে সেই ভাবে জীবন চলা শুরু করা হবে,কি করা উচিৎ কি খাওয়া উচিৎ কি বলা উচিৎ ইত্যাদি।
♥"হরে কৃষ্ণ"শুভ একাদশী"♥জয় ভক্ত রক্ষক ভগবান নৃসিংহদেবের জয়"

চরকাওয়াক দূর্গা মন্দির, উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ
04/11/2020

চরকাওয়াক দূর্গা মন্দির, উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ

26/10/2020

ঘোষগাতী অনির্বান মন্দির

ঝিকিড়া জমিদার বাড়ি মন্দির
25/10/2020

ঝিকিড়া জমিদার বাড়ি মন্দির

ঝিকিরা কালিমাতা মন্দির
25/10/2020

ঝিকিরা কালিমাতা মন্দির

মা ভবানী মন্দির উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ
25/10/2020

মা ভবানী মন্দির উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ

বনিক সমিতি উল্লাপাড়া,সিরাজগঞ্জ
25/10/2020

বনিক সমিতি উল্লাপাড়া,সিরাজগঞ্জ

Address

Dhaka

Telephone

+8801719616206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online puja photography.bd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category