Travel Tales by Taj

Travel Tales by Taj Travel , Story telling , Photography
Every trip has a tale.I’m here to tell mine.
- welcome to Travel Tales by Taj Noor.😊❤️
(life is beautiful 😍)

বনলতা এক্সপ্রেস ;এই গল্পটার সঙ্গে আমার পরিচয় অবশ্য অনেক পুরোনো।২০১৫ সালের দিকে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছুক্ষণ উপন্যাসটা পড়েছ...
04/06/2026

বনলতা এক্সপ্রেস ;

এই গল্পটার সঙ্গে আমার পরিচয় অবশ্য অনেক পুরোনো।
২০১৫ সালের দিকে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছুক্ষণ উপন্যাসটা পড়েছিলাম। তখন উপন্যাস হাতে দেখলেই আম্মার রাগ উঠত। তাঁর কাছে এগুলো ছিল "সময় নষ্ট করার জিনিস"। পাঠ্যবই ফেলে উপন্যাসের বই পড়ছি এটাই ছিল সবচেয়ে বড় অপরাধ। তাই বইটা পড়তাম চোরের মতো,আড়ালে-আবডালে।
আজ এত বছর পরও মনে আছে, চরিত্রগুলোর মধ্যে আমি নিজের একটা ছায়া খুঁজে পেতাম।
কখনো নিজেকে চিত্রা ভাবতাম। মনে হতো, আহা😉 কোনো খোঁজাখুঁজি / প্রেম-ভালোবাসার ঝামেলা ছাড়াই একদিন হয়তো একজন সুদর্শন ডাক্তার যুবক এসে আমাকে বিয়ে করবে।😄
আবার কখনো আফিয়ার জায়গায় নিজেকে বসিয়ে ভাবতাম,আমি এমন এক স্ত্রী হব,যে স্বামীর চেয়ে একটু বেশি বোঝে,একটু বেশি চিন্তা করে, আর একটু বেশিই ভালোবাসে। এমন ভালোবাসা, যা মাঝে মাঝে খিটখিটে রাগের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। যে স্বামীকে চোখের আড়াল হতে দিতে চায় না, যতই সে দূরে ছুটে বেড়াক না কেন। তখন এসব কল্পনা করতে করতে নিজেই হাসতাম।😂
সিনেমা দেখতে বসে বারবার সেই ছোটবেলার আমিটাকে মনে পড়ছিল।
উপন্যাস পড়ার সময় চরিত্রগুলোকে আমি নিজের কল্পনার রঙে এঁকেছিলাম। তাদের মুখ, তাদের কণ্ঠ, তাদের হাসি-কান্না সবকিছু ছিল আমার নিজের তৈরি। তাই হয়তো বই পড়ার আনন্দটা একটু বেশি ছিল।
কিন্তু সিনেমাটিও চরিত্রগুলোর আবেগকে যথাসাধ্য সম্মান করেছে। পুরো টিমের আন্তরিকতা অনুভব করা যায়।
তবে সিনেমার শেষদিকে এসে আমি আর গল্প দেখছিলাম না, আমি অনুভব করছিলাম।
আজিজ চরিত্রটি যখন ট্রেনে বসে তার শেষ সংলাপে বলছিল:
"আল্লাহ আমাকে মেয়ের শাসন বেশি দিন দিল না..."

ঠিক তখন বুকের ভেতর কোথাও একটা হাহাকার জমে উঠেছিল। চোখের কোনে পানি আসলো...
বাবা-মেয়ের সম্পর্কটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃশব্দ অথচ গভীর সম্পর্কগুলোর একটি। অনেক বাবাই হয়তো মুখে খুব বেশি ভালোবাসি বলেন না, কিন্তু মেয়ের সামান্য কষ্টেও ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়েন। আর যারা বাবার খুব আদরের মেয়ে, তারা এই দৃশ্যটা দেখে চোখের পানি আটকে রাখতে পারবে না।

সিনেমা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও একটা প্রশ্ন মাথার ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছিল :
সন্তানকে জন্ম দিয়ে, বুকের ভেতর আগলে বড় করে, একদিন তার লাশ কাঁধে নেওয়ার কষ্ট বেশি?
নাকি সারাজীবন সন্তানহীনতার শূন্যতা বয়ে বেড়ানোর কষ্ট বেশি?
হয়তো এই প্রশ্নের কোনো নির্দিষ্ট উত্তর নেই।
কিন্তু কিছু গল্প উত্তর দেওয়ার জন্য আসে না, কিছু গল্প আসে মানুষের ভেতরে প্রশ্ন জাগিয়ে দেওয়ার জন্য। কিছুক্ষণ উপন্যাসটা ও বনলতা এক্সপ্রেস মুভি ঠিক তেমনই একটি গল্প।
সিনেমা হল থেকে বের হয়ে আসার পরও গল্পটা মাথা ছেড়ে যায়নি। কিছু সংলাপ কানে বাজছিল, কিছু দৃশ্য চোখে ভাসছিল, আর কিছু অনুভূতি বুকের ভেতর নিঃশব্দে রয়ে গিয়েছিল।
যারা এখনো দেখেননি, সময় করে দেখে নিতে পারেন। পরিবার,বন্ধুদের সাথে বসে দেখার মতো একটি সিনেমা।
কারণ কিছু সিনেমা শুধু দেখা হয় না
অনুভব করা হয়।

Eid Mubarak 🌙
29/05/2026

Eid Mubarak 🌙

হাম ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে নাগরিক গোলটেবিল বৈঠক ।গোলটেবিলে কোন ডাক্তার নেই😂, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্তারাও নেই।🤡 বা...
18/05/2026

হাম ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে নাগরিক গোলটেবিল বৈঠক ।
গোলটেবিলে কোন ডাক্তার নেই😂, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্তারাও নেই।🤡
বাম থেকে বসে আছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর(বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষ ভাবে অজ্ঞ), অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তামান্না সেতু (মেবি বিশিষ্ট চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষ ভাবে অজ্ঞ), কবি আখতারুজ্জামান আজাদ, সাহিত্যিক মোজাফফর হোসেন, এই পাশে বসে আছেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল।😂
(তারা ভিন্ন ভিন্ন সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ চর্চার মাধ্যমে, চিকিৎসা দিয়ে থাকবেন।🥴
এখন থেকে হাম ও স্বাস্থ্য বিষয়ক জটিলতা নিয়ে ডাক্তারের কাছে এবং হাসপাতালে না গিয়ে এদের কাছে যাবেন 😂)

17/05/2026

লিভার সিরোসিস, কিডনি ড্যামেজ কিংবা ক্যান্সারে প্রতিদিন অসংখ্য তরতাজা প্রাণ আমাদের চোখের সামনে থেকে ঝরে যাচ্ছে।

তারপরও থেমে নেই জাঙ্কফুড, ভাজাপোড়া, কোমল পানীয়, ধূমপান কিংবা মাদক সেবনের প্রবণতা।

এই নগরে, না শুধু এই নগরেই নয়, প্রতিটি জেলা শহরেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দোকান। ঘরের খাবারের চেয়ে আমাদের প্রিয় হয়ে উঠছে বাইরের খাবার।

ছুটির দিনে আগে আমরা ঘাসের কাছে, গাছের কাছে, নদী কিংবা সমুদ্রের কাছে ঘুরতে যেতাম। এখন আমাদের ছুটির দিনের ঘোরাঘুরি মানেই দলবেঁধে রেস্টুরেন্টে যাওয়া।

আপনি খেয়াল করে দেখবেন, আপনার মহল্লার মুদি কিংবা কনফেকশনারির দোকানে বাইরের দিকে রাখা হয় কোমল পানীয় সাজানো ফ্রিজ, আপনার হাতের নাগালেই ঝোলানো থাকে চিপসের সারি সারি প্যাকেট।

কারণ, প্রতিদিন এইসব পণ্য এত পরিমাণ বিক্রি হয়, এগুলো বুঝে নেয়ার ভার ক্রেতার হাতেই ছেড়ে দেন দোকানি।

আর এর করুণ ফল আমরা প্রতি মুহূর্তে প্রত্যক্ষ করছি। দেশে বর্তমানে কিডনি রোগীর সংখ্যা এত বেশি যে ডায়ালাইসিসের জন্য সহজে স্লট খালি পাওয়া যায় না।

এই প্রজন্ম ফল খেতে চায় না। আবার যারা খায়, তাদের পছন্দের শীর্ষে থাকে বিদেশি ফল। অথচ আমাদের দেশি মৌসুমি ফলমূল অনেক বেশি সাশ্রয়ী, পুষ্টিকর এবং বিদেশি ফলের তুলনায় টাটকা।

একটা জনপদের প্রায় সকল মানুষ নিশ্চিত জানার পরও ক্ষতির দিকে দৌড়াচ্ছে, এটা বোধহয় শুধু বাংলাদেশেই সম্ভব।

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর আমরা অনেক আগেই পার করে এসেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আজ পর্যন্ত কোনো সরকার জনগণের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবার-পানীয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

আমার এ শরীর আল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া এক আমানত। এই আমানতের যত্ন নেয়া, সুস্থ রাখা আমার দায়িত্ব।

আসুন, আমাদের রসনাকে সংযত রাখি। মুখরোচক অস্বাস্থ্যকর খাবার নয়, বরং পরিমিতির সাথে স্বাস্থ্যকর খাবার খাই, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করি।

16/05/2026

বাংলাদেশে ধার্মিকের অভাব নেই।
একদম সব ধর্মের কট্টর সব ধার্মিক মনে হয় বাংলাদেশেই বসবাস করে 😂।
কারো মৃত্যু হলে - উল্লাস করে (যা তা মন্তব্য করে)
তাদের প্রোফাইলে ঢুকলে দেখবেন কি যে ধার্মিক সে😂।
প্রচুর ধার্মিক, স্রষ্টা ভীরু...কথায় কথায় বলে যা হয় স্রষ্টার ইচ্ছেয় হয় ।

-কিন্তু
রুগী মারা গেলে ডাক্তারের দোষ 😁।
রুগী যেহেতু মারা গেছে, ডাক্তারকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে না।
(তখন আর স্রষ্টার ইচ্ছে, স্রষ্টার দেয়া হায়াত - মউত এর কথা মনে থাকে না)
আমরা বাঙালিরা কিন্তু প্রচুর ধার্মিক...
হূম 🤡

তাশরিক হাবিব সমাজ চেনাচ্ছেন?নাকি নিজেই ভাঁড়তন্ত্রের ভারবাহী হতে চাইছেন?  - ফারদিন ফেরদৌস দুইদিন আগেও আমরা শিক্ষক তাশরিক...
12/05/2026

তাশরিক হাবিব সমাজ চেনাচ্ছেন?
নাকি নিজেই ভাঁড়তন্ত্রের ভারবাহী হতে চাইছেন?

- ফারদিন ফেরদৌস

দুইদিন আগেও আমরা শিক্ষক তাশরিক হাবিবকে চিনতাম না। এখন চিনি। যেই দেশে অধিকাংশ মানুষ ড. আহমদ শরীফ কিংবা সরদার ফজলুল করিমের মতো দার্শনিকদের চেনে না সেখানে মিস্টার হাবিবকে চিনতে হবে এটা দায় বা না চিনতে পারাটা অজ্ঞতা নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব নিজের সোশ্যালে হ্যান্ডেলে লাইভে এসে নির্লিপ্ত চোখ এবং ভাবলেশহীনভাবে গান গাইছেন, কবিতা আবৃত্তি করছেন এবং ফলোয়ারদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে বাতচিত করছেন। কথা ঠিক থাকলেও সঙ্গীতের তাল লয় সুর কিছুই হচ্ছে না, আবৃত্তির টেম্পু, পজ, স্পেলিং কিছুরই ঠিক ঠিকানা নাই -কিন্তু তিনি সেসব করে যাচ্ছেন। এতে ব্যাপকভাবে লোক হাসছে, তাকে নিয়ে ট্রল হচ্ছে, মিম, রিলস, শর্টস বানানো হচ্ছে। কিন্তু তিনি নির্বিকার থাকছেন। এমনকি তিনি ভুলেও হাসছেন না। কমেডিয়ানরা নিজেরা হাসে না -লোক হাসায়।

প্রথম যখন তার বেসুরো কন্ঠে গান শুনলাম, কোন বাছবিচার ছাড়াই আমরা তাকে বাতিলের খাতায় রেখে দিয়ে পাবনার পথ দেখতে বলছিলাম। কিন্তু অনুমান করছি ড. হাবিবের নিশ্চিত কোনো উদ্দেশ্য আছে। তিনি কি আজকের বাংলাদেশের সমাজকে বাজিয়ে দেখতে চাইছেন? উচ্ছৃঙ্খল সমাজের উদ্ভট মানুষেরা কী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় সেটির স্বরূপ সন্ধান করতে গিয়ে নিজেকেই পর্যবেক্ষণের অনুষঙ্গ করে তুলছেন তিনি? হয়ত তার পরবর্তী গবেষণার বিষয়, 'সোশ্যাল মিডিয়া, ভাইরাল টেন্ডেন্সি অ্যান্ড হিউম্যান বিং!' খুব শিগগিরই হয়ত এই গবেষণাপত্রটি আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

আমাদের সমাজে গভীর কাজের মূল্য কম, দৃশ্যমানতার মূল্য বেশি। একজন গবেষকের ২০ বছরের কাজ যত মানুষ দেখে না, তার ২০ সেকেন্ডের অদ্ভুত ভিডিও তার চেয়ে বেশি মানুষ দেখে। ফলে অনেক বুদ্ধিজীবীও এখন 'মনোযোগ কাড়ার ভাষা' শিখতে বাধ্য হচ্ছেন। এটি এখন কেবল বাংলাদেশের একার সমস্যা -তা নয়; বরং বৈশ্বিক গোলযোগেরই এক দুঃখজনক পার্ট।

তাশরিক হাবিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১২ সালে এমফিল ডিগ্রি ও ২০১৭ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এমফিল গবেষণা অভিসন্দর্ভ 'বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্পে প্রান্তজনের জীবনচিত্র' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রথম এমফিল গবেষণা অভিসন্দর্ভের গ্রন্থরূপ হিসেবে মর্যাদায় আসীন। মৌলিক ও ভিন্নধর্মী গবেষণা হিসেবে তাঁর পিএইচডি অভিসন্দর্ভ 'বাংলাদেশের উপন্যাসে লোকজ উপাদানের ব্যবহার' বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সম্মানজনক 'রিসার্চ গ্র্যান্ট' পেয়েছে। তার উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘৩৬ জুলাই, ২০২৪’, ‘নাইয়র’, ‘গল্পকার শহীদুল জহির’, এবং ‘নজরুল যুগবাণী ও অন্যান্য’।

একজন শিক্ষকও মানুষ। তিনি গান গাইতে পারেন, লাইভে আসতে পারেন, রসিকতা করতে পারেন, এমনকি আত্মপ্রকাশের জন্য অদ্ভুত পারফরম্যান্সও করতে পারেন। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের একজন অধ্যাপকের ক্ষেত্রে সমাজ স্বাভাবিকভাবেই একটা বৌদ্ধিক মর্যাদা, সংযম ও রুচির প্রত্যাশা করে। কারণ তিনি শুধু ব্যক্তি নন, একটি জ্ঞান-প্রতিষ্ঠানের প্রতীকও।

তবে এখানেও একটা জটিলতা আছে। আমরা প্রায়ই 'গম্ভীরতা'কে জ্ঞানের একমাত্র ভাষা মনে করি। ফলে কেউ যদি প্রচলিত অধ্যাপকসুলভ ইমেজ ভাঙেন, মানুষ দ্রুত তাকে 'ভাঁড়' বলে দাগিয়ে দেয়। অথচ ইতিহাসে বহু বুদ্ধিজীবী ইচ্ছাকৃতভাবে eccentric বা unconventional আচরণ করেছেন -কখনও শিল্পীসুলভ প্রকাশ হিসেবে, কখনও সমাজের ভণ্ডামিকে ব্যঙ্গ করার মানসে।

আবার উল্টো দিকও আছে। যদি কেউ সচেতনভাবে শুধুই ভাইরাল হওয়ার জন্য নিজের বৌদ্ধিক পরিচয়কে সার্কাসে পরিণত করেন, তাহলে সমালোচনা হওয়াটাও স্বাভাবিক। কারণ তখন প্রশ্ন ওঠে -তিনি কি জ্ঞানচর্চাকে জনপ্রিয় করছেন, নাকি জনপ্রিয়তার জন্য জ্ঞানকে পণ্য বানাচ্ছেন?

আধুনিক মিডিয়া ইকোসিস্টেমে 'Attention economy'–তে দৃশ্যমান হওয়াটাই প্রথম শর্ত। একজন গবেষক যদি ২০–২৫টা বই লিখেও অদৃশ্য থাকেন, আর এক রাতের অদ্ভুত লাইভে হাজার মানুষ তাকে দেখে -তাহলে তিনি বুঝে যান, জ্ঞান নয়, দৃষ্টি আকর্ষণই মূল মুদ্রা। এখানে 'পাগলামি' আসলে একটা পারফরমেটিভ অ্যাক্ট তথা নিজেকে দৃশ্যমান করার কৌশল।

গভীর গবেষণা সময় চায়, মনোযোগ চায়। কিন্তু ভাইরাল কনটেন্ট দেয় তাৎক্ষণিক ডোপামিন। ফলে মানুষ দীর্ঘমেয়াদি মূল্য নয়, তাৎক্ষণিক উত্তেজনা বেছে নেয়।

জামাল নজরুল ইসলাম, আল মাহমুদ, রফিকুন্নবী -এরা 'অভিজাত সাংস্কৃতিক পুঁজি'র প্রতিনিধি। কিন্তু আজকের ডিজিটাল যুগে এই পুঁজির জায়গা দখল করেছে 'attention capital' -যেখানে হিরো আলম বা সালমান মুক্তাদিররা এগিয়ে থাকেন।

মানুষ নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ খোঁজে অন্যের দৃষ্টিতে। সোশ্যাল মিডিয়া সেই আয়না। ভাইরাল হওয়া মানে -'আমি আছি, আমাকে দেখো।' মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েডের ভাষায় এটা হলো Narcissism বা আত্মমুগ্ধতা। মানুষ কষ্টসাধ্য বৌদ্ধিক আনন্দের চেয়ে সহজ, তাৎক্ষণিক আনন্দ বেছে নেয়। নিজেকে প্রকাশ করার এক ধরনের তাড়না -যা সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়তি উৎসাহ পায়।

তাশরিক হাবিবের ব্যাপারটি স্ট্র্যাটেজিক ভাইরালিটি তথা সচেতনভাবে নিজেকে আলোচনায় আনা, কিংবা সামাজিক ব্যঙ্গ -সমাজকে আয়না দেখানো বা চপেটাঘাত করা অথবা হতে পারে সত্যিকারের ব্যক্তিগত বিচ্যুতি -এটাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই শিক্ষকের নৈতিকস্খলন খতিয়ে দেখতে পারে।

বিকৃত সমাজের বোঝা বইতে গিয়ে বুদ্ধিমান মানুষও বাধ্য হয়ে 'অদ্ভুত' হতে পারে। এটা এক ধরনের সাংস্কৃতিক ট্র্যাজেডি -যেখানে জ্ঞান টিকে থাকতে চায়, কিন্তু টিকে থাকার জন্য তাকে চটুল বিনোদনের ছদ্মবেশ নিতে হয়।
তাশরিক হাবিব আপাতত জনপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়ার এই সময়ের ট্রেন্ড ধরে রেখেছেন। কিন্তু তার আসল অভিপ্রায় বা অভীপ্সা কী -সেটি দেখতে আরো কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক
১২ মে ২০২৬

যখন দেখবেন কোনো মেয়ের মাথার চুল খুব পরিপাটি; মাঝখান দিয়ে একদম সোজা সিঁথি কেটে বেণি কিংবা খোঁপা করেছে, তখন বুঝবেন মনটা খু...
05/05/2026

যখন দেখবেন কোনো মেয়ের মাথার চুল খুব পরিপাটি; মাঝখান দিয়ে একদম সোজা সিঁথি কেটে বেণি কিংবা খোঁপা করেছে, তখন বুঝবেন মনটা খুব বেশি ফুরফুরে না থাকলেও খারাপ নেই। যা বলবেন সেটা শুনবে, বুঝবে। সে তখন নিজের পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।

সুগন্ধি শ্যাম্পু লাগিয়ে, চিকন চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে চুল খুলে রাখা অবস্থায় কখনো কোনো মেয়েকে দেখলে বুঝবেন তার মেজাজটা বেজায় ভালো। খুব বেশি ফুরফুরে মেজাজে না থাকলে অকারণে মেয়েরা চুল খুলে উড়তে দেয় না বরং চুলের স্বাধীনতা হরণ করে ক্লিপের নিচে আটকে রাখে কিংবা একটা মেসি বান করে বসে থাকে।

রুক্ষ, খুশকি ভরা, চিরুনি করার অভাবে দলা পেকে যাওয়া চুলের কোনো মেয়েকে দেখলে একটু আন্তরিক হবেন। কারণ তার মনটা ভালো নেই, মাথার ভেতরেও অসংখ্য চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। হতে পারে সে এটাকিং মুডে আছে কিংবা সুই*সাইডাল। এসময় তার কথা শুনবেন, যত্ন নিবেন, সময় দিবেন।

আর কোনো মেয়ে যদি তার বিরাট লম্বা চুল কেটে একেবারে আধখানা করে ফেলে তাহলে তার আর কাউকে দরকার নেই (সে আঘাত পেয়ে পেয়ে একগুঁয়ে হয়ে গেছে)। সে আর কারো ওপর বিশ্বাস রাখার মতোন বোকামি করবেনা। এমন মেয়ে খুব বড় কোনো ডিসিশন নেয়ার আগে চুল কেটে নিজের সহ্যশক্তির জানান দেয় নিজের কাছে (নিজের প্রতিও তার মায়া , দয়া নাই বললেই চলে)। সে চলে গেছে জীবনের সার্ভাইভাল মুডে। যতো যা-ই হোক ভাঙবে তবু মচকাবে না। এরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হলেও মানসিক শান্তি এদের কম থাকে।🙂

মানুষ বলে চোখ নাকি মনের কথা বলে, আমি বলি মেয়ে মানুষের মনের অবস্থা প্রকাশ পায় তার চুলে।
©


ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেন। (Baldha Garden) ১৯০৯ সালে ভাওয়াল জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত , যা উপমহা...
04/05/2026

ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেন।
(Baldha Garden) ১৯০৯ সালে ভাওয়াল জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত , যা উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ বোটানিক্যাল গার্ডেন। ৩.১৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বাগান।
😊
#বলধাগার্ডেন

যেভাবে মধ্যবিত্তের মেধাবী পোলাপান দিয়ে ফ্রি কাজ করাবেন ।(একটি কাল্পনিক ঘটনা, কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়)প্...
03/05/2026

যেভাবে মধ্যবিত্তের মেধাবী পোলাপান দিয়ে ফ্রি কাজ করাবেন ।
(একটি কাল্পনিক ঘটনা, কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়)

প্রথমে বাসায়/অফিসে ডেকে নেবেন। পুরি, সিঙ্গাড়া, চা খাইয়ে নিজের জ্ঞান,অর্থবিত্ত এবং অপারগতা দেখিয়ে নিজেকে সাধুর আসনে বসাবেন। এরপরে নানা ভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানটি তারই এমনটা অনুভব করাবেন। একবার যদি এই বুঝ দিতে পারেন এই প্রতিষ্ঠান তারই নিজের মতই,তাহলেই আপনার কাজ ৯০% কমপ্লিট।

মাঝে মাঝে খাওয়াবেন বাসায়/অফিসে/ঢং দোকানে, নিজের দু:খের কথা শেয়ার করবেন (সংসার নিয়ে ঝামেলা,বৌ পোলাপান কথা শুনে না ,আরো ব্লা ব্লা ব্লা) সমস্যার কথা জানিয়ে তার সাথে ভবিষ্যতে ভাল কাজ করার আশা দেখাবেন।

বছরে এক দুইবার নিজের ব্যবহৃত কিছু জিনিস পত্র উপহার দেবেন, বিপদে খুচরা টাকা পয়সা দেবেন,তবে দুদিন পর পরই তাকে মাগনা খাওয়ানো ভুলবেন না (কারন আপনি জানেন এই জিহ্বার মধ্যে রংবেরঙের স্বাদ দিলে , গোলাম বানিয়ে রাখা সহজ😂)
কিন্তু বেতন ভাতা, নিরাপত্তার প্রসঙ্গ উঠলে আবার ভবিষ্যতের মূলা ঝুলাবেন।

এভাবে জীবনের অর্ধেক পার করে কেউ আপনার প্রতিষ্ঠান দাড় করে ফেলার পর হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেবেন। (এই জীবনের অর্ধেক সে নিজের ব্রেনে চললে সে আম্বানির মতো প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে পারত, কিন্তু সে তো মধ্যবিত্ত 🤡 তাকে তো নিচু গলায় কথা বলা মানায়, সে মেধাবী হলেও গোলাম হতে পছন্দ করে,সে যে শেষ হয়ে যাচ্ছে এটা কেউ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলে সে সেই লোককে স্বার্থপর - ইতর ভাবছে)
তারপর হুট করে সব এক্সেস নিজের করে নেবেন।নিজের পোলাপানকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন 😊।

হাইজ্যাক কম্পলিট হওয়ার পর, যদি পার্টি দূর্বল হয় তবে সব জায়গায় তার নামে কিছু দূর্নাম ছড়িয়ে দেবেন, সবাইকে ফোন দিয়ে বলে দেবেন যাতে মার্কেটে কিছু করে খেতে না পারে। (কারন আপনার অলরেডি একটা বিশাল পদ আছে,তার উপর একটা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন, আপনার সাঙ্গপাঙ্গরা আছে)

চাপ নেবেন না, কারন এর মধ্যে আপনি শিখে গেছেন মধ্যবিত্তের এরকম ছেলেপেলে সংখ্যায় অনেক, একটা গেলে ফ্রেস গ্র্যাজুয়েট হাজারটা পাবেন। অল্প কিছু টাকা খরচ করে, পুনরায় পুরি সিঙ্গাড়া দিয়ে শুরু করুন, প্রয়োজনে এবার চুই গোশ ব্যবহার করুন।😂

এভাবেই আপনি হতে পারবেন একজন সফল আন্ট্রাপেওনর।
©

01/05/2026

Nothing in the world compares to this food.😋
It’s insanely delicious 👌...
I don’t care less about what newspapers say about it.😄

Address

Armanitola
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel Tales by Taj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share