09/08/2023
#পিচ্চি_ছাত্রী🥰
#নিঁলঁয়ঁ_
পর্বঃ১১
মনে হচ্ছে রাতটা অনেক বড় হয়ে গেছে,,,সময় যেনো যাচ্ছেই না।
আরিয়ানের একটাই চিন্তা,,,কখন সকাল হবে।এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ে আরিয়ান।
সকালে আম্মুর ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম।ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি 8:00 টা বেজে গেছে।ওহ আল্লাহ অনেকটা দেরি হয়ে গেছে।ঐ ছেলেটাতো আমাকে সকালবেলা তারাতারি যেতে বলেছিলো নিঝুমদের বাড়ীতে।আমি খুব দ্রুত ফ্রেস হয়ে রুম হতেই বের হতেই,,,
এই আরিয়ান কই যাচ্ছিস,,,নাস্তাটা করে যা বাবা।
না মা খাবোনা এখন।
খেয়ে যা বাবা।না খেয়ে থাকলে শরীর খারাপ করবে।
সময় নেই মা।
কোথায় যাচ্ছিস সেটাতো বলে যা,,,
পরে এসে বলবো।
রাস্তায় এসেই রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম।রিকশা তার আপন গতিতে চলছে,,,কিন্তু আমার মনে শুধু একটা কথাই বাজছে হঠাৎ আমাকে নিঝুমদের বাড়িতে কেনো ডাকা হয়েছে।
পৌঁছে গেলাম নিঝুমদের বাসায়।
ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে নিঝুমদের বাসায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।ভয়ে আমার বুকে ধুক ধুক শব্দ হচ্ছে।বুকে সাহস নিয়ে ভয়ে ভয়ে দরজার সামনে গিয়ে কলিং বেলে একবার চাপ দিলাম।কিন্তু কেউ দরজা খুললো না তাই আর একবার কলিংবেল চাপ দিতেই দরজা খুলে দিলো।
আরে ভাইজান।দুইদিন ধরে বাসায় আসেন না যে,আপাকে পড়াতে,,,?(দরজা খুলেছে কাজের মেয়ে নদী)
নিঝুম কোথায়,,,,?(আগে আমি আসার সময় হলেই নিঝুম দরজা খুলে দিতো।তাই জিজ্ঞেস করা)
আপামনি বাসায় নাই।
কার সাথে কথা বলতেছিস রে নদী।(আংকেল ওনার ঘরে থেকে)
স্যার নিঝুম আপারে পড়ায় সেই স্যার আসছে।
ওকে ভিতরে আসতে বলো।
আংকেলের কথা শুনে ভিতরে গেলাম।দেখছি আংকেল সোফায় বসে চা খাচ্ছেন।আর খবরের কাগজ পড়ছেন।
আরিয়ান বাবা আসো এখানে বসো।
জ্বি আংকেল।
(আংকেলের পাশের সোফায় বসলাম)
নদী আরিয়ানের জন্য চা নিয়ে আয়।
আনছি বড় সাহেব।
নদী এসে আমাকে চা দিয়ে গেলো।কি ব্যাপার নিঝুম কি বাসায় নেই,,,?নিচে আসছে না কেনো।ওতো আমি আসলে এতোক্ষণ রুমে থাকে না।ওহ করতো কাল বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো।এখন হয়তো শ্বশুর বাড়ি(হঠাৎ মনে পড়লো বিয়ের কথা)
তো বাবা কেমন আছো তুমি,,,?
জ্বি আংকেল ভালো আছি আপনি?
ভালো আর কই রাখলে,,,?(আংকেলের আকস্মিক এমন কথার মানে বুঝলাম না)
কেনো আংকেল কি হয়েছে।
শুনলাম তুমি নাকি আমার মেয়েকে প্রেমের জালে ফাসিয়েছো,,,?
তোমার সাহস কি করে হলো।তুমি কি ভেবেছো আমার মেয়েকে বিয়ে করে আমার সব সম্পত্তির মালিক হতে চাও,,,?আমি এটা কখনো হতে দিবো না।আমি তোমাকে জেলের ভাত খাইয়ে ছারবো।(খুব কঠিন গলায়)
জেলের কথা শুনেই আমার গলা শুকিয়ে গেছে।ইচ্ছে করছে এক দৌড়ে পালিয়ে যাই।কিন্তু আমি পালিয়ে গেলে হবে না।আমি তো কখনো নিঝুমকে বলিইনি আমি তোমাকে ভালোবাসি।তাহলে সম্পত্তির কথা আসলো কোথা থেকে,,,নিঝুমের জন্য আমার মনে ভালোবাসা সৃষ্টি হলেও তাকে কখনো বলা হয়নি।
বলো কতো টাকা হলে তুমি আমার মেয়েকে ছেড়ে দিবে।আমি বাবা হয়ে কখনো চাইবো না আমার মেয়ের কোন এক গরীব ঘরে বিয়ে হোক।
(আংকেলের বলা কথা গুলো মাথার উপর দিয়ে গেছে)
আংকেল আপনি আমাকে হাসালেন।ভালোবাসা কখনো টাকা দিয়ে কেনো যায় না।ভালোবাসা হয় একটা সুন্দর মন থেকে,,,টাকা দেখে না।হুম আপনার মেয়েকে আমি ভালোবাসি।কিন্তু আমি তা কখনো প্রকাশ করিনি।যেখানে ভালোবাসাই প্রকাশ হয়নি সেখানে টাকার প্রশ্ন আসলো কোথা থেকে।
এমন জ্ঞান দেওয়া কথা অনেক শুনেছি।তোমাকে আমি জ্ঞান দিতে বলিনি।টাকা ছাড়া পৃথিবী অচল।বলো কতো টাকা চাই তোমার।যতো টাকা চাইবে ততো দিবো,,,তবুও আমার মেয়ের জীবন থেকে চলে যাও,,,
আংকেল আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি আমি আমার ভালোবাসা কখনো নিঝুমের সামনে প্রকাশ করিনি।আর করবোও না।তবে একটা কথা না বললে নয়,,,টাকা কখনো জীবনে প্রকৃত সুখ দিতে পারবে না।আর কখনো কারো ভালোবাসা টাকা দিয়ে ক্রয়-বিক্রয় করবেন না।আসি ভালো থাকবেন।দোয়া করবেন যাতে আর কখনো এই বাড়িতে আসতে না হয়,,,
এই বলে বসা থেকে উঠে চলে আসতে যাবো,,,
এই বাড়িতে তুমি না আসলে আমার মেয়ের জামাই কোথায় আসবে শুনি,,,
মানে বুঝলাম না আংকেল।
তোমাদের সম্পর্ক আমি মেনে নিয়েছি।
মাথা নিচু করে আছি,,,,
কিছুক্ষন আগে বলা কথা গুলো নিয়ে ভাবছোতো,,,,,?ওগুলো বলে একটু বাজিয়ে দেখছিলাম,,,তুমি সত্যি আমার মেয়েকে ভালোবাসো কিনা।
আচ্ছা চলো,,,অনেক বেলা হয়ে গেছে,,,নিঝুমকে দেখতে যাবো,,,
নিঝুম বাড়িতে নেই,,,(কথাটা গলায় আটকে বললেন)
তাহলে কোথায় আংকেল,,,কোথাও বেড়াতে গেছে নাকি,,,?
হুম,,,তবে বেড়াতে যায়নি।হাসপাতাল গেছে,,,
কেনো,,,,,?
নিশ্চয়ই জানো গতকাল নিঝুমের বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো,,,,,
হুম।
এই বিয়েতে নিঝুমের সম্পূর্ণ অমত ছিলো।তবুও আমরা জোর পূর্বক ওর বিয়ে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু বিয়ের পূর্ব মুহূর্তে ও হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলো।(নিঝুমের আত্মহত্যার কথা শুনে বুকটা ধুক হয়ে উঠলো)
ও এখন কেমন আছে আংকেল।
নিঝুম ঠিক আছে।ও এখন বিপদ মুক্ত।তবে হাসপাতালে আছে।
কোন হাসপাতালে আছে।আর কত নাম্বার কক্ষে।
অতো অস্থির হওয়ার দরকার নেই।ও এখন সুস্থ আছে।আমি যাচ্ছি হাসপাতালে।চলো আমার সাথে।
ঠিক আছে চলুন।
আংকেল এর সাথে হাসপাতালের দিকে ছুটে চললাম।হাসপাতাল পৌছে প্রথমেই রুমে যাইনি।আমি রুমের বাহিরে দারিয়ে রইলাম।প্রথমে আংকেল রুমে গেলেন,,,
বাবা এসেছো,,?(নিঝুম)
হুম মা।কেমন লাগছে এখন তোমার,,,?
হুম ভালো।স্যার আসে নাই,,,,?
না,ও আসবে না।
আমি হাসপাতালে আছি বলছো,,,?
হুম বলেছিলাম।কিন্তু আসেনি।
ওহ।
মন খারাপ করলি মা।
নাহ বাবা।ঠিক আছি আমি।
হয়েছে আর মন খারাপ করতে হবে না।তোর স্যার এসেছে বাহিরে আছে।
সত্যি,,,(এক্সাইটেড হয়ে)
হুম।
তাহলে আমি দেখা করে আসি।(লাফিয়ে উঠে)
আরে তোকে বাহিরে যেতে হবে না।বাবা আরিয়ান ভিতরে আসো(আমাকে উদ্দেশ্য করে)
কেমন আছো নিঝুম।(আমি ভেতরে ঢোকে)
আচ্ছা তোমরা কথা বলো।আমরা বাহির থেকে হেটে আসছি।(আংকেল আমাকে আর নিঝুমকে উদ্দেশ্য করে)
আংকেল আন্টি রুম থেকে বের হতেই নিঝুম মুখটা ঘুরিয়ে নিলো।আমি গিয়ে ওর পাশে বসলাম।পাগলীটা দুইদিনে অনেকটা শুকিয়ে গেছে।
এই যে মিস্টার কি দেখেন এভাবে।মেয়ে মানুষ কি কখনো দেখেন নাই,,,?
নাহ।দেখিনি তাইতো তোমাকে দেখছি।
হয়েছে অনেক দেখেছেন এখন এখান থেকে যান।আপনি কে,,,,?আর এখানে কেনো হ্যা।বাবা,,,,,,
(আংকেলকে ডাক দেওয়ার সাথে সাথে মুখটা চেপে ধরলাম)
আরে বাবাকে ডাকছো কেনো,,,,?
ওই কে আপনার বাবা।
ইয়ে মানে তোমার বাবা।বিয়ের পরতো বাবা তাই আগে থেকে প্রেকটিস করছি।
কি,,,,?
হুম।তাহলে এবার তোমার প্রমোশন হলো বল,,,,,
কেমন প্রমোশন,,,,?
এইযে অবুঝ_ছাত্রী থেকে অবুঝ বউ হতে যাচ্ছো।😊😊😊
আমি মোটেও অবুঝ না।
অবুঝ না হলে কেউ আত্মহত্যা করতে যায়,,,?
আত্মহত্যা না করে কি ড্যাং ড্যাং করে অন্যের বউ হবো,,,?এক মিনিট,,,আপনিতো আমাকে ভালোইবাসেন না।তাহলে এখানে কেনো,,,?
কে বলেছে ভালোবাসিনা।তোমাকে এত্তগুলা ভালোবাসি।
বোঝা হয়ে গেছে আপনি আমাকে কতোটুকু ভালোবাসেন।
দেখি তোমার হাতটা।
না আপনাকে দেখানো যাবে না।আপনি খুব পঁচা।
দেখাও প্লিজ।
না দেখাবো না।
দেখি আমি।(হাত ধরে টান দিয়ে)
কি অবস্থা করেছো হাতের।
করছি ভালো করছি।আরো করবো।খালি খালি আমাকে রাগ দেখান।
ওকে সরি,,,আর রাগ দেখাবো না।এখন আসো একটু আদর দেই,,,🙊🙊🙊
না আপানকে আদর করতে হবে না।এই আপনি বসা থেকে উঠছেন কেনো,,,?
একদম চুপ।
(আমি নিঝুমের খুব কছে চলে গেলাম।ওর দিকে ঝোকতেই নিঝুমের ঠোঁট জোড়া কাপাকাপি শুরু করে দিয়েছে।ঠোঁটের কাপাকাপি দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি।ঐ দিনের প্রতিশোধটা নিয়ে নিলাম।বাকিটা বললাম না।আপনারা বুঝে নেন🙈🙈🙈।(যেহেতু নিঝুমদের পরিবার থেকে মেনে নিয়েছে।সেহেতু আর বাধা রইলো না।)
অনেক চেষ্টা করলো নিজেকে ছাড়াতে।কিন্তু আমার সাথে পেরে উঠেনি।
প্রায় পাঁচমিনিট পড় নিজ থেকে ছেড়ে দিলাম।দুজনে প্রচুর হাঁপাচ্ছি।
এটা কি ছিলো,,,,(নিঝুম)
কি থাকবে আর,,,সেইদিন যেটা দিয়েছিলে সেটাই।
আপনি কি সেই দিনের প্রতিশোধ নিলেন,,,?
নাহ।একদম নাহ।
আসতে পারি,,,,?(রাসেল)
আরে ভাইয়া যে,আসো।তুমি ভিতরে আসতে কি পারমিশন নিতে হবে,,,?(আমি ভাবছি এ আবার কেমন ভাইয়া।কোথা থেকে উদয় হলো।আগে কখনো নিঝুমদের বাসায় দেখিনি।)
তবুও তোমাদের প্রাইভেসি থাকতেই পারে,,,মুচকি হেসে,,(এইরে ওনি আবার কিছু দেকে পেলেনিতো)
আমি রাসেল।নিঝুম এর আংকেলের ছেলে।(হাত বাড়িয়ে দিয়ে)
জ্বি আমি,,,,(হ্যান্ডশেক করে)
বলার প্রয়োজন নেই,,,আপনি আরিয়ান am i right,,,
হুম,,,,(আরো কিছু কথা বলে পরিচিত হচ্ছিলাম)
শুধু তোমরা দু'জনই কথা বলবে,,,?নাকি আমার সাথে ও বলবে,,,?
তোর সাথে কথা নাই,,,তুই একাই থাক।আমি আর আরিয়ান কথা বলছি,,,তুই চুপ থাক।
(আংকেল আন্টি রুমে আসলেন।)
তোদের আবার কি হয়েছে।ভাই বোন ঝগড়া করতেছিস কেনো,,,?
মা দেখোনা ওনারা দুজন একাই কথা বলছে,,, আমার সাথে ওনারা একজনও কথা বলছে না
হয়েছে আমার নামে আম্মুর কাছে আর নালিশ করতে হবে না।আম্মু আজ আমি যাচ্ছি।আফিসে একটু কাজ আছে।
আমি চলে যাচ্ছি এখন মন ভরে কথা বলে নিস।(নিঝুমের কানের কাছে মুখ নিয়ে)
হুম তারাতারি যাওতো।
বুঝতে পারছি আমাকে আর সহ্য হচ্ছে না।ওকে বোন ভালো থাক।আমি গেলাম।আব্বু আম্মু আমি আসছি।
ঠিক ভাবে যাইস,,,,,
বাবা আরিয়ান নিঝুম অসুস্থ।তাই বলছিলাম তুমি যদি একটু ওর পাশে থাকতে,তাহলে ভালো হতো।(আংকেল)
হুম ঠিক বলেছো তুমি।বাবা আরিয়ান তুমি থাকো নিঝুমের পাশে।আমরা দুজনে একটু বাসায় যাচ্ছি।বাসায় কতো কাজ।(আন্টি)
ঠিক আছে আন্টি।আপনারা নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়ি যেতে পারেন।
আংকেল আন্টিও চলে গেলেন।শুধু নিঝুম আর আমি রয়ে গেলাম হাসপাতালে।আমার এখানে আসা প্রায় দুপুর হয়ে গেলো।
আম্মু টেনশন করবে।তাই আম্মুকে ফোন করলাম।
হ্যা আরিয়ান।কোথায় তুই বাবা।সেই কখন বাসা থেকে গেলি।দুপুরের খাবার খেতে আসবি না,,,?(আম্মু)
না মা,,,তুমি খেয়ে নিও।
কেনো আসবিনা।কোনো সমস্যা।
না মা তেমন জটিল কিছু না।আমার এক বান্ধুবী অসুস্থ।তার কাছে এসেছি।
ওহ।ও এখন কেমন আছে,,,?
এখন অনেকটাই ভালো।
ঠিক আছ ভালো ভাবে থাকিস।আর তোর বান্ধবীর খেয়াল রাখিস।
ঠিক আছে মা।তোমাকে বলতে হবেনা।এখন রাখছি।
কী বললে তুমি আমার ভালো মাকে।আমি তোমার বান্ধুবী হই কোন দিক থেকে,,,?(সরাসরি আপনি থেকে তুমিতে চলে গেছে।কখন আবার তুই বলা শুরু করে আল্লাহ জানে।আল্লাহ রক্ষা করিও আমায়)
(একজনের মুখে এই ভালো মা নামটা শুনেছিলাম।তাই গল্পে ব্যবহার করলাম।পাঠকরা কিছু মনে করবেন না)
রাগ করো কেনো।মা তোমার কথা জানেনা।আম্মুকে আগে পটাতে হবে,,,তারপর তোমার কথা বলবো।
হুম ঠিক আছে।এইবারের মতো মাপ করছি।কিন্তু খুব তারাতারি বলবেন।(যাক এইবার আপনিতে আসছে)
হুম।
আচ্ছা তুমি কি খেয়েছো,,,?
কখন খেলাম।সকাল থেকেইতো তোমার সাথে আছি।
ওহ।এখানতো কোনো খাবার নেই।ফল আছে কেটে কেটে খান।
ওকে বউ😍😍😍
হাহাহা।
হাসো কেনো,,,?
বউ বললেন তাই।
বউ বলেছি বলেই হাসতে হবে,,,?
হুম।
ঠিক আছে হাসিও।এবার হা করো,,,(আপেল কেটে হাতে নিয়ে)
আপনি খান আগে।
তুমি আগে খাও।তোমাকে তারাতারি সুস্থ হতে হবেতো।
এবার আপনিও বলেন।আম্মুও জোর করে খাওয়ায়।এখন আপনিও।
এতো কথা বলো কেনো,,,?হা করো।
খেতে পারি একটা শর্তে।(এখানেও শর্ত।একবার শর্ত দিয়ে প্রতিদিন আইসক্রিম আনিয়ে খেয়েছে)
আমি এখন কোনো আইসক্রিম আনতে পারবোনা।অন্য শর্ত হলে বলো।
হাহাহা।নাহ আইসক্রিম আনতে হবে না।আমাকে আপনার হাতে খাইয়ে দিলেই হবে,,,
চলবে,,,?