02/08/2026
ফরিদপুর পৌরসভায় মধুর চাক আছে জানেন নাকি?
এই মধু খেতে পারছে না অনেকে,
তাহলে কি করা যায়? আগের মতো ম*ব সৃষ্টি করে তাহলে তাকে বিদায় করার ষ*ড়যন্ত্র করাই সহজ পন্থা ।
একা তো করা সহজ হবে না রাজনৈতিক সাপোর্ট পেলে দল ভারি করা যায়।
জনগণের টাকায় চলা প্রতিষ্ঠানকে যে যেভাবে পেরেছে লুট করেছে সাংবাদিক ভাইদের কলমও থেমে গেছে লুটের ভাগ পেয়ে।
সৎভাবে আপনি পৌরসভাকে চালাবেন তাই কি তারা মেনে নিবে?
স্বার্থ হাসিল করা যাচ্ছে না এতোদিনের অভ্যাস ।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুটি কয়েক ব্যাক্তিকে দিয়ে গরম রাখা হচ্ছে সাথে যুক্ত হয়েছে দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কর্মীও। নিউজ দেখে আপনার মনে হবে প*রি*মনির কথা। পরিমনি কখন হা*গছে কখন পানি ঢালছে এসব টাইপের নিউজ দিয়ে অংশগ্রহন করেছে।
আবার দেখবেন যারা অভিযোগ তুলছে সু নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগই তার বিরুদ্ধে দেখাতেও পারছে না।
কবে কোন ফ্যা*সি*স্ট এর আমলের ছবি সেসব নিয়ে পোস্ট করছে । সেই হিসাব করলে তৎকালীন সময়ে নিয়োগ প্রাপ্ত কোন আমলার প্রোফাইলে এমন ছবি নাই ?
নতুন সরকার গঠন হলো ফ্যা*সি*স্ট এর আমলের রাষ্ট্রপতির হাত ধরেই সেখানে সমস্যা হয়নি সেসব সমালোচকদের । তাদের পোস্ট দেখে মনে হবে তাদের কোনও আমলনামাই নাই। সব আমলনামা তাদের ডান হাতে শুধু জা*ন্না*তে প্রবেশ এর অপেক্ষা করছে এতোটাই নিস্পাপ।
মেয়র প্রার্থী জনাব জুয়েল সাহেবের প্রশংসিত কাজের কারনে তার প্রতি যে ভালোবাসা তৈরী হয়েছিলো তরুন প্রজন্মের মাঝে তার সমর্থকদের কারনে কতটা জনপ্রিয়তা নষ্ট হলো তিনি হয়তো বুঝতে পারছেন না। তার ভালো কাজের প্রতি যে ভালোবাসা আমরাও দেখিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম তার সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ফরিদপুর পৌরসভাকে অনেকদুর এগিয়ে নিবে। সেই অপেক্ষা করছিলাম আমাদের মতো হাজারও তরুন তরুণীরাও অপেক্ষায় আছে। ফরিদপুর শহরে তার সৌজন্যে নির্মিত চত্বরগুলো ভেঙ্গে ফেলার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলে আওয়াজ তুললাম।
এই ভালোবাসা তিনি অর্জন করেছিলেন তার কাজের মাধ্যমে। কিন্তু তার কর্মী সমর্থকদের কারনে তার এই জনপ্রিয়তা হয়তো বৃদ্ধি পেলো অথবা হ্রাস পেলে। মজার বিষয় দেখবেন তার বিরোধী পক্ষ কিন্তু এই সুযোগটাকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়েছে। এজন্য অতি উৎসাহিত হয়ে এমন কিছু বলা বা প্রচার করা ঠিক না ।
সেই আগের অপরাজণীতি থেকে বের হওয়া আর গেলো না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন যোগ্য সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে যেভাবে বিদ্রুপ প্রচারণা ছড়ানো হলো তার ফলে আমাদের ফরিদপুর জেলার সুনাম নষ্ট হলো ।
তার কি দোষ সেটা কি স্পষ্ট করেছে জনগণের সামনে?
কিছু কর্মী ছাটাই করেছে তিনি যারা কাজ না করেও মাসে মাসে বেতন নিতো, ড্রাইভারদের তেল চুরি ঠেকাতে নিজে মনিটরিং শুরু করলো ,জানা মতে অনেক কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধিও করেছেন তিনি । নাগরিকদের অভিযোগ পেয়ে তিনি তাৎখনিক ব্যবস্থা নিয়েছে এমন অসংখ্য কমেন্ট দেখতে পেলাম সমালোচকদের পোস্টের কমেন্ট বক্সে।
ফরিদপুরে কি পরিমান হলুদ সাংবাদিক তৈরী হয়েছে ভেবে দেখেছেন? কেউ অনুসন্ধান করে সঠিক খবরটা প্রচার করলো না। সুবিধাভোগীদের হাতে হাড়িকেন তাই সবাই এক জোট হয়েছে ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে অপবাদ দিচ্ছে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য। আগেও একজন কর্মকর্তা এসেছিলো তাকেও মব সৃষ্টি করে কে বা কারা বিতারিত করেছে? এখনও কে বা কারা সামনে পেছনে কলকাঠি নাড়ছে তার সবই মন্ত্রণালয় অবহিত। বারবার ফরিদপুর পৌরসভা থেকে প্রধান নির্বাহীকে বিতারিত করার কারন কি?
নিজেদের মন মতো হচ্ছে না ?
বর্তমান সি ই ও আগের সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত এটাই তার অপরাধ তাহলে সারাদেশের বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া সকল ক্যাডারকেই তো বিতাড়িত করতে হয়, তাদের পোস্ট দেখে মনে হয়। কে না ছবি তুলেছে তৎকালীন সরকারের সময়?
তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরে কি কি পরিবর্তন ঘটেছে পৌরসভায় সেটা কি কেউ প্রচার করেছে? পৌরসভার স্টাফরা নাকি সব থাকে দৌড়ের উপর দ্রুত সেবা দেয়ার নির্দেশ থাকায় । অহেতুক বাড়তি ব্যায় বন্ধ করেছে তিনি। দুই লিটার তেলে যেখানে কাজ হবে সেখানে ৫লিটার তেলের টাকা নেয়া বন্ধ করেছে তিনি। খারাপ তো লাগবেই মহারাজা ।
তার এমন অসংখ্য উদ্যোগ হয়তো আমরা দুরে বসে দেখছি না তাই জানিও না সবটা। না জেনে সমালোচনা করা কি যে মজা এটা আমাদের পক্ষেই সম্ভব। কথায় আছে বেশি ভালো কিন্তু ভালো না ।
তিনি ফরিপুরবাসীর আমানত কষ্টার্জিত অর্থ যেটা আমরা ট্যাক্স হিসেবে দিয়ে থাকি সেই টাকায় যেনো কেউ ফুটানি করতে না পারে তিনি সেই ব্যবস্থা করেছেন। তার নানান উদ্যোগের কারনে পৌরসভার কোষাগার হয়েছে সমৃদ্ধ , পরবর্তীতে যিনি মেয়র হয়ে আসবেন তিনি চেয়ারে বসবেন আর গরম গরম খরচ করবেন যেমনটা আগের মেয়র করে গেছে। তার কোনও হিসাব কেউ কিন্তু আজও চায়নি।
সেসব মেয়রদেরকে নিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন করছে না, কোনও কাউন্সিলরকে নিয়েও প্রশ্ন নেই বর্তমানে থাকা কোনও কর্মকর্তাকে নিয়েও প্রশ্ন নেই বদলি হওয়ার পরেও ঘুরে ফিরে আবারও এই মধুর চাকের সন্ধানে ফিরে আসে ।
জনগন ট্যাক্স দেয় কি মেয়র ,কাউন্সিলরদের দুর্নীতি করার জন্য?
শহরের সমস্যা নিয়ে এতো পোস্ট করতে দেখেছেন এসব সমালোচকদের ?
ফুটপাতকে কিভাবে দখলমুক্ত করা যায় তারা পদক্ষেপ নিয়েছে? তাদের সরকার তো ক্ষমতায় এখন তাদের জন্য তো কাজটা অনেক সহজ কেউ বাধা দিতে পারবে না ক্ষমতার দাপট দেখাতেও পারবে না তাহলে কেনো এখনও শহরের ফুটপাত,রাস্তা হকার মুক্ত হলো না, দখলমুক্ত হলো না?
জনগণের ভালোবাসা নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করে গেলে জনগনও মুখ ফিরিয়ে নিবে একটা সময়।
ফরিদপুর শহর যেমন একটা পিছিয়ে পরা নগরে পরিনত হচ্ছে তেমনি ফরিদপুরের প্রতিষ্ঠানগুলোও পিছিয়ে যাচ্ছে। আমরা আবার সিটি কর্পোরেশন চাই বিভাগ চাই।
আমরা ভাই এমনিতেই ভালো আছি এখন থেকে ট্যাক্স দেয়ার কথা শতবার ভাবতে হবে কষ্টের টাকা কাকে দিবেন? ভবিষ্যতে যারা খেতে আসবে তাদের ?
অপপ্রচার বন্ধ করে ব্যাতীক্রমী কিছু করুন , জনগন ভালোবাসা আরও বাড়িয়ে দিবে এমনটাই প্রত্যাশা।