Jahan'S World

Jahan'S World حَسْبُنَا اللَّهُ وَ نِعْمَ الْوَ كِيلُ

09/05/2026

শিখে নিন জাপানি ভাষার বেশকিছু কমন শর্ট ডায়ালগ :
​১. মোটামুটি — まあまあ (মা-মা)
২. বুঝে গেছি — わかった (ওয়াকাত্তা)
৩. এতক্ষণ — そんなに ながく (সোন্নানি নাগাকু)
৪. অন্তত — すくなくとも (সুকুনাকুতোমো)
৫. বিদায় — さようなら / じゃあね (সায়োনারা / জ্যা-নে)
৬. তাই নাকি? — そうなの? (সো-নানো?)
৭. দুর্ভাগ্য — ふうん (ফু-উন)
৮. তখনি/এখনই — いますぐ (ইমা সুগু)
৯. অবশ্যই — もちろん (মোচিরোন)
১০. সাবাশ — よく やった (ইয়োকু ইয়াত্তা)
১১. সৌভাগ্য — こううん (কৌ-উন)
১২. এখন পর্যন্ত — いままで (ইমা মাদে)
১৩. গত বার — ぜんかい (জেনকাই)
১৪. অনেক বেশি — おおすぎ (ও-সুগি)
১৫. ঠিক আছে — だいじょうぶ (দাইজোবু)
১৬. ধন্যবাদ — ありがとう (আরিগাতো)
১৭. তথাকথিত — いわゆる (ইওয়ায়ুরু)
১৮. ভাগ্যক্রমে — たまたま (তামাতামা)
১৯. খুব ভালো — とても いい (তোতেমো ই-ই)
২০. ভালো করেছ — よく できました (ইয়োকু দেকিমশিতা)
২১. শুভ রাত্রি — おやすみ (ওয়ায়াসুমি)
২২. খুব তাড়াতাড়ি — はやく (হায়াকু)
২৩. তোমার পালা — あなたの ばん (আনাতা নো বান)
২৪. সারাদিন — いちにちじゅう (ইচি-নিচি-জু)
২৫. পরের বার — つぎ (ত্সুগি)
২৬. প্রথমত — まず (মাজু)
২৭. একটু বেশি — もう すこし (মৌ সুকোশি)
২৮. অল্প একটু — ちょっと (চোত্তো)
২৯. অনেক দূরে — とおく (তৌকূ)
৩০. একটু দূরে — すこし とおく (সুকোশি তৌকূ)
৩১. বেশ ভালো — なかなか いい (নাকানাকা ই-ই)
৩২. আরেকটু — もっと (মোত্তো)
৩৩. ভালো ধারণা — いい かんがえ (ই-ই কানগায়ে)
৩৪. একটু আস্তে — ゆっくり (ইউক্কুরি)
৩৫. দিনে দুইবার — いちにちに にかい (ইচি-নিচি-নি নি-কাই)
৩৬. খুবই হাস্যকর — おもしろい (ওমোশিরোই)
৩৭. একেবারে নিশ্চিত — たしかに (তাশিকা নি)
৩৮. শুভকামনা — がんばって (গাম্বাত্তে)

31/03/2025
15/03/2025
15/03/2025
ক্ষণিকের দায়িত্ব সবাই নিতে পারে, কিন্তু সারাজীবনের দায়িত্ব হাসবেন্ড ছাড়া কেউ নিবে না। কেননা ক্ষনিকের দায়িত্ব নিতে দায়বদ্...
23/02/2025

ক্ষণিকের দায়িত্ব সবাই নিতে পারে, কিন্তু সারাজীবনের দায়িত্ব হাসবেন্ড ছাড়া কেউ নিবে না।

কেননা ক্ষনিকের দায়িত্ব নিতে দায়বদ্ধতার প্রয়োজন হয় না। চাইলে যখন-তখন সম্পর্ক ভেঙে চলে যাওয়া যায়। নিজের মনের মতো না হলে সম্পর্ক ছিন্ন করে দূরে সরে যাওয়া যায়। ইচ্ছে হলেই ব্লক করে কথা বন্ধ করে দেওয়া যায়। একথায় যদি বলি এখানে উভয়পক্ষেরই পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে।

কিন্তু যখন দুটি মানুষের জীবন একটি হালাল পন্থায় একে অপরের সাথে একত্রিত হয়ে যায়, তখন সেখানে অনেক গুলো দায়িত্ব নিজের অনিচ্ছায় চলে আসে।

আর এই সম্পর্কের নাম হলো- { স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক }

এই সম্পর্কে শুধু স্বামীর একার যে দায়িত্ব থাকে তা কিন্তু নয়, এখানে স্ত্রীরও অনেক দায়িত্ব থাকে। এবং এখানে দুইজনই জীবনের শেষ পর্যন্ত আপ্রাণ চেষ্টা করে এই সবকিছু মেইনটেইন করে কিভাবে একসাথে থাকা যায়........

আপনাদেরকে এখানে বোঝানোর উদ্দেশ্য হলো, এই দায়বদ্ধতা, দায়িত্ব, মানিয়ে চলা, মিলিয়ে চলা, বুঝে চলা এই সবকিছু শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যেই থাকে, অন্য আর কোনো সম্পর্কে এতো কিছু থাকে নাহ!

বিশ্বাস করেন, আপনারা যারা বিবাহ বহির্ভূত প্রেম-ভালোবাসায় লিপ্ত আছেন এবং এতো এতো স্বপ্ন, আশা নিয়ে সম্পর্কের ধারা টিকিয়ে রাখতে চান,সেই সাথে নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়ে দেন, তাদেরকে বলছি_
❝ আপনি আপনার সবকিছুর দায়িত্ব তার উপর চাপিয়ে দিয়ে দেখুন, সে আপনার থেকে দূরে সরে যাবে, সে আপনার সঙ্গ ত্যাগ করবে, সে আপনাকে বোঝা মনে করবে ❞

কারণ সে আপনার সবকিছুর দায়িত্ব নিতে বাধ্য নয়, এবং তাকে জোর করার কোনো অধিকার কারো নেই। আপনিও জানেন এখানে কেউ কিছু বলবে না, পূর্ণ স্বাধীনতা তার রয়েছে।

সুতরাং এই ক্ষণিকের সঙ্গ ত্যাগ করুন। নিজে ভালো থাকুন এবং নিজের অবস্থান টাকে ভালো রাখুন।

__ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান আশিক

মেয়েদের দেরীতে বিয়ে দেওয়া এত ভয়াবহ। বাস্তব সত্য সবাই জানে, কিন্তু বলে না...। কিন্তু আমি আজ বলছি।বর্তমানে মেয়েরা বেশীরভাগ...
23/02/2025

মেয়েদের দেরীতে বিয়ে দেওয়া এত ভয়াবহ। বাস্তব সত্য সবাই জানে, কিন্তু বলে না...। কিন্তু আমি আজ বলছি।

বর্তমানে মেয়েরা বেশীরভাগ জেনারেল লাইনে পড়ুয়া কিছু মাদ্রাসা লাইনেও আছে। যদি মেয়ে একটু লম্বা সুন্দরি বা মুটামুটি সুন্দরি বা পরিবার টা শিক্ষিত ভালো ভদ্র তবে মর্ডান পর্দাশীল মেয়ে হয় বা ডিজিটাল পর্দা করে। বেশীরভাগ মেয়ে বিয়ে করতে চায় না...।

অযুহাত হিসাবে দেখায় বয়স কম মাষ্টার্স পাশ করে বিয়ে বসবে। চাকরি করবে, সেটেল হবে, মন মতো পেলে বিয়ে করবে, বুঝাপরা লাগবে মানে প্রেম বা রিলেশনশিপ লাগবে। আরো নানা অযুহাত থাকতে পারে এর মধ্যে একটা হলো সরকারি চাকরি...! তো যে যেই কারনেই হোক মেয়েরা এভাবে বিয়ে করে না। আরো ভালো বুঝে বা এমনি দেরি করে যায়। অন্য দিকে বয়স বাড়ে দিন দিন, এভাবে দিন, মাস বছর পেরিয়ে ২৪+ এর ভিতর পৌঁছে যায়..!!

তখন হুশ হয় বিয়ে তো করা দরকার...! ছেলে খুজো এবার

তো আপনি ভাবুন আমি এভারেজ ২৫ ধরলাম, ২৫ বছরের মেয়ের জন্য কত বছরের পাত্র চাই...!

সবাই বলবে ৩০ বছর হলেই এনাফ। আমি বলবো হ্যা, যথেষ্ট কিন্তু কখনোই সহজে ৩০ বছরের কোন ছেলে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করলে ২৫-২৮ বছরের কাউকে বিয়ে করতে চাইবে না...।

দুই একজন থাকতে পারে এইটা ভিন্ন কথা। এ্যাভারেজ সবাই আমতা আমতা করবে। কেন করবে?!?!?!?

মেয়েদের যৌবনের শুরুটাই আসল সময়, ১৬-২২ বছর পর্যন্ত উত্তম আকর্ষনীয় সময়। যে কেউ এখন কাছে পেতে চায় এটাই সত্য। তো ২৫+ মানে আপনার রূপ লাবন্যতায় বয়সের ছাল স্পষ্ট আপনাকে মহিলা বললে ভুল হবে না...!

মেডিকেল সাইন্স বলে মেয়েদের মনোপোজ বা (ঋতুচক্র বন্ধ) শুরু হয় ৪৫ বছরে বা আগে পরে। আপনি ভাবেন যে ছেলেটা ৩০ বছরে আপনাকে বিয়ে করবে ১৫-১৭ বছর পর আপনার যৌবন শেষ হয়ে যাবে আরো পরিষ্কার করে যদি বলি যৌনতার প্রতি আপনার অনিয়া ৩৫ এর পর ই চলে আসবে।

তো সবাই জানে ছেলেদের যৌবন বা যৌন শক্তি মরন পর্যন্ত্য আপনি কয়প্ত হয়ে বিয়ে করলে বাকি জীবন ছেলে তার চাহিদা পূরনে কাকে পাশে পাবে...?

এই জন্য বয়স বাড়লে মেয়ের প্রতি ছেলেনের চাহিদা থাকে না। কারন এইটাই হ্যা এইটাই সত্য। এবার সমাজে চোখ বুলান। কতো মেয়ে আছে ১৫-৩০ বছরে?

অনেক ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেই ঐ পাত্রীর জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসে না কেনো?

কারন ২৬+ এই বয়সের ছেলেরা বিয়ে করে 99% ছেলেই এই বয়সে বিয়ে করে ফেলে। তারা বিয়ের জন্য ১৮-২২ বছরের পাত্রী অহরহ পায়। কেউ কেনো যৌবনের কথা ভেবে বেশী বয়সী কাউকে বিয়ে করবে..?

হয় ও ভাই করে না বা করলেও % হার খুব কম।

আর যেই আপনি অযুহাত দিতেন ভালো ছেলেদের ফিরিয়ে দিতেন। আপনি এখন বাটি চালান নিয়েও পাত্র কাছে টানতে পারছেন না...! বরকত কি আল্লাহ তুলে দিয়েছেন নাকি আপনি নিজের হাতে নষ্ট করেছেন?

সাবধান হোন ২০ বছরের আগে ভালো হয় ২২-২০ বছরের এর বেশী কখনোই যেন না হয়। কথা গুলো আপনাদের প্রতি উৎসর্গ। ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী...!

হে আমার মেয়ে এই বই থেকে কার্টিসি নেওয়া হয়েছে।

30/01/2025

পুরুষ কখনো বেয়াদব, বদমেজাজী, স্বামীর অবাধ্য নারীর সাথে থাকতে পারে না। এটা পুরুষের ফিতরাত।

সৌন্দর্যের দ্বারা বড়জোর সাময়িক মোহগ্রস্ত করা যায়,
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদের জন্য তার সখের নারী হয়ে ওঠা যায় না। পুরুষের সখের নারী হয়ে উঠতে খুব বেশি যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।

নারী কালো, গরীব কিংবা অসহায় যেমনই হোক,
সে যদি গুণী, কোমল, পরিপাটি আর প্রেয়সী হয় তবেই সে পুরুষের সখের নারী হয়ে উঠতে পারে।

14/11/2024

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) বলেন —

“আমি সেই যুবককে দেখে কেঁপে উঠি, যার স্ত্রী নেই। যদি আমি জানতাম যে এই পৃথিবীতে মাত্র তিন দিন বেঁচে থাকব, তবে আমি বিয়ে করাকেই পছন্দ করতাম।”

[জামিউল কাবীর : ১৬/২০৪]

মোবাইলে কুরআন তিলাওয়াতের বিধানপ্রশ্নঃ১২৯৪২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, যখন তখন মোবাইলে কুরআন পড়তে চাইলে কি ওযু ক...
13/10/2024

মোবাইলে কুরআন তিলাওয়াতের বিধান

প্রশ্নঃ
১২৯৪২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, যখন তখন মোবাইলে কুরআন পড়তে চাইলে কি ওযু করা আবশ্যক?
কুরআন শুধু বাংলায় পড়ছি বোঝার জন্য, খতমেরও উদ্দেশ্য আছে। কিন্তু অর্ধেক পড়ার পর জানতে পারলাম বাংলায় পড়লে খতম হয় না, আরবী আবশ্যক। এটা কতটুকু সত্য?

উত্তরঃ
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم

মোবাইলের স্ক্রীনে দৃশ্যমান কুরআন স্পর্শ করার জন্যও অযু থাকা জরুরী ৷
আপনি যদি বাংলায় পড়ার দ্বারা বাংলা উচ্চারণ দেখে পড়া বুঝিয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রশ্নের উত্তর নিম্নরূপ ৷
কোরআন আরবি লেখা দেখে পড়াই কর্তব্য। মুখস্থ পড়ার চেয়ে দেখে পড়ার সওয়াব দ্বিগুণ। একটি সওয়াব পড়ার, অপরটি কোরআনের হরফগুলো দেখার। বাংলা উচ্চারণ দেখে কোরআন পড়া কখনোই সহিহ হয়না। এতে অক্ষরের উচ্চারণ ভুল হয়ে কোরআনের অর্থ বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। এই জন্য আরবি শিখে কোরআন পড়া উচিৎ, নয়ত মুখস্থ করে সঠিক উচ্চারণে পড়া উচিৎ। বাংলা উচ্চারণ দেখে পড়লে সওয়াব হওয়ার চেয়ে গুনাহ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অপারকদের জন্য আরবি শেখার আগ পর্যন্ত অন্য উচ্চারণ পড়া বড়জোর জায়েজ হতে পারে। সওয়াবের আশা খুবই কম। আরবির সমান হওয়ার তো প্রশ্নই ওঠেনা। মোবাইল দেখে কোরআন পড়তে কোন সমস্যা নেই। ছাপা কোরআনের মতোই সওয়াব হবে।

আর যদি বাংলায় পড়া বলতে বাংলা অনুবাদ পড়া বুঝিয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রশ্নের উত্তর নিম্নরূপ,

আরবী পাঠ ছাড়া শুধুমাত্র কুরআনের অনুবাদ পড়লে কুরআন পাঠের সওয়াব পাওয়া যাবে না। [ফাতওয়ায়ে শামী-১/৪৮৬, ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়া-৭/২১৪]

عبد الله بن مسعود يقول : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم من قرأ حرفا من كتاب الله فله به حسنة والحسنة بعشر أمثالها لا أقول آلم حرف ولكن ألف حرف ولام حرف وميم حرف

অনুবাদ-হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-যে ব্যক্তি আল্লাহর কুরআনের একটি হরফ তিলাওয়াত করবে, সে বিনিময়ে একটি নেকি পাবে। আর তা দশ গুণে বাড়িয়ে দেওয়া হবে। নবীজী সাঃ বললেন-আমি বলিনি ‘আলিফ, লাম, মিম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, আর মীম একটি হরফ। {সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-২৯১০, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-১৯৮৩, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৩০৫৫২}

والله اعلم بالصواب

উত্তর প্রদানে… মুফতী মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম
উস্তাযুত তাফসির, মারকাযুল বুহুসিল ইসলামিয়া, বাড্ডা।

25/09/2024

Address

College Gate, Tongi
Gazipur
1711

Telephone

+8801997731270

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jahan'S World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jahan'S World:

Share