মুসাফির

মুসাফির নারায়েতাকবির, আল্লাহু আকবর ☝️
এক আল্লাহ ☝️ সরনে, ভয় করিনা মরনে।

বাংলার খিলাফা ⚔️ আবার আসবে, আমাদের যায়গা আমরা ফেরত নিবো, ইনশাআল্লাহ। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা - উগ্র হিন্দুত্ববাদীর কাছে নি...
10/05/2026

বাংলার খিলাফা ⚔️ আবার আসবে, আমাদের যায়গা আমরা ফেরত নিবো, ইনশাআল্লাহ। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা - উগ্র হিন্দুত্ববাদীর কাছে নিজেদেরকে ভারতপ্রেমী প্রমাণ দিয়ে নির্যাতিত হওয়ার চেয়ে- আল্লাহর পথে জি*হাদ করে ১২০৪ সাল থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত অখন্ড বাংলার ৫৬১ বছরের ইসলামিক শাসনের অখন্ড বাংলা গড়ে তোলার পথে শহীদ হওয়া উত্তম।

মনে রেখো, পৃথিবীতে আরব জাতির পরে বাঙালি মুসলিম জাতিই দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম জাতিসত্বা এবং প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) মদিনায় হিজরতের আগেই ইসলাম বাংলার ভূখন্ডে এসেছে রাজা নাজাসির কাছে মুসলমান আশ্রয় পাওয়ার পর থেকে বাণিজ্যিক রুট ধরে - তখন থেকে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার মুসলমানরা উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাতে চরম নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছে - দাঁড়ি রাখলে মৃত্যুদন্ড, গরু জ*বাই করলে মৃত্যু দন্ড বোরখা বা পর্দা করলে উলঙ্গ করে পেটানো, মসজিদ ভাঙা ও আক্রমণ করা- মুসলমানদের অঙ্গ কেঁটে কুকুরদের খাওয়ানো- এমন কোন অপকর্ম নেই যা লক্ষ্মণ সেন ও গৌর গোবিন্দরা করে নাই- তাদের চরম অত্যাচারে বৌদ্ধরাও বাংলা ছেড়ে পালিয়েছিলো- যার কারণে বাংলার বোদ্ধাদের চর্চাআবিষ্কার হয় তিব্বত রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালের দিকে! কিন্তু, মুসলিমরা বোদ্ধাদের মতন পালিয়ে যায়নি!

সেই চরম নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি মাত্র ১৭ টা ঘোড়া নিয়ে অত্যাচারী উগ্র হিন্দুত্ববাদী লক্ষ্মণ সেন'কে পালিয়ে যেতে বাঁধ্য হয়! পুরো রাজ্যে মাত্র ১৭ টা ঘোড়া কেউই থামায়নি- কারণ তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছিলো জনগণ!

এরপর ১২০৪ থেকে মীর কাসেমের ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত বাংলার শাসন ৫৬১ বছর ধরে মুসলমানদের হাতে ছিলো। এরপর, ১৭৬৫ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা কলিকাতায় বসে পূর্ব বাংলা ও আসামের মুসলিম বাঙালি রক্ত শোষণ করে হিন্দু জমিদারী চালিয়েছে ব্রিটিশদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আর সূর্যাস্ত আইনের আড়ালে! এ সময় হিন্দু সাহিত্যও গড়ে ওঠে, পূণরায় তারা মুসলিম সংস্কৃতি ও শাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে।

এরপর, ১৯৪৬ এর কলিকাতার দাঙ্গার ফলে পূর্ব বাংলার মানুষেরা কলিকাতার হিন্দু শাসন, শোষণ থেকে মুক্ত হলেও আসাম ও পশ্চিম বাংলার মুসলিম সমাজের মুক্তি হয়নি- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা ও আসামের মুসলিমদের মুক্তি অল্প সময়ের জন্য হলেও তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতন প্রভাবশালী হিন্দু জমিদারের কারণে স্থায়ী হয়নি- সেই

দজ্জালকে আমরা যে রকম মনে করি আসলে সে সেই রকম কিছু না। একসময় হুজুর দজ্জাল সম্পর্কে বলতো যে, শেষ জমানায় একজন নিজেকে "আল্লা...
04/03/2026

দজ্জালকে আমরা যে রকম মনে করি আসলে সে সেই রকম কিছু না।

একসময় হুজুর দজ্জাল সম্পর্কে বলতো যে, শেষ জমানায় একজন নিজেকে "আল্লাহ" দাবী করবে। এবং সেটা প্রমানের জন্য সে বিভিন্ন মুজেজা দেখাবে। দজ্জাল সকল ধরনের অবিশ্বাস্য ঘটনা দেখাবে। তাকে আল্লাহ বলে স্বীকার করানোর জন্য আরাম আয়েশের ব্যবস্থা করবে, তাতে কাজ না হলে শারীরিক নির্যাতন করবে। যারা তাকে আল্লাহ মেনে নিবে তাদের সে পুরুষ্কৃত করবে। যারা মানবে না তাদের সে শাস্তি দিবে।

তখন আমি চিন্তা করতাম, "আমার ঈমান স্ট্রং। আমাকে যে যেভাবে ট্রাই করবে করুক, আমি বশ্যতা স্বীকার করবো না কখনো।"
কিন্তু এখন চিন্তা করি, এটাকি আসলেই এতো সহজ?

দজ্জালের কাজ হলো মানবসম্প্রদায়কে ধোঁকা দেওয়া, মানুষকে আরাম আয়েশে নিমজ্জিত করে রেখে নিজের কতৃত্ব ফলানো। মানুষ জানবে এবং বুঝতে পারবে যে এ দজ্জাল আমাদের ধোকা দিচ্ছে, তবুও তারা আরাম আয়েশ ছেড়ে সেটার প্রতিবাদ করবে না।

আমরা মনে করছি এগুলো এগুলো অনেক পরের হিসাব। ততদিন আমরা দুনিয়ায় থাকবো না, তাই এসব চিন্তা করে লাভ নাই।
কিন্তু আমি খেয়াল করে দেখলাম ঐ যুগটা এখনই চলতেছে।

হ্যা, এক চোখ ওয়ালা দজ্জাল আসেনি এখনো, তবুও আরব বিশ্ব এ ইহুদিদের বশ্যতা স্বীকার করছে অনেক আগেই। আরাম আয়েশের বিনিময়ে তারা পশ্চিমা বিশ্ব ও ইহুদিদের কাছে আমরা মুসলিমরা অলরেডি নত হয়ে গেছি। ইহুদিদের মানচিত্র সামনে আরো বড় হবে। আরাম আয়েশের বিনিময়ে ইজরায়েল পুরো আরব বিশ্ব নিয়ে গ্রেট ইজরায়েল গঠন সময়ের ব্যপার মাত্র। কারণ কোন দেশের প্রতিবাদের ইচ্ছে নেই।
লাখ লাখ মুসলমান নারী শিশু হ*ত্যা করা হয়েছে এবং হচ্ছে, কেউ কিছু বলেছে? বলবে না, কারণ আরাম আয়েশ। মুসলিমদের উপর অন্যায় হচ্ছে জেনেও সেটার প্রতিবাদ না করা কি মুসলমানদের কাজ? দজ্জালের যেটা দেওয়ার কথা সেটা দজ্জাল আসার আগেই তার সাঙ্গপাঙ্গরাই দিয়ে দিচ্ছে মুসলিমদের।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশেই মার্কিন ঘাটি আছে, তারা মার্কিনিদের কথায় ওঠাবসা করে, ফেসিলিটি বাড়ালে তাদের পা চেটে পরিষ্কার করে দিতে বললেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোর কোন অসুবিধা নাই। তারা দিবে। তাদের দরকার শুধু দুনিয়ার আরাম আয়েশ।
তাহলে এবার চিন্তা করেন, দজ্জাল এসে তাদের যখন পুরুষ্কারের লোভ দেখিয়ে নিজেকে খোদা মেনে নিতে বলবে, এটা কি মেনে নেওয়া আমাদের মুসলমানদের জন্য অসম্ভব কিছু?

কারণ তাদেরতো শুধু দুনিয়াই লাগবে।

আরব বিশ্ব বাদ দেন, ব্যক্তিগত জীবনে আসি। আমার বা আপনার আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ থাকলে আমরা কি সে সুযোগ ছেড়ে দিবো?
শুধু পরিষ্কার মনে এটা চিন্তা করে দেখেন, আমাদের ঈমান কতটুকু দূর্বল বা শক্ত সেটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

ইরান এতো নিষেধাজ্ঞার পরও এসব আরাম আয়েশ গ্রহন না করে নিজেদের আলাদা রেখেছে এজন্য তাদের জন্য আমার একটা সফট কর্ণার আছে। তারা অন্তত চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করে, বা করার চেষ্টা অন্তত করে। এদিক থেকে ওরা আমাদের থেকে একটু হলেও বেটার।

যাইহোক, পৃথিবী তার ভবিষ্যতের দিকেই আগাচ্ছে। করার কিছু নাই। এটা যার যার ঈমানি পরিক্ষা।

01/03/2026

তেলআবিব অভিমুখে ইরানের মিসাইল ছুটে যেতে দেখে গাজার এক শিশু দু'আ করছে:

❝হে আল্লাহ, (মিসাইলগুলোকে) পথপ্রদর্শন করুন এবং সেগুলোর লক্ষ্যভেদ নিখুঁত করে দিন।❞

অদৃশ্য শত্রুর মুখোশ..!গোয়েন্দা জগতের সবচেয়ে বড় নিয়ম হলো, যাকে আপনি শত্রু ভাবছেন সে হয়তো আপনার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে,.!ভারতে...
18/02/2026

অদৃশ্য শত্রুর মুখোশ..!

গোয়েন্দা জগতের সবচেয়ে বড় নিয়ম হলো, যাকে আপনি শত্রু ভাবছেন সে হয়তো আপনার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে,.!ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা 'র' এই নিয়মকে অস্ত্রে পরিনত করেছে।
তারা সাধারণত এমন কাউকে মাঠে নামায় না, যে প্রকাশ্যে ভারতের পক্ষে অবস্থা নেয়, বরং এমন কাউকে মাঠে নামায় যাকে সাধারণ মানুষ ভা*রত বিরোধী হিসেবে চিনে।

অর্থাৎ কৌশল খুবই স্পষ্ট, যে যতবেশি ভা*রত বিরোধী হিসেবে পরিচিত, তাকে ততবেশি বিশ্বাস করবে ভা*রত বিরোধী গোষ্ঠী।
আর এই বিশ্বাসে হয়ে ওঠে সবচেয়ে নিখুঁত তথ্যের উৎস, ভারতের সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা একবার স্বীকার করছিল:
আমরা এমন কাউকেই বেছে নিই, যার বিরুদ্ধে ভা*রতীয় মিডিয়া গালাগালি দেয়, কারণ সেটাই প্রমাণ করে-লোকটা নিখুঁত ঢাল।

এবার মূল কথায় আসি, বাংলাদেশের ডিপস্টেট..!

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ভা*রতের গোয়েন্দা নানানভাবে সংক্রিয় ৭৫ সালের পর থেকে তারা ভেতরে বাহিরে এক জটিল নেটওয়ার্ক তৈরি করছে।
এই নেটওয়ার্কে আছে রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম, ব্যবসায়ী এমনকি সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যন্ত।

হাদিকে হ*ত্যা করার অন্যতম কারণ ছিলো, হাদি ডিপ স্টেটের সাথে নেগোসিয়েশনে না যাওয়া।
কাউন্টার কালচারাল পলিটিক্স ও ন্যারেটিভ বিল্ডাবে হাদি ছিলো সুপার ইন্টেলেকচুয়াল।
হাদি জানত, ন্যারেটিভ দিয়ে মানুষকে সরাসরি শাসন করা না গেলেও, মস্তিষ্ক ও চিন্তাশক্তিকে শাসন করা যায়।
মনে আছে নিশ্চয়ই একটি কবিতায় হাদি বলছি: হে শকুন চিড়ে খাও আমায় কিন্তু দোহাই আমার মস্তিষ্ক খেয়ো না!

ন্যারেটিভ ছাড়া যুদ্ধ, রাজনীতি, সংস্কৃতি, ব্যবসা, কিছুই ঠিকমতো সাস্টেইন করে না, ন্যারেটিভই ঠিক করে দেয় কোনটা ভালো কোনটা খারাপ, কে হিরো, কে ভিলেন।

বিগত ১৭ বছরে ডিপস্টেট যে— কালচারাল ন্যারেটিভ এস্টাবলিশও ফ্রেমিং করছিল,
সেটি হাদি বোল্ডলি এক্সপোজ করতে শুরু করছিলো। যেমন কথিত যু*দ্ধাপরাধ, জ*ঙ্গি নাটক, সন্ত্রাস দমন আইন, শাহবাগী কালচারাল হেজেমনি। ইত্যাদি, ইত্যাদি।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের কৌশল পাল্টেছে আগে তারা কাজ করত সরাসরি প্রভাবের মাধ্যমে, এখন তারা কাজ করে মানসিক প্রভাব আর সচেতন বিভ্রান্তি দিয়ে।

একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছিল: আজকাল এজেন্ট বন্দুক হাতে চলেনা, সে চলে ল্যাপটপ হাতে।
এই নতুন কৌশল গুলো তৈরি করছে এমন কিছু চরিত্র যারা ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলেই ভারতের পক্ষে কাজ করে..!

অর্থাৎ মিরর এজেন্ট'-দেখতে শত্রু, ভেতরে বন্ধু।

এই তালিকায় আছে পিনাকী, — অনেকে হয়তো বিশ্বাস করবেন না, না করাই স্বাভাবিক কারণ ওঁরা সাব-কনশাসলি যে ফ্রেমিং আমাদের মস্তিষ্কে গেথে দিয়েছে তা লং-টার্মের।

এরজন্য তারা কিছু জনপ্রিয় বক্তা, ইউটিউব বিশ্লেষক, রাজনৈতিক এক্টিভিস্ট, এমনকি তথাকথিত দেশপ্রেমিক লেখক, যারা দিনের আলোর গর্জে ওঠে ভারতের বিরুদ্ধে কিন্তু রাতে আঁধারে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা রিপোর্ট সার্ভব করে।

র-এর ফিল্ড অফিসাররা এখন আর ঢাকার দূতাবাসে বসে কাজ করেন না, তারা কাজ করেন 'দেশপ্রেমিক মুখোশ' পরে। তারা হয়ে গেছেন ঢাকার ভেতরের ঢাকাবাসী।

Address

Kishoreganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুসাফির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মুসাফির:

Shortcuts

Share