10/05/2026
বাংলার খিলাফা ⚔️ আবার আসবে, আমাদের যায়গা আমরা ফেরত নিবো, ইনশাআল্লাহ। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা - উগ্র হিন্দুত্ববাদীর কাছে নিজেদেরকে ভারতপ্রেমী প্রমাণ দিয়ে নির্যাতিত হওয়ার চেয়ে- আল্লাহর পথে জি*হাদ করে ১২০৪ সাল থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত অখন্ড বাংলার ৫৬১ বছরের ইসলামিক শাসনের অখন্ড বাংলা গড়ে তোলার পথে শহীদ হওয়া উত্তম।
মনে রেখো, পৃথিবীতে আরব জাতির পরে বাঙালি মুসলিম জাতিই দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম জাতিসত্বা এবং প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) মদিনায় হিজরতের আগেই ইসলাম বাংলার ভূখন্ডে এসেছে রাজা নাজাসির কাছে মুসলমান আশ্রয় পাওয়ার পর থেকে বাণিজ্যিক রুট ধরে - তখন থেকে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার মুসলমানরা উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাতে চরম নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছে - দাঁড়ি রাখলে মৃত্যুদন্ড, গরু জ*বাই করলে মৃত্যু দন্ড বোরখা বা পর্দা করলে উলঙ্গ করে পেটানো, মসজিদ ভাঙা ও আক্রমণ করা- মুসলমানদের অঙ্গ কেঁটে কুকুরদের খাওয়ানো- এমন কোন অপকর্ম নেই যা লক্ষ্মণ সেন ও গৌর গোবিন্দরা করে নাই- তাদের চরম অত্যাচারে বৌদ্ধরাও বাংলা ছেড়ে পালিয়েছিলো- যার কারণে বাংলার বোদ্ধাদের চর্চাআবিষ্কার হয় তিব্বত রাজদরবার থেকে ১৯০৭ সালের দিকে! কিন্তু, মুসলিমরা বোদ্ধাদের মতন পালিয়ে যায়নি!
সেই চরম নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি মাত্র ১৭ টা ঘোড়া নিয়ে অত্যাচারী উগ্র হিন্দুত্ববাদী লক্ষ্মণ সেন'কে পালিয়ে যেতে বাঁধ্য হয়! পুরো রাজ্যে মাত্র ১৭ টা ঘোড়া কেউই থামায়নি- কারণ তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছিলো জনগণ!
এরপর ১২০৪ থেকে মীর কাসেমের ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত বাংলার শাসন ৫৬১ বছর ধরে মুসলমানদের হাতে ছিলো। এরপর, ১৭৬৫ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা কলিকাতায় বসে পূর্ব বাংলা ও আসামের মুসলিম বাঙালি রক্ত শোষণ করে হিন্দু জমিদারী চালিয়েছে ব্রিটিশদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আর সূর্যাস্ত আইনের আড়ালে! এ সময় হিন্দু সাহিত্যও গড়ে ওঠে, পূণরায় তারা মুসলিম সংস্কৃতি ও শাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করে।
এরপর, ১৯৪৬ এর কলিকাতার দাঙ্গার ফলে পূর্ব বাংলার মানুষেরা কলিকাতার হিন্দু শাসন, শোষণ থেকে মুক্ত হলেও আসাম ও পশ্চিম বাংলার মুসলিম সমাজের মুক্তি হয়নি- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা ও আসামের মুসলিমদের মুক্তি অল্প সময়ের জন্য হলেও তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতন প্রভাবশালী হিন্দু জমিদারের কারণে স্থায়ী হয়নি- সেই