29/03/2022
আমাদের দেশে সবচেয়ে নিম্ম শ্রেনীতে যাদের রাখচি তারা হচ্চে ঈমাম, মোয়ার্যেন, যাদেরকে আমরা ৫ হাজার টাকার উপরে বেতন দিতে পারি না, কিন্তু আমরা প্রতিদিন ২/৩শত টাকা করে খরচ করি, সিগারেট খাই, অযথা টাকা খরচ করি, প্রতি দিন ১০০ টাকার উপরে সিগারেট খাইলে মাসে ৩০০০ টাকার উপরে সিগারেট খরচ করি ওই টাকা টাও তো আমরা মোয়ার্যেন ঈমামকে দি না, আপনি তো বলেন আপনি খরচিয়া মানুষ, কার পিচনে কোথায় খরচ করতেচেন হিসাব দিতে পারবেন তো আল্লাহ কাছে, আরে ভাই আমরা তো মাসে মসজিদের চাদা মাএ ৫০ টাকা ও দিতে পারি না,দি না, ওখানে কিপটামি করি , তাও বাকি থাকি যায়, কিন্তু আমরা তো খরচিয়া মানুষ ২/৩ শত টাকা করে খরচ করি প্রতি দিন, কিন্তু মসজিদের টাকা ঠিক মতো দি না, আরে আপনারা বলেন প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায় কিসের এত কষ্ট তাহলে আপনি পড়ান না আপনাকে মাসে ৫ হাজার টাকা করে দিবে,, আরে ভাই আপনি তো নামাজ ই পড়ান না কিসের ঈমামতি করবেন,, সাপ্তায় ১ বার মসজিসের যান না আবার বলেন ওরা শুধু ৫ ওয়াক্ত ইতো নামাজ পড়ায়, পরো সমাজ খুজলে নামাজের ঈমামুতি করার লোক খুজে পাওয়া যায় না,পুরো সমাজ ৪/৫ শত লোক মিলে ঈমাম রাখচেন, কিন্তু বেতন দি না পযাপ্ত পরিমান না , কি করবেন টাকা কামাই যদি সঠিক পথে খরচ না করেন,,
আমি কোনো ঈমামদের দালালি করতেচি না, যেটা সঠিক সেটাই বলচি আপনি আপনার বিবেক দিয়ে একটু চিন্তা করে দেখেন, আমরা কি ওনাদের ওপর অন্যায় করতেচিনা, এখন তো সব কিছুরই উদ্য গতি,
আমরা আমাদের সমাজ সহ বাংলাদেশের
সকল ঈমান, মোয়ার্যেনকে পরিপূর্ন্য সম্মান করি,তাদেরকে পরিপূর্ন হাদিয়া দেওয়ার চেষ্টা করি,,
আপনার মন মানসিকতা বদলান তাহলেই সমাজ বদলে যাবে।