24/07/2026
ঝামেলা এক যায়গায়? ঝামেলা নানান সুতায় গিট্টু দেয়া।
১. যদি ধর্মের কথা বলেন, তবে মাইয়ার বাপেও কইছে মাইয়্যারে এমপির লগে বিয়া দিছে। কথা খতম, তার উপ্রে এম পি সাবের বউ কইছে, ওইটা আমার জামাইর হালাল বউ। আর কিছু থাকে?
২. যদি সেক্যুলার আলাপে আসেন সেক্ষেত্রে দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক লোক স্বেচ্ছায় বিনিময় করলে তা নিয়া কথা নাই, কথা যেটুকু সেটুকু বলতে পারবে তার বউ, লয়্যালিটির বিষয় ছাড়া অন্য আলাপ নাই।
৩. আইনের আলাপ আরও পেজগি দেয়া, সেক্ষেত্রে মেয়ের বয়স ১৬ ক্রস করলেই হলো। তখন তার সম্মতিতে কাজকর্ম করা যাবে, ধর্ষণ হবে না।
এতগুলো বর্ম ভেদ করে আপনার পক্ষে গাজী নজরুল ইসলামকে আঘাত করা কঠিন কারণ সে একদিকে নজরুল ইসলাম, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলাম, তারে আটকানো অত সহজ না।
কিন্তু প্রশ্ন কিছু থেকেই যায়!
১. বৈধ স্ত্রীকে পরিচয় করাতে ভিডিও ভাইরাল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে কেন?
২. বিবাহ যদি বৈধ হয়, তা গোপন রাখার ঠ্যাকা একজন এমপির কেন থাকবে?
৩. একজন এমপি সাধারণ যে বেতন ভাতা পায়, তা দিয়ে ৩/৪ জন অসাধারণ বউয়ের খরচও চালানো যায়, এমপির এস এস সি পাশ বাচ্চা বউয়ের এই বয়সে পড়ালেখা শেষ না করে সিভি জমা দিতে হবে কেন?
৪. কেমন নৈতিকতা সেই এমপির যে নিজের বউয়ের সিভিতে আনম্যারিড লেখা দেখেও জোর সুপারিশ করে, এমন মিথ্যা তথ্য সমৃদ্ধ সিভিতে জোর সুপারিশ করা লোকের আর নৈতিক জোর অবশিষ্ট থাকে কি না?
একজন বি এন পি যখন অবৈধ নারীকে লাগায়, সে তখন অবৈধ নারীকে লাগায়। একজন আওয়ামীলীগ যখন অবৈধ নারীকে লাগায়, সে তখন অবৈধ নারীকে লাগায়। একজন বামপন্থী যখন অবৈধ নারীকে লাগায়, সে তখন অবৈধ নারীকে লাগায়, কিন্তু যখন একজন ধর্মীয় রাজনীতি করা লোক কোন অবৈধ নারীকে লাগায়, সে তখন অবৈধ নারীর সাথে তার ধর্মটাকেও লাগায়।
কে কাকে লাগাইলো তা নিয়া আমার কোন আলাপ নাই, যে যার ব্যক্তিগত পাপ পূণ্যের হিসাব আল্লাহর কাছে দিবে। আমার মিনতি হইলো এইটুকু যে আপনারা লাগালাগির সময়ে দয়া করে ধর্মটাকে রেহাই দিয়েন কারণ লাগালাগির পার্টনার আপনার ব্যক্তিগত হলেও ধর্মগুলো আমাদের সকলের।
#সংগ্রহীত