22/05/2026
স্কুলে না, মাদ্রাসায় না, রাস্তায় না — এমনকি অনেক সময় নিজের পরিচিত মানুষগুলোর কাছেও শিশুরা নিরাপদ না!
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো —
মাদ্রাসায় শিশু ব-লাৎ-কারের ঘটনা বারবার সামনে আসলেও, আলেম সমাজ আজও রহস্যজনকভাবে নীরব!
কেন এই নীরবতা?
কেন অপরাধীর বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠ শোনা যায় না?
ধর্ম কি শুধু ওয়াজের মঞ্চে সীমাবদ্ধ?
নাকি শিশুদের আর্তনাদ ইসলামের অংশ না?
যাদের হাতে কুরআন শেখানোর দায়িত্ব, তাদের মধ্যেও কিছু নোংরা মুখোশধারী পশু লুকিয়ে আছে — এটা আজকের নির্মম বাস্তবতা।
পবিত্র লেবাস পরে, ধর্মের কথা বলে, নিষ্পাপ শিশুদের জীবন ধ্বংস করা এসব জা-নো-য়া-রদের “হুজুর” বলাও ধর্মের অপমান।
ওয়াজে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ফেললেই মানুষ হওয়া যায় না।
দাড়ি-টুপি পরলেই চরিত্রবান হওয়া যায় না।
যে শিশুদের স্পর্শ করার আগে আল্লাহকে ভয় পায় না, সে আলেম না — সে শিকারি।
শিশু ব'লাৎ'কা'র বন্ধ হবে কবে?
যেদিন সমাজ অপরাধীর পরিচয় দেখে চুপ থাকবে না।
যেদিন “হুজুর মানুষটা ভালো” বলে অপরাধ ঢাকার সংস্কৃতি বন্ধ হবে। যেদিন প্রতিটা শিশু নি'র্যা'ত'নকারীর বিচার দ্রুত ও প্রকাশ্যে হবে।
আজ মানুষ সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠাতেও ভয় পায়।
এটা শুধু একটা প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা না — এটা পুরো সমাজের লজ্জা। গুগলে শিশু ব'লাৎ'কা'র লিখে সার্চ করলেই দাড়ি টুপি জুব্বার আড়ালে থাকা পশু চরিত্রগুলো ফুটে উঠে। ইহা কি ইসলামের অপমান নয়?
চুপ থাকা মানে অপরাধীদের সাহস দেওয়া।
আজ যদি প্রতিবাদ না করি, কাল হয়তো আরেকটা শিশুর শৈশব ছিন্নভিন্ন হবে।
আমরা নিরাপদ শৈশব চাই।
আমরা বিচার চাই।
আর কোনো মুখোশধারী হায়নার জন্য একটাও শিশুর জীবন নষ্ট হতে দিতে চাই না।