19/04/2026
এনসিপি নিয়ে একটা কোলাজ বানাচ্ছিলাম। এত বেশি পরিচিত ফেইস আছে যে কাকে বাদ দিয়ে কাকে নিব বুঝতে পারছিলাম না।
সংসদে ৬ জন আছে। নাহিদ, হাসনাত, আখতার, আতিক, আল আমিন, হান্নান মাসুদ। সাথে সংরক্ষিত নারী আসনে ১ বা ২ জন যাবেন। পরে উচ্চকক্ষেও ১ বা ২ জন যাবেন। বিরোধীদলীয় দায়িত্ব পালনের জন্য এনাফ।
সংসদের বাইরে আছে আসিফ মাহমুদ, নাসীর পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আরিফুল আদিব, সুলতান জাকারিয়া, সর্দার আমিরুল, জুনেদ, ফয়সাল শান্ত, রাফিদ ভূঁইয়াসহ আরো অনেকে। সাথে আজ যুক্ত হলেন আলী আহসান জুনায়েদ ও রাফে সালমান রিফাত। সরকারের পলিসি নিয়ে আলোচনা করার জন্য এনাফ।
টকশোতেও এনসিপির অত্যন্ত ব্রাইট কিছু মাইন্ড আছে। বিশেষ করে সারোয়ার তুষার, সালেহ উদ্দিন সিফাত, তাহসিন রিয়াজ, সাঈফ মোস্তাফিজরা তো প্রথম সারিতে আছেন। আরো অনেকেই ভালো বলেন। দলের বয়ান প্রচারের জন্য এনাফ রিসোর্স আছে এই সেক্টরে।
নারী নেতৃত্বের দিক থেকেও এনসিপি অনেক স্ট্রং। সংসদে যাচ্ছেন মাহমুদা মিতু ও মনিরা শারমিন। বাইরে থাকবেন নুসরাত তাবাসসুম, নিভা, মুনা হাফসা, মঞ্জিলা ঝুমা, নাবিলা তাশনিদ, আশরেফারা। অবশ্য এক্ষেত্রে সবথেকে বড় অ্যাসেট হবেন দিলশানা পারুল ও সামান্তা শারমিন। এতগুলো পরিচিত নারী নেত্রী বাংলাদেশের অন্য কোনো সংগঠনে আছে?
এছাড়া যুবশক্তিতে আছে অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেলের মতো লোকজন। আজ যুক্ত হলো রিফাত রশীদ।
ছাত্রশক্তিতে আছে জাহিদ, আবু বাকের, তাহমিদ আল মুদাসসির, আহসান লাবীব, মহির আলম, নাঈম আবেদিন, আবু তৌহিদ সিয়াম, জুবায়ের হোসেনের মতো উদ্যোমী তরুণ।
এখন কী কাজ? এখন একমাত্র কাজ দলের পসার বাড়ানো। একটা অর্থনৈতিক মডেল দাঁড় করানো। সাথে লিডার সেট করা। প্রতি লিডারের আন্ডারে ১০/২০ জন লোক রাখা, যাদেরকে ওই লিডার তৈরি করবে। পরবর্তীতে তারাই নতুন ১০/২০ জনের নেতৃত্ব দিবে। ভবিষ্যতের জন্য এমন মডেল স্টাবলিশ করতে হবে।
তবে এসবের থেকেও আগে যেটা করতে হবে, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যন্ত কমিটি দেওয়া। প্রথমে এনসিপির, এরপর ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির৷ এইটা মাস্ট। এইটা করতে পারলে ফিউচার সিকিউরড। এবং এইটার থেকে বড় কোনো কাজ আপাতত এনসিপির নেই।
Copied post.