Craft at Home

Craft at Home A touch of art in every corner...
Practice, Create, Capture
Share, Inspire, Grow!
(11)

19/07/2026

আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একজন পরিচিত ছোটভাই তার বউ কে নিয়ে মালদ্বীপ ঘুরতে গিয়েছে। সমুদ্রের নীল পানিতে তাদের দুজনার সুন্দর একটা ভিডিও দেখে লাভ রিঅ্যাক্ট দিতে গিয়ে তার লেখা ক্যাপশনটা চোখে পড়ল।
সেই ছোট ভাই লিখেছেন, মালদ্বীপের এই ট্রিপটা স্পেশালি তার বউকে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি দেবার জন্য ছোট্ট একটা উপহার। এইজন্যই বাবুকে পরিবারের কাছে রেখে এই ট্রিপে তারা দুজনা এসেছে।

ভিডিও দেখে যতটা না ভাল লেগেছিল, ক্যাপশন পড়ে মনটা ভরে গেল!

মনে পড়ল, বেশ কিছুদিন আগে, আমার মামাতো ভাই তাদের দ্বিতীয় বাবু হওয়ার পর বাচ্চাদেরকে পরিবারের কাছে রেখে ভাবিকে জোর করে সেইন্ট মার্টিনস নিয়ে যাওয়ার গল্প শুনিয়েছিল আমাকে। ভাইয়া ভাবি দুজনাই ডাক্তার। প্রথমে তো ভাবি যেতেই চায়নি বাবুদের ছাড়া, গাইগুই করছিল। ভাইয়া বলছিল, ভাবি বাসে উঠে যাওয়ার পরও বারবার বলছিল, বাচ্চাদের নিয়ে এলেই ভাল হত, বাচ্চাদের জন্য মন কেমন করছে.. ভাল লাগছেনা..

তারপরও ভাইয়া একরকম কনভিন্স করেন ভাবিকে যাওয়ার জন্য। এরপর সেইন্ট মার্টিনস পৌঁছে রাতে ডিনার সেরে নেওয়ার পর ভাইয়া দেখে ভাবি একা একা গিয়ে সমুদ্রের তীরে বসে আছে।
কিছুক্ষণ পর ভাইয়া গিয়ে আস্তে করে পাশে বসার পর লক্ষ্য করল যে ভাবি বিশাল সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে কাঁদছে।

খানিক্ষণ চুপ থেকে ভাবি আস্তে আস্তে ভাইয়াকে বলল,

"তুমি কিভাবে জানলে I needed this"

মেয়েদের জীবন শুরু থেকেই একটা Endless chaos.
মেজরিটি কেইসে বিয়ের পর সেটা আরও বাড়ে। আর একটা বাচ্চা হওয়ার পর তো একটা শান্ত, নীরব রাতের ঘুম কি সেইটাও ভুলতে বসে মেয়েরা।

ছোটবেলা থেকে দেখেছি, নিজের জীবনের হতাশা ভুলতে ছেলেরা অফিস থেকে ফিরে রোজ বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বসে।
আর মেয়েদের হতাশা কিসে কাটে এই ধারণা বোধ করি দুনিয়ার ৮০ ভাগ ছেলেদেরই কোন কন্সার্নের বিষয় না।

আমার বাবা যেমন ক্লাস টাস নেওয়া শেষ করে বাসায় ফিরে রোজ সন্ধ্যায় আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে যেতেন। বন্ধুদের সাথে গল্প করতেন, খেলা দেখতেন, আড্ডা দিতেন।

আর আম্মু থাকতো বাসায়।
তার সমস্ত হতাশা,পোস্ট পার্টাম, ডিপ্রেশনের চ্যানেল ছিলাম আমি।

আমি তখন কেবল স্কুলে ঢুকেছি। আম্মু সাদা জামা পরা পছন্দ করতেন না। একে তো বাচ্চা মানুষ সাদা জিনিস নোংরা করে ফেলার চান্স শতভাগ, আর সাদা জামায় শরীর বোঝা যায়, যেটা ডিপ রং এ সাধারণত যায়না। এইদিকে সাদা আমার জানের জান প্রাণের প্রাণ। সাদা জামা, সাদা শাড়ি পরার জন্য আমার মন আকুপাকু করে। একদিন এমন মনের আনন্দে সাদা জামা পরার জন্য মানুষের সামনে আম্মা আমাকে ঠাস করে থাপ্পড় মেরেছিলেন।
সেই থাপ্পড়ের ব্যথা আমার মনে নাই, কিন্তু সবার সামনে থাপ্পড় মারার সেই অপমান ৩৭ বছরেও ভুলতে পারিনাই। চোখ ফেটে কান্না এসেছিল গিলে ফেলেছিলাম।
কিন্তু এখন আমি আম্মুর ট্রমা, ডিপ্রেশন, মানসিক ক্ষয় সব কিছুরই প্যাটার্ন স্পষ্ট বুঝতে পারি।

আমার আব্বু বোঝেন নাই।
আম্মু এত ঘুরতে যেতে চাইতেন কোথাও, অথচ আব্বু বাসা ছেড়ে এক পা নড়েন নাই কোনদিন।

এইজন্য যেসব ছেলেরা বউ এর কি দরকার সেটা মুখ ফুটে বলার আগেই বুঝে ফেলে তাদের আমি অসম্ভব শ্রদ্ধা করি।
তাদের বউ এর মুখের হাসি দেখলে আমার অসম্ভব আনন্দ হয়।
হয়তো আপনার বউ ঘুরতে যেতে চায়না, হয়তো চায় আপনি তাকে অফিস থেকে ফেরার পথে তার ফেভারিট ফুলটা কিনে এনে দেন বা একদিন তাকে কোন স্পেশাল ডেটে নিয়ে গেলেন। বা রাত জেগে বাচ্চাকে ঘুম পাড়ালেন, বাচ্চার মাকে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে দিয়ে। যেদিন তাকে সবচেয়ে ক্লান্ত দেখাবে সেদিন তাকে বললেন, তুমি জানো, তুমি দেখতে কত সুন্দর?
Do it for her!
Make her feel special, make her heart flutter ♥️

আপনার বউ এর মন ভাল থাকলে আপনার বাচ্চাও একজন সুখী সুস্থ মায়ের ভালবাসায় বড় হবে। তাদের জীবনে ট্রমা কম থাকবে। তারাও সুস্থ ভাবে বেড়ে উঠবে। এবং পুরুষদের মনে রাখা উচিৎ, বাবা মা সারাজীবন থাকেন না। ভাই-বোনেরও একটা সময়ে নিজেদের পরিবার হয়ে যায়। ওই শেষ পর্যন্ত পাশে থেকে যায় আপনার বউ-ই, in health, and in sickness. সেই বউ যাদেরকে আপনারা সাধারণত খয়রাতি ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন। আর টিটকারি মেরে বলেন একটা গেলে আরেকটা আসে।

আস্তে আস্তে আমার ভাইগুলোর মত, আমার বর এর মত, আমার পরিচিত সব গুলো গ্রীন ফ্ল্যাগ গুলোর মত পুরুষ মানুষ দিয়ে পৃথিবীটা ভরে উঠুক।
আমীন ♥️

©Anima

এইসব পোস্ট ছেলেরা দেখেনা, এগুলো শুধু মেয়েরাই দেখে আর দুঃখবিলাস করে... 🙂

16/07/2026
09/07/2026

অন্তর্মুখী মানুষ হওয়ায় জীবনে বন্ধু খুব একটা জোটেনি। তার মধ্যে আমার খুব কাছের বলতে একটাই মানুষ, যাকে নির্দ্বিধায় জীবনের সমস্ত কথা বলতে পারি। যে আমাকে জেনে বুঝে কখনো কোনো কষ্ট দেয়নি, অপ্রয়োজনীয় ভাবেনি, অযোগ্য ভাবেনি। মন খারাপ থেকে মন ভালো সব বিষয়ে কথা বলার মানুষ সে একটাই। তার সাথে কথা বলতে গিয়ে কখনও ভাবতে হয়না বলবো নাকি বলবো না। খুব কম সময়ই তাকে কাছে পেয়েছি, কত বছর আগে আমাদের দেখা হয়েছে শেষবার সেটাই ভুলে গেছি। অথচ সে আমার খুব আপন, খুব ভালোবাসি তাকে। সে আজ খুব অসুস্থ। আল্লাহ্ তাকে খুব দ্রুত সুস্থ করে দিন, আমীন... 😔

09/07/2026

জীবনে যত প্রিয় মানুষ আপন মানুষ ছিল আছে সবাই সুযোগ পেলেই বুঝিয়ে দিয়েছে, ঘরে-বাইরে আমি কতটা অযোগ্য, তাদের কাছে আমি কতটা অপ্রয়োজনীয়...

09/07/2026

পৃথিবীতে সেই সবচেয়ে সুখী যার মান ভাঙানোর মানুষ থাকে, অভিমান করার জায়গা থাকে...

30/06/2026

পুরুষরা আজকাল প্রায়ই অভিযোগ করে—নারীরা কেন এত ক্যারিয়ারিস্ট হয়ে যাচ্ছে!

অথচ খুব কম পুরুষই নিজেকে প্রশ্ন করে,

আমরা কি এমন একটা সমাজ তৈরি করিনি, যেখানে একজন নারীর সবচেয়ে বড় অবদানগুলোকে "কোনো কাজই না" বলে শেখানো হয়?

---

একজন নারী সারাদিন রান্না করলেন।

ঘর পরিষ্কার করলেন।

কাপড় ধুলেন।

সন্তানের পড়াশোনা দেখলেন।

অসুস্থ হলে রাত জেগে সেবা করলেন।

স্বামীর মানসিক চাপ সামলালেন।

শ্বশুর-শাশুড়ির খোঁজ রাখলেন।

পুরো পরিবারের সময়, খাবার, প্রয়োজন, আবেগ—সবকিছু ম্যানেজ করলেন।

মাস শেষে তার বেতন কত?

শূন্য।

তাই সমাজ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো—

তার কোনো অর্থনৈতিক অবদান নেই।

---

অথচ একটু হিসাব করে দেখুন।

একজন রাঁধুনি রাখুন।

একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাখুন।

একজন বেবিসিটার রাখুন।

একজন কেয়ারগিভার রাখুন।

একজন টিউটর রাখুন।

একজন হাউস ম্যানেজার রাখুন।

প্রতিটি কাজের আলাদা মানুষ লাগবে।

প্রতিটি কাজের আলাদা বেতন লাগবে।

বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একজন পূর্ণকালীন গৃহিণীর কাজ বাজার থেকে কিনতে গেলে তার মূল্য অনেক পরিবারের একক আয়ের সমান, কখনো কখনো তার চেয়েও বেশি হতে পারে।

কিন্তু যেহেতু এই কাজের জন্য আলাদা বেতন আসে না, তাই মানুষ ধরে নেয়—

এর কোনো মূল্য নেই।

---

এখানেই আধুনিক অর্থনীতির একটা বড় সীমাবদ্ধতা।

যা বাজারে বিক্রি হয়, সেটার মূল্য আছে।

যা পরিবারের জন্য করা হয়, সেটা ভালোবাসা।

তাই সেটা "ফ্রি"।

---

এই জায়গাটাতেই কর্পোরেট দুনিয়া সবচেয়ে বড় সুযোগটা নিয়েছে।

তারা নারীদের বলেছে—

"নিজের টাকা না থাকলে তোমার পরিচয় নেই।"

"অফিসে না গেলে তুমি সফল নও।"

"ঘরে থাকলে তুমি নিজের সম্ভাবনা নষ্ট করছ।"

"ক্যারিয়ারই স্বাধীনতা।"

---

অবশ্যই এমন অনেক নারী আছেন যারা সত্যিই নিজের পছন্দ, দক্ষতা বা সমাজে অবদান রাখার জন্য ক্যারিয়ার গড়তে চান।

শরীয়ার সীমার মধ্যে থেকে করতে পারলে এতে কোনো সমস্যা নেই।

সমস্যা তখনই হয়, যখন একজন নারী নিজের প্রকৃত ইচ্ছা নয়, বরং সামাজিক স্বীকৃতির জন্য এমন একটা জীবনে ঢুকে পড়েন, যেটা তিনি নিজেও চান না।

---

কিন্তু শুধু কর্পোরেটকে দোষ দিলেই পুরো সত্য বলা হবে না।

পুরুষদেরও এখানে বড় দায় আছে।

অনেক পুরুষ বছরের পর বছর ধরে একটা ভুল করেছে।

সে ভেবেছে—

"আমি টাকা এনে দিচ্ছি।

আমিই বেশি কন্ট্রিবিউট করছি।"

আর ঘরের ভেতরের অদৃশ্য শ্রমকে সে স্বাভাবিক দায়িত্ব বলে ধরে নিয়েছে।

ধন্যবাদ দেয়নি।

স্বীকৃতি দেয়নি।

সম্মান দেয়নি।

---

একজন স্ত্রী যদি দশ বছর ধরে সংসার চালান, সন্তান বড় করেন, স্বামীর জীবনের স্থিরতা তৈরি করেন—

অনেক পুরুষ সেটাকে "সে তো করবেই" বলে উড়িয়ে দেয়।

কিন্তু মাস শেষে নিজের বেতনটাকেই সবচেয়ে বড় অবদান মনে করে।

---

সমস্যা হলো—

মানুষ যার মূল্য দেয় না, মানুষ একসময় সেটাকে ছেড়ে দিতে চায়।

যখন একজন নারী বছরের পর বছর শুনতে থাকে—

"তুমি তো কিছুই করো না।"

"সারাদিন বাসায় থাকো।"

"আমিই সব চালাই।"

তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই তার মনে প্রশ্ন জাগে—

তাহলে আমার পরিচয় কোথায়?

আমার মূল্য কোথায়?

---

এরপর অনেক নারী ক্যারিয়ার বেছে নেন।

সবসময় টাকার জন্য না।

অনেক সময় সম্মানের জন্য।

স্বীকৃতির জন্য।

নিজেকে প্রমাণ করার জন্য।

একটা পরিচয়ের জন্য।

---

অদ্ভুত ব্যাপার হলো—

যে নারী হয়তো ভেতর থেকে সংসার, সন্তান আর শান্ত জীবনই চাইতেন, তিনিও ধীরে ধীরে বিশ্বাস করতে শুরু করেন—

"অফিসই আমাকে মূল্য দেবে।"

তারপর শুরু হয় দ্বৈত যুদ্ধ।

অফিসেও দায়িত্ব।

বাসাতেও দায়িত্ব।

ফলে অনেক ক্ষেত্রে তিনি আগের চেয়েও বেশি ক্লান্ত হন।

---

ইসলাম এই জায়গাটায় একেবারে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে।

ইসলাম কখনো বলেনি—

শুধু টাকা আয় করলেই অবদান।

আবার এটাও বলেনি—

নারী ঘরের কাজ করলে তার কোনো মর্যাদা কমে যায়।

বরং পরিবারকে একটা যৌথ আমানত হিসেবে দেখেছে।

যেখানে পুরুষের দায়িত্ব আছে।

নারীরও দায়িত্ব আছে।

দুজনের দায়িত্ব এক না।

কিন্তু দুজনের সম্মান সমান।

---

আজকের সবচেয়ে বড় সংকট সম্ভবত নারীরা ক্যারিয়ার করছে—এটা না।

সংকট হলো—

আমরা অবদানের সংজ্ঞাটাই বদলে ফেলেছি।

যে অবদান টাকায় দেখা যায়, সেটাকেই অবদান বলছি।

যে অবদান একটা প্রজন্ম তৈরি করে, একটা পরিবার টিকিয়ে রাখে, একজন পুরুষকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখে, একটা শিশুর চরিত্র গড়ে—সেটাকে বলছি,

"সে তো কিছুই করে না।"

হয়তো এ কারণেই আজ এত মানুষ পরিচয় খুঁজছে।

কারণ আমরা অনেক আগেই মানুষের মূল্যকে চরিত্র, দায়িত্ব আর ত্যাগ দিয়ে মাপা বন্ধ করে দিয়েছি।

এখন আমরা প্রায় সবকিছুর মূল্য মাপি—

বেতনের স্লিপ দিয়ে! Collected

শখের পেজ টা এখন বেকার পড়ে আছে 😥ছোট ছোট শখগুলো অপূর্ণই রয়ে গেলো...
07/06/2026

শখের পেজ টা এখন বেকার পড়ে আছে 😥
ছোট ছোট শখগুলো অপূর্ণই রয়ে গেলো...

Following trend...
17/05/2026

Following trend...

শহর কিংবা গ্রাম, প্রতিটি মুদির দোকানে এই অখাদ্যগুলিই ঝুলে থাকে। আমাদের শিশুরা চরম ক্ষতির মাঝে জীবন যাপন করছে। এগুলিতে না...
19/04/2026

শহর কিংবা গ্রাম, প্রতিটি মুদির দোকানে এই অখাদ্যগুলিই ঝুলে থাকে। আমাদের শিশুরা চরম ক্ষতির মাঝে জীবন যাপন করছে। এগুলিতে নাই কোনো পুষ্টিগুন, বরং উল্টো চরম ক্ষতিকর।

স্কুল থেকে ফেরার সময় অধিকাংশ মায়েরা এগুলি হতে কিছু না কিছু কিনে দেন।

আমরা মা বাবারা যদি এগুলি কঠোরভাবে বয়কট না করি, আমাদের সন্তানরা ক্ষতি হতে রক্ষা পাবে না।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Craft at Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share