21/07/2026
চুপ থাকাটা হয়তো সহজ, কিন্তু নিজের ভাবনা স্পষ্ট করে প্রকাশ করাটা এই মূহুর্তে বেশি জরুরি!
চলুন,এখন কিছু হাস্যকর কথাবার্তা বলা যাক। জানি, এই কথাগুলোর কারণে আমাকে হয়তো রাইভাল সাপোর্টারেরা ট্রল করবে বা করতেই পারে কারণ এগুলো সব ভিত্তিহীন কথাবার্তা, কিংবা অনেকেই হয়তো আমার সম্পর্কে ভিন্ন কিছু ভেবে বসবেন। তবে তাতে আমার কিছু আসে-যায় না—আমি এসবের বড়াই করি না, স্রেফ নিজের দৃষ্টিভঙ্গিটা প্রকাশ করি। এগুলো বলার কারণে আপনারা যা ইচ্ছে বলতে পারেন I don't care!
ফুটবলের চেয়ে নিজের ও পরিবারের জীবন ও সুরক্ষা সবসময়ই অনেক বড়। মাঠের ভেতরে মেসি কিংবা তাঁর সতীর্থরা নিঃসন্দেহে একেকজন যোদ্ধা, কিন্তু মাঠের সীমানা পেরোলেই তাঁরা আর কোনো সুপারহিউম্যান ক্ষমতাধর নায়ক নন। যে একাই কিংবা তা সম্মিলিতভাবে তাদের সাথে হওয়া অন্যায়ের প্রতিশোধ নিবে।
খেলার পেছনের রাজনীতির পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে অনেক কিছুই জড়ানো থাকে। আমার তো মনে হয়, মূল বার্তাটি দলের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন খোদ আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি হাভিয়ার মিলেই। আমার ধারণা, বার্তাটি হয়তো কিছুটা এমন ছিল— "যেকোনো মূল্যে ম্যাচ হারো, আমাদের শিরোপা চাই না; আগে তোমরা নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করো।"
ফুটবলের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক তো আর আজকের আজকের নয়, একেবারে সূচনালগ্ন থেকেই একে অপরের সাথে মিশে আছে। ভেতরে ভেতরে আসলে কী খেলা চলে, তার কতটুকুই বা আমরা সাধারণ দর্শকেরা জানতে পারি?
আর একটা সত্যি কথা বলি—আর্জেন্টিনা যদি বিশ্ব রাজনীতিতে আরো শক্তিশালী কোনো পরাশক্তি হতো, তাহলে হয়তো আজকে আমাদের এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হতো না।
নইলে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের কি এতটাই দুর্দিন এসেছে যে, স্পেনের সাথে পুরো ১২০ মিনিটে একটা ‘শট অন টার্গেট’-ও রাখতে পারবে না? এ দৃশ্য সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন!
যে যা-ই ভাবুক, খেলাটাকে শুধু মাঠের ৯০ বা ১২০ মিনিটের মধ্যে আটকে ছিলো না। এটা আমি ১০০% শিওর।