Mohammed Arif

Mohammed Arif শুদ্ধ মানুষ ✨

25/12/2025

পঁচিশের ইতিকথা...

এখন নিজের বাড়িটাকে আর নিজের বাড়ি বলে মনে হয় না।
মনে হয়, যেন কোনো অচেনা জায়গায় সাময়িকভাবে এসে উঠেছি—একজন অতিথির মতো, যার এখানে থাকার কোনো অধিকার নেই, শুধু থাকার অনুমতি আছে। ঘরের দেয়ালগুলো চেনা, কিন্তু অনুভূতিটা একেবারেই অচেনা। যেখানে একসময় শান্তি খুঁজে পেতাম, সেখানে এখন শুধু ভারী একটা শূন্যতা জমে থাকে।

মা নেই।
এই একটা বাক্যই যেন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ফাঁকা জায়গাটা তৈরি করে দিয়েছে। মায়ের অনুপস্থিতিটা শুধু একজন মানুষ হারানোর কষ্ট না—এটা একটা নিরাপদ আশ্রয় হারানোর ব্যথা। কার কাছে গেলে “সব ঠিক হয়ে যাবে” শুনতে পাব, সেটা আর জানা নেই। মায়ের ডাক, মায়ের অপেক্ষা, মায়ের চোখের সেই নিঃশর্ত বিশ্বাস—সবই এখন শুধু স্মৃতির মধ্যে আটকে আছে।

ছোট ভাইয়ের সাথে প্রায় এক মাস কথা হয় না।
কখন যে এই দূরত্ব তৈরি হলো, বুঝতেই পারিনি। রক্তের সম্পর্ক হয়েও কথার অভাব এতটাই গভীর যে, মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে একটা অদৃশ্য দেয়াল—যেটা কেউ ভাঙতে চায় না, বা ভাঙার শক্তি কারও নেই।

বড় বোনের সাথে কথা হলেই টাকার প্রসঙ্গ এসে পড়ে।
কথাগুলো আর আপন থাকে না, সম্পর্কটা যেন হিসাবের খাতায় পরিণত হয়েছে। ভাই-বোনের সম্পর্কের উষ্ণতার জায়গায় এখন শুধু দুশ্চিন্তা আর চাপ। আমি জানি, তারও কষ্ট আছে, কিন্তু তবুও প্রতিবার মনে হয়— আমি কখনও কোনো কাজ ঠিক মতো করতে পারলাম না ।

বাবার সাথে তো কোনো কাজ ছাড়া কথা বলাই হয়নি এক যুগ হয়ে গেল।
আর কথা হলেও সেটা শান্তিতে শেষ হয় না—চিল্লাচিল্লি, রাগ, গ্যাঞ্জাম। একসাথে বসে কথা বলা, হাসা, বা শুধু “কেমন আছিস?”—এই সাধারণ জিনিসগুলো আমাদের মধ্যে কোনোদিনই স্বাভাবিক হয়ে ওঠেনি। বাবা হয়েও তিনি যেন আমার জীবনে একজন অচেনা কর্তৃত্ব, ভালোবাসার মানুষ নন।

এই ২৬ বছরের জীবনে তাকিয়ে দেখি—আমি যেন শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই অর্জন করতে পারিনি।
স্বপ্ন ছিল, ইচ্ছে ছিল, কিন্তু বাস্তবতার ভারে সব একে একে চুপ করে গেছে। বাবার অঢেল সম্পদ থাকলেও কী আসে যায়? যখন নিজের বলতে কিছুই নেই। নিজের অর্জন নেই, নিজের জায়গা নেই, নিজের পরিচয় নেই। সবকিছু থাকার মাঝেও আমি যেন ভীষণ রকমের নিঃস্ব।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—এই শূন্যতার কথাগুলো কাউকে ঠিকমতো বলাও যায় না।
কারণ বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক মনে হয়। কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি প্রতিদিন একটু একটু করে ভেঙে পড়ছি। তবুও কাউকে দেখাতে পারছি না, কাউকে বোঝাতে পারছি না—আমি কতটা একা।

এত সবকিছুর ভিতরেও ,একজন মানুষ আমার পাশে সব সময় ছিল ,ধন্যবাদ আপনাকে ।

28/09/2025

“স্বপ্ন আর বাস্তবতার ফাঁকে”

একটা মানুষের জীবনের প্রতিটি জিনিসেরই একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে। সময়টা চলে গেলে সেই জিনিস, সেই অনুভূতি জীবনে আর আগের মতো প্রভাব ফেলে না।

মানুষ কত কিছু হতে চায়, কত কিছু স্বপ্ন দেখে। কিন্তু ক’টা স্বপ্নই বা সত্যি হয়? ছোটবেলায় যখন শুনতাম বাবা বিদ্যুতের কাজ করেন, তখন যদি কেউ জিজ্ঞেস করত, গর্ব করে বলতাম—“আমার বাবা ইঞ্জিনিয়ার।” তখন থেকেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নটা বুকের ভেতর গভীরভাবে বেঁধে রেখেছিলাম। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার খুব কাছাকাছি আমি। হয়তো আল্লাহ আমাকে অনেক ভালোবাসেন বলেই এই সৌভাগ্য দিচ্ছেন।

কিন্তু সব স্বপ্ন তো পূরণ হয় না। কিছু স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে যায়। ছোটবেলায় মোবাইলের এফএম রেডিও কিনতে খুব ইচ্ছা হতো। হয়নি। হয়তো কিছু স্বপ্ন অপূর্ণ থাকার মধ্যেই জীবনের মানে লুকিয়ে থাকে। কারণ, যদি সবকিছুই পূরণ হয়ে যায়, তবে মানুষ বাঁচবে আর কিসের আশায়?

অনেক কিছুই ছিল হবার মতো, কিন্তু হয়নি। মনে হয়েছিল একদিন আমার একটা দামী গাড়ি থাকবে, দামী ল্যাপটপ থাকবে, দামি মোবাইল থাকবে। মনে হয়েছিল মা-বাবা আমাকে অফুরন্ত ভালোবাসায় আগলে রাখবেন। ভেবেছিলাম আত্মীয়-স্বজন কোনো স্বার্থ ছাড়াই পাশে দাঁড়াবে, খোঁজ নেবে। কিন্তু জীবনের হিসাবটা এত সহজ নয়।

আসলে কথার কোনো শেষ নেই—কথা থাকে অনেক, কিন্তু পূর্ণ হয় হাতে গোনা কয়েকটা। আর বাকিগুলো রয়ে যায় হৃদয়ের ভেতর নীরব বেদনা হয়ে।

Life is cruel sometimes! 😊He's sleeping but still fears of losing his only earning source.He knows if he loses it, his f...
06/08/2025

Life is cruel sometimes! 😊

He's sleeping but still fears of losing his only earning source.He knows if he loses it, his family might goes in hunger ❤️‍🩹

This is men & their sacrifices 🌼

এভারেস্টের তুষারাবৃত শৃঙ্গ, যাকে ডাকা হয় ‘বিশ্বের ছাদ’ নামে, সেই বিপরীত-সৌন্দর্যের গভীরে এক নারীর নিঃশ্বাস ফুরিয়ে গিয়েছি...
27/07/2025

এভারেস্টের তুষারাবৃত শৃঙ্গ, যাকে ডাকা হয় ‘বিশ্বের ছাদ’ নামে, সেই বিপরীত-সৌন্দর্যের গভীরে এক নারীর নিঃশ্বাস ফুরিয়ে গিয়েছিল — হান্নেলোর স্মাট্‌জ। জার্মান পর্বতারোহী হান্নেলোর স্মাট্‌জ ১৯৭৯ সালে নিজের স্বামী গেরহার্ড স্মাট্‌জের সঙ্গে অভিযানে নেমেছিলেন এভারেস্ট জয়ের আশায়।

দক্ষিণ দিক থেকে আরোহন করে তাঁরা সফলভাবে শৃঙ্গ স্পর্শ করলেও, নেমে আসার পথে মৃত্যুর সঙ্গে শুরু হয় এক নিষ্ঠুর লড়াই। “ডেথ জোন”-এর কাছে এসে ক্লান্তি ও অক্সিজেন-স্বল্পতা তাঁকে থামিয়ে দেয়।

তিনি বসে পড়েন একটি পাথরে, চোখে চশমা, পিঠে ব্যাগ, ঠোঁটে অনাহুত এক নিঃশব্দ হাসি। তাঁর শরীর ধীরে ধীরে হিম হয়ে যায়, কিন্তু থেকে যায় বছর বছর ধরে — এক ভয়ানক সতর্ক সংকেত হয়ে অন্য অভিযাত্রীদের চোখের সামনে।

সেই সময়ের পর্বতারোহণের সীমাবদ্ধ যন্ত্রপাতি, কম অভিজ্ঞতা ও আবহাওয়ার রূঢ়তা তাঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল।

তবে তাঁর মৃত্যু ছিল কেবলই নিস্তব্ধ বিলীন নয় — বরং পর্বতারোহণের ইতিহাসে গভীর এক চিহ্ন, যা বুঝিয়ে দেয় যে প্রকৃতির শ্রেষ্ঠত্বের সামনে মানুষ কতটা অসহায়।

হান্নেলোর মৃতদেহ দীর্ঘদিন এভারেস্টের 'সাউথ কল'-এর ধার ঘেঁষে বসে ছিল, হিমবাহে গেঁথে যাওয়া এক শীতল স্মৃতি হয়ে। বহু অভিযাত্রী তাঁর পাশ দিয়ে হেঁটে গেছে — কিছুটা ভীত, কিছুটা অভিভূত হয়ে। মৃত্যুর এমন দৃষ্টান্ত যেন ভয়ানক সুন্দর — মৃত্যু যেন নীরব এক মূর্তি হয়ে পাহাড়ে বসে আছে।

২০০৭ সালের দিকে এক প্রাকৃতিক হিমবাহের ধাক্কায় তাঁর দেহ অবশেষে হারিয়ে যায় বরফের অতলে। কিন্তু হান্নেলোর গল্প, সেই শেষ নিঃশ্বাস, সেই নতমুখ ক্লান্ত বসা শরীর — আজও জীবিত পাহাড়প্রেমীদের মনে।

তিনি হয়তো উঠেছিলেন গৌরবের খোঁজে, কিন্তু ফিরে এসেছিলেন চিরন্তন বিপদের প্রতীক হয়ে। তাঁর গল্প কেবল একজন অভিযাত্রীর মৃত্যুর গল্প নয়, এটি মানুষের সীমারেখা ছুঁতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ার এক অনন্ত কাব্য — যেখানে শিখরে ওঠার আনন্দ যেমন আছে, তেমনি আছে নেমে আসতে না পারার নির্মম বেদনা।

হান্নেলোর স্মাট্‌জ তাই আজও বেঁচে আছেন এভারেস্টের কোলজুড়ে – শীতল, নিস্তব্ধ, অথচ জেগে থাকা এক অমর অশ্রুপুর্ণ অধ্যায়ে।

© জানা অজানা

যেই পাইলট একটা যু/-দ্ধ বিমান একটা স্কুল বিল্ডিং-এ ক্র‍্যা/শ করাইলেন, তাকে আপনারা পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করলেন। কর...
22/07/2025

যেই পাইলট একটা যু/-দ্ধ বিমান একটা স্কুল বিল্ডিং-এ ক্র‍্যা/শ করাইলেন, তাকে আপনারা পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করলেন।

করেন। প্যারা নাই। হয়তো পাইলটের কোনো দোষই ছিল না। হয়তো ছিলো দোষ। আমি জানি না। আমি জীবনে প্লেন উড়াই নাই।

কিন্তু যেই শিক্ষিকা নিজের জীবনটা উৎসর্গ করে, আগুনের মধ্যে ঢুকে তার শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করলেন, এতোগুলা বাচ্চার জীবন বাঁচালেন, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা গেলো না?

কেন? সিভিলিয়ান বইলা? সিভিলয়ানদের মধ্যে বীরত্ব নাই তাই?

কী জানি! আমরা তো আসলে সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনও না, আমরা হইতেসি আপনাদের ভূমিদাস। মর্যাদাহীনতাই আমাদের ভাগ্যে আছে।

দেশের উপদেষ্টা ভিক্ষা চায়, কার জন্য চায়? মাইলস্টোন স্কুলের কোন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কি আর্থিক সহযোগীতা চেয়েছে?বাংলাদেশের ট...
22/07/2025

দেশের উপদেষ্টা ভিক্ষা চায়, কার জন্য চায়? মাইলস্টোন স্কুলের কোন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কি আর্থিক সহযোগীতা চেয়েছে?

বাংলাদেশের ট্রেন্ড হলো বন্যা হলে ভিক্ষা, আগুন লাগলে ভিক্ষা, সমস্যা হলেই একটা মহল ভিক্ষা চালু করে দেয়। কতো নিলজ্জ হলে এমন পোস্ট রাষ্ট্রীয় আইডি থেকে করতে পারে। শেষ বয়সেও ধান্দাবাজী।

Hell is empty and all the devils are here!!!
22/07/2025

Hell is empty and all the devils are here!!!

যতবার পড়েছি মুগ্ধ হয়েছি, বন্ধুত্বতো এমনি হয়!মাইলস্টোনে দূর্ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া একজন ছাত্র তার আ*হত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেক...
22/07/2025

যতবার পড়েছি মুগ্ধ হয়েছি, বন্ধুত্বতো এমনি হয়!

মাইলস্টোনে দূর্ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া একজন ছাত্র তার আ*হত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়ে আনতে গিয়েছিল।

ফায়ার ব্রিগেডের অফিসার বাধা দিয়ে বললেন, "এর কোনো লাভ নেই! তোমার বন্ধু অবশ্যই মা--রা যাবে"।

কিন্তু ছাত্র'টি তখনও গিয়ে তার বন্ধুকে একা একা ফিরিয়ে আনল।

মৃ--তদে--হ দেখে ফায়ার ব্রিগেডের অফিসার বলে, "আমি তোমাকে বলেছিলাম এর কোন মূল্য নেই। সে মা--রা গেছে"।

ছাত্র'টি উত্তর দেয়: 'না স্যার, এটা সত্যিই মূল্যবান ছিল। যখন আমি তার কাছে গেলাম, সে তখনও জীবিত ছিলো - আমার বন্ধু আমাকে দেখে, হাসল এবং তার শেষ কথাটা বলল:

"আমি জানতাম তুমি আসবে"!

Picture: Morshed

বিধ্বস্ত বিমানটি ছিলো বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ফাইটার জেট। ফাইটার বিমানে ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির। সদ্য বিবাহিত।...
21/07/2025

বিধ্বস্ত বিমানটি ছিলো বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ফাইটার জেট। ফাইটার বিমানে ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির। সদ্য বিবাহিত। আগামী মাসে প্রমোশন। আর তৌকিরের বডি (তখনো জীবিত) পাওয়া গিয়েছে দুর্ঘটনা থেকে বেশ দুরে। অনেক আহত অনেকের দেহ পুড়ে ছাই!

যাহোক, আজ ছিলো ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকিরের প্রথম একক ফ্লাইট! দীর্ঘ বেসিক ট্রেনিং শেষে তাকে প্রথম বারের মতন একা ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এর আগে সব মিশনেই ডুয়েল ককপিটে আরেকজন পাইলট (প্রশিক্ষক) ছিলেন। তৌকিরের ট্রেনিং শেষ হয় আরো ৩ দিন আগে এবং সে একা ফ্লাই করার জন্য কোয়ালিফাই করে।

নিয়ম হচ্ছে যেদিন কোয়ালিফাই করে সেইদিনই প্রথম স্লো ফ্লাই করা! যেহেতু সেইদিন পরে আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায় এবং পরে দুই দিনেও আবহাওয়া অনুপযোগী এবং ছুটি ছিলো তাই একা ফ্লাই করার অনুমতি পাই নি।
যেহেতু গ্যাপ হয়ে গিয়েছে তাই আজ তৌকিরের ইনষ্টার প্রথমেই তৌকির কে নিয়ে আকাশে উঠেন এবং কিছু প্রেক্টিস করান। এর পরে ইনষ্ট্রাকটর ডুয়েল সিট থেকে নেমে যান এবং তৌকিরকে একা ছেড়ে দেন।

তৌকিরের টেক্সি (রানওয়ে তে যাওয়ার আগে যতটূকু পথ যেতে হয়) টেক অফ সবই ছিলো ভাল। ইনষ্ট্রাকটর রানওয়ের পাশে সার্বক্ষনিক থাকে ওয়ারলেস নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন, যদি কোন সাহায্য বা গাইডেন্স লাগে। তৌকির টেক অফ করার ০৫/০৭ মিনিটের মাথায় ইনষ্ট্রাকট্র দেখতে পান এক ধরনের অস্বাভাবিক আচরন। ফাইটার জেট টি বিমান বন্দরে উত্তর দিক থেকে ঘুরে দক্ষিন দিকে উচ্চতা হারাচ্ছে। প্রশিক্ষক ওয়ারলেসে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হচ্ছিলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে যা হবার তাই- ফাইটার জেট'টি এমন অবস্থায় ছিলো যে নিশ্চিত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ইন্টার ন্যাশনাল পার্কিং বরাবর পড়ার কথা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তৌকির কিছু একটা করেছে হয়তো যা বিমান টি কে অন্য দিকে ডাইরেক্ট করেছে।

ধারনা করা হচ্ছে ফাইটার জেট টিতে কমপ্লিট কন্ট্রোল লস, পাওয়ার লস এবং রেডিও ফেলুইর এক সাথে হয়েছে😳! এটা কোনভাবেই স্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়! কেননা নতুন ফাইটার পাইলটদের একা প্রথম ফ্লাইটে সব চেয়ে ভাল বিমান টি দেয়া হয়। বিমান বাহিনীর ইতিহাসে প্রথম একা ফ্লাইটে এটাই প্রথম দুর্ঘটনা।

বিঃদ্রঃ Anonymous main page থেকে একদিন আগে সতর্ক করে দেয়া হয় একটা স্কুল বিল্ডিং দুর্ঘটনার শিকার হবে এবং অনেক শিশু জীবন হারাবে (পেইজের মূর পোষ্টের লিংক কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি)। আজ তারা মাইলস্টোন কলেজের দুর্ঘটনার পরে পোষ্ট দিয়ে জানায় তাদের দেয়া তথ্য মোতাবেক ঘটনা ঘটেছে। এনোনিমাস হ্যাকার গ্রুপ কারা সেটা আশা করি কাউকে বলতে হবে না। তাদের পোস্ট ও কমেন্টগুলো পড়লেই ধারনা পাওয়া যায়!

বিষয় টা আশ্চর্যজনক না? তাহলে কি এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং এই ঘটনার পিছনে ডিপস্টেট ও এদেশীয় মুনাফিকদের সূক্ষ্ম কোনো পরিকল্পনা রয়েছে??

আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি অনেক কিছুর পরিবর্তন দেখিয়াছি।শহর থেকে গ্রামের, রাস্তা থেকে সড়কের, সমুদ্র সৈকত থেকে সমুদ্র বন্দ...
14/07/2025

আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি অনেক কিছুর পরিবর্তন দেখিয়াছি।
শহর থেকে গ্রামের, রাস্তা থেকে সড়কের, সমুদ্র সৈকত থেকে সমুদ্র বন্দরের, কিংবা বহু দেশের বহু সরকারের।
এত এত পরিবর্তন দেখার পরও আমার মনে স্বাদ মিঠেনি।
মনে হলো মানুষের পরিবর্তন দেখা হয়নি।আর যখন আমি মানুষের পরিবর্তন দেখলাম,তখন আর অন্য কোনো পরিবর্তন দেখার ইচ্ছা জাগেনি।

14/07/2025

সন্ধ্যেবেলা ঠিক ৭:০০ টার পর , মাথাভর্তি বিষন্নতা নিয়ে ঘরে ফেরার বিষয়টা !
মানুষ কজন কেমন আছে?
মানুষ কজন ভালোবাসে!

Address

Rangamati
4500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammed Arif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammed Arif:

Share

Category