23/08/2026
একজন না, দুজন না একই পরিবারের চারজন মানুষকে হ%%ত্যা করা হলো! আর কারণটা এতটাই ছোট, যা তারা নিজেরাও হয়তো কল্পনা করতে পারেনি 😔
রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে আগামী ও ছোট ছেলে প্রিয়ম একে একে চারজনকেই পৃথিবী থেকে বিদায় করে দেয় তাদেরই পরিচিত দুজন মা-দ-কা-স-ক্ত যুবক।
তারা দুজন হলো সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস৷ তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং একে অপরের পরিচিত। এমনকি তারা গণপতি চক্রবর্তী স্যারকে ‘কাকা’ বলেও ডাকত।
ঘটনার দিন ছিল বৃহস্পতিবার রাত।
গণপতি স্যারের বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লাগোয়া আরেকটি বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে অভিযুক্তরা স্যারের বাড়ির ছাদে আসে। সেখানে তারা মা-দ-ক সেবন করছিল।
হঠাৎ গণপতি স্যার ছাদে উঠে তাদের দেখে ফেলেন এবং বকাঝকা করেন।
কিন্তু অভিযুক্তরা ভয় পেয়ে যায়। তাদের ধারণা হয়, সম্মানিত শিক্ষক হওয়ায় স্যার হয়তো ঘটনাটি সবাইকে বলে দেবেন, এমনকি থানাতেও জানাতে পারেন।
আর তখনই মা-দ-কে-র নে-শা-গ্র-স্ত অবস্থায় তারা ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নেয়।
স্যারের সঙ্গে থাকা গামছা দিয়ে তাঁর গ-লা-য় চা%প দেওয়া হয়। কয়েক মিনিট ধস্তাধস্তির পর তিনি মা%রা যান।
এই সময় শব্দ শুনে স্যারের স্ত্রী ছাদের দিকে এগিয়ে আসেন। তিনি ঘটনাটি দেখে ফেলেন। তাই তাকেও সিঁড়ির কাছে একইভাবে *** করা হয়।
এরপর ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে তাদের মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও *** করা হয়।
ঘরে তখন ছোট ছেলে প্রিয়ম একা ছিল। প্রথমে তাকে কিছু করা হয়নি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তদের মনে হয়, প্রিয়ম তাদের ভালো করেই চেনে। আজ না হোক কাল, একদিন সে সবকিছু বলে দিতে পারে।
শেষ পর্যন্ত তাকেও বালিশ চা%%পা ও গামছা দিয়ে হ%%ত্যা করা হয়। 😓
তারা চারজনকে হ%%ত্যা&%র পর অভিযুক্তরা ওই বাসার ওয়াশরুমে গোসল করে। তারপর ঘরে বসেই আবার মা%দ&ক সেবন করে।
শুক্রবার সকাল হয়ে যায়।
এরপর তারা ঘরের আসবাবপত্র খুলে তল্লাশি চালাতে থাকে। স্বর্ণালংকার বের করে। সিদ্ধার্থ একটি স্বর্ণের দোকানে কাজ করত বলে অভিযোগ আছে, তাই সে আগুন জ্বালিয়ে গহনাগুলো আসল সোনা কি না, সেটিও পরীক্ষা করে।
এসব করতে করতে বেলা গড়িয়ে যায়।
তখন তারা চিন্তা করে, এখন বের হলে আশপাশের মানুষ দেখে ফেলতে পারে। তাই তারা জুমার নামাজের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে।
অপেক্ষার সময় ঘরে বসে খেজুর খায়, মা-দ-কে-র প্রভাব কমাতে ফ্রিজ থেকে শসা বের করে খায়।
তারপর জুমার নামাজের সময় যখন আশপাশের বেশিরভাগ মানুষ মসজিদে, তখন তারা ছাদ দিয়ে পাশের বাড়ির ছাদ ঘুরে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।
ভাবুন তো একবার...
চারজন মানুষকে হ%%ত্যা করার পরও তারা এতটা সময় সেই বাড়িতেই ছিল! গোসল করেছে, খেয়েছে, মা&দ&ক নিয়েছে, ঘরের জিনিসপত্র তল্লাশি করেছে—তারপর সুযোগ বুঝে স্বাভাবিকভাবেই বেরিয়ে গেছে।
একটা পরিবারের চারটি প্রাণ চলে গেল শুধুমাত্র কয়েকজন নেশাগ্রস্ত মানুষের ভয় আর নিষ্ঠুরতার কারণে।
মানুষ নে%শা করলে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, এই ঘটনাই তার সবচেয়ে ভয়াবহ উদাহরণ। 😓💔
©