FK Firoj Kobir,Lakshmipur

FK Firoj Kobir,Lakshmipur নিজে সবসময় সৎ পথে চলুন এবং অন্য কে চল? It's my personal page, that's it........ nothing to say....

26/12/2017

বাল+ইকা!!
বোরখা পরেছো ভাল কথা!!কিন্তু সেটা যেনো হয় পর্দার জন্য!
মনে রেখো,বোরখা পর্দার জন্য,ফ্যাশনের জন্য নয়!!

15 December Our Independent Day....
14/12/2017

15 December Our Independent Day....

05/12/2017

Final Exam চলতেছে, সবাই একটু দোয়া করবেন... ধন্যবাদ

04/12/2017

Hlw..

23/11/2017
এসেছিলে ক‍্যান হে জীবণে,চলে গেলে যে হঠাৎ করে.....😕আসার কিই বা দরকার ছিল.....😥 By
07/11/2017

এসেছিলে ক‍্যান হে জীবণে,চলে গেলে যে হঠাৎ করে.....😕
আসার কিই বা দরকার ছিল.....😥
By

04/11/2017

আজকের গল্পটা মেয়েদের জন্যঃ
ছেলেটিঃ হ্যালো!
মেয়েটিঃ এই তুমি এতো কিপটে কেনো?
কতগুলা মিসকল দিলাম ব্যাক করলে না
কেনো বলতো?
ছেলেটিঃ মোবাইলে ব্যালেন্স
নেই!
মেয়েটিঃ তো ইমারজেন্সি ব্যালেন্স
এনে কল দিতে! ছেলেটিঃ সেটাও শেষ!
মেয়েটিঃ ওহহ, সকাল
থেকে কল করছি, আর এই ভর
দুপুর বেলা কল রিসিভ করলা!
ছেলেটিঃ ঘুমিয়ে ছিলাম!
মেয়েটিঃ এতক্ষণ কেউ ঘুমায়? ওরে
বিলাসিতা রে!
ছেলেটিঃ এটা বিলাসিতা না, এটা
মানিব্যাগ খালি
থাকার প্রতিক্রিয়া!
মেয়েটিঃ মানে?
ছেলেটিঃ মানে ঘুমিয়ে থাকলে
ক্ষুধা লাগে না!
মেয়েটিঃ তার মানে তোমার
কাছে, "দুপুরে খাওয়ার টাকাও নাই?
ছেলেটিঃ না তবে ম্যানেজ করে
ফেলছি, ২০ টাকা!
মেয়েটিঃ বিশ টাকা দিয়ে কি খাবে
শুনি?
ছেলেটিঃ বিশ টাকা দিয়ে
এক কাপ চা, দুইটা কেক আর
একটা চকলেট খাবো।
দোকানদার একটা ভাংতি
দিতে পারবে তাই!
মেয়েটিঃ এগুলা খাবা তুমি?
ছেলেটিঃ খাইতেছি!
মেয়েটিঃ কোথায়?
ছেলেটিঃ টঙে বসে, সাথে
বাংলা সিনেমা ফ্রি!
মেয়েটিঃ কি সিনেমা?
ছেলেটিঃ হঠাৎ বৃষ্টি!
মেয়েটিঃ কার?
ভিন ডিজেল নাকি স্ট্যাটহামের?
ছেলেটিঃ ফেরদৌস!
মেয়েটিঃ হা হা হা হা হা!
ছেলেটিঃ হাসো কেনো?
মেয়েটিঃ এমনি, আচ্ছা একটা হেল্প
করবা?
ছেলেটিঃ কি বলো?
মেয়েটিঃ তোমার ডাচ্ বাংলা
এ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাচ্ছি।
একটা লোক কে দিয়ে দিবা?
ছেলেটিঃ ঠিক আছে,দিয়ে দিবো!
মেয়েটিঃ ওকে,এখন বাই!
ছেলেটিঃ ঠিক আছে,বাই!
ব্যাংকের এ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা আসার
পর ছেলেটি মেয়েটিকে কল দিলো....
ছেলেটিঃ হ্যালো,টাকা
আসছে,কাকে দিবো?
মেয়েটিঃ একটা রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে
এক প্যাকেট বিরিয়ানি কিনবা, কোক কিনবা আর বাকিটা পকেটে রাখবা!
ছেলেটিঃতারপর?
মেয়েটিঃ ওগুলা খাবা!
ছেলেটিঃ তারপর?
মেয়েটিঃ তারপর হঠাৎ বৃষ্টি মুভিটা দেখবা!
ছেলেটিঃ তারপর?
মেয়েটিঃ পুরো মুভিটা শেষ
হলে,মোবাইলে রিচার্জ
করে আমাকে কল দিয়ে মুভির
Theme কাহিনী শোনাবা!
এটাই হলো প্রকৃত ভালোবাসা। সর্বদা বয়ফ্রেন্ডের টাকায় নয়।বরং মাঝে মাঝে
বয়ফ্রেন্ডকেও আর্থিক ভাবে কিছুটা help করা উচিৎ........
©By

30/10/2017

কেউবা রঙিন কাঁথায় মেলিয়া বুকের স্বপনখানি,
তারে ভাষা দেয় দীঘল সূতায় মায়াবি আস্তর টানি।
আজিকে বাহিরে শুধু ক্রন্দন ছলছল জলধারে
বেণু-বনে বায়ু নীড়ে এলোকেশ, মন যেন চায় কারে।

28/10/2017

***অতিথি পাখি (নবম শ্রেণি)****
ফিরোজ কবীর
লক্ষ্মীপুরের পোলা হামরা,বেয়াদব প্রকৃতির না😜
নবম শ্রেণির ছাত্র হামরা,স্কুলে যাই না।😜
যদিও আমরা যাই স্কুলে,ক্লাস করি না
সবসময় ব‍্যাগে হামার,থাকে যে শার্ট প্যান্ট
পালানোর আগে তা পরিধান করে,
হইযে হ‍্যান্ডসাম।😎
সবাই মিলে মাঠে গিয়ে,দেই যে আড্ডা
কেউ যদি বলে ভাই,তুই এখানে কেন?
বলি আমি এখন ছাএ না।😀
আসছিলাম আমি প‍্রাইভেট পড়তে
এটা বলে দেই কাটিয়ে।
এভাবেই নিজের ধরা নিজেই খাচ্ছি
বুঝতে পারছি না।😕
মা বলে পোলা আমার,গেছে স্কুলে।😱
কখনো কি ভেবে দেখে
পোলা কি আমার সত‍্যিই আছে স্কুলে?😦
এভাবেই দিন যে আমার,
কেটে যায় মজার সুখে।😀
বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আমরা,
উদ্দেশ্য গবেষণা করা।
কিন্তু আমরা সে বিষয়ে,একটুও ভাবিনা😥
দেখতে দেখতে গেল বছর,করলাম না লেখাপড়া
সামনে আমার আসছে এসএসসি,
ভেবে পাচ্ছি না।
ক্লাসে এসে ম‍্যাডাম বলে,পরেছ কে নামাজ
যদি বলি পরিনি ম‍্যাডাম,বলে দাঁড়িয়ে থাক!!!💃💃
একটু পরে ম‍্যাডাম বলে,বসতে দেব সত্তে
পরিস যদি নামাজ,এরপর থেকে
তখন সবাই বলি মিস হবে না
দিলাম কথা আপনাকে
পরের দিন আবার ম‍্যাডামকে বলি
পারিনি রাখতে, আপনাকে দেয়া কথা।
এভাবেই দেখা যায় আমাদের মাঝে
একটি মুনাফিকের লক্ষণ।👥
একদিন শেষে বললেনই স‍্যার ,
কেন করলে এ পাপের কাজ😵
বললাম আমি কি করেছি স‍্যার
বললেন আমায়, স্কুলে আসলে কেন?
এটা তো তোমার পাপের কাজ।😭😭
খারাপ কাজে নই আসক্ত, আসক্ত মোরা ফোনে
কেন কিনিলাম ফোন,📲
হয়ে গেলাম যে এমন
পড়তে বসলে মন বসে না,বলি কিসের এত পড়া
যদিও পড়ি আধা ঘন্টা,এরই মাঝে আবার ভাবি-
কখন শেষ হবে এই পড়া
যখন বের করি Science এর চারটি বই
Confusion এ পড়ে যাই,😴
কোনটা পড়ি আর না পড়ি
এভাবে চলতে চলতে এখন দেখি,
অনেক কাছের-
বন্ধুরাও আর মেশে না আমার সাথে।
যদি এভাবে চলতে থাকে, জানি না
Future এ কি হবে???😭😨😧😵😰
**বাস্তবতা***
লেখক:-ফিরোজ

28/10/2017

রাত ১ টা।
ফেসবুকে লগ আউট করে ঘুমাতে যাচ্ছে তন্ময়।
এমন সময় "মিশু পাগলী " নামক আইডি থেকে মেসেজ - এই ছেলে।
আইডি নাম দেখেই তন্ময়ের চোখ কপালে উঠে গেলো। নিজের নাম নিজেই পাগলী রেখেছে সে না জানি কত বড় পাগল!!
তন্ময় রিপ্লে দিলো - জ্বি বলুন,
- তোমার নাম্বার টা দাও তো,
তন্ময়ের বিস্ময়ের সীমা নেই।এই পাগলীর সাথে তার কোনো পরিচয় নেই।এমন কি এই নামে কোনো পাগলী তার ফ্রেন্ড লিস্ট এ আছে সেটাই ওর জানা ছিল না।আর সেই মেয়ে ফোন নাম্বার চাইছে এটা অবাক হওয়ার মতই ব্যাপার।
তন্ময় লিখলো,কি দরকার? কিছু বলবেন?
- হ্যা,দাও নাম্বার টা। কথা আছে।
- মেসেঞ্জারেই কল দিই?
- না,আমি মোবাইল এ কথা বলবো।
- আমি কি ল্যাপটপ এ কথা বলতে চাইছি? আজিব তো! মেসেঞ্জার এ কল দিচ্ছি।
মেয়েটি রাগের ইমো পাঠিয়ে দিয়ে বলল,বেশি কথা বলবা তো মোবাইল দিয়ে ঢিল মেরে মাথা ফাটাবো তোমার।
তন্ময়ের বিরক্ত লাগছে।দারুণ পাগলের পাল্লায় পড়া গেলো তো! এ কেমন কথা!
মেয়েটি বিরতিহীন ভাবে মেসেজ দিচ্ছে।মোবাইল নাম্বার না দিলে সে কি করতে পারে সে ধরনের হাস্যকর কিছু হুমকি।
তন্ময় বাধ্য হয়ে নিজের মোবাইল নাম্বার দিয়ে ডাটা অফ করে বেড়িয়ে আসলো।
কয়েক মিনিট হয়ে গেলো তন্ময় চুপচাপ শুয়ে আছে।আর ভাবছে,হঠাত ই নাম্বার টা দিয়ে দিলাম। সে কাকে নাম্বার দিবে কে জানে!
ভাবনা শেষ না হতেই কল আসলো। তন্ময় রিসিভ করে বলল,হ্যালো।
পরমুহুর্তেই ওপাশ থেকে প্রাণখোলা হাসির শব্দ।তন্ময়ের এবার মনে হচ্ছে সে নির্ঘাত পেত্নীর পাল্লায় পড়েছে। পেত্নী ভর করেছে তার উপর।
মেয়েটি তিন মিনিট ধরে হাসল।তারপর বলল,এই তন্ময়।
- জ্বি
- রাত্রে খাইছো?
- জ্বি,
- দাত ব্রাশ করেছো?
- জ্বি,
- শুয়ে পরেছো?
- জ্বি,
মেয়েটি আবারো ভুতুরে হাসি শুরু করলো। আবারো মিনিট তিনেক হাসল।তারপর বলল,জ্বি ছাড়া আর কিছু জানো না?
- জ্বি,
- আবারো জ্বি?
- জ্বি,
- উফফ তন্ময়, তুমি এমন করোনা।কথা বলো।
- বলছি ই তো।
- শুধু তো জ্বি জ্বি করছো।ঘুম পেয়েছে?
- না,
- বাথরুম পেয়েছে?
- না,
- ক্ষুধা লেগেছে?
- না,
- এইবার না না শুরু করলা?
বলেই আবারো অট্টহাসি শুরু করলো।
তন্ময় ও এবার হেসে উঠল। প্রথম প্রথম পেত্নীর হাসি মনে হলেও এখন শুনতে বেশ ভালো লাগছে।
তন্ময় বলল,রাত দেড় টা। ঘুমাবো আমি।আপনি আরো কিছু বলবেন?
মেয়েটি আবেগ ভরা কণ্ঠে বলল,তুমি ঘুমাবা?
- হ্যা,
- এখুনি?
- হ্যা,
- এইবার হ্যা হ্যা শুরু করলা?
- হ্যা।আমি ঘুমাবো।আপনি ফোন রাখুন।
- ফোন রাখতে বলবা না।আমি আরো কথা বলবো।
- আমি যদি না বলি?
- বলতেই হবে।কল কাটবা না একদম।
- কি আশ্চর্য! আমি ফোন রাখলাম।
মেয়েটি কণ্ঠে আরো আবেগ ঢেলে বলল,তাহলে কিন্তু আমি খুব কাঁদবো। অনেক্ষন কাঁদবো।
তন্ময় অবাক হয়ে বলল,আহারে! আমার গার্ল ফ্রেন্ড ও কখনো এভাবে বলে নাই।
মেয়েটির আবারো হাসির শব্দ শোনা গেলো। তন্ময় ভাবল আবারো বুঝি তিন মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।কিন্তু এবার আর তিন মিনিট সময় লাগলো না।মেয়েটি তাড়াতাড়ি হাসি থামিয়ে বলল,তোমার গার্ল ফ্রেন্ড কি বেশি বয়স্ক?
- উহু আমার গার্ল ফ্রেন্ড নাই,
- তাহলে যে বললা?
- ওটা ঢপ মারলাম।
মেয়েটি আবারো শুরু করল অট্টহাসি।
তন্ময় হেসে বলল,আচ্ছা এক টা প্রশ্ন করি?
- না
- কেন?
- শুধু একটা প্রশ্ন শুনবো না।অনেক গুলা প্রশ্ন করো।
- ওকে।তুমি আসলে কে? মানুষ, পরি নাকি ভুত পেত্নী?
- হা হা হা।আমি হচ্ছি মিশু।
- মিশু আবার কি?
- মিশু হচ্ছে হোমোস্যাপিয়েনস।
বলেই আবারো হাসতে শুরু করল।তন্ময় ভাবল,নিশ্চয় ই মেয়েটির মাথায় সমস্যা আছে।
- তন্ময়,
- হ্যা,
- তুমি বিরক্ত হচ্ছো?
- জানিনা।বুঝতে পারছি না।
- তারমানে বিরক্ত হচ্ছো।আমি কাউকে বিরক্ত করতে চাইনা।সরি তন্ময়। খুব খুব সরি।আমি রাখছি,তুমি ঘুমাও।
তন্ময়কে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই মিশু কল কেটে দিলো।তন্ময় ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলো। এটা কি হলো তার সাথে! কোনো স্বপ্ন?
নাহ,স্বপ্ন নয়।ডায়ালে তার নাম্বার।কিন্তু এরকম টা তো কেবল স্বপ্নেই হওয়া সম্ভব। আমার পরিচিত কেউ দুষ্টুমি করছে না তো?
কণ্ঠ টা অচেনা।পরিচিত কেউ নয়।তাছাড়া কথায় কোনো আঞ্চলিকতার টান নেই,একদম প্রমিত বাংলা ভাষায় কথা বলে মেয়েটা।
অনেক্ষন নাম্বার টার দিকে তাকিয়ে রইলো তন্ময়।তারপর ঘুমিয়ে পড়ল।
সকাল সাত টায় রিংটোনের শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো। নাম্বার না দেখেই কল রিসিভ করে তন্ময় বলল,হ্যালো
- good morning.
আবার সেই কোকিল কণ্ঠী!
তন্ময়ের ঘুমের ঘোর কেটে গেলো।
বলল,আপনি আবার কল দিয়েছেন!
- আমি কি বলেছি শুধু একবার কল দিবো?
- কিন্তু আপনার পরিচয়?
- বলেছি তো, আমি মিশু।এর চেয়ে বড় পরিচয় আর কি হতে পারে?
- আপনার বাসা কোথায়?
- ইস আমার বুঝি বাসা আছে? আমিতো আব্বুর বাসায় থাকি।
- সেটা কোথায়?
- বাংলাদেশে।
- কোন জেলা?
- পরে বলবো। তুমি ওঠো তো, অনেক বেলা হয়েছে।স্কুলে যাও।ইস ভুল হয়ে গেলো। তুমি তো কলেজে পড়। আচ্ছা তুমি কোন ক্লাসে পড়?
- অনার্স ফাইনাল ইয়ার।
- হা হা হা।এটা বুঝি কোনো ক্লাস হলো?
- কি!
- বলবা আমি অলওয়েজ ফাস্ট ক্লাস।
তন্ময় কি বলবে ভাবছে।মিশু বলল,তোমার ঘুম ঘুম কণ্ঠ টা খুব সুন্দর! একেবারে কিটক্যাট চকোলেটের মত।
- কণ্ঠ কি চকোলেটের মত হয়?
- তাহলে মৌমাছির মত।
- what! মৌমাছির কণ্ঠ আবার কেমন?
- মধুর মত।
- আশ্চর্য!
- তুমি জন্মের পর মধু দিছিলো মুখে তাই না?
- সেটা কি আমি জানি?
- কেন? তোমার মনে নেই?
- না,
- তুমি বডড মনভোলা।এত তাড়াতাড়ি কেউ এতকিছু ভুলে যায়?
- হায় আল্লাহ! এটা কেমন কথা! জন্মের পর কারো মুখে মধু দিয়েছিল কিনা এটা কি কেউ বলতে পারবে?
মিশু বলল,রেগে যাচ্ছো? তুমি কি বিরক্ত হচ্ছো তন্ময়? ওকে তাহলে আর বিরক্ত করবো না।আমি চাইনা আমার জন্য কেউ বিরক্ত হোক।রাখছি।
বলেই আবারো কল কেটে দিলো।
তন্ময় হতভম্ব! মেয়েটি এভাবে কল কেটে দেয় কেন? দুইবার ই একই কথা বলে ফোন রাখলো।সুপার সেনসিটিভ মেয়ে সেটা তো বুঝাই যাচ্ছে।কিন্তু খুব অদ্ভুত!
সারাদিন নানান কাজের মধ্যে দিয়ে কেটে গেলো। তন্ময়ের একবার ও মনে হয়নি মিশুর কথা।
রাত্রিবেলা ডিনারের পর বিছানায় শুতে গিয়ে হঠাত মনে পড়ল।
তন্ময় ভাবছে,এই পাগলী টা যে কে! তবে যেই হোক,পাগলামি ভরা কথা গুলা শুনতে ভালো ই লেগেছে।একবার কল দিবো কি?
ভাবতে ভাবতে ডায়ালে গিয়ে নাম্বার টা বের করলো তন্ময়।কিন্ত তখন ই মনে পড়ল, অচেনা একজন মেয়েকে কল দেয়ার কি দরকার? তারউপর মেয়েটার মাথায় হয়ত সমস্যা আছে।
এসব ভেবে আর কল দিলো না।
ফেসবুকে ঢুকে দেখলো মিশু পাগলী আইডি ৮ ঘণ্টা আগে একটিভ ছিলো।মেসেজ দিতে গিয়েও কি দরকার বলে আর দিলো না।
রাত ১২ টা।
আজ তন্ময়ের খুব ঘুম পাচ্ছিল বলে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছে।
রিংটোনের শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো।
সেই নাম্বার টি দেখে তন্ময়ের রাগ হচ্ছে ভীষণ।তার ঘুম ভাঙিয়ে দিলো।
তন্ময় রিসিভ করেই বলল,এত রাতে কি?
- দিনে হয়ত তুমি বিজি থাকবা তাই বিরক্ত করিনি।আমি কাউকে বিরক্ত করিনা।
কথা টা শুনে তন্ময়ের রাগ কমে গেলো।
বলল,ঘুমাচ্ছিলাম।
- আমার না রাত্রে তিন টার আগে ঘুম আসেনা।
- সে জন্য আমাকে ও জাগিয়ে দিলা?
- হ্যা।আমার তো কথা বলার মত কেউ নেই।তাই তোমাকেই দিলাম।তুমি এখুনি ঘুমাইও না প্লিজ।আমার খুব কষ্ট হয় একা জেগে থাকতে।
তন্ময়ের অনেক মায়া লাগলো কথা টা শুনে।কিভাবে যেন বলল,তন্ময়ের মনে সহানুভূতি জাগছে।
মিশু বলল,আসো গল্প করি।
- হুম করো।
- জানো তন্ময়, আমি খুব পচা।
- কেনো?
- আমি আব্বু আম্মুর কথা শুনিনা।
- কেন শুনো না?
- আমার শুনতে ইচ্ছে করেনা।
- ওহ।
- আমার না খুব ইচ্ছে আমি একদিন বাঘ পুষবো।
- কিহ!
- বাঘ পুষবো। কিন্তু আব্বু বলেছে বাঘ নিয়ে এলে সে আমাকে খেয়ে ফেলবে।তাই বাঘ নিয়ে আসা যাবে না।সে জন্য আমি আজ আব্বুর কথা শুনিনি।ভাত ও খাইনি,ওষুধ ও খাইনি।
- খাওয়া উচিৎ ছিল।
- আমাকে বাঘ এনে দিবে না কেন?
- তুমি কি পাগল?
- তন্ময় তুমি ও আমাকে পাগল বলছ? বুঝেছি তুমি বিরক্ত হচ্ছো।আচ্ছা আর কল দিবো না।রাখছি।
তন্ময় চেঁচিয়ে উঠল , এই রেখো না রেখো না।কিন্তু মিশু তার আগেই কল কেটে দিয়েছে।
তন্ময় নিজেই কল দিলো মিশুর নাম্বারে।কিন্তু ফোন বন্ধ!
রাত তিন টা পর্যন্ত কয়েকবার চেষ্টা করল,নাম্বার বন্ধ!
পরদিন সকালে ঘুম ভাঙার পর তন্ময় কল দিয়ে দেখল এখনো বন্ধ।
বাইরে চলে যাওয়ার পর আর মিশুর কথা মনে ছিল না।বিকেলে একবার মনে হলে কল দিয়ে কল দিয়ে দেখল এখনো বন্ধ!
তন্ময় রেগে গিয়ে নিজেই নিজেকে বলল,আমি ওকে এতবার কল দিচ্ছি কেন? ও তো আমার কেউ না।আর কল দিবো না কখনো।পাগলী টা কল দিলেও রিসিভ করবো না।
তন্ময় মিশুর প্রতি রেগেই আছে।কিন্তু মনে মনে চাইছে মিশু একবার কল দিক।
রাত বার টায় আবারো কল মিশুর নাম্বার থেকে।
তন্ময় প্রথম বার রিসিভ করল না।
পরের বার রিসিভ করার পর বলল,হ্যালো।
- তন্ময় খুব মশা কামড়াচ্ছে।
সারাদিন পর হঠাত কল দিয়ে কেউ এভাবে মশা কামড়ানোর কথা বলবে এটা হাস্যকর!
তন্ময় বলল,কেন?
- আজ মশারি টাঙাই নি।
- কেন?
- আজ আম্মুর উপ্রে রাগ করছি।
- আজ কি হাতি পুষতে চেয়েছিলা আর আম্মু নিষেধ করছে?
মিশু অট্টহাসি শুরু করে দিলো। প্রথম দিনের মত তিন মিনিট ধরে হাসল।
তন্ময়ের মন ভালো হয়ে যাচ্ছে হাসির শব্দে!
মিশু বলল,আমি আম্মুকে বলেছিলাম আজ তেলাপোকার সুপ বানাতে।আম্মু বানায় নি।
- কিহ!
- তেলাপোকার সুপ।
- তুমি খাও?
- না,আমি পাশের বাড়িতে কাজের লোক জরিনাকে দিয়ে দিতাম।জরিনা তার বাড়ি তে দুই টা মুরগি পুষে। মুরগিরা সুপ থেকে টুক টুক করে তেলাপোকা তুলে তুলে খেতো।খুব মজা হত দেখতে।
- হা হা হা।ভারি মজার সব কথা বলো তুমি!
মিশু বলল,এই তুমি আমাকে তেলাপোকার সুপ রেধে এনে দিবা?
- হুম।কিন্তু তোমার বাসা কোথায় তা তো জানিনা।
- জানো না? বলিনি?
- না তো।
- আমার বাসা হচ্ছে পিরগাছা থানায়।
- থানায় গিয়ে কি বলবো?
- বলবা দারোগা মিশুর বাড়ি কোনটা?
বলেই মিশু হো হো করে হেসে উঠল। তন্ময়ের খুব মজা লাগলো শুনতে।
হেসে বলল,তুমি দারোগা?
- না,আমি চৌকিদার।
বলেই আবারো তিন মিনিট ধরে হাসি।
তন্ময় মুগ্ধ হয়ে শুনছে সেই হাসির শব্দ!
মিশু বলল,বাজারে এসে কাউকে জিজ্ঞেস করবা কনফেকশনারীতে যাবো। তাহলেই আমাদের বাসায় নিয়ে আসবে।আমাদের এলাকায় একটাই মাত্র কনফেকশনারী।সেটা আমাদের আর ফ্যাক্টরির সাথেই আমাদের বাসা।
- তোমাদের ফ্যাক্টরি আছে? বিস্কুট ফ্যাক্টরি?
- শুধু বিস্কুট নয়,সবই আছে।
- বাহ!
- হ্যা,আমি তো সারাদিন কুটুর মুটুরমুটুর করে খাই।
তন্ময় হেসে বলল,তবে আমি যাবো তোমাদের বাসায়।কিন্তু তুমি সত্যি ঠিকানা দিলে তো?
- মিশু মিথ্যে বলেনা।তুমি তেলাপোকার সুপ রেধে নিয়ে আসবা।আর তুমি বাড়ি যাওয়ার সময় ব্যাগ ভর্তি করে কেক বিস্কুট দিয়ে দিবো।
- আচ্ছা।সত্যিই যাবো কিন্তু।
- আচ্ছা।কেউ কি মিথ্যে মিথ্যে আসতে পারে?
রাত তিন টা পর্যন্ত চলল কথা।
এভাবে পরদিন ও রাত তিন টা পর্যন্ত কথা চলল।
মিশু ঠিক রাত ১২ টায় কল দেয় আর তিন টায় কেটে দেয়।প্রতিবারই কেটে দেয়ার সময় বলে,বিরক্ত হচ্ছো তাই না? সরি আর বিরক্ত করবো না।মিশু কাউকে বিরক্ত করেনা।রাখছি।
এক টানা দুই সপ্তাহ কথা হলো।শেষের দিন গুলোতে মিশু প্রায় সারারাত জেগে থাকতে অনুরোধ করত তন্ময়কে।মিশুর নাকি আজকাল একদম ই ঘুম আসেনা।
তন্ময় বুঝতে পেরেছে মেয়েটা একটু পাগলী। কিন্তু তবুও ভালো লাগে কথা বলতে।অন্য এক জগতে চলে যায় সে।
পনের দিন পর হঠাত ই মিশুর আচরণ বদলে যেতে শুরু করলো।মিশু আর আগের মত তিন মিনিট ধরে হাসেনা।কথা বলে কম,গম্ভীর হয়ে থাকে।কিছু জিজ্ঞেস করলেও উত্তর দেয়না।আবার কখনো নিজেই কারন ছারাই হাসতে শুরু করে।হাসির শব্দ টা শুনতে ভয় লাগে তন্ময়ের।তখন তন্ময় কেটে দেয়।
একুশ দিন হওয়ার পর হঠাত ই মিশুর কল আসা বন্ধ হয়ে যায়।আর রাত ১২ টায় কেউ কল দেয়না।তন্ময় দুদিন ধরে অপেক্ষা করল, নিজেই হাজার বার কল দিলো কিন্তু নাম্বার বন্ধ!
এভাবে চারদিন হয়ে গেলো।মিশুর নাম্বার বন্ধ! তন্ময়ের খাওয়া দাওয়া ও বন্ধ হয়ে গেল।পাগলী টার প্রতি সে আসক্ত হয়ে পড়েছে। কিছুতেই আর ভালো থাকা যাচ্ছে না।
তন্ময় সিদ্ধান্ত নিলো,মিশুর বাসায় যাবে।মিশু যে ঠিকানা দিয়েছে সে অনুযায়ী গিয়ে খুঁজে দেখবে।
পীরগঞ্জ নামক জায়গায় গিয়ে অনেক খুঁজে ও মিশুদের ফ্যাক্টরি বের করতে পারলো না।
হতাশ হয়ে ফিরে আসলো বাসায়।
পরপর পনেরদিন কেটে গেলো। মিশুর সাথে যত কথা হয়েছে, প্রতি টা কথার ই কল রেকর্ড আছে তন্ময়ের ফোনে।সারাক্ষণ সেসব ই শুনার ফলে তন্ময়ের মাথায় সবসময় ই মিশুর কণ্ঠস্বর বাজতে থাকো।
বিছানায় শুয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে সারাক্ষণ মিশুর সাথে কথা বলার সেই রেকর্ড গুলোই শুনতে লাগলো তন্ময়।
ধীরে ধীরে নিজেও যেন পাগল হয়ে যাচ্ছে।মিশু তাকে মিথ্যা ঠিকানা দিয়েছিলো।অনেক খুঁজে ও সেখানে তাদের বাসা পাওয়া যায়নি।
মেয়েটার বয়স কত তাও জানেনা তন্ময়,মেয়েটা পড়াশুনা করে কিনা তাও বলেনি।ওর কোনো ছবিও দেখেনি তন্ময়। তবুও কিভাবে শুধুমাত্র কথা বলেই এত টা ভালোবাসা জন্মাল তার প্রতি তন্ময় বুঝতে পারেনা।
অনেকদিন হয়ে গেল তন্ময়ের জ্বর। সারাক্ষণ মিশুর কণ্ঠ শুনে সে।তন্ময়ের বাবা মা সব শুনে ভেবেছিলেন ছেলের মাথায় জ্বীন পরি ভর করেছে।কিন্তু মিশুর কল রেকর্ড তারাও নিজ কানে শুনার পর আর কিছু বলতে সাহস করেনি।তন্ময়ের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
তাদের এত স্বপ্ন ছেলে টাকে নিয়ে,সে কিনা সামান্য একটা মেয়ের জন্য বিছানায় পড়ে আছে।যাকে সে নিজ চোখে দেখেও নি।
তন্ময় নিজেও বুঝতে পারছে না কিভাবে পাগলী মেয়েটার জীবনের সাথে সে জড়িয়ে গেলো।
মাস খানেক পর মিশুর চিন্তা টা তন্ময়ের মাথা থেকে অনেক টাই চলে গেছে।
রাত্রিবেলা তন্ময় অনেক মেয়েদের সাথে চ্যাটিং করে,মায়ের সাথে গল্প করে ঘুমিয়ে পড়ে।মিশুকে প্রায় ভুলেই গেলো।
একদিন হঠাত মিশুর কথা মনে পড়তে ই তন্ময় সেই রেকর্ডস বের করে হেডফোন কানে দিয়ে শুনতে লাগলো।
শুনতে শুনতে হঠাত একটা শব্দ শুনে তন্ময় চমকে উঠল। মিশু বলেছিল পীরগাছা থানা।আর সে গিয়েছিল পীরগঞ্জ।তারমানে ভুল টা তন্ময়ের ই।একবার পীরগাছায় গিয়ে খুঁজে দেখা যেতে পারে।
ভাবামাত্রই তন্ময়ের শরীর শিউরে উঠল। যদিও এই কয়েকদিনের চেষ্টায় মিশুকে সে অনেক টাই ভুলে গেছে,তবুও অন্যরকম এক আশার আলোয় মন টা ভরে উঠল, আর ভালো লাগতে শুরু করলো।
পরদিন সকালে উঠেই তন্ময় বেড়িয়ে পড়ল।
মিশুর কথামত সেই ফ্যাক্টরিতে এসে জিজ্ঞেস করামাত্রই একজন লোক বললেন, আমি মিশুর বাবা।
তন্ময়ের চোখে পানি এসে গেলো। তারমানে মিশুকে পাওয়া গেছে!
তন্ময় কথা বলতে পারছে না।কেমন যেন স্তব্ধ হয়ে গেছে।
মিশুর বাবা বললেন, তুমি কিভাবে চেনো মিশুকে? ও কি প্রতিরাতে তোমার সাথেই কথা বলতো?
- হ্যা।
- আসো আমাদের বাসায়।
বাসায় নিয়ে এসে তিনি তন্ময়কে মিশুর রুমে নিয়ে আসলেন।
তন্ময় এসে দেখলো একটি মেয়ে খুব যত্ন সহকারে গিটার বাজাচ্ছে।
এটা ই মিশু পাগলী!
মিশু চোখ তুলে তাকালেও কোনো ভাবান্তর ঘটল না।
ওর মায়াবী চেহারা দেখে তন্ময় মুগ্ধ! খুব মিষ্টি দেখতে তার মিশু পাগলী টা!
কিন্তু ওর কোনো ভাবান্তর নেই কেনো?
মিশুর বাবা তন্ময়কে সব খুলে বললেন। কয়েক মাস ধরেই মিশুর আচরনে অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায়।ছোটবেলা থেকেই ওর মানসিক সমস্যা ছিল।একা একা কথা বলতো। ডাক্তার বলেছিলেন ওকে কথা বলতে দিন।
কিন্তু কয়েক মাস ধরে খুবই অস্বাভাবিক আচরণ করছিল মিশু।তারপর পরীক্ষা করে জানা গেছে ওর ব্রেইন ডিফেক্ট আছে।দুই মাস ধরে মিশু একেবারেই বেশি অসুস্থ।তাই ওর কাছ থেকে ফোন সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তন্ময়ের চোখে পানি এসে গেছে।ও বলল,আমাকে চিনতে পারবে না?
- পারবে।সবাইকে চিনতে পারে।কিন্তু কিছু সময় ভালো থাক্লেও অধিকাংশ সময় অস্বাভাবিক আচরণ করে।ভালো হতে সময় লাগবে।মিশু নিজের মতই চলছে।মাঝেমাঝে আমাকে বলে আব্বু তন্ময়ের সাথে কথা বলবো। কিন্তু তোমার নাম্বার টা আমরা খুঁজে পাইনি।আর ফেসবুক আইডি নাম ও মিশু ভুলে গেছে।
মিশুর বাবা তন্ময় কে নিয়ে এসে বসার ঘরে বসলেন।
তন্ময় বলল,আমি ওকে খুব ভালবাসি।ওকে আমি বিয়ে করে আমার কাছে রাখবো।
বাবা অবাক হয়ে বললেন, তুমি ঠিক আছো তো?
- হ্যা।ও আমার কাছে থাকলে সুস্থ হয়ে যাবে।আপনি আমার বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে পারেন।
- আমার পাগলী মেয়েটাকে তুমি বিয়ে করতে চাচ্ছো এতেই অবাক হচ্ছি।
- ওকে বিয়ে না করলে দেশে আরেকটা পাগলের সংখ্যা বেড়ে যাবে।আমি নিজেই পাগল হয়ে যাচ্ছি।
মিশু গিটার বাজানো শেষ করে এসে বলল,উনি কে বাবা?
তন্ময় বলল,আমি তন্ময়।
মিশু অনেক্ষন চেষ্টা করল মনে করার।তারপর বলল,তুমি সত্যিই এসেছ! তেলাপোকার সুপ কই? জানো আব্বুকে কত বলেছি একবার কল দিতে।আব্বু দেয়নি।তাই আব্বু টার কথাও আমি শুনিনা।
তন্ময় উঠে এসে বলল,ভেবেছিলাম আমাকে চিনতে পারবা না।
- ইস,মিশুর মেমোরি খুব strong হুম।
তন্ময় হাসল।
এরপর পাগলী টার সাথে তন্ময়ের বিয়ে টা ভালোভাবেই হলো।মিশু কখনো হাসছে আবার কখনো গম্ভীর হয়ে বসে থাকছে।
তন্ময় সারাক্ষণ মিশুর পাশেই থাকে।তন্ময় যখন পড়তে বসে,মিশু অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।নিজেও পড়তে চায়।
ধীরে ধীরে মিশু অনেক টাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
তন্ময় সারাক্ষণ আগলে রাখে মিশু পাগলী টাকে!
সমাপ্ত ।

20/10/2017

*লক্ষ্মীপুর স্কুল এন্ড কলেজ*
ফিরোজ
গাইবান্ধা জেলায় আছে এক বিদ‍্যালয়
১৩ কি:মি উওরে.....
লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে অবস্থিত যা
পাকা রাস্তা সংলগ্নে
আছে সেখানে অনেক শিক্ষার্থী
অন‍্যান‍্য বিদ‍্যালয়ের তুলনায়।

আছে সেখানে কয়েকটি ভবন,
বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সেখানে -
করেছে যে ধারণ।
একটি অফিস, একটি গ‍্যারেজ
জ্ঞান বিকাশে, বিশাল পাঠাগার....
দায়িত্বে আছেন আমাদের
শ্রদ্ধেয় শফিকুল করিম (নাজমুল) স‍্যার।

আরও আছে বিজ্ঞানাগার---
রয়েছে দুটি ল‍্যাব....
ছাত্র মোরা সেখানে গিয়ে,করি...
তথ্যপ্রযুক্তির ক্লাস।

ল‍্যাবটি অনেক সাজানো, গোছানো
লাগানো প্রজেক্টর
তথ্যপ্রযুক্তির আবিষ্কার (প্রজেক্টর) ছোট জিনিসকে,
করে দিয়েছেন বিশালাকার।

আরও আছে নিজস্ব মাঠ,বিদ‍্যালয়.. প্রাঙ্গণ
শহীদ স্মরণে রয়েছে প্রঙ্গনে-
তাদের স্মৃতি মিনার।

আছেন এক প্রধান শিক্ষক
অধ‍্যক্ষ আব্দুল মতিন
এছাড়াও আছেন সহকারী প্রধান,
এ,কে,এম তৈয়ব আলী।

আরও আছেন অনেক শিক্ষক
তারা দেয় পাঠদান,
শিক্ষার্থীদের কাছে তারা
দেবতুল‍্য মর্যাদাবান।

বিদ‍্যালয়ের ভিতর যদি,কেউ করে অপরাধ
কখনো তাদের দেয় না ছেড়ে
সে যেই হোক, এখন আর।

জেএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট আমাদের
শত ভাগ পাস
৫৫ জন A+ আমরা-
করেছিলাম অর্জন।
এরই মাঝে ৪জন আবার,
পেয়েছিলাম বৃত্তিও
এসব দেখে সকল শিক্ষক-
আমাদের নিয়ে আশাবাদী।

জানি না তা পারবো কিনা
করতে,তাদের পূরণ আশা
এখন শুধু এটাই বলি-
চেষ্টা তো করতেছি।

এখন আমরা নবম শ্রেণীর,
ছাত্র বিজ্ঞান শাখার
এভাবেই বিদ‍্যালয়ে চলতেছে----
মোদের স্কুলে ছাএজীবন।

*আমার জীবনে দেখা দ্বিতীয় কবিতা*
লেখক:- ফিরোজ

04/10/2017

নবী(সঃ) কেমন স্বামী ছিলেন?
স্ত্রীর প্রতি নবী(সঃ) এর প্রেম কেমন ছিল?
খুব পছন্দের ১০ টা হাদিস জানুন!
যখনই হাদিস গুলো জানবেন কল্পনায় সেই দুই জনকে দেখতে পাবেন!
💜তাঁদের দুই জনের ভালোবাসা অতুলনীয়
💜কতটা ভালোবাসা....! নিয়ে একই যায়গা থেকে পানি পান করেন,ঝুটা হাড্ডি চিবিয়ে নেন,মিসওয়াক চিবিয়ে দেন!
----------------------------*
নবীজীরর মৃত্যুর সময়ের ঘটনা যখন আয়িশা (রাঃ) বর্ননা করছিলেন,চোখে পানি ধরে রাখা যায় না। খুব কম বয়সে উনি উনার স্বামীকে হারিয়েছেন,উনি প্রতিটা মুহুর্ত কতটা মিস করতেন নবীজী কে? নবীজীরর অন্তিম মুহুর্তের কথা ভেবে উনার খুব কান্না আসত না?
💜 নবীজী কত টা ভালবাসতেন আয়িশা(রাঃ)কে ভরা মজলিসে যখন জিগেস করা হল উনার সবচেয়ে প্রিয় ব্যাক্তি কে? উনি বললেন আয়িশা !!!
এই হাদিসের দারসের দিন ম্যাম খুব হেসে বলছিলেন আজকাল কার জামাইরা তো মারাত্মক আয়েব আর কাপুরুষতা মনে করে এই কথা কাউকে বলতে যে আমি আমার বউ কে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি !!! অথচ এই শ্রেষ্ঠ মানব একটুও আয়েব মনে করেন নি, উনাদের ভালোবাসা প্রত্যেক স্বামী স্ত্রীর জন্য শিক্ষণীয় ও আদর্শ!
১💜‘আম্‌র ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) বর্ননা করেছেন, তিনি বলেন, আমি নবী (সা) নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, মানুষের মধ্যে কে আপনার নিকট সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন, ‘আয়িশাহ্! আমি বললাম, পুরুষদের মধ্যে কে? তিনি বললেন, তাঁর পিতা (আবূ বাক্‌র)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, অতঃপর কোন লোকটি? তিনি বললেন, ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব অতঃপর আরো কয়েকজনের নাম করলেন।
(সহিহ বুখারী-৩৬৬২)
২💜‘আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
তিনি বলেনঃ নবী (সা) আমার কোলে হেলান দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। (সহিহ বুখারী-২৯৭)
৩💜'আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
তিনি বলেনঃ আমি ও নবী (সা) একই পাত্র হতে গোসল করতাম।সেই পাত্রকে ফারাক বলা হতো।(সহিহ বুখারী: ২৫০)
৪💜‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
রসূলূল্লাহ্ (স) যখন ই’তিকাফ করতেন তখন আমার দিকে তাঁর মাথা ঝুঁকিয়ে দিতেন। আমি তা আঁচড়ে দিতাম।(সহিহ মুসলিম-৫৭১)
৫💜‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
তিনি বলেন, আমি ঋতুবতী অবস্থায় পানি পান করতাম এবং পরে নবী (স) কে অবশিষ্টটুকু প্রদান করলে আমি যেখানে মুখ লাগিয়ে পান করতাম তিনিও পাত্রের সে স্থানে মুখ লাগিয়ে পান করতেন। আবার আমি ঋতুবতী অবস্থায় হাড় খেয়ে তা নবী (সা) কে দিলে আমি যেখানে মুখ লাগিয়েছিলাম তিনি সেখানে মুখ লাগিয়ে খেতেন। (সহিহ মুসলিম- ৫৭৯)
৬💜আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (স) -এর সামনেই আমি পুতুল বানিয়ে খেলতাম। আমার বান্ধবীরাও আমার সাথে খেলা করত। রসূলুল্লাহ (স) ঘরে প্রবেশ করলে তারা দৌড়ে পালাত। তখন তিনি তাদের ডেকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতেন এবং তারা আমার সঙ্গে খেলত। (সহিহ বুখারী- ৬১৩০)
৭💜‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
তিনি এক সফরে নবী (স) এর সাথে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে তাঁর আগে চলে গেলাম। অতঃপর আমি মোটা হয়ে যাওয়ার পর তাঁর সাথে আবারো দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম, এবার তিনি আমাকে পিছে ফেলে দিলেন বিজয়ী হলেন। তিনি বলেনঃ এই বিজয় সেই বিজয়ের বদলা। (সুনানে আবু দাউদ- ২৫৭৮)
৮💜‘আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
নবী (স) আমাকে আড়াল করে দাঁড়িয়ে ছিলেন আর আমি হাবশীদের খেলা দেখছিলাম। মসজিদের কাছে তারা যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে খেলা করছিল।(সহিহ বুখারী- ৩৫৩০)
৯💜'আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (স) মিসওয়াক করে তা ধোয়ার জন্য আমাকে দিতেন। আমি নিজে প্রথমে তা দিয়ে মিসওয়াক করতাম, অতঃপর সেটা ধুয়ে তাঁকে দিতাম। (সুনানে আবু দাউদ- ৫২)
১০💜'আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন
মৃত্যু রোগকালীন অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সা) জিজ্ঞেস করতেন, আমি আগামীকাল কার ঘরে থাকব। আগামীকাল কার ঘরে? এর দ্বারা তিনি 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরের পালার ইচ্ছা পোষণ করতেন। সহধর্মিণীগণ নবী (স)-কে যার ঘরে ইচ্ছা অবস্থান করার অনুমতি দিলেন। তখন নবী করীম (স) 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। এমনকি তাঁর ঘরেই তিনি ইন্তিকাল করেন। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী (স) আমার জন্য নির্ধারিত পালার দিন আমার ঘরে ইন্তিকাল করেন এবং আল্লাহ তাঁর রূহ কবজ করেন এ অবস্থায় যে, তাঁর মাথা আমার গণ্ড ও সীনার মধ্যে ছিল এবং আমার থুথু (তাঁর থুথুর সঙ্গে) মিশ্রিত হয়ে যায়। তারপর তিনি বলেন, 'এ সময় 'আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট প্রবেশ করে এবং তার হাতে মিসওয়াক ছিল। আর আমি রসূলুল্লাহ (স)-কে (আমার বুকে) হেলান অবস্থায় রেখেছিলাম। আমি লক্ষ্য করলাম যে, তিনি 'আবদুর রহমানের দিকে তাকাচ্ছেন। আমি বুঝলাম যে, নবী (স) মিসওয়াক চাচ্ছেন। আমি তখন জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আপনার জন্য মিসওয়াক নিব? তিনি মাথা নাড়িয়ে জানালেন যে, হ্যাঁ। তখন আমি মিসওয়াকটি নিলাম। কিন্তু মিসওয়াক ছিল তার জন্য শক্ত, তাই আমি জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি এটি আপনার জন্য নরম করে দিব? তখন তিনি মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বললেন। তখন আমি তা চিবিয়ে নরম করে দিলাম। এরপর তিনি ভালভাবে মিসওয়াক করলেন। তাঁর সম্মুখে পাত্র অথবা পেয়ালা ছিল (রাবী 'উমারের সন্দেহ) তাতে পানি ছিল। নবী (স) স্বীয় হস্তদ্বয় পানির মধ্যে প্রবেশ করিয়ে তার দ্বারা তাঁর চেহারা মুছতে লাগলেন। তিনি বলছিলেন…….-আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই, সত্যিই মৃত্যু-যন্ত্রণা কঠিন। তারপর দু'হাত উপরের দিকে উঠিয়ে বলছিলেন, আমি উচ্চে সমাসীন বন্ধুর সঙ্গে (মিলিত হতে চাই)। এ অবস্থায় তাঁর ইন্তিকাল হল আর হাত শিথিল হয়ে গেল। (সহিহ বুখারী- ৪৪৪৯)।
By ©

Address

D. B. Road Gaibandha
Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FK Firoj Kobir,Lakshmipur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category