অসমাপ্ত ডায়েরি

অসমাপ্ত  ডায়েরি যাঁরা আল্লাহ কে ভালোবাসেন তারা উপরে ক?

🕯️ নীল দরজার বাড়িশহরের একেবারে শেষ প্রান্তে একটা পুরোনো বাড়ি ছিল। বাড়িটার দরজা ছিল অদ্ভুত নীল রঙের। আশেপাশের সবাই বলত...
29/08/2026

🕯️ নীল দরজার বাড়ি
শহরের একেবারে শেষ প্রান্তে একটা পুরোনো বাড়ি ছিল। বাড়িটার দরজা ছিল অদ্ভুত নীল রঙের। আশেপাশের সবাই বলত, রাত ৩টার পর ওই দরজা কখনো খোলা যাবে না।

কিন্তু ১৭ বছরের রাফি এসব গল্পে বিশ্বাস করত না।

এক রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। রাফি ভুল করে সেই বাড়িটার সামনে এসে পড়ল। তার ফোনে কোনো নেটওয়ার্ক নেই, চারপাশে বিদ্যুৎ নেই। হঠাৎ—

ঠক... ঠক... ঠক...

বাড়ির ভেতর থেকে দরজায় কেউ ধাক্কা দিল।

রাফি পিছিয়ে গেল।

তারপর ভেতর থেকে একটা মেয়ের কণ্ঠ—

— “রাফি... দরজাটা খোলো।”

রাফি জমে গেল।

কারণ সে কাউকে নিজের নাম বলেনি।

সে দৌড়ে পালাতে চাইল। কিন্তু রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটা পুরোনো ঘড়ির দিকে চোখ পড়তেই দেখল—

৩:০০ AM।

ঠিক তখনই নীল দরজাটা নিজে থেকেই খুলে গেল।

ভেতরে অন্ধকার। শুধু সিঁড়ির ওপর একটা ছোট বাতি জ্বলছে।

রাফি জানত, তার ভেতরে যাওয়া উচিত নয়।

তবু অদ্ভুত একটা শক্তি তাকে টেনে নিয়ে গেল।

সিঁড়ির দেয়ালে সারি সারি ছবি ঝোলানো। ছবিগুলোতে বাড়ির পুরোনো বাসিন্দারা।

রাফি একটা ছবির সামনে থেমে গেল।

ছবিতে একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।

ছেলেটার মুখ...

রাফির মতোই।

ছবির নিচে লেখা:

“রাফি — ১৯৯৮”

রাফির বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।

সে ছবিটা ছুঁতেই পেছন থেকে ফিসফিস শব্দ—

— “তুমি আবার ফিরে এসেছ?”

রাফি ধীরে ধীরে ঘুরল।

সামনে সেই মেয়েটা দাঁড়িয়ে।

সাদা পোশাক, ভেজা চুল, আর অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে মুখ।

মেয়েটা বলল—

— “গতবার তুমি আমাকে এখানে রেখে চলে গিয়েছিলে।”

রাফি কাঁপা গলায় বলল,

— “আমি তো তোমাকে চিনি না!”

মেয়েটা মৃদু হাসল।

— “এই জীবনেও না।”

হঠাৎ বাড়ির সব দরজা একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গেল।

ধাম! ধাম! ধাম!

দেয়ালের ঘড়িগুলো উল্টো দিকে চলতে শুরু করল।

রাফি দৌড়ে নীল দরজার দিকে গেল।

কিন্তু সেখানে কোনো দরজা নেই।

শুধু একটা দেয়াল।

আর দেয়ালের ওপর নতুন একটা ছবি ঝুলছে।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে—

রাফি ওই বাড়ির ভেতরে দাঁড়িয়ে আছে।

তার পাশে সেই মেয়েটা।

আর ছবির নিচে লেখা:

“শেষ রাত — ৩:১৩ AM”

রাফি নিজের ফোন বের করল।

সময়—

৩:১২ AM।

আর ঠিক তখনই মেয়েটা তার কানে ফিসফিস করে বলল—

— “আর মাত্র এক মিনিট...”

চলবে... 👻

চাইলে পরের অংশে আমি ৩:১৩-এর পর কী হয়, সেটা আরও ভয়ংকরভাবে বলতে পারি।

এই গল্পটা, একদম পুরো টা এক সাথে দিন

অবশ্যই। 👻 এবার “নীল দরজার বাড়ি” গল্পটা একদম পুরোটা একসাথে, শেষ পর্যন্ত বলছি।

🕯️ নীল দরজার বাড়ি
শহরের একেবারে শেষ প্রান্তে একটা পুরোনো বাড়ি ছিল। বাড়িটার দরজা ছিল অদ্ভুত নীল রঙের। দিনের বেলাতেও বাড়িটা অন্ধকার দেখাত।

লোকজন বলত, রাত ৩টার পর ওই বাড়ির নীল দরজা কখনো খোলা যাবে না।

কেউ জানত না কেন।

১৭ বছরের রাফি এসব কুসংস্কারে বিশ্বাস করত না।

এক রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। রাফি বাইকে করে বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ বাইকটা নষ্ট হয়ে গেল। ফোনে কোনো নেটওয়ার্ক নেই। আশেপাশে কোনো মানুষও নেই।

দূরে সে একটা পুরোনো বাড়ি দেখতে পেল।

বাড়িটার দরজা নীল।

রাফি বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।

ঠিক তখন—

ঠক... ঠক... ঠক...

দরজার ভেতর থেকে কেউ ধাক্কা দিল।

রাফি পিছিয়ে গেল।

তারপর ভেতর থেকে একটা মেয়ের কণ্ঠ শোনা গেল—

“রাফি... দরজাটা খোলো।”

রাফির শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

সে কাউকে নিজের নাম বলেনি।

সে দৌড়ে চলে যেতে চাইল।

কিন্তু রাস্তার পাশে একটা পুরোনো ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল—

৩:০০ AM।

ঠিক সেই মুহূর্তে নীল দরজাটা ধীরে ধীরে নিজে থেকেই খুলে গেল।

ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার।

শুধু সিঁড়ির ওপরে একটা ছোট হলুদ বাতি জ্বলছিল।

রাফি বাইরে দাঁড়িয়ে রইল।

তার মনে হলো, ভেতরে গেলে বিপদ হবে।

কিন্তু তারপর সে শুনতে পেল—

“রাফি... আমাকে একা রেখো না।”

মেয়েটার কণ্ঠে এমন একটা অসহায়ত্ব ছিল যে রাফি শেষ পর্যন্ত ভেতরে ঢুকে গেল।

দরজাটা তার পেছনে বন্ধ হয়ে গেল।

ধাম!

রাফি দরজাটা খুলতে চেষ্টা করল।

খুলল না।

সে টর্চ জ্বালিয়ে চারপাশে তাকাল।

দেয়ালে সারি সারি পুরোনো ছবি।

বাড়ির আগের বাসিন্দাদের ছবি।

একটা ছবির সামনে গিয়ে রাফি থেমে গেল।

ছবিতে একটা কিশোর ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।

ছেলেটার মুখ দেখে রাফির বুক ধড়ফড় করতে লাগল।

কারণ ছেলেটা দেখতে হুবহু তার মতো।

ছবির নিচে লেখা—

“রাফি — ১৯৯৮”

রাফি ফিসফিস করে বলল,

— “এটা কীভাবে সম্ভব?”

হঠাৎ তার পেছন থেকে একটা কণ্ঠ এল—

“তুমি আবার ফিরে এসেছ?”

রাফি ধীরে ধীরে ঘুরল।

সিঁড়ির নিচে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

সাদা পোশাক।

ভেজা, লম্বা চুল মুখের ওপর ঝুলে আছে।

মেয়েটা ধীরে ধীরে মুখ তুলল।

তার চোখ দুটো অস্বাভাবিক কালো।

রাফি পিছিয়ে গেল।

— “তুমি কে?”

মেয়েটা মৃদু হাসল।

— “তুমি সত্যিই আমাকে মনে রাখোনি?”

— “না!”

— “গতবার তুমি আমাকে এখানে রেখে চলে গিয়েছিলে।”

রাফি কাঁপতে কাঁপতে বলল,

— “আমি তো তোমাকে জীবনে দেখিইনি!”

মেয়েটা মাথা কাত করল।

তারপর খুব ধীরে বলল—

“এই জীবনে না।”

হঠাৎ বাড়ির সব ঘড়ি একসঙ্গে বাজতে শুরু করল।

টং! টং! টং!

রাফি নিজের ফোন বের করল।

সময় তখন—

৩:০৭ AM।

মেয়েটা সিঁড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করল।

— “আমার সঙ্গে এসো।”

— “কোথায়?”

— “যেখানে সবকিছু শুরু হয়েছিল।”

রাফি যেতে চাইল না।

কিন্তু তার পা যেন নিজের ইচ্ছায় সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল।

তারা দোতলায় উঠল।

সেখানে একটা লম্বা করিডোর।

করিডোরের দুই পাশে অনেকগুলো দরজা।

মেয়েটা একটা দরজার সামনে থামল।

দরজার ওপর লেখা—

“রুম ১৩”

দরজা খুলতেই রাফি দেখল একটা ছোট ঘর।

ঘরের মাঝখানে একটা কাঠের টেবিল।

টেবিলের ওপর একটা পুরোনো ডায়েরি।

মেয়েটা বলল,

— “এটা পড়ো।”

রাফি ডায়েরিটা খুলল।

প্রথম পাতায় লেখা—

“আজ ২৯ আগস্ট, ১৯৯৮।”

পরের পাতায়—

“আজ রাতে আমি আর নীলা এই বাড়ি থেকে পালিয়ে যাব।”

রাফি থেমে গেল।

নীলা?

সে মেয়েটার দিকে তাকাল।

মেয়েটা চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল।

রাফি পড়তে থাকল।

ডায়েরিতে লেখা ছিল—

“নীলা বলেছে, বাড়ির মালিক আমাদের যেতে দেবে না। সে বলেছে, এই বাড়িতে যারা থাকে তারা সবাই একদিন ফিরে আসে।”

পরের পাতায় কালি ছড়িয়ে গেছে।

কেবল কয়েকটা শব্দ বোঝা যায়—

“রাত ৩টা...”

“দরজা...”

“নীলা...”

তারপর শেষ পাতায় লেখা—

“যদি আমি ফিরে আসি, আমাকে যেন কেউ এই বাড়ি থেকে বের করে দেয়।”

রাফির হাত কাঁপতে লাগল।

হঠাৎ তার মাথার ভেতর প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হলো।

তার চোখের সামনে দৃশ্য বদলে গেল।

সে দেখতে পেল—

একটা ছেলে।

সে নিজেই।

কিন্তু পোশাক পুরোনো।

সাল ১৯৯৮।

তার পাশে সেই মেয়ে—নীলা।

তারা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

নীলা কাঁদছে।

ছেলেটা বলছে—

“আমি ফিরে আসব। কথা দিচ্ছি।”

তারপর নীল দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

রাফি চিৎকার করে উঠল।

দৃশ্যটা মিলিয়ে গেল।

সে মাটিতে পড়ে গেল।

নীলা তার পাশে দাঁড়িয়ে বলল,

— “এখন মনে পড়ছে?”

রাফি মাথা তুলে তাকাল।

তার মনে পড়ে গেছে।

সে এই বাড়িতে আগে এসেছিল।

১৯৯৮ সালে।

সে ছিল সেই ছেলেটা।

আর নীলা ছিল তার বন্ধু।

সেই রাতে তারা পালাতে চেয়েছিল।

কিন্তু রাফি একা পালিয়ে গিয়েছিল।

নীলাকে রেখে।

নীলা আর কখনো বের হতে পারেনি।

রাফি মারা গিয়েছিল কয়েকদিন পর এক দুর্ঘটনায়।

তারপর বহু বছর কেটে গেছে।

নীলা অপেক্ষা করেছে।

শুধু একটা প্রতিশ্রুতির জন্য—

“আমি ফিরে আসব।”

রাফির চোখে পানি চলে এল।

— “নীলা... আমি দুঃখিত।”

নীলা বলল,

— “ক্ষমা চাইলে হবে না।”

— “তাহলে কী করতে হবে?”

নীলা করিডোরের শেষ দরজার দিকে তাকাল।

— “আমাকে বের করে নিতে হবে।”

রাফি দরজাটার কাছে গেল।

দরজার ওপর লেখা—

৩:১৩

সে হাতল ধরল।

ঠিক তখনই পুরো বাড়ি কেঁপে উঠল।

দেয়াল থেকে ছবিগুলো পড়ে যেতে লাগল।

ঘড়ির কাঁটা দ্রুত ঘুরতে শুরু করল।

৩:১২...

৩:১৩...

দরজা খুলে গেল।

অন্য পাশে ছিল একটা অন্ধকার ঘর।

ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল একজন বৃদ্ধ।

রাফি তাকে দেখে চিনতে পারল।

সেই বৃদ্ধ—যাকে সে ট্রেনের মধ্যে দেখেছিল।

বৃদ্ধ বলল,

— “তুমি প্রতিশ্রুতি রেখেছ।”

রাফি বলল,

— “তুমি কে?”

বৃদ্ধ হাসল।

— “এই বাড়ির প্রথম বাসিন্দা।”

তারপর সে আঙুল তুলে নীলার দিকে দেখাল।

— “কিন্তু সে যেতে পারবে না, যতক্ষণ না কেউ তার জায়গায় থাকে।”

রাফি বুঝতে পারল।

— “মানে... আমাকে এখানে থাকতে হবে?”

বৃদ্ধ কিছু বলল না।

নীলা কাঁদতে কাঁদতে বলল,

— “না! তুমি আবার আমাকে বাঁচাতে এসে নিজেকে হারাবে না।”

রাফি নীলার দিকে তাকিয়ে হাসল।

— “এবার আমি তোমাকে রেখে যাব না।”

সে নীলার হাত ধরল।

দুজন একসঙ্গে দরজার দিকে দৌড়াল।

বৃদ্ধ চিৎকার করল—

“থামো!”

বাড়ির সব দরজা একসঙ্গে খুলে গেল।

অসংখ্য ছায়া করিডোরে বেরিয়ে এল।

তারা রাফি আর নীলার দিকে এগিয়ে আসতে লাগল।

রাফি চোখ বন্ধ করে নীলার হাত শক্ত করে ধরল।

তারপর—

দুজন নীল দরজার বাইরে পড়ে গেল।

বৃষ্টি তখনও পড়ছে।

আকাশে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে।

রাফি চোখ খুলে দেখল, সে রাস্তার পাশে পড়ে আছে।

কিন্তু নীলা নেই।

সে উঠে চারপাশে তাকাল।

পুরোনো বাড়িটাও নেই।

সেখানে শুধু একটা খালি জমি।

রাফি নিজের পকেটে হাত দিল।

একটা জিনিস পেল।

পুরোনো একটা ছবি।

ছবিতে ১৯৯৮ সালের রাফি আর নীলা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে।

কিন্তু এবার ছবির পেছনে নতুন একটা লেখা দেখা যাচ্ছে—

“ধন্যবাদ।”

রাফি ছবিটা বুকের কাছে ধরে রাখল।

সেদিনের পর নীল দরজার বাড়ির কোনো অস্তিত্ব আর কেউ খুঁজে পায়নি।

কিন্তু গল্পটা এখানেই শেষ নয়।

প্রায় এক বছর পর, রাফি তার পুরোনো বাড়িতে বসে ছিল।

রাত তখন ৩টা ১৩ মিনিট।

হঠাৎ—

ঠক... ঠক... ঠক...

তার ঘরের দরজায় কেউ ধাক্কা দিল।

রাফি ধীরে ধীরে দরজার কাছে গেল।

বাইরে কোনো শব্দ নেই।

সে দরজা খুলল।

দরজার সামনে কেউ দাঁড়িয়ে নেই।

শুধু মেঝেতে একটা ছোট্ট নীল খাম।

রাফি খামটা খুলল।

ভেতরে একটা কাগজ।

তাতে লেখা—

“রাফি, তুমি ভেবেছিলে তুমি আমাকে বাড়ি নিয়ে এসেছ?”

তার নিচে আরেকটা লাইন—

“তাহলে তোমার ঘরের দরজাটা এখন নীল কেন?”

রাফি ধীরে ধীরে মাথা তুলল।

তার ঘরের দরজার দিকে তাকাল।

কয়েক সেকেন্ড আগেও দরজাটা ছিল বাদামি।

এখন...

দরজাটা সম্পূর্ণ নীল।

আর দরজার ওপাশ থেকে ভেসে এল নীলার কণ্ঠ—

“রাফি... এবার কিন্তু তুমি একা নও।”

সমাপ্ত। 👻🕯️

28/07/2026
27/04/2026

i have a plan😜😜😜

সিলেট শাহজালাল মাজারের গজার মাছ। শত বছর পুরনো গজার মাছ গুলো ২০০৩ সালের ৪ ডিসেম্বর বিষ প্রয়োগে মাজারে পুকুরের প্রায় ৭শ’রও...
16/09/2025

সিলেট শাহজালাল মাজারের গজার মাছ। শত বছর পুরনো গজার মাছ গুলো ২০০৩ সালের ৪ ডিসেম্বর বিষ প্রয়োগে মাজারে পুকুরের প্রায় ৭শ’রও বেশি গজার মাছ হত্যা করা হয়। ফলে পুকুরটি গজার মাছ শূন্য হয়ে পড়ে। মরে যাওয়া মাছগুলোকে মসজিদের পশ্চিম দিকের গোরস্থানে পুঁতে ফেলা হয়। পুকুরটি মাছ শূন্য হয়ে যাওয়ার পর হযরত শাহজালাল (র.) এর অপর সফরসঙ্গী মৌলভীবাজারের শাহ মোস্তফার (র.) মাজার থেকে ২০০৪ সালের ১১ জানুয়ারি ২৪ টি গজার মাছ এনে পুকুরে ছাড়া হয়। বর্তমানে পুকুরের গজার মাছের সংখ্যা কয়েক শ’তে দাঁড়িয়েছে বলে জানা যায়।

চীনে শাআনশি প্রদেশে এক ব্যক্তি তার গুরুতর অসুস্থ মায়ের সেবা করছিলেন। সেবা করতে করতে মায়ের পাশেই তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।যখন ত...
02/09/2025

চীনে শাআনশি প্রদেশে এক ব্যক্তি তার গুরুতর অসুস্থ মায়ের সেবা করছিলেন। সেবা করতে করতে মায়ের পাশেই তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।
যখন তার ঘুম ভাঙলো, তিনি দেখলেন মা আর নেই।

বুকভরা কষ্ট নিয়ে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে গিয়ে থ হয়ে গেলেন।
তিনি দেখলেন, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগ মুহূর্তেও মা তার সন্তানের কথা ভোলেননি।
মা দেখতে পান, ছেলেটির গায়ে কাঁথা নেই। নিজের জীবনের শেষ শক্তিটুকু দিয়ে তিনি সন্তানের গায়ে কাঁথা টেনে দেন। এরপর চোখ বন্ধ করেন চিরদিনের জন্য।
যে মা তাকে জন্মের প্রথম দিন পরম যত্নে কাঁথা দিয়েছিলেন।
সেই মা-ই মৃত্যুর দিনে তার গায়ে শেষবারের মতো কাঁথা টেনে দিলেন।
এটাই ছিল তার ভালোবাসার শেষ স্পর্শ। ❤️

মায়ের ভালোবাসা বুঝি এমনই হয়! সন্তানের বয়স যাই হোক না কেন, মায়ের কাছে সে চিরকাল ছোট্টটিই থাকে। 🙏
নিজের বাবা-মাকে সম্মান করুন। জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও তাদের প্রতি যত্নশীল হন। কারণ তাদের আশীর্বাদ আর ভালোবাসা জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। 🙇

Collected~

02/09/2025

মা যেমন বাচ্চা ও তেমন 😉

29/08/2025

অনেক দিন পড় বন্দুরা কেমন আছেন সবাই😭😭

21/08/2025

Hi friend 🥰🥰

🎉 Facebook recognized me for starting engaging conversations and producing inspiring content among my audience and peers...
20/08/2025

🎉 Facebook recognized me for starting engaging conversations and producing inspiring content among my audience and peers!

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অসমাপ্ত ডায়েরি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অসমাপ্ত ডায়েরি:

Shortcuts

Share

Category