Life & Youth

Life & Youth Life & Youth

 #আমার_স্ত্রী_নিলা_ঘুমাচ্ছেবিকেলে বাজার থেকে এসে দেখি আমার স্ত্রী নীলা ঘুমোচ্ছে। আমি ডাক না দিয়ে রান্নাঘরে যাই।আর বসে পড়...
05/05/2020

#আমার_স্ত্রী_নিলা_ঘুমাচ্ছে

বিকেলে বাজার থেকে এসে দেখি আমার স্ত্রী নীলা ঘুমোচ্ছে। আমি ডাক না দিয়ে রান্নাঘরে যাই।
আর বসে পড়ি বাজার থেকে নিয়ে আসা রুই মাছটিকে রান্নার উপযুক্ত করতে।মাছ কাটছি এই মুহুর্তে রান্নাঘরে মায়ের প্রবেশ।
"কিরে হিমু তুই মাছ কাটছিস।বউমা কোথায়?
–মা নীলার শরীরটা বেশি ভালো না।ও ঘুমোচ্ছে, তাই ডাক দেই নি।
" তাই বলে তুই ছেলে হয়ে মাছ কাটবি,আর বউমা এই অসময়ে ঘুমাবে।
চিৎকার চেচামেচি শুনে নীলা রান্নাঘরে আসলো।আমার হাত থেকে মাছ নিয়ে নিজেই কাটতে কাটতে আমাকে বললো-
~হিমু তুমিও না পারো
জীবনে মাছ কেটেছিলে বলো?
আমাকে ডাক দিলেই পারতে।
এইসব শুনে মা, মায়ের রুমে চলে গেলেন।
-আচ্ছা নীলা তুমি তো সন্তান সম্ভাবা।তবু এখনো এতো কাজ করবে কেনো?
আর তাছাড়া আমি যে মাছটা কাটতে পারবো না তা কিন্তু নয়।
এটা আর এমন কি?
~আমি জানি পারবে।তবুও আমার কাজ আমাকেই করতে দাও।তুমি যাও ফ্রেশ হয়ে নাও।
মেয়েটার কাছে হার মেনেই রান্নাঘর ত্যাগ করলাম।
,
,
ইফতারির আর পনেরো মিনিট বাকি আছে। আমি শরবত তৈরি করছিলাম। আর নীলা বেগুনি তৈরি করছে।
বাবা খাবার টেবিল থেকে চিৎকার করছেন?
সারাদিন কি কি করো বউমা?
এতোক্ষন লাগে ইফতারি তৈরি করতে।এইদিকে ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে।
নীলা বেগুনি গুলো নিয়ে খাবার টেবিলে আসলো,আর মাথা নিচু করে বললো-
বাবা বেশ কিছুক্ষণ গ্যাস ছিলো না।গ্যাস আসার পর রান্না শুরু করেছি,তাই একটু দেড়ি হয়েছে।
আমি নিশ্চুপ ছিলাম। কিছু বলতে পারিনি। উনি যে আমার জন্মদাতা পিতা।

সেহরির সময় তরকারি গুলো গরম করে নীলা তাহাজ্জুদ এর নামাজ পড়ছিলো।
বাবা খাবার টেবিলে বসে চিৎকার চেচামেচি করছে
কয়টা বাজে বউমা?
এখনো খাবার টেবিলে খাবার দাও নি।আজান হওয়ার পর খাবো নাকি?

আমি আর চুপ থাকতে পারি নি
আমি রুম থেকে বেরিয়ে এসে মাথা নিচু করে ভদ্রতার সহিত বললাম -
বাবা তোমার কি মনে আছে মা তখন অসুস্থ। রমজান মাস ছিলো।আপুর বিয়ে হয় নি তখন। আমি কলেজে পড়াশোনা করতাম। আপু একটু অলস টাইপের ছিলো।সেহরির সময় এলার্ম দিয়ে রাখার পরও তার ঘুম থেকে উঠতে ৩০ মিনিট পার হয়ে যেতো।এমনকি সেহরি খাওয়ার সময় অনেকদিন আজান দিয়ে দিতো।কই তখন তো তুমি আপুকে কিছু বলতে না।
শুধু বলতে পরিস্থিতির স্বীকার।

এখন নীলা সন্তান সম্ভাবা।এই সময়ে শরীর সবসময় ঠিক থাকে না।আর এই সময়ে একজন নারীর বেশি বেশি এবাদত করার প্রয়োজন রয়েছে। তাহলে আল্লাহ নেক সন্তান দান করেন।
এইগুলো বলছিলাম,এই মুহুর্তে নীলা এসে বলতেছে-
হিমু কি সব উল্টাপাল্টা বলে যাচ্ছো?
বাবার সাথে এইভাবে বলছো কেনো?
বাবার সাথে কেউ এইভাবে বলে?
আমি তরকারি গরম করে রেখেছি।এখনি নিয়ে আসছি।এখনো ৪৫ মিনিট সময় বাকি আছে। খাওয়া হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

খাবার শেষ করে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়ি।ঘুম থেকে উঠে দেখি ৮ টা বাজে।ওয়াশ রুমে যাই ফ্রেশ হওয়ার জন্য। অনেকগুলো কাপড় ভেজানো।হয়তো নীলার কাজ এটা।আমি ওয়াশ রুমে ঢুকে কাপড় গুলো ইচ্ছামতো পিটিয়ে নিলাম।
ছাদে কাপড় শুকাতে দিতে যাবো
দেখি মা সামনে দাড়িয়ে আছেন।
আমি চলে যাচ্ছিলাম। মা ডাক দিয়ে বললেন -
ছিঃ ছিঃ হিমু তর এই অবস্থা হয়েছে। এই লকডাউনে ছুটি পেয়েছিস বলে বউমার কাজগুলোও তকে করতে হবে।শেষ পর্যন্ত বউমার কাপড়চোপড় ও ধোঁয়া শুরু করেছিস।ভালোই বউ পাগল হয়েছিস।

শোনো মা-
তুমি জানো নীলা সন্তান সম্ভাবা। এই সময়ে যত বিশ্রামে থাকা যায়,পরিশ্রম কম করা যায় ততই ভালো। আর এই সামান্যটুকু কাজ করায় আমি বউ পাগল হয়ে গেলাম কি করে?
আমি তো ছুটির দিনে তোমার কাপড়চোপড় ও ধুয়ে দেই।আমার ভালোই লাগে।

আর নীলা অন্য একটা ফ্যামিলি থেকে ভাইবোন, মা,বাবা,সবার মায়া ত্যাগ করে একটা নতুন ফ্যামিলিতে এসেছে।
তোমাদের উচিত নীলাকে নিজের মেয়ের মতোই দেখা।আপু ও তো আমাদের ফ্যামিলি ছেড়ে একটা নতুন ফ্যামিলিতে গিয়েছে। আপুর সাথে যদি আপুর শ্বশুর শ্বাশুড়ি এমন আচরণ করে তাহলে আপুর মনের অবস্থা কেমন হবে,একবার ভেবে দেখেছো?
"দেখ বাবা আমি এইভাবে এতো কিছু ভাবিনি। তুই কিছু মনে করিস না।আমি তো তোর কথা ভেবেই এইগুলো বলেছি।
–আমি কাপড় গুলো নিয়ে ছাদে চলে যাই।
আমাকে দেখে নীলা বলে উঠলো-
~কি ব্যাপার এতো সকালে উঠলে যে
আর হাতে কি এইসব হুম?

নিশ্চয়ই কাপড় গুলোর বারোটা বাজিয়ে দিয়েছো,তাই না?
আমি মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম।কাপড়গুলো নাড়ছিলাম। পেছন থেকে দুটো কোমল হাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে আমার বুকের পাজরকে।আর বলছে-
হিমু তুমি আমাকে এতো ভালোবাসো কেনো?
আমি সব শুনেছি। কেউ পারে এতোটা ভালোবাসতে...!
এই বলে কান্না করে দিলো বোকা মেয়েটা।
–শোনো নীলা -তুমি এই পরিবারে আসার পর অনেক কথা সহ্য করেছো, যেগুলো এখনকার মেয়েরা সহ্য করতে পারে না।লকডাউন থাকায়, অফিস না থাকায় আমি নিজ চোখে দেখেছি তোমার বিরুদ্ধে অন্যায় গুলো।

আমি বাবা, মা কে বুঝিয়েছি।আশা করি এখন থেকে আর এমন হবে না।তোমাকেও উনাদের মেয়ের মতোই দেখবেন।
~হিমু তুমি বাবা মা কে এইসব বলতে গেলে কেনো?
বাবা মা হয়তো শাসন করতেন আমাকে নিজের মেয়ের মতোই।
–বাদ দাও তো নীলা।এখন বলো আমাদের গুলুগুলু কেমন আছে?
~ও ভালো আছে।তোমার ভাবতে হবে না।
–এখন থেকে তোমার রান্নাঘরে যাওয়া বন্ধ। আর যাবে না কেমন।আমাদের গুলুগুলুর জন্য হলেও যাবে না প্লিজ।
আমার তো অফিস নেই।আমি রান্না করবো।হয়তো ঝাল, কম বেশি হবে।এইটুকুই তো।কিন্তু খেতে পারবে।

~হিমু বিয়ের আগে যখন আমরা দুই বছর চার মাস সতেরো দিন রিলেশনশিপ এ ছিলাম।তখন তুমি প্রতিটি মূহুর্ত খুব সুন্দর করে দিতে।আর অনুভব করেছিলাম প্রেমের শুদ্ধতা।

আর বিয়ের পরে অনুভব করছি সংসার জীবনের শুদ্ধতা। প্রতিটি নারীর জীবনে যদি একজন শুদ্ধ পুরুষের দেখা পেতো, তাহলে গভীর রাত হলে নারীর চোখের জলে বালিশ ভিজত না।
–এইভাবে বলছো কেনো।আমিও তো আমার জীবনে একজন বিশুদ্ধ নারী পেয়েছি।যাকে ঘিরে স্বপ্নগুলো আরও রঙিন।

গল্প-দায়িত্

 #বাসর_রাতে_কি_করতে_হবেকিভাবে শুরু করবেন একজন অচেনা মানুষের সাথে? যদি সে আপনার কাছে একেবারেই নতুন হয় তাহলে কি প্রথম রাতে...
24/04/2020

#বাসর_রাতে_কি_করতে_হবে
কিভাবে শুরু করবেন একজন অচেনা মানুষের সাথে? যদি সে আপনার কাছে একেবারেই নতুন হয় তাহলে কি প্রথম রাতে তার সাথে যৌনমিলন করবেন যদি করেন তাহলে কিভাবে শুরু করবেন তা অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে........

নিচে কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর দেয়া হলো...
প্রশ্ন: বাসর রাতে কি যৌনমিলন আবশ্যক? যদি তাই হয় তাহলে একজন অপরিচিতার সাথে তা কীভাবে সম্ভব?
***********************************
উত্তর:
বাসর রাতে যৌনমিলন করতেই হবে ইসলামে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। যদি স্বামী-স্ত্রী উভয়ে সম্মত ও আগ্রহী হয় তাহলে সহবাস করবে, অন্যথায় বিরত থাকবে।

ইসলামে বাসর রাতে করণীয়:
*******************
বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী একসাথে আগে পিছে দাঁড়িয়ে দু রাকআত নফল সালাত আদায় করবে, স্বামী নব বধূর কপালে হাত রেখে দুআ পাঠ করবে, তাকে দুধ বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে দিবে।

তাপর পরস্পরে কথাবার্তা বলবে, পরিচিত হবে, এমন ভাবে কথা বলতে হবে যাতে স্ত্রীর মন থেকে ভয়ভীতি দূর করে একটা আন্তরিকতা ও ভালবাসা পূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
এক সময় যদি তারা উভয়ের মধ্যে যৌন মিলনে আগ্রহ সৃষ্টি হয় তাহলে দুআ পড়ে সহবাসে লিপ্ত হবে।
**********************
বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীর কপালে হাত রেখে এই দোয়াটি পাঠ করা সুন্নত:

আরবি উচ্চারণ

« ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺧَﻴْﺮَﻫَﺎ، ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺟَﺒَﻠْﺘَﻬَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻪِ، ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻫَﺎ، ﻭَﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺟَﺒَﻠْﺘَﻬَﺎ
ﻋَﻠَﻴْﻪِ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺍﺷْﺘَﺮَﻯ ﺑَﻌِﻴﺮﺍً ﻓَﻠْﻴَﺄْﺧُﺬْ ﺑِﺬِﺭْﻭَﺓِ ﺳَﻨَﺎﻣِﻪِ ﻭَﻟْﻴَﻘُﻞْ ﻣِﺜْﻞَ ﺫَﻟِﻚَ ».

বাংলা উচ্চারণ: (আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা ‘আলাইহি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জাবালতাহা ‘আলাইহি)

বাংলা অর্থ: “হে আল্লাহ, আমি এর যত কল্যাণ রয়েছে এবং যত কল্যাণ তার স্বভাবে আপনি দিয়েছেন তা চাই। আর এর যত অকল্যাণ রয়েছে এবং যত অকল্যাণ ওর স্বভাব-চরিত্রে আপনি রেখেছেন তা থেকে আপনার আশ্রয় চাই।”

(আবু দাঊদ-২/২৪৮, নং ২১৬০; ইবন মাজাহ্ ১/৬১৭, নং ১৯১৮। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ১/৩২৪)

সহবাসের পূর্বে স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ের জন্য নিম্নোক্ত দোয়াটি পড়া সুন্নত :
” ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ، ﻭَﺟَﻨِّﺐْ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ ”

বাংলা উচ্চারণ: বিসমিল্লাহ্। আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তান ও জান্নিবিশ শায়তানা মা রাযাক্বতানা।

বাংলা অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ, আমাদেরকে শয়তান হতে বাঁচান এবং আমাদেরকে যদি কোন সন্তান দেন তাকেও শয়তান হতে বাঁচান।

[বুখারী হা/ ৬৩৮৮ ও মুসলিম হা/ ১৪৩৪)]

উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

19/04/2020

সিলেটি দাদি লন্ডন গিয়া পান না পাইয়া পাগল হই গেছেন

18/04/2020

Congratulation for audience to like and share our page thank you very much.

14/04/2020

শালা চাল চুর গরিবের চাল চুরি করে বড় মজা পাইছো এই লো

02/10/2019
যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর---বলাকাযৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে।     তুই যে পারিস কাঁটাগাছ...
23/06/2019

যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর---বলাকা
যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে।
তুই যে পারিস কাঁটাগাছের উচ্চ ডালের 'পরে
পুচ্ছ নাচাতে।
তুই পথহীন সাগরপারের পান্থ,
তোর ডানা যে অশান্ত অক্লান্ত,
অজানা তোর বাসার সন্ধানে রে
অবাধ যে তোর ধাওয়া;
ঝড়ের থেকে বজ্রকে নেয় কেড়ে
তোর যে দাবিদাওয়া।

যৌবন রে, তুই কি কাঙাল, আয়ুর ভিখারী।
মরণ-বনের অন্ধকারে গহন কাঁটাপথে
তুই যে শিকারি।
মৃত্যু যে তার পাত্রে বহন করে
অমৃতরস নিত্য তোমার তরে;
বসে আছে মানিনী তোর প্রিয়া
মরণ-ঘোমটা টানি।
সেই আবরণ দেখ্‌ রে উতারিয়া
মুগ্ধ সে মুখখানি।

যৌবন রে, রয়েছ কোন্‌ তানের সাধনে।
তোমার বাণী শুষ্ক পাতায় রয় কি কভু বাঁধা
পুঁথির বাঁধনে।
তোমার বাণী দখিন হাওয়ার বীণায়
অরণ্যেরে আপনাকে তার চিনায়,
তোমার বাণী জাগে প্রলয়মেঘে
ঝড়ের ঝংকারে;
ঢেউয়ের 'পরে বাজিয়ে চলে বেগে
বিজয়-ডঙ্কা রে।

যৌবন রে, বন্দী কি তুই আপন গণ্ডিতে।
বয়সের এই মায়াজালের বাঁধনখানা তোরে
হবে খণ্ডিতে।
খড়গসম তোমার দীপ্ত শিখা
ছিন্ন করুক জরার কুজ্‌ঝটিকা,
জীর্ণতারি বক্ষ দু-ফাঁক ক'রে
অমর পুষ্প তব
আলোকপানে লোকে লোকান্তরে
ফুটুক নিত্য নব।

যৌবন রে, তুই কি হবি ধুলায় লুণ্ঠিত।
আবর্জনার বোঝা মাথায় আপন গ্লানিভারে
রইবি কুণ্ঠিত?
প্রভাত যে তার সোনার মুকুটখানি
তোমার তরে প্রত্যুষে দেয় আনি,
আগুন আছে ঊর্ধ্ব শিখা জ্বেলে
তোমার সে যে কবি।
সূর্য তোমার মুখে নয়ন মেলে
দেখে আপন ছবি।


শান্তিনিকেতন, ৪ চৈত্র, ১৩২২

নারী দেহে যখন যৌবন আসে ________________________ছেলেদের মতো মেয়েদের ও ১৪/১৫ বছর বয়সে যৌবন এলেও নারীদেহে প্রায় সেই বয়স থেক...
23/06/2019

নারী দেহে যখন যৌবন আসে ________________________

ছেলেদের মতো মেয়েদের ও ১৪/১৫ বছর বয়সে যৌবন এলেও নারীদেহে প্রায় সেই বয়স থেকেই যৌবন সঞ্চার যেন জোয়ারের মত এসে থাকে । আর ছেলেদের মতো মেয়েদের ও যৌবনকালে দেহের ভেতর এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই বিশেষ পরিবর্তন আসে । ভেতরের সেই পরিবর্তন হয় GLANDER মধ্যে । GLANDE এবং SNAYUTONTE নতুন এক উদদীপনা এবং অনুভূতি সঞ্চার হয় ।

তাছাড়া মেয়েদের ওভারি বা ডিমবোকোষে ডিমবোগুলো পরিণত
হতে শুরু করে । ডিমবোগুলো আকারে যতো বড় হতে থাকে, আশেপাশের কোষ ও পেশীতে ততো চাপ স্'ষ্টি হতে থাকে । এর ফলে ডিমবের
চারদিকে খানিকটা স্হান সংকুলান হয় এবং ফলিকলের জল ঔই ফাপা জায়গাটা পরিপূর্ণ হয়ে এই জল ও ডিমবোগুলি ফেটে গিয়েপুষ্ট ও
পরিণত ডিমবো বেরিয়ে আসে ।

যৌবন সমাগমকালে এই ডিমবো ফোটার ব্যাপারটা নারীদেহে একটি অত্যন্ত গুরুত্তপূর্ণ বিষয় । পরিণত ডিমবোকোষ জরায়ুতে থাকে,
সে সময় যদি পুরুষের বীর্য গিয়ে তার জরায়ুতে পড়ে এবং তাতে যদি সজীব শুত্রুকীট থাকে তাহলে শুত্রুকীট ও পরিণত ডিমবের মিলনে গর্ভসঞ্চার হবে । ডিমবোগুলি যখন পরিণত অবস্হায় জরায়ুর মধ্যে প্রবেশ করে, তখন
জরায়ুর মধ্যে ঘন ঘন স্পন্দন শুরুহয়ে যায়, অনেক সময় নারী নিজেও তা বুজতে পারে না। যৌবন সমাগমের পরেপরই নারীর পুরুষের
সাথে যৌন-মিলনের বাসনা খুব তীব হয়ে ওঠে । মেয়েরা যৌবনবতী হলে এবং সে সময় যদি সে তার কামনা-বাসনার তীবতা এবং উত্তেজনা সহ্য
করতে না পেরে পুরুষের সাথে সহবাসে লিপতো হয়, তা হলে গর্ভসঞ্চারের ফরে তার দেহে এভাবেই বহিপ্রকাশ ঘটে থাকে । এ ছাড়া তারকণ্ঠস্বর খুবই মিষ্টি হয়ে ওঠে তখন এবং মুখের ওপর এক সুন্দর কমনীয় ভাব জেগে ওঠে, মুখের ভাব লাবণ্যময় হয়ে ওঠে । চোখ দুটিতে লাগে ভাবের
ঘোর, আখিপললব দুটি হয়ে ওঠে অপরূপ।

জেনে নিন আজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ টি খাবার সম্পর্কে-দই: দই আমাদের অনেকের কাছে খুব প্রিয় একটি খাবার। দই মেদ ও কোলেস্টের...
23/06/2019

জেনে নিন আজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ টি খাবার সম্পর্কে-
দই: দই আমাদের অনেকের কাছে খুব প্রিয় একটি খাবার। দই মেদ ও কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। যারা যৌবন ধরে রাখতে চান তাদের জন্য আশার কথা হচ্ছে নিয়মিত দই খান। দইয়ে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম আছে যা শরীরের গঠন ভালো রাখে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। এছাড়াও দই ত্বককে রাখে বলিরেখা মুক্ত। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন দই খান।
সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছ যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক। দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় লাল মাংস বাদ দিয়ে সামুদ্রিক মাছ রাখুন। তাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে এবং যৌবন ধরে রাখা যাবে বহুদিন।
মিষ্টিকুমড়ার বিচি: এতে আছ প্রচুর সাইটোস্টেরোল। এটি পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায়। পুরুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়, কলা সেই পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে দেয়। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক এবং যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক।
আমলা: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় একে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতেও দারুণ সহায়ক।
ফলমূল: ফলে আছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত ফল খান।
রঙিন শাক-সবজি: রঙিন শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের চাহিদা মেটায় এবং শরীরকে সুস্থ্ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রঙিন শাকসবজি খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।
কমলালেবু: কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ এতে অনেক ভিটামিন-সি থাকে। ত্বক টানটান রাখতে কমলালেবু সাহায্য করে।
অলিভ অয়েল: অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহজে মেদ জমে না। এছাড়াও প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে বলিরেখা পরে না সহজে। ফলে দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখা যায়।
ডার্ক চকলেট: যারা চকলেট ভালোবাসেন তাদের জন্য ভালো খবর হলো ডার্ক চকলেট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই যারা নিয়মিত প্রতিদিন ছোট এক টুকরা ডার্ক চকলেট খান তারা দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে পারেন।
স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।
রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
নিজের যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জোর দেয়া দরকার। উপরিউক্ত খাবার গুলি আপনার জীবন ও যৌবনকে ধরে রাখবে আজীবন। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান আর সর্বদা নিজেকে হাসি-খুশি রাখুন, বিষণ্ণতা কোনোভাবেই ধারে-কাছে ভিড়তে দেবেন না।
লেখক:
ইসরাত জাহান
পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটাল লিমিটেড

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life & Youth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Life & Youth:

Share

Category