পছন্দ

পছন্দ all intresting moment is here

12/08/2025

বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ৬০নং জাতীয় সড়ক অবরোধ।

চাঞ্চল্য বাঁকুড়া বাসীর
12/08/2025

চাঞ্চল্য বাঁকুড়া বাসীর

08/08/2025

আন্তর্জাতিক মানের রাইফেল ও পিস্তল শুটিং প্রশিক্ষণ এবার হাতের মুঠোয়!

21/07/2025

শুশুনিয়া পাহাড়ে শ্রাবণী মেলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, বিশেষ পরিদর্শন ও বৈঠক প্রশাসনের।

20/07/2025

কুস্থলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে 5 ছাত্রী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি ।

Video footage - #সংগৃহীত

28/06/2025

New trending XML

20/06/2025

Bolchi tomar dibbi gele

💠 পুরুলিয়ার পাখি পাহাড়: এক অসাধারণ শিল্প কর্ম। 🔸 পুরুলিয়ার নাম শুনলে আমাদের শিমুল, পলাশের কথাই সবার আগে মাথায় আসবে। রা...
17/03/2025

💠 পুরুলিয়ার পাখি পাহাড়: এক অসাধারণ শিল্প কর্ম।

🔸 পুরুলিয়ার নাম শুনলে আমাদের শিমুল, পলাশের কথাই সবার আগে মাথায় আসবে। রাঢ় বাংলার সরু লাল পথ কিংবা পাহাড়ের ঢালু উপত্যকা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয়। আর সময়টা যদি শীতকাল হয়, তাহলে তো কথাই নেই। পুরুলিয়ার আর পাঁচটা জায়গার মতো নয়, প্রায় ঢাকাচাপা পড়ে যাওয়া পাখি পাহাড়-এর টানে অনায়াসে বেরিয়ে পড়া যায় দুটো দিন। নাম শুনে মনে হতে পারে অনেক পরিযায়ী পাখির আবাস এই জায়গা। কিন্তু তেমনটি একেবারেই নয়। একটি অনুচ্চ পাহাড়ের গায়ে অসংখ্য উড্ডীয়মান পাখির প্রতিচ্ছবি আঁকা। বেশিরভাগ পর্যটক পাহাড়টি দূর থেকে দেখে ফিরে যান। কিংবা গাড়ি থেকে নেমে দশ মিনিট সামান্য রেস্ট। কিন্তু এর ইতিহাস জানলে রহস্য ক্রমশ দানা বাঁধবে, আপনি পাহাড় ছুঁতে বাধ্য হবেন নিশ্চিত।

🔸 ‘পাখি পাহাড়’ নামের রহস্য:-

▪️ প্রথমবার ‘পাখি পাহাড়’ নাম শুনলে মনে হতে পারে এটি হয়তো পরিযায়ী পাখিদের অভয়ারণ্য। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি মূলত একটি অনুচ্চ পাহাড়, যার গায়ে খোদাই করা হয়েছে ৬৫টি ডানামেলা পাখির বিশাল ভাস্কর্য। পাখিদের এই অবয়ব এতটাই বিশাল যে দূর থেকে পাহাড়টি দেখলে মনে হয়, যেন প্রকৃতির বুকে পাখিদের মুক্ত উড্ডয়ন ধরা রয়েছে। একসময় এই পাহাড়ের নাম ছিল ‘মুরা বুরু’ (উচ্চতা প্রায় ৮০০ ফুট), তবে কালের প্রবাহে এটি ‘পাখি পাহাড়’ নামেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে।

🔸 বেশ কয়েকবছর ধরে শিল্পী চিত্ত দে এই পাহাড়ে ইন-সিটু রক স্কাল্পচার-এর কাজ করেছেন। সাধারণত ভাস্কর্যশিল্পীরা বাছাই করা পাথর তুলে স্টুডিওতে নিয়ে এসে সেই পাথর কেটে মেলে ধরেন নিজের শিল্পকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে পাথরটিকে যথাস্থানে রেখেই তাতে খোদাই করা হয়েছে বিভিন্ন আকৃতির পাখি, ঠিক যেমনটা আমরা অজন্তায় দেখতে পাই। ১৯৯৭ সালে সরকারি আর্থিক অনুদানে কাজ শুরু করেন শিল্পী। সরকারি অনুদানের সঙ্গে তাঁকে অনুরোধ করা হয় কয়েকজন ভাস্কর্যশিল্পীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার জন্য। কিন্তু শিল্পী চিত্ত দে স্থানীয় আদিবাসী লোকেদের সঙ্গে কাজ করার উপর জোর দেন। প্রথম চার বছর ধরে প্রায় পঞ্চাশ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করলেও অবশেষে চব্বিশ জনকে নিয়ে দলবদ্ধ ভাবে কাজ শুরু করেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের উপর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এনামেল রং ব্যবহার করে ছবিগুলো আঁকেন।

🔸 রং-এর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে খোদাইয়ের গভীরতার সংকেত। -হাতুড়ি সম্বল করে খোদাইয়ের কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে ৬৫টি ডানামেলা পাখির ভাস্কর্য খোদাই করেন। যার সব চেয়ে ছোটো ডানার দৈর্ঘ্য ৫৫ ফুট আর সব চেয়ে বড়ো ডানার দৈর্ঘ্য ১২০ ফুট। প্রথমে পাহাড়টির নাম ছিল ‘মুরা বুরু’ (উচ্চতা ৮০০ ফুট)। ধীরে ধীরে পাহাড়টি ‘পাখি পাহাড়’ নামে পরিচিতি পায়।

🔸 চারদিকে ঘন জঙ্গল। শাল সেগুনে ভরা পাহাড়ি লাল রাস্তা। মাঝে মাঝে কাঠ কুড়ুনিদের দেখতে পাওয়া যাবে। দূর গ্রাম থেকে তারা আসেন প্রতিদিন কাঠ সংগ্রহের উদ্দেশে। সপ্তাহান্তে অত্যন্ত অল্প খরচে ঘুরে আসা যায় প্রকৃতির পাথুরে ক্যানভাসে গড়ে ওঠা পুরুলিয়া জেলার এই সুন্দর পাখি পাহাড়ে। পাখিরা আপনাকে আপন করে নেবেই।

🔸 পাখি পাহাড়’ শুধুমাত্র একটি পাহাড় নয়, এটি মানুষের সৃজনশীলতার এক অনন্য নিদর্শন। চিত্ত দে ও তাঁর দলের নিরলস পরিশ্রম এই জায়গাটিকে এক বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। প্রকৃতির কোলে পাথরের ক্যানভাসে খোদাই করা এই শিল্পকর্ম শুধু পুরুলিয়ার গর্ব নয়, এটি বাংলারও এক অমূল্য সম্পদ। প্রকৃতি ও শিল্পের এই মেলবন্ধন দেখতে একবার হলেও পাখি পাহাড় ঘুরে আসতে হবে—যেখানে পাখিরা আপনাকে স্বাগত জানাবে তাদের চিরস্থায়ী ডানায়

💠 এইধরনের নতুন নতুন তথ্যপূর্ণ পোস্ট পেতে হলে আমাদের পেজটিকে ফলো করবেন।।

Geography zone- ভূগোল বলয়

゚viralシfypシ゚viralシalシ

একটি গাছ যে নিজেই নিজের মৃত্যুর কারণ হয়!প্রকৃতির রহস্যের শেষ নেই! তবে এমন একটি গাছ আছে, যা নিজেই নিজের ধ্বংসের কারণ হয়ে ...
05/03/2025

একটি গাছ যে নিজেই নিজের মৃত্যুর কারণ হয়!

প্রকৃতির রহস্যের শেষ নেই! তবে এমন একটি গাছ আছে, যা নিজেই নিজের ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়! এই অদ্ভুত গাছটির নাম পামেটো বা তালগাছের কিছু প্রজাতি।

এই গাছগুলোর জীবনচক্রই এমন যে, তারা একবারই ফুল ফোটায় এবং তারপর ধীরে ধীরে মারা যায়! বিশেষ করে Talipot Palm (Corypha umbraculifera) গাছটি প্রায় ৩০-৮০ বছর ধরে বেড়ে ওঠে, তারপর একবারে প্রচুর ফুল ফোটায়। কিন্তু এই ফুল ফোটানোর জন্য এত বেশি শক্তি খরচ হয় যে, কিছুদিনের মধ্যেই গাছটি শুকিয়ে মারা যায়!

এটাকে Monocarpic Plants বলা হয়, অর্থাৎ এমন উদ্ভিদ, যারা মাত্র একবারই ফুল দেয় এবং তারপর মারা যায়। এটি প্রকৃতির এক আশ্চর্য বিস্ময়!

আপনার কী মনে হয়, প্রকৃতির এই অদ্ভুত নিয়ম কেন তৈরি হয়েছে? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!
দর্পণ
#প্রকৃতির_রহস্য #অদ্ভুত_প্রকৃতি #গাছের_রহস্য #মৃত্যুর_গাছ #দর্পণ #কলকাতা

Address

Chhatna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পছন্দ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share