Nurmahammad bhai

Nurmahammad bhai ​"ক্যামেরার পেছনে গল্পকার, স্টিয়ারিং-এ জীবন যোদ্ধা। নতুন কিছু করার চেষ্টায়... 🎥🚀"
এইবার এখানে থেকে শুরু ইনশাআল্লাহ।
🙏 ধন্যবাদ।

10/07/2026

একজন ড্রাইভার কোনো দিন ইচ্ছাকৃত রাত জাগে না। পরিস্থিতি বাধ্য করায়।😢😢

সম্পর্ক হোক নিজের পরিবার বা পাড়াপড়শি—সবখানেই দিনশেষে 'বোঝাপড়া' শব্দটা খুব জরুরি। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন, কেউ যদি আপন...
05/07/2026

সম্পর্ক হোক নিজের পরিবার বা পাড়াপড়শি—সবখানেই দিনশেষে 'বোঝাপড়া' শব্দটা খুব জরুরি। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন, কেউ যদি আপনাকে বা আপনার পরিস্থিতিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বুঝতে না চায়, তবে তাদের বোঝাতে গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না।
​আমরা অনেক সময় শত চেষ্টা করেও অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে পারি না। যাকে বোঝানো যায়, সে আপনার নীরবতায়ও আপনার কষ্ট খুঁজে পাবে। আর যে বুঝতে চায় না, তাকে হাজার যুক্তি দিলেও সে শুনবে না। তাই নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখুন, প্রত্যাশা কমিয়ে দিন এবং নিজেকে সময় দিন। যে আপনাকে মূল্যায়ন করার যোগ্য, তারা ঠিকই আপনার অবস্থানটা বুঝবে।
​সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিত্ব বা শান্তি নষ্ট করার প্রয়োজন নেই। ✨
​ #মানসিকশান্তি #জীবনেরশিক্ষা #পরিবার #সম্পর্ক

সময় আর পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা অনেকেই বড় বেশি ব্যস্ত। এই ছুটন্ত জীবনে মাঝে মাঝে থমকে দাঁড়ানো খুব জরুরি...
29/06/2026

সময় আর পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা অনেকেই বড় বেশি ব্যস্ত। এই ছুটন্ত জীবনে মাঝে মাঝে থমকে দাঁড়ানো খুব জরুরি। আসলে জীবনের আসল শান্তি বড় কোনো অর্জনে নেই, বরং প্রিয়জনদের সাথে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্ত আর মনের প্রশান্তিতেই লুকিয়ে আছে। মনে রাখবেন, দৌড়টা গন্তব্যের জন্য হলেও, পথটুকু উপভোগ করাটাই জীবনের প্রকৃত বাস্তবতা। 😊✨
​ #জীবন #বাস্তবতা #অনুপ্রেরণা #সময়

আমাদের নাগরিক সচেতনতা ও সাধারণ শিষ্টাচার কি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে?​রাস্তায় চলার সময় অনেক সময়ই অস্বস্তিকর কিছু দৃশ্য আমাদের ...
24/06/2026

আমাদের নাগরিক সচেতনতা ও সাধারণ শিষ্টাচার কি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে?
​রাস্তায় চলার সময় অনেক সময়ই অস্বস্তিকর কিছু দৃশ্য আমাদের চোখে পড়ে। অনেককে দেখা যায় কোনো প্রকার সংকোচ বা লজ্জা ছাড়াই জনসমক্ষে, এমনকি মানুষের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে। এই দৃশ্যটি দেখলে সত্যিই প্রশ্ন জাগে—আমরা কি তবে সাধারণ সামাজিক শিষ্টাচার ভুলে যাচ্ছি?
​প্রকাশ্যে মূত্রত্যাগ কেবল অস্বাস্থ্যকরই নয়, এটি পথচারীদের জন্য চরম অমর্যাদাকর এবং বিব্রতকর একটি বিষয়। রাস্তাঘাট আমাদের সবার ব্যবহারের জায়গা। সেখানে সামান্যতম লজ্জা-শরমের তোয়াক্কা না করে এমন কাজ করা অসভ্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
​অনেকে হয়তো ভাবেন এটি খুব সাধারণ একটি বিষয়, কিন্তু এই 'সাধারণ' অভ্যাসটিই আমাদের সমাজের রুচি ও সচেতনতার অভাবকে ফুটিয়ে তোলে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়া। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রাখা কি আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না?
​আসুন, আমরা নিজেরা সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি। রাস্তাঘাট বা জনাকীর্ণ স্থানকে নোংরা না করে, সভ্য সমাজের অংশ হিসেবে নিজেদের আচরণে পরিবর্তন আনি। লজ্জা-শরমে থাকা এবং অন্যের সম্মান রক্ষা করা প্রতিটি মানুষেরই দায়বদ্ধতা।
​ #সচেতনতা #সামাজিকমূল্যবোধ #নাগরিকদায়িত্ব #পরিচ্ছন্নসমাজ #শিষ্টাচার #আমাদেরসমাজ #সচেতননাগরিক #মানবিকতা

আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার সবাইকে। পেশায় আমি একজন গাড়িচালক। স্টিয়ারিং হাতে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলাই আ...
21/06/2026

আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার সবাইকে। পেশায় আমি একজন গাড়িচালক। স্টিয়ারিং হাতে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলাই আমার কাজ। এই চাকার সাথে ঘোরার ব্যস্ততার মাঝে মনটাকে একটু হালকা রাখতে আর বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ফেসবুককে বেছে নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, কাজের সূত্রে যেহেতু নানান জায়গায় চলাফেরা করি, সব জায়গায় একটু চেনা-পরিচিতি থাকলে হয়তো ভালো হবে, কখনো কোনো প্রয়োজনে কাজে আসবে।
​কিন্তু ইদানীং একটা বড় প্রশ্ন মনের ভেতর উঁকি দিচ্ছে— এই ফেসবুকের পরিচিতির কি আসলেও কোনো বাস্তব মূল্য আছে? নাকি এই ভালো লাগা, চেনা-জানা সবকিছুই শুধু এই চারকোণা স্ক্রিন আর লাইক-কমেন্টেই সীমাবদ্ধ? বাস্তব জীবনের কঠিন সময়ে এই ভার্চুয়াল পরিচিতিগুলো কতটা কাজে আসে?
​আমি আমার মনের একটি সাধারণ দ্বিধা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনারা এই ব্যাপারে কী ভাবেন? আপনাদের মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানালে খুব খুশি হব।
​সবাই খুব ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ সবাইকে।
#ফেসবুক_বাস্তবতা #গাড়িচালক #জীবনের_গল্প #বাস্তব_অভিজ্ঞতা #মতামত_দিন All India Driver Mahasangha

আমাদের সময়ের অপচয় আর ভার্চুয়াল জগতের মরিচিকা​আমরা কি কখনো হিসাব করে দেখেছি, প্রতিদিন ফেসবুকের স্ক্রল করতে করতে আমাদের জী...
18/06/2026

আমাদের সময়ের অপচয় আর ভার্চুয়াল জগতের মরিচিকা
​আমরা কি কখনো হিসাব করে দেখেছি, প্রতিদিন ফেসবুকের স্ক্রল করতে করতে আমাদের জীবনের কতটা অমূল্য সময় আমরা হারিয়ে ফেলছি? যে সময়টা আমাদের ক্যারিয়ার গড়ায়, পরিবারকে সময় দিতে কিংবা নিজেকে নতুন কোনো দক্ষতায় গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারত, সেই সময়ের সিংহভাগই আমরা ব্যয় করছি এমন এক প্ল্যাটফর্মে, যার বিনিময়ে দিনশেষে আমাদের প্রাপ্তির ঝুলি প্রায় শূন্য। সময় আসলেই অমূল্য, কিন্তু আমরা কি সেই মূল্যের মর্যাদা দিচ্ছি?
​ফেসবুক এখন যেন এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতার মঞ্চ। মানুষ এখন গঠনমূলক কাজের চেয়ে সস্তা জনপ্রিয়তার পেছনে বেশি ছুটছে। কন্টেন্টের মান নয়, বরং অশ্লীলতা বা বিতর্কিত আচরণই এখন ভাইরাল হওয়ার সহজতম পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা ভালো কিছু দেখতে বা শুনতে ক্রমশ অনাগ্রহী হয়ে উঠছি, আর অ্যালগরিদমও আমাদের সেই স্রোতেই ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
​সবচেয়ে অবাক লাগে তখন, যখন দেখি আমরা ভুল জিনিসগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছি। তথাকথিত ভাইরাল হওয়ার দৌড়ে আমরা মানবিকতা এবং শালীনতাকে বিসর্জন দিচ্ছি। অথচ সামান্য কোনো ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে আমরা যতটা সোচ্চার হই, আমাদের সময়ের সঠিক ব্যবহার কিংবা সুস্থ বিনোদনের ক্ষেত্রে সেই সচেতনতাটুকু কোথায় যেন হারিয়ে যায়।
​আমরা কি পারি না নিজের প্রোফাইল বা নিউজফিডকে একটু পরিচ্ছন্ন রাখতে? পারি না এমন কিছু শেয়ার করতে যা অন্যের উপকারে আসবে বা কাউকে অনুপ্রেরণা দেবে? ফেসবুক আমাদের দাস হওয়ার কথা ছিল না, বরং আমাদের হাতের একটি মাধ্যম হওয়ার কথা ছিল। আসুন, সময়ের সঠিক ব্যবহারে আরও সচেতন হই এবং সস্তা জনপ্রিয়তার পরিবর্তে সৃজনশীলতাকে গুরুত্ব দিই।
​ভার্চুয়াল জগতের এই ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে না ফেলে, বাস্তব জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার শপথ নিই।
​ েতনতা #ডিজিটাল_জীবন #ফেসবুক_সংস্কৃতি #ইতিবাচক_চিন্তা াশ্রয় #মানবিকতা #সচেতন_সমাজ

আমরা অনেকেই মনের মধ্যে চমৎকার সব আইডিয়া নিয়ে ঘুরে বেড়াই, কিন্তু সেগুলো সঠিক সময়ে প্রকাশ করতে পারি না। মনে রাখবেন, আপনার ...
10/06/2026

আমরা অনেকেই মনের মধ্যে চমৎকার সব আইডিয়া নিয়ে ঘুরে বেড়াই, কিন্তু সেগুলো সঠিক সময়ে প্রকাশ করতে পারি না। মনে রাখবেন, আপনার আইডিয়া যতক্ষণ আপনার মাথায় আছে, ততক্ষণ তা কেবল একটি কল্পনা। কিন্তু যখনই আপনি তা প্রকাশ করবেন, তখনই তা বাস্তবে রূপ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
​প্রকাশ করার ক্ষমতা কেবল কথা বলার বিষয় নয়, এটি একটি দক্ষতা। আর এই দক্ষতা অর্জনের সেরা উপায় হলো মানুষের সাথে মেশা। আপনি যত বেশি মানুষের সাথে মিশবেন, আপনার জড়তা ততটাই কমবে এবং চিন্তার প্রকাশ ততটাই স্পষ্ট হবে। আপনার মূল্যবান কথাগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিন!
​ #আত্মবিশ্বাস #প্রকাশভঙ্গি #জীবনবোধ #অনুপ্রেরণামূলক

ফেসবুকে কি ছোট ক্রিয়েটরদের দিন শেষ হয়ে আসছে?​অনেকদিন ধরেই একটা বিষয় খুব কাছ থেকে দেখছি, আর নিজের ভেতরেও একই অস্থিরতা কা...
06/06/2026

ফেসবুকে কি ছোট ক্রিয়েটরদের দিন শেষ হয়ে আসছে?
​অনেকদিন ধরেই একটা বিষয় খুব কাছ থেকে দেখছি, আর নিজের ভেতরেও একই অস্থিরতা কাজ করছে। আমাদের মতো অনেক ছোট ক্রিয়েটর ইদানীং ফেসবুক থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। কেন এমনটা হচ্ছে, তা নিয়ে একটু খোলাখুলি কথা বলতে চাই।
​১. অ্যালগরিদমের গোলকধাঁধা:
অনেক কষ্ট করে ভালো মানের ভিডিও বা কন্টেন্ট বানাচ্ছি, কিন্তু সেটি সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। রিচ (Reach) এতই কমে গেছে যে নিজের ভিডিও নিজে খুঁজে পেতেও কষ্ট হয়। এই অনিশ্চয়তা কাজের স্পৃহা কমিয়ে দেয়।
​২. সৃজনশীলতার মূল্য কমে যাওয়া:
আজ যা ট্রেন্ড, সবাই তার পেছনে ছুটছি। মৌলিক বা ইউনিক আইডিয়াগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, ফেসবুক এখন কেবল কপি-পেস্টের প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আসল পরিশ্রমের চেয়ে ভিউ পাওয়ার তাড়না বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
​৩. এনগেজমেন্টের অভাব:
একটা পোস্ট বা ভিডিওতে যখন মানুষ প্রতিক্রিয়া জানায় না, তখন মনের অজান্তেই মনে হয়—‘এত কষ্ট করে লাভ কী?’ মানুষের মনোযোগের পরিধি এত কমে গেছে যে, বড় বা গভীর কোনো কাজ করলে তা আর দর্শকদের চোখে পড়ছে না।
​৪. নিরাশায় ডুবে যাওয়া:
বড় বড় পেজ বা ইনফ্লুয়েন্সারদের দ্রুত এগিয়ে যেতে দেখলে ছোটরা খুব সহজেই হতাশ হয়ে পড়ছে। মনে হচ্ছে, আমাদের ছোট ছোট প্রচেষ্টাগুলো বিশাল এই প্ল্যাটফর্মের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে।
​এখন প্রশ্ন হলো, আমরা কি হাল ছেড়ে দেব?
​আমি জানি, আমরা যারা শখের বশে বা প্যাশন থেকে শুরু করেছিলাম, তাদের জন্য এই সময়টা কঠিন। কিন্তু ধৈর্য হারানো ছাড়া আপাতত আর কোনো উপায় নেই। মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া দরকার, নিজেকে রিফ্রেশ করা দরকার। মনে রাখবেন, আজকের এই কঠিন সময়টাও একটা অভিজ্ঞতা।
​আপনারাও কি একই রকম অনুভব করছেন? আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান। আমি কি একা, নাকি আপনারা অনেকেই এমনটা ফিল করছেন?

আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ​তাকবীরে তাশরীক: নিয়ম ও ফজিলত​পবিত্র জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজরের সালাত থ...
27/05/2026

আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
​তাকবীরে তাশরীক: নিয়ম ও ফজিলত
​পবিত্র জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজরের সালাত থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসরের সালাত পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রতিটি ফরয সালাতের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব।
​তাকবীর ও এর অর্থ
​আরবি:
اللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
​বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
​অর্থ:
"আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; এবং সমস্ত প্রশংসা কেবল আল্লাহরই জন্য।"
​জরুরি কিছু নিয়মাবলি
​কার ওপর ওয়াজিব: প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম (নারী ও পুরুষ) এবং মুকিম ও মুসাফির—সবার ওপরই এই তাকবীর পড়া ওয়াজিব।
​পড়ার সময়: ফরয সালাতের সালাম ফিরানোর পরপরই এটি পড়তে হয়। কোনো কথা বলা বা সালামের পরের সুন্নত বা নফল সালাতে যাওয়ার আগেই এটি পাঠ করা নিয়ম।
​আওয়াজের ধরন:
​পুরুষ: মাঝারি আওয়াজে (একটু উচ্চস্বরে) পড়বেন।
​নারী: মনে মনে বা অতি নিচু স্বরে পড়বেন।
​ভুলে গেলে করণীয়: যদি সালাম ফেরানোর পর তাকবীর দিতে ভুলে যান এবং মসজিদ থেকে বের হয়ে যান বা কথা বলে ফেলেন, তবে আর কাজা করতে হবে না। তবে নিজের গাফিলতির জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে ইস্তিগফার (তওবা) করে নেওয়া ভালো।
​নোট: আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সুন্নাহ ও ওয়াজিব বিষয়গুলো সঠিকভাবে মেনে চলার এবং এই বরকতময় দিনগুলোতে বেশি বেশি আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
​ #তাকবীরে_তাশরীক #জিলহজ #ঈদুল_আজহা #ইসলামিক_আমল #সুন্নাহ_অনুসরণ

ঈদ:🎈🎈🎈 এক কোণে খুশির জোয়ার, অন্য কোণে বাবার নীরব হাহাকার! 🌙💔​একই উঠোনে, একই সময়ে দুটো ভিন্ন অনুভূতি।​একটি নিষ্পাপ শিশু অ...
27/05/2026

ঈদ:🎈🎈🎈
এক কোণে খুশির জোয়ার, অন্য কোণে বাবার নীরব হাহাকার! 🌙💔
​একই উঠোনে, একই সময়ে দুটো ভিন্ন অনুভূতি।
​একটি নিষ্পাপ শিশু অধীর আগ্রহে দিন গুনছে আর বলছে—"ঈদ কেন এতো দেরিতে আসে? আর কতদিন বাকি?" কারণ তার কাছে ঈদ মানেই নতুন জামার গন্ধ, মজার মজার খাবার আর সীমাহীন আনন্দ। সে তো আর জানে না পেছনের গল্পটা!
​ঠিক একই সময়ে, ঘরের অন্য কোণে বসে একজন বাবা মলিন মুখে হিসাব কষছেন আর ভাবছেন—"ঈদ কেন এতো তাড়াতাড়ি চলে এলো?" পকেটে টান, অথচ চোখের সামনে ছেলে-মেয়েদের আবদার। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে হবে, নতুন কাপড় দিতে হবে, ঈদের দিন একটু ভালো খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।
​বাচ্চাদের কাছে ঈদ মানে শুধু উৎসব, আর একজন মধ্যবিত্ত বাবার কাছে ঈদ মানে এক বিরাট দায়িত্ব ও নীরব যুদ্ধ। নিজের হাজারো কষ্ট আড়াল করে, সব ইচ্ছা বিসর্জন দিয়ে যিনি সন্তানদের মুখে হাসি ফোটান—তিনিই বাবা।
​পৃথিবীর সব বাবারাই যেন তাদের সন্তানদের মুখে হাসি ফুটিয়ে এক বুক স্বস্তি নিয়ে ঈদের চাঁদ দেখতে পারেন, এই কামনাই করি। সব বাবাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ❤️ ঈদ মোবারক ♥️
​ োবারক #বাবার_ভালোবাসা #বাস্তবতা #মধ্যবিত্তের_ঈদ #আবেগ #পারিবারিক_বন্ধন #ঈদের_আনন্দ #বাবা

Address

Itarvita
Howli
781316

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nurmahammad bhai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nurmahammad bhai:

Share