Aparna Is a name

Aparna Is a name জীবন কঠিন কিন্ত শিক্ষণীয়

ভালো থাকার রসদ খুঁজছিআমি একাকী রোজ ছুটছিমাইলের পর মাইল হাটছিআমি ভালো থাকার রসদ খুঁজছিকখনো হাসছি, কখনো হাসাচ্ছিহতাশ হয়ে ঘ...
09/11/2025

ভালো থাকার রসদ খুঁজছি

আমি একাকী রোজ ছুটছি
মাইলের পর মাইল হাটছি
আমি ভালো থাকার রসদ খুঁজছি

কখনো হাসছি, কখনো হাসাচ্ছি
হতাশ হয়ে ঘরে ফিরছি
সকাল হতেই স্বপ্ন ফাঁদছি
ভেঙে পরে অনেক কাঁদছি
আমি ভালো থাকার রসদ খুঁজছি

কত কত ভিড়, কত কোলাহল
কত অভিনয়,কত ডামাডোলে
মুখ মুখোশ মিলেমিশে একাকার
চারিদিকে খুশির সন্ধানে হাহাকার
একগোছা প্রত্যাশা নিয়ে রোজ চোখ বুঝছি
আমি সুখে থাকার রসদ খুঁজছি
কখনো শহরে দূষণে অক্সিজেন খুঁজছি
কখনো দূষণ হীন বায়ুতে শান্তি খুঁজছি
নিজেই জানি কি খুঁজছি
আমি আমাতে খুশির রসদ খুঁজছি

আরভিনের পাহিমালয়ের কোলে পড়ে আছে একটি পা। জুতো আছে। মোজাও আছে। মোজার গায়ে সেলাই করা একটি নাম--AC IRVIN.একশো বছর।ঠিক একশো ...
01/11/2025

আরভিনের পা

হিমালয়ের কোলে পড়ে আছে একটি পা। জুতো আছে। মোজাও আছে। মোজার গায়ে সেলাই করা একটি নাম--AC IRVIN.

একশো বছর।

ঠিক একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে পড়ে আছে পা-টি।

এই পা হয়তো প্রথম এভারেস্টের শিখর ছুঁয়েছিল।

ইতিহাস সব কিছু জানে না। জানার কথাও নয়।

বেচাকেনা চুকিয়ে, লেনাদেনা মিটিয়ে এসি স্যান্ডি আরভিন হিমালয়ে বিলীন হয়েছিলেন ১৯২৪ সালে।

কিন্তু তাঁর পা-টি এখনও পড়ে আছে। দেহের বাকি অংশ কোথায় ? কেউ জানে না। শুধু পা-টি আছে বরফের কোলে। পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত রহস্যের সাক্ষী হয়ে।

কে এই এসি আআরভিন ? একজন ব্রিটিশ পর্বত অভিযাত্রী।

তিনি এবং জর্জ ম্যালোরি একশো বছর আগে প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন বলে জনশ্রুতি। কিন্তু স্রেফ প্রমাণের অভাবে তাঁরা সেই স্বীকৃতি পাননি। দুর্গম হিমালয়ে মিলিয়ে গিয়েছিলেন অকুতোভয় দুই প্রাণ। এন্ড্রু কোমিন 'স্যান্ডি' আরভিনের বয়স তখন ২২। ম্যালোরির ৩৭। কুয়াশায় ঘেরা, বরফ আচ্ছাদিত হিমালয়ে কোথায় হারিয়ে গেলেন তাঁরা ? আজও পৃথিবীর সেরা রহস্য সেটি।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্কুলশিক্ষক ম্যালোরি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ছিলেন ফ্রান্সে। যুদ্ধের পর দেশে ফেরার পরই পাহাড়ের নেশা চেপে বসে ম্যালোরির। বারবার ছুটে গিয়েছেন হিমালয়ের কোলে। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, 'বারবার হিমালয়ে যান কেন ?'

যে-উত্তরটি দিয়েছিলেন ম্যালোরি তা আজও সোনার অক্ষরে খোদাই করা আছে--কেন যাই ?

" বিকজ ইট ইজ দেয়ার। "

ম্যালোরির দেহ পাওয়া যায় ১৯৯৯ সালে। আমেরিকার এক অভিযাত্রী দল তাঁর দেহ খুঁজে পায়। ৭৫ বছর ধরে হিমালয়ে পড়ে আছে একটি দেহ। কোমরে দড়ির দাগ। শুধু কাছে নেই ম্যালোরির স্ত্রীর ছবিটি। প্রিয়তমার এই ছবিটি এভারেস্টের চূড়ায় রেখে আসার কথা ছিল। সন্দেহ আরও বাড়ে। তা হলে কি এভারেস্টের চূড়াতেই আছে স্ত্রীর ছবিটি ?

তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি নন, এভারেস্টে প্রথম ওঠেন ম্যালোরি-আরভিন জুটি ?

সব রহস্যের কিনারা হয় না। এবং হয় না বলেই পৃথিবী এত সুন্দর।

আরভিনের পা খুঁজে পাওয়া যায় গত মাসে। এক পর্বত অভিযাত্রী ও সিনেমা নির্মাতার দলের নজরে আসে জুতো-মোজা পরা একটি পা পড়ে আছে। ম্যালোরির দেহাবশেষ যেখানে মিলেছিল তার বেশ খানিক নীচে শুয়ে আছে আরভিনের পা। ওই দলের সদস্য জিমি চিন বলেন, 'মোজাটা তুলে দেখি একটা লাল রঙের লেবেল। তাতে সেলাই করা আছে আরভিনের নাম।' দেহের বাকি অংশ নেই। নেই আরভিনের কোডাক ক্যামেরাটাও। এই ক্যামেরার হদিস পেলে হয়তো ইতিহাস অন্যরকম ভাবে লেখা হতো।

আরভিনের পায়ের খবর শুনে কেঁদে ফেলেন জুলি সামার্স। জুলি আরভিনের বংশধর এবং তাঁর জীবনীকারও বটে। তাঁর কথায়, 'আমি ছোটবেলা থেকে আমি হারিয়ে যাওয়ার কথা শুনে এসেছি। যেদিন ম্যালোরির দেহ মিলল, সেদিন ভেবেছিলাম আরভিনের দেহও নিশ্চয় পাওয়া যাবে।' ম্যালোরির দেহ উদ্ধারের ২৫ বছর পর মিলল আরভিনের পা। ঘটনাচক্রে সেই অভিযানের একশো বছর পরে। হয়তো আরও ২৫ বছর পর এভারেস্টের চূড়ায় কেউ খুঁজে পাবে এক নারীর ছবি। প্রচণ্ড তুষারঝড়েও যে-ছবিটি বরফের গায়ে লেগে আছে এক না-লেখা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। সেই নারীর নাম রুথ ম্যালোরি। জর্জ ম্যালোরির স্ত্রী।

কবি জানতেন, তাঁর পায়ের চিহ্ন একদিন পড়বে না এই বাটে। কিন্তু আরভিন কি জানতেন, তিনি নন, তাঁর পায়ের চিহ্নও নয়, তাঁর পা-টিই পড়ে থাকবে বরফে ঢাকা হিমালয়ের কোলে ?

একটা জুতো-মোজা পরা পা কত উথালপাতাল দেখল পাহাড়ে। ঝড় বয়, প্রবল ঠান্ডায় কাঁপতে থাকে চরাচর, কিন্তু পা-টি শুয়ে থাকে একা। একশো বছর ধরে।

একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে হয়তো অন্য কাহিনি লিখবে কেউ। হয়তো কোনও নতুন অভিযাত্রী বলবে, 'কেন যাই ? বিকজ ইট ইজ দেয়ার।'

হিমালয় তো থাকবেই, যেমন আছেন ম্যালোরি-আরভিন। (সূত্র: গার্ডিয়ান)

সংগৃহিত

জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল মহিলা কমিটির পরিচালনায় ময়নাগুড়ি টাউন ব্লক তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো কবি গুরুর ১৬...
09/05/2025

জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল মহিলা কমিটির পরিচালনায় ময়নাগুড়ি টাউন ব্লক তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো কবি গুরুর ১৬৪ তম জন্ম জয়ন্তী।
বিশ্ব কবির জন্ম জয়ন্তীর পূর্ণ তিথিতে আজ ময়নাগুড়ি তৃণমূল কার্যালয়ের পবিত্র ভূমিতে গ্রীষ্মের তাপ দাহ অবস্থাতেও শিশু থেকে যুবতী নারীরা সকলে মেতে উঠলেন।
কবির কবিতা গান ছন্দ নৃত্য তে অপরাহ্ন থেকে সন্ধ্যা মুহূর্ত গুলো হয়ে উঠলো আনন্দ
মুখরিত।
All India Trinamool Congress
Mamata Banerjee Abhishek Banerjee

Chandrima Bhattacharya

জ্যোতি বসু নিজের জীবনে অনেক কুকীর্তি করেছেন। মরিচঝাপি থেকে শুরু করে অনেক ঘটনাই আমরা জানি। আজ তার অনেক পাপের মধ্যে একটি প...
22/02/2025

জ্যোতি বসু নিজের জীবনে অনেক কুকীর্তি করেছেন। মরিচঝাপি থেকে শুরু করে অনেক ঘটনাই আমরা জানি। আজ তার অনেক পাপের মধ্যে একটি পাপের কথা জানাই আপনাদের। এই জঘন্য পাপ করেছিলেন বিশ্ব বিখ্যাত সন্তরণবিদ মিহির সেনের সাথে। সেই মিহির সেন যিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন।

১৯৫৮ এ ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করার পর আরো বেশ কয়েকবছর ভারতসরকারের সহায়তায় আরো ৭ টা সমুদ্র পার করে বিশেষ পারদর্শিতা দেখান। ফলস্বরুপ ১৯৫৯ এ তিনি পদ্মশ্রী ও ১৯৬৭ এ পদ্মভূষণ সম্মানপ্রাপ্ত হন। শুধু তাই নয় তাঁর এই অসামান্য কীর্তির জন্য তাঁকে ব্লিট্জ নেহেরু ট্রফি দিয়েও সম্মানিত করা হয়।

বাঙালি নাকি ব্যবসা করতে জানে না? মিহির সেন নামলেন ব্যবসায়ে। রেশম রপ্তানি করতে শুরু করেন। অতি শীঘ্র উৎকৃষ্টমানের রেশম রপ্তানীর কারনে ভারত সরকারের অনুমোদন পায় এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেশম রপ্তানীকারক কোম্পানি হয়ে ওঠে।

কিন্তু বিধি বাম। বাম শুধু না, পুরো জ্যোতি বসু! ১৯৭৭ সাল, বিধানসভা নির্বাচন একদম দোরগোড়ায়। এই সময় মিহির সেনকে জ্যোতিবাবুর প্রচারকার্যের জন্য নির্দেশ আসে। সাথে সরকারি আমলা পদের লোভও।মুখের ওপর না বলে নির্দল প্রার্থী হিসেবে পরের দিনই নিজের মনোনয়ন জমা দিলেন।

নির্বাচনে সেবার বিপুল ভোটে জয়ী হলেন কমরেড জ্যোতি বসু। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রিত্বের সাথে সাথে বিপুল ক্ষমতাও তাঁর হাতে এলো। মিহির সেনকে কিন্তু তিনি ভোলেন নি। দিলেন নিজের পোষা গুন্ডাদের লেলিয়ে। নিত্য অশান্তি ও ধর্মঘট শুরু হয়। ট্রেড ইউনিয়ানের মনোমত কাজ না হলেই গ্রাফিটি আর স্লোগানে ভরে যেত মিহির সেনের অফিস চত্বর , দোকান আর কারখানা। রাস্তায় বসে দোকান অবরোধ করে দিনের পর দিন চলত সিটুর ধর্মঘট। ধীরে ধীরে এই ধর্মঘটের আঁচ লাগলো মিহির সেনের রেশম কারখানাতেও।খিদিরপুরের জামাকাপড়ের কারখানা আর কারখানা রইলো না, চায়ের দোকান হয়ে গেল রাতারাতি। পুলিশকে মুক দর্শক থাকতে বলা হল আলিমুদ্দিন থেকে। মিহির সেনের আরো দুটো কারখানা ছিল খিদিরপুরে,সিল্ক স্ক্রীনিং ও সিল্ক ব্লক প্রিন্টের,কারখানা দুটো দুর্দশার মুখে পড়ল।ট্রাক ভর্তি মাল রপ্তানির জন্য প্রস্তুত কিন্তু সিটুর ধর্মঘটের জেরে রপ্তানি করা গেল না।সিটু পুড়িয়ে দিল সেই ট্রাক সমেত লক্ষাধিক টাকার মাল। পুলিশ শুধু দাঁড়িয়ে দেখলো সব, হস্তক্ষেপ করা তো দুরের কথা, বাধা দিতেও এগিয়ে গেল না পুলিশ। CITUর তাড়নায় ঋদ্ধ ব্যবসা লাটে উঠলো।প্রতিশোধ কি পূরণ হল?

না, এই তো সবে শুরু! একের পর এক সাজানো কেসে ফাঁসানো হল মিহির সেনকে। পুলিশ অতর্কিতে এসে হানা দিত তাঁর বাসস্থানে, সংস্থায়, কারখানায়, সর্বত্র। নগদ টাকা পয়সা, সম্পত্তি সব বাজেয়াপ্ত করে ফেলে রেখে গেল এক ভেঙ্গে পড়া, হতাশাগ্রস্থ পরিবারকে। দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ওই মানুষটি নিজের পরিবারকে সামান্য গ্রাসাচ্ছদনের ক্ষমতা পর্যন্ত ছিল না। স্ট্রোক হলো মিহির সেনের। স্মৃতিলুপ্ত হলো তাঁর। বয়স ছিল তখন মাত্র ৫০।

কেসের জন্য কোর্টে হাজিরা দিতে যেতে হত নিয়মিত মিহির সেনকে, কোর্টে যাওয়ার পথে বামপন্থি উকিলরা টিটকারি মারতেও ছাড়তো না দম্পতিকে। এখানেই শেষ নয়।

জ্যোতিবাবু একটু খেলাতে চাইলেন মানুষটাকে। ১৯৮৮ সাল, আবার ডেকে পাঠালেন হতভাগ্য মিহির সেনকে। বললেন বামফ্রন্টে যোগ দিতে। মিহির ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রস্তাব।ফলে বাম গুন্ডারা তাঁর জীবন আরো দুর্বিসহ করে দিল

১৯৯৭ এ মিহির সেন যখন মারা যান তখন তিনি ছিলেন নিঃস্ব! আলিপুরের ফ্ল্যাটটা ছাড়া আর কোন সম্পত্তি তাঁর ছিল না। তাও ফ্ল্যাটটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশনের অ্যালট করা মিহির সেনের নামে!

ভাবছেন মৃত্যুতে তো শেষ হবে মিহির সেনের জীবনের পীড়া? না, না আরো আছে। মিহির সেনের এক কন্যা আছেন, সুপ্রিয়া, তিনি লন্ডনে থাকতেন।পিতার মৃত্যুর কয়েকবছর পর আলিপুরের ফ্যাটে ঢুকতে গিয়ে দেখেন সব তছনছ, বাড়ি লন্ডভন্ড,কে বা কারা মিহির সেনের পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ মেডেল দুটি সমেত বেশ কিছু মেডেল চুরি করেছে। ফোনে হুমকি পেতেন ফ্ল্যাট খালি করার।

থানা,কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েও যখন কোনো লাভ হয়নি। ফলে স্বনামধন্য জগৎবিখ্যাত এই সন্তরণবিদ বাঙালি মিহির সেন লোকচক্ষুর আড়ালে বিস্মৃতপ্রায় হয়েই রয়ে গেলেন।

আমরা এই প্রজন্ম শুধু তাঁর কীর্তির কথাই শুনে এসেছি,কিন্তু জানতে পারিনি কিভাবে এককালের সফল ক্রীড়াবিদ ও ব্যবসায়ী জীবনের শেষপ্রান্তে নিঃস্ব হয়ে গেলেন।জ্যোতি বসুর লোভ, অহংকার ও ক্রুরতা একজন সফল মানুষকে কি ভাবে পদে পদে হেনস্থা করে অসহায় করে দিয়েছিল তা কি আমরা জানতাম? বামফ্রন্ট এই রাজ্যের একটা বিষবৃক্ষ পুঁতে দিয়ে গেছিল। সেই বিষবৃক্ষের বিষফলে সাধারন মানুষ থেকে কিংবদন্তি মানুষেরা কেউ রেহাই পায় নি। সেই বিষবৃক্ষ কি বামেদের সাথে ৩৪ বছর পর শেষ হয়ে গেছে?সমূলে উৎপাটিত হয়েছে এ রাজ্যে?ভেবে দেখার জন্য বলছি আপনাদের,ভেবে দেখুন।

Aparna Sarkar
Aparna Sarkar Mona
Aparna Sarkar
All India Trinamool Congress

16/02/2025

হঠাৎ করে তোমার জীবনে একজন আসবে, সে তোমার কথা বলার সঙ্গী হবে, তোমার সব দুঃখ কষ্ট ভাগ করে নেবে, তোমাকে সাহস যোগাবে, তোমাকে...
29/09/2024

হঠাৎ করে তোমার জীবনে একজন আসবে, সে তোমার কথা বলার সঙ্গী হবে, তোমার সব দুঃখ কষ্ট ভাগ করে নেবে, তোমাকে সাহস যোগাবে, তোমাকে ছোটখাটো ‌ বিষয়ে যত্ন করবে, তোমার যত কষ্ট কথার মলম দিয়ে সারিয়ে তুলবে, তোমাকে রোদে পুড়তে শিখাবে, বৃষ্টিতে ভিজতে শেখাবে ।

দিনের পর দিন রাতের পর রাত তোমার সাথে কথা বলবে, সবচেয়ে বড় কথা তোমাকে নতুন করে বাঁচতে শেখাবে, তখন তোমার মনে হবে হ্যাঁ এরকমই একজনকে আমি চেয়েছিলাম, অনেক বছর অপেক্ষার পর আমি তাকে পেয়েছি ।

আমার পাশে আছে একজন ।
তারপর যখন কথা বলার অভ্যাসটা তোমার বদভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে তখন একদিন হঠাৎ করে মানুষটা বদলে যাবে, তোমাকে ব্যস্ততা দেখাবে, সারাদিন অপেক্ষা করার পরেও একটা মেসেজ বা কল আসবে না ।
তুমি বারবার ফোন চেক করবে, কিন্তুু তোমার অপেক্ষা......,
অপেক্ষায় থেকে যাবে ।

প্রথম প্রথম দুই একবার কল করে তোমাকে বোঝাবে, সে নিরুপায়, তার জীবনে খুব ব্যস্ততা, তাই সে সময় দিতে পারছে না, এরপর আস্তে আস্তে সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে ।

তুমিও বুঝতে পারবে সেই আর তোমাকে সময় দিতে পারবে না, তাই তুমিও মেসেজ বা কল করে বিরক্ত করা বন্ধ করে দিবে ।

যে মানুষটির জন্য একদিন তুমি ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে এসেছিলে, আবার সেই মানুষটির জন্যই তুমি আরো গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাবে ।

তখন মনে হবে আগে তুমিটাই ভালো ছিলে.., আগের একাকীত্ব টাই ভালো ছিল, জীবনে একা থাকা খুব সহজ
কিন্তুু জীবনে কেউ এসে চলে যাওয়ার যে একাকীত্ব সেটা বড়ই কষ্টদায়ক.....।

#সংগৃহীত শেষ চিঠি পেজ থেকে

ব্যাস আরো একবার বিশ্বাস করতে চাই যে মানুষকে ভালোবাসলে ভালোবাসা দিয়ে তার সবটা খারাপ কে বদলে ফেলা যায়।আরো একবার বিশ্বাস কর...
09/08/2024

ব্যাস আরো একবার বিশ্বাস করতে চাই যে মানুষকে ভালোবাসলে ভালোবাসা দিয়ে তার সবটা খারাপ কে বদলে ফেলা যায়।

আরো একবার বিশ্বাস করতে চাই যে মানুষ ভালোবাসার কাঙ্গাল, অর্থের নয় পদের নয়।
সব বিলাসিতাই তুচ্ছ ভালোবাসার কাছে।

আমি আরো একবার বিশ্বাস করতে চাই মানুষ ভালোবেসে মেশে স্বার্থ নিয়ে নয়।

আর একটি বার আমার সবটা উপলব্ধি মিথ্যে প্রমান হোক চাই।

একবার সেই জেগে থাকাটা স্বপ্ন ভাবতে চাই যেখানে জেগে জেগে জীবনে ভুল মানুষ গুলো আপন ভেবেছিলাম এবং প্রতি নিয়ত তাঁরা আমাকে মিথ্যে প্রমান করেছে,

আমি সবটাই দুঃস্বপ্ন ভাবতে চাই যেই বাস্তব টা কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে আমাকে।

একবার ভুলতে চাই খালি শিক্ষাঙ্গন এর প্রাপ্ত শিক্ষা মায়ের দেওয়া ভালোবাসার শিক্ষা ক্ষমা করার শিক্ষা।

একবার ঝোড়ো হওয়ার মতো বয়ে যেতে দিতে চাই সব বিশ্বাস ঘাতকতা, স্বার্থপরতা গুলো কে আঁচড়ে দিতে চাই তাঁদেরই পাঁজরে যে পাঁজরের নিচে চাপা পড়ে আছে মনুষত্ব স্টোর করা হার্ড ডিক্স টা।


বিঃদ্রঃ :- এই সব হ্যাস ট্যাগ গুলোই মনের ভিতরে চাপা অভিমান,
কারো ego তে খোঁচা লাগলে নিজেকে শুধরানোর চেষ্টা করবেন অনুভূতি গুলোকে মিথ্যে ঘোষণা করার চেষ্টাও করবেন না, লিখার হাত টা আটকে গেলে অন্য হাত লম্ফো ঝম্ফো করে

ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে           অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।                 নাস্তিক সেও পায়ে বিধাতার বর,        ...
08/08/2024

ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে

অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।

নাস্তিক সেও পায়ে বিধাতার বর,

ধার্মিকতার করে না আড়ম্বর।

শ্রদ্ধা করিয়া জ্বালে বুদ্ধির আলো,

শাস্ত্রে মানে না, মানে মানুষের ভালো।

বিধর্ম বলি মারে পরধর্মেরে,

নিজ ধর্মের অপমান করি ফেরে,

পিতার নামেতে হানে তাঁর সন্তানে,

আচার লইয়া বিচার নাহিকো জানে,

পূজাগৃহে তোলে রক্তমাখানো ধ্বজা, --

দেবতার নামে এ যে শয়তান ভজা।

অনেক যুগের লজ্জা ও লাঞ্ছনা,

বর্বরতার বিকারবিড়ম্বনা

ধর্মের মাঝে আশ্রয় দিল যারা

আবর্জনায় রচে তারা নিজ কারা। --

প্রলয়ের ওই শুনি শৃঙ্গধ্বনি,

মহাকাল আসে লয়ে সম্মার্জনী।

যে দেবে মুক্তি তারে খুঁটিরূপে গাড়া,

যে মিলাবে তারে করিল ভেদের খাঁড়া,

যে আনিবে প্রেম অমৃত-উৎস হতে

তারি নামে ধরা ভাসায় বিষের স্রোতে,

তরী ফুটা করি পার হতে গিয়ে ডোবে --

তবু এরা কারে অপবাদ দেয় ক্ষোভে।

হে ধর্মরাজ, ধর্মবিকার নাশি

ধর্মমূঢ়জনেরে বাঁচাও আসি।

যে পূজার বেদি রক্তে গিয়েছে ভেসে

ভাঙো ভাঙো, আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে --

ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো,

এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো

06/08/2024

শেষ লাইন 🥀

আরে আমি নাহয় আঁধারেই দাঁড়িয়ে ছিলাম, সেই অপরাধে আমাকে ত্যাগ করে ছুঁটলে আলোর সন্ধানে _________

তোমারো কি কুঠিরে এক খানা মোম বাতির অভাব ছিলো যে লোডশেডিং হয়ে যাওয়ায় আবার আলো জ্বালতে পারলে না!

আজ দেখো একটা জোনাকি আমাকে পথ চেনাতে নিজে জ্বলে সহস্র আলোর পূর্ণিমা ভরা আকাশের নিচে দার করিয়েছে,

তবে কি তোমার ঘরে চাঁদের আলো টাও ঢোকে না 😭

মানছি নেই মোমবাতি, মানছি ঢোকেনা চাঁদের আলো, রাতের আঁধারে শুধু তোমাকে খুঁজতে মৌমাছি রা হানা দেয়, তুমি কি স্মৃতিও হারিয়েছো।

মাইলের পর মাইল তোমায় হাঁটতে হবেনা খানিকটা এগিও দেখবে সম্মুখে আমার চন্দ্রলোকিত স্বাধীন আকাশ, যেখানে রোজ তোমার আঁধারে মৌমাছির কামড় খেতে হবে উজ্জ্বল আলোতে তাঁদের তাড়াতে আমিও সাহায্য করবো,

বিশ্বাস কর আমি তোমার মতো তোমাকে আঁধারে দেখে একাটি ফেলে কোথাও যাবোনা চাঁদের চেয়েও বেশি জোৎস্না যদি আসে তবুও না কখনো না।

বিঃদ্রঃ :- নিছক মনে হওয়া যুগলের সংলাপ মাত্র।

Madhumita Das Priyanka Das

বৃদ্ধাশ্রম থেকে শাশুড়িমাকে চিঠি....এক পুত্রবধূর পূজনীয় মা,               এই "মা" কথাটা আমি কোনদিন আপনাকে মন থেকে বলিনি...
31/07/2024

বৃদ্ধাশ্রম থেকে শাশুড়িমাকে চিঠি....এক পুত্রবধূর
পূজনীয় মা,
এই "মা" কথাটা আমি কোনদিন আপনাকে মন থেকে বলিনি। আজ আপনাকে খুব ইচ্ছে হল একটা চিঠি লেখার। তাই খোলা আকাশের নিচে বসে আপনাকে চিঠি লেখা শুরু করলাম। জানিনা এই চিঠি আপনার কাছে পৌঁছাবে কিনা! আমি সেই বৃদ্ধাশ্রমের আছি যে বৃদ্ধাশ্রমের আপনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। ভাগ্যক্রমে আপনি যে রুমটিতে থাকতেন আমি এখন সেই রুমে। তাই হয়তো আজ আপনাকে আমার খুব মনে পড়ছে। ক্ষমা চাইবার অধিকার আমি হারিয়ে ফেলেছি। তাও এই চিঠি লিখছি যদি আপনি ক্ষমা করে দেন।
বিয়ে হয়ে আসার পর থেকে আমি দেখেছিলাম আপনি সংসারটাকে নিজের হাতে রেখেছিলেন। এটা আমার সহ্য হতো না, মনে হতো যেন আমি বন্দি হয়ে আছি কিন্তু এটা বুঝতাম না মাথার উপর একজন অভিভাবক থাকা কতটা প্রয়োজন। আপনি যখন বলতেন-"বৌমা যতটা খাবে ততটা নাও, লোকসান করো না"এই কথাটা যেন আমার অসহ্য লাগত কিন্তু আমি এখন বুঝতে পারি আপনি কোন খারাপ কথা বলেননি তো!
আপনি তো আমাকে না খেয়ে থাকতে বলেন নি। , লোকসান করতে মানা করছিলেন। আপনার হাতে যখন আপনার ছেলে মাসিক বেতন তুলে দিত তখন আমার খুব অসহ্য লাগতো, মনে মনে ভাবতাম কি করে আপনার কাছ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়! আপনার কাছ থেকে মুক্তি পাবার জন্য আপনার ছেলের কাছে আমি বায়না করি আমি তার সাথেই যাবো তার কর্মস্থলে। আপনার ছেলের প্রথমে অনুমতি না দিলেও পরে ঠিক মানিয়ে নিই কান্নাকাটি করে। বেশ ভালোই ছিলাম দুজনে, কিন্তু যখন আমি অন্তঃসত্ত্বা হই , ডাক্তার আমাকে বেড রেস্ট নিতে বলে। তখন আপনার ছেলে আপনাকে নিয়ে আসে আমাদের ভাড়া বাড়িতে। আপনি বাড়ির সব কাজ করতেন, আমাকে সেবা করতেন, তাও যেন আপনাকে আমার অসহ্য লাগত। আমারও একটি পুত্র সন্তান হয়। আমার সন্তান আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। সব সময় ঠাম্মা ঠাম্মা করতে থাকে, আমার এই ঠাম্মা শব্দটা শুনে অসহ্য লাগত। আমার ছেলেকে আমি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি করি। কিন্তু আপনি বাংলা মিডিয়ামের যত কবিতা, গল্প শোনাতে থাকেন। ছেলে জেদ করে বসে সে বাংলা মিডিয়াম স্কুলে পড়বে। এই ব্যাপারটা আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলাম না। আমাদের ভাড়া বাড়িতে দুটি রুম ছিল, একটাতে আমি আর আপনার ছেলে থাকতাম, অপরটিতে আমার ছেলেও আপনি। ছেলে বড় হচ্ছে তাই আরেকটা রুমের প্রয়োজন ছিল। আমি আর আপনার ছেলে যুক্তি করলাম দেশের বাড়ি ও জমি বিক্রি করে এখানে নিজেদের বাড়ি তৈরি করব। আপনি কিছুতেই সই করছিলেন না, এটা বলে ওটা আপনার শ্বশুরের ভিটা, ওখানে আপনার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। শেষ পর্যন্ত আপনি সই করলেন। আপনার সাথে আমার কোনমতেই বনিবনা হতো না। তাই স্থির করি আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর। তখন আমার ছেলে হোস্টেলে পড়ে, তাই আপনার ব্যাপারে কিছুই জানতে পারেনি।
আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে বেশ কয়েকটা বছর ভালোই ছিলাম। একদিন ফোনে খবর পেলাম আপনি আর নেই, আমি মনে মনে বললাম যাক বাঁচা গেছে। এরপর ছেলে বড় হল, বিয়ে দিলাম। প্রথম প্রথম ভেবেছিলাম আমিতো আর আপনার মতন গেঁয়ো ভূত ন‌ই, তাই আমার সাথে আমার বউ মার বেশ মিল হবে। কিন্তু তা হয়নি, আমার সাথে যেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছিল, যে যে বিষয়ে আপনার সাথে আমার তর্ক হতো ঠিক সেই বিষয়ে আমার সাথে আমার বউমার হত। হঠাৎ করে আপনার ছেলে স্ট্রোক হয়, আর সে আমাকে ছেড়ে চলে যায় চিরতরে। আপনার ছেলের বানানো বাড়ি তাদের পছন্দ হচ্ছিল না , আমার বউমা থাকতে চাই ফ্ল্যাটে। তাই বাড়ি ভেঙ্গে ফ্ল্যাট বানানোর পরিকল্পনা করে। আমাকে আমার ছেলে ও বৌমা বোঝায় যে ফ্লাট বানালে তারা দুটো ফ্ল্যাট নেবে বাদবাকি ভাড়া দিবে, তাতে অনেক টাকা আসবে। আপনার মতই আমি কিছুতেই সই করতে চাইনি। কিন্তু আমার ছেলে কান্নাকাটি করে শেষ পর্যন্ত সই নিয়েছিল। বাড়ি ভেঙে তৈরি হলো বিশাল বড় ফ্ল্যাট। সেই ফ্লাটে ছিল দুটো রুম, আর একটা কিচেন। আমি আমার ছেলেকে বললাম- কিরে আমার রুম কোথায়? ছেলে বলল-মা তোমার রুমের কি দরকার? তুমি আমাদের মেয়ের সাথে মেয়ের রুমে থাকবে। নাতনির সাথে নাতনির রুমেই থাকছিলাম, নাতনি যত বড় হতে থাকে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে, আসলে ওর চাই একটা নিজস্ব রুম। তাই আমার ছেলে ও বৌমা স্থির করে আমাকে বৃদ্ধাশ্রমের রাখার।
আমি আজ বৃদ্ধাশ্রমে, যে বৃদ্ধাশ্রমের আপনি ছিলেন। ভাগ্যের কি পরিহাস, আমি কোনদিনই ভাবিনি আমার সাথে এইরকম ঘটনা ঘটবে, রক্তের গরম , টাকার গরম, আর যৌবনের গরমে আমরা সবকিছু ভুলে যাই। ভুলে যাই পৃথিবীতে কোন কিছুই স্থায়ী নয়। যদি এটা আমি আগে বুঝতাম তাহলে হয়তো এইদিন আমাকে দেখতে হতো না। আমি আকাশের দিকে মিট মিট করে জ্বলে ওঠা তারাদের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলছি-"মা পারলে আমায় ক্ষমা করে দেন"।
লেখা - তনুশ্রী পাল


ছবিটি গুগল থেকে সংগৃহীত

Address

Sebagram Welfare
Jalpaiguri
735101

Telephone

+917431089459

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aparna Is a name posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aparna Is a name:

Share