Nirmal Krishna das

Nirmal Krishna das কৃষ্ণ ভক্তি সেবা

আপনার যদি কৃষ্ণের নিকট ফিরে যাওয়ার জন্য অত্যন্ত উৎকণ্ঠা থাকে, তাহলে আপনাকে একজন অত্যন্ত লোভী ব্যক্তির মতো হতে হবে। লোভী...
12/05/2023

আপনার যদি কৃষ্ণের নিকট ফিরে যাওয়ার জন্য অত্যন্ত উৎকণ্ঠা থাকে, তাহলে আপনাকে একজন অত্যন্ত লোভী ব্যক্তির মতো হতে হবে। লোভী ব্যক্তি অর্থের জন্য আহার নিদ্রা ভুলে দিনরাত এক করে দিয়ে কৃষ্ণ নাম কৃষ্ণ ভজনা কৃষ্ণ সেবা কৃষ্ণ প্রসাদ করতে হবে কৃষ্ণের কাছে ফিরে যেতে হলে আমাদেরও সেভাবে পরিশ্রম করতে হবে।

ইসকনে একটি বাস্তব পূণর্জন্মের কাহিনী        শ্রীল প্রভুপাদের শিষ্য রাঘব দাস প্রভুর পুনর্জন্ম!.... পুনর্জন্ম বলতে জীবের এ...
23/04/2023

ইসকনে একটি বাস্তব পূণর্জন্মের কাহিনী
শ্রীল প্রভুপাদের শিষ্য রাঘব দাস প্রভুর পুনর্জন্ম!....
পুনর্জন্ম বলতে জীবের এক দেহ থেকে আরেক দেহে স্থানান্তরিত হওয়াকে বোঝায়।পুনর্জন্ম কোন সনাতন ধর্মীয় মতবাদ বা বিশ্বাস নয়,যদিও পৃথিবীর মানুষ এমন মনে করেন।পুনর্জন্ম একটি বাস্তব ঘটনা এবং বিশ্ব জুড়ে বহু প্রথিতযশা দেশ নায়ক, বিজ্ঞানী, দার্শনিক,মনোবিজ্ঞানী এই সত্য স্বীকার করেছেন।পৃথিবীর অনেক দেশেই পুনর্জন্মের বিভিন্ন ঘটনার সত্যতা মিলেছে। তার মধ্যে অন্যতম শ্রীল প্রভুপাদের শিষ্য রাঘব দাস প্রভুর পুনর্জন্মের ঘটনা।

রাঘব দাস ব্রম্মচারী প্রভু ছিলেন প্রভুপাদের একজন শিষ্য।গ্রন্থ প্রচারের সময় গাড়ি দূর্ঘটনায় প্রভু দেহ রাখেন,কিন্তু দেহ রাখার সময় তিনি এক ভক্ত নারীর ভাবনায় ভাবিত ছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে তিনি এ জন্মে রত্নাবলী দেবী দাসী রূপে জন্মলাভ করেন।
শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের কৃপাধন্য শিষ্যা হচ্ছেন এই রত্নাবলী দেবী দাসী মাতাজি। ১৯৯৯ সালে মাতাজি দীক্ষা লাভ করেন। মাতাজি সারা বিশ্বে খুব আলোচিত হয়েছেন এই পুনর্জন্মের ঘটনায়।

রত্নাবলী মাতাজি বলেন,"আমি আমার পুনর্জন্মের নতুন তথ্যাবলী সর্বদা আমার গুরুমহারাজকে বলতাম। একবার আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা কি আমার অবচেতন মনের জল্পনা কল্পনা নাকি পুর্নজাগরণ,যেটি উপরের নির্দেশনায় হচ্ছে।" তিনি উত্তর দিলেন,"এটি আসলে উপর থেকে দিকনির্দেশিত একটি পুর্নজাগরণ।"
এ ব্যাপারটি হজম করা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল,কেননা যদিও আমি এ তত্ত্বটি জানতাম যে আমরা এ দেহ নয়,বরং শাশ্বত আত্মা।

বাস্তবে এটি গ্রহণ করা আমার পক্ষে একটু সময় লেগেছিল। আমার গুরুমহারাজ আমার পূর্ব জীবনের স্মৃতি ফিরে পাওয়া নিয়ে অনেক সহায়তা করেছিলেন এবং উনার সাথে আমার এ বিষয়ে অনেক কথা হয়।তিনি আমাকে সর্বদা অনুপ্রেরণা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন এবং আমার অনেক যত্ন নেন।
একবার যখন আমি আমার গুরুমহারাজের সাথে কথা বলছিলাম, তিনি তখন কৌতুক সহকারে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন,"তো কে সেই মেয়ে,যার কথা তুমি মৃত্যুর সময় স্মরণ করেছিলে?!!?" আমি অবাক হয়েছিলাম এবং পূর্বজন্মের আমার ভুল সম্পর্কে হতাশ হয়েছিলাম। আমি উত্তর দিলাম,"আমি জানি না এবং ভালো হয় যদি না জানি"। এ বিষয়ে আমি আমার গুরুদেবের নিকট কৃতজ্ঞ।

(রত্নাবলী দেবী দাসী মাতাজির ডাইরী থেকে সংগৃহীত, এপ্রিল ২০০২)

__ সংগৃহীত

হরে কৃষ্ণ শুভ অক্ষয় তৃতীয়। এই দিনে রাজা ভগিরথ তার পূর্বপুরুষদের রক্ষার জন্য মাতা গঙ্গা কে পৃথিবীতে এনেছিলেন। এই দিনে ম...
23/04/2023

হরে কৃষ্ণ শুভ অক্ষয় তৃতীয়। এই দিনে রাজা ভগিরথ তার পূর্বপুরুষদের রক্ষার জন্য মাতা গঙ্গা কে পৃথিবীতে এনেছিলেন। এই দিনে মহামুনি ব্যাসদেব মাতা পার্বতী নন্দন গনেশজিকে দিয়ে শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরান লিপিবদ্ধ করেছিলেন। সেই দিনে ভগবান পরশুরাম পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। এই অক্ষয় তৃতীয়া দিনে বেশি বেশি জব করুন গীতা ভাগবত পাঠ করুন। এই দিনে ভালো কাজ বা খারাপ কাজ যেটাই করবেন অক্ষয় হয়ে থাকবে। হরে কৃষ্ণ রাধে রাধে

একটি শিক্ষণীয় ধর্মীয় গল্প:-একদিন এক সনাতন ধর্মালম্বীচুল কাটতে গেছে এক নাপিতেরদোকানে।কিন্তু নাপিত হল নাস্তিক। নাপিত তাঁর ...
21/04/2023

একটি শিক্ষণীয় ধর্মীয় গল্প:-
একদিন এক সনাতন ধর্মালম্বী
চুল কাটতে গেছে এক নাপিতের
দোকানে।
কিন্তু নাপিত হল নাস্তিক। নাপিত তাঁর চুল কাটার সময় তাকে বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে বুঝাতে
চাচ্ছে যে ভগবান বলে কিছু নেই, নাস্তিক নাপিত বলতে লাগল
যদি ভগবান সত্যিই থাকত,
তাহলে এত লোক অনাহারে মরত না,এত অনাচার হত না
সে বাইরে একটা বস্ত্রহীন মানুষ
দেখিয়ে বলল

যদি ভগবান থাকত তাহলে ওই লোক
বস্ত্রহীন এবং অনাহারে কেন?
হিন্দু লোকটা কিছু বলল না,
চুপ চাপ শুনে যেতে লাগল। এরপর
যখন তার চুল কাটা শেষ হল সে বাইরে গেল এবং
নাপিতকে বাইরে ডেকে বলল
এই এলাকায় কোন নাপিত নেই।' নাপিত তার কথায় অবাক
হয়ে গেল এবং বলল নাপিত না
থাকলে আপনার চুল কাটল কে? তারপর হিন্দু লোকটা কতগুলো লম্বা চুল ওয়ালা মানুষকে
দেখিয়ে বলল নাপিত থাকলে ওই
লোক গুলোর চুল লম্বা কেন? নাপিত বলল ওই লোকগুলো কে তো আমার কাছে আসতে হবে, আমার কাছে না আসলে অথবা
আমাকে না বললে আমি কি কিছু করতে পারি
হিন্দু লোকটা তখন বলল,তেমনি
ভগবানের কাছে মানুষ না গেলে,তাঁকে না ডাকলে,ভগবান তোমার জন্য কি
করতে পারবে

মাত্র ৭দিন বৈষ্ণব সেবার ফল!পদ্মপুরাণে বর্ণিত এক বিশাল আখ্যান সংক্ষেপে এমন- একদা এক ব্রাহ্মণ ছিলেন। তিনি ছিলেন দরিদ্র এবং...
21/04/2023

মাত্র ৭দিন বৈষ্ণব সেবার ফল!

পদ্মপুরাণে বর্ণিত এক বিশাল আখ্যান সংক্ষেপে এমন- একদা এক ব্রাহ্মণ ছিলেন। তিনি ছিলেন দরিদ্র এবং সন্তানহীন। তিনি তাই তাঁর পত্নীকে বললেন, যেহেতু তিনি দরিদ্র, তিনি ভিনদেশে কোন কাজের সন্ধানে যাবেন এবং কিছু অর্থ প্রেরণ করবেন। কিন্তু তাঁর পত্নী বললেন, ‘এখন আমাদের কোন অর্থ নেই, কিন্তু আপনি চলে গেলে আমার স্বামীও থাকবেন না। আপনি কেন বশিষ্ঠ মুনির নিকট যাচ্ছেন না? তিনি পার্শ্ববর্তী গ্রামেই অবস্থান করছেন। অতঃপর তিনি সেখানে গেলেন এবং তাঁকে প্রণতি নিবেদন করে প্রশ্ন করলেন, কেন তাঁর অর্থ এবং সন্তানাদি নেই। বশিষ্ঠ মুনি তাঁকে বললেন, ‘আপনার পূর্ব জন্মে আপনি এক শূদ্র ছিলেন। আপনার অনেক অর্থ ছিল কিন্তু আপনি বেশ কৃপণ ছিলেন এবং আপনার স্ত্রী ও সন্তানদের কিছুই দিতেন না। তাই আপনি বিত্তশালী হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা দারিদ্রে দিন অতিবাহিত করছিল। আপনি হঠাৎ করেই দেহত্যাগ করলেন, এবং আপনার সকল অর্থ এক গর্তে লুকিয়ে রাখায় আপনার স্ত্রী-সন্তানাদি জানতে পারেননি কোথায় অর্থ, এবং তাঁরা দরিদ্র অবস্থাতেই দেহত্যাগ করলেন। তাই আপনার সন্তানও নেই, অর্থও নেই।‘
তবে তিনি কীভাবে ব্রাহ্মণ হলেন? তিনি বললেন, বৈশাখ মাসে কেবল তিন দিন আপনি বৈষ্ণবদের সেবা করেছিলেন, তাই আপনি ব্রাহ্মণ হয়েছেন।
‘কিভাবে তবে সম্পদ এবং সন্তান ফিরে পাব?’ ব্যক্তিটি প্রশ্ন করলেন।
মুনি বললেন, কেবল তিন দিনেই আপনার ক্ষেত্রে কাজ করেছে। এখনও বৈশাখের সাত দিন বাকি। এই সুযোগ গ্রহণ করুন।
তাই কেবল ৭দিন বৈষ্ণব সেবার দ্বারাই তিনি অর্থ এবং সন্তানাদি প্রাপ্ত হলেন।

অনেকেই বৈশাখ মাস পছন্দ করেন কেননা তা কর্মকাণ্ড অনুসারে অভীষ্ট ফল প্রদান করেন। তাই এটি আপনার উপর আপনি কি করতে চান। আপনি পূর্ণোদ্যমে কৃষ্ণভাবনা অনুশীলন করতে পারেন।

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
১৪ই এপ্রিল, ২০১৮
চেন্নাই, ভারত

আগামি ২৩ এপ্রিল, রবিবার, অক্ষয়_তৃতীয়াএ দিন থেকে পরবর্তী ২১দিন ব্যাপি ভগবানের চন্দন শোভাযাত্রা মহোৎসব।২১ দিন সুগন্ধি চন্দ...
21/04/2023

আগামি ২৩ এপ্রিল, রবিবার, অক্ষয়_তৃতীয়া
এ দিন থেকে পরবর্তী ২১দিন ব্যাপি ভগবানের চন্দন শোভাযাত্রা মহোৎসব।২১ দিন সুগন্ধি চন্দন, কর্পূর, ও অগুরু মিশিয়ে ভগবানের শ্রীঅঙ্গে লেপন করা হয়। এতে পরমেশ্বর ভগবান খুবই শীতলতা ও প্রশান্তি অনুভব করেন।
অক্ষয় তৃতীয়া হলো চান্দ্র বৈশাখ মাসের তৃতীয় তিথি। এই বিশেষ তিথীতে অর্জিত পুন্য বা সুকৃতির যেমন ক্ষয় নেই, তেমনি পাপেরও কোন ক্ষয় নেই।তাই এদিন খুব সতর্কতা সহকারে দিন অতিবাহিত করা জরুরি, যেন কোন প্রকার মন্দ কর্ম না হয়, কারো মনে কোন কষ্ট না হয়।
তাই সকলের প্রতি প্রার্থনা ও অনুরোধ এদিন বেশী বেশী হরিনাম জপ, কীর্তন, ভগবৎ ও ভক্ত সেবা করে দিন অতিবাহিত করুন। সকল প্রকার খারাপ কর্ম এরিয়ে চলুন এবং পরমেশ্বর ভগবানের সন্তুষ্টি বিধান করে অন্তে ভগবৎধামে গমন পূর্বক দিব্য চিন্ময় কৃষ্ণপ্রীতি উপভোগ করুন।
অক্ষয় তৃতীয়া কী এবং কেন?
আসছে আগামী ২৩ এপ্রিল,রবিবার অক্ষয় তৃতীয়া মহোৎসব। অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে। যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ।
তাই—
আমিষাহার পরিত্যাগ করা উচিত, কেননা প্রাণিহত্যা মহাপাপ।
কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করা উচিত।
কৃষ্ণমন্দিরে ভোগ, চন্দন, ফুল, ফল, অর্থ ইত্যাদি দান করা উচিত।
এদিন খুব সাবধানে প্রতিটি কাজ করা উচিত।
কখনো যেন কটু কথা না বেরোয় মুখ থেকে।
কোনো কারণে যেন কারো ক্ষতি না করে ফেলি বা কারো মনে আঘাত দিয়ে না ফেলি।
তাই এদিন যথাসম্ভব কৃষ্ণকথা বলা উচিত।
এদিন পূজা,জপ,ধ্যান,দান,অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত।
৹ যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে।
এবারের অক্ষয়তৃতীয়া সবার ভালো কাটুক – এই কামনায় করি।
যে সকল তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল এ দিনে—
১) বিষ্ণুর অবতার পরশুরাম আবির্ভূত হন।
২) রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।
৩) গনেশ বেদব্যাসের মুখনিঃসৃত বাণী শুনে মহাভারত লিখতে শুরু করেন।
৪) চন্দনযাত্রা শুরু হয়।
৫) সত্যযুগ শেষ হয়ে ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।
৬) কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। এদিনই কুবেরের লক্ষ্মী লাভ হয়েছিল বলে এদিন বৈভব-লক্ষ্মীর পূজা করা হয়।
৭) ভক্তরাজ সুদামা শ্রী কৃষ্ণের সাথে দ্বারকায় গিয়ে দেখা করেন এবং তাঁর থেকে সামান্য চালভাজা নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ তাঁর সকল দুঃখ মোচন করেন।
৮) দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে যান এবং ভগবান তার সখীকে রক্ষা করেন শ্রীকৃষ্ণ। শরণাগতের পরিত্রাতা রূপে এদিন শ্রী কৃষ্ণা দ্রৌপদীকে রক্ষা করেন।
৯) পুরীধামে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়।
১০) কেদার-বদরী গঙ্গোত্রী-যমুনত্রীর যে মন্দির ছয়মাস বন্ধ থাকে এইদিনেই তার দ্বার উদঘাটন 🙇‍♂️🙏হয় হরে কৃষ্ণ🙏 জয় শ্রীল প্রভুপাদ কি জয় জয় গুরু মহারাজ কি জয়।🙇‍♂️🙏💕

শ্রীল বৃন্দাবন দাসা ঠাকুরের মা ছিলেন শ্রী নারায়ণী দেবী, শ্রীবাস পণ্ডিতার ভাগ্নি।  তাঁর শ্রীচৈতন্য ভাগবতে, বৃন্দাবন দাস ...
15/04/2023

শ্রীল বৃন্দাবন দাসা ঠাকুরের মা ছিলেন শ্রী নারায়ণী দেবী, শ্রীবাস পণ্ডিতার ভাগ্নি। তাঁর শ্রীচৈতন্য ভাগবতে, বৃন্দাবন দাস বর্ণনা করেছেন কীভাবে তাঁর মা শ্রী গৌরসুন্দরের স্নেহময় উচ্ছ্বাস লাভ করেছিলেন।
নারায়ণী দেবী মহাপ্রভুর খাবারের সমস্ত অবশিষ্টাংশ পেয়েছিলেন। যদিও তিনি শুধুমাত্র একটি অবুঝ শিশু ছিলেন তিনি এইভাবে তার প্রতি করুণা করেছিলেন।"
এছাড়াও এই করুণার ফলস্বরূপ, শ্রীল বৃন্দাবন দাসা ঠাকুর, যাঁর জীবন ও আত্মা ছিলেন শ্রী গৌর-নিত্যানন্দ, তাঁর গর্ভ থেকে তাঁর জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
তিনি তার বাবার নাম উল্লেখ করেননি। ধারণা করা হয়, নারায়ণী দেবীর বিয়ে হয়েছিল কুমারহট্টের কারো সঙ্গে। যাইহোক, তিনি যখন সন্তানকে গর্ভে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বিধবা হয়েছিলেন। স্বামী হারানোর কারণে দারিদ্র্যের কবলে পড়ে তিনি অবশেষে মামগাছিতে শ্রী বাসুদেব দত্ত ঠাকুরের বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করেন, যেখানে তিনি গৃহকর্মে সাহায্য করতেন। এখানে বৃন্দাবন দাসা তার পড়াশোনা শুরু করেন।
শ্রীচৈতন্য ভাগবতের মুখবন্ধে শ্রী ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী লিখেছেন, "নারায়ণী দেবী তার সন্তানকে শ্রী মালিনী দেবীর পিতার বাড়িতে লালন-পালন করেছিলেন যেখানে তিনি আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন।"
মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণের চার বছর পর বৃন্দাবন দাসের জন্ম হয়। মহাপ্রভু যখন অদৃশ্য হয়ে গেলেন তখন তাঁর বয়স বিশ বছরের বেশি হতে পারেনি। তিনি শ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর দ্বারা দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং স্পষ্টতই তিনি ছিলেন শেষ শিষ্য যাকে শ্রী নিত্যানন্দ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি শ্রী জাহ্নব মাতার সাথে খেতুরী মহা-মহোৎসবে গিয়েছিলেন। শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী বৃন্দাবন দাস ঠাকুরকে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আমোদ-প্রমোদের বেদ ব্যাস হিসেবে মহিমান্বিত করেছেন।
শ্রীমদ্ভাগবতে কৃষ্ণের বিনোদন বেদ ব্যাস দ্বারা বর্ণিত হয়েছে। বৃন্দাবন দাস হলেন শ্রীচৈতন্যের বিনোদনের বেদ ব্যাস। তিনি চৈতন্য মঙ্গলা রচনা করেছেন যা যারা শ্রবণ করেন তাদের জন্য যে কোন অশুভতা ধ্বংস করে। যাতে আমরা বুঝতে পারি। চৈতন্য-নিতাই-এর মহিমা, শ্রীমদ্ভাগবতে প্রসারিত ভক্তিমূলক সেবা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সারাংশ এবং কৃষ্ণভক্তি সংক্রান্ত উপসংহারের সীমাবদ্ধতা, তিনি মানবজাতির উন্নতির জন্য এই মহান সাহিত্য রচনা করেছেন। এমন রচনা রচনা করা মানুষের পক্ষে কল্পনা করা যায় না। তাই আমরা বুঝতে পারি যে শ্রীচৈতন্য স্বয়ং তাঁর মাধ্যমে কথা বলছেন। আমি সেই ব্যক্তির পদ্মের চরণে কোটি কোটি বার প্রণাম জানাই যিনি আমাদেরকে এমন একটি ধর্মগ্রন্থ দিয়েছেন যা সমগ্র বিশ্বকে প্রদান করতে পারে।
বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের শ্রীপাট, যেখানে তাঁর পূজ্য দেবতা শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই এখনও বাস করছেন, দেনুরে রয়েছে। নবদ্বীপ থেকে বাসে করে দেনুর যাওয়া যায়।

03/04/2023

The Life Art channel shares video instructions on how to sculpt sand-cement relief works for buildings, garden decoration ideas, and painting. Watch videos o...

Address

Kolkata

Telephone

+918116417821

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nirmal Krishna das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nirmal Krishna das:

Share

Category