24/05/2025
"কোহলি গোজ ডাউন দ্যা গ্রাউন্ড, কোহলি গোজ আআআআআআআআআআআআউট অফ দ্যা গ্রাউন্ড" কথাগুলো বিড় বিড় করে বলতে বলতেই ভিউফাইন্ডারে চোখ রেখে মেশিনগানের মতো শাটার মারতে শুরু করলাম. জোন ২ আর জোন ৩ এর ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় অপেক্ষা করতে করতে আমাদের পিছনে থাকা সুধীর শিবরামের জিপসি বেরিয়ে গেছে অনেকক্ষণ, দাঁতে দাঁত চেপে বসে আছি আমরা. উত্তর দিকের আকাশ কালো করে আসছে দেখতে পাচ্ছি,আর কিছুক্ষণ পরেই গভীর জঙ্গলের ভেতর ঝড় উঠবে.আমাদের জিপ দুদ্দাড় করে ছুটবে এক বিশালকায় বটবৃক্ষের নিরাপদ ছায়াতলে. কিন্তু তার আগের গল্পটা বলে নিই. অফিসের এসকালেশন কল কে একটু হাল্কা বামদিকে ডজ করে, ভোরের ফ্লাইট ধরার ৬ ঘন্টা আগে রাউন্ড ট্রিপ ফ্লাইট ক্যানসেল হওয়ার কড়া ট্যাকলকে এক লাফে পার করে আপৎকালীন ভিত্তিতে নতুন টিকিট বুক করে মাঝরাতে বেরিয়ে ১ মের সকালে জয়পুর যখন নামলাম খুব একটা গরম নেই. এখান থেকে আমরা গাড়িতে যাবো সওয়াই মাধোপুর, যেখান থেকে শুরু হয় বর্তমানে ভারতের জঙ্গল সাফারির "বিরাট কোহলি" রানথাম্বর টাইগার রিজার্ভ. বিরাট কোহলি বললাম কারণ পি আর প্রমোশন যদি ভারতের কোনো জঙ্গল নিয়ে সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে তাহলে সেটা এই রণথাম্বর. গায়ে কাঁটা দেওয়া ইতিহাস বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা রণথাম্বর দূর্গ আর তার চারপাশের গভীর জঙ্গলে বাঘা বাঘা শার্দুল সম্রাটদের আনাগোনা শুধু এদেশে নয়, বিদেশীদের মধ্যেও বহুল জনপ্রিয় করে তুলেছে এই জঙ্গলকে. আমাদের এবারের সফর ৪ দিনের, একদিন ছুটি নিয়ে লম্বা উইকেন্ডএর সুযোগ নিয়ে ৭টা সাফারি করবো বলে টাইগার ডেন রিসোর্টে যখন পৌঁছলাম তখন সূর্য মধ্যগগনে. আগের রাত প্রায় জাগা কিন্তু বিশ্রামের সময় নেই, বেরোতে হবে এখুনি. প্রথম সাফারি জোন ৫ এ যেখানে দেখা যাচ্ছে শক্তি এবং তার ছানাপোনাদের.এই প্রসঙ্গে বলে নিই বাঘ দেখার জন্যে জঙ্গলে গেলে প্রথম দরকার গবেষণা, ভালো করে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে কোন জঙ্গলে, কোন জোনে কারা ঘোরাফেরা করছে, তারপর আসে সময় থাকতে সাফারি বুক করা কারণ সারা দেশের সবাই এই রিসার্চ করছে এবং যেখানে সম্ভাবনা বেশি সেসব জোন জলদি বুকিং হয়. তারপর আসে ভালো গাইড এবং ড্রাইভার কারণ তাঁদের প্যাশন কতটা তার ওপর অনেককিছু নির্ভর করে. সব পেশার মতোই এই পেশাতেও যাঁরা গা ছাড়া মনোভাব নিয়ে চলেন, তাঁদের নিয়ে জঙ্গলে চাপ. এই সব পেরিয়ে আসে ভাগ্য যার ওপর আমার, আপনার কারো হাত নেই. যাই হোক, আমরা ফিক্সড গাইড নিয়েছিলাম ৭টা সাফারিতেই এবং সেই ভদ্রলোক রণথাম্বরে আছেন ৪০ বছর,মানে আমার বয়সের থেকেও বেশি. ভাবা যায়!!!!অর্ধেক সময় সাফারিতে ওঁনার গল্প শোনাও এক অভিজ্ঞতা বটে. তো এই গাইড মশাই সর্দার আমরিন্দর সিংজি ঠিক সময়ে ড্রাইভার নিয়ে এসে গেলেন রিসোর্টে.বেরোনোর আগে এবার আমার সাথীদের একটু পরিচয় দিয়ে দিই. আমাদের ৪ জনের দলের আমি বাদে বাকি তিনজন একটি মার্কিন বহুজাতিক সংস্থার কেষ্টবিষ্টু, কিন্তু তার চেয়েও বড়ো পরিচয় হলো এক দাদা যিনি ভারতের সব জঙ্গলে বাঘ দেখেছেন এবং ১৫০ খানা আলাদা আলাদা বাঘ দেখা থেকে অল্প দূরে দাঁড়িয়ে আছেন. আরেকজন ভারতের দ্রুততম ১০০০ আলাদা আলাদা পাখির ছবি তুলে বসে আছেন. এঁদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আমি যাকে বলে হংস মধ্যে বক যথা অবস্থায় কি করবো ভাবতে ভাবতে জিপসিতে নিজের লাকি জায়গা ছেড়ে চুপচাপ পিছনের রোতে বসে পড়লাম. কারণটা সহজেই অনুমেয়. টিমে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি থাকলে শুবমান গিলকে নিচে খেলা ছাড়া কি উপায় আছে বলুন?
যাকগে, গল্পে ফিরি. আমাদের রিসার্চ বলেছিলো আসল খেলা হবে জোন ২, জোন ৩ এ. এবার সেইমতো আমরা মিলিয়ে মিশিয়ে ৩টে জোন ২, একটা জোন ৩, দুটো জোন ৫ এবং একটা জোন ৪ নিয়েছিলাম.তাই প্রথম দিন হাল্কা মুডে জোন ৫ এ ঢোকা. টাইগার ডেন রিসোর্ট থেকে জঙ্গলে ঢোকার প্রথম গেট এক মিনিটের রাস্তা, তারপর সেখান থেকে আরো ৫ মিনিট গাড়িতে গেলে জোন ১, ২, ৪, ৫ এর গেট পড়ে. সেখান থেকে আরো এগিয়ে যোগী মহলগেট পেরিয়ে ঢুকতে হয় জোন ৩এ. এই মাঝের রাস্তায় আসতে আসতে শুনলাম সুলতানা বিকেলের দিকে নাকি মাঝে সাঝেই হাঁটছে, কখনো আবার তার একটা বাচ্চাও দেখা যাচ্ছে. সেই গল্প বলা যাবে অন্য অবসরে. আপাতত প্রথম দিন জোন ৫ এ দুপুরের সাফারি সেরে পেটপুরে ডিনার করে টেনে ঘুম দিলাম.
ওহ!!বলা হয়নি. রিসার্চ ফেল করেনি, জোন ৫এ শক্তির ছানাকে ক্যামেরাবন্দি করেছি গাছের ছায়ায় আরাম করার মুহূর্তে. লম্বা সাফারির প্রথমটায় এমন সাইটিং হওয়া মানে টি-২০ ম্যাচের প্রথম ৪ ওভারে ৫০ রান হয়ে যাওয়া. অতএব ফুরফুরে মেজাজ নিয়ে ১ তারিখ ঘুমোতে যাওয়া এবং একবুক আশা নিয়ে ২ তারিখ সকালে রওনা দেওয়া গেলো জোন ২ এর উদ্দেশ্যে. এমনিতেই ভোরের জঙ্গল মানে জিপসি তে যেতে যেতে মনে হয় ভেতরের সব কলুষ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাচ্ছে. চোখ বুজে সেই স্বর্গীয় অনুভূতি নেবো না জঙ্গলের মধ্যে ওতো বড়ো দুর্গ হাঁ করে তাকিয়ে দেখতে থাকবো ভাবতে ভাবতে জঙ্গলের ভেতর অনেকটা চলে গিয়ে সামনে দেখলাম আরেকটা জিপসি. যাঁরা রয়েছেন তাঁদের ক্যামেরার শাটার পড়ছে অনবরত. জিপসি উড়িয়ে পৌঁছে বুঝলাম ঝোপের পিছনে রয়েছে শ্লথ বিয়ার আর সামনের জিপসি তে সুধীর শিবরাম. কিছুক্ষণ শাটার মেরে ওঁনারা এগিয়ে গেলেন কিন্তু আমরা দাঁড়িয়ে গেলাম. এমনিতে আমি ধর তক্তা মার পেরেক টাইপের হলেও জঙ্গলে ঢুকলে কোথা থেকে আমার ভেতরে দ্রাবিড়ীয় ভাব জেগে ওঠে. মাটি কামড়ে পড়ে থাকা, ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা. এখানেও তাই দাঁড়িয়ে গেলাম আর ঠিক তাই হলো যা ভেবেছিলাম. ভোরের নরম আলো মেখে ঝোপের ভেতর থেকে ভল্লুক বাবাজীবন এদিক সেদিক দেখতে দেখতে হেলতে দুলতে রাস্তা পার হলেন আর সেই মুহূর্ত বন্দী হলো আমাদের ক্যামেরায়. কিন্তু আসল গল্প এখানে নয়.সেটায় আসছি.
সকালের শুরুটা এমন হওয়ায় মন বলছে ভারত -পাকিস্তান ম্যাচের মতো পাকিস্তানকে কম রানে পেড়ে ফেলা গেছে. ম্যাচটা জেতা যাবে সহজেই, সামনে কিছু ধামাকা অপেক্ষা করে আছে নিশ্চিত. এমন ভাবতে ভাবতে খানিক দূর এগিয়ে পৌঁছনো গেলো ছোটি ছাতরিতে. এই জায়গাটা এমন একটা জায়গা যার একদিকে ঘন জঙ্গল আরেক দিকে অনেক দূর অব্দি বিস্তৃত আরাবল্লির কালো পাথুরে জমি যার ঐপারে রয়েছে এক মানুষ সমান উঁচু তৃণভূমি. এই খোলা জায়গার দিকে কোনাকুনি তাকালে চোখে পড়ে জোন ৩ এর মধ্যে থাকা দুর্গের কিছু অংশ. এমন একটা জায়গায় আমরা পৌঁছে দেখি গাড়ির ভিড়, অনেকটা দূরে নাকি নালার মধ্যে বসে আছে অ্যারোহেড, এই জঙ্গলের এক বিখ্যাত বাঘিনী. সবকটা গাড়ির গাইড মোটামুটি নিশ্চিত যে আশে পাশেই তার ছানা পোনারাও থাকবে. অতএব শুরু হলো অপেক্ষা. সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা পেরোতে থাকলো, কোথাও কোনো মুভমেন্ট নেই, কল নেই. শুধু দাঁতে দাঁত চিপে বসে থাকা. সময় যত এগোতে থাকলো, গাড়ির সংখ্যা কমতে লাগলো ততো. আমরাও বুঝতে পারছি ম্যাচ ক্রমশ কঠিন হচ্ছে. একটা আপাত সহজ পরিস্থিতি থেকে জঙ্গলের স্বাভাবিক নিয়ম মেনেই আজ হয়তো ফিরতে হবে খালি হাতেই. সামনে ময়ূর পাখনা মেলছে কিন্তু আমাদের সেদিকে মন নেই. এমন অবস্থায় আমাদের বার্ডার দাদা গান ধরলেন "মেরা দিল ভি কিতনা পাগল হ্যায়" (একদম সঠিক গান কারণ আসলে তো আমরা বাঘের জন্যেই পাগল ) আর শেষে গুনগুনিয়ে গেলেন "ও মেরে টাইগার, ও মেরে টাইগার" বলে. এদিকে সময় চলে যাচ্ছে, সুধীরের জিপসিও বেরিয়ে গেলো, গান শেষ হয়ে গেলো কিন্তু আমাদের গাইড নাছোড়বান্দা, ম্যাচ সে আজ বের করবেই. এমন সময় আমার চোখ গেলো উত্তর আকাশে. একরাশ ঘন কালো মেঘ ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে আমাদের দিকে. জঙ্গল নিয়ে যাঁরা ওয়াকিবহাল তাঁরা সম্যক জানেন জঙ্গলে বৃষ্টি হলে কি হয়!!বাঘ মুভ তো করবেইনা তার সাথে জুটবে ক্যামেরা বাঁচানোর ঝামেলা. এইরকম চললে দুপুরটাও যাবে মাটি হয়ে, এদিকে সেটাও যে জোন ২.হট ফেভারিট জোন যদি আবহাওয়ার জন্যে খালি হাতে ফেরায় পুরো সাফারিটাই তো মাটি হয়ে যাবে.
এরকম জেতা ম্যাচ হাতছাড়া যখন হয় হয় তখন দূরে জোন ৩ থেকে দেখতে পেলাম খান তিনেক জিপসি দুদ্দাড় করে ছুটে আসছে পাথুরে জমির দিকে. বাঘ দেখা না গেলে তো এমন দৌড় দেবেনা কেউ, আমরাও নড়ে চড়ে বসলাম গাড়িতে. যদিও এই মুহূর্তে আমাদের কিছু করার নেই কারণ আমাদের চোখে কিছু পড়েনি এখনো. তাই জায়গা নেওয়াও সম্ভব না. আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে তার সোজাসুজি মাইলখানেক পাথুরে জমি, ওপারে জঙ্গল, বাঁদিকে কোনাকুনি জোন ৩ আর ঠিক সেখান থেকেই বেরিয়ে জিপ গুলো দাঁড়িয়ে গেছে পর পর. আমরা এখনো কিছু দেখতে পাচ্ছিনা. ওদিকের জিপসি গুলোতে তখন উত্তেজনা তুঙ্গে কারণ ওরা কাছে থাকার দরুণ বুঝতে পারছে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কেউ একজন হেঁটে আসছে. আমরা বুঝতে পারছি ম্যাচ ঘুরছে. কি হবে কি হবে ভাবতে ভাবতেই দূরে জঙ্গলের ভেতর থেকে দেখা গেলো কালো হলুদ ডোরাকাটা আর তারপরেই জঙ্গল থেকে মুখ বার করলেন তিনি এবং নিজের মেজাজে হাঁটা লাগালেন সেইদিকে যেদিকটায় সেই সকাল থেকে বসে আছে অ্যারোহেড. এবার ওটা কিন্তু আমাদের নজরের বাইরে আর এই বাঘটা অনেক দূরে সোজা হেঁটে যাচ্ছে জোন ৩ এর জিপসি গুলোর দিকে. ঠিক এই সময় আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কেন জানিনা বলে উঠলো ট্র্যাক ও চেঞ্জ করবেই আর ঘটলোও তাই. খানিকটা গিয়ে তাঁর মেজাজ গেলো পাল্টে আর তিনি সোজা হাঁটা লাগালেন আমাদের দিকে. উত্তর দিকের আকাশে তখন মেঘ আরো কালো করে এসেছে, মাইল খানেক রাস্তা পাথুরে জমি পেরিয়ে ঠিক সোজাসুজি আমাদের দিকে চোখে চোখ রেখে এগিয়ে আসছে একটা গাবদা বাঘ, এটা লিখতেও গায়ে কাঁটা দিচ্ছে. আমি বেশ বুঝতে পারছি পরের ২০-৩০ মিনিট খেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট, শুধু ধরে রাখতে হবে নার্ভ. বিড় বিড় করে হর্ষ ভোগলের অমর উক্তিগুলো আউড়ে নিয়ে শাটার মারতে শুরু করলাম. আরেকটু কাছে আসতে বুঝলাম ইনি আসলে আরেকটা বিখ্যাত বাঘিনী ঋদ্ধির মেল কাব যে জোন ৩ গেছিলো কোনো কারণে, এবার ফিরছেন জোন ২ এ. সে এক মারাত্মক অবস্থা. ধীরে ধীরে হাওয়ার গতিবেগ বাড়ছে আমরা টের পাচ্ছি, ওদিকে ঋজু গতিতে ঠিক সোজাসুজি এগিয়ে আসছেন শার্দুল সম্রাট, তাও আবার হেড অন. ঠিক ৫ মিনিট বাদে আমাদের সামনে দিয়ে পেরিয়ে আড়াআড়ি কাটিয়ে জঙ্গলে ঢুকে পড়লেন তিনি.
এরপরের খেলা দেখানোর পালা সর্দারজির. ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে তিনি ঠিক আন্দাজ করেছিলেন বাঘ বাবাজি কোথা দিয়ে বেরোবেন, আমাদের পিছনে তখন আরো ২টো গাড়ি, বাকিরা খবর পেয়ে তখনো পৌঁছায়নি. আমাদের ড্রাইভারকে বলে ঝড়ের গতিতে গাড়ি উড়িয়ে পরের বাঁকের মুখে দাঁড়াতেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এলেন জঙ্গলের মহারাজ. এক ঝলক আমাদের দিকে তাকিয়ে নিজের খেয়ালে হাঁটতে শুরু করলেন রাস্তা দিয়ে, সাথে চলতে থাকলো নিজের টেরিটরি মার্কিং আর গাছে গাছে ইউরিন স্প্রে. বাকি সব গাড়ি ওঁনার পিছনে, সামনে শুধু আমরা. এই পজিশন যেকোনো ফোটোগ্রাফারের জন্যে স্বপ্ন. ভুল হয়নি আমাদের অশ্বিনএর মতো আরামসে মিড অফের ওপর দিয়ে শেষ বাউন্ডারিটা মেরে একটা টান টান উত্তেজনার ম্যাচ নিজেদের পকেটে পুরতে. এই ২০টা মিনিট ভোলার নয়. প্রায় ৬০০-৭০০ ছবি তুলতে দেওয়ার পর রাজকীয় মেজাজে তিনি যখন জঙ্গলের ভেতর মিলিয়ে গেলেন চারদিকের সবুজ ভাসিয়ে তখন বৃষ্টি নেমেছে.তখন যে আমাদের মনের ভেতর কি চলছে তা লিখে প্রকাশ করা বোধহয় সম্ভব নয়.
যাইহোক সাময়িক ঘোর কাটিয়ে পড়িমরি করে জিপসি নিয়ে দৌড়োলাম গাছের নিচে দাঁড়াতে.
গভীর জঙ্গলের ঝড়ের মতো হাওয়ার সাথে এহেন বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে হারতে হারতে জেতা ম্যাচের সাফল্য তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে করতেই ঘটলো আরেকটা ঘটনা।
সেটা লিখবো পরের পর্বে.
আজ থাকলো কিছু ছবি.
Nikon Z8 with Nikkor 180-600 mm.
Nikon Group
National Geographic
National Geographic TV
BBC Earth
Discovery
Animal Planet
Planet Tiger