15/06/2016
1. এক মাতাল রাতে বাড়ি ফিরে ঘরের তালা খোলার চেষ্টা করছিল। কিন্তু কিছুতেই চাবি তালার ভেতর ঢোকাতেপারছিল না। পাশের বাসার ভদ্রলোক এগিয়ে এসে বললেন, ‘চাবিটা আমাকে দিন, আমি খুলে দিচ্ছি।’
মাতাল বলল, ‘না না, আমিই পারব। আপনি বাড়িটা শুধু একটু শক্ত করেধরুন।’
2. স্বামীঃ “হ্যালো, তুমি কই?”
স্ত্রীঃ “বাসায়”
স্বামীঃ “ঠিক তো?”
স্ত্রীঃ “হ্যাঁ!!!”
স্বামীঃ “ব্লেন্ডার অন করো”
স্ত্রী ব্লেন্ডার অন করল…ভরররররররর
স্বামীঃ “ওকে ডার্লিং, লাভইউ”
আরেকদিন,
স্বামীঃ “হ্যালো, তুমি কই?”
স্ত্রীঃ “বাসায় জানু”
স্বামীঃ “ঠিক তো?”
স্ত্রীঃ “হ্যাঁ!!! ঠিক”
স্বামীঃ “ব্লেন্ডার অন করো”
স্ত্রী ব্লেন্ডার অন করল…ভরররররররর
স্বামীঃ “ওকে জানু, লাভ ইউ”
এর পরেরদিন স্বামী হঠাৎ করে না জানিয়ে বাসায় আসলো। এসে দেখে বাসায় শুধু তাদের ছেলে। সে ছেলেকে জিজ্ঞেস করল “তোমার মা কোথায়?”
ছেলে জবাব দিল “আমি জানি না। সে ব্লেন্ডার নিয়ে বাইরে গেছে”…
3. আবুল মিঞা ফলের দোকানদার। একদিন তাঁর দোকানে এলেন এক অদ্ভুত ক্রেতা।
ক্রেতা: আমাকে এক কেজি আপেল দিন তো। প্রতিটা আপেল আলাদা আলাদা প্যাকেটে দেবেন।
আবুল মিঞা তা-ই করলেন।
ক্রেতা: হু,এবার আমাকে এক কেজি আম দিন। এ ক্ষেত্রেও প্রতিটা আমভিন্ন ভিন্ন ঠোঙায় দেবেন।
আবুল মিঞা তা-ই করলেন। ক্রেতা তখন দেখছিলেন, আবুল মিঞার দোকানে আর কী কী আছে।
আবুল চটজলদি দুই হাতে আঙুরগুলো আড়াল করে বললেন, ভাই, আমি আঙুর বিক্রি করি না!
4. ক্রিং ক্রিং।
শামীম: হ্যালো।
অপর প্রান্ত থেকে: আচ্ছা, গতকাল যে শাড়িটা ১০ হাজার টাকা চাইছিল, আজ সেটা সাড়ে নয় হাজারে দিচ্ছে। শাড়িটা কি কিনে ফেলা উচিত?
শামীম: অবশ্যই।
অপর প্রান্ত থেকে: আর আমার প্রিয় গয়নার দোকানটা ১৫ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি করছে। গত মাসে যে নেকলেসটা কেনা হয়নি, সেটা বোধ হয় এবার কিনে ফেলা যায়।
শামীম: অবশ্যই।
অপর প্রান্ত থেকে: ওহ! অসংখ্য ধন্যবাদ। তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরো। রাতে তোমাকে দেখাব, আজ কী কী কিনলাম। রাখি, খোদা হাফেজ।
ফোন রেখে অফিসের অন্যদের দিকে তাকাল শামীম, ‘কেউ কি বলতে পারেন, এটা কার ফোন ছিল?’
5. ঝুম বৃষ্টি। এর মধ্যে প্রচণ্ড গতিতে যাচ্ছিল গাড়িটা। সংগত কারণেই গাড়িটার পথ রোধ করে দাঁড়াল কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ।
পুলিশ: এই বেকুব! এই বৃষ্টিতে কেউ এত জোরে গাড়ি চালায়?
চালক: আমি তো গাড়ির ভেতর বসে আছি, গায়ে বৃষ্টির ছিটাফোঁটাও লাগছে না। বেকুব আমি—না যে বাইরে দাঁড়িয়ে বোকার মতো বৃষ্টিতে ভিজছে, সে?