08/05/2024
প্রেমের আড্ডা🖤🥀
তমালিকা গ্র্যাজুয়েশন পাস করার পর একটা কোম্পানি তে জব পেয়েছে। সেখানে তার দেখা হয় দেবাশীষ এর সাথে । দেবাশীষ ভালো ছেলে তমা এর থেকে 4 বছরের বড়ো সে প্রফেশন লাইফ এও তমার থেকে সিনিয়র।
যেহেতু দেবা আগে কোম্পানি জইন করেছে টাই তমা তার কাছ থেকে কাজ গুলো আস্তে আস্তে বুঝে নিত।
দেবাশীষ হলো পাঞ্জাবী ছেলে কলকাতায় কাজের সূত্রে এসেছে।আর তমা হলো বাঙ্গালী মেয়ে।
দীর্ঘ 3 বছর কাজ করার মধ্যে কখন যে প্রেম হয়ে গেল তা দুজনই জানে না 🌸
দেবা আর তমা প্রেমিক প্রেমিকার সম্পর্কে জড়িয়ে যায় আর এতটাই গভীর তাদের ভালোবাসা যে কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারত না 🙂
দেবা কিছুদিন পর বাড়ি যায় বাড়ী গিয়ে তমালিকা কথা তার মা বাবা কে জানে কিন্তু তারা এই বিয়ে তে মত দেয় না । তমার বাড়ী থেকেও প্রথমে মানেনি কিন্তু বাড়ির একমাত্র মেয়ে হওয়ার কারণে তার বাবা মা রাজি হয় 🥰
দেবার বাবা মা কিছুতেই রাজি হয় না এই নিয়ে তাদের বাড়ী তে সারাদিন অশান্তি হতো। বাড়ির চেপে দেবাশীষ আর কলকাতায় ফিরে আসতে পারেনি। বাড়িতে তার জন্য মেয়ে দেখেছে কিন্তু সে তখনও তমার সাথে কথা বলতো তাদের দুজনের বিশ্বাস যে তারা এক হবেই 🥹
দেবার বিয়ে ঠিক হলো আশ্বিন মাসে পুজোর পর পর।
কিন্তু যা হওয়ার সেটা তো হবেই পুজোর ঠিক পঞ্চমী এর দিন দেবাশীষ গলায় দড়ি নিয়ে আত্মহত্যা করে 😢
তমা এদিকে কল এ না পেয়ে ম্যাসেজ না পেয়ে তার সাথে যোগাযোগ না করতে পেরে অস্থির।
ঠিক তার পরের দিন কল আসে কিন্তু কল দেবার ছিলো না ছিলো তার মা এর । পুরো খবর দিয়ে ভালোমন্দ অনেক কথা শুনিয়ে কল রাখে দেয় ।
তমার অবস্থা খারাপ পাগলের মত তার আচরণ , সেটা তার মা বাবা সহ্য করতে পারছিল না 💔 তমা নিজেকে ঘর বন্দি করা শুরু করে। আস্তে আস্তে তার মানসিকতা নষ্ট হতে লাগে।
তার মা বাবা ডক্টর দেখিয়ে মেয়ে কে সুস্থ করে তুলছিল এর মাঝে কেটে যায় অনেক মাস । সব কিছু স্বাভাবিক চলছিল। তমা মুভ অন করেছিল । এর মাঝেই বসন্ত কাল চলে আসে।
ঠিক বাসন্তী পুজোয় পঞ্চমীর দিন তমালিকা গলায় দড়ি নিয়ে আত্মহত্যা করে 💔
হয়তো দেবাশীষই তার প্রেমিকা কে নিয়ে গিয়েছে ওপরে কারণ এপারে তাদের মিলন সম্ভব ছিল না ।😊