Rajesh Mahato Photography

Rajesh Mahato Photography Rajesh Photographer

বিসর্জন মানে মা আসবে আবার ফিরেখুশিতে থাকুক সবাই তোমায় ঘিরে,মনকে শুধু বোঝাই তবেআসছে বছর আবার হবে।
16/06/2022

বিসর্জন মানে মা আসবে আবার ফিরে
খুশিতে থাকুক সবাই তোমায় ঘিরে,
মনকে শুধু বোঝাই তবে
আসছে বছর আবার হবে।

Indian playback singer Vinod Rathod.
18/09/2021

Indian playback singer Vinod Rathod.

শুনে দেখেছো কি..?হাওয়ার গল্প,পাখিদের গান আর ওই সবুজের কোলাহল......In frame:-
16/07/2019

শুনে দেখেছো কি..?হাওয়ার গল্প,পাখিদের গান আর ওই সবুজের কোলাহল......

In frame:-

চলন্তিকা তোর বৃহৎ বুকে আকাশ পাতাদোলা দেওয়া হৃদপিন্ড লাল আকাশ আমার  বুকে।চলন্তিকা তুই আকাশ হতে পারিসহতে পারিস কোনো পাহাড়ি...
31/05/2019

চলন্তিকা তোর বৃহৎ বুকে আকাশ পাতা
দোলা দেওয়া হৃদপিন্ড লাল আকাশ আমার বুকে।
চলন্তিকা তুই আকাশ হতে পারিস
হতে পারিস কোনো পাহাড়ি তিরতির ঝরনা।
সৃষ্টির বুক চিরে তুই এগিয়ে যাস
ক্রমশ নিচে আরো নিচে।
কেন চলন্তিকা
তুই তো নারীরুপি অমোঘ খাজুরাহ পৃথিবীর বুকে
এক সৃষ্টিরুপী জীবিত প্রবাহ।

প্রকৃতি যখন হাতছানি দেয়।
31/05/2019

প্রকৃতি যখন হাতছানি দেয়।

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছিদেখা যায় তোমাদের বাড়িতার নীল দেয়াল যেন স্বপ্ন বেলোয়ারিতার কাঁচ দেয়াল যেন স্বপ্ন বেলোয়ার...
28/05/2019

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি
তার নীল দেয়াল যেন স্বপ্ন বেলোয়ারি
তার কাঁচ দেয়াল যেন স্বপ্ন বেলোয়ারি।

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি,
আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি।

চিলেকোঠায় বসা বাদামী বেড়াল
বোনে শূণ্যে মায়াজাল
ছাইরঙা পেঁচা সেই চোখ টিপে
বসে আছে কতনা বছরকাল।
কালো দরজা খুলে বাইরে তুমি এলে
বাগানের গাছে হাসি ছড়াবে বুনো ফুলে।
সেই বাড়ির নেই ঠিকানা
শুধু অজানা লাল সুরকির পথ
শূণ্যে দেয় পাড়ি।

বাঁকানো সিঁড়ির পথে সেখানে নেমে আসে
চাঁদের আলো
কাউকে চেনো না, তুমি তোমাকে চেনে না কেউ
সেই তো ভালো।
সেথা একলা তুমি গান গেয়ে ঘুরে ফিরে
তোমার এলোচুল ঐ বাতাসে শুধু ওড়ে।
সেই বাড়ির নেই ঠিকানা
শুধু অজানা লাল সুরকির পথ
শূণ্যে দেয় পাড়ি।

আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি,
আকাশে ছড়ানো মেঘের কাছাকাছি
দেখা যায় তোমাদের বাড়ি।।

Street Photography
25/05/2019

Street Photography

মনে করো, যেন বিদেশ ঘুরেমাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে।তুমি যাচ্ছ পালকিতে, মা, চ'ড়েদরজা দুটো একটুকু ফাঁক ক'রে,আমি যাচ্ছি রাঙা...
12/05/2019

মনে করো, যেন বিদেশ ঘুরে
মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে।
তুমি যাচ্ছ পালকিতে, মা, চ'ড়ে
দরজা দুটো একটুকু ফাঁক ক'রে,
আমি যাচ্ছি রাঙা ঘোড়ার ‘পরে
টগবগিয়ে তোমার পাশে পাশে।
রাস্তা থেকে ঘোড়ার খুরে খুরে
রাঙা ধূলোয় মেঘ উড়িয়ে আসে।
সন্ধ্যে হল, সূর্য নামে পাটে,
এলেম যেন জোড়াদিঘির মাঠে।
ধূ ধূ করে যে দিক-পানে চাই,
কোনোখানে জনমানব নাই,
তুমি যেন আপন-মনে তাই
ভয় পেয়েছ-ভাবছ, ‘এলেম কোথা।’
আমি বলছি, ‘ভয় কোরো না মা গো,
ওই দেখা যায় মরা নদীর সোঁতা।’
আমরা কোথায় যাচ্ছি কে তা জানে-
অন্ধকারে দেখা যায় না ভালো।
তুমি যেন বললে আমায় ডেকে,
‘দিঘির ধারে ওই-যে কিসের আলো!’
এমন সময় ‘হাঁরে রে রে রে রে’
ওই - যে কারা আসতেছে ডাক ছেড়ে!
তুমি ভয়ে পালকিতে এক কোণে
ঠাকুর-দেবতা স্মরণ করছ মনে,
বেয়ারাগুলো পাশের কাঁটাবনে
আমি যেন তোমায় বলছি ডেকে,
‘আমি আছি, ভয় কেন, মা, করো!’
তুমি বললে, ‘যাস নে খোকা ওরে,’
আমি বলি, ‘দেখো-নাচুপ করে।’
ছুটিয়ে ঘোড়া গেলেম তাদের মাঝে,
কী ভয়ানক লড়াই হল মা যে
শুনে তোমার গায়ে দেবে কাঁটা।
কত লোক যে পালিয়ে গেল ভয়ে,
কত লোকের মাথা পড়ল কাটা।।
এত লোকের সঙ্গে লড়াই ক'রে,
ভাবছ খোকা গেলই বুঝি মরে।
আমি তখন রক্ত মেখে ঘেমে
বলছি এসে, ‘লড়াই গেছে থেমে,’
তুমি শুনে পালকি থেকে নেমে
চুমো খেয়ে নিচ্ছ আমায় কোলে
বলছ, ‘ভাগ্যে খোকা সঙ্গে ছিল’
কী দুর্দশাই হত তা না হলে!’

সত্যিই মা কথাটি অনেক মধুর এবং ভালোবাসার এক বিশাল আকাশ, অথৈ সাগর এবং সভ্যতার উষালগ্ন থেকেই সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত প্রেমময়ী এক নাম।
” মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনা সুদে অকৃত্রিম ভালোবাসা।”

আপনি যত বড়ই হন না কেন, মায়ের কাছে আপনি সেই ছোট শিশুর মতোই। আপনার বাড়ি ফিরতে দেড়ি হলে কিংবা ফোন বন্ধ থাকলে মায়ের চেয়ে বেশি কষ্ট আর কেউ পায় না। যখন আপনি দরজায় এসে দাঁড়ালে সবার আগে দৌড়ে গিয়ে বলবে খোকা এসেছিস, কত টেনশনে ছিলাম। মায়ের হাতের রান্না করা খাবার সব খাবারের ঊর্ধ্বে। মায়ের আর বাবার দুজনেরই সমান অবদানের কথা বলা হলেও বাবা খানিকটা আড়ালেই থাকেন মায়ের অপরিসীম আর অনবদ্য ভূমিকার কারণে। মা হলো একাধারে অভিভাবক, বন্ধু বা কাছের একজন, যাঁর সঙ্গে অভিমান কার যায়, আবার নিজের ভেতরের সবকিছু উগড়ে দেওয়া যায়।
পৃথিবীতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্ট হবে যে মাকে ভালোবাসে না। ব্যতিক্রমের বিষয়টা বাদ দিয়ে এটাই আমাদের সাধারণ জীবনের অসাধারণ এক সমীকরণ। যে বৃত্তে বন্দি প্রায় প্রতিটি প্রাণী; শুধু মানুষ বললেই ভুল হবে, প্রায় প্রতিটি জীবই মাতৃত্বের এই গোলক ধাঁধার কাছে হার মানতে বাধ্য হয়েছে। একবার চিন্তা করে দেখুন তো, মাতৃত্বের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যদি ব্যাহত হতো। তাহলে অবস্থাটা কী হতো? আর যাই হোক, যে এক জীবনে মাকে পেল, সে মাকে হারাতে চাইবে না কোনো দিন। এই পৃথিবীতে মা ছাড়া কেউ তাঁর সন্তানকে স্বার্থহীন ভাবে ভালোবাসে না। মায়ের ভালোবাসার মধ্যে আছে প্রকৃত সুখ।

মায়ের ভালোবাসাকে স্বরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর পালন করা হয় Mother’s Day মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে “মা দিবস” হিসাবে উদযাপনের ঘোষণা দেয়া হয় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেসে। আর তখন থেকেই এই দিনে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে এই দিবস। বিশ্বের প্রায় ৪৬টি দেশে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। কথিত আছে, ব্রিটেনেই প্রথম শুরু হয় মা দিবস পালনের রেওয়াজ, কেননা সেখানে প্রতি বছর মে মাসের চতুর্থ রবিবারকে মাদারিং সানডে হিসাবে পালন করা হতো।

মা-ই পারে নিদ্রাহীন রাত কাটিয়ে রোগগ্রস্ত সন্তানকে সেবা প্রদান করে সুস্থ করে তুলতে। এই মা-ইতো প্রথমে অ আ অক্ষর এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রাথমিক পাঠ দেন। তারপর ধীরে ধীরে প্রস্তুত করেন স্কুলে পাঠাতে। প্রাথমিক থেকে সর্বশেষ শিক্ষা সমাপনে মায়ের যে ভূমিকা তা কোন সু-সন্তানকে নিশ্চয়ই নূতন করে মনে করিয়ে দেবার প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয়না। তবে কু-সন্তানেরা এই মমতাময়ী মাকে দুধের ঋণ শোধ দূরে থাক, কুলাঙ্গার সন্তান সেই মাকে কতইনা কষ্ট দিয়ে চলে। মায়ের আদর, মমতা, শাসন সর্বোপরি দায়িত্ববোধ আর কারও সাথে তুলনা চলেনা। সেই মায়েরা যখন সন্তানদের কাছ থেকে কষ্ট পায়, আঘাত পায় এবং অমানুষিক নির্যাতন ভোগ করে তখন ঐ মা যে কিভাবে নিজেকে শীতল রাখেন তা ভাবা অত্যন্ত কঠিন বিষয়। মা তো মা, সে তবুও সন্তানকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে প্রাণান্ত চেষ্টায় নিবিষ্ট থাকে, কখনো সফল হয় কখনো ব্যর্থ হয়। মা ভীষণ কষ্ট পায় যখন নিজের গর্বের সন্তান তার বৌয়ের অসহযোগিতার কারণে মাকে নিজের সাথে না রেখে বৃদ্ধ বয়সে আলাদা করে দেয়। এই কষ্ট কোন ভাষায় প্রকাশ করা যায়না। সন্তান যখন ভরন পোষণের দায়িত্ব নেয়না, এমনকি দেখা সাক্ষাতও করেনা, একটু গভীর ভাবে ভাবুনতো কি অব্যক্ত ব্যথা জাগবে মায়ের মনে! ভাববেন, তা হলে বাবার দায়িত্ব কি?

মা কথাটি ছোট্ট অতি
কিন্তু জেনো ভাই,
ইহার চেয়ে নাম যে মধুর
ত্রি ভুবনে নাই।

ওরা চিরকাল টানে দাঁড় ধরে থাকে হালওরা মাঠে মাঠে বীজ বোনে পাকা ধান কাটেওরা কাজ করে নগরে প্রান্তরেমহান মে দিবসে সমস্ত খেটে ...
01/05/2019

ওরা চিরকাল টানে দাঁড় ধরে থাকে হাল
ওরা মাঠে মাঠে বীজ বোনে পাকা ধান কাটে
ওরা কাজ করে নগরে প্রান্তরে

মহান মে দিবসে সমস্ত খেটে খাওয়া মানুষকে আমার শ্রদ্ধা।

ল্যাটেরাইট বা মাকড়া পাথরে নির্মিত গোকুল চাঁদ মন্দির হল বাঁকুড়া জেলার বৃহত্তম পঞ্চরত্ন মন্দির। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর মহ...
30/04/2019

ল্যাটেরাইট বা মাকড়া পাথরে নির্মিত গোকুল চাঁদ মন্দির হল বাঁকুড়া জেলার বৃহত্তম পঞ্চরত্ন মন্দির। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার জয়পুর থানার আন্তরগত গ্রাম গোকুল নগর। এই গোকুল নগরের মধ্যমণি হলেন গোকুল চাঁদ। বিষ্ণুপুরকে বলা হয় গুপ্ত বৃন্দাবন। কৃষ্ণ প্রেমে মাতোয়ারা মল্ল রাজারা বনবিষ্ণুপুরের ১২ মাইল পূর্বে তৈরি করেন গোকুল। অর্থাৎ, শ্রী কৃষ্ণের জন্মস্থান। যমুনা বাঁধের (জয়পুর এর সমুদ্র বাঁধ এর থেকে আগাত ঝরনা) তীরে গোকুল চাঁদের অবস্থান। মন্দিরের দুই পাসে দুটি বাঁধ, একদিকে যেমন দৃষ্টি সুখের রসদ যোগায়, অন্যদিকে তেমনই গোকুল চাঁদের প্রহরীরও কাজ করে।

এই মন্দিরের তিন দিকে আছে বিষ্ণুর তিন অবতার নৃসিংহ অবতার, বামন অবতার এবং বরাহ অবতারের পাথরের খচিত বিগ্রহ ও তাদের পৃথক মন্দির। বরাহ অবতারের মূর্তিটির সাজসজ্জা বা অস্ত্রশস্ত্রর কারুকার্য অদ্ভুত সুন্দর ও জীবন্ত। যদিও গোকুল চাঁদ এবং অন্যান্য মন্দিরের বেশির ভাগ মূর্তিই চুরি হয়ে গিয়েছে। ঐতিহাসিকদের মতে, ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দে রাজা চন্দ্র মল্ল এই মন্দির স্থাপন করেন (এ বিষয়ে মতান্তর রয়েছে)। গকুলনগর ছিল তখনকার অন্যতম প্রধান জনপদ। এই গকুল নগর ধরেই তৎকালীন রাজধানী তাম্রলিপ্ত যাতায়াত করতেন বহু সওদাগর, রাজা-মহারাজারা। যাওয়ার পথে যাত্রীদের জিরিয়ে নেওয়ার জায়গা ছিল এই মন্দিরটি।

এ বার আসি মন্দিরের প্রসঙ্গে। মন্দির চত্বরটি বেশ বড়। পূর্ব, পশ্চিমে প্রায় ১৮০ ফুট আর উত্তর, দক্ষিণে প্রায় ১৪০ ফুট উঁচু মাকড়া পাথরে তৈরি প্রাচীর ঘেরা এই মন্দির। মন্দির চত্বরের একদিকে মাকড়া পাথরের তৈরি মূল পঞ্চরত্ন মন্দির। মন্দিরের সামনে রয়েছে বড় একটি নাটমন্দির। মন্দিরের একপাশে প্রবেশদ্বার। এই প্রবেশদ্বারটি মাকড়া পাথরের উপর নিখুঁত হাতের অপরূপ সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম কারুকার্যে সাজানো। প্রবেশ দ্বারের দেয়ালের কুলুঙ্গিতেই পাওয়া গিয়েছিল বিষ্ণু মূর্তি যা এখন সংগ্রহ শালায় সযত্নে রাখা আছে। কুলুঙ্গির উত্তর দিকে একটি উপমন্দির রয়েছে। যেখানে বৌদ্ধ এবং জৈন তীর্থঙ্করের ভগ্ন মূর্তি আছে। এর থেকেই অনুমান করা যায়, কালে কালে অনেক ধর্মেরই স্থান হয়েছে এই মন্দিরে। চিনা পরিব্রাজক হিউ এন সাং-এর বর্ণনা অনুযায়ী, এই অঞ্চলে সে সময় জৈন ধর্মের খুব প্রভাব ছিল।

চোখ জুড়ানো কারুকার্য-খচিত বিশাল এই মন্দিরটি প্রায় ৬০ ফুট উঁচু মোটা মোটা পাথরের দেওয়াল, থাম আর খিলান যুক্ত। মন্দিরের গর্ভগৃহটি এক কথায় অপূর্ব। দেখলে চোখ, মন যেন জুড়িয়ে যায়! এর চারদিকে অনেকগুলি খিলান, খিলানে ছোট ছোট নকসা। মন্দিরের গায়ে দশাবতারের মূর্তি খোদাই করা রয়েছে। এরই সঙ্গে দেওয়ার বিভিন্ন অংশে খোদাই করে রাসলীলা আর মহাভারতের বিভিন্ন ঘটনা চিত্রায়িত রয়েছে। মন্দিরের উপরে পাঁচটি চুড়ার মাঝেরটি সবচেয়ে বড় আর উঁচু। চুড়ার উপরের অংশ ক্রমশ ছুঁচালো হয়ে উপরে উঠে গিয়েছে। চুড়ার একেবারে উপরে একটি করে কলস বসানো রয়েছে।

মন্দিরের গর্ভগৃহে সিংহাসনের ওপর গোকুল চাঁদ অর্থাৎ, কষ্টিপাথর নির্মিত শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি রয়েছে আর তাঁর বাঁ পাশে রয়েছে অষ্টধাতুর তৈরি শ্রীরাধিকা। মন্দিরের সামনে রয়েছে বিরাট নাটমন্দির। এই নাটমন্দিরেই এক কালে ভজন, কীর্তন, ভগবত পাঠ ইত্যাদি হতো মনে করা হয়।

নাট মন্দিরের ভিতরে দুটি পল এবং নকসা আঁকা স্তম্ভ আর সামনের দিকে আরও তিনটি স্তম্ভ রয়েছে। কীর্তন মণ্ডপের মূল দেওয়ালে তিনটি ছোট ছোট কুঠুরি রয়েছে আর এক দিকের দেওয়াল ঘঁসে ছাদে ওঠার সিঁড়ি। নাট মন্দিরের ছাদে বসে সামগ্র গোকুল চাঁদ মন্দির ভালভাবে দেখা যায়। মণ্ডপের ভিতরে, দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে একটি বড় কুলুঙ্গি বা দেবতা স্থাপনের জায়গা রয়েছে। মনে করা হয়, এই সব কুলুঙ্গিতে এক সময় অনেক দেব-দেবির মূর্তি রাখা ছিল।

এই মন্দিরের চারদিকে বেশ কয়েকটি প্রচীন শিব মন্দিরও রয়েছে। যেমন, গোকুলনগর মৌজার উত্তর পূর্ব দিকে রয়েছে গন্ধেশ্বর শিবের মন্দির, যেখানে বাঁকুড়া জেলার বৃহত্তম শিব লিঙ্গটি রয়েছে। কালা পাহাড়ের আক্রমণে ক্ষত-বিক্ষত গন্ধেশ্বর-এর ভাস্কর্য আজও পর্যটকদের অবাক করে।

অনেক ইতিহাসবিদদের ধারণা, গোকুলনগর এবং সলদা অঞ্চল যদি ভালভাবে খনন করা হয় তাহলে ইতিহাসের অনেক অজানা তথ্য সামনে উঠে আসবে। শোনা যায়, গৌড় রাজ শশাঙ্কর আমলে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ জনপদ ছিল এই অঞ্চল। শোনা যায়, প্রদুম্নপুরের সামন্ত রাজারা এখানে বসবাস করতেন। বার বার তুর্কি আক্রমণে ক্রমশ ধ্বংস হয়ে যায় এই মন্দির। তবু পশুপতি শিব দিগম্বরের মূর্তি এবং বিষ্ণু মূর্তির ভগ্নাবশেষে এখনও ধিকি ধিকি করে বেঁচে আছে অনেক ইতিহাস।

প্রত্নতাত্ত্বিক রাখালদাস বান্দপাধ্যায়ের মতে, প্রাচীনতম লাকুরিশ মূর্তি এখানে ছাড়া গোটা বাংলাদেশের আর কোথাও দেখা যায় না। এই গোকুল নগরে জৈন, বৌদ্ধ, শাক্ত, শৈব, ভাগবত, প্রাক-চৈতন্য, বৈষ্ণবীও, বাউল, রামায়ণ-- সব মিলে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে গোকুল চাঁদ মন্দিরে নিত্তপুজা ছাড়াও দোল পূর্ণিমায় ভক্ত সমাগম হয়। দোল পূর্ণিমায় এখানে নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন কয়েকশো মানুষ। মেলা, কীর্তন, ভগবত পাঠে সারা গোকুল এক অন্য চেহারা নেয়।

গোকুল চাঁদের দর্শন করতে চাইলে বিষ্ণুপুর থেকে বিষ্ণুপুর-কতুলপুরগামী যে কোনও বাসে চড়ে জয়পুর বাসস্টপে নেমে সেখান থেকে টোটো বা গাড়িতে করে যাওয়া যায় পৌঁছে যাওয়া যায় গন্তব্যে। এই শীতের মরসুমে বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুরে টেরাকোটায় মোড়া ইতিহাসের অলি-গলিতে ঘুরে দেখতে এলে গোকুল চাঁদ মন্দিরে আসতে ভুলবেন না! কারণ এখানে না এলে হয়তো বাংলার মল্ল রাজাদের সম্পর্কে অনেক কিছুই অদেখা-অজানা থেকে যাবে।

27/04/2019
।।প্রচণ্ড গরমে উষ্ণ প্রেম।।
22/04/2019

।।প্রচণ্ড গরমে উষ্ণ প্রেম।।

Address

Purulia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajesh Mahato Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category